Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য পিরামিড – ইসমাঈল কাদরী

    ইসমাঈল কাদরী এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপবিত্রতার স্পর্শে

    প্রাচীন লিপিগুলোতে বলা হয় যে, পিরামিড রাতে যখন চাঁদ অস্ত যায় তখন স্বর্গবাসীদের সাথে তার যোগাযোগ রক্ষা করে চলে। রহস্যময় সব আলো তখন পিরামিডের ভেতর দিয়ে একেবারে মাটির গভীরে যেখানে কালো পাথরগুলো মাটি, কাদার সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে সেখানে গিয়ে মেশে। সে রহস্যময় স্বর্গীয় রশ্মি পিরামিডের ভেতর রাখা মৃতদেহের কংকালের ভেতরও গিয়ে পড়ে। কয়েক মুহূর্তের জন্য তখন মৃতদেহের চোখের কটরের ভেতর যেনো প্রাণ ফুটে ওঠে, এক খুব উজ্জ্বল আলো তখন দেখা যায় সেই মৃত দু চোখের ভেতর।

    পিরামিডের মৃতদেহগুলো এখন পাশাপাশি পরস্পরে শুয়ে আছে যেভাবে একদিন তারা পৃথিবীর রাজত্বে পাশাপাশি বেঁচে ছিলো। তখন তারা কেবলই জীবিত ছিলো।

    চিওপসের পিরামিড, আর এর পাশেই আরেকটা পিরামিড যেটা প্রথমটার চেয়ে অনেক ছোট এই দুটো পিরামিডই এক সাথে তৈরি করা হয়েছিলো চিওপসের জন্য। সেফরোনের পিরামিড, এর সামনে হাঁটু গেড়ে বসে আছে বিশাল সিংহ মূর্তির স্কিনিংস। তার পরেই আছে স্ত্রী পিরামিড। এর পরে ডিডোফিরির অসম্পূর্ণ পিরামিডটা দাঁড়িয়ে আছে। ঠায় দাঁড়িয়ে আছে। অনড়।

    স্ত্রী পিরামিডটাই প্রথম মরুভূমির দস্যুদের দিয়ে আক্রান্ত হয়, পরে ধ্বংস হয়। সেটা ছিলো গ্রীষ্মের এক গরম স্যাতস্যাতে রাত। বাইরে দস্যুদল তাদের হাতে শাবল, কোদালসহ আরো নানা ধরনের অস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত ছিলো। শাবল হাতে নিয়ে তারা পিরামিডের বাইরে উত্তেজনায় কাঁপছিলো। কারণ, ইতোপূর্বে তারা এই ধরনের স্মৃতিসৌধের ভেতর ঢুকে চুরি করার চেষ্টা করে নি। এটাই তাদের প্রথম। বেশ কয়েকটা রাত ধরে তারা পিরামিডগুলোর আশেপাশে ঘুর ঘুর করলো। বিক্ষিপ্তভাবে দেখলো সবকিছু এগুলোকে পর্যবেক্ষণ করলো। কোন্ পিরামিডটা দিয়ে তাদের চুরি করার কাজটা শুরু করা যায় সেটা নিয়ে ভাবতে লাগলো। কারণ পিরামিডগুলোর সবগুলো গোপন পথ পুরোপুরি ধ্বংস করে এর ভেতরে ঢোকা খুব সহজ কাজ বলে মনে হচ্ছিলো না। প্রাথমিকভাবে তারা স্ত্রী পিরামিড এবং ডেডেফেরির অসম্পূর্ণ পিরামিডটা নিয়েই একটু ইতস্তত করছিলো। তারা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। (সম্ভাব্য কারণ হলো, তারা পাথরের একটি ভালো অংশ নিয়েছিলো। এখানে ছিলো পারাফোসের কন্যা। তারা এখানে কিছু নিতে চেয়েছিলো।

    নানা রকম সুবিধা অসুবিধা লাভ লোকসান বিপদের কথা চিন্তা করে কোন পিরামিডটা দিয়ে তাদের কাজের শুরু করা যায় সেটা নিয়ে তারা দীর্ঘক্ষণ চিন্তা-ভাবনা করলো। অবশেষে তারা সিদ্ধান্ত নিলো যে স্ত্রী পিরামিডটাকে ধ্বংস করার মধ্য দিয়েই তারা তাদের কাজের শুরু করবে। আর যেহেতু তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো যে তারা সব সময় মেয়েদের অসম্মান করতে পছন্দ করতো, এবং মেয়েদেরকে ভোগ্য পণ্য হিসেবে ব্যবহার করতো তাই স্ত্রী পিরামিড দিয়ে তাদের ধ্বংস কার্যক্রম শুরু করাটাই ছিলো স্বাভাবিক।

    আর তাই তারা সিদ্ধান্ত নিতে দীর্ঘ সময় ব্যয় করলো। তারা তাদের ভেতর থেকে তাদেরকে বাছাই করতে পারলো না। তারা এর সুবিধা- অসুবিধাগুলো খুঁজে দেখলো। তারপর তারা সিদ্ধান্ত নিলো স্ত্রী পিরামিডের প্রতি। তারা তুরনার দৃষ্টিতে দুটো পিরামিডের দিকে তাকালো। তারা দুটি নারীকে সেবক হিসেবে পেতে আক্রমণ করে তাদের অভিযুক্ত করলো। তাদের মনে হলো তারা কোনো সাধারণ ও স্বাভাবিক নারী।

    বিষয়টা তারা যতোটা কঠিন ভেবেছিলো তার চেয়ে অনেক সহজ এবং স্বাভাবিকভাবে পিরামিডের ভেতর মূল গ্যালারিতে তারা ঢুকে পড়লো। সামনে যতো জঞ্জাল আর আবর্জনা ছিলো এগুলো দূর করতে তাদের তেমন বেগ পেতে হলো না। সকাল থাকতেই পিরামিডের মূল যে কুঠুরি যেখানে পাথরে নির্মিত খাটিয়ার ভেতর মমি করা শবদেহু রাখা হয়েছিলো তার কাছাকাছি পৌঁছে গেলো।

    তারা খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলো। ফলে তাদেরকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হলো। রাত যখন গভীর হয়ে গেলো তখন দলের সবচেয়ে বয়স্ক নেতা ব্রনজিজো বিশাল ভারি দরজাটা সরানোর চেষ্টা করলো। এই নামের কারণ সে ছিল সবার অগ্রজ। কিন্তু কালো এই পাথরের দরজাটা এতোই মজবুত ছিলো যে সেটাকে এক চুলও নড়ানো গেলো না।

    ‘তোমরা এক সাথে এগোও।’ সে তার পুরো দলটাকে একত্রে ধাক্কা দিতে দিতে বললো।

    ধাক্কাধাক্কি করতে করতে এক সময় তারা বিশাল দরজাটা খুলে হুড়মুড়ে ভেতরে ঢুকে পড়লো। ব্রনজিজো প্রথম উঠে দাঁড়ালো। তারা পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে জানে যে, লণ্ঠনের অলো অন্ধকারে স্বর্ণালংকার এর উপর পড়লে সেটাকে সত্যিকার ঔজ্বল্যের চেয়ে আরো বেশি চকচকে দেখায়। তাই তারা হাতের লণ্ঠনের আলো কমিয়ে দিলো। ব্রনজিজো তার হাত দিয়ে আশপাশের সমস্ত সম্পদ অলঙ্কার একত্রিত করলো। তারপর দাঁতে দাঁত চেপে কিড়মিড়িয়ে বলতে থাকলো, ‘অভিশপ্ত বেশ্যা।

    সব কিছু গুছিয়ে নেবার পর সে পাথরের তৈরি শবদেহ রাখার পাথরের তৈরি কফিনের পাশে দাঁড়ালো। সবাই দেখলো যে ব্রনজিজো তার হাতের শাবলটা দিয়ে পাথরের কফিনের ফাটা অংশে চাপ দিয়ে খুলতে চেষ্টা করলো।

    মমিটা যে ঘরে রাখা হয়েছিলো সে ঘরের সমস্ত অলঙ্কার যখন তারা চামড়ার বেগের ভেতর ঢুকিয়ে নিলো তখন তারা ভাবছিলো যে পাথরের কফিনের ভেতর নিশ্চই আরো মহামূল্যবান স্বর্ণালংকার জমা করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কফিনের মমিটাকে তখন সৌন্দর্যের দিক থেকে খুবই কৃষকায় লাগছিলো।

    ‘লণ্ঠনটা এভাবে নাড়াচাড়া করো না।’ তুধালি চিৎকার করে লণ্ঠনবাহককে বললো। কারণ এভাবে বাতিটা নাড়াচড়ার কারণে সে মমির চেহারাটা ভালোভাবে দেখতে পাচ্ছিলো না। কেমন যেনো তার কাছে আবছা মনে হচ্ছিলো।

    একজন গোরদস্যু হিসেবে সে আগে থেকেই জানতো যে একবার যদি কফিনটাকে খোলা হয় তাহলে হয়তো মমির চোখের তীব্রতায় সামনের সবকিছুই জ্বলে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। যদিও এমন পরিস্থিতিতে সে এখন পর্যন্ত পড়ে নি। কিন্তু এমন একটা বিশ্বাস তার সব সময় ছিলো।

    তারা সবাই যখন দেয়াল স্পর্শ করতে করতে অন্য কোনো দরোজা খুঁজে বের করার জন্য হাতরে বেড়াচ্ছিলো তখন সবাই দেখলো যে এক চোখ কানা লোকটা খোলা কফিনের উপর ঝুকে কিছু একটা দেখার চেষ্টা করছে।

    ‘হেই তুমি এটার উপর ঝুকে পড়ে কী করছো?’ ব্রনজিজো জিজ্ঞেস করলো।

    এক চক্ষু লোকটা তখন তার একমাত্র চোখটা পিট পিট করে উঠলো।

    ‘আমি মমি করা এই রাজকুমারীর শরীরের কাপড়ের প্যাচ খুলে ওর ভেতরের সৌন্দর্য দেখতে চাচ্ছি। ও কেমন ছিলো দেখতে এটা ভেবে আমি সব সময়ই তন্ময় হয়ে যেতাম।’

    ‘এটা একটা বেশ্যার শরীর ছাড়া আর কিছুই না’। ব্রনজিজো এক পাশে ঘুরতে ঘুরতে বললো। ‘তোমার এখন উচিৎ এই সমস্ত আজেবাজে কাজ ফেলে আরেকটা দরজা খুজে পেতে আমাদেরকে দরকার মতো সাহায্য করা।’

    ‘আরে তুমি আবারো কী করছ?’ তুধালি প্রায় চিৎকার করে বলে উঠলো। সে দেখতে পেল এক চোখ কানাটা সত্যি সত্যি মমির পেচানো কাপড়গুলো খোলার চেষ্টা করছে।

    ‘দেখো ওর চেহারাটা কেমন আস্তে আস্তে কালো হয়ে যাচ্ছে।

    আমি ভাবতে পারছিনা কীভাবে সে রাজমাতা হতে পারে।

    ‘স্বর্গের দোহাই এটাকে ফেলে এখন আমাদের সাথে চলো।’ তুধালি বললো।

    সে বেশ ভয়ে ভয়ে জড়াজড়ি করে তার অন্যান্য সাথীদের সাথে দাঁড়িয়ে রইলো। কিন্তু এক চক্ষু লোকটা হাতে প্রায় নিঃশেষিত একটা মশাল দিয়ে দেয়ালের মাঝে বিভিন্ন ধরনের চিত্র আর আঁকি ঝুঁকিগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়তে চেষ্টা করছিলো। অনেকগুলো শব্দকে মনে হলো অস্পষ্ট।

    ‘কি এক আকর্ষণীয় বেশ্যা মেয়ে ছিলো সে। ব্রনজিজো তার হাতের ছুরি দিয়ে দেয়ালের চিত্রগুলো স্পর্শ করে বললো। দেখতে পেলো দুটি অর্ধপিরামিড।

    তারা সবাই যখন পাশেই বিপরীত আরেকটা ঘরে ঢুকলো তখন সেখানে তার দুটো হিরোগিফসের লাইন দেখতে পেলো। দেখতে পেলো দুটি অর্ধপিরামিড।

    ‘এখানে কী লেখা হয়েছে?’ ব্রনজিজো জিজ্ঞেস করলো। কারণ সে পড়তে পারে না।

    তুধালি চিত্রগুলোর কাছাকাছি গিয়ে মন্ত্রপাঠের মতো অর্থ উদঘাটন করতে করতে বললো, ‘হুম.ম. এই বুড়ো এক চোখের শয়তানটাই ঠিক।’

    ‘জারজের বাচ্চা তুমি আগে এটা আমাকে পড়ে শোনাও। হেয়ালি পরেও করতে পারবে।’ তারপরেও তা করো।

    ‘হি হিহি’। আরেকজন হাসতে লাগলো। তারপর বললো, কালক্ষেপণ না করে ‘এখানে খুব নোংরা কথা লেখা আছে। লেখা আছে ফারাও এর মেয়ে পুরুষদের ভোগের বিষয়ে খুব কুরুচিপূর্ণ ছিলো।

    শালী সত্যিকারই একটা বেশ্যা ছিলো।’ ব্রনজিজো মন্তব্য করলো। তারপর সবাইকে লক্ষ্য করে চিৎকার করে বললো, ‘অনেক হয়েছে। এখান থেকে বের হয়ে অন্য কোথাও যেতে হবে। আমরা দীর্ঘক্ষণ ধরে এই জায়গাটায় আবদ্ধ আছি।’

    তারা যখন বের হয়ে আসছিলো তখন তুধালি দেখলো এক চক্ষু বুড়োটা একটা কফিনের উপর ঝুকে কী যেনো করছে। তাকে বেশ অসুস্থ মনে হচ্ছিলো। কেমন যেনো রোগাটে। দুর্বল। আর বিমর্ষ।

    ‘কী হয়েছে তোমার?’ তুধালি জিজ্ঞেস করলো।

    ‘বুঝতে পারছি না। আমার খুব খারাপ লাগছে।

    ‘তোমরা সবাই দ্রুত এখান থেকে বের হয়ে এসো।’ ব্রনজিজো নির্দেশ দিলো।

    আমাদের হয়তো এখানে কোনো ভুল হয়েছে।

    ‘তোমরা হয়তো জানো মমির শরীর থেকে বের হওয়া গন্ধ মানুষকে বিভ্রান্ত করে দেয়, আচ্ছন্ন করে ফেলে।’

    ‘যেভাবেই হোক এখান থেকে বের হয়ে আসো।’

    “ঠিক বলেছো! সবাই যার যার যন্ত্রপাতি নিয়ে উঠে পড়ো।’

    অনেকক্ষণ ধরে পিরামিডের গ্যালারিতে তাদের পায়ের শব্দগুলো প্রতিধ্বনিত হচ্ছিলো।

    তারা যদিও শপথ করেছিলো যে তারা কখনো আর পিরামিডের ভেতর প্রবেশ করবে না। কিন্তু দু টা ঋতু পার হওয়ার পর তারা উপলব্ধি করতে পারলো যে, তারা পিরামিড ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারছে না। বাঘ যেমন একবার মানুষের রক্ত মাংসের স্বাদ পেলে দিশেহারা হয়ে পড়ে তারাও পিরামিডের ভেতর সেই মমিগুলোর কাছে যাওয়ার জন্য উতলা হয়ে পড়লো। এবার তারা মাটি খোরার শাবল, অন্যান্য যন্ত্রপাতিসহ শরীরে এবং মুখে বিশেষ ধরনের মুখোশ পরে তাদের ত্বকে বিশেষ ধরনের তৈলাক্ত জিনিস মেখে পাথরের কফিনে রাখা মমির কাছে গেলো। যেনো মমি থেকে কোনো রাসায়নিক কিছু বের হয়ে তাদের ক্ষতি করতে না পারে।

    স্ত্রী পিরামিডটাকে পুরোপুরি নষ্ট আর অপবিত্র করার খবরটা তখনো আবিষ্কৃত হয় নি। যার ফলে তারা খুব বেশি তাড়াহুড়ো করছিলো না।

    যখন তারা চিন্তা করলো যে, ডিডোফিরির পিরামিডটা নিয়ে কারো তেমন কোনো আগ্রহ নেই কারণ পিরামিডটা দীর্ঘদিন অসম্পূর্ণ আর অযত্নে পড়ে আছে তখন পিরামিডের ভেতরের সম্পদ চুরির বিষয়ে তাদের আত্মবিশ্বাস আরো অনেক গুণ বেড়ে গেলো।

    তাদের বাবা, তার বাবা তার বাবা এভাবে চৌদ্দপুরুষ ধরে তারা চুরি ডাকাতি আর কবরখুঁড়ে তার সম্পদ হস্তগত করার পেশায় নিয়োজিত রয়েছে। রাজনীতিতে তারা কখনো মনোযোগ দেয় নি। কেবল তাই নয়, এ ব্যাপারে তাদের কোনো আগ্রহও ছিলো না। খুব বেশি হলে কখনো কখনো তারা সরাইখানায় কফি খেতে খেতে রাজকীয় কিছু বিষয়ে এমনিতেই খোশগল্পে মেতে উঠতো। এর বেশি কিছু না। মাঝে মাঝে তারা এর তার কাছ থেকে শুনতে পেতো যে এই ফারাও ডিডোফিরি ছিলো ফারাওদের মাঝে সবচেয়ে সম্মানিত। যদিও তারা সবাই এখন সম্মানিত পিরামিডগুলোর ভেতর মমি হয়ে শুয়ে আছে। এই যে সবচেয়ে সম্মানিত ফারাও কী আছে তার এখন, শুধু শরীরের ভষ্ম ছাড়া।

    মহাকালের এই পরিবর্তনের ঢেউ এই ডাকাত দলকে স্পর্শ করে না। এই বিষয়গুলো তাদের কাছে কেবল হাস্যকর মনে হয়।

    এক মিচমিচে আঁধার কালো রাতে মরুভূমির দস্যুদল পিরামিডের গোড়ায় আবার একত্রিত হলো। তারা সময় নষ্ট না করে পাথর উঠিয়ে পিরামিডের ভেতর ঢোকার গোপন পথটা বের করতে থাকলো। এবার কাজটা করতে তাদের বেশ কষ্ট হচ্ছিলো। গোপন পথ বের করতে গিয়ে তাদের অনেকগুলো পাথর সরাতে হয়েছিলো।

    অবশেষে তারা যখন ভেতরে ঢোকার সিঁড়ির পথটা খুঁজে পেয়েছে ততোক্ষণে সকাল হয়ে গেছে। ভেতরে ঢোকার পর এখন তাদের সবচেয়ে কঠিন কাজটা করতে হচ্ছিলো। তারা মমিগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে মমির কফিন খোলার আগে তাদের মুখগুলো বিশেষ ওষুধ মিশ্রিত সেই কাপড় দিয়ে ঢেকে নিলো। শুধু তাদের চোখ দুটো খোলা রাখলো। তারা একে অপরের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করলো।

    তারপর সবাই যখন মমির কফিনের চারপাশে নানা রকম ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা স্বর্ণালংকার গোছানোর কাজে ব্যস্ত ছিলো তখন এক চক্ষু ডাকাতটি একটা খোলা কফিনের উপর ঝুকে পড়ে কি যেনো দেখছিলো। ডাকাত দল নেতা ব্রোনজিজো প্রথম বিষয়টা লক্ষ্য করলেন। ‘হেই তুমি আবার এখন এই মমিটার উপর উঠে কী করছো?’ সে বললো।

    ‘এদিকে এসে দেখে যাও। এক চক্ষু বললো।

    তারা সবাই কাছে এসে দেখলো এক চক্ষু হাত দিয়ে মমির মুখ থেকে সুতো দিয়ে পেচানো কাপড় খুলতে শুরু করেছে।

    তুধালি আর মশাল হাতে যে লোকটা ছিলো তারা ঘৃণায় মুখ কুচকে ফেললো।

    ‘দেখ, শুধু এই চিহ্নটার দিকে তাকাও।’ এক চক্ষু ফিসফিস করে বললো। ‘তুমি দেখতে পাবে এ লোকটাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।

    ‘হিম-ম-ম।’ ব্ৰনজিজো বললো। ‘তুমি ঠিকই বলেছো। এর গলাটা মুরগির গলার মতো পেচিয়ে রাখা হয়েছে।

    ‘কী? তুমি কী বললে?’ মশাল হাতের লোকটা ঔৎসুক হয়ে জিজ্ঞেস করলো। তার চোখে কেবল জানার বিস্ময়।

    ‘আমরা কী নিয়ে কথা বলছি?’ তুধালি প্রতি উত্তরে বললো। ‘একজন ফারাওকে এখানে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।’

    ব্রনজিজো এবার মেঘশীতল চোখে সবার দিকে তাকিয়ে বললো, “কেন এখন, আমরা শুধু দস্যু ছাড়া আর কিছুই না। এটা অনেক উঁচু রাজনৈতিক বিষয়। এটা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা আমাদের কাজ নয়। ঠিক আছে। হেই তুমি।’ সে এক চক্ষুকে সম্বোধন করে বললো, ‘এটা তোমারও কাজ নয় যে তুমি বসে বসে ফারাও এর গলা পরীক্ষা করবে। তোমাকে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করতে যাবে না। ঠিক আছে?’

    ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে।’ এক চক্ষু বললো। ‘তোমাকে আর চিৎকার করতে হবে না। তুমিতো চিৎকার করে পিরামিড ভেঙে ফেলবে।’

    ‘আমি ওখানে যদি যেতে চাই তাহলে অবশ্যই চিৎকার করে কথা বলব। তোমাকে একটা বিষয় বুঝতে হবে যে আশপাশে অনেক সৈন্য আর সরকারি লোকজন রয়েছে। তারা যদি আমাদের পায় তাহলে কুচি কুচি করে কাটবে। আর একটা বিষয় রাজনীতি নিয়ে আমার সাথে কোনো কথাবার্তা বা আলোচনা চলবে না। তুমি রাজনীতির কি পরিণতি ইতোপূর্বে দেখেছো। আমি কি বিষয়টা পরিষ্কার করতে পেরেছি?’

    ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে। আমরা এখন তোমার কথা স্পষ্ট বুঝতে পারছি।’ এক চক্ষু বললো।

    তারা যখন বের হয়ে এলো তখন ঘন অন্ধকার হয়ে গেছে। আকাশে নক্ষত্ররাজি ঝিকিমিকি করে জ্বলতে লাগলো। তারা তাদের মুখোশগুলো পিরামিডের ভেতর রেখে সারি বেঁধে বের হয়ে আসছিলো। বাইরে খুব ঠাণ্ডা ছিলো। তুধালি যে পায়ের ছাপ ফেলে হাঁটার মধ্যে দক্ষ ছিলো সে হাঁটতে হাঁটতে তার অন্যান্য সাথীদের পায়ের চিহ্নগুলো মুছে ফেলছিলো।

    সে ইতোপূর্বে যে কথাগুলো শুনলো তা কিছুতেই ভুলতে পারছিলো না।

    ‘ফারাওকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে। সে বিড় বিড় করে বলছিলো।

    দিনের শুরুতে তারা আবার সেফরানের পিরামিডের ভেতর ঢুকলো। সিংহ মূর্তিটি তখনো অন্ধকারের চাঁদর গায়ে মেখে দাঁড়িয়ে ছিলো। দিনের নিভু নিভু আলোতে শুধু এর কেশরাশিগুলো ঝিক ঝিক করছিলো। সে দৃশ্য ছিলো সত্য অদ্ভুদ।

    দস্যুদলটি খুব দ্রুত পা চালিয়ে সিংহমূর্তিটি অতিক্রম করছিলো। তারা কিছুতেই সিংহমূর্তিটির স্থির দৃষ্টির দিকে তাকাতে চাচ্ছিলো না। কারণ লোকেরা বলে স্কিনিংস নাকি মানুষের চেতনাকে আচ্ছাদিত করে ফেলে।

    এক চক্ষু লোকটা তখন সবার পেছনে হেঁটে হেঁটে আসছিলো। তার মনে হচ্ছিলো যে, মাথার ভেতরটা ফেটে যাচ্ছে। সে মমির ঘার উল্টানো দৃশ্যটা কিছুতেই মাথা থেকে সরিয়ে রাখতে পারছিলো না। এগুলো নিশ্চই আবার তার ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন হয়ে আসবে। বার বার মনের অজান্তে ভেসে উঠবে।

    সে শেষবারের মতো আবার স্কিনিংসের দিকে চোখ তুলে তাকালো। সকালের সূর্যটা এখন এর চোখের ভেতর ঢুকে যাচ্ছে। তাদের শূন্য চোখগুলো তাকে কেমন অসাড় করে দিচ্ছে। এ প্রথম সে এ রকম কোনো অনুভূতির সামনে পড়লো।

    তার ইচ্ছে করলো চিৎকার করে বলতে, “স্কিনিংস তুমি আমার ভাইদের সাথে কী করেছো? তুমি তাকে কীভাবে হত্যা করেছো?

    কিন্তু তার কণ্ঠের স্বর বুকের ভেতর জমাট বেঁধে রইলো। সে কিছু বলতে পারলো না। নিশ্চুপ, অসহায়ের মতো কেবল নিজের অজান্তে প্রশ্নের বাণ ছুঁড়লো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য সি-হক – রাফায়েল সাবাতিনি
    Next Article জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }