Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নতুন বিশ রহস্য – স্যার আর্থার কোনান ডয়েল

    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল এক পাতা গল্প287 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাহাজানি – আর্থার কোনান ডয়েল

    রাহাজানি

    স্থানঃ লন্ডনের ইস্টবোর্ন থেকে টানব্রিজ হাইওয়ের

    একটা নির্জন অংশ—দুপাশে ঊষর প্রান্তর।

    দিনঃ রবিবার। সময়ঃ রাত সাড়ে এগারোটা।

    একটা লম্বা রোলস-রয়েস লন্ডনের দিকে ওই রাস্তা দিয়ে চলেছে অত রাতে। হেডলাইটের আলোয় সিনেমার ছবির মতো দুপাশের প্রান্তর ও বুনো লতাগুল্ম সরে সরে যাচ্ছে। অন্ধকারে গাড়িটার নম্বর চোখে পড়ে না। গাড়ির ওপরটা খোলা কিন্তু বডি আর বনেট মোটা গাঢ় রঙের কাপড় দিয়ে মোড়া। আকাশে চাঁদ নেই—তাই গাড়িটার আসল আকৃতি বোঝা কঠিন।

    চালক ছাড়া গাড়িতে আর কোনো যাত্রী নেই। চালকের হাত স্টিয়ারিং হুইলে, মাথার টুপি কপাল পর্যন্ত নামানো, ঠোঁটে জ্বলন্ত সিগারেট। ওভারনকাটের উঁচু কলারে কানদুটো ঢাকা। ঢালু রাস্তায় ইঞ্জিন বন্ধ করে দেওয়া—গাড়ি নিঃশব্দে গড়িয়ে চলেছে। চালক এক দৃষ্টে সামনে তাকিয়ে আছে যেন প্রতীক্ষিত কোনো কিছুর আশায়।

    উল্টো দিক থেকে আসা একটা গাড়ির হর্নের আওয়াজ শোনা গেল। রবিবার রাতে লন্ডন থেকে অনেক গাড়িই ফেরে। ওখানে উইকএন্ড কাটিয়ে রাতের দিকে ফেরা বেশ প্রচলিত প্রথা।

    হ্যাঁ, সত্যিই একটা গাড়ি এদিকে আসছে। রোলস-রয়েস-এর চালক সঙ্গে সঙ্গে সোজা হয়ে বসে ঠোঁটে ধরা সিগারেটটা ফেলে দিল। পকেট থেকে একটা কালো কাপড় বের করে চোখ দুটো বাদ দিয়ে ঢেকে নিল মুখটা। হেড লাইট নিভিয়ে পাশের সিটের ওপর রাখল একটা টর্চ ও একটা মাউসার পিস্তল।

    ঢেউ-খেলানো রাস্তায় ওঠা-নামা করতে করতে সামনের গাড়িটা রোলস-রয়েস-এর ত্রিশ গজের মধ্যে চলে এল। তখনই রোলস-রয়েস-এর চালক গাড়িটাকে রাস্তায় আড়াআড়ি দাঁড় করিয়ে আগত গাড়িটার রাস্তা আটকে দিল। জোরে ব্রেক করে থেমে গেল আগত গাড়িটা।

    গাড়িটার থেকে রাগত স্বরে বলা কথা ভেসে এল, ‘এটা কী হচ্ছে? এক্ষুনি একটা দুর্ঘটনা হতে পারত। হেড লাইট জ্বালাননি কেন? আমার গাড়ি আপনার গাড়িতে ঠেকে গেছল প্রায়।’

    টর্চের আলোয় দেখা গেল, কণ্ঠস্বরের অধিকারী এক রাগী যুবক, তার চোখদুটো নীল, হলদেটে গোঁফ। গাড়িটা একটা পুরনো ওলসলে। হঠাৎ যুবকটির মুখে রাগের পরিবর্তে ফুটে উঠল বিস্ময়ের অভিব্যক্তি।

    রোলস-রয়েস-এর সিট থেকে বেরিয়ে এসেছে চালক। তার হাতে ধরা কালো পিস্তলটা যুবকের মুখের ওপর ঠেকিয়ে এবং মুখোশের থেকে বেরিয়ে থাকা দুটো ক্রুর চোখে তাকিয়ে সে কড়া গলায় বলল, ‘হ্যান্ডস আপ! নইলে কিন্তু—’

    অনিচ্ছাসত্ত্বেও হাত দুটো ওপরে তুলল যুবক। এবার আদেশ হল, ‘নেমে এসো!’

    যুবক গাড়ি থেকে নেমে এসে বলল, ‘এসব কী হচ্ছে, অ্যাঁ? পুরনো আমলের রসিকতা? ঠাট্টা করছেন?’

    পিস্তলের পিছন থেকে আওয়াজ এল, ‘ঘড়িটা!’

    ‘কী বলছেন কী?’

    ‘বলছি, ঘড়িটা।’

    ‘ঠিক আছে, এই নিন ঘড়ি। রং সোনালি হলেও সোনার ঘড়ি নয় কিন্তু। তবে যা করছেন তা কোনো মঙ্গলের রাজত্বে বা দুশো বছর আগে মানাত। আধুনিক ইংলন্ডে এ জিনিস চলে না।’

    ‘মানিব্যাগটা!’ কয়েকটা হুকুমের মতো। যুবকটি হুকুম তামিল করল।

    ‘কোনো আংটি নেই?’

    ‘আংটি পরি না।’

    ‘চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকো। একদম নড়বে না।’ লোকটা যুবকের পাশ কাটিয়ে ওলসলে গাড়িটার বনেটটা খুলল এবং একটা প্লায়ার্স দিয়ে গাড়িটার স্পার্ক প্লাগের তার কেটে দিল।

    ‘এটা কী করলেন? গাড়ি চালাব কী করে?’ আর্তস্বরে প্রশ্ন যুবকের। সঙ্গে সঙ্গে পিস্তলটা তার মাথার দিকে তাক করা হল। ঠিক তখনই এক লহমার জন্যে যুবকের চোখে এমন কিছু পড়ল যে সে স্তম্ভিত হয়ে গেল। হয়তো সে কিছু বলেও ফেলত, কিন্তু কোনোক্রমে নিজেকে সংবরণ করল। লোকটা যুবককে গাড়ির ভিতর ঢুকতে বলল। যুবক গাড়িতে বসতেই প্রশ্ন করল সে, ‘কী নাম তোমার?’

    ‘রোনাল্ড বার্কার। আপনার নাম?’

    লোকটা রোনাল্ডের এই অনাবশ্যক কৌতূহলের জবাব দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করল না। তবে জিগ্যেস করল, ‘কোথায় থাকো?’

    ‘আমার মানিব্যাগ থেকে একটা কার্ড নিয়ে দেখে নেবেন।’

    রোলস-রয়েস গাড়িটার ইঞ্জিন চালুই ছিল। লোকটা এক লাফে গাড়িতে উঠে গিয়ার দিয়ে চালিয়ে দিল গাড়িটা। আর এদিকে রোনাল্ড গাড়ির যন্ত্রপাতির বাক্সটা বের করে ছেঁড়া তার জোড়া দেওয়ার চেষ্টা করতে লাগল।

    রোনাল্ডের গাড়িকে অনেকটা পিছনে ফেলে রোলস-রয়েস-এর চালক লুঠের মাল ধীরে-সুস্থে পরীক্ষা করল। মানিব্যাগে পাওয়া গেল সামান্য ক’টা টাকা। এত কাণ্ড করে কেবল একটা সাধারণ ঘড়ি ও ক’টা টাকা পাওয়া সত্ত্বেও লোকটার মুখে রাগের বদলে কৌতুকের আভাস ফুটে উঠল। লুঠের মাল ওভারকোটের পকেটে পুরে ও এবার গাড়িটা দ্রুতগতিতে চালিয়ে দিল। মুখে স্পষ্টতই টেনশনের ছাপ। উল্টোদিক থেকে আসা একটা গাড়ির হেডলাইট দেখা যাচ্ছে।

    টেনশন সত্ত্বেও লোকটার ভাবভঙ্গি এখন বেশ বেপরোয়া গোছের, এবার আর কোনো গোপনীয়তা নেই। হেডলাইট জ্বালানো অবস্থাতেই নিজের গাড়িটা রাস্তার মাঝখানে দাঁড় করিয়ে আগতপ্রায় গাড়িটাকে ও থামানোর সংকেত দিল। গাড়ির আরোহীরা যেটুকু দেখতে পেল তাতেই যথেষ্ট ঘাবড়ে গেল। বড় কালো একটা গাড়ি রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে, চালকের মুখ কালো কাপড়ে ঢাকা এবং চালকের ভীতিপ্রদ চেহারা ও হাবভাব। আগত গাড়িটা একটা হুড-খোলা হাম্বার। তার উর্দি পরা খাটো চেহারার চালকের মুখে হতভম্ব ভাব। গাড়ির পিছনের সিটে বসে দুটি সুন্দরী যুবতী—একজনের মুখ থেকে বেরিয়ে এল ভয় ও আশঙ্কা মিশ্রিত অস্ফুট আওয়াজ, অন্যজন অবশ্য সংযত।

    শেষোক্ত মেয়েটি অন্যজনকে বলল, ‘ঘাবড়িয়ো না হিল্ডা। আমাদেরই কোনো বন্ধু মজা করে কিছু করছে বলে মনে হয়।’

    ‘না, না, ফ্লসি। এ তো সত্যি ডাকাত। কী হবে বলো তো?’

    ‘আরে, কাল খবরের কাগজে এই ঘটনাটার কথা যখন প্রকশিত হবে, ভেবে দ্যাখো তো বিনা পয়সায় আমাদের কেমন প্রচার হয়ে যাবে!’

    ‘রাখো তো তোমার প্রচার! মনে হচ্ছে আমি এক্ষুনি অজ্ঞান হয়ে যাব। দুজন মিলে চেঁচালে হয় না? দ্যাখো, দ্যাখো, আমাদের ড্রাইভারের কী অবস্থা!’

    রোলস-রয়েস-এর চালক কিন্তু এবার সত্যিই বেপরোয়া, হাম্বার গাড়ির ড্রাইভারকে ঘাড় ধরে গাড়ি থেকে টেনে বের করে পিস্তল দেখিয়ে ওকে দিয়েই গাড়ির স্পার্ক প্লাগ টেনে বিচ্ছিন্ন করে দিল সে। গাড়িটাকে অচল করে দিয়ে টর্চ হাতে গাড়ির জানালার কাছে গিয়ে বেশ ভদ্রভাবে মেয়ে দুটিকে বলল, ‘আপনাদের অসুবিধে করার জন্য দুঃখিত। আপনাদের পরিচয়?’

    ফ্লসি বলল, ‘আগে বলুন, আমাদের গাড়ি এভাবে আটকানোর কারণ কী?’

    উত্তর এল কড়া গলায়, ‘আমার হাতে সময় নেই। আমার প্রশ্নের উত্তর দিন।’

    ভয়ে আধমরা হিল্ডার অনুরোধে ফ্লসি বলল, ‘আমি ফ্লসি থর্নটন এবং এ আমার বন্ধু হিল্ডা ম্যানারিং। আমরা দুজনেই লন্ডনের গেইটি থিয়েটারের অভিনেত্রী। আমাদের নাম হয়তো শুনে থাকবেন। আজ রবিবার ছুটি কাটিয়ে ফিরছি।

    ‘আপনাদের পার্স ও গয়নাগাটি যা আছে বের করুন।’

    প্রথমে আপত্তি জানালেও ওরা দুজনেই শেষমেশ পার্স, আংটি, কানের দুল, বালা, হার ইত্যাদি গাড়ির সামনের সিটে রেখে দিল। অন্ধকারে হিরের টুকরোগুলো ঝিকঝিক করছিল। লোকটা গয়নাগুলো হাতে নিয়ে যেন মনে মনে ওজন বোঝার চেষ্টা করল। তারপর বলল, ‘এর মধ্যে আপনাদের বিশেষ প্রিয় কোনো গয়না আছে?’

    ফ্লসি বলল, ‘আমাদের জিনিস আমাদেরকেই ভিক্ষা দিতে হবে না। হয় সবকিছু নিয়ে নিন, নাহলে সবটাই ফেরত দিন।’ হিল্ডা কিন্তু হাত বাড়িয়ে একটা মুক্তোর হার ছিনিয়ে নিল। লোকটাও সেটা বিনাবাক্যব্যয়ে ছেড়ে দিল।

    শক্ত ধাতের মেয়ে ফ্লসি এবার কেঁদে ফেলল—ওর দেখাদেখি হিল্ডাও। লোকটার প্রতিক্রিয়া হল কিন্তু অপ্রত্যাশিত। সমস্ত গয়নাগাটি ওদের কোলের ওপর ফেলে দিয়ে লোকটা বলল, ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে। সবকিছু ফিরিয়ে দিলাম। আপনাদের কাছে দামি হলেও আমার কাছে এগুলো মূল্যহীন।’

    মেয়ে দুটির মুখে এখন হাসি। ওরা একযোগে বলল, ‘পার্স দুটো স্বচ্ছন্দে নিতে পারেন। ওই দুটো পার্সে যা টাকা আছে, তার দশগুণ মূল্যের বেশি প্রচার পেয়ে যাব আমরা। কিন্তু আপনি এমন পেশা কেন বেছে নিলেন?’

    লোকটা অবশ্য ওদের এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মুডে ছিল না, কেন না তখন দেখা যাচ্ছে বহুদূরে বিন্দুর মতো কোনো গাড়ির আলো। নতুন শিকারের আশায় লোকটা গাড়ি চালিয়ে দিল ওই আলোর দিকে। অচল গাড়িতে বসে ফ্লসি আর হিল্ডা তাকিয়ে রইল দূরে অন্ধকারে মিলিয়ে যাওয়া রোলস-রয়েস-এর দিকে।

    এবার আমদানি ভালোই হবে মনে হয়। উল্টোদিক থেকে আসা গাড়িটা বহুমূল্য ডেইমলার—চারটে হেডলাইট, সামনে পিতলের কারুকার্য। গাড়ির গম্ভীর নির্ঘোষই বলে দিচ্ছে ইঞ্জিনের শক্তি। গাড়িটা মসৃণভাবে এগিয়ে আসছিল, কিন্তু রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা রোলস-রয়েস-এর কাছে এসে গাড়িটাকে থামতেই হল। ক্রোধে অগ্নিবর্ণ একটা মুখ বেরিয়ে এল ওই গাড়ির জানালা থেকে। আগন্তুকের মাথার সামনের দিকে টাক, গাল দুটো ফোলা, চর্বিতে ভরা মুখমণ্ডলে দৃশ্যমান দুটো কুতকুতে শয়তানি চোখ। চিৎকার করে ফ্যাসফেসে গলায় বলে উঠল সে, ‘রাস্তা থেকে এই মুহূর্তে গাড়ি সরাও! তা নইলে, হার্ন (ড্রাইভার), তুমি ওই রোলস-রয়েসকে ধাক্কা মেরে বেরিয়ে যাও! বরং ওকে ওর গাড়ি থেকে টেনে বের করো। নির্ঘাত নেশা করেছে লোকটা।’

    চালক মালিকের কথায় গাড়ি থেকে নেমে এগিয়ে আসা লোকটার কলার ধরতেই তার মাথায় পড়ল পিস্তলের ঘা। ডেইমলারের চালক গোঙাতে গোঙাতে লুটিয়ে পড়ল মাটিতে। এইবার লোকটা ডেইমলারের দরজা খুলে এল হ্যাঁচকা টানে গাড়ির আরোহীকে বের করে রাস্তার ওপর দাঁড় করাল। তারপর একদম ঠান্ডা মাথায় আগন্তুকের দুই গালে মারল দুটো চড়। সেই স্তব্ধ রাতে চড়ের আওয়াজ শোনাল ঠিক পিস্তল থেকে গুলি বেরনোর শব্দের মতো। আগন্তুক বিবর্ণ মুখে প্রায় অচৈতন্য হয়ে গাড়ির গায়ে ঢলে পড়ল। লোকটা তখন আগন্তুকের পকেট থেকে চেনওয়ালা সোনার ঘড়ি, হিরে বসানো টাই-পিন, চার আঙুলে পরা চারটে আংটি এবং একটা চামড়া দিয়ে বাঁধানো দামি নোটবুক ছিনিয়ে নিল। ওগুলো নিজের কোটের পকেটে ভরে তারপর সে নিল আগন্তুকের মুক্তোর কাফ লিংক ও জামার কলারের সোনার বোতাম। গাড়ির চালক তখনও অচেতন। লুণ্ঠন করা শেষ। এইবার লোকটা ডেইমলারের অর্ধচেতন আরোহীকে ধরে ঠান্ডা মাথায় কিন্তু প্রচণ্ড আক্রোশে তার পরনের জামাকাপড়গুলো প্রায় ছিন্নভিন্ন করে রাস্তায় ফেলে দিল।

    হয়তো আর কিছু করার পরিকল্পনা ছিল লোকটার, কিন্তু ততক্ষণে দেখা গেল ওর ফেলে আসা রাস্তায় একটা গাড়ির আলো। অর্থাৎ ওর পূর্বকৃত ডাকাতির দুটি ঘটনাই ওই গাড়ির নজরে পড়ে থাকবে। হয়তো ওটা পুলিশেরই গাড়ি। হয়তো এই তল্লাটের সব কনস্টেবলকেই ডাকাত ধরতে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    সুতরাং হাতে আর সময় নেই। লোকটা একলাফে নিজের গাড়িতে উঠে দাবিয়ে দিল অ্যাক্সিলারেটর। গাড়ি দ্রুতবেগে এগিয়ে চলল। বেশ কিছুটা গিয়ে গাড়িটা হাইওয়ে ছেড়ে ঢুকল একটা সংকীর্ণ রাস্তায়। আরও খানিকক্ষণ জোরে চালিয়ে সম্ভাব্য কোনো অনুসরণকারীর থেকে অন্তত পাঁচমাইল ব্যবধান রেখে লোকটা গাড়ি থামিয়ে লুঠের মালের হিসেব করতে শুরু করল। রোনাল্ড বার্কারের সামান্য ক’টা টাকা, দুই অভিনেত্রীর পার্সে পাওয়া অপেক্ষাকৃত বেশি টাকা, এবং শেষ শিকারের কাছ থেকে পাওয়া দামি অলংকার, ঘড়ি ও নোটবুকে রাখা অনেক টাকা—তিনশো পাউন্ডের ওপর—ও কিছু মূল্যবান কাগজপত্র। সবকিছু মিলিয়ে এক রাতের আয় হিসেবে যথেষ্ট। লুঠের সমস্ত মাল নিজের কোটের পকেটে ঢুকিয়ে এবং একটা সিগারেট ধরিয়ে নিশ্চিন্তমনে রোলস রয়েস-এর চালক ফেরার পথ ধরল।

    সোমবার সকাল। পূর্বপুরুষদের তৈরি প্রাসাদোপম বাড়িতে স্যর হেনরি হেলওয়ার্দি ব্রেকফাস্ট সেরে স্টাডিতে গেলেন। কয়েকটা জরুরি চিঠি লিখেই চলে যাবেন আদালতে। উনি এই অঞ্চলের আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট—ফৌজদারি মামলার ভারপ্রাপ্ত বিচারক। অভিজাত পরিবারের মানুষ। লম্বা-চওড়া, সুগঠিত শরীর, দৃঢ় চোয়াল আর ঘন কালো ভ্রূজোড়া—এসব মিলিয়ে বেশ সমীহ করার মতো চেহারা। অশ্ব প্রজননের একটা ব্যবসাও আছে তাঁর। নিজেও ভালো অশ্বারোহী। প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালে তাঁর মাথার ঘন কালো চুলের মধ্যে ডান কানের ওপর একগুচ্ছ সাদা চুল। এটুকু বাদ দিলে ভাবা শক্ত যে, তাঁর বয়স প্রায় পঞ্চাশ।

    চিন্তান্বিত মুখে একটা পাইপ ধরিয়ে সবে চিঠি লিখতে যাচ্ছেন এমন সময় শোনা গেল একটা ঝরঝরে পুরনো গাড়ির আওয়াজ। বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াল একটা অলসলে গাড়ি, তার ফর্সা চেহারার চালকের গোঁফজোড়া হলদেটে। পরিচালক এসে খবর দিল যে মিঃ রোনাল্ড বার্কার এসেছেন। বার্কার বয়সে ছোট এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ হলেও স্যর হেনরির সঙ্গে তাঁর গভীর বন্ধুত্ব। দুজনেই শখ পিস্তল ছোঁড়া, অশ্বারোহণ ও বিলিয়ার্ড খেলা। সপ্তাহে অন্তত দুটো সন্ধেবেলা বার্কার স্যর হেনরির বাড়িতে আসেন।

    স্যর হেনরি বার্কারের দিকে উষ্ণ অভ্যর্থনার হাত বাড়িয়ে বললেন, ‘কী ব্যাপার? আজ এখানে এত সকালে?’

    কিন্তু বার্কারের প্রতিক্রিয়া ও ব্যবহার যেন একটু অন্যরকম। হেনরির সঙ্গে হাত না মিলিয়ে নিজের গোঁফে হাত বোলাতে বোলাতে বার্কার কেমন যেন প্রশ্নসূচক ভঙ্গিতে হেনরির দিকে তাকিয়ে রইলেন। কীভাবে কথা শুরু করবেন তা যেন বুঝতে পারছেন না।

    এবার হেনরি অধৈর্যের সঙ্গে বলে উঠলেন, ‘কী হল? কোনো সমস্যা হয়েছে?’

    ‘হ্যাঁ।’ বেশ জোরের সঙ্গে বললেন বার্কার।

    ‘কাকে নিয়ে?’

    ‘আপনাকে।’

    হেনরি মৃদু হেসে বললেন, ‘বসো। আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে বলো।’

    একটু ভেবে বার্কার যে প্রশ্নটা ছুঁড়ে দিলেন তার অভিঘাত প্রায় বন্দুক ছোঁড়ার মতো।

    ‘কাল রাতে ডাকাতি করে আমার জিনিসপত্র লুঠ করলেন কেন?’

    হেনরি ভাবলেশহীন মুখে জিগ্যেস করলেন, ‘এ কথা কেন বলছ?’

    ‘মোটর গাড়িওয়ালা লম্বা চওড়া চেহারার একটা লোক মেফিল্ড রোডে আমাকে পিস্তল দেখিয়ে আমার মানিব্যাগ ও ঘড়ি নিয়ে নেয়। স্যর হেনরি, আপনিই সেই লোক!’

    হাসলেন স্যর হেনরি, ‘এই অঞ্চলে আমিই একমাত্র লম্বা-চওড়া মানুষ? একমাত্র আমারই গাড়ি আছে?’

    ‘দেখুন, গাড়ির নাড়ি-নক্ষত্র আমি জানি। এই তল্লাটে আর কার রোলস-রয়েস গাড়ি আছে বলুন তো?’

    ‘আজকের দিনে রাহাজানি করতে গেলে ডাকাত নিজের জেলার বাইরে গিয়ে করবে। তাছাড়া দক্ষিণ ইংলন্ডের বিভিন্ন জেলায় অনেকেরই রোলস-রয়েস গাড়ি আছে। তেমন কেউ হয়তো তোমাকে ধরেছিল।’

    ‘মানতে পারলাম না স্যর হেনরি। আপনি কণ্ঠস্বর দু-এক পর্দা নামালেও আপনার গলার আওয়াজ আমার চেনা। কিন্তু ওসব কথা থাক। কেন করলেন এই কাজ? একটা ঘড়ি আর ক’টা টাকার জন্যে আপনার ঘনিষ্ঠ বন্ধুর ওপর ডাকাতি? অবিশ্বাস্য!’

    হেনরি হেসে বললেন, ‘অবিশ্বাস্যই বটে!’

    ‘তারপর ওই দুজন অভিনেত্রী—কত কষ্ট করে টাকা রোজগার করে। আমার গাড়ি চালু করে, ওই রাস্তায় আমি আপনাকে অনুসরণ করে, আপনার কীর্তির সব চিহ্নই দেখেছি। তবে হ্যাঁ, ওই শহুরে টাকার কুমিরটার ওপর ডাকাতি করে আপনি খারাপ কাজ করেননি। ডাকাতি করতে হলে ওইরকম শিকারই ধরা উচিত।’

    ‘তোমার কাছে এসবের কোনো প্রমাণ আছে?’

    ‘আমি পুলিশ আদালতে শপথ করে আপনার বিরুদ্ধে জবানবন্দী দিতে পারি। কী করে আপনাকে চিনলাম জানেন? আপনি যখন আমার গাড়িটার ইলেকট্রিক তারটা কাটছিলেন, তখন আপনার মুখোশের পাশ থেকে বেরিয়ে থাকা সাদা চুলের গুচ্ছ দেখতে পাই।’

    এই প্রথম স্যর হেনরির মুখে অভিব্যক্তির মৃদু প্রকাশ হল। তিনি বললেন, ‘তোমার কল্পনাশক্তি সত্যিই দারুণ।’

    এবার বার্কার কালো কাপড়ের ছোট একটা টুকরো হাতের মুঠো থেকে বের করে বললেন, ‘এটা দেখেছেন? অভিনেত্রীদের গাড়ির কাছে পড়েছিল এই টুকরোটা। আপনার মুখোশের একটা অংশ। হয়তো কিছুতে লেগে একটু ছিঁড়ে গিয়েছিল। যান, এবার আপনার ওভারকোটটা নিয়ে আসুন। এর শেষ দেখে আমি ছাড়ব।’

    স্যর হেনরি উঠে দাঁড়িয়ে ঘরের দরজায় তালা দিয়ে চাবিটা পকেটে রেখে বললেন, ‘ঠিক আছে। তোমাকে সবটুকুই দেখাব। তবে তার পরিণতি যদি খারাপ হয়। তার জন্যে দায়ী হবে তুমি-ই।’

    ‘আমাকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই স্যর হেনরি। আমার যা করণীয় তাই করব। কোনো আষাঢ়ে গল্প ফেঁদে বসবেন না যেন!’

    ‘তোমার কোনো খারাপ পরিণতি হবে তা আমি বোঝাতে চাইনি। আমার সংসারে আমি একাই। কিন্তু বংশগৌরবের ব্যাপারটা আছে। তাই বংশগৌরব রক্ষা করার জন্যে কালকের ঘটনার পরিণতি আমাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’

    ‘এখন এসব বলে কী লাভ?’

    ‘দেরি হয়ে গেলেও এটা বলা দরকার। অনেক কিছু বলব তোমাকে। প্রথমত, তোমার অনুমান যথার্থ। কাল তোমার গাড়ি আমিই আটকেছিলাম।’

    ‘কিন্তু কেন?’

    ‘বলছি।’ স্যর হেনরি একটা দেরাজ থেকে দুটো প্যাকেট বের করে বললেন, ‘এই দুটো প্যাকেটই আজ পোস্টে পাঠিয়ে দেব ঠিক করেছি। প্রথমটা যাবে তোমার ঠিকানায়। তুমি বরং এটা এখনই নিয়ে নাও—এতে তোমার ঘড়ি ও মানিব্যাগ আছে। অর্থাৎ তোমার গাড়ির ইলেকট্রিক তারটুকু কেটে দেওয়া ছাড়া তোমার আর কোনো ক্ষতি করিনি। দ্বিতীয় প্যাকেটটা আজই পোস্ট করব লন্ডনের গেইটি থিয়েটারের দুই অভিনেত্রীকে। এতে ওদের দুজনের পার্স রয়েছে। আশা করি তোমাকে বোঝাতে পেরেছি যে দুটি ঘটনাতেই সবকিছু ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল আমার।’

    ‘তারপর?’ বার্কারের প্রশ্ন।

    ‘তারপর বলছি স্যর জর্জ ওয়াইল্ডের কথা। তুমি হয়তো জানো ওঁর প্রতিষ্ঠিত ব্যাঙ্কের অপকীর্তির কথা। তুমি এ-ও জানো যে, আমি ধনী নই। সম্প্রতি আমি কয়েকটি কারণে একটু আর্থিক টানাটানির মধ্যে পড়ি। উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া এক হাজার পাউন্ড ছিল আমার কাছে। ওই টাকাটা ব্যাঙ্কে রেখে তার সুদের মাধ্যমে আমার আর্থিক পরিস্থিতিটা সামলে নেব ভেবেছিলাম। ওয়াইল্ডকে আমি চিনি। ওর ব্যাঙ্ক তখন সাত পারসেন্ট হারে সুদ দিচ্ছিল। ওকে জিগ্যেস করেছিলাম আমার টাকাটা ওর ব্যাঙ্কে নিরাপদ থাকবে কি না। ওর আশ্বাসের ভিত্তিতে টাকাটা ওর ব্যাঙ্কে জমা দিলাম এবং তার ঠিক আটচল্লিশ ঘণ্টা পরে ব্যাঙ্কটা ফেল করল। সরকারি সূত্রে জানতে পারি যে ওয়াইল্ড অন্তত তিন মাস আগে থেকেই জানত যে ব্যাঙ্কটার বাঁচার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবুও ও সেই ডুবন্ত জাহাজে আমার মাল তুলেছিল।

    ‘আমার টাকা ফেরত পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। অথচ ওয়াইল্ড আজও টাকার কুমির। ওর কাছে টাকাটা ফেরত চাইতেও গেছিলাম। ও ব্যঙ্গ করে আমাকে আইনি রাস্তা নিতে বলেছিল। আরও বলেছিল, বিনিয়োগের ঝুঁকির শিক্ষাটা কত অল্প খরচে পেয়ে গেলে বলো তো।

    ‘তখনই ঠিক করলাম, যেভাবেই হোক ওর হিসেবটা চুকিয়ে দিতে হবে। জানতাম, প্রতিটি রবিবার ও লন্ডনে কাটিয়ে রাতে ফিরে আসে, আর ওর পকেট-বুকের মধ্যে থাকে অনেক টাকা। ওই পকেট বুকটা এখন আমার কাছে। এবার বলো, নৈতিকতার মাপকাঠিতে আমি অন্যায় কিছু করেছি কী?’

    বার্কার বললেন, ‘বুঝলাম। কিন্তু আমি, ওই মেয়ে দুটো—আমাদের কী অপরাধ ছিল?’

    ‘বার্কার, মাথাটা একটু ব্যবহার করো। সবাই জানে ওয়াইল্ডের সঙ্গে আমার এখনকার সম্পর্কের কথা। ব্যক্তিগত শত্রুতার জন্যে আমি যদি কাউকে আক্রমণ করতাম, তাহলে কি আমি সহজে ধরা পড়ে যেতাম না? অতএব আমাকে এক সাধারণ ডাকাত সেজে রাহাজানি করতে হল এবং ওয়াইল্ডের ওপর আমার হামলাটা হল কেবল একটা সমাপতন। দুর্ভাগ্য যে আমার প্রথম শিকার ছিলে তুমি, যদিও তোমার ওপর হামলা করার সময় হাসি পাচ্ছিল আমার। পরের শিকার মেয়ে দুটি। নাটকটা জমাতে গিয়ে ওদের সঙ্গে মুখে কড়া ব্যবহার করলেও ওদের গয়নাগাটি কিন্তু ঘটনাস্থলেই ফেরত দিয়েছিলাম। তারপর এল আমার আসল শিকার। এতে কোনো নাটক ছিল না। ওকে শিক্ষা দিতে চেয়েছিলাম। শিক্ষা দিয়েছি। বার্কার, এবার বলো তোমার অভিমত কী?’

    বার্কার ধীরে ধীরে উঠে একগাল হেসে হাত মেলালেন স্যর হেনরির সঙ্গে। বললেন, ‘যা করেছেন তা সাংঘাতিক ঝুঁকির ব্যাপার। আর কখনো এসব করবেন না। ধরা পড়লে খুব বিপদ হবে কিন্তু।’

    ‘না, আর কখনো করব না। কিন্তু বার্কার, কাল রাতের ওই এক ঘণ্টা সময় ছিল আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। দারুণ উপভোগ করেছি ব্যাপারটা। সত্যিই আর কখনো এমন কিছু করব না, কেননা শিকারের নেশার মতো ডাকাতির বা রাহাজানির নেশা হয়ে যেতে পারে।’

    টেবিলের ওপর টেলিফোনটা বেজে উঠল। রিসিভারটা কানে লাগিয়ে ওপ্রান্তের কথা শুনলেন স্যর হেনরি। তারপর বার্কারকে বললেন, ‘আজ আদালত যেতে দেরি হয়ে গেল। ওখান থেকেই ফোন এসেছে। ওরা তাড়াতাড়ি পৌঁছতে বলল। আজ বেশ কয়েকটা চুরির কেসের বিচার করতে হবে।’

    Sir Arthur Conan Doyle’s ‘A Pirate of the Land’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া – ১
    Next Article আগামী রাত্রির উপাখ্যান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }