Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য নেম অব দ্য গেম ইজ অ্যা কিডন্যাপিং – কেইগো হিগাশিনো

    কেইগো হিগাশিনো এক পাতা গল্প310 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অ্যা কিডন্যাপিং – ১৫

    পনেরো

    মুক্তিপণের টাকা হাতে পাওয়ার পর দুদিন কেটে গেছে। নোটগুলোর মধ্যে কোনো পরিবর্তন চোখে পড়েনি। হাত দিয়ে আলতো করে দেখেছি, না, অদ্ভুত কিছু হয়নি। তারমানে টাকার মধ্যে কোনোধরনের ফাঁদ পাতা হয়নি।

    একটা গ্রোসারি ব্যাগে তিরিশ মিলিয়ন ইয়েন ভরে রেখে দিলাম। “এই যে, আমার অংশটা নিয়ে নিলাম। বাকি পুরোটা তোমার।”

    জুরি টেবিলের নোটের স্তূপের দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “বিশাল ঝামেলা মনে হচ্ছে। এর ওজনও অনেক হবে।”

    “আমরা যে একটা বিশাল ম্যাচ খেলে এসেছি, এটা তারই প্রমাণ।”

    তার দিকে একটা ডিপার্টমেন্ট স্টোর পেপার ব্যাগ এগিয়ে দিলাম। সে টাকা ভেতরে ঢোকানো শুরু করলো। দুইশ সত্তর মিলিয়ন ইয়েন। জানা কথা অনেক ভারী হবে।

    “এই টাকা দিয়ে আমি কী করব?”

    “তোমার যা মনে চায় তুমি করতে পারবে। এটা সম্পূর্ণই তোমার। কিন্তু টাকা না ছড়ানোই বরং ভালো হবে।”

    জুরি জোরে মাথা ঝাঁকালো। “আমি সেটা বলতে চাইনি। আমি তো আর এই টাকার বস্তা নিয়ে বাড়িতে ঢুকতে পারবো না। এটা কি কয়েন লকারে ঢুকিয়ে রেখে দেবো? পরে পরিস্থিতি ঠান্ডা হলে সেটা বের করে আনলাম?”

    “কয়েন লকার ব্যবহার করাটা কিন্তু বিপজ্জনক। যদি কোনোভাবে তারা চাবিটা খুঁজে পায়, তবেই হয়েছে। আর পরিস্থিতি ঠান্ডা হতে হতে কত সময় লেগে যাবে তা তো আমরা কেউই জানি না। অথচ নির্দিষ্ট সময় পরেই কিন্তু স্টোরেজের মেয়াদ ফুরিয়ে যাবে। মেয়াদ শেষ হলে লকারটা খোলা হবে। গেম ওভার।”

    “তাহলে আমার কী করা উচিত?”

    “তোমার চেনাজানা কোনো আশ্রয়স্থল আছে? এমন কোনো জায়গা যেটার কথা কেবল তোমারই জানা আছে? যদি থাকে, তবে সেখানে কিছুদিনের জন্য রেখে আসতে পারো।”

    কিছুক্ষণ চিন্তা করার পর সে মুচকি হাসলো। “একটা জায়গার কথা মনে পড়েছে। খুবই ভালো জায়গা।”

    “কোথায়?” প্রশ্নটা করার সাথে সাথে সে কোন জায়গার কথা বলতে চাইছে, তা ধরতে পারলাম। মুখ কালো হয়ে গেল। “আমি জানি তুমি এ বাসার কথা বলবে, কিন্তু সেটা করা যাবে না। তোমাকে নিরাপদে পৌঁছে দেবার পর তোমার-আমার মধ্যকার সব সম্পর্ক চুকেবুকে যাবে। আমরা শুরুতেই কিন্তু সেটা ঠিক করে রেখেছি, মনে নেই?”

    “কিন্তু আর কোনো ভালো জায়গার কথা তো মনে আসছে না।”

    তার হাবভাব দেখে বুঝতে পারলাম, সে আসলেই আমার ঘরে টাকাগুলো রাখতে চেয়েছিল। “আচ্ছা, চলো বের হই।”

    “কোথায় যাচ্ছি আমরা?”

    “আমার সাথে চলো আগে। তাহলেই টের পাবে।” উঠে দাঁড়ালাম। “ওহ হ্যাঁ, দুইশ সত্তর মিলিয়ন ইয়েনের প্যাকেটটা সাথে নিতে ভুলো না কিন্তু।”

    ঘর থেকে বেরিয়ে পার্কিং লটে চলে গেলাম। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি, রাত সাড়ে ন’টা বেজে গেছে।

    “অ্যাই, বলো না আমরা কোথায় যাচ্ছি? এখন তো আমাকে বলতে পারো, তাই না?”

    “ইয়োকোসুকা।”

    “আবার ইয়োকোসুকা?”

    “তুমি বলেছিলে যে তোমার এক বান্ধবী আমেরিকায় গেছে, ঠিক না? ইউকি না কী যেন নাম? আমরা যার আন্সারিং মেশিন মুছে দিয়ে এলাম।”

    আচ্ছা, সে অবশেষে আমার পরিকল্পনাটা আঁচ করতে পারলো। “তাহলে আমরা ওটা ইউকির ঘরে লুকিয়ে রাখবো।”

    “সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা তো ওটাই, তাই না?”

    আন্সারিং মেশিনের ঘটনাটা অনেক মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে ঘরটা আছে বলেই স্বস্তি লাগছে। আমি নিজেও টাকা লুকোনোর জন্য ভালো জায়গা মনে মনে খুঁজছিলাম।

    এমআর-এস এ ঢুকে সেটার ছাদটা তুলে দিয়ে ড্রাইভ করা শুরু করলাম। জুরি টাকার প্যাকেটটা হাঁটুর ওপর রেখে সেটাকে জড়িয়ে রেখেছে। এখন থেকে এটাই তার জীবন চলার পথে সাহায্য করবে।

    “অ্যাই, তোমার কি মনে হয় পুলিশের তদন্ত শুরু হয়ে গেছে?” সে জিজ্ঞেস করলো।

    “অবশ্যই। আমরা ফ্যাক্স পাঠানোর পর থেকেই সেটা শুরু হয়ে গেছে।”

    “তারা আবার কোনো সূত্র-টুত্র খুঁজে পাবে না তো?”

    “কোনোভাবেই না।” ঠোঁটটা কুঁচকে ফেললাম, “কিছু খুঁজে পেলেও সেটা ভুয়া হবে। ঐ যে, দূর থেকে আসা হুইসলের শব্দের মতো ছোটোখাটো ভুয়া সূত্র আরকি।”

    ইমেইল বা মোবাইল দিয়ে আমাদের ওরা ট্রেস করতে পারবে না। একমাত্র সাক্ষী হিসেবে নাকামুরার কথা বলা যায়। কিন্তু জুরির কথা যদি সত্যি বলে ধরে নিই, তবে মানুষটা পুলিশকে কোনো তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারবে না।

    “কিন্তু একটা সত্যিকারের সূত্র তো রয়েছেই।” জুরি বলে উঠল।

    “কোনটা?”

    “কালপ্রিট ইংরেজিতে কথা বলতে পারে। তাও আবার ব্রিটিশদের মতো করে।”

    কথাটা শোনার সাথে সাথে চমকে গিয়ে স্টিয়ারিং হুইল থেকে হাত সরে গিয়েছিল। গাড়িটা আরেকটু হলেই রাস্তার মাঝখান থেকে বামদিকে সরে যাচ্ছিল। দ্রুত সেটাকে আগের মতো করলাম।

    “তোমার ইংরেজি কেমন? ভালো?” নিজেকে শান্ত করতে করতে ওকে জিজ্ঞাস করলাম।

    “মোটেই না। আমি অবশ্য এসব ব্রিটিশ টান সম্পর্কে তেমন কিছুই জানি না। তবে শুনে ব্রিটিশ স্টাইলের ইংরেজি বলেই মনে হচ্ছিল। ভুল বললাম?”

    “হয়তো।” টের পেলাম, ঘেমে গেছি।

    সে ঠিকই ধরেছিল। আমি লন্ডনে প্রায় একবছর থেকে এসেছি। সেসময়ে ইংরেজিতে দক্ষ হয়েছি বলা যায়। অনেকেই সেটা ধরতে পারে।

    এক্সপ্রেসওয়ে পার হয়ে ইয়োকোসুকাতে হাজির হলাম। এর আগে যে রেঁস্তোরাতে নেমেছিলাম সেটা চোখে পড়লো। মনে পড়লো, ওখানে কেউ একজন আমার এমআর- এস গাড়িটাকে স্প্রে পেইন্ট করে নষ্ট করে দিয়েছিল।

    “তুমি আগেরবারের মতো আবার ওখানে অপেক্ষা করতে পারবে?” জুরি জিজ্ঞেস করলো।

    “না, জায়গাটা আমার জন্য কুফা। তাই কাছাকাছি কোথাও পার্ক করবো।”

    “কাছাকাছি বলতে…”

    “ইউকির বাসার কাছে। অত বড়ো ব্যাগ বহন করাটা তোমার জন্য কষ্টকর হবে, তাই না?”

    “সমস্যা নেই। বরং তুমি এই টাইপ গাড়ি নিয়ে দাঁড়ালে আশেপাশের লোকজনের চোখে পড়ে যাবে।”

    “তুমিই বরং লোকজনের চোখে পড়ে যাবে বলে আমার ভয় হচ্ছ। তুমি তো খালি প্যাকেজটা রুমে রেখে চলে আসবে, এই তো? তাই খানিকটা সময়ের জন্য পার্ক করলে কেউ কিছু মনে করবে না। রাস্তাটা দেখিয়ে দাও।”

    “আচ্ছা, উম, সামনের ডানদিকের গলিটাতে ঢোকো।”

    “ডানদিকে?” ব্লিংকার চালু করে ডানের রাস্তায় ঢুকে পড়লাম।

    কিন্তু এরপর থেকে বাকিটা পথ অসহনীয় ছিল। জুরির দিকনির্দেশনা অনেক বাজে ছিল। কোনদিকে মোড় নিতে হবে সেটাও সে মাঝেমাঝে ভুলে যেতে লাগল। অবশেষে তিরিশ মিনিট ঘোরাঘুরির পর আমরা বাসার সামনে পৌঁছালাম। জুরি অযুহাত দেখাতে লাগল সে নাকি কখনো ওখানে গাড়িতে করে যায়নি।

    “তা সত্ত্বেও, অভিজ্ঞতাটা খুব বাজে ছিল। যাকগে, ওটাই তো সেই বাসাটা?” ডানদিকে তাকালাম। সাদারঙের একটা চারতলা বিল্ডিং চোখে পড়ছে। তবে বেশি ইউনিট চোখে পড়ছে না। মধ্যরাত হয়ে গেছে, তাই কেবল অর্ধেক সংখ্যক ঘরে বাতি জ্বলছিল।

    “তাহলে আমি গেলাম।”

    “সাবধানে যেও।”

    গাড়ির ভেতর থেকে জুরির কাঁধটা দেখতে থাকলাম। সে টাকার ভারি প্যাকেটটা হাতে নিয়ে বের হয়ে গেল। সৌভাগ্যক্রমে রাস্তায় খুব বেশি লোকজন ছিল না। এত রাতে মানুষজন না থাকাটাই স্বাভাবিক। যাক, আমাদের কেউ দেখে ফেলবে এই ভয়টা

    আর করতে হচ্ছে না।

    বিল্ডিংটার দিকে তাকালাম। রুম নম্বরটা ওকে জিজ্ঞেস করিনি, তাই জুরি কয়তলায় যাবে সেটা নিশ্চিত ছিলাম না। চারতলা বিল্ডিং তো, তাই হয়তো লিফটও নেই। অতবড়ো প্যাকেজটা ওঠাতে তাকে বেশ বেগ পেতে হবে।

    পাঁচমিনিট অপেক্ষার পর একটা জিনিস খটকা লাগলো। ব্যাপারটা কী? কোনো জানালাতে নতুন করে বাতি জ্বলতে দেখছি না। ইউকির রুম অন্ধকার থাকার কথা, তাই জুরি ঢোকার সাথে সাথে তাকে বাতি জ্বালাতে হবে।

    নাকি অন্যপাশ থেকে দেখছি বলে সেটা চোখে পড়ছে না?

    আরো পাঁচমিনিট পর জুরি বেরিয়ে এলো। সে জগিংয়ের গতিতে রাস্তা পার করে গাড়ির দিকে এগিয়ে এলো।

    “অপেক্ষা করানোর জন্য দুঃখিত,” সে প্যাসেঞ্জার সিটে বসতে বসতে বলল। লক্ষ করলাম, সে অল্প অল্প হাঁপাচ্ছে।

    “ভালোমতো লুকিয়েছ তো?” গাড়িটা চালু করতে করতে জিজ্ঞাসা করলাম।

    একদম নিখুঁতভাবে।”

    ““ইউকির বাবা-মা কিংবা অন্যকেউ সেটা খুঁজে বের করতে পারবে না তো?”

    “সেটা নিয়ে ভাবতে হবে না। সে আমাকে বলেছে কখনো ওরকম হবে না। আর তাছাড়া কেউ ঢুকলেও সেটা সহজে খুঁজে বের করতে পারবে না।”

    “ইউকির রুম কি অনেক বড়ো নাকি?”

    “না। তবে সেখানে প্রচুর ফার্নিচার এলোমেলো করে সাজিয়ে রাখা।”

    “আর ফ্লোর প্ল্যানটা কীরকম?”

    “অ্যাঁ?”

    “ইউকির রুমটা কী ধাঁচের সেটা জিজ্ঞেস করছি। স্টুডিয়ো অ্যাপার্টমেন্ট নাকি?”

    “উম, হ্যাঁ হ্যাঁ। হঠাৎ এই প্রশ্ন?”

    “না, এখানকার অল্পবয়স্করা কীরকম রুমে থাকে জানতে মন চাইলো।”

    যদি স্টুডিয়ো অ্যাপার্টমেন্ট হয়েই থাকে, তাহলে বাতি জ্বালালে বাইরে থেকে টের পাওয়ার কথা, ভাবলাম।

    কিছুক্ষণ ড্রাইভ করার পর জুরি বলে উঠলো, “অ্যাই, ঐ জায়গাটায় যাবে?”

    “কোথায়?” ব্রেকে চাপ দিলাম।

    “আরে, ঐ জায়গাটায়। মনে নেই? আমরা শেষবার যখন এখানে এসেছিলাম, ‘ঐ’ জায়গাটায় গিয়েছিলাম।”

    “ওহ…” না, সেটার কথা ভুলিনি। “হঠাৎ এখানে কেন?”

    “কারণ আজকের রাতটাই আমাদের একসাথে কাটানো সর্বশেষ রাত। এরপরে আমাকে বাড়ি ফিরে যেতে হবে। তোমার সাথে আমার আর দেখা হবে না।”

    আমি চুপ করে রইলাম। সে ঠিকই বলছে। মনে মনে ভাবছিলাম তাকে কোথাও রেখে এসে তারপর কাতসুরাগিকে ফোন দেবো। এর মাধ্যমেই গোটা খেলাটার সমাপ্তি ঘটবে।

    “ঐ স্মৃতিময় জায়গাটায় যেতে মন চাইছে।” সে কিছুটা লজ্জার সুরে বলল।

    আমি ব্রেক প্যাডাল থেকে পা উঠিয়ে নিলাম। ইয়োকোসুকা এলাকাটাকে আমরা পুলিশকে ফাঁদে ফেলার জন্য ব্যবহার করছি, তাই এখানে বেশিক্ষণ থাকাটা ঠিক হবে না। কিন্তু পরক্ষণেই ভাবলাম, কিছুক্ষণের জন্য থাকলে সমস্যা হবে না। সে যা বলেছে তা একদম সত্যি। আজকের রাতটা আসলেই আমাদের একসাথে কাটানো সর্বশেষ রাত।

    আধাঘণ্টা পর আমরা পৌঁছে গেলাম মিউরা পেনিনসুলার সেই অগ্রভাগে। সে রাতের মতো আজকেও গাড়ির ছাদটা খুলে দিলাম। ঘাসের সোঁদা গন্ধটা নাক দিয়ে টেনে নিলাম। পাশে থাকা জুরিও তাই করছিল।

    দুর্ভাগ্যক্রমে আজকের আকাশটা মেঘে ঢাকা ছিল। তাই তারা দেখার সুযোগ মিলল না।

    “অল্প সময় আমরা একসাথে কাটিয়েছি, কিন্তু প্রত্যেকটা মুহূর্ত আমার আনন্দে কেটেছে।” জুরি আমার দিকে তাকিয়ে বলল।

    “দুর্দান্ত একটা খেলা খেলেছি আমরা।”

    “আমার মনে হয় আগামীকালের পর থেকে প্রত্যেকটা দিন আমার বিরক্তিকর কাটবে।”

    “না, বিরক্তিকর কাটবে না। বারবার তোমাকে একই কথা বলতে বাধ্য হচ্ছি, তোমার কিন্তু আরো অনেক কাজ বাকি।”

    “সেটা কিছুই না। এতদিন যা যা করে এসেছি, তার সাথে তুলনা করলে কিছুই মনে হচ্ছে না।”

    “যাক, শুনে আশান্বিত হলাম।” হেসে ফেললাম।

    “সাকুমা।” তার চোখদুটো জ্বলজ্বল করে উঠলো। “সবকিছুর জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।”

    “ধন্যবাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আমিও তো এই খেলায় অংশ নিয়ে প্রচুর মজা পেয়েছি। অনেকদিন হলো এরকম জীবন বাজি রেখে খেলায় অংশ নেই না।”

    “তার ওপর তুমি খেলাটায় জিততেও পেরেছ।”

    “তা তো অবশ্যই।”

    আমরা একে অপরের দিকে তাকিয়ে হেসে ফেললাম।

    “না, সত্যিই কিন্তু, তোমাকে অনেক ধন্যবাদ।” জুরি বলল। “তোমার কারণেই আমি বেঁচে গেলাম।”

    “কথাটা একটু বেশি বেশি হয়ে গেল।”

    “কিন্তু আমি তো সত্যিই…অবশ্য আমার অবস্থা তুমি কীভাবেই বা বুঝবে।” জুরি ধীরে ধীরে বলল।

    সে মুহূর্তে আমাদের চোখাচোখি হলো, আর আমরা চুম্বন করতে শুরু করলাম। তার ঠোঁটটা নরম তুলতুলে আর হালকা ভেজা ছিল। টের পেলাম, আমি শক্ত হয়ে যাচ্ছি। কিন্তু তার জামাকাপড় খোলার চেষ্টা করলাম না। কখন সীমা টানতে হয় তা বোঝাটা আমি অনেক জরুরি বলে মনে করি। আমাদের সম্পর্কটা এখানেই ছিন্ন করে ফেলতে হবে।

    কিন্তু শেষবারের মতো জুরিকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম। এ কদিনে তার অনেকখানি ওজন কমে গেছে। “ধন্যবাদ,” সে আমার কানে ফিসফিস করলো।

    .

    ঐমিনামির উপকূলের রাস্তা ধরে শিনাগাওয়া স্টেশনের দিকে চললাম। কিন্তু সেখানে না থেমে গাড়ি থামালাম একটা বড়োসড়ো হোটেলের সামনে।

    “আরেকবার সবকিছু বলো আমাকে,” তাকে বললাম।

    “আবার? তুমি অনেক নাছোড়বান্দা একটা মানুষ।” জুরি কাষ্ঠহাসি হাসলো।

    “এই সতর্কতাই আমাদেরকে বাঁচাবে। এ নিয়ে আর ঘ্যানঘ্যান কোরো না-যা জিজ্ঞেস করছি বলো।”

    “যখন আমি চেতনা ফিরে পেলাম…” তার চোখ দূরের কোথায় যেন চলে গেল। “আমি একটা গাড়িতে শুয়ে ছিলাম। বোধহয় মার্সিডিজ ছিল ওটা। আমার হাত-পা তখন খোলা ছিল, আশেপাশে কেউ ছিল না। তাই গাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লাম। আমার মাথা ঘোরাচ্ছিল, কিন্তু এরকম সুযোগ আর পাবো না ভেবে জীবনরক্ষার তাগিদে দৌড়াতে শুরু করলাম। তাই গাড়ির প্লেট নম্বরটা দেখার সুযোগ মেলেনি। আশেপাশে তাকিয়ে বুঝতে পেরেছিলাম, আমি একটা পার্কিং লটে অবস্থান করছি। সঠিক করে বলতে গেলে একটা হোটেলের বেসমেন্টের পার্কিং লটে। এলিভেটর ব্যবহার করে হোটেলটার লবিতে গেলাম, কিন্তু অনেক রাত হয়ে গেছে বিধায় কেউ ওখানে ছিল না। তাই মূল গেট থেকে বের হয়ে ট্যাক্সি পিকআপের জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালাম। আমার কাছে টাকা আছে কি নেই, সেসব নিয়ে একবারও ভাবিনি। আমার শুধু মনে হচ্ছিল, বাড়ি ফিরলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।”

    সে মুচকি হেসে আমার দিকে তাকালো। “কি, কোনো ভুল করিনি তো?”

    “নাহ, চমৎকার হয়েছে।” তাকে বাহবা দিলাম।

    “চিঠিটা এনেছো তো?”

    “হ্যাঁ আছে।”

    তার দিকে একটা চিঠি বাড়িয়ে দিলাম। কম্পিউটারে টাইপ করে প্রিন্ট করিয়ে নিয়েছিলাম। চিঠিটাতে লেখা ছিল—

    মিস্টার কাতসুতোশি কাতসুরাগি,

    আমরা মুক্তিপণের টাকা বুঝে পেয়েছি। আমাদের ওয়াদাটাও রাখলাম। আপনার কন্যা জুরি কাতসুরাগিকে অক্ষত শরীরে আপনাদের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি।

    তার সাথে আমরা খারাপ আচরণ করেছি কিনা তা ওর মুখ থেকে শুনে নেবেন। পুরো ঘটনাটা একটা চমৎকার ব্যবসায়িক রীতিতে সম্পন্ন হয়েছে বলে আমাদের কাছে মনে হচ্ছে।

    একটা চমৎকার খেলা ছিল এটা। খেলার অবশেষে সমাপ্তি ঘটেছে বলে ধরে নিচ্ছি। এরপর আমাদের পক্ষ থেকে আপনার সাথে আর যোগাযোগ করা হবে না। আপনার কাছে ওয়াদা করছি, আর কখনো আপনাকে এরকম খেলাতে অংশ নেবার জন্য বেছে নেবো না।

    ইতি, কিডন্যাপাররা

    “অবশেষে সময় হয়ে এসেছে,” আমি বললাম।

    “হুম। ভালো থেকো।”

    “তুমিও ভালো থেকো। শুভকামনা রইল।”

    দুজনে করমর্দন করলাম। অনেকক্ষণ ধরে সে হাতের দিকে তাকিয়ে থেকে গাড়ি থেকে বের হলো। ধন্যবাদ, ভালো থাকবে বলে সে গাড়ির দরজাটা বন্ধ করে দিল। আমি গাড়ি চালাতে শুরু করলাম।

    চোখের সামনে রাতের শহরটা আমার জন্য অপেক্ষা করছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)
    Next Article ম্যালিস – কিয়েগো হিগাশিনো

    Related Articles

    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো

    January 6, 2026
    কেইগো হিগাশিনো

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য রেড ফিঙ্গার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }