Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য পিরামিড – ইসমাঈল কাদরী

    ইসমাঈল কাদরী এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চূড়ার কাছাকাছি

    বিস্ময়কর ঘটনার সূচনা হলো। গ্রীষ্মের শুরুতেই দেখা গেলো পিরামিডের চেহারা খুব দ্রুত পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে। সিংহ মূর্তিটা আস্তে আস্তে নিচে নামিয়ে এনে সেটাকে সৌধের পাশে রাখা হলো। পাথর উত্তোলন করার কেবল একটা পথ তখনো বাকি ছিলো। সেটা দিয়ে সর্বশেষ চারটি পাথর এবং সবচেয়ে বড় পাথরটি যেটা দিয়ে পিরামিড তৈরি সমাপ্ত হবে সেই পাথরটি উত্তোলন করা হবে।

    কাজের এই ফাঁকে পিরামিডের অবয়বটুকু বেশ ভালোই দেখা যাচ্ছিলো। আশপাশে ভাঙা পাথরের টুকরো স্তূপাকারে জমা করে রাখা হয়েছে। নানা ধরনের জঞ্জাল এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

    নির্মাণ সৌধের আশেপাশে ধুলির যে মেঘটুকু ছিলো সেটা আস্তে আস্তে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছিলো। আকাশটা বেশ ঝকঝকে লাগছিলো। কিন্তু শুধু আকাশ পরিষ্কার থাকার কারণেই পুরো জায়গাটাতে একটা নরম আভা ছড়িয়ে পড়েছে বিষয়টা তেমন ছিলো না। বরং পিরামিডের নিজের আকৃতি ও গঠনগত সৌন্দর্য থেকে এমন একটা আভা চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিলো যে সৌন্দর্যের সেই রশ্মি রাজধানীতেও পৌঁছে গেলো। শুধু রাজধানী নয় আশপাশের আরো কয়েকটা অঞ্চলেও তার আভা টের পাওয়া গেলো। এটা কেবলই ছড়াতে লাগলো।

    যা হোক, এর পরপরই দীর্ঘদিন পর প্রথম সরাইখানা খোলা হলো। তবে একটু ইতস্তত করে। এখানে সেখানে লোকজন বসে একটু আমুদে স্বরে চিৎকার, চেচামেচি করা শুরু করলো। যদিও পিরামিড তৈরি শুরুর সময় একটা গুজব ছড়িয়ে পড়েছিলো যে কাজ করার সময় কাউকে তাদের বন্ধুদের সাথে কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত থাকতে দেওয়া হবে না। অবশ্য বিষয়টা এখন সে রকম অবস্থায় নেই। বলা যায় খুব স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।

    সবার চোখে মুখে এখন একটাই ভাব।

    ‘আমরা পিরামিড তৈরি করে ফেলেছি। এখন কিছু আমোদ-প্রমোদ করি।’

    .

    আনন্দ উচ্ছ্বাসের বান চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছিলো। তবে তাতে ছেদ পড়ার মতো তেমন কিছু হয় নি। তাদের উচ্ছলতা তখনো থামেনি কিংবা কমে নি।

    একটা পাথর তখনো উত্তোলনের জন্য অবশিষ্ট ছিলো। আর সেটা হবে সর্বশেষ ধাপের আগের ধাপের কাজ। সব আনন্দ উদ্বেলতা থামিয়ে দেওয়ার জন্য এই পাথরটি উত্তোলনের বিষয়টিই যথেষ্ট ছিলো। তবে ইতোমধ্যে পাথর পড়ে যে মানুষগুলো মারা গেলো সেটা ছিলো খুবই দুঃখজনক একটা ঘটনা। লোকজন বিশ্বাস করে যে কতো কষ্ট করে কতো ত্যাগ স্বীকার করে পিরামিড তৈরি হচ্ছে, এই পিরামিডটা তৈরি শেষ হলে তখন এর আসল উদ্দেশ্য আর ফলাফলটা পাওয়া যাবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তখন সকল জল্পনা কল্পনা এমনিতেই দূর হয়ে যাবে। উন্মোচিত হবে আসল রহস্য।

    অবশ্য তখন পর্যন্ত পিরামিডের সর্বশেষ যেনো চারটি পাথর উত্তোলনে বাকি ছিলো সেগুলো নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তেমন কোনো নির্দেশ আসে নি। পিরামিডের সমাপ্তি টানার জন্য সবচেয়ে বড় পাথরটির বিষয়ে তেমন কিছু বলা হয় নি। হয়তো স্বর্ণপাতায় নির্দেশটা কোনো গোপন জায়গায় সুরক্ষিত ছিলো।

    উত্তোলনের জন্য বাকি চারটি পাথরকে একটা ঘরে রেখে সশস্ত্র প্রহরী দিয়ে পাহারা দেওয়া হচ্ছিলো। কেন এভাবে পাহারার মাঝে রাখা হয়েছিলো সেটা সৃষ্টিকর্তাই ভালো জানেন। লোকজন এ সব দেখে হাসাহাসি করতো। তারা বলতো ‘এটা কোনো কথা হলো পাথরকে উজির নাজিরদের মতো পাহারা দিয়ে রাখতে হবে। আরে এ পাথরটাকে যেভাবে পাহারা দেওয়া হচ্ছে সেভাবে কোনো মন্ত্রীকেও পাহারা দিয়ে রাখা হয় না।’

    তবে এর বিপরীতে কেউ কেউ বলতো ‘আরে ভাই মন্ত্রীরা আজ আছে কাল নেই। কিন্তু এ পাথরগুলো তুমি চিন্তা করো, মহাকালের শেষ পর্যন্ত থেকে যাবে। মন্ত্রীদের থেকে এদের মূল্য অনেক বেশি।’

    সর্বশেষ এই চারটি পাথর আর যেনো পাথরটা দিয়ে পিরামিডের চুড়াটাকে বিন্যস্ত করা হবে সেগুলোর সাথে লোকজন এমনভাবে কথা বলছিলো যে এরা কোনো জীবিত প্রাণী। মানুষের মতো এদের সবকিছু আছে।

    লোকজন রাজধানীতে আরো নানা রকম ব্যবসা নিয়ে আসার পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের মুখরোচক কাহিনী আর সংবাদ নিয়েও আসতে থাকলো।

    অনেকগুলো পানশালা খোলা হলো।

    আজকের এখন যারা তরুণ, তারা পিরামিড তৈরির সময় অনেকেই ছিলো খুব ছোট। হয়তো তারা তখন মাত্র জন্ম গ্রহণ করেছে। এ তরুণ সমাজ পিরামিড তৈরির বিষয়টা খুব হেলা ফেলা করে দেখে। তাদের অধিকাংশকেই মনে হয় খুব ঝুঁকিপূর্ণ সাহসী। অথচ তারা ধারণাই করতে পারবে না যে পিরামিডের প্রথম দিকের কাজগুলো কী পরিমাণ সাহসিকতা আর ভয়ঙ্কর বিপদসংকুল কাজ ছিলো। বিষয়টা এমন দেখা যায় যে যখন তরুণরা তাদের বাবা মাকে পিরামিডের বিষয়ে খুব হেলা ফেলা করে জিজ্ঞেস করে তখন প্রতিউত্তরে বয়স্কদের বলতে হয়, ‘তোমরা এমনটা বলছো শুধু এই জন্য যে, এই বিষয়ে তোমাদের কোনো ধারণা নেই। তোমরা বুঝতেই পারছো না পিরামিডটা এই আকৃতিতে আসার আগে প্রথমে কেমন ছিলো।

    একটা ধারণা ছড়িয়ে পড়ছিলো যে পিরামিডটা যতোই দৃশ্যমান হচ্ছিলো ততোই এর বিষয়ে মানুষের ভয়-ভীতি কেটে যাচ্ছিলো। বুড়োরা দৃশ্যমান এ পিরামিড নিয়ে কোনো কথা বললে তরুণরা তখন ঠাট্টাচ্ছলে বলতো, ‘তাহলে কি আপনারা চান যে পিরামিডটা অদৃশ্য হয়ে যাক?’

    বুড়োরাও তাদের এ কথা শুনে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে হাসতো।

    এর মধ্যে আরেকটা নতুন পিরামিড তৈরির চিন্তা-ভাবনা চলতে লাগলো।

    নতুন যে পিরামিডটি তৈরি হলো তার পাশেই আরেকটা পিরামিড তৈরি করার ধারণাটা নিতান্তই একটা পাগলামি। অনেকেই এটাকে নিছক গোয়ার্তুমি ছাড়া আর কিছুই ভাবলো না। এমন কি স্মৃতিসৌধের প্রধান মিস্ত্রী সে ঘোষণা করলো যে, পৃথিবীর আর কোনো নির্মাণ সৌধের পাশে একই রকম প্রাসাদ নির্মাণ করা হয় নি।

    কিন্তু অতীতের নির্মাণ শৈলীর উদাহরণ টেনে আর পর্যালোচনা করার পর সাধারণ মানুষ এই নিয়ে বেশ বিভ্রান্তির মাঝে পড়ে গেলো। অবশ্য একটা বিষয় সবার কাছে আস্তে আস্তে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছিলো। সেটা হলো নতুন আরেকটা পিরামিড তৈরির গুরুত্ব।

    অতীতে দেখা গেছে ফারাও জোসের তার পিরামিড তৈরি শেষ হওয়ার পর এর সাথে আরো বিশাল আকারের চারটি সিঁড়ি পথ সংযুক্ত করেছিলেন। যেটা করতে পরবর্তীতে আরো সাত বছর সময় লেগে যায়।

    অথবা ফারাও সেনেফেরু যে কিনা পর পর তিনটা পিরামিড তৈরি করেছিলেন এবং কোনটার মধ্যে তার শবদেহ রাখা হয়েছিলো সে বিষয়টা সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছিলো। যার ফলে অতীতের এ সমস্ত উদাহরণ থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার হয় যে একটা পিরামিড তৈরি হওয়ার সাথে সাথেই আরেকটা তৈরির পরিকল্পনা শুরু হয়। তাদের নেশা আর পরিকল্পনা যেনো মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়।

    তবে প্রধান স্থপতি এ বিষয়টা ফারাও-এর সামনে উপস্থাপন করে একটা বিষয় বুঝতে পারলেন যে, ব্যাপারটা ফারাওকে তেমন আগ্রহী করে তুলতে পারে নি।

    এ অবস্থায় পনেরো দিন অতিবাহিত হওয়ার পর লোকজন একটা বিষয় টের পেলো যে, পিরামিডের অনির্মিত অংশের একটা পাথরও স্পর্শ করা হয় নি বা নষ্ট হয় নি।

    ঠিক এ সময় রাজধানীতে আরো সরাইখানা খুলতে থাকলো। যুবকরা সেখানে নানা রকম গল্প গুজবে মেতে উঠলো। তার অধিকাংশই অবশ্য পিরামিডকে নিয়ে। চারদিকে কেবল রসাত্মক গল্প আর গল্প।

    এক রাতে দেখা গেলো পিরামিডের চারপাশে কয়েকটা মশাল নিয়ে কারা যেনো হাঁটাহাঁটি করছে। আলোগুলো একবার বড় হচ্ছিলো আবার ছোট হচ্ছিলো। মনে হচ্ছিলো কোনো অদৃশ্য আত্মা ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। তবে অনেক দূর থেকে লোকজন সেটা দেখতে পেয়ে তেমন অবাক হলো না। তারা বুঝতে পারলো যে পিরামিডের প্রধান যাদুকর এক দল লোক নিয়ে পিরামিডটা ঘুরে ফিরে দেখছে। এরা বিচিত্র কিছু নয়।

    দলটি সারা রাত পিরামিডের উপর নিচে ঘুরে বেড়ালো। সকালের দিকে তারা নিচে নেমে আসলো। মশাল দিয়ে মনে হলো পিরামিডের ভেতর চাপা দিয়ে রাখা কোনো দুঃস্বপ্নকে তারা দেখছে কিংবা খুঁজে বেড়াচ্ছে। অথবা হতে পারে এখানে কোনো রহস্যময়তা কিংবা গোপন কোনো পাপ আছে যা তারা দিনের আলোতে বের করে নিয়ে আসতে চাইছে। দিবালোকের সত্যতার সাথে মেলাতে চাইছে।

    কিছু চটকদার গুজব অফিস আর সরাইখানাতে আলোচিত হতে লাগলো। আর সেই গুজবগুলো আশ্চর্যরকম গতিতে মিশরের বাইরে ছড়িয়ে পড়লো। গোয়েন্দারা অনেক দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়লো। তারপর আবার তারা নতুন কোনো নির্দেশনার জন্য ফিরে এলো দুই সপ্তাহ পর। কিন্তু বাড়িতে ফিরে আসার পর তাদের অবস্থা এমন হলো যে তারা তাদের আসল বিষয়টাই ভুলে গেলো। রাষ্ট্রীয় গোপন তদন্তের বিষয় নিয়ে এবং এর সাথে বর্তমান পিরামিডের অবস্থা কী সে বিষয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করতে তারা প্রায় হতবুদ্ধি হয়ে পড়লো। একেবারেই যেনো ভুলে গেলো।

    তবে তাদের মধ্যে কেবল একজন যে কিনা কোনো রূপ চিন্তা বা কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থায় পড়লেন না। আর তিনি হলেন সুমেরিয়ান রাষ্ট্রদূত।

    দিনের মিষ্টি গরম কিংবা রাতের ঠাণ্ডা কোনো পরিস্থিতিই তার রিপোর্টের একটা বর্ণও পরিবর্তন করতে পারলে না। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার সব কিছুই মোটামুটি সঠিক ছিলো।

    একই ভাবে এক সপ্তাহের চরম উৎকণ্ঠার পর রাষ্ট্রদূত একটু শান্ত মনে বসলেন। তিনি তার সমস্ত রিপোর্ট রাজধানীতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এটা হলো তার পেশাগত জীবনের সেরা রিপোর্ট। মাঝরাতে তিনি কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলেন। তার দুই হাতের তালু দুটি গরমে প্রায় পুড়ে গেছে। কারণ পাথরে খোদাই করে তাকে রিপোর্টগুলো লিখতে হয়েছে। পাথরগুলো ছিলো অবিশ্বাস্য গরম। ফলে তার হাতে ফোসকা পড়ে গেছে। ভয়ঙ্কর সে ফোসকা।

    প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে সে তার স্ত্রীর পাশে শুয়ে পড়লো। আজ তার খুব ইচ্ছে করছে স্ত্রীকে বেশ ভালোভাবে আদর করতে।

    পরে স্ত্রীর ভালোবাসাবাসি শেষ করার পর সে স্ত্রীর পাশেই শুয়ে পড়লো সাধারণত যেভাবে অন্য সময় শোয়। কাত হয়ে শোয়ার পরই তার মাথায় আবার রিপোর্টগুলোর চিন্তা এলো যেটা সে আজকে মাত্র পাঠিয়ে দিয়েছে। সে ভাবছিলো সব কিছু ঠিকঠাকভাবে হওয়ায় রিপোর্টগুলো তার মাথার ভেতর ঠাণ্ডা একটা প্রশান্তি ভাব ছড়িয়ে দিয়েছে। যেভাবে তার স্ত্রী তার দেহকে জুড়িয়ে দেয়। সে ভাবছে মরুভূমির ভেতর দিয়ে পাথরের স্লাবের উপর খোদাই করা তার রিপোর্টগুলো মরুভূমির রাতের ঠাণ্ডায় এতোক্ষণে নিশ্চই জমে গেছে।

    তার মাথা থেকে কিছুতেই রিপোর্টগুলোর চিন্তাটা দূর হচ্ছিলো না। সে শত চেষ্টা করেও সেটা পারছিলো না। তার চিন্তা ঘুরে ফিরে বার বার বাধা গ্রস্থ হচ্ছিলো। চোখের ঘুম পালিয়ে যাচ্ছিলো। কেবলই ভাবছিলো আর ভাবছিলো।

    রিপোর্টের যে কাজ সে করেছে সেটা মোটেও খুব সহজ ছিলো না। তাকে একশো ঊনত্রিশটা পাথরের লিপিখণ্ড তৈরি করতে হয়েছিলো যেখানে রিপোর্টগুলো খোদাই করা হয়েছে অত্যন্ত সুচারুভাবে।

    সে মনে করার চেষ্টা করলো প্রথম এগারো পাথর খণ্ডের কথা যেখানে সে মোটামুটি পুরো পরিস্থিতিটার একটা সংক্ষিপ্ত অবয়ব তৈরি করার চেষ্টা করেছে। তবে তিন থেকে সাতের মধ্যের পাথরগুলোতে সে এমন একটা বিষয় তুলে নিয়ে এসেছে যার ধারণাটা সে রাজধানীর কাছেই তার চাচা কিরকিরের বাড়ির ময়লা আয়না থেকে সে উদ্ধার করেছে। সেদিনই দুপুরের পর তার চাচা কিরকির আত্মহত্যা করে। সে রহস্য আরো কৌতুহলের। আরো চিন্তার।

    .

    প্রথম গুরুত্বপূর্ণ আর বিশেষভাবে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত সংবাদটি লিপিবদ্ধ করা হয়েছিলো পনেরো থেকে একুশ পর্যন্ত পাথর খণ্ডে। এটা সুমেরিয়ান সরকারকে মিশরের বিষয়ে অনেক তথ্যপূর্ণ সংবাদ উপস্থাপন করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে রাজ্যের যতো অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলোর বিষয়েই শুধু মিশরের আগ্রহ।

    সুমেরিয়ান রাষ্ট্রদূত তার তদন্তের বিষয়টা পর্যালোচনা করতে গিয়ে স্মৃতি থেকে সব কিছু আবার ঝালাই করে নিতে শুরু করলো।

    এগারো নম্বর পাথর খণ্ডটি লিখিত পুরো রিপোর্টের সারমর্ম হলো যে, সাম্প্রতিক সময়ে পিরামিড তৈরির সময় পাথর পড়ে যাওয়ার কারণে যে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে তার উপর যথাযথ গুরুত্বারোপ করা। যদিও অভিযোগ উঠেছে ফারাও এর শত্রুপক্ষের লোকেরা এ দুর্ঘটনার সাথে জড়িত। অবশ্য তার ব্যক্তিগত তদন্তে তিনি বুঝতে পেরেছেন ফারাও এর নিরাপত্তা সংস্থার লোকেরাই এ ষড়যন্ত্রের মূল হোতা। অন্য কেউ নয়। এর মূল রহস্য অনেক গভীরে।

    রাষ্ট্রদূত যে সমস্ত কারণ বিশ্লেষণ করেছেন তার গুরুত্ব অবশ্য অনেক। তার এ বিচার বিশ্লেষণ বর্ণনা করা আছে ঊনচল্লিশ থেকে বাহাত্তর পর্যন্ত লিপিখণ্ডে। এ অংশটাই হলো রিপোর্টের প্রাণ।

    রাতের আধারে গাড়ি ভর্তি করে তার রিপোর্টগুলো যখন ছুটে বেড়াচ্ছিলো তখন সে নিজের মনেই বারবার চিৎকার করে উঠছিলো।

    ‘তুমি একটা আস্ত বোকা। তুমি সাবধানে থাকো!”

    সে বারবার ভয় পাচ্ছিলো গাড়িগুলো না আবার বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়ে।

    তার এ গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্টগুলো যদি ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে তার চেয়ে এ পৃথিবীতে আর কেউ হবে না।

    ‘হ্যা, ঈশ্বর!’ সে চিৎকার করে উঠলো।

    ভেতরে ভেতরে সে এতো বেশি অস্থির হয়ে পড়েছিলো যে তার স্ত্রী ভাজিনা তার দিকে তাকিয়ে কিছুটা আতঙ্কিত হয়ে পড়লো।

    সে আবার বিশ্লেষণের চিন্তায় ডুবে গেলো। তার কাছে মনে হলো পিরামিড তৈরির সময় এই যে নানা রকম ঘটনা ঘটে যাচ্ছে এখানে নিশ্চই শৃঙ্খলা ভঙ্গের কোনো কারণ আছে যা মিশর রাষ্ট্রের পক্ষে সত্যিই বিপদজনক। কেবল বিপদজনক নয়, ভয়াবহ পরিণতিও।

    মিশরের মন্ত্রীদের একটা বাজে স্বভাব হলো, যা কিছুই ঘটুক না কেন সব কিছুর জন্য সুমেরীয়ানদের দোষারোপ করে। শুধু তাই না, কোনো কিছু হলেই তারা চেষ্টা করে মিশরের সাথে সুমেরিয়ানদের তুলনা করতে। তারা এমন কি ফারাওদের পিরামিডের সাথে মেসোপটোমিয়ার খালের তুলনা সব সময়ই করে থাকে। যদিও প্রথম দর্শনে এ দুটোর মাঝে কোনো মিলই পাওয়া যায় না। দুটোই সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন বিষয়। তারা একটা বিষয় বোঝে না যে এই দুটোর কার্যকারিতায় কতো পার্থক্য রয়েছে। মেসোপটোমিয়ার খাল থেকে মানুষ চাষাবাদ, সেচকাৰ্যসহ আরো নানা রকম উপকার পেয়ে থাকে। অথচ এ পিরামিড-এর কি উপকার আছে। এটা বরং আরো বিপদ আর ঝুকি বয়ে নিয়ে আসছে। তাহলে একটা বিষয় স্বীকার করতেই হবে যে, যাবতীয় বিপদ আর ঝুকির মূলে আছে এই পিরামিড। মেসোপটোমিয়ান খাল নয়।

    তার রিপোর্টের তৃতীয় অংশটা হলো রিপোর্টের সর্বোচ্চ অংশ। এটা মূল্যবান এবং কঠিন অংশ।

    পাথর খণ্ড নব্বই থেকে একশো বাইশ পর্যন্ত এটা বিস্তৃত। সম্ভাব্যময় সমাধান। অতি গোপনীয় জরুরি বৈঠকের নথিপত্র সন্নিবেশিত করা হয়েছে এখানে। বাতাসে জোর গুজব আছে যে নতুন আরেকটা পিরামিড তৈরির চিন্তা-ভাবনা চলছে।

    রাষ্ট্রদূত তার কনুইটা মাথার নিচে দিয়ে উপরের দিকে তাকিয়ে শুয়ে রইলো। তার চোখে কোনো ঘুম নেই। সে কতবার কল্পনা করেছে যে লোকজন এটাকে ভেঙে ফেলছে। মানুষের ভিড় আর ভূতেরা পিরামিডের একটা একটা পাথর উঠিয়ে নিয়ে অচিন অন্ধকারে ফেলে দিচ্ছে। প্রধান জাদুকর পুরোহিত আবার চেষ্টা করছে এটাকে জন্ম দিতে। কিন্তু সেটা আর জন্ম নিচ্ছে না। বন্ধ্যা হয়ে পড়েছে। অথচ এ মুহূর্তে তারা দুটো পিরামিড তৈরির চিন্তা-ভাবনা করছে।

    এক ধাপ থেকে আরেক ধাপ এভাবে কতো দিন লাগে কে জানে। হ্যা ঈশ্বর!

    তবে একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, মিশর এই কুজো মার্কা পিরামিডটা ছাড়া তাদের মুক্তির কোনো সম্ভাবনা নেই। আর সব অলীক।

    এভাবেই তার একশো বাইশতম প্রস্তর খণ্ডটি শুরু হয়েছে। সেখানে খোদিত করা আছে যে যদি আরেকটি নতুন পিরামিড তৈরি করা না হয় কিংবা আগের পিরামিডকে সংস্কার করা না হয় তাহলে অনেক কিছুই ঘটে যেতে পারে।

    এভাবে সে একে একে তার তদন্ত রিপোর্টের সবগুলো প্রস্তরখণ্ড মনে করতে থাকলো।

    রাষ্ট্রদূত তার মাথাটাকে বালিশের উপর রেখে শুয়ে রইলো। কিছুতেই তার ঘুম আসছিলো না। মন তার পড়ে আছে সিনাই মরুভূমিতে ছুটে যাওয়া গাড়ি ভর্তি প্রস্তরখণ্ডের উপর যেখানে তার পরিশ্রমের রিপোর্টগুলো সংরক্ষিত আছে। মরুভূমিতে গাড়ির ভেতর সেই মাটির ঢেলাগুলো নিশ্চই মৃতদেহের মতো ঠাণ্ডা ও নিথর হয়ে পড়ে আছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য সি-হক – রাফায়েল সাবাতিনি
    Next Article জেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }