Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য পিরামিড – ইসমাঈল কাদরী

    ইসমাঈল কাদরী এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদ্ভব সমস্যাবর্তে একটি পুরাতন ধারণার উত্থান

    মিশরের সিংহাসনে নতুন ফারাও চিওপস আরোহন করার কয়েক মাস পর শেষ শরতের এক সকালে তিনি ঘোষণা দিলেন যে, সম্ভবত তার জন্য কোনো পিরামিড নির্মাণের ইচ্ছে তার নেই। সভাসদের যারা এই সংবাদটা শুনলো, রাজপ্রাসাদের জ্যোতির্বিজ্ঞানী, ঊর্ধ্বতন মন্ত্রিপরিষদ, ফারাও চিওপসের পুরাতন উপদেষ্টা উছারকেফ এবং সর্বোচ্চ ধর্মযাজক হেমিউনি যিনি একই সাথে প্রধান প্রকৌশলির দায়িত্বে আছেন তাদের সবার ভ্রু কুচকে গেলো। মনে হলো তারা যেনো বড় কোনো দুর্ঘটনার সংবাদ এই মাত্ৰ শুনলেন।

    সভাসদ কয়েক মুহূর্তের জন্য থমকে গেলো। তারা সম্রাটের অপ্রসন্ন মুখাবয়বের দিকে তাকিয়ে এর সত্যতা উপলব্ধি করার চেষ্টা করলো। তারা অন্তর দিয়ে সম্রাট যে ‘সম্ভবত’ শব্দটা উচ্চারণ করেছে সেটাকে গ্রহণ করার চেষ্টা করলো। কিন্তু সম্রাট চিওপসের মুখমণ্ডল দেখে কিছু বোঝা যাচ্ছিলো না। সেটা ছিলো দুর্ভেদ্য। সভাসদ আশা করছিলো তার এই কথাটাও ঠাট্টাচ্ছলে তুচ্ছ একটা কথা হবে যেভাবে তরুণ রাজ রাজরা তাদের দুপুরের ভোজে বসে আনন্দ করার জন্য বলে থাকেন। তিনি কি এই কিছুদিন আগে মিশরের সবচেয়ে পুরাতন দুটি গির্জা বন্ধ করে দিলেন না? তারপর আবার তিনিই ঘোষণা করলেন যেখানে ধর্মীয় উৎসর্গীকৃত অনুষ্ঠান বন্ধ ছিলো সেখান থেকেই সবাই যেনো তাদের অনুষ্ঠান পালন করে।

    সম্রাট চিওপসও সভাসদের প্রতিক্রিয়া বোঝার চেষ্টা করছিলেন। তার চোখে মুখে এক ধরনের ব্যাঙ্গাত্মক জিজ্ঞাসা : ‘এই সংবাদ কি তোমাদেরকে নিদারুণ যন্ত্রণায় ফেলে দিয়েছে নাকি? যদি আমার পিরামিড না হয় তাহলে তোমাদেরটা হবে। আহ! কী ধরনের দাসত্ব ভাব তাদের চেহারাগুলোতে এখন ফুটে উঠেছে। আমি যখন আরো বয়স্ক হবো আরো কঠিন হবো তখন কতোদিন এই ভাব থাকবে?’

    কোনো কথা না বলেই এমনকি সভাসদের চেহারার দিকে না তাকিয়েই তিনি উঠে দাঁড়ালেন আর সভা ত্যাগ করলেন।

    সম্রাট চলে যাওয়ার পর তারা একা হয়ে পড়লেন। একে অপরের মুখের দিকে তাকালেন।

    ‘কী হতে যাচ্ছে আমাদের সাথে?’

    তারা ফিসফিস করে বললো।

    ‘এটা কী ধরনের দুর্ভাগ্য?’

    মন্ত্রিপরিষদের একজন সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আরেকজন বারান্দায় দেয়ালের পাশে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন। সর্বোচ্চ ধর্মযাজকের চোখে পানি।

    বাইরে মরুভূমির বাতাসে একটা বালির চক্র ঘুরতে লাগলো। তারা চোখে মুখে হতবুদ্ধিতা নিয়ে বালির সেই ঘূর্ণির দিকে তাকালো, যেটা ঘুরতে ঘুরতে উপরে স্বর্গের দিকে চলে যাচ্ছে।

    তারা সবাই চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকলো। তাদের সকলের চোখে-মুখে একটাই কথা ভেসে বেড়াচ্ছে, ‘ও আমাদের সম্রাট, তুমি কোনো উপায়ে সর্বোচ্চ আসনে যাবে। যখন সেই অন্তিম ক্ষণটা আসবে তখন কীভাবে তুমি আকাশের চূড়ায় আরোহণ করবে আর নক্ষত্র হয়ে থাকবে অন্যান্য সব ফারাওদের মতো। তুমি কীভাবে আমাদেরকে প্রজ্বলিত করবে।

    তারা পরস্পরে খুব মোলায়েমভাবে কথা বলছিলো। তারপর তারা ভিন্ন ভিন্ন পথে চলে গেলো। দু জন চলে গেলো সম্রাটের মা খেন্তকাসের সাথে একটা বৈঠকের আয়োজনের জন্য, একজন চলে গেলো সুরা পান করতে, প্রধান কারিগর আর প্রকৌশলী চলে গেলো ভূগর্ভস্থ একটি কক্ষে যেখানে অনেক পুরাতন একটা আর্কাইভ আছে সেখানে অনেক বয়স্ক একজন এক চক্ষু শাস্ত্রপণ্ডিতের সাথে দেখা করতে।

    শরতের বাকি সময়টায় কেউ আর পিরামিড নিয়ে কোনো কথা বললো না।

    এমন কি রাষ্ট্রদূতদের অভ্যর্থনা কক্ষেও যেখানে চিওপস সুরা পান করে মাতাল হয়ে থাকেন। যেনো মনে হলো একজন রাজপতির জন্য বিদেশীদের সামনে এ বিষয়টা আলোচনা করা উপযুক্ত না।

    সম্রাট বাকি যাদের তার এই পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন তারা ভাবছিলো এটা হয়তো সম্রাটের একটা পরিহাস। এমন কি কখনো কখনো ভাবা হচ্ছিলো যে বিষয়টা নিয়ে আর সম্রাটের সাথে আলোচনা না করাটাই ভালো হবে। তাহলে হয়তো দীর্ঘ সময় প্রসঙ্গটা নিয়ে কথা না বলাতে এক সময় এটা আস্তে আস্তে বালির চরে ডুবে যাবে।

    কিন্তু আরেক পক্ষের চিন্তা-ভাবনা ছিলো আরো ভয়ঙ্কর! তারা দিন রাত শুধু এটা নিয়েই ভাবছিলো। আলোচনা করছিলো।

    কেউ কেউ রাজমাতার কক্ষ থেকে তেমন উৎসাহব্যাঞ্জক কোনো সাড়া না পেয়েও তার সাথে আলোচনায় বসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।

    একদল চলে গেলো আর্কাইভ ঘরে এই বিষয় নিয়ে গবেষণা করার জন্য। আর্কাইভ ঘরে তারা যতোই গবেষণা করছিলো কাজ তাদের জন্য ততোই কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছিলো। বেশ ভালো কিছু প্যাপিরাস (এক ধরনের বিশেষ পাতায় লেখা পাণ্ডুলিপি) হারিয়ে গেছে। বাকিগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। এমন কি তখনো বিদ্যমান কিছু স্ক্রোল (বিশেষ পাতায় লেখা মোড়ানো লিপি) যার আশে পাশে কিছু নোট লেখা ছিলো সেটাও নষ্ট হয়ে গেছে।

    তবে একই সময় অগ্রভাগ ছেঁড়া কিছু প্যাপিরাস থেকে তারা প্রায় সব রকমের তথ্য জোগাড় করতে পারলো যেগুলো তাদের গবেষণার সাথে সম্পর্কিত ছিলো। সে সব তথ্যের মধ্যে পিরামিডের বিষয়ে যাবতীয় খোঁজ খবর ছিলো : পিরামিডের পূর্ব পরিকল্পনানুযায়ী এর গঠনশৈলী, প্ৰথম পিরামিডের ইতিহাস, দ্বিতীয় পিরামিড, পঞ্চম; এভাবে উত্তরাধিকারীভাবে একের পর এক, পিরামিডের ভিত্তি প্রস্তরের বৃদ্ধি, এগুলোর উচ্চতা, মৃতদেহকে মমি করে সব সময় সতেজ রাখার গোপন সূত্র, পিরামিডের ভেতর প্রথম লুটতরাজের কাহিনী, বিভিন্ন আকারের পাথর টেনে টেনে স্থাপন, ভেতরে প্রবেশ বন্ধ করার জন্য পাথর দিয়ে দরজা তৈরি, মৃত্যুর রায়, দেয়ালে নানা ধরনের চিত্রাঙ্কন যেগুলো আঁকা হয়েছিলো বিশেষ রহস্যময়ভাবে যার অর্থ উদঘাটন দুঃসাধ্য, ইত্যাদি নানা বিষয়ে তারা অনেক তথ্য সংগ্রহ করলো।

    এ সব তথ্য সবগুলোই ছিলো খুব সুস্পষ্ট।

    কিন্তু তাদের গবেষণার মূল লক্ষ্যটাই এগুচ্ছিলো না। এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে প্যাপিরাসের জঙ্গল। আর সেগুলো তাদের দিকে গর্তের ভেতর কাঁকড়া বিছের বিষাক্ত হুলের মতো করে পিট পিট করে তাকাচ্ছিলো। যেনো ধারণার উপর পিরামিড হয়েছিলো তারা সেটা খুঁজছে, এগুলোর আসলে মূল অস্তিত্বের কারণ কী? কেন এগুলো তৈরি হয়েছিলো, এর যুক্তিসঙ্গত একটা ঐতিহাসিক শক্ত ব্যাখ্যা তারা খুঁজছিলো। কিন্তু এখানেই এসে তারা বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। আসলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া প্যাপিরাসের মাঝেই এ তথ্যগুলো অত্যন্ত গোপনে লুকিয়ে আছে।

    তারা আগে কখনোই এ ধরনের মানসিক শ্রমের মুখোমুখি হয় নি। এটা তাদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা হোক, তাদের গবেষণার লক্ষ্য বার বার ব্যর্থ হওয়ার পরেও শেষ পর্যন্ত তারা একটা ধারণা দাঁড় করতে পেরেছে।

    মূল বিষয়টা যদি এমন নাও হয় তাহলে এটা হবে তার প্রতিকৃতি বা ছায়া জাতীয় কিছু।

    তারা দীর্ঘ সময় এটা নিয়ে অনেক আলোচনা পর্যালোচনা করলো। একটা সময় তারা বুঝতে পারলো যে, তারা আসলে যে বিষয়টা খুঁজছে সে ব্যাপারে পুরোপুরিই সচেতন আছে।

    ‘আসলে সব কিছুই তো পরিষ্কার।’ ফারাও এর সাথে আলোচনায় বসার আগে তাদের গোপন রাজনৈতিক বৈঠকে সর্বোচ্চ ধর্মীয় পুরোহিত বললো।

    ‘সমস্যাটার মূলে কী আছে সেটা আমরা এর মধ্যেই জেনে গেছি। নয়তো কেন সম্রাট সেই কথাটা উচ্চারণ করার সাথে সাথে আমি এখন আর সেটা উচ্চারণ করতে চাই না। আমরা ভীত হয়ে পড়েছিলাম।’

    দু দিন পর অতিমাত্রায় রাত জাগার বিমর্ষতা নিয়ে তারা সম্রাট চিওপসের সাথে দেখা করলো। ফারাওকেও তাদের মতো মলিন লাগছিলো। ফারাও একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন আর তাতে সভাসদের সবাই অবাক হয়ে ভাবলো হয়তো সম্রাট পুরো বিষয়টা ভুলে গেছে। তাদের মনে হলো কোনো উদ্দেশ্য ছাড়াই তারা একটা জ্বলন্ত অঙ্গারের দিকে উড়ে যাচ্ছে।

    এর মধ্যেই সর্বোচ্চ পুরোহিত কথা বললো।

    ‘আপনার পিরামিড তৈরির বিষয়ে আপনি যে উদ্বেগ দেখিয়েছিলেন আমরা সে বিষয়ে আপনার সাথে কথা বলতে চাই মাননীয়।’

    চিওপস কোনো রকম বিস্মিত বা অবাক হওয়ার মতো কিছুই দেখালেন না। কথা বলার মাঝখানে বাধা দিয়ে এটাও বললেন না, ‘আপনি কী বলতে চান?’

    তিনি শুধু তার ঘাড়টা একটু নাড়লেন। যার অর্থ হলো, ‘আমি শুনছি!” প্রথমে সর্বোচ্চ পুরোহিত কথা বলা শুরু করলেন। তারপর একে একে বাকি সবাই তাকে অনুসরণ করলো।

    তারা প্যাপিরাসগুলো পড়ে যে সমস্ত পরিশ্রম সাধ্য তথ্য পেয়েছে তার একটা বর্ণনা দিলো। তারা ফারাও যোসের দ্বারা নির্মিত প্রথম পিরামিডের কথা বললো যেটা মাত্র পঁচিশ হাত উঁচু ছিলো। এরপর ফারাও সেখেমখাটের ক্রোধের কথা বর্ণনা করলেন। তার প্রকৌশলী যখন পিরামিড নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে এসেছিলো আর সে পিরামিডটা ছিলো আগের পিরামিডের চেয়ে উচ্চতায় ছোট তখন ফারাও ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে প্রকৌশলীকে চাবুক পেটা করেছিলো। এরপর সভাসদ পরবর্তীতে পিরামিড নিয়ে আর কী কী পরিকল্পনা হয়েছিলো তার একটা বিসদ বর্ণনা দিলো। বিশেষ করে যেটা প্রকৌশলী ইমহোটেপ দিয়ে পরিকল্পিত হয়েছিলো। তারা পরিবর্তিত সেই পিরামিডের নানা রকম গ্যালারি, শবদেহ রাখার ঘর, গোপন কুঠুরিসমূহ, পাথরের দরোজা যা দিয়ে ভেতরে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। সেনফিরোকে দিয়ে তৈরি তিনটা পিরামিডের মধ্যে একটা ছিলো যার দৈর্ঘ্য পাঁচশো হাত আর উচ্চতা ছিলো তিনশো হাত। যেটাকে আপনি শ্বাসরুদ্ধকর বলতে পারেন।

    তারা যখনই প্রত্যেকটা বিষয়ের বর্ণনা দিচ্ছিলো তখনই আশা করছিলো এই বুঝি সম্রাট বাধা দিয়ে বসেন।

    ‘আমার কাছে কেন এ বিস্তারিত বিষয় নিয়ে এসেছো!”

    এটা ভাবতে ভাবতে তারা দেখলো কথার মাঝখানে কোনো রকম বাধা সম্রাটের কাছ থেকে এলো না।

    তখন প্রধান পুরোহিত বেশ দরাজ গলায় বললেন, ‘আপনি বেশ অবাক হবেন যে এ সবগুলো বিষয়ের সাথে আমার কী না ঘটেছে? আপনিই সঠিক জাহাপনা..

    সম্রাটের নীরবতায় সভাসদ আরো উৎসাহিত হয়ে সব কিছুই আরো বিস্তারিত আলোচনা করলো। তারা আগে থেকেই মূল কোনো বিষয়ে প্রশ্ন আসতে পারে সেটা জানতো।

    তারা কোনো রকম পিছু না হটেই ব্যাখ্যা করলো যে, যদিও পিরামিড একটা চমৎকার সমাধি ক্ষেত্র। কিন্তু তারা তাদের গবেষণায় দেখেছে প্ৰথম থেকেই পিরামিড তৈরির সময়ে এর সাথে মৃত্যু কিংবা সমাধি কবরের কোনো সম্পর্ক বা উদ্দেশ্য ছিলো না। এটা নিজে নিজেই স্বাধীনভাবে গড়ে উঠেছিলো। আর এর সাথে ছিলো বিশুদ্ধ চিন্তা।

    এই প্রথমবারের মতো চিওপসের মুখে প্রাণবন্তের ছাপ দেখা গেলো। তাদের সবাইকে আনন্দিত করে চিওপস বললেন, ‘আশ্চর্য!’

    আসলে প্রধান পুরোহিত তার কথাকে আরো গুরুত্ব দিয়ে বললো, ‘আমরা আপনাকে আরো অনেক কিছুই বলবো যেটা আপনার কাছে আরো আশ্চর্য মনে হবে।’

    পুরোহিত তার রক্ত শুন্য পুরাতন হৃৎপিণ্ডের ভেতর থেকে একটা লম্বা শ্বাস নিলো।

    ‘মহামান্য পিরামিডের পরিকল্পনাটা জন্ম নিয়েছিলো একটা ক্রান্তিলগ্ন সময়ে।’

    কথার মাঝে মাঝে সঠিক সময়ে একটু থামাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পুরোহিত এ বিষয়ে খুব সচেতন ছিলো। কারণ, কথার মাঝে সঠিক সময়ের বিরতি বক্তব্যের গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়। যেভাবে মেয়েদের চোখের পাপড়িতে আইলিসের ছোঁয়া তাদের চোখের রহস্যময়তাকে আরো বহুগুণ বৃদ্ধি করে।

    ‘হ্যাঁ এটা ছিলো খুবই সঙ্কটময় মুহূর্ত।’ কিছুক্ষণ থেমে পুরোহিত আবার বললেন।

    ‘ধারাবাহিক ইতিহাসে তখন ফারাওনিক ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছিলো। এটা সম্ভবত নতুন কোনো বিস্ময়ের ব্যাপার ছিলো না। কারণ পুরাতন প্যাপিরাসগুলোতে ভাগ্যের এমন অনেক বিপর্যয়ের কথা উল্লেখ আছে। তবে সে সময় নতুন যে বিষয়টা ঘটেছিলো সেটা একেবারেই ব্যতিক্রম আর স্বতন্ত্র ছিলো। সেই সঙ্কটটা ছিলো এক রকমের বিশ্বাসঘাতকতা থেকে তৈরি। সেটা কোনো ধরনের দারিদ্রতা কিংবা অসময়ে নীলনদের পানি প্লাবিত হওয়া অথবা মহামারি প্রকট আকারে দেখা দেওয়া থেকে তৈরি হয় নি। ইতোপূর্বে যেভাবে হয়েছিলো। বরং সেটা হয়েছিলো অতি প্রাচুর্যতার কারণে।’

    ‘জ্বি অতি প্রাচুর্যতার জন্য।’ তার সাথে সাথে হেমিউনি প্রতিউত্তর করলো। ‘অন্য কথায় বলা যায় এটা ছিলো অতি স্বচ্ছলতার কারণ।’

    চিওপস বারো ডিগ্রি কোণাকুণি করে তার চোখের ভ্রুকে উঠিয়ে প্ৰধান প্রকৌশলীর দিকে তাকালো।

    ‘শুরুতেই এই অবস্থা থেকে একটা পরিষ্কার সম্যক ধারণা নেওয়া ছিলো কঠিন। সে বলতে লাগলো।

    “অনেক বুদ্ধিমান পণ্ডিত যারা ফারাও এর খুবই বিশ্বস্ত ছিলো তারা যখন প্রথম বিষয়টা ফারাও এর কাছে বর্ণনা করলো তখন তাদের কাউকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে পুরস্কৃত করা হলো আবার কাউকে পাঠিয়ে দেওয়া হলো নির্বাসনে। কিন্তু তারা যেনো ব্যাখ্যাটা দিয়েছিলো এই সঙ্কটকালীন সময়ের সেটা হলো, এই অতি উৎকর্ষতা, স্বচ্ছলতার কারণে জনগণ অনেক বেশি স্বনির্ভর আর স্বাধীনচেতা হয়ে পড়েছিলো। তারা রাজকর্মচারীদের বিরোধিতা শুরু করলো, সাথে সাথে ফারাওকেও। আস্তে আস্তে এটা বাড়তে থাকলো। দিন যেতে যেতে সবাই বুঝতে পারলো এটা এমন একটা সমস্যা যেটার মুখোমুখি তারা ইতোপূর্বে কখনো হয় নি। তখন শুধু একটা প্রশ্নই ছিলো যার উত্তর সবাই খুঁজে বেড়াচ্ছিলো। সেটা হলো কীভাবে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এর সমাধানটা আসলে কোথায়।

    ফারাও তার রাজকীয় জ্যোতির্বিদ আর যাদুকরদের পাঠিয়ে দিলেন সাহারা মরুভূমিতে যাতে তারা সেখানে নীরবে ধ্যান করে চিন্তা-ভাবনা করে এর একটা সমাধান বের করতে পারে। চল্লিশ দিন পর যে সমস্ত লোকজন তাদের সাথে যোগাযোগ করতো তাদের মাধ্যমে ফারাও আরো ভয়াবহ একটা খবর পেলেন যেটা তিনি কখনো আশা করেন নি।

    তাকে জানানো হলো এই সমস্যার একমাত্র সমাধান হচ্ছে রাষ্ট্রের এই উন্নতি, সমৃদ্ধিকে ধ্বংস করে ফেলতে হবে।

    ফারাও আর তার রাজপ্রাসাদের সবাই গভীর চিন্তায় পড়ে গেলেন।

    এ সমৃদ্ধি সব কিছু ধ্বংস করে ফেলতে হবে?

    কিন্তু কীভাবে?

    বন্যা! ভূমিকম্প, সাময়িকভাবে নীলনদকে শুকিয়ে ফেলা।

    অনেক ধরনের পরিকল্পনাই করা হলো। কিন্তু কোনোটাই তার মনোপুত হলো না।

    তাহলে কি যুদ্ধ!

    যুদ্ধ করেই এ সব ধ্বংস করতে হবে। যুদ্ধতো একটা দু ধারি তলোয়ার। এতে তো হিতে বিপরীত হতে পারে। বিশেষ করে উদ্ভুত এই পরিস্থিতিতে।

    তাহলে কী করা যায়?

    অথচ এ পরিস্থিতিতে কিছু না করে বসে থাকাও সম্ভব না। একটা রাস্তাই তো আছে। আর সেটা হলো মরুভুমির এই প্রত্যাদেশ অনুসরণ করা। নয়তো আশু এই বিপদে ধ্বংস অনিবার্য।

    একটা গুজব ছিলো যে হারেমের একজন বিজ্ঞ মুরব্বি রেনেফার সে বেশ অদ্ভুত একটা কৌশলের কথা বলেছিলো যা দিয়ে মিশরের এই ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধি আর উন্নতিকে ঠেকিয়ে দেওয়া যেতে পারে। যা মিশরের জন্য ধ্বংস ডেকে এনেছিলো।

    বাইরের রাষ্ট্রদূতরা মেসোপটেমিয়ায় অর্থনৈতিক উৎপাদনের জন্য সমানুপাতে বিশাল এক পানির উৎস তৈরির কাজ করছিলো। ব্যাপারটা যদি তাই হয় সম্ভবত সে রকমই তাহলে মিশরেরও উচিৎ তার জনসংখ্যার অতিরিক্ত শক্তিটুকু ধ্বংস করে ফেলা।

    তার উচিৎ কল্পনাতীত এমন বিশাল এক কার্যক্রম হাতে নেওয়া যেখানে অধিকাংশ লোক অংশগ্রহণ করবে আর তাতে অবাধ্য জনগণের অতিরিক্ত শক্তিটুকু ব্যয় করা হবে। এক কথায় এমন এক প্রকল্প গ্রহণ করা যার উদ্দেশ্য মুখ্য নয় কিন্তু তাতে শরীর এবং আত্মার ধ্বংস সাধন হবে। আর এটা নতুন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য একটা সমাধান।

    ফারাও-এর মন্ত্রিরা নানা ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে এলো সে সময়।

    মিশরকে ঘিরে চারদিক দিয়ে একটা অকল্পনীয় গভীর সুড়ঙ্গ করতে হবে যেটা পানি দিয়ে কানায় কানায় ভর্তি থাকবে।

    তবে মন্ত্রিপরিষদের সকলের পরিকল্পনায় যদিও দেশপ্রেম, আধ্যাত্মিকতা ও দৃঢ়তাপূর্ণ ছিলো, কিন্তু এর পরেও তাদের সকল পরিকল্পনা ফারাও প্রত্যাখ্যান করলেন।

    নতুন আর কী পরিকল্পনা করা যায় যেটা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম যেটা শেষ হবে কিন্তু তারপরেও চলতে থাকবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে যেনো প্রকল্পটা যুগে যুগে নিজে নিজেই আবার নতুনত্বে সজ্জিত হবে।

    এভাবেই স্বয়ং সম্রাট, রাজন্যবর্গ নথি লেখক সবাই মিলে ধীরে ধীরে একটা শবদেহের স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেন। একটি প্রধান মিনার যেখানে রাজাধিরাজকে সমাহিত করা হবে।

    ফারাও এ পরিকল্পনাটা শুনে খুব মুগ্ধ হলেন।

    মিশরের মূল আধ্যাত্মিক কেন্দ্র কোনো ধর্মীয় দুর্গ বা রাজপ্রাসাদ হবে না, সেটা হবে একটা মিনার, শবদেহের স্মৃতিস্তম্ভ।

    ধীরে ধীরে মিশর এটা দিয়ে সারা পৃথিবীতে পরিচিতি পাবে।

    এটা তৈরি হয়েছিলো মহান এক পরিকল্পনা দিয়ে, আর তা হলো মহান ফারাও এবং মৃত্যু, অথবা আরো সুন্দর এবং নির্ভুলভাবে বলতে গেলে মৃত্যুর পর মহান ফারাও-এর স্বর্গে উত্থান।

    এটা এমন দৃশ্যমান হবে যে অনেক দূর থেকেও একে দেখা যাবে। সকল ফারাও এর নিজ নিজ একটা করে পিরামিড থাকবে।’

    ফারাও চিওপসের সামনে এতোটুকু বর্ণনা শেষ করে রাজপ্রাসাদের মূল পুরোহিত হেমিউনি বেশ দীর্ঘক্ষণ নীরবতা পালন করলেন। তারপর আবার কথা বলা শুরু করলেন।

    ‘সুতরাং মহামান্য ফারাও মৃত্যুর পরবর্তী জীবনের আগেই এ জগতে পিরামিডের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে। অন্য কথায়, আত্মাকে রক্ষার পূর্বেই এটা শরীরকে রক্ষা করবে।

    হেমিউনি আবার চুপ হলেন। তারপর আস্তে আস্তে কথা বলার আগে একটু শ্বাস টেনে নিলেন।

    ‘মহামান্য প্রভু প্রথমত পিরামিড হলো একটা ক্ষমতা, একটা ঐশ্বর্য। মহামান্য প্রভু ফারাও এটা আপনার সবচেয়ে বিশ্বস্ত অভিভাবক। আপনার গোপন রক্ষা কর্তা, আপনার সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী। এটা যতো উঁচু হবে ততো আপনার উদ্দেশ্য, মান-মর্যাদা পরিলক্ষিত হবে।

    হেমিউনি খুব আস্তে আর নরমভাবে কথা বলছিলো। কিন্তু তার ভেতরের উত্তেজনা আর ভীতি ঠিক টের পাওয়া যাচ্ছিলো।

    ‘পিরামিড হলো এমন একটা স্তম্ভ যা সকল ক্ষমতাকে ধারণ করে। এটা যদি নড়বড়ে হয়ে পড়ে তাহলে সবকিছু ভেঙে যাবে।’

    হেমিউনি খুব রহস্যপূর্ণভাবে তার হাত নাড়িয়ে এমন একটা ইশারা করলো আর তার চোখ জোড়া ধক করে এমনভাবে জ্বলে উঠলো যে মনে হলো সবাই একটা ধ্বংস প্রাপ্ত বিস্তীর্ণ প্রান্তরের দিকে তাকিয়ে আছে।

    ‘সুতরাং আমার প্রভু ঐতিহ্যকে রোধ করবেন না। নয়তো আপনার সাথে সাথে আমরাও নরকের অনন্ত তলে পতিত হবো।’

    হেমিউনি বিচিত্র অঙ্গভঙ্গি করে তার চোখ দুটো বন্ধ করে ফেললো। যা দিয়ে বোঝা যায় যে, সে তার কথা-বার্তা শেষ করেছে। অন্যরাও হেমিউনির মতো মৃত বিষণ্ণ স্বরে কথা বললো।

    কেউ কেউ মেসেপটোমিয়ার সেই খালের কথা আবার বললো।

    কেউ আবার যোগ করলো যে, পিরামিড হলো দেশের জন্য সার্বজনীন স্মৃতি বাহক। একদিন সময়ের সাথে সাথে সব কিছু বিবর্ণ হয়ে যাবে। এই নথিপত্র, যুদ্ধ, বন্যা হৈ হুল্লোড়, রাজপ্রাসাদ সবকিছুই বিস্মৃতি হয়ে পড়বে। কিন্তু এই পিরামিড সে একাই দাঁড়িয়ে থাকবে। সব কিছুই ক্ষয় প্রাপ্ত হবে কিন্তু এ পিরামিড একাই মরুভূমিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে কিয়ামত পর্যন্ত। পুরাতন জ্যামিতিকদের দিয়ে তৈরি এটা একটা স্বর্গীয় প্রতিকৃতি। আপনি এর প্রতিটি অংশের সাথে মিশে থাকবেন। এর সুউচ্চ চূড়া এর বাঁধানো পিঠ এর নিম্ন ভাগ সব কিছুর সাথে। পিরামিডের প্রত্যেকটি নাম না জানা পাথর তাদের কাঁধের সাথে কাঁধ মিলিয়ে আপনাকে রক্ষা করবে মহান প্ৰভু।’

    তারা যখনই কোনো কাজের স্পষ্ট রূপ রেখা দাঁড় করায় তখনই এর সাথে তারা স্বাভাবিক প্রতিবন্ধকতার বিষয়গুলোও উল্লেখ করে।

    ফারাও চিওপস বুঝতে পারলেন এ পিরামিড ব্যবসার সাথে তার সভাসদের অস্তিত্ব রক্ষার ব্যাপারটাও জড়িত। পিরামিড নিয়ে সভাসদের অতি গুরুত্ব মনোভাবের মাঝে কোনো ছলনা নেই। তিনি আরো বুঝতে পারলেন এটা তার পিরামিডই নয় তার সভাসদ সকলের।

    চিওপস তার ডান হাতটা উঁচু করে মেলে ধরে সভাসদকে বুঝিয়ে দিলেন

    যে আলোচনা আজকের মতো শেষ। সভাসদের সকলের সদস্য তাদের হৃদয়ের ধুকধুকানি দিয়ে শুনতে পেলো সম্রাট চিওপসের শুষ্ক ঠাণ্ডা নীরব সিদ্ধান্ত বাণী।

    ‘একটা পিরামিড তাহলে নির্মাণ করো। এটা যেনো হয় আগের সবগুলোর চেয়ে উঁচু আর সুমহান।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য সি-হক – রাফায়েল সাবাতিনি
    Next Article জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }