Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য নেম অব দ্য গেম ইজ অ্যা কিডন্যাপিং – কেইগো হিগাশিনো

    কেইগো হিগাশিনো এক পাতা গল্প310 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অ্যা কিডন্যাপিং – ৭

    সাত

    বাসায় ফিরে দেখলাম, জুরি রান্নাঘরে কী যেন রান্না করছে। গন্ধ শুঁকে কী রান্না করছে, তা বের করার চেষ্টা করলাম।

    “ক্রিম-স্ট্যু বানানোর মতো উপকরণ ছিল বাসায়?” রান্নাঘরের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলাম।

    জুরি একটা শার্ট পরে কোমরে একটা টিশার্ট বেঁধে এপ্রনের কাজ চালাচ্ছিল। ঐ অবস্থায় সে চুলায় থাকা একটা পাত্রের ভেতরটা নাড়ছিল। “ফ্রিজ ঘাঁটাঘাঁটি করে সব উপকরণই পেয়েছি। সবজিগুলো আর কদিন হলেই নষ্ট হয়ে যেত। ভাগ্যিস আগেই আমার চোখে পড়েছে।”

    মনে পড়ে গেল, ওগুলো কিনেছিলাম গ্রাটান বানানোর জন্য। “কারো সাথে দেখাসাক্ষাৎ বা ফোনে কথা বলোনি তো?”

    “না। ভেবে দেখলাম, জোরে টিভি দেখলে হয়তো প্রতিবেশীরা টের পেতে পারে। তাই খুবই অল্প সাউন্ডে টিভি দেখেছি। এমনকি আমার চলাফেরার শব্দটাও নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছি। আর হ্যাঁ, বিকেলে ফোনটা বেশ কয়েকবার বেজেছিল। কিন্তু ধরিনি।”

    আমার ফোনের কথাই বলছে বোধহয়। যাক, এখন পর্যন্ত সে কোনো গণ্ডগোল করেনি।

    তার সবটুকু মনোযোগ এখন চুলার পাত্রটার ওপর। সে যে পাত্রটাতে ট্যু বানাচ্ছিল, সেটা আমি নিজেই কেবল দুবার ব্যবহার করেছি।

    “তুমি যে ভালো রান্নাবান্না করতে পারো তা জানতাম না।”

    “পারি। তবে অতটা ভালো না। বিরক্ত লাগছিল, তাই করতে মন চাইলো। আপনার কি খিদে পেয়েছে?”

    “আমি খেয়ে এসেছি। এটা অবশ্য তোমার জন্য নিয়ে এসেছিলাম।” হাতের পেপারব্যাগটা তুলে ধরলাম।

    “ভেতরে কী আছে?”

    “একটা বেন্তো (বক্সড খাবার সেট)।”

    সে ব্যাগের ভেতরটা দেখে আমার দিকে তাকালো। “এটা তো ইয়াসুমান এর বেন্তো! অসাধারণ! ওখানকার শেফ প্রায়ই টিভিতে রান্না করতে যান। তাহলে আমি এটাই খাবো।”

    “তাহলে স্ট্যু এর কী হবে?”

    “স্ট্যু গোল্লায় যাক।” জুরি চুলাটা বন্ধ করে দিল।

    নিজের রুমে ঢুকে কাপড়চোপড় পালটে ফ্রেশ হয়ে লিভিং রুমে এলাম। জুরি ততক্ষণে বেন্তো খাওয়া শুরু করে দিয়েছে। বেন্তোর প্রত্যেকটা অংশ কতটা সুস্বাদু, কেন সুস্বাদু সেটা নিয়ে লেকচার দিতে শুরু করলো। বিয়ারের ক্যানে চুমুক দিতে দিতে আমি তার কথাগুলো শুনতে লাগলাম।

    “আজকে তোমার বাবার সাথে আমার দেখা হয়েছে।” হঠাৎ বলে বসলাম।

    জুরির হাতের চপস্টিক থেমে গেল। “কোথায়?”

    “আমাদের কোম্পানিতে তিনি এসেছিলেন। তার মেয়ে কিডন্যাপ হওয়ার পরেও যে তিনি কাজে ফিরে যাবেন, ব্যাপারটা একটু অপ্রত্যাশিতই ছিল। বোধহয় পুলিশের কথামতো শান্ত থাকার জন্য কাজটা করছেন। তবে সেটা তিনি নিজের অফিসে করলেও পারতেন।”

    “আমার কী হয় না হয়, তাতে তার কিছুই যায়-আসে না।” জুরি আবার খাওয়া শুরু করলো।

    “তিনি যাই করুন না কেন, কিছু একটা যে হয়েছে তা টের পেয়েছেন। আমাদের মুক্তিপণের চিঠিটা তার চোখে পড়েছে। একটা জবাবও দিয়েছেন তিনি।”

    “তাই? নেটে জবাব দিয়েছেন?”

    কম্পিউটার চালু করে ওয়েবসাইটটাতে প্রবেশ করলাম। “ওহ, তিনি ইতোমধ্যে আরো একটা পোস্ট দিয়েছেন দেখা যাচ্ছে।”

    বিকেলে যেটা দেখেছিলাম সেটা বাদেও নতুন আরেকটা পোস্ট বুলেটিন বোর্ডে শোভা পাচ্ছিল—

    আমি পণ্যের মান দেখতে ইচ্ছুক (ইউজারনেম-জুলি)

    আমি জুলি, গাড়ির বিষয়ে একেবারে নতুন। আরেকজনের কাছ থেকে একটা সিপিটি নিতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু নিজের চোখে না দেখে তো সেটা নেওয়া যায় না, তাই না? সেটা ঠিকঠাক আছে কিনা কিংবা গাড়ির ইঞ্জিনের শব্দ শুনে ওটার অবস্থা ভালো আছে কিনা সেগুলো পরীক্ষা করে দেখতে চাই। আমার মনে হয় এসব পরীক্ষা না করে টাকাপয়সা দেওয়া উচিত নয়। আপনাদের কী মতামত?

    জুরি আবার খাওয়া বন্ধ করে কম্পিউটারের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলো।

    “এখন তোমার কাছে কী মনে হচ্ছে জুরি?”

    “এর মানে…”

    “ওপরের কথাবার্তাগুলোর কেবল একটাই অর্থ হতে পারে। তারা জানতে চায় তুমি নিরাপদে আছো কিনা।” খানিকটা বিয়ার ঢোঁক দিয়ে গিলে ফেললাম। জুরি এখন আমার দিকে তাকিয়ে আছে।

    আমাদের শত্রু কেবল দুটো কারণেই এ কথাটা বলতে পারে। একটা হচ্ছে, ভিক্টিমের অবস্থা জানার জন্য। আরেকটা হলো কালপ্রিটের ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য। আমাদের প্রতিপক্ষ, মানে পুলিশরা যেভাবেই হোক আমাদের, মানে কিডন্যাপারদের গলার আওয়াজ শুনতে চায়। জুরিকে ফোনে রেখে সেটা ট্রেস করে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি বের করার ধান্দা করছে তারা। আমি নিশ্চিত, কাতসুরাগিদের ফোনের সাথে ইতোমধ্যে একটা রেকর্ডিং যন্ত্র জুড়ে দেওয়া হয়েছে। পাশেই ডিটেকটিভরা হেডসেট পরে ফোনের জন্য অপেক্ষা করছে।

    যে-কোনো কিডন্যাপিং সম্পর্কিত সিনেমা, উপন্যাসের সবচেয়ে সাধারণ দৃশ্য হচ্ছে এই ফোনকল। ভিক্টিমের পরিবার বারবার ভিক্টিমের অবস্থা জানতে চায়। তখন কিডন্যাপার যতটা সম্ভব সতর্ক থেকে সেটা বাস্তবায়ন করে। সে নজর রাখে যাতে ভিক্টিমের মুখ ফসকে অন্যকিছু বের না হয়ে যায়। এটাকে অনেকটা দ্বন্দ্বযুদ্ধের শুরুর সাথে তুলনা করা যায়। একবার এমন একটা রহস্যোপন্যাস পড়েছিলাম যেখানে ভিক্টিমের কথাবার্তা টিভিতে লাইভ করা হয়েছিল।

    ভেবে দেখলাম, জিনিসটা কিন্তু বেশ অদ্ভুত। ভিক্টিমের ফ্যামিলির সাথে ভিক্টিমের যোগাযোগ করানোর অনুরোধ মান্য করার পেছনে কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। কিডন্যাপার কিন্তু চাইলে কেবল তাদের টাকার জন্য বারবার তাগাদা দিয়েই যেতে পারে। যদি কোনো কারণে কিডন্যাপার রুষ্ট হয়, তবে ক্ষতিটা কিন্তু ভিক্টিমের পরিবারেরই হবে। তাই আমিও চাইলে তাদের অনুরোধ অগ্রাহ্য করতে পারি। আপনি যদি অক্ষত দেহে তাকে ফিরে পেতে চান, তবে বেশি কথাবার্তা না বাড়িয়ে টাকাটা জোগাড় করুন। এটুকু বলে দিলেই আমার কাজ শেষ হয়ে যাবে। ভাবলাম, ঠিক এই লেখাগুলোই ইমেইল করে পাঠিয়ে দেই। বুলেটিন বোর্ডে ‘জুলি’ ইউজারনেমধারী যে পোস্ট দিয়েছে, তার একটা ইমেইল অ্যাড্রেস দেওয়া আছে। তারা হয়তো ভেবে নিয়েছে আমরা ওখানে তাকে ইমেইল করব।

    “তাদের তো ফোন করা যাবে না, তাই না?” জুরি জিজ্ঞেস করলো।

    “করলে আমাদেরই বিপদ।”

    “ঠিক বলেছেন।”

    “তুমি কি ফোন করতে চাও?”

    সে মাথা নাড়লো, “না সেটা বলছি না।”

    “আজকালকার দিনে একজন গর্দভ অপরাধীও বোধহয় এতবড়ো ভুল করবে না। অবশ্য সেটা সম্পূর্ণই আমার মতামত। কিন্তু সত্যি বলতে কী, এরকম বোকার মতো কাজ করাতে কিন্তু বেশ মজাও পাওয়া যেতে পারে।”

    “মজা…”

    “মনে রেখো, এটা কিন্তু একটা খেলা। আর খেলা আনন্দদায়ক না হলে কোনো লাভ আছে? তাই বলে ফট করে ফোন করা যাবে না।”

    যদি ফোন করতেই হয়, তবে আমি চাই সেটা যেন আমাদের কাজে লাগে। মোটকথা, আমি তাদের তদন্তে গোলমাল লাগাতে চাচ্ছি। কীভাবে করা যায় ওটা?

    “উম,” জুরির ঠোঁটটা একটু নড়ে উঠে থেমে গেল।।

    ‘কী হয়েছে?”

    “ফোনের কথা উঠেছে দেখে আমার একটা কথা মনে পড়ে গেল। আমি বোধহয় বিশাল একটা ভুল করে বসেছি।”

    তার আচার-আচরণ স্বাভাবিকের তুলনায় বেখাপ্পা লাগছিলো। কেন জানি শঙ্কা হতে লাগলো। তার দিকে বাকিটা শোনার জন্য তীক্ষ্মদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলাম।

    “গতকাল আপনি জিজ্ঞেস করেছিলেন না, আমি বাড়ি থেকে বের হবার পর কারো সাথে যোগাযোগ করেছি কিনা?”

    “হ্যাঁ। এখন কিন্তু আবার বোলো না যে, তুমি সেটা করেছো।” উত্তেজনায় সোফা থেকে উঠে দাঁড়ালাম।

    “আমি কথা বলিনি। কিন্তু একটা ফোন করেছিলাম।”

    “মানে?”

    “আমার ইউকি নামের এক বান্ধবী আছে। ভেবেছিলাম, তার বাসায় থাকতে পারব কিনা সেটা তাকে জিজ্ঞেস করা যাক। তাই ওর বাসায় ফোন করেছিলাম। আমার দিকে এভাবে তাকাবেন না। ঐ সময়ে যে এরকম কিছু হতে পারে তা মাথাতেই আসেনি।”

    “আচ্ছা। পরে কী হলো?” আমার মাথাব্যথা করতে শুরু করেছে। এই কমবয়সি মেয়েরা সবসময় একটা না একটা ঝামেলা তৈরি করবেই।

    “কিন্তু সে বাসায় ছিল না। তখন আমার মনে পড়ে গেল যে, এই মাসের শুরুতে ওর আমেরিকা যাওয়ার কথা। তাই কেউ ফোন ধরেনি। তাই আন্সারিং মেশিন-এর মেসেজ শোনানো শুরু করেছিল।”

    “আন্সারিং মেশিনে কোনো মেসেজ রেখে দাওনি তো?”

    জুরি গাল ফুলিয়ে মাথা নিচু করে রাখলো। আমি নিজের মাথাটা শক্ত করে আঁকড়ে ধরলাম।

    “কী বলেছিলে মেসেজটাতে?”

    “আমি জুরি বলছি। ভুলেই গিয়েছিলাম যে, তুই আমেরিকায় চলে গিয়েছিস।”

    “তারপর?”

    “এটুকুই। এরপর ফোন রেখে দিয়েছিলাম।”

    সোফাতে আবার বসে পড়লাম। হাত পা দুদিকে প্রসারিত করতে করতে বলে উঠলাম, “এই মুহূর্তে কেন…”

    “আমরা কথা বলিনি। আর এতক্ষণ পর্যন্ত আমি ওটার কথা সম্পূর্ণ ভুলেই গিয়েছিলাম।”

    “শোনো, মেসেজ রেখে দিলে মেসেজটা পাঠানোর সময়ও সেটার সাথে সংরক্ষিত হয়ে যায়। যেদিন ইউকি মেয়েটা আমেরিকা থেকে ফিরে আসবে, সেদিনই সে তোমার কিডন্যাপিং সম্পর্কে জানতে পারবে। এমনকি যেহেতু সে তোমার বান্ধবী, তাই সে নিজে থেকে খোঁজখবরও নেওয়া শুরু করবে। তাহলে সে কি সন্দেহ করবে না কেন তুমি কিডন্যাপ হবার পরেও হালকা চালে তাকে ফোন দিয়েছ?”

    “আমার মনে হয় না এতকিছু হবে। সে অনেক সহজ-সরল। তাই মেসেজ দেখলেও সে অতকিছু ভাববে না।”

    ছটফট করে বললাম, “আমি একটা নিখুঁত খেলা খেলতে চেয়েছিলাম। তুমি কি মনে করো এরকম ফাঁকা আওয়াজের মতো কথাবার্তা আমাকে সান্ত্বনা দিতে পারবে?”

    “তাহলে আমাদের কী করা উচিত?” জুরি রেগে গিয়ে বলল।

    আমি তর্জনী আর বৃদ্ধাঙুলি দিয়ে নিজের চোখটা ডলতে লাগলাম। বমি বমি লাগছে খানিকটা। “কী আর করব, গোটা পরিকল্পনাটা ভেঙে দিতে হবে। এ গল্পের সমাপ্তি এখানেই।”

    “কিন্তু…”

    “এখানে আমাদের কিছুই করার নেই। যদি কোনো কারণে ইউকি মেসেজের সময়টা দেখে সন্দেহ করে, তাহলে সে কাউকে সেটা বলে দিতেই পারে। আর সেই মানুষটা যদি পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে, তবেই হয়েছে। পুলিশ বুঝে ফেলবে, গোটা কিডন্যাপিংটাই ছিল আমাদের সাজানো একটা নাটক। তখন তোমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তুমি কিছু বলতে পারবে? বুঝতে পেরেছো তো গোটা ব্যাপারটা?”

    “আমি কখনোই মুখ খুলব না। মরে গেলেও না।” জুরি ঘোষণা করলো। তারপর ঠোঁট দুটো শক্ত করে চাপ দিয়ে বসে থেকে সে বোঝাতে চাইলো, এই যে দেখো আমি কতটা দৃঢ়বদ্ধ।

    “পুলিশের ইন্টারেগেশন খুব সহজ কিছু না। তবে ওটা সম্পর্কে আমার ধারণা কম। কিন্তু তোমার মতো ‘ছোট্ট খুকির’ বেয়াড়া আচরণ দেখে ওদের হাসিই পাবে।”

    ‘ছোট্ট খুকি’ বলাতে জুরি হয়তো ক্ষেপে গিয়েছিল। কিন্তু ওর মন জুগিয়ে চলতে আর ইচ্ছা করছে না। হাতের বিয়ারের ক্যানটা খতম করে চাপ দিয়ে সেটা মুচড়ে ফেললাম।

    যেহেতু পরিকল্পনাটা আর বাস্তবায়িত করব না, সেহেতু তাকে যত দ্রুত বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া যায় ততই মঙ্গল। কিন্তু কিছু ঠিক না করে তাকে পাঠালে ভালো হবে না। আমরা ইতোমধ্যে তাদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে চিঠি পাঠিয়েছি। পুলিশ নিশ্চিতভাবেই কেসটাতে জড়িয়ে গেছে। জেলের ভাত না খেতে চাইলে আমার হাতে কেবল একটাই পথ আছে। পুলিশকে বুঝিয়ে বলতে হবে যে, জুরিই আমাকে মজা করার জন্য প্ররোচিত করেছিল। এখন ভাবতে হবে কীভাবে ওকে এ ব্যাপারে রাজি করা যায়।

    “শুনুন, আমার একটা প্রস্তাবনা আছে।” মেয়েটা বলে উঠল।

    “তোমারটা শোনার আগে আমিও একটা প্রস্তাব দিতে চাই।”

    “যদি সেটা গোটা পরিকল্পনা ভেঙে দেওয়া সম্পর্কিত কোনো প্রস্তাব হয়, তবে আগেই বলে রাখছি আমি রাজি নই।”

    আমি মাথা ওপরের দিকে তুলে ঘরের ছাদের দিকে তাকালাম।

    “আমি ভাবছিলাম, ওর বাসায় গিয়ে মেসেজটা মুছে দিয়ে এলেই তো হয়।” জুরি আমাকে অগ্রাহ্য করেই বলে ফেলল।

    “মুছে ফেলবে? কী?”

    “আন্সারিং মেশিনের মেসেজটা। ওটা মুছে ফেললেই তো সব সমাধান হয়ে যাবে, তাই না?”

    “কীভাবে মুছবে? ওটা অন্য আরেকজনের ফোন।”

    “সে আমাকে বলে দিয়েছিল যে, ও আমেরিকা থাকাকালীন সময়ে যখন খুশি তার রুমে যেয়ে থাকতে পারবো। সে কোথায় চাবি লুকিয়ে রেখে যায়, সেটাও আমাকে বলে গেছে।”

    “ওর বাসা কোথায়?”

    “ইয়োকোসুকাতে।”

    “ইয়োকোসুকা? এত দূরে কেন…”

    “গাড়িতে করে গেলে কেবল একঘণ্টা লাগবে। ঝটপট সেখানে গিয়ে মুছে ফিরে আসলেই তো আমাদের কাজ শেষ।”

    “তোমার কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে কাজটা যেন খুবই সোজা। যদি সন্দেহজনক চেহারার দুইজন মানুষ একটা অনুপস্থিত মানুষের বাড়িতে ঢুকে পড়ে, তবে আশেপাশের প্রতিবেশীরা সন্দেহ করা শুরু করবে।”

    “কারো চোখে না পড়লেই তো হয়। তবে আপনি না এলেই বরং ভালো হবে। কারণ বাড়িটা কেবল মেয়েদের জন্য। মেয়েরাই ওখানে বাসা নিয়ে থাকে। আপনি চাইলে ইয়োকোসুকা বন্দরে দাঁড়িয়ে হাওয়া খেতে খেতে জাহাজ চলাচলের দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।”

    “অসম্ভব।” ঘোঁৎ করে উঠলাম। অকস্মাৎ শেষবার যখন আমি ইয়োকোসুকাতে গিয়েছিলাম, সেটার কথা মনে পড়ে গেল।

    অপ্রত্যাশিতভাবেই আমার মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভবিষ্য পুরাণ – অনুবাদ : স্বামী পরমাত্মানন্দনাথ ভৈরব (গিরি)
    Next Article ম্যালিস – কিয়েগো হিগাশিনো

    Related Articles

    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো

    January 6, 2026
    কেইগো হিগাশিনো

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য রেড ফিঙ্গার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }