Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য নেম অব দ্য গেম ইজ অ্যা কিডন্যাপিং – কেইগো হিগাশিনো

    কেইগো হিগাশিনো এক পাতা গল্প310 Mins Read0
    ⤶

    অ্যা কিডন্যাপিং – ২১

    একুশ

    জুরি, বিড়বিড় করলাম।

    “তোমাকে তো এখন চিহারু বলে ডাকতে হবে, তাই না? অনেকদিন পর তোমাকে দেখে ভালো লাগছে।”

    “টিভিটা বন্ধ করে দাও।” সে আমার সামনের আর্মচেয়ারটায় গিয়ে বসলো।

    আমি রিমোটটা হাতে নিয়ে টিভিটা বন্ধ করে দিলাম। নিঃস্তব্ধতার মধ্যে দুজন কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে রইলাম। কেন জানি এই নীরবতাটা আমার কাছে অত্যাচার বলে ঠেকতে লাগল। জুরি, না, চিহারুর মুখটা শক্ত হয়ে আছে। সে আমার দিকে সোজাসুজি তাকাচ্ছিল না।

    “তুমি পাপাকে ইমেইল করেছ, তাই না?”

    “আমি তার উত্তরের অপেক্ষায় আছি। কিন্তু তুমি আসবে তা ভাবতেও পারিনি।” জবাব দিলাম। তারপর একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস জানার জন্য তাকে প্রশ্ন করলাম, “ভেতরে ঢুকলে কীভাবে?”

    সে তার ছোট্ট ব্যাগটা থেকে একটা চাবি বের করে আনলো। দেখতে আমার চাবিটার মতোই লাগছে।

    “চাবিটা তো ডুপ্লিকেট করা যায় না বলেছিল,” বললাম।

    “এটা ডুপ্লিকেট না। তুমি আমাকে ধার দিয়েছিলে।”

    হাত বাড়িয়ে ড্রয়ার খুললো। যে কোণে চাবিটা রাখি, সেখানে উঁকি দিয়ে দেখলাম। “কিন্তু চাবিটা তো এখানেই রয়েছে।”

    চিহারু মুচকি হাসলো। “ওটা নকল।”

    “নকল?”

    আমি ড্রয়ারে রাখা চাবিটা বের করে আসল চাবিটার সাথে মিলিয়ে দেখলাম। দুটো .একই লাগছিল, কিন্তু ভালোভাবে লক্ষ করতেই ভিন্নতাগুলো বেরিয়ে পড়লো।

    “তারমানে তুমি আসল চাবিটা সরিয়ে ফেলেছিলে।”

    “এরকম চাবি সবজায়গায় খুঁজে পাওয়া যায়।”

    “তুমি কীভাবে পেয়েছিলে?”

    “আমি ঘরে বসেই পেয়ে গিয়েছিলাম। পাপা কাছাকাছি এসে দিয়ে গিয়েছিল।”

    “পাপা? হু, বুঝতে পেরেছি।” দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। গোটা শরীরটা অবশ অবশ লাগছে। “তার মানে সবকিছু তোমারই সাজানো ছিল।”

    “সবকিছু না। কিডন্যাপিং গেমটা তো তোমারই পরিকল্পনা ছিল, তাই না?”

    “আর সেটাতে তোমাদের অনেক সুবিধা হয়েছে।”

    “আমরা সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছি। বিশাল একটা ঝামেলা থেকে মুক্তির জন্য আমার হাতে কেবল এই একটাই পথ বাকি ছিল।”

    “বিশাল ঝামেলা।” জোর করে হাসার চেষ্টা করলাম। মনে মনে অবশ্য ততটা উৎফুল্ল ছিলাম না। “সেটা কী, তা আন্দাজ করতে পারি?”

    সে আমার দিকে তীক্ষ্মদৃষ্টিতে তাকালো। কাজটা করার সময়েও বোধহয় তার চোখদুটো এরকমই ছিল।

    তার চোখের দিকে সোজাসুজি তাকিয়ে বললাম, “তুমিই জুরিকে খুন করেছ, তাই না?”

    চিহারু চমকে গেল না। সে বোধহয় আমার উত্তর কী হতে পারে তা আগেই আঁচ করতে পেরেছে। ইমেইলটা পাঠানোর পর বাপ আর মেয়ে দুজনেই নিশ্চিতভাবে বুঝতে পেরেছে যে, আমি সত্যটা জেনে ফেলেছি।

    “সেটা ইচ্ছাকৃতভাবে করিনি,” সে এমন স্বাভাবিকভাবে উত্তরটা দিলো যেন সে একটা ছোট্ট ভুল করে সেটা স্বীকার করছে।

    “সেটা আমি বুঝতে পেরেছি। তোমার সেটা করার ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু আবেগের বশে করো কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে করো, সে মারা গিয়েছিল। তা না হলে…” আমি জিহ্বা দিয়ে ঠোঁটটা ভিজিয়ে নিলাম। “তা না হলে তুমি সে রাতে বাড়ি থেকে পালাতে না।”

    “ঠিক।” চিহারু দুইহাত তুলে দুদিকে প্রসারিত করলো। “আহ, এখন খুব শান্তি লাগছে। তোমার কাছে জুরি সেজে থাকার গোটা সময়টা আমার সবকিছু খুলে বলার প্রচণ্ড ইচ্ছা করছিল। তোমার মুখের চমকিত ভাবটা দেখার প্রচণ্ড ইচ্ছা করছিল।”

    “তার মানে ঐ অংশটা সত্য ছিল।”

    “কোন অংশটা?”

    “তুমি বলেছিলে চিহারুর সাথে কসমেটিক্স নিয়ে ঝগড়া করে তুমি বাড়ি থেকে পালিয়েছিলে। তুমি ঠিকই ঝগড়া করেছিলে। খালি ঘটনাটা অন্যদিকে মোড় নিয়েছিল। চিহারু, যে কিনা সবসময় জুরিকে ঘেন্না করতো, সে জুরিকে ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করেছিল—কি, ঠিক বলেছি না?”

    তার মুখটা গোমড়া হয়ে গেল। সে আমার থেকে মুখটা ফিরিয়ে নিল। লক্ষ করলাম, তার নাকটা দেখতে পুরোটাই কাতসুতশি কাতসুরাগির মতো। ছবিতে জুরির নাকটা তাদের থেকে একটু কম চ্যাপ্টা আর সুগঠিত ছিল।

    “তাকে কী দিয়ে আঘাত করেছিলে?”

    “কাঁচি।”

    “কাঁচি?”

    সে মুখের ওপর থেকে চুলটা সরিয়ে নিল। “আমি চুল ভালো কাটতে পারি। মাঝেমধ্যে আমার বান্ধবীদের চুলও কেটে দিই। তাই আমার চেনাজানা একজন বিউটিশিয়ানের কাছ থেকে কাঁচিটা নিয়েছিলাম।”

    “আচ্ছা। আর সেই কাঁচি বাথরুমে রাখা ছিল। যখন সে তোমাকে জিজ্ঞেস না করেই ক্রিমটা ব্যবহার করেছিল, তোমার সাথে তার ঝগড়া আরম্ভ হয়েছিল। শেষমেষ তুমি তাকে কাঁচিটা দিয়ে তাকে আঘাত করে হত্যা করেছিলে।”

    “ঐ ক্রিমটা,” জুরি অন্যদিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে থাকতে জবাব দিলো, “আমি ফ্রান্স থেকে এনেছিলাম। জাপানে ওটা কিনতে পাওয়া যায় না। আমি নিজে ও সেটা ব্যবহার করার সময় সতর্ক থাকতাম। আর সেই কুত্তিটা আমাকে না বলে…” সে আমার দিকে এবার সোজাসুজি তাকালো। “সেই প্রথম আঘাত করেছিল। সে আমার গালে একটা চড় দিয়েছিল।”

    “কিন্তু তার বিনিময়ে তুমি যা করেছ সেটাকে আত্মরক্ষা বলা যায় না। তো, তুমি তাকে খুন করলে, তারপর ভয় পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেলে।”

    সে আমার দিকে রাগী চোখে তাকালো। তারপর উঠে দাঁড়ালো। “পিপাসা লেগেছে। কিছু নিয়ে আসবো?”

    যাও, বলার আগেই সে রান্নাঘরে চলে গেল। বের হয়ে আসতেই তার হাতে একটা হোয়াইট ওয়াইনের বোতল দেখতে পেলাম। মাসক্যাডেই সার লি-এর ওয়াইন। খাবারের পূর্বে যে হালকা স্ন্যাকস দেওয়া হয়, তার সাথে এটা বেশ ভালো মানিয়ে যায়।

    “আমি খেতে পারবো?”

    “তোমার ইচ্ছা।’

    “তুমিও নেবে তো?”

    উত্তর দেবার আগেই সে আমার সামনের টেবিলে দুটো গ্লাস রেখে দিলো। কর্কস্কু আর বোতলটা সে আমার দিকে বাড়িয়ে দিল।

    “তুমি সে রাতে পালিয়ে কোথায় যেতে চেয়েছিলে? ঐ মুহূর্তে তুমি হোটেলে একটা রুম খুঁজছিলে। একরাত থাকার পর তোমার পরিকল্পনাটা কী ছিল?”

    “বকবক না করে ওয়াইনের কর্কটা খোলো প্লিজ।”

    কর্কটা খুলে দুটো গ্লাসেই ওয়াইন ভর্তি করে দিলাম। গ্লাস ঠোকাঠুকি করে আমরা মাসক্যাডেইতে চুমুক দিলাম একটা মনোরম অম্লতা ছিল তাতে, আর কচি আঙুরের একটা অপূর্ব গন্ধ আমাদের মুগ্ধ করে দিচ্ছিল।

    “আমি আসলে তখন কিছুই ঠিক করিনি,” সে অবশেষে উত্তর দিলো।

    “কী?”

    “আমি বললাম যে, এরপর কী করব তা তখনো আমি ঠিক করিনি। কিন্তু যাই করি না কেন, ঐ বাসায় আর থাকতে চাচ্ছিলাম না। জানা ছিল, একটু পরেই পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ ধারণ করবে। আর কিছুক্ষণ পরে ওরা টের পাবে যে, আমিই কাজটা করেছি। হাজারটা মানুষ এসে আমাকে হাজারটা প্রশ্ন করবে; যেটা হবে খুবই বিরক্তিকর একটা বিষয়। তাই আশা করছিলাম যাতে পাপা কিংবা মা সব সমস্যা দূর করে দেয়। আমি ভেবেছিলাম সব সমস্যা দূর হবার পরেই বাড়ি ফিরে যাবো।”

    “তার মানে তুমি ভেবেছিলে যে, ওরা মৃতদেহটা গোপনে গুম করে ফেলবে, যাতে করে তোমাকে খুনের দায়ে গ্রেফতার না করা হয়।” গ্লাসের বাকি ওয়াইনটা খালি করে আরেকবার ঢেলে নিলাম। “কী স্বার্থপরের মতো চিন্তাভাবনা।”

    “আমি জানি ব্যাপারটা স্বার্থপরের মতো হয়ে যাচ্ছিল। এমনকি পাপার মতো মানুষের পক্ষেও একটা খুন ধামাচাপা দেওয়া কষ্ট হবে—সেটাও আমার জানা ছিল। একটু আগে তোমাকে বললাম না, আমি তখন ‘বিশাল ঝামেলায় পড়েছিলাম?”

    “আর তখনই আমি তোমার সামনে উদয় হলাম।”

    “তোমার সাহায্য কিন্তু আমি চাইনি। তুমি নিজে থেকে আমার কাছে এসেছিলে।”

    এর উত্তর দিতে পারলাম না। হ্যাঁ, আমি তার কাছে গিয়েছিলাম; কিন্তু সেটা কেবল কাতসুতোশি কাতসুরাগি সম্পর্কে নোংরা কিছু জানার জন্য। “কিন্তু একটা প্রশ্নের উত্তর দাও। তুমি কেন আমাকে অনুসরণ করতে রাজি হলে? ব্যাটাকে কাজে লাগানো যাক এটাই কি ভাবছিলে তখন?”

    হাতে ওয়াইনের গ্লাসটা রেখেই সে মাথা নাড়লো। “সত্যি বলতে কী, তখন আসলে আমি কোনো কিছুর পরোয়া করছিলাম না। কাজটা করার পর থেকেই আমার মাথাটা ভোঁ ভোঁ করছিল। আর রাতে থাকার জন্য কোনো একটা জায়গার দরকার ছিল আমার; তবে সেটার জন্য আমি কোনোমতেই বাড়ি ফিরে যেতে রাজি ছিলাম না। সহজ কথায়, আমার হাতে আর কোনো উপায় ছিল না।”

    “আচ্ছা, যুক্তিটা মেনে নিলাম।” আবার ওয়াইনের গ্লাসে চুমুক দিলাম। “তুমি জুরির নাম নিলে কেন?”

    “কারণটা ছিল খুবই সোজা। আমি আমার আসল নাম একজন অচেনা মানুষের কাছে দিতে রাজি ছিলাম না। কারণ, আমি চাচ্ছিলাম না কেউ জানুক যে, চিহারু কাতসুরাগি এত রাতের বেলায় হোটেলে হোটেলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ওটা ছিল হুট করে নেওয়া একটা সিদ্ধান্ত।”

    মাথা দোলাতে দোলাতে বললাম, “হুট করে হলেও ওখান থেকে তুমি কিন্তু নিজেকে একেবারে নিখুঁতভাবেই জুরি হিসেবে উপস্থাপন করেছিলে। তুমি কি জানো, তুমি একজন পাকা অভিনেত্রী?”

    “মজা করে বলছো কিনা জানি না, তবে ধন্যবাদ।”

    “এখন বলো।” গ্লাসটা টেবিলে নামিয়ে রাখলাম। “এসব কখন পরিকল্পনা করলে? স্বাভাবিকভাবেই ধরে নিচ্ছি আমার গেম খেলার প্রস্তাবের পরপরই পরিকল্পনাটা করেছো। কিন্তু তার মানে তো এই না যে, ঠিক তখনোই তুমি হুট করে এই পরিকল্পনাটাও বানিয়ে ফেলেছ।”

    “না, সেটা হুট করে বানানো হয়নি।” সে ওয়াইনের বোতলটা হাতে নিয়ে গ্লাসে ঢালার চেষ্টা করলো।

    “শোনো, গ্লাসে ওয়াইন ঢালা একজন পুরুষের কাজ।” আমি তার হাত থেকে বোতলটা নিয়ে তার গ্লাসে ওয়াইন ঢেলে দিলাম।

    “তোমার প্রস্তাব করা গেমটা ছিল সবকিছুর শুরু। ‘সে মনে করছে আমি জুরি। সে তাকে কিডন্যাপ করার ভান করতে চায়।’ আমার মনে হচ্ছিল, এই ব্যাপারটাকে কোনোভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে। তাই ভাবলাম, আপাতত তোমার কথামতো আগানো যাক।”

    “আমার গোটা পরিকল্পনাটা শোনার পর সেই উপলব্ধিটা আরো দৃঢ় হলো, তাই না?”

    “আমার উপলব্ধিটা দৃঢ় হলো,” চিহারু মুচকি হাসলো, “যখন আমার পাপা আমাকে বাহবা দিলেন।

    “বাহবা?”

    “তোমার মুখে গোটা পরিকল্পনাটা শোনার পর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম, পাপাকে ফোন করে সবকিছু খুলে বলব। আর হ্যাঁ, জুরির কথাও ভুলিনি।”

    “তার মানে খেলার শুরু থেকেই তুমি উনার সাথে জড়িত ছিলে। হুম, কেনই বা থাকবে না। মিস্টার কাতসুরাগি বোধহয় তখন ভড়কে গিয়েছিলেন। তার এক মেয়েকে খুন করা হয়েছে, আর খুনি ছিল তার আরেক কন্যা। এরকম অবস্থায় তো আর পুলিশের কাছে যাওয়া যায় না।”

    “পাপা কিন্তু তখনো সবকিছু ধামাচাপা দেওয়ার উপায় খুঁজছিলেন। ঠিক তখন আমি তাকে ফোন করেছিলাম। আমি আত্মহত্যা করে ফেললাম কিনা, পাপা তখন সে দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন। তাই ফোনে আমার গলা শোনার পর তিনি অনেকখানি আশ্বস্ত হলেন। জুরিকে হত্যা করার জন্য তিনি আমাকে বকলেন না। তিনি আমাকে তার ওপর আস্থা রাখতে বলছিলেন। আমি যেন দ্রুত বাসায় ফিরে যাই, সে অনুরোধও করেছিলেন। তখন আমি তাকে তোমার পরিকল্পনা খুলে বলেছিলাম।”

    “তারপর তিনি তোমাকে বাহবা দিলেন।”

    “হ্যাঁ। তোমাকে যে কাজে লাগানো যেতে পারে, সেটা ভাবার জন্য তিনি আমাকে বাহবা দিলেন। পাপার কথা অনুযায়ী, এরকম অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাটাই জয়ী আর পরাজিতের মধ্যে বিভাজন করে দেয়।”

    এরকম কথা কেবল কাতসুতোশি কাতসুরাগিই বলতে পারে ভেবে মাথা নাড়লাম। “তারপর, তিনি তোমাকে কী কী নির্দেশনা দিলেন?”

    “প্রথমে তিনি আমাকে বলে দিলেন, তুমি যা যা বলবে তা যেন অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলি। তারপর যা যা ঘটছে সবই যেন তাকে রিপোর্ট করি। সবকিছুর পরিকল্পনা হয়ে গেলে তিনি আমার সাথে যোগাযোগ করবেন।”

    “যোগাযোগ করবেন? কীভাবে?”

    “তিনি আমার মোবাইলে ফোন করবেন,” সে এমন ভান করলো যেন আমি খুবই অদ্ভুত একটা প্রশ্ন করেছি।

    “মোবাইল? কিন্তু তোমার কাছে তো মোবাইল ছিল না।”

    “ছিল। তোমার কি মনে হয় আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিসের কথা ভুলে যাবো?” চিহারু আমাকে ব্যঙ্গ করে প্রাণখুলে হাসতে লাগল। “তোমার সাথে থাকার সময় আমি ফোনটা বন্ধ করে রাখতাম।”

    “বোকা বনে গেলাম।” মাথা নাড়তে নাড়তে বললাম। “তিনি তাহলে ফোন করে তোমাকে সব নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছিলেন। ইয়োকোসুকাতে যাওয়ার ব্যাপারটাও তারই ঠিক করে দেওয়া, তাই না? আর ইউকি বলে তোমার কোনো বান্ধবী কখনোই ছিল না। কি ঠিক বলছি না?”

    “না, ছিল। মিডল স্কুলে পড়ার সময় ইউকি নামের আমার এক বান্ধবী ছিল। তবে অনেকদিন ধরেই তার সাথে আমার দেখা-সাক্ষাৎ নেই।”

    “তুমি আমাকে ইয়োকসুকায় যেতে বলেছিলে কারণ তুমি ওখানেই জুরির দেহাবশেষ পুঁতে রাখার পরিকল্পনা করেছিলে। কিন্তু আমাকে ওখানে শুধু গেলেই হবে না। আগে থেকেই ভাবনা-চিন্তা করে এমন সব ফন্দি এঁটে রাখলে, যাতে করে আমি ইয়োকোসুকাতে আমার চিহ্ন রেখে আসি।”

    “হ্যাঁ, অনেকগুলো ফন্দি এঁটেছিলাম।” চিহারু হাঁটু ভাঁজ করে আমার দিকে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালো। “কী কী ফন্দি, অনুমান করতে পারবে?”

    “আমি একটা রেঁস্তোরায় বসে তোমার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। তখন কে জানি পার্কিং লটে রাখা গাড়িটায় স্প্রে পেইন্ট করে মজা নিয়েছিল। স্টাফরা বোধহয় আমার চেহারাটা ভালোভাবেই মনে রাখবে। তাছাড়া আমি নিশ্চিত, এমআর-এস এর মতো বিরল গাড়িটা অনেকের মনে ছাপ ফেলে দিয়েছিল। যদি পুলিশ ওখানে গিয়ে আমার ছবি দেখায়, তবে ওখানকার স্টাফরা সাক্ষ্য দেবে বলে আমি নিশ্চিত। ঐ তামাশাটা কি মিস্টার কাতসুরাগির করা?”

    “না, ওটা মা করেছিল।”

    “তোমার মা? বাহ, তার মানে তোমার একের অধিক সহযোগী ছিল।”

    “তুমি কিন্তু আরো অনেক চিহ্ন ফেলে এসেছিলে।”

    “আমি জানি। কিন্তু সেটা কিছুতেই বুঝতে পারছি না।” আমি তার চোখ জোড়ার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর তার ভাঁজ করা হাঁটুর দিকে তাকালাম। “শুধুমাত্র প্রমাণ সংগ্রহের জন্য তুমি আমার সাথে শুয়েছিলে? শুধুমাত্র আমার বীর্য আর যৌনকেশের জন্য…তোমার বাবা-মা তোমাকে এতটা নিচে নামতে বলবেন—ব্যাপারটা কল্পনাও করতে পারছি না।”

    পাপা আমাকে তোমার শরীরের লোম জোগাড় করতে বলেছিলেন। টিলার ওপর সেই মূর্তিটার কথা তোমার মনে আছে? তিনি আমাকে সেটা ওখানে লুকিয়ে রাখতে বলে দিয়েছিলেন। পাপা জানতেন, তোমার বীর্য থাকলে ব্যাপারটা আরো ভালো হতো। কিন্তু আমাকে তো আর এই কথাটা তিনি বলতে পারেন না। তাই লোম বলেই তিনি থেমে গিয়েছিলেন। সেটার অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝতে পেরে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যেভাবেই হোক আমি সর্বোচ্চ প্রমাণটা জোগাড় করেই ছাড়বো।”

    “তার জন্য তুমি পছন্দ করো না, এমন মানুষের সাথে শুতেও রাজি ছিলে।”

    “কী, রাগ হচ্ছে?”

    “না।”

    “আমি কিন্তু তোমাকে পছন্দই করেছিলাম। তুমি নির্ভীক, আর প্রচণ্ড বুদ্ধিমান। তোমার সাথে শোয়াতে আমার কোনো আপত্তি ছিল না। তুমি যদি বোকার হদ্দ হতে, মনে হয় না আমি অতদূর যেতে পারতাম।”

    “তুমি কি আমার প্রশংসা করলে নাকি?”

    “পাপাও তোমাকে বেশ সমীহের দৃষ্টিতে দেখেন। তোমার বুদ্ধিমান হওয়াটা আমাদের পরিকল্পনার জন্য অনেক জরুরি ছিল। যদি তুমি এমন মানুষ হতে, যে কিনা খুঁতওয়ালা কিডন্যাপিংয়ের পরিকল্পনা করে—তাহলে সবকিছু ভেস্তে যেত। পাপা হঠাৎ করে তোমার কোম্পানিতে গিয়েছিলেন, মনে আছে?”

    “হুম, তুমি বলার পর কথাটা মনে পড়লো…” তিনি সাইবারপ্ল্যানের বানানো গেমগুলো সম্পর্কে জানতে এসেছিলেন।

    “তিনি তোমার বানানো গেমটা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। দ্য মাস্ক অব ইয়ুথ, কি, ঠিক বলেছি না? গেমটা দেখার পরেই পাপা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তোমাকে বিশ্বাস করা যায়।

    দীর্ঘশ্বাস ফেলে মাথা নাড়লাম। দুর্বলভাবে হেসে বললাম, “তখন থেকে তিনি আমাকে মূল্যায়ন করা শুরু করলেন?”

    “যখন লাভ হোটেল থেকে আমাকে দিয়ে তুমি ফোন করালে, তখন হুইসলের শব্দটা খুব সুন্দরভাবে ব্যবহার করেছিলে, মনে আছে? তিনি তোমার এই কাজটাতেও প্রচণ্ড মুগ্ধ হয়েছিলেন।”

    “আর সেটা ছিল আমার জন্য পাতা আরেকটা ফাঁদ।” আমি কাতসুতোশি কাতসুরাগির বানানো পথ ধরেই সুখীমনে চলছিলাম।

    “কিন্তু আসল খেলা তখনই শুরু হয়েছিল। পাপা জানতে চেয়েছিল তুমি কীভাবে মুক্তিপণের টাকাটা হাতবদল করবে। কিন্তু গোটা পরিকল্পনাটা তুমি আমাকেও খুলে বলোনি। আরেকটু হলেই আমার মুখ ফসকে বেরিয়ে যেত যে, কেউই পুলিশের কাছে যায়নি।”

    “মিস্টার কাতসুরাগী নিশ্চয়ই হাকোজাকির ঐ ধাক্কাটাতে খুব রেগে গিয়েছিলেন।”

    “তিনি মনে মনে ধরে নিয়েছিলেন তুমি টাকাটা নিয়ে নেবে। কিন্তু দিনশেষে তোমার কাজে তিনি মুগ্ধ হতে বাধ্য হয়েছিলেন। তিনি পরে স্বীকার করেছিলেন, পেছনে পুলিশের চর লেগেছে কিনা সেটা বের করাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ।”

    “যখন সত্যি সত্যি টাকাটা হাতবদল হলো, সে ব্যাপারে তার কোনো মতামত ছিল?”

    “অবশ্যই। তার কাছে পরিকল্পনাটা অসাধারণ লেগেছিল। ওভাবে আগানোর ফলে কালপ্রিটকে আলাদা করে চিহ্নিত করার মতো কিছুই পাওয়া যায়নি। তিনি মনে করেন যে, যদি পুলিশ জড়িত থাকতো, তারপরেও তারা তোমার টিকিটা পর্যন্ত ধরতে পারতো না।”

    মাথা নাড়লাম। ব্যাপারটাতে খুশি হবার কিছু নেই। তবে এটুকু ভেবে ভালো লাগছে যে, কাতসুতোশি কাতসুরাগির মতো মানুষও পরিকল্পনাটাতে উপহাস করার মতো কিছু খুঁজে পাননি। “তোমার দুইশ সত্তর মিলিয়ন ইয়েন লুকানোর জন্য আমরা ইয়োকোসুকাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। টাকাটা তোমার বান্ধবী ইউকির ঘরে লুকানোর কথা, অথচ বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্বই নেই। তখন তুমি টাকাটা নিয়ে কী করলে?”

    “আমি ঐ বিল্ডিংয়ের গুদাম ঘরের মতো একটা জায়গায় টাকাটা লুকিয়ে রেখেছিলাম। তারপর চট করে পাপাকে ফোন করে সবকিছু জানিয়ে দিয়েছিলাম। আমরা ওখান থেকে চলে আসার পর তিনি তৎক্ষণাৎ টাকাটা উদ্ধার করেছিলেন।”

    “বুঝতে পেরেছি। এর মাধ্যমে জুরি কাতসুরাগিকে কিডন্যাপ করাও হলো, আবার মুক্তিপণের দাবিও মেটানো হলো। কিন্তু বড়ো একটা সমস্যা রয়ে গেছে। অবশ্য উত্তরটা খানিকটা আঁচ করতে পারছি।”

    “কী সমস্যা?”

    “আমাকে নিয়ে তোমরা কী করতে চেয়েছিলে?”

    চিহারু ঘাড় বাঁকিয়ে উত্তর দিলো, “প্রশ্নটার উত্তর দেওয়া আমার পক্ষে শক্ত হয়ে যাবে।”

    “শক্ত হওয়াই স্বাভাবিক।”

    “তুমি মাত্র বললে যে, তুমি খানিকটা আঁচ করতে পারছো। বলে ফেলতে পারো।”

    “এত পরেও তুমি আমাকে সব বলতে রাজি নও? আচ্ছা আচ্ছা। তাহলে জুরির হত্যাকাণ্ড, নকল কিডন্যাপিং সবই সফলভাবে বাস্তবায়িত হলো। কিন্তু একটা ছোট্ট সমস্যা রয়ে গেছে। সমস্যা না বলে দুর্ভাবনা বললেই বরং ভালো হবে। সেটা হলো, তোমরা তো আমার চোখে ধূলা দিতে পারবে না। ধরো, কেসটা রিপোর্ট করার পর ধীরে ধীরে আমি লুকিয়ে থাকা সত্যটা বুঝে ফেললাম। আমি সর্বোচ্চ নিজে থেকে পুলিশের কাছে ধরা দিতে পারি। এর বেশি কিছু আমার পক্ষে করা সম্ভব নয়।। কিন্তু তোমাদের সেটা নিয়ে চিন্তা না করলেও চলবে। কারণ, এ কেসটাতে আমিই প্রধান আসামীরূপে গণ্য হচ্ছি। তাই আমি এখনো সেটা করার কথা ভাববো না। কিন্তু তোমরা এটাও জানো যে, আমি চুপ করে বসে থাকবো না। আর যদি কোনোভাবে আমি পুলিশের সন্দেহের নজরে পড়ে যাই, তাহলে হয়তো আমি তাদের কাছে সবকিছু খুলে বলব। প্রথম প্রথম তারা হয়তো আমাকে বিশ্বাস করবে না। কিন্তু আমার কথার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তারা বিষয়টা তদন্ত করে দেখবে। প্রেসও সুযোগ পেয়ে লাফিয়ে উঠবে। এগুলোর একটাও কাতসুরাগিদের জন্য মঙ্গলজনক নয়। গোটা ব্যাপারটাকে সমাধান করার জন্য কেবল একটা পথ রয়েছে।”

    এটুকু বলার পরেই আমি টের পেলাম, আমার ভেতরে তীক্ষ্মসুরে একটা অ্যালার্ম বেজে উঠছে।

    মাথাটা হঠাৎ করে টিপটিপ করে প্রচণ্ড ব্যথা করতে শুরু করেছে। গোটা মস্তিষ্কেই ধীরে ধীরে ব্যথাটা ছড়িয়ে পড়ছিল। তারপর আস্তে আস্তে ব্যথাটা কমতে শুরু করলো। কিন্তু আমি তখন টের পেলাম, আমার ইন্দ্রিয়গুলো অবশ হতে শুরু করেছে। ধীরে ধীরে চেতনা হারিয়ে ফেলছি।

    আমি চিহারুর দিকে তীব্রদৃষ্টিতে তাকালাম। তারপর ওয়াইনের বোতলটার দিকে তাকালাম।

    “উপহারটার জন্য ধন্যবাদ।”

    “জিনিসটা কি অবশেষে কাজ করতে শুরু করেছে?” সে আমার মুখের কাছে মাথাটা এনে আমাকে ভালোভাবে দেখলো।

    “ওয়াইনে কী মিশিয়েছ?”

    “আমি জানি না। পাপা সেটা আমার হাতে দিয়েছে। আমি আগেই সিরিঞ্জ দিয়ে সেটা বোতলে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছি।”

    কোনো ধরনের চেতনানাশক মনে হচ্ছে, ঘোলাটে মাথায় কথাটা ভাবলাম।

    “আমাকে কি শুরু থেকেই খুন করার পরিকল্পনা করেছিলে?”

    “আমি জানি না। আমি কেবল পাপা যা বলে দেয়, তাই করি।”

    “সে আমাকে আগে থেকেই খুন করার পরিকল্পনা করেছে। তাছাড়া গোটা পরিকল্পনাটা ভেস্তে যাবে। ঐ মানুষটার পক্ষে এরকম অসম্পূর্ণ পরিকল্পনা করা সম্ভব নয়।”

    উঠে দাঁড়াতে চাইলাম। কিন্তু শরীরটা আমাকে মানতেই চাইছিল না। হুড়মুড় করে সোফা থেকে পড়ে গেলাম। টেবিলের কোণাটায় আঘাত পেলাম, কিন্তু কোনো ব্যথা অনুভূত হলো না।

    “আমাকে যা যা বলা হয়েছে, আমি শুধু তাই করেছি। এরপরে কী হবে তার কিছুই আমার জানা নেই। কারণ, পাপাই সবকিছু দেখভাল করবেন।”

    চিহারু উঠে দাঁড়ালো। বুঝতে পারলাম, সে এতক্ষণ ওয়াইন খাওয়ার ভান করছিল।

    আমি আস্তে আস্তে চেতনা হারাতে শুরু করেছিলাম। চোখের সামনে সবকিছু ঘোলাটে হয়ে যাচ্ছিল।

    কোনোমতেই সম্পূর্ণভাবে চেতনা হারালে চলবে না। যদি তা করে ফেলি, তবে তারা তাদের পরিকল্পনা মতো আগানো শুরু করবে। সোজা কথায় তারা আমাকে খুন করে সেটাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেবে। আত্মহত্যার কারণ হিসেবে হয়তো তারা প্রচার করবে যে, আমি ঐ খুন আর কিডন্যাপিংয়ের দায়ভারটা সহ্য করতে পারিনি। কিংবা হয়তো আমি ভেবেছিলাম যে, আমাকে খুব শীঘ্রই পুলিশ গ্রেফতার করবে, তাই…”

    “…থামো,” ঘড়ঘড়ে গলায় বললাম। “আমার কথা শোনো। কথাটা শোনা… তোমার জন্য ভালো হবে।”

    চিহারু কোথায় তা দেখতে পাচ্ছিলাম না। এমনকি আমার কথাটা সে শুনেছে কিনা তাও ঠাহর করতে পারছিলাম না। তারপরেও আমার শরীরের সবটুকু শক্তি একত্র করে কথাটা বলতে চেষ্টা করলাম।

    “কম্পিউটার। আমার অটোমোবাইল পার্কের…ফাইলটা…’”

    আমার মুখটা নাড়ানোর চেষ্টা করলাম, কিন্তু মস্তিষ্ক থেকে সেখানে কোনো সংকেত আর পৌঁছাচ্ছিল না। টের পেলাম, আমার গলার স্বরও ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। কিংবা অন্যকিছু। যেটাই ক্ষমতা হারাক, এখন আর যায় আসে না। মনে হলো, ধীরে ধীরে অন্ধকার আমাকে চারদিক থেকে গ্রাস করে ফেলছে। গভীর একটা গর্তে পড়ে যাওয়ার অনুভূতির সাথে পরিচিত হলাম। এটাই বোধহয় আমার সর্বশেষ অনুভূত অনুভূতি হতে যাচ্ছে।

    .

    শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, আমার বুকে কিছু একটা উঠে বসে আছে। এতক্ষণ যা যা ঘটলো, তা কোনো দুঃস্বপ্ন ছিল কিনা তাও ভাবলাম। আমার মুখটা উত্তপ্ত বোধ হচ্ছিল। কিন্তু অবাক ব্যাপার গলার নিচ থেকে বাকি শরীর কিন্তু ঠান্ডা লাগছিল। না, ভুল বললাম। ঠান্ডা নয়, বরং প্রচণ্ড ঠান্ডা বোধ হচ্ছিল। বুঝতে পারলাম, ঘামে ভিজে আমার শরীরটা ঠান্ডা হয়ে গেছে।

    আমি তখনো চোখ বন্ধ করে রেখেছিলাম। যাক, এটুকু বোঝার শক্তি আছে এখনো। তার মানে এখনো আমার মৃত্যু ঘটেনি। চোখ খুললাম। আশেপাশের সবকিছু ঘোলাটে দেখাতে লাগল। তবে আবছা আবছা হলেও টের পেলাম, সামনে কিছু একটা রয়েছে। যদিও সেটা এখনো খুবই অস্পষ্ট মনে হচ্ছে।

    ধীরে ধীরে সবকিছু পরিষ্কার হতে শুরু করলো। আমি আমার ঘরেই আছি এখনো। টের পেলাম, আমি আমার সোফায় শুয়ে রয়েছি। শরীরটা নড়ানোর চেষ্টা করলাম, কিন্তু সাথে সাথে ব্যথায় কাতরে উঠলাম। বমি বমি ভাব আর প্রচণ্ড মাথাব্যথা আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লো। এতটা জোরে অনুভূতিগুলো ধাক্কা দিলো যে, আরেকটু হলেই আবার অজ্ঞান হয়ে যেতাম।

    কিন্তু জোরে জোরে কয়েকবার শ্বাসপ্রশ্বাস নেবার পর সেগুলোর প্রভাব খানিকটা কমে গেল। আস্তে আস্তে নিজেকে কিছুটা ওঠাতে সক্ষম হলাম। কানের পেছনের শিরাগুলো তখনো কেঁপেই যাচ্ছে।

    “অবশেষে ঘুম ভাঙলো তাহলে,” একটা গলার আওয়াজ শুনতে পেলাম। একটা পুরুষ মানুষের গলা।

    আমি শুধুমাত্র চোখ সরিয়ে মানুষটাকে দেখার চেষ্টা করলাম। গলাটা নাড়াতে তখনো অনেক কষ্ট হচ্ছিল।

    অবশেষে মানুষটার অবয়ব আমার চোখের কোণায় স্পষ্ট দেখতে পেলাম। মানুষটা ঠিক আমার সামনেই একটা চেয়ারে বসে আছে। সে আর কেউ না, স্বয়ং কাতসুতোশি কাতসুরাগি।

    সোফাটাতে কোনোমতে ঠিকঠাক হয়ে বসলাম। আমার শরীরটা তখনো শান্ত হয়নি। এখন যদি সে আমাকে আক্রমণ করে বসে, তবে মনে হয় না আত্মরক্ষা করতে পারবো। কিন্তু কাতসুতোশি কাতসুরাগিকে দেখে সেসব কিছুই মনে হলো না। তিনি তখন চিন্তাহীনভাবে স্বাভাবিকের মতো হাঁটু ভাঁজ করে সিগারেট ধরিয়েছেন।

    তিনি একটা ডাবল-ব্রেস্টেড স্যুট পরেছিলেন। জিনিসটা দেখে একটু শান্ত হলাম। যদি তিনি সত্যিই আমাকে খুন করতে চাইতেন, তবে আরো সাধারণ কোনো জামা পরে থাকতেন; যাতে তিনি কারো চোখে না পড়েন।

    “অবশেষে মূল অভিনেতা মঞ্চে এসে হাজির হলো,” বললাম। আমার নিজের গলা নিজের কাছেই ফাঁপা ফাঁপা মনে হতে লাগল। “নাকি অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা মাস্টারমাইন্ড বলবো?”

    “আমার মেয়ের দেখভাল করার জন্য ধন্যবাদ,” কাতসুতোশি কাতসুরাগি বললেন। তার গলার স্বর সম্পূর্ণ শান্ত ছিল।

    আশেপাশে তাকালাম। “আপনার প্রাণপ্রিয় কন্যা কি বাড়ি ফিরে গেছে?”

    “তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছি, যাতে আমার স্ত্রী কোনোরকমের দুঃশ্চিন্তা না করে।

    “আপনার স্ত্রীও তো আপনার দুষ্কর্মের সাহায্যকারী।”

    সেটার উত্তর না দিয়ে তিনি আমার দিকে একদৃষ্টিতে তাকালেন। “আমার মনে হয় আপনি আমার কন্যার কাছ থেকে গোটা পরিকল্পনাটার সারসংক্ষেপ শুনতে পেরেছেন। আমি চেয়েছিলাম আমিই আপনাকে সবকিছু খুলে বলব। কিন্তু সে বলল সে নাকি আপনাকে শেষবারের মতো দেখতে চায়।”

    “তাকে দেখে আমারো ভালো লেগেছে। তবে সেটা শেষবারের মতো কিনা তা বলতে পারছি না।

    “সবার আগে এত ঝামেলা পোহানোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমি কিন্তু মজা করছি না। আমার ধারণা ইতোমধ্যে আমার মেয়ে আপনাকে জানিয়েছে দিয়েছে যে, আপনি অনেক নিখুঁতভাবে সবকিছু সম্পন্ন করেছেন। মুক্তিপণের টাকা অদলবদলের পদ্ধতিটা কি আপনার নিজস্ব আইডিয়া ছিল? নাকি কোনো রহস্যপোন্যাস থেকে সেটা ধার করেছেন?”

    “সম্পূর্ণটাই আমার বানানো ছিল।”

    “আচ্ছা। সেটা অসাধারণ ছিল।” তিনি ধীরে ধীরে সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়তে লাগলেন। ধোঁয়ার আড়াল থেকেই তিনি বললেন, “তবে মাঝের দিকে কয়েকটা অংশে আমি ত্রুটি খুঁজে পেয়েছি। মাঝের অংশ থেকে আপনি আমাকে ইংরেজিতে নির্দেশনা দেওয়া শুরু করেছিলেন। কিন্তু একজন বা দুজন পুলিশকে কিন্তু খুঁজে পাওয়া যাবে, যারা ইংরেজিতে দক্ষ। তাই নিখুঁত স্কোর দিতে পারছি না।”

    “আমার জানা ছিল যে, আপনি ফরাসি ভাষাও জানেন। আমি নিজেও একটু- আধটু ফরাসি জানি। কিন্তু সেটা ব্যবহার করিনি কারণ তাতে কালপ্রিটের সংখ্যা অনেকখানি কমে আসবে। আজকালকার যুগে জাপানে প্রায় কোটিসংখ্যক মানুষ ইংরেজিতে কথা বলতে পারে। ফরাসি ভাষার ক্ষেত্রে কিন্তু সে কথাটা বলা যায় না। তাই আমি সবকিছু চিন্তা করেই ইংরেজি ব্যবহার করেছি।”

    “আচ্ছা। তাহলে দুজনের মতের প্রতিই শ্রদ্ধা পোষণ করছি।” তাকে দেখে মনে হলো আমার কথাতে তিনি আপত্তি করেননি।

    “আপনার পরিকল্পনাও কিন্তু অসাধারণ ছিল। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে, সবকিছু আপনার মেয়ের ওপর নির্ভর করছিল। কিন্তু এত বাধা-বিপত্তির মধ্যেও আপনি নানান কাজ করে সেটাকে সফল করিয়েছেন।

    “একটা ব্যাবসা চালাতে গেলে যা যা করতে হয়, তার কাছে এটা কিছুই না। এখানে শুধু তোমাকে বোকা বানানোর প্রয়োজন পড়েছিল,” তিনি ‘আপনি’ থেকে ‘তুমি’তে নেমে এলেন, “কিন্তু একটা কোম্পানি চালাতে গেলে অসংখ্য মানুষকে বোকা বানাতে হয়—কাস্টমার, কর্মচারী সবাইকে,” এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বাভাবিকভাবে উত্তর দিলেন। সিগারেটে জোরে একটা টান দিলেন। “যাই হোক, শুনলাম তুমি নাকি আমার মেয়েকে একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিলে।”

    “হ্যাঁ। আপনি আমাকে নিয়ে কী করবেন?”

    কাতসুতোশি কাতসুরাগি মুচকি হেসে সিগারেটের ছাই অ্যাশট্রেতে ঝাড়লেন। তারপর হাঁটু ঠিক করে নিয়ে তৃপ্ত মুখে বসলেন। মাথা নাড়তে নাড়তে তিনি বললেন, “যদি গোটা পরিকল্পনাটা ঠিকঠাকভাবে সম্পন্নও হতো, তারপরেও আমার পরিবারের কেউ শান্তি পেত না। কারণ, এখনো একজন মানুষ আছে যে কিনা আমাদের সব গোপন কথা জানে। শুনসুকে সাকুমা—তাকে নিয়ে কী করা যায়। তাকে খুন করে আত্মহত্যার নাটক সাজানো যায়। তারপর পুলিশকে কোনোভাবে বিশ্বাস করাতে পারলেই হলো। তারা ধরে নেবে যে, সেই জুরি কাতসুরাগিকে কিডন্যাপ করেছিল। কফিনের শেষ পেরেকটাও মারা হয়ে যাবে। তুমি অনুমান করেছিলে যে, আমার পরিকল্পনার শেষে তোমার মৃত্যু লেখা রয়েছে।”

    “আমি কি ভুল ভেবেছি?”

    “তা অবশ্য বলতে পারছি না। একবারও যে কথাটা ভাবিনি, তা কিন্তু বলছি না। কিন্তু আমার প্রিয় সাকুমা, আমি তো এতটা সোজাসাপ্টা মানুষ নই। আমাকে এরকম ভাবায় খানিকটা রাগ করলাম। তোমার নিখুঁত পরিকল্পনাটাই তোমার জন্য পাতা ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরকম অবস্থায় যে কেউই নিজেকে নিরাপত্তাহীন ভাবতে পারে। সেজন্য তুমি ভাবলে, তাহলে নিজেকে নিরাপদ রাখার একটা রাস্তা খুঁজে বের করা যাক। আমি তোমাকে নিয়ে যা যা ভেবেছিলাম, তার সবই সত্যি হয়েছে।” বলে তিনি আমার পেছনে তাকালেন। আমার কম্পিউটারটা ওখানে রাখা ছিল। সিপিউর ফ্যানের শব্দ কানে আসছিল, তারমানে সেটা চালু রয়েছে।

    “আপনি কি ফাইলটা দেখেছেন?”

    “অবশ্যই দেখেছি।”

    তার মানে জ্ঞান হারানোর আগে চিহারুকে যে শব্দগুলো বলেছিলাম তা বৃথা যায়নি।

    “যখন চিহারুর কাছে শুনতে পেলাম তুমি কোনো একটা ফাইলের কথা বলেছ, আমি সেটা নিয়ে তেমন কিছুই ভাবিনি। কোনো জরুরি কিছু তো আর হবে না বলে ভেবে নিয়েছিলাম। হয়তো একটা টেক্সট ডকুমেন্ট পাওয়া যাবে, যাতে গোটা ঘটনাটা স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে। আর হ্যাঁ, সাথে একটা সাবধানবাণী থাকবে যাতে লেখা থাকবে, তোমার মৃত্যুর পর সেসব তথ্য কোনো না কোনোভাবে পুলিশের কাছে পৌঁছে যাবে।”

    “জিনিসটা কি আপনাকে এক মুহূর্তের জন্যও থমকে দেবে না?”

    “কেন দেবে? এসবকে গালগপ্পো বলে অস্বীকার করলেই তো হবে। যদি আমরা তোমাকে খুন করার জন্য প্রস্তুত থাকতাম, তাহলে এসব তুচ্ছ জিনিস নিয়ে ভেবেও দেখতাম না। আমি হয়তো বলতাম যে, কিডন্যাপারটা আত্মহত্যা করার আগে একটা গল্প বানিয়ে রেখে গেছে। এখন বলো তো, পুলিশ কাকে বিশ্বাস করবে?”

    উত্তর দিলাম না। পরোক্ষভাবে তাকে বুঝিয়ে দিলাম যে, তার কথাটা আমি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছি। সন্তুষ্ট মুখে কাতসুতোশি কাতসুরাগি অ্যাশট্রেতে সিগারেটটা চেপে নেভাতে লাগলেন।

    “কিন্তু তুমি এতটা বোকা ছিলে না। হ্যাঁ, আমার অনুমান অনুযায়ী সেখানে একটা চিঠি ঠিকই ছিল, কিন্তু সাথে আরো একটা ফাইল ছিল। জিনিসটা আমিও মুগ্ধ হতে বাধ্য হয়েছিলাম। না, মুগ্ধ বললে ভুল হচ্ছে। আমি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম।”

    “স্বীকার করছি, জিনিসটা হঠাৎ করে আমার মাথায় এসেছে,” আমি তার কাছে ব্যাপারটা পরিষ্কার করলাম। “আমি আগে ভাবতেও পারিনি যে, জিনিসটা পরে এভাবে কাজে লেগে যাবে।”

    “বুদ্ধিমান মানুষদের ক্ষেত্রে ঠিক এটাই হয়। তারা মনের অজান্তেই নিজেদের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জোগাড় করতে থাকে। এরকম জিনিস কাউকে শেখানো যায় না।”

    দুর্বলভাবে হাসলাম। এরকমভাবে লোকটার কাছ থেকে প্রশংসিত হবো, তা কখনো কল্পনাও করিনি।

    “আমি তোমাকে খুন করতে চাইনি,” কাতসুতোশি কাতসুরাগি বললেন। “কারণ তোমাকে খুন করার কোনো প্রয়োজন নেই। পুলিশ তোমাকে না ধরা পর্যন্ত তুমি কারো কাছে মুখ খুলবে না। আর তুমি কখনো ধরা পড়বেও না। কারণ, আমরা তোমাকে সাহায্য করবো। ভিক্টিম হিসেবে আমরা ইচ্ছামতো অসংখ্য প্রমাণ প্রস্তুত করতে পারবো যাতে দেখা যাবে তুমি আসলে কালপ্রিট নও। অবশ্য সেটা আমাদের সর্বশেষ পরিকল্পনা ছিল। তুমি যদি গেমটা ভালোভাবে সম্পন্ন না করতে পারতে, তাহলে আমাদের ওটাই অনুসরণ করতে হতো। কিন্তু এখন বলতে বাধ্য হচ্ছি, তুমি খুব সফলভাবেই গেমটা শেষ করেছ।”

    “যদি আমাকে কালপ্রিট না বানাতেই হতো, তবে ইয়োকোসুকায় কেন আমার চিহ্ন কেন রেখে আসা হলো?”

    “প্রথমত, আমি তোমাকে দুর্বল বানাতে চেয়েছিলাম। এরকম অবস্থায় পড়লে তুমি স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল হয়ে যাবে বলে ধরে নিয়েছিলাম। আসলে তোমাকে নয়, বরং কোনো একজন কালপ্রিটের চিহ্ন হলেই চলত আমার। গোটা কিডন্যাপিংটাই যে একটা সাজানো নাটক ছিল, এই তথ্যটাকে কখনো আলোর মুখ দেখতে দেওয়া যাবে না। একজন কালপ্রিটের অস্তিত্ব দেখানোর জন্য আমার একজন ‘সত্যিকারের কালপ্রিট’ প্রয়োজন ছিল।”

    “তাহলে একটু আগে আমাকে কেন ঘুম পাড়ালেন?”

    কাতসুতোশি কাতসুরাগি আবার মুচকি হাসলেন। তার মুখটা দেখে বুঝতে পারলাম, তিনি এই প্রশ্নের জন্যই এতক্ষণ অপেক্ষা করছিলেন। “তোমার কি মনে হয়েছিল, তোমাকে ঘুম পাড়িয়ে মেরে ফেলা হবে?”

    “সত্যি বলতে কি, হ্যাঁ, তাই মনে হয়েছিল।”

    “হুম। তাই সেটা ঠেকানোর জন্য তুমি সর্বশক্তি ব্যবহার করে তোমার ট্রাম্প কার্ডটা বের করে আনলে। আমি মনে মনে ঠিক সেটাই দেখতে চেয়েছিলাম। তোমার ব্যবহার করা সর্বশেষ কার্ড।”

    আমি ঘোঁৎ করে উঠলাম। “আপনি অপেক্ষায় ছিলেন আমার হাতের সবগুলো কার্ড দেখার?”

    “খেলা শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো খেলায় জয়ী কে, তা বের করা সম্ভব হয়নি। তোমার হাতের কার্ডগুলো এখনো তোমার হাতেই রয়ে গেছে।”

    কাতসুতোশি কাতসুরাগি আবার কম্পিউটারের দিকে তাকালেন। তার মতো আমিও পেছনে ফিরে তাকিয়ে মনিটরটার দিকে তাকালাম। মনিটরটাতে একটা ছবি দেখা যাচ্ছিল। ছবিটা যে এই ঘরেই তোলা তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল।

    চিহারু যখন জুরি সেজে আমার বাসায় থাকছিল, ছবিটা সেই সময়কার। ছবিটায় সে আমার জন্য বানানো খাবার ট্রেতে করে বহন করছিল।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)
    Next Article ম্যালিস – কিয়েগো হিগাশিনো

    Related Articles

    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো

    January 6, 2026
    কেইগো হিগাশিনো

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য রেড ফিঙ্গার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }