Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দ্য লিটল প্রিন্স – আন্তোইন দি সেইন্ট জুঁপেরী

    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি এক পাতা গল্প74 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য লিটল প্রিন্স – ৫

    অধ্যায় – পাঁচ

    আমাদের বাওবাব বিষয়ে সতর্ক করা হল।

    দিন যাচ্ছিল। কথাবার্তায় প্রতিদিনই আমি ছোট রাজপুত্রের গ্রহ, সেই গ্রহ থেকে তার এখানে আসা ইত্যাদি বিষয়ে কিছু কিছু জানা শুরু করেছিলাম। তথ্যগুলি খুব ধীরে ধীরে আসছিল। হঠাৎ তার চিন্তা থেকে ঝরে পড়ছে এমন। এরকম করেই তৃতীয় দিনে আমি বাওবাবের দূর্যোগের কথা জানতে পারলাম।

    এক্ষেত্রেও আমার আঁকা সেই ভেড়াকে ধন্যবাদ দিতে হয়। ছোট রাজপুত্র গভীর চিন্তায় কিছুটা উদ্বিগ্ন হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করল, “ভেড়া ছোট ঝোঁপ বা গুল্ম জাতীয় গাছ খেতে পারে তো?”

    আমি বললাম, “হ্যা পারে।”

    লিটল প্রিন্স বলল, “আহ! ঠিক আছে।”

    আমি বুঝতে পারলাম না ভেড়াদের ছোট ঝোঁপ বা গুল্ম খাওয়া এত চিন্তার বিষয় কেন। ছোট রাজপুত্র জিজ্ঞেস করল, “তাহলে তারা নিশ্চয়ই বাওবাবও খেতে পারবে?”

    আমি লিটল প্রিন্সকে বোঝালাম বাওবাব ছোট ঝোঁপ জাতীয় গাছ না। বিরাট গাছ। সে যদি এক পাল হাতি নিয়ে যায় তাহলে তারা সবাই মিলেও একটা বাওবাব খেয়ে শেষ করতে পারবে না।

    হাতির পালের কথায় ছোট রাজপুত্র মজা পেল এবং শব্দ করে হাসল। সে বলল, “তাহলে আমাদের একটা হাতির উপরে আরেকটা বসাতে হবে।”

    তারপর সে প্রজ্ঞাবানদের মত একটি কথা বলে ফেলল, “তারা বড় হয় ঠিকই কিন্তু যখন জন্মে তখন ছোটই থাকে।”

    “সেটা ঠিক বলেছ’’, আমি বললাম। “কিন্তু তুমি কেন চাচ্ছ ভেড়া ছোট বাওবাব খেয়ে ফেলুক?”

    লিটল প্রিন্স এর উত্তরে এমনভাবে শব্দ করল যেন মনে হল এর কারণ তো সবাই জানার কথা। আমি তার সাহায্য ছাড়াই এই সমস্যার সমাধান করলাম।

    আমি জেনেছিলাম লিটল প্রিন্স যে গ্রহে থাকে সেখানে গাছ আছে। সব ধরনের গাছ। ভালো গাছ, খারাপ গাছ। সুতরাং ভালো গাছ থেকে ভালো বীজ, খারাপ গাছের খারাপ বীজ ছিল। কিন্তু এই বীজেরা ছিল অদৃশ্য। তারা মাটির নিচে গভীর অন্ধকারে ঘুমিয়ে থাকত। যতক্ষণ না পর্যন্ত তাদের মধ্যে কেউ একজন জেগে উঠার পরিবেশ ও প্রেরণা পায়। তারপর সে নিজেকে প্রসারিত করতে শুরু করে, ধীরে ধীরে আকর্ষনীয় পল্লব বিকশিত করতে থাকে উপরের দিকে সূর্যকে লক্ষ্য করে। এটি যদি মূলো কিংবা গোলাপের শিশু বৃক্ষ হয় তাহলে যে কেউ তাকে বাড়তে দিবে তার ইচ্ছামত। কিন্তু যদি সে কোন খারাপ গাছ হয় তাহলে তাকে চেনা মাত্র যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উপরে ফেলবে।

    এখন, ছোট রাজপুত্র যে গ্রহে থাকত সে গ্রহেও এরকম ভয়ংকর কিছু খারাপ বীজ ছিল। সে বীজগুলি হল বাওবাব গাছের বীজ। ঐ গ্রহের মাটি এই বীজে ভরা ছিল। বাওবাব এমন গাছ, যার থেকে আপনি পরিত্রান পাবেন না কখনোই যদি দেরী করে ফেলেন। এটি সারা গ্রহে ছড়িয়ে পড়ে। এটি তার শক্ত মূল দিয়ে গ্রহের মাটি ছিদ্র করে। এবং গ্রহটি যদি খুব ছোট হয় আর প্রচুর সংখ্যক বাওবাব যদি থাকে তাহলে তারা গ্রহটিকে ঠুকরো ঠুকরো করে ফেলে…

    ছোট রাজপুত্র পরে আমাকে বলেছিল, “এটা শৃঙ্খলার বিষয়। প্রতিদিন সকালে নিজে টয়লেট শেষ করার পর তোমার গ্রহের টয়লেটের প্রতি তোমাকে যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে নজর দিতে হবে। তোমাকে বাওবাব উপরে ফেলতে হবে প্রতিদিন। যখন তুমি গোলাপের ঝোঁপ থেকে তাদের আলাদা করতে পারো, দেখামাত্রই উপরে ফেলতে হবে, যখন তারা খুব ছোট থাকে। এটি একটি বিরক্তিকর কাজ, কিন্তু খুব সহজ।”

    এবং একদিন সে আমাকে বলল, “তোমার উচিত কিছু সুন্দর ছবি এঁকে রাখা যাতে তুমি যেখানে থাকো সেখানকার শিশুরা এই জায়গা কীরকম তা দেখতে পারে। তারা যদি কোনদিন এই এলাকায় ভ্রমণে বের হয় তাহলে ছবিগুলি থেকে উপকৃত হবে।”

    সে আরো যোগ করল, “কোন কাজ অন্যদিন পর্যন্ত ফেলে রাখায় তেমন ক্ষতি নেই। কিন্তু বাওবাবের বেলায় আলাদা। বাওবাব মানেই দূর্যোগ। আমি একটা গ্রহের কথা জানি যাতে এক অলস লোক বাস করত। সে তিনটা ঝোঁপ অবহেলা করে ফেলে রেখেছিল……”

    লিটল প্রিন্স যেভাবে বলল আমি ঠিক সেভাবে সেই গ্রহের ছবিটা আঁকলাম। আমি নীতিবিদ দের মত উপদেশ দিতে চাই না। কিন্তু বাওবাবের ব্যাপারটা সহজে বোঝা যায়, এবং কেউ যদি কোন গ্রহাণুতে হারিয়ে যায় তার জন্য এটি হবে ঝুকিপূর্ন। তাই আমি সহজ করেই বলছি, “শিশুরা! বাওবাবের ব্যাপারে সব সময় সতর্ক থাকবে।”

    আমার বন্ধুরা, আমার মতই। অনেক সময় ধরে এই গভীর বিপদের ভিতর দিয়ে যাচ্ছি ব্যাপারটাকে ঠিকমত না জেনেই। তাদের জন্যই ছবিটা আমি সুন্দর করে আঁকলাম। এই ছবির মাধ্যমে আমি যে বার্তা পৌছে দিলাম তার মূল্য এর জন্য করা আমার সব কষ্টের সমতুল্য।

    ছোট রাজপুত্র যেভাবে বলল আমি ঠিক সেভাবে সেই গ্রহের ছবিটা আঁকলাম। আমি নীতিবিদের মত উপদেশ দিতে চাই না। কিন্তু বাওবাবের ব্যাপারটা সহজে বোঝা যায়, এবং কেউ যদি কোন গ্রহাণুতে হারিয়ে যায় তার জন্য এটি হবে ঝুকিপূর্ন। তাই আমি সহজ করেই বলছি, “শিশুরা! বাওবাবের ব্যাপারে সব সময় সতর্ক থাকবে।”

    আমার বন্ধুরা, আমার মতই, দীর্ঘ সময় ধরে এই গভীর বিপদের ভিতর দিয়ে যাচ্ছে ব্যাপারটাকে ঠিকমত না জেনেই। তাদের জন্যই ছবিটা আমি এত কষ্ট করে আঁকলাম। এই ছবির মাধ্যমে আমি যে বার্তা পৌছে দিলাম তার মূল্য এর জন্য করা আমার সব কষ্টের সমতুল্য।

    হয়ত আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করবেন, এই বইয়ে আর কোন ছবি কেন এই বাওবাবের ছবির মত আকর্ষনীয় ও সুন্দর না? উত্তরটা সহজ। অন্যগুলির ক্ষেত্রে আমি সফল হতে পারি নি। যখন আমি বাওবাবের ছবি আঁকছিলাম তখন আমি আমার নিজের ইচ্ছার চেয়ে বেশি গভীর প্রয়োজনীতাবোধের উৎসাহে চলেছি।

    অধ্যায়- ছয়

    কথক ছোট রাজপুত্রের সাথে সূর্যাস্ত নিয়ে কথা বললেন।

    অহ! ছোট রাজপুত্র, আস্তে আস্তে আমি তোমার ছোট দুঃখী জীবন সম্পর্কে জানতে পারছি…অনেকদিন ধরে তুমি আনন্দ খোঁজে পাও শুধুমাত্র সূর্যাস্ত দেখায়। এটা আমি জানতে পারি চতুর্থদিন সকালে, যখন তুমি আমাকে বললে,

    “আমার সূর্যাস্ত খুব ভাল লাগে। চল আমরা একটি সূর্যাস্ত দেখে আসি।”

    “কিন্তু আমাদের অপেক্ষা করতে হবে”, আমি বললাম।

    “অপেক্ষা ! কীসের জন্য?”

    “সূর্যাস্তের জন্য। সময় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।”

    প্রথমে এই কথায় তুমি অবাক হলে। তারপর নিজে নিজে হাসলে। আমাকে বললে, “আমার সব সময় মনে হয় আমি বাড়িতে আছি।”

    ঠিক তাই। এটা সবাই জানে যখন আমেরিকায় দুপুর তখন ফ্রান্সে সূর্য অস্ত যাচ্ছে।

    তুমি যদি উড়তে পারো এবং সোজা ফ্রান্সে চলে যেতে পারো তাহলে তুমি সূর্যাস্ত দেখতে পারবে, দুপুর থেকে গিয়ে। কিন্তু দূর্ভাগ্যের ব্যাপার ফ্রান্স বহুদূরে অবস্থিত। কিন্তু আমার ছোট রাজপুত্র, তোমার ছোট্ট গ্রহে চেয়ার সামান্য কয়েক পা ঘুরালেই ব্যাপারটা হয়ে যেত। তুমি দেখতে পেতে দিনের শেষ এবং গোধূলী যখন ইচ্ছা তখন…

    একদিন, তুমি আমাকে বলেছিলে, “আমি ৪৪ বার সূর্যাস্ত দেখেছি!”

    এবং একটু পরে তুমি যোগ করেছিলে,

    “তুমি জানো- যারা খুব দুঃখী তারা সূর্যাস্ত পছন্দ করে।”

    “তাহলে তুমি কি খুব দুঃখী ছিলে?” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “৪৪ তম সূর্যাস্ত দেখার দিন?”

    কিন্তু ছোট রাজপুত্র কোন উত্তর দিল না।

    ———————————————————————————————————

    অধ্যায় – সাত

    কথক ছোট রাজপুত্রের জীবনের গোপন কথা জানতে পারল।

    পঞ্চম দিনে – আবারো ভেড়াটিকে ধন্যবাদ দিতে হয় যার জন্য – ছোট রাজপুত্রের জীবনের গোপন কথা আমার কাছে প্রকাশিত হয়। সহসাই ছোট রাজপুত্র আমাকে প্রশ্ন করে বসল, “ভেড়া যদি ছোট ঝোপ খেতে পারে তাহলে কি ফুলও খায়?”

    সে এমনভাবে প্রশ্নটা করল যেন মনে হচ্ছে তা গভীর চিন্তাধারায় ভাসতে ভাসতে হঠাৎ উন্মোচিত হল।

    আমি উত্তরে বললাম, “ভেড়া তার সামনে যা পায় তাই খায়।”

    “যে ফুলের কাঁটা আছে সেগুলিও খায়?”

    “হ্যা…। যে ফুলের কাঁটা আছে সেগুলিও খায়।”

    “তাহলে কাঁটা কী কাজে লাগে?”

    আমি জানতাম না। আমি তখন ইঞ্জিন থেকে একটা স্ক্রু খোলার চেষ্টা করছিলাম। আমি মারাত্বক দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিলাম। আমার কাছে এটি পরিস্কার ছিল যে ইঞ্জিনে বড় ধরনের সমস্যা হয়েছে। আমার কাছে আর সামান্য পানি বাকী ছিল। তাই ভয়াবহ খারাপ অবস্থায় পড়ার চিন্তায় ভীত ছিলাম।

    “কাঁটাগুলো কী কাজে লাগে তাহলে?”

    ছোট রাজপুত্র কোন প্রশ্ন করলে উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত থামে না। আমি ইঞ্জিনের স্ক্রু নিয়ে বিরক্ত ছিলাম। তাই যা মাথায় আসল তাই বললাম উত্তরে,

    “কাঁটাগুলো কোন কাজেই লাগে না। ফুলের কাঁটা থাকে অন্যকে জ্বালাতে…।”

    এরপর কয়েক মুহুর্ত নিরবতায় কাটল। তারপরই লিটল প্রিন্স আমার দিকে তাকাল এবং বেশ রুষ্টভাবে বলল, “আমি তোমাকে বিশ্বাস করি না। ফুলেরা দূর্বল সাধারণ সৃষ্টি। তারা মনে করে তাদের কাঁটাগুলো ভয়ংকর অস্ত্র…”

    আমি কোন উত্তর দিলাম না। আমি নিজে নিজে বলছিলাম, “এবার যদি এই স্ক্রু না খুলে তাহলে আমি একে হাতুড়ি দিয়ে বাড়ি দেব।” আবারো ছোট রাজপুত্র আমার চিন্তায় ব্যঘাত ঘটাল।

    “এবং তুমি আসলে বিশ্বাস কর ফুলেরা……”

    “অহ! না…আমি চিৎকার করে উঠলাম। না, না , না! আমি আসলে কিছু বিশ্বাস করি না। তখন আমার মাথায় যা এসেছে তাই উত্তর দিয়েছি।  তুমি কি দেখছ না আমি গুরুত্বপূর্ন কাজে ব্যস্ত।”

    সে বজ্রাহতের মত আমার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকাল, “গুরুত্বপূর্ন কাজ!”

    সে তখন আমার দিকে তাকিয়ে দেখল আমার হাতে হাতুড়ি, আঙুল কালো হয়ে গেছে ইঞ্জিনের গ্রীজে, আমি নিচু হয়ে আছি ছোট কুৎসিত একটি বস্তুর দিকে…

    “তুমি ঠিক বড়দের মত কথা বলছ।”

    তার এই কথা আমাকে লজ্জিত করল। কিন্তু সে আরো বলে যেতে লাগল, “তুমি একটার সাথে আরেকটা সব কিছু মিশিয়ে ফেল…তুমি গুলিয়ে ফেল সবকিছু”

    সে খুব রেগে গিয়েছিল। তার সোনালী কোকড়ানো চুল গুলি বাতাসে উড়ছিল তখন।

    “আমি একটি গ্রহ সম্পর্কে জানি যেখানে একজন লাল মুখের ভদ্রলোক থাকে। সে কখনো কোন ফুলের গন্ধ শুকে দেখে নি। সে কখনো আকাশের তারাদের দিকে তাকিয়ে দেখে নি। সে কখনো কাউকে ভালোবাসে নি। সে জীবনে কিছু করে নি শুধু সংখ্যা যোগ করে গেছে। এবং সব সময়, প্রতিদিন বার বার সে তোমার মতই বলে আমি গুরুত্বপূর্ন কাজে ব্যস্ত আছি। এই কথায় সে নিজে নিজে গর্ব বোধ করে। কিন্তু আসলে সে তো মানুষই না – সে একটা মাশরুম।”

    “কী একটা?”

    “একটা মাশরুম!”

    ছোট রাজপুত্র তখন প্রচন্ড রাগে সাদা হয়ে গেছে।

    “ফুলেরা লক্ষ লক্ষ বছর ধরে কাঁটা তৈরী করছে। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে ভেড়ারা তাদের খেয়ে চলেছে একই রকম। এবং এটা কোন গুরুত্বপূর্ন বিষয় না জানা যে ফুলেরা কেন কষ্ট করে এই কাটা তৈরী করে যেগুলি তাদের কোন কাজেই লাগে না? ফুল এবং ভেড়াদের এই যুদ্ধটা কি গুরুত্বপূর্ন না? এটা কি সেই মোটা লালমুখো ভদ্রলোকের অংক করা থেকে গুরুত্বপুর্ন বিষয় না? এবং আমি যদি জানি যে ফুলটা শুধুমাত্র আমার গ্রহেই জন্মে আর কোথাও না, একদিন সকালে ভেড়াটিকে তাকে ধ্বংশ করে ফেলল না বুঝেই। আহ! তুমি মনে কর তা গুরুত্বপূর্ন না!”

    কথা বলার সাথে সাথে তার মুখ রাগে সাদা থেকে লালে পরিবর্তিত হল।

    “কেউ যদি একটি ফুল ভালোবাসে, এর মাত্র একটি গাছ যদি লক্ষ লক্ষ তারাদের কোন একটিতে জন্মে এবং একমাত্র পুষ্প নিয়ে ফুটে থাকে, তাহলে ঐ তারাদের দিকে তাকিয়ে থাকাই সে ব্যক্তির খুশি থাকার জন্য যথেষ্ট। সে নিজে নিজে বলতে পারবে, ওখানে কোথাও আমার ফুল আছে। কিন্তু যদি কোন ভেড়া ফুলগাছটি খেয়ে ফেলে তাহলে তার সকল তারাগুলি হয়ে যাবে অন্ধকার। এবং তুমি মনে কর তা গুরুত্বপূর্ন না?

    সে আর কোন কিছু বলতে পারল না। তার কথাগুলি আটকে গেল।

    রাত পড়ে এসেছিল। আমি আমার হাত থেকে যন্ত্রপাতিগুলো ফেলে দিলাম। এবং সেই মুহুর্তে আমার হাতুড়ি, আমার স্ক্রু, অথবা পানির পিপাসা কিংবা মৃত্যু ভয় সব ভুলে গেলাম। আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম এবং একটু নাড়িয়ে বললাম, “যে ফুলকে তুমি ভালোবাস তা বিপদে নেই। আমি তোমার ভেড়ার জন্য একটি মুখবন্ধ এঁকে দেব। আমি তোমার ফুলের চারিদিকে দেয়ার জন্য বেড়া একে দেব…আমি……”

    আমি বুঝতে পারছিলাম না কী বলব। আমার খুব খারাপ লাগছিল। আমি বুঝতে পারছিলাম না কীভাবে আমি তার কাছে পৌছাব, যেখানে আমি তার আগে আগে যেতে পারি, এবং তার সাথে হাতে হাত রেখে আরেকবার চলতে পারি।

    এটা ছিল এমনই এক গোপন জায়গা, দুঃখভূমি।

    অধ্যায় – আট

    ছোট রাজপুত্রের গ্রহে গোলাপ আবির্ভূত হল।

    আমি শীঘ্রই এই ফুল সম্পর্কে ভালোভাবে জানলাম। ছোট রাজপুত্রের গ্রহে ফুলগুলি ছিল খুব সাধারণ। তাদের পাঁপড়ির একটি মাত্র বলয় থাকত, তারা তেমন বেশি জায়গা নিত না, কারো কোন ক্ষতি করত না। একদিন সকালে ঘাসের মাঝে তাদের দেখা যেত এবং রাত নামার সাথে সাথে তারা আবার নিরবে ম্লান হয়ে যেত। কিন্তু একদিন ছোট রাজপুত্র দেখতে পেল কেউ জানে না এমন এক জায়গা থেকে আসা একটি বীজের মধ্য থেকে একটি অংকুর বের হয়েছে। যা গ্রহের অন্য সব গাছের ছোট অংকুরের চেয়ে আলাদা। এটা হতে পারত নতুন ধরনের কোন বাওবাব।

    শীঘ্রই ছোট গুল্ম তার বড় হওয়া বন্ধ করে দিল এবং ফুল দেয়ার জন্য তৈরী হতে শুরু করল। ছোট রাজপুত্র ফুলের কুঁড়ির সামনে ছিল তখন, তার মনে হল হয়ত কোন বিস্ময়কর চেহারা বের হতে চলেছে। কিন্তু ফুলটি তার সৌন্দর্য সাজাতে কেবল সবুজ রঙের সাহায্য নিতে চাইল না। সে অত্যন্ত সর্কতার সাথে রঙ নির্বাচন করল। সে একটি একটি করে তার পাঁপড়িগুলো সাজালো। সে কুচকানো অবস্থায় পপি ফুলের মত পৃথিবীর সামনে যেতে রাজি ছিল না। সে শুধুমাত্র চাইছিল তার পূর্ন ঔজ্জ্বল্যে বিকশিত হতে। আসলেই সে ছিল এক চমৎকার সৃষ্টি । এবং তার এই অসাধারণ সাজসজ্জা স্থায়ী হল অনেক দিন।

    তারপর একদিন ঠিক সূর্যোদয়ের সময়, সে দেখা দিল।

    শ্রমসাধ্য সাজসজ্জার পর জাগ্রত হয়ে সে হাই তুলে বলল, “আহ! আমি এই মাত্র জেগেছি। আমাকে ক্ষমা করো। আমার পাঁপড়িগুলো ঠিক মত সাজানো না এখনো…”

    কিন্তু ছোট রাজপুত্র তার মুগ্ধতা লুকিয়ে রাখতে পারল না, “আহ! তুমি কত সুন্দর!”

    ফুল মিষ্টিভাবে উত্তর দিল, “আমি খুব সুন্দর না?  এবং আমি ঠিক সুর্য উঠার সাথে সাথে জন্মেছি।”

    ছোট রাজপুত্র সহজেই বুঝতে পারল, সে খুব একটা বিনয়ী না – কিন্তু কি সুন্দর ভাবে সে দোল খাচ্ছে।

    ফুল একটু পর বলল, “আমার মনে হয় এখন সকালের নাস্তার সময় হয়েছে। তুমি যদি আমার প্রয়োজনের ব্যাপারটা দয়া করে একটু দেখো…”

    ছোট রাজপুত্র এ কথায় বেশ লজ্জায় পড়ে গেল। সে পানি দেয়ার জারটা খোঁজতে গেল। তাহলেই সে কেবল ফুলের তত্ত্বাবধান করতে পারে।

    …এরপর শীঘ্রই ফুল আত্মগর্বে মুগ্ধ হয়ে ছোট রাজপু্ত্রকে যন্ত্রণা দেয়া শুরু করল। যখন সত্যটা জানা থাকে, তার সাথে মানিয়ে চলা বেশ কঠিন হয়। যেমন একদিন যখন সে তার চারটি কাঁটা নিয়ে কথা বলছিল, তখন সে ছোট রাজপুত্রকে বলল,

    “বাঘকে তার থাবা নিয়ে আসতে দাও!

    ছোট রাজপুত্র বলল, “আমার গ্রহে কোন বাঘ নেই। আর বাঘেরা লতা পাতা খায় না।”

    ফুল মিষ্টভাবে উত্তর দিল, “আমি ফুল, কোন লতাপাতা না।”

    “ঠিক আছে। আমি এর জন্য ক্ষমা চাচ্ছি…”

    “আমি বাঘকে ভয় পাই না। ফুল বলে চলল, “তবে আমার বাতাসের শক্ত প্রবাহের ভয় আছে। আমার মনে হয় তোমার কাছে আমার জন্য কোন পর্দা নেই?”

    “বাতাসের শক্ত প্রবাহের ভয়- এটা আসলে একটা ফুলের জন্য দূর্ভাগ্যের বিষয়।” ছোট রাজপুত্র বলল। এবং যোগ করল, “ফুলেরা খুব জটিল সৃষ্টি…”

    “রাতে আমাকে একটি কাচের গোলকের মধ্যে ভরে রাখবে। তোমার এখানে খুব ঠান্ডা। আমি যেখান থেকে এসেছি…”

    এই পর্যন্ত বলে সে থেমে গেল। সে বীজের ভেতর থেকে এসেছে। সে অন্য কোন পৃথিবী সম্পর্কে কিছু জানে না। হঠাৎ এই সত্য উন্মোচন হয়ে পড়ায় সে লজ্জিত হল এবং বেশ কয়েকবার কাশির মত শব্দ করল যাতে ছোট রাজপুত্র বুঝতে না পারে।

    “পর্দা?” ছোট রাজপুত্র জিজ্ঞেস করল।

    “হ্যা। এটা আমার দরকার যখন তুমি আমার সাথে কথা বল…” ফুল উত্তর দিল।

    তার ফুল আরো কয়েকবার কাশল যাতে ছোট রাজপুত্রের ভেতর অনুতাপ আসে।

    ছোট রাজপুত্র তার শুভ ইচ্ছা, যা তার ভালবাসার সাথে অবিচ্ছেদ্য ছিল সেগুলির দিকে লক্ষ্য না দিয়ে ফুলকে সন্দেহ করতে শুরু করল। যেগুলো গুরুত্বপূর্ন না সেই কথাগুলিকেই সে সিরিয়াসলি নিয়েছিল, এবং এজন্য সে হয়ে পড়ল অসুখী।

    সে একদিন আমাকে বলেছিল, “আমার তার কথাগুলি ধরা উচিত হয় নি। কারো ফুলের কথা ধরা উচিত না। উচিত ফুলের দিকে তাকানো, তার সুগন্ধে নিঃশ্বাস নেয়া।”

    আমার ফুল পুরো গ্রহ সুগন্ধে ভরে দিয়েছিল। কিন্তু আমি জানতাম না কীভাবে তার এই সৌন্দর্য আনন্দে উপভোগ করতে হয়। যে বাঘের কথাটি আমাকে বিব্রত করেছে, আমার উচিত ছিল তাতে কেবন সমব্যথী হওয়া।

    এবং সে আত্মবিশ্বাসের সাথে আরো বলে গেল,

    “প্রকৃত সত্য হল আমি জানতাম না কীভাবে কোন জিনিস বুঝতে হয়! আমার উচিত ছিল কথায় নয় কাজে বিচার করা। সে আমার দিকে তার সৌন্দর্য এবং ঔজ্জ্বল্য ছড়িয়ে দিয়েছিল। ফুলেরা খুব স্ববিরোধী। এবং আমি ছিলাম অনেক ছোট এটা জানার পক্ষে যে তাকে কীভাবে ভালোবাসতে হয়…”

    অধ্যায় – নয়

    ছোট রাজপুত্র তার গ্রহ ত্যাগ করল…

    আমি বিশ্বাস করি, গ্রহ থেকে পালানোর জন্য সে কোন একদল পরীযায়ী হিংস্র পাখির  সাহায্য নিয়েছিল। বিদায়ের দিন সকালে সে তার গ্রহের সব কিছু ঠিক মত সাজাল। সে তার গ্রহের সব সক্রিয় আগ্নেয়গিরি পরিস্কার করল। তার দুটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি ছিল। এগুলি তার সকালের নাস্তা গরম করার জন্য ছিল সুবিধাজনক। তার আরো একটি মৃত আগ্নেয়গিরি ছিল। কিন্তু সে যেমন বলে , “কেউ কখনো জানে না কী হবে” তাই সে মৃত আগ্নেয়গিরিও পরিস্কার করল। ঠিকঠাকমত পরিস্কার করা অবস্থায় থাকলে আগ্নেয়গিরি কোন ধরনের অগ্নুৎপাত ছাড়া নিয়ন্ত্রিত ভাবে এবং ধীরে জ্বলতে থাকে। আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত হল চিমনিতে আগুনের মত।

    আমাদের পৃথিবীতে আমরা আগ্নেয়গিরি পরিস্কার করতে পারি না কারণ আমরা অনেক ছোট। এজন্যই আগ্নেয়গিরি এখানে সমস্যার সৃষ্টি করে।

    ছোট রাজপুত্র অত্যন্ত বিমর্ষভাবে শেষ বাওবাবের ঝোঁপটাও তুলে ফেলল। সে বিশ্বাস করেছিল, যে সে আর কখনো ফিরবে না। কিন্তু শেষদিনে এই পরিচিত কাজগুলি তার কাছে অর্থবহ এবং মূল্যবান মনে হল। যখন সে শেষবারের মত ফুল গাছে পানি দিচ্ছিল এবং ফুলকে গ্লাস টিউব দিয়ে ডেকে দিতে যাচ্ছিল তখন সে অনুভব করল তার চোখ ভিজে যাচ্ছে।

    “বিদায় …” সে ফুল কে বলল।

    কিন্তু ফুল কোন উত্তর দিল না।

    “বিদায়…” সে আবার বলল।

    ফুল কাশল। এমন না যে তার খুব ঠান্ডা লেগেছে।

    “আমি বোকার মত আচরন করেছিলাম…আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। সুখী হওয়ার চেষ্টা করো…” ফুল শেষপর্যন্ত তাকে বলল।

    ছোট রাজপুত্র ফুলের মুখে অভিযোগের অনুপস্থিতি দেখে অবাক হল। সে হতভম্ব হয়ে গ্লাস টিউব হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। সে এই মধুর নিরবতাকে বুঝতে পারল না।

    ফুল তাকে বলল, “অবশ্যই আমি তোমাকে ভালবাসি। এটি আমার ব্যর্থতা যে তোমাকে বুঝাতে পারি নি। তা গুরুত্বপূর্নও না। কিন্তু তুমি আমার মতই বোকা ছিলে। সুখী হওয়ার চেষ্টা করো…আর গ্লাস টিউবেরও দরকার নেই, ওটা আমার লাগবে না।”

    “কিন্তু বাতাস…”

    “আমার এত বেশি ঠান্ডা লাগে নি। ঠান্ডা রাতের বাতাস তাই আমার জন্য ভাল হবে। আমি একটি ফুল।”

    “কিন্তু পশুপাখি…”

    “হুম…আমাকে কিছু শুয়োপোকা সহ্য করতে হবে যদি আমি চাই প্রজাপতির সাথে পরিচিত হতে। তাদের অনেক সুন্দর মনে হয়। এবং শুয়োপোকা কিংবা প্রজাপতি ছাড়া কে আসবে আমার কাছে? তুমি থাকবে অনেক দূরে… এবং বড় প্রাণীদের নিয়ে আমি মোটেও ভীত নই। আমার থাবা আছে।”

    সে শান্তভাবে তার চারটি কাঁটা দেখাল। এবং যোগ করল,

    “দেরী করো না। তুমি সিদ্ধান্ত নিয়েছ চলে যাবে। এখন যাও।”

    সে এভাবে বলল কারণ সে চাইছিল না ছোট রাজপুত্র তার চোখের পানি দেখুক। সে ছিল এমনি এক গর্বিত ফুল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভিখারি – নগীব মাহফুজ : অনুবাদ – রাফিক হারিরি
    Next Article খুনের রঙ – সম্পাদনা: সমরেশ মজুমদার, অনীশ দেব
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Our Picks

    উত্তম পুরুষ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    প্রসন্ন পাষাণ – রশীদ করীম

    August 5, 2026

    লাঞ্চ বক্স – রশীদ করীম

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }