Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নতুন বিশ রহস্য – স্যার আর্থার কোনান ডয়েল

    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল এক পাতা গল্প287 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রতিশোধ – আর্থার কোনান ডয়েল

    প্রতিশোধ

    আচ্ছা, বার্গার, তুমি কেন আমাকে বিশ্বাস করে সবকিছু খুলে বলছ না?

    কথা হচ্ছিল দুই বন্ধুর মধ্যে—একজনের নাম কেনেডি, অন্যজন বার্গার। শীতের সন্ধ্যায় রোম শহরে কেনেডির বসার ঘরে। বাইরে আলোয় ঝলমলে আধুনিক রোম। জনবহুল রাস্তা, গাড়িঘোড়া চলছে, হোটেল-রেস্তোরাঁয় আলোর বাহার। কিন্তু কেনেডির ঘরে প্রাচীন রোমের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্নের সমারোহ। কেনেডির আসল দেশ ব্রিটেনে—পেশায় ও নেশায় পুরাতত্ত্ববিদ। ঘরের একটি দেওয়ালে ঝুলছে প্রাচীন রোমের একটি দেওয়ালচিত্রের অংশবিশেষ। এদিক-ওদিকে রাখা পুরোনো আমলের কিছু আবক্ষ মূর্তি—রোমান সেনেটর ও যোদ্ধাদের। ঘরের সেন্টার টেবিলের ওপর পুরোনো রোমের জন-স্নানাগারের একটা ছোট সংস্করণ রাখা আছে। এ ছাড়া ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানো পুরোনো রোমের টুকিটাকি স্মৃতিচিহ্ন—শিলালিপির টুকরো, গয়না, বাসনপত্র ইত্যাদি। সবই প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের সময়ে উদ্ধার করা। এমনকী সিলিং-এ ঝোলানো একটা অতি প্রাচীন ফুলদানি। প্রতিটি জিনিসই প্রামাণ্য এবং দুর্লভ। অর্থ দিয়ে এগুলির দাম নিরুপণ করা যায় না।

    কেনেডির বয়স ত্রিশের সামান্য বেশি, কিন্তু এই অল্পবয়সেই পুরোনো রোমের ওপর পুরাতাত্ত্বিক গবেষণায় তার নাম সারা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়েছে। ধনী পরিবারের সন্তান হিসেবে আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য কেনেডি মাঝে-মাঝে একটু-আধটু পয়সা উড়িয়ে ফুর্তি করলেও তার বুদ্ধি এত তীক্ষ্ন এবং প্রত্নতত্ত্বের প্রতি ভালোবাসা এত তীব্র যে, সে দীর্ঘসময় নিবিষ্টচিত্তে গবেষণার কাজে ব্যস্ত থাকে। কেনেডি বেশ সুপুরুষ—কপাল চওড়া, নাকটি তীক্ষ্ন। মুখে যুগপৎ দৃঢতা ও দুর্বলতার ছাপ।

    কেনেডির বন্ধু জুলিয়স বার্গার কিন্তু সম্পূর্ণ অন্য ধরনের মানুষ। বার্গারের বাবা জার্মান, মা ইটালিয়ান। জার্মানির শারীরিক শক্তি ও কঠোরতার সঙ্গে ইটালির কমনীয়তা—এই বৈপরীত্যের সমাবেশ বার্গারের ব্যক্তিত্বে। তার চেহারায় প্রথমেই চোখে পড়ে তার নীল চোখ, বিশাল কপাল ও সোনালি চুল। সেই সঙ্গে নজরে পড়ে তার রোদে জ্বলা গায়ের রং। সব মিলিয়ে বার্গারকে দেখলে পুরোনো রোমের আবক্ষ মূর্তিগুলির মুখাবয়ব মনে পড়ে যায়। বার্গারের সরল হাসি আর স্বচ্ছ দৃষ্টি অবশ্যই ওর বংশপরিচয়ের ইঙ্গিতবাহী। বয়স ও খ্যাতিতে বার্গার কেনেডির সমকক্ষ, কিন্তু লক্ষ্মীর কৃপা না পাওয়ায় তাকে অনেক কষ্ট করে ওপরে উঠতে হয়েছে। বারো বছর আগে জার্মানির বনবিশ্ববিদ্যালয়ের সামান্য একটা বৃত্তি নিয়ে ও রোমে এসেছিল। তারপর এত বছর ধরে অনেক কৃচ্ছ্রসাধন করে ধীরে-ধীরে পুরাতত্ত্বে খ্যাতিলাভ করে ও আজ বার্লিন আকাদেমির একজন সদস্য। কিন্তু পুরাতত্ত্বের বাইরে অন্য সমস্ত ব্যাপারে, বিশেষ সামাজিক আদবকায়দায়, বার্গার ধনী কেনেডির থেকে অনেক নীচে। নিজের পড়াশোনার বিষয়ে কথা বলতে গেলে ওর মুখমণ্ডল উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে, কিন্তু বাকি সব ব্যাপারেই বার্গার চুপচাপ ও মুখচোরা গোছের।

    চারিত্রিক বৈপরীত্য সত্ত্বেও গত কয়েক বছরে এদের দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব ক্রমশ গাঢ় হয়েছে। দুজনেই পরস্পরের পেশাগত দক্ষতার ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল। বার্গারের সহজ সরল ব্যবহারে মুগ্ধ হত কেনেডি। আবার কেনেডির প্রাণপ্রাচুর্য, উচ্ছলতা ও রোমের হাই-সোসাইটিতে ওর অবাধ বিচরণ বার্গারের ভালো লাগত। আপাতত একটা কারণে দুজনের সম্পর্কের ওপর একটু কালো ছায়া দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তার কারণ একটা গুজব—কেনেডি নাকি একটি মেয়ের সঙ্গে অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও হৃদয়হীন ব্যবহার করেছে। রোমের অনেকেই খানিকটা কৌতূহলবশত এবং খানিকটা ঈর্ষার জন্য এই ঘটনাটি নিয়ে কানাঘুষো করছিল।

    —আচ্ছা বার্গার! তুমি কেন আমাকে বিশ্বাস করে সবকিছু খুলে বলছ না? বার্গারের শান্ত মুখের দিকে চোখ রেখে ও মেঝের কার্পেটের দিকে আঙুল দেখিয়ে কেনেডি আবার একই কথা বলল। কার্পেটের একধারে একটা লম্বামতো বেতের ঝুড়ি রয়েছে। তাতে নানা জিনিস। যেমন টালির টুকরো, শিলালিপির ভগ্নাবশেষ, মরচে-ধরা পুরোনো গয়না, ছেঁড়া প্রাচীন কাগজ ইত্যাদি। জিনিসগুলি দেখলে প্রথমেই মনে হবে এগুলি কোনও ডাস্টবিন থেকে কুড়িয়ে আনা। কিন্তু পুরাতাত্ত্বিকের চোখে এগুলি অতি দুর্লভ মহার্ঘ বস্তু। জিনিসগুলি কেনেডির ঘরে এনেছে বার্গার।

    লোভে চকচক করছিল কেনেডির চোখ। ও আবার বলল,—তোমার এই অমূল্য রত্নভাণ্ডারে আমি ভাগ বসাচ্ছি না। কিন্তু তোমার এই আবিষ্কার একেবারে প্রথম সারির। পুরো ইউরোপে সাড়া পড়ে যাবে। কিন্তু কোথায় পেলে এসব আমায় বলবে না?

    একটা চুরুট ধরিয়ে বার্গার বলল,—এখানে যা দেখছ, তা কিছুই নয়। আমার আবিষ্কৃত জায়গায় বারো জন পুরাতাত্ত্বিক এই ধরনের জিনিসের মধ্যে অনায়াসে সারা জীবন কাটিয়ে দিতে পারে।

    কেনেডি কপাল কুঁচকে গোঁফে হাত বুলোতে-বুলোতে বলল,—বার্গার, তুমি না বললেও আমি বুঝতে পেরে গেছি। তুমি নিশ্চয়ই ভূগর্ভে কোনও একটা বড় কবরখানা আবিষ্কার করেছ। এত ধরনের পুরোনো জিনিস কবরখানা ছাড়া আর কোথায় পাওয়া যাবে?

    —ঠিকই বলেছ। আমি ভূগর্ভে একটা নতুন কবরখানার খোঁজ পেয়েছি।

    —কোথায়?

    —সেটা কী করে বলি কেনেডি? এটুকু বলতে পারি আমি না দেখিয়ে দিলে জায়গাটা কারও পক্ষে খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। এই কবরখানাটা ছিল অভিজাত সম্প্রদায়ের লোকের জন্য। সুতরাং এখানে যে ধরনের ভগ্নাবশেষ ও স্মৃতিচিহ্ন ছড়িয়ে আছে তা অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না। আমি প্রথমে এটার ওপর গবেষণা করে একটা পেপার লিখব, তারপরে তোমার মতো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে সমস্ত কিছু খুলে বলব।

    পুরাতত্ত্বের প্রতি কেনেডির ভালোবাসা অসীম। এই নতুন আবিষ্কারের ব্যাপারে জানার জন্য সে প্রায় অধৈর্য হয়ে বার্গারকে বলল,—বার্গার, আমি তোমায় শপথ করে বলছি, তোমার অনুমতি ছাড়া এ বিষয়ে আমি কোনও পেপার লিখব না। অতএব তুমি নির্দ্বিধায় আমাকে তোমার আবিষ্কারের ব্যাপারটা খুলে বলতে পারো। নাহলে কিন্তু আমি নিজে চেষ্টা করে জায়গাটা খুঁজে বের করব। আর এই ব্যাপারে তোমার আগেই আমার গবেষণাপত্র প্রকাশ করব।

    চুরুটে টান দিয়ে হালকা হেসে বার্গার বলল,—দ্যাখো ভাই, তুমি কিন্তু তোমার কোনও কথাই আমাকে কখনও খুলে বলো না। আজ পর্যন্ত তোমার একান্ত গোপনীয় কিছু আমায় খুলে বলেছ কি?

    —তুমি কি বলতে চাইছ ঠিক বুঝতে পারছি না। তবে তোমার যে-কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে আমি রাজি আছি।

    সোফায় ভালো করে হেলান দিয়ে চুরুটের ধোঁয়া ছেড়ে বার্গার বলল,—বেশ। এবার বলো, মেরি সন্ডারসনের সঙ্গে তোমার কী সম্পর্ক ছিল।

    প্রচণ্ড রেগে গিয়ে কেনেডি চেঁচিয়ে উঠল,—এটা কী ধরনের প্রশ্ন? তুমি কি আমার সঙ্গে ঠাট্টা করছ?

    বার্গার স্বাভাবিকভাবে বলল,—না বন্ধু, এটা ঠাট্টা নয়। আমি তোমাকে চিনি আর ওই মেরি নামের মেয়েটিকেও দেখেছি। তাই তোমার মুখ থেকে জানতে চাই, তোমাদের দুজনের মধ্যে ঠিক কী হয়েছিল।

    —আমি তোমাকে একটি কথাও বলব না।

    —তা হলে তো ব্যাপারটা মিটেই গেল। রাত দশটা বাজল, এবার চলি।

    কেনেডি ব্যাকুলভাবে বলে উঠল,—না, না বার্গার, একটু অপেক্ষা করো। এখনই যেও না। যে ব্যাপারটা নিয়ে জানতে চাইছ, সেটাতো বেশ পুরোনো হয়ে গেছে। এখন সে সম্বন্ধে কিছু জানতে চাওয়া প্রায় পাগলামির পর্যায়ে পড়ে।

    বার্গার উঠে দাঁড়িয়ে তার বেতের ঝুড়িটা হাতে নিয়ে বলল,—ঘটনাটা শুধু তোমার ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না, এ নিয়ে পুরো রোমে অনেক আলোচনা হয়েছিল। যা হোক, শুভরাত্রি।

    প্রায় দরজার কাছ থেকে বার্গারের হাত ধরে ওকে ভেতরে এনে কেনেডি বলল,—বলো, কী জানতে চাও?

    একটা চুরুট ধরিয়ে আবার বসে পড়ে বার্গার জিগ্যেস করল,—মেরি সন্ডারসনের শেষ পর্যন্ত কী হয়েছিল?

    —ও তো দেশে নিজের বাড়িতে ফিরে গেছে। ইংল্যান্ডে।

    —কিন্তু ব্যাপারটা বেশ অদ্ভুত না? তোমার সঙ্গে বেশ কিছুকাল মেরির বন্ধুত্ব ছিল। তা হলে ও হঠাৎ এমন করে চলে গেল কেন? আর তোমার সঙ্গে যদি ওর বন্ধুত্ব না হয়ে থাকে, তা হলে ওকে আর তোমাকে জড়িয়ে এত গুজব কেন?

    কেনেডি ফায়ারপ্লেসের দিকে তাকিয়ে খানিকটা অন্যমনস্কভাবে বলল,—হয়তো তুমি ঠিকই বলছ। মেরিকে আমি বেশ পছন্দই করতাম। কিন্তু এখন বুঝি, ব্যাপারটা তার বেশি কিছুই নয়। আসলে ওর সঙ্গে বন্ধুত্বটা করেছিলাম খানিকটা অ্যাডভেঞ্চার-এর নেশায়। মেরি তো একজন অভিজাত ঘরের মহিলার সঙ্গিনী ছিল। ওর সঙ্গে নাকি একজনের বিয়েও ঠিক হয়ে গেছিল। এতসব বাধা সত্ত্বেও ওর সঙ্গে যোগাযোগ করা আর বন্ধুত্ব পাতানো একটা অ্যাডভেঞ্চার হিসেবে দেখেছিলাম।

    —কিন্তু মেয়েটির হবু স্বামীর কী হল?

    —কে জানে কী হয়েছে। লোকটা নিশ্চয়ই আমার তুলনায় অত্যন্ত সাধারণ মানের ছিল।

    —আর একটা প্রশ্ন। এত তাড়াতাড়ি তুমি কীভাবে মেয়েটিকে বিদায় করলে?

    —আমাদের ব্যাপারটা জানাজানি হওয়ার পর মেয়েটি আর রোমে থাকতে চাইল না। এদিকে আমার পক্ষে রোম ছাড়া অসম্ভব। তা ছাড়া, ওর বাবাও খুব রাগারাগি করছিলেন। তাই আমি ধীরে-ধীরে নিজেকে এই সম্পর্কের থেকে সরিয়ে নিলাম। আর আমার কিছু বলার নেই।

    —ভাই কেনেডি, আমি পুরো ব্যাপারটা অবশ্যই গোপন রাখব। তবে একটা কথা বলি। তোমার আর আমার জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ আলাদা। এবার বলো, আমার আবিষ্কার করা জায়গায় কবে যেতে চাও?…চলো না, আজ রাতেই যাওয়া যাক। একটু শীত হলেও আজকের রাতটা ভারী সুন্দর।

    —জায়গাটা কত দূরে?

    —বেশি দূরে নয়। হেঁটে গেলেই ভালো। এত রাতে গাড়ি ভাড়া করলে গাড়িওয়ালা সন্দেহ করবে। আমি বরং আমার বাড়ি থেকে মোমবাতি, দেশলাই ও আর কয়েকটা দরকারি জিনিস নিয়ে শহরের বড় গেটটার কাছে ঠিক রাত বারোটার সময় তোমার জন্য অপেক্ষা করব।

    —ঠিক আছে। আমিও পৌঁছে যাব।

    শহরের ঘড়িঘর-এ যখন রাত বারোটার ঘণ্টা বাজছে, ঠিক তখনই হাতে একটা লণ্ঠন ঝুলিয়ে ওভারকোট পরা বার্গার নির্দিষ্ট স্থানে এসে হাজির হল। একটু দূরেই অপেক্ষারত কেনেডি এগিয়ে এল বার্গারের কাছে।

    রাতের হাওয়া বেশ ঠান্ডা। শরীর গরম রাখতে দুজনেই পাথুরে রাস্তার ওপর দিয়ে দ্রুত চলতে লাগল। রাস্তায় দু-একজন বিক্ষিপ্ত পথচারী ছাড়া আর জনমানুষের চিহ্ন নেই। রাস্তার দু-ধারে কবরখানা ও অনেক স্মৃতিসৌধ। বেশ খানিকটা গিয়ে সেন্ট ক্যালিকস্টাসের সমাধির কাছে বার্গার থামল।

    বার্গার বলল,—দাঁড়াও। এর খুব কাছেই আমার আবিষ্কৃত সমাধি। এই যে এদিকে এসো। এই সরু রাস্তাটা দিয়ে যেতে হবে। তুমি আমার পেছনে এসো।

    কাঠের তৈরি একটা ফাঁকা গোয়ালঘরের কাছে গিয়ে বার্গার পকেট থেকে চাবি বের করল।

    কেনেডি বলল,—একী! তোমার ভূগর্ভের ভাণ্ডার এই বাড়ির মধ্যে না কি?

    —হ্যাঁ, এটাই রাস্তা। এই ঘরটির জন্য লোকে ভাবতেই পারবে না যে এর নীচে কী আছে। এমনকী এই বাড়ির মালিকও জানে না যে তার বাড়ির নীচে আছে পুরাতত্ত্বিক রত্ন ভাণ্ডার। এই বাড়িটা আমি ভাড়া নিয়েছি। ভেতরে এসে দরজাটা বন্ধ করে দাও।

    যদিও বাড়িটা জনহীন, বার্গার তবুও লণ্ঠনের বেশির ভাগটাই ওভারকোট দিয়ে ঢেকে রাখল, যাতে বাইরে থেকেও কেউ তাদের উপস্থিতি টের না পায়। ঘরে এক কোণে কাঠের মেঝেটা ঢিলে ছিল। দুজনে মিলে সেখান থেকে কয়েকটা তক্তা তুলে দেওয়ালের গায়ে দাঁড় করিয়ে রাখল। মেঝের ফোকরটা থেকে নীচে পাথরের সিঁড়ি নেমে গেছে। বার্গার আগে হাতে আলো নিয়ে নামল—পেছনে কেনেডি। নীচে নেমে মনে হল এটা যেন বুনো খরগোশের গর্ত—অর্থাৎ অজস্র অলিগলিতে ভরা। একবার রাস্তা হারিয়ে ফেললে সঠিক রাস্তা খুঁজে বাইরে বেরিয়ে আসা অসম্ভব বললেই হয়।

    কেনেডি বলল,—তুমি কী করে এই গোলকধাঁধায় চলাফেরা করো?

    —প্রথমদিকে আমিও দু-একবার প্রায় ফেঁসে গেছিলাম। এখন গলি-ঘুঁজির প্ল্যান একটু আধটু বুঝতে পারি। তা সত্ত্বেও এখনও বেশি ভেতরে যেতে গেলে সুতোর গোলা সঙ্গে নিয়ে সুতো ছাড়তে-ছাড়তে যাই।

    প্রায় বিশ ফুট নীচে একটা চৌকো মতো জায়গায় ওরা দু’জনে দাঁড়িয়ে। লণ্ঠনের কাঁপা আলোয় হলদেটে ফাটা দেওয়াল চোখে পড়ছে। আর এই চৌকোনা জায়গাতে চারদিক থেকে বেরিয়েছে অজস্র সুড়ঙ্গের মতো গলি—গলির মুখগুলো ঘুটঘুটে অন্ধকার।

    বার্গার কেনেডিকে বলল,—তুমি কিন্তু আমার সঙ্গে-সঙ্গে এসো। অন্য কোনওদিকে যাওয়ার চেষ্টা কোরো না। তোমাকে সোজা নিয়ে যাচ্ছি দুর্লভ জিনিসের জায়গাটায়।

    মাঝে-মাঝেই এক-একটা গলি দুভাগে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে। বার্গার নির্দ্বিধায় এগিয়ে চলল। মনে হয় যাওয়ার পথে ও কোনও গোপন চিহ্ন রেখে দিয়েছে। চতুর্দিকে দেওয়ালের ধারে-ধারে মমি-তে পরিণত মৃতদেহ থাকে-থাকে রাখা। আধো-আলো আধো-আঁধারে কঙ্কালসার মমিগুলো দেখে গা ছমছম করছিল কেনেডির। কিন্তু তবুও ও উৎসুকভাবে দেখছিল মৃতদেহগুলির চারপাশে ছড়িয়ে রাখা শিলালিপি, বাসনপত্র, গয়না ও অন্য টুকিটাকি জিনিস। কেনেডি বুঝতে পারছিল যে ভূগর্ভের আবিষ্কৃত সমাধিগুলির মধ্যে এই সমাধিটি অতি প্রাচীন এবং পুরোনো রোমে আদি খ্রিস্টানদের একটা উল্লেখযোগ্য কবরখানা।

    হঠাৎ কেনেডি জিগ্যেস করল,—আচ্ছা, লণ্ঠনের আলো নিভে গেলে কী হবে?

    —আমার কাছে মোমবাতি আর দেশলাই আছে। তোমার কাছে দেশলাই আছে কি?

    কেনেডি উত্তর দিল,—না। তুমি বরং আমায় ক’টা দেশলাই দাও।

    —না, তার কোনও দরকার নেই। আমাদের দু’জনের ছাড়াছাড়ি হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই।

    —আচ্ছা, বার্গার, আর কত দূরে যেতে হবে? প্রায় সিকি মাইল তো হাঁটা হয়ে গেল।

    —সিকি মাইলেরও বেশি। আসলে এই বিস্তীর্ণ সমাধিক্ষেত্রের কোথায় যে শেষ, তা আমিও জানি না। দাঁড়াও, আমার সুতোর গোলাটা বের করি। বাকি পথটায় হাঁটা আরও কঠিন।

    সুতোর একপ্রান্ত একটা পাথরের কোনায় বেঁধে সুতোর গোলাটা বুক পকেটে নিয়ে বার্গার চলতে লাগল। কেনেডি বুঝতে পারছিল যে গলিগুলো এখন গোলকধাঁধার মতো জটিল হয়ে উঠেছে। খানিকক্ষণ পরে ওরা একটা বড় গোলাকার হলঘরে পৌঁছে গেল। ঘরের মাঝখানে চৌকো এক বেদির ওপর একটা শ্বেতপাথরের ফলক রাখা।

    লণ্ঠনের আলোয় ফলকটা দেখতে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে কেনেডি বলল,—এ তো দারুণ জিনিস! খ্রিস্টানদের বানানো প্রথম বেদি হয়তো এটাই। নিশ্চয়ই এই ঘরটাকে চার্চ হিসেবে ব্যবহার করা হত।

    বার্গার বলল,—ঠিক বলেছ। এই ঘরের দেওয়ালের ফাঁকে-ফাঁকে যে দেহগুলো মমি করে রাখা আছে, সেগুলো সবই সেই সময়ের বিশপ ও পোপদের। তুমি অন্তত একটা দেহর কাছে গিয়ে দেখে এসো।

    কেনেডি দেওয়ালের দিকে গিয়ে একটা মৃতদেহের মাথার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, তোমার এই আবিষ্কার সত্যিই অভূতপূর্ব। লণ্ঠনটা একটু কাছে নিয়ে এসো—আমি এগুলো সব দেখতে চাই।

    ততক্ষণে বার্গার একটু দূরে সরে গেছে এবং হলঘরের অন্যদিকে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। হঠাৎ ও কেনেডিকে বলল,—এইখান থেকে বাইরে বেরোনোর সিঁড়ি অবধি যাওয়ার পথে কতগুলো ভুল রাস্তা আছে জানো? দু’হাজারের ওপর। প্রাচীন খ্রিস্টান সম্প্রদায় এইরকম গোলকধাঁধা বানিয়ে নিজেদের সমাধিক্ষেত্র রক্ষা করত। সঙ্গে আলো থাকলেও এখান থেকে বেরোনো কঠিন। আর অন্ধকার হলে তো কথাই নেই।

    —হ্যাঁ, আমারও তাই মনে হয়।

    —আর এই অন্ধকার ভয়াবহ। একবার এই অন্ধকারের অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের চেষ্টা করেছিলাম। আজ আবার একবার চেষ্টা করি।

    এই বলেই বার্গার লণ্ঠনের দিকে ঝুঁকল আর পর মুহুূর্তেই সবকিছু নিশ্ছিদ্র অন্ধকারে ঢেকে গেল। যেন একটা অদৃশ্য হাত কেনেডির দু’চোখ চেপে ধরে আছে। এই অন্ধকারের যেন একটা শরীরী সত্তা আছে যা কেনেডিকে পিষে ফেলতে চাইছে। এই অন্ধকার যেন একটা নিরেট দেওয়াল, যার কাছে যেতে শরীর ভয়ে কেঁপে ওঠে।

    —অনেক হয়েছে বার্গার। এবার আলোটা জ্বালো।

    বার্গার তখন হাসতে আরম্ভ করল ও সেই হাসির গা ছমছমে প্রতিধ্বনি ঘরের চারদিক থেকে শোনা যেতে লাগল। বার্গার বলল,—কী হল কেনেডি, ঘাবড়ে গেলে না কি?

    —আর দেরি কোরো না—এবার আলোটা জ্বালাও। কেনেডির গলায় ব্যাকুলতা।

    —জানো কেনেডি, তোমার কথা শুনে বুঝতেই পারছি না, যে তুমি কোনখানে দাঁড়িয়ে। তুমি কি বুঝতে পারছ আমি কোথায়।

    —না। মনে হচ্ছে তুমি আমার চারদিকেই দাঁড়িয়ে আছ।

    —এই সুতোটা আমার হাতে না থাকলে বুঝতেই পারতাম না যে কোন রাস্তা ধরব।

    —তাড়াতাড়ি আলোটা জ্বালাও। শেষ করো এই তামাশা।

    —কেনেডি, তুমি দুটো জিনিস খুব পছন্দ করো। এক হচ্ছে অ্যাডভেঞ্চার আর দু’নম্বর হল যে-কোনও বাধা অতিক্রম করা। এই গোলকধাঁধা থেকে বেরোনো হবে আসল অ্যাডভেঞ্চার। আর বাধাগুলো হচ্ছে, এই অন্ধকার আর দু’হাজার ভুল রাস্তা। ঠিক জায়গায় পৌঁছোতে একটু অসুবিধে হবে অবশ্যই। কিন্তু তোমার হাতে এখন প্রচুর সময়—তাড়াহুড়ো করার কোনও দরকার নেই। মাঝে-মাঝে যখন বিশ্রামের জন্য একটু থামবে তখন একটু মেরি সান্ডারসনের কথা ভেব। আর এটাও ভেবে দেখো, তুমি ওর সঙ্গে যথাযথ ব্যবহার করেছিলে কি না।

    —শয়তান! তুমি কী বোঝাতে চাইছ? বিকৃত গলায় চিৎকার করে কেনেডি সেই ঘরে ছোট-ছোট বৃত্তাকারে ঘুরতে লাগল আর যেন সেই ঘন অন্ধকারকে দু’হাত দিয়ে ধরতে চাইল।

    একটু দূর থেকে বিদ্রূপের সুরে কথা ভেসে এল,—বিদায় কেনেডি। তুমি এখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ যে তুমি মেরির প্রতি অন্যায় করেছ। খালি একটা ছোট ব্যাপার তোমাকে বলা হয়নি। মেরির বিয়ের সম্বন্ধ হয়েছিল একটা গরিব, সামাজিক আদবকায়দা না-জানা লোকের সঙ্গে আর সেই লোকটার নাম জুলিয়াস বার্গার।

    জামাকাপড়ের একটা খসখসে আওয়াজ শোনা গেল। আর শোনা গেল পাথরের ওপর আস্তে-আস্তে মিলিয়ে যাওয়া পায়ের আওয়াজ। তারপরেই ভূগর্ভের সেই পুরোনো চার্চে নেমে এল এক নিশ্ছিদ্র নিস্তব্ধতা। জলে ডুবে গেলে মানুষকে যেমন জল ঘিরে ধরে, সেই নিস্তব্ধতাও কেনেডিকে চারদিক দিয়ে ঘিরে ধরল।

    দু’মাস পরে ইউরোপের খবরের কাগজে নিম্নলিখিত সংবাদটি বেরিয়েছিলঃ

    রোমে সদ্য আবিষ্কৃত ভূগর্ভের একটি সমাধিক্ষেত্রকে পুরাতত্ত্বের জগতে একটা আবিষ্কার বলা যেতে পারে। জার্মানির তরুণ পুরাতত্ত্ববিদ জুলিয়াস বার্গার এই সমাধিক্ষেত্রটি আবিষ্কার করেন। প্রাচীন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্নে ভরা এই সমাধিক্ষেত্র পুরাতত্ত্বের ইতিহাসে নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। যদিও এই আবিষ্কারের ওপর গবেষণাপত্রটি বার্গারের লেখা, তবে মনে হয় আর এক কম ভাগ্যবান পুরাতাত্ত্বিক এই জায়গাটি বার্গারের আগেই আবিষ্কার করেছিলেন। মাস দুই আগে তরুণ ব্রিটিশ পুরাতাত্ত্বিক কেনেডি হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান। অনেকে ভেবেছিলেন, একটি মেয়েকে জড়িয়ে একটা কলঙ্কজনক ব্যাপারে তাঁর নাম এসে যাওয়ায় তিনি রোম ছেড়ে চলে গেছেন। এখন বোঝা যাচ্ছে পুরাতত্ত্বের প্রতি ভালোবাসাই তাঁকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছিল। কেনেডির মৃতদেহ সম্প্রতি ওই সমাধিক্ষেত্রেই পাওয়া গেছে। মৃতদেহের পা আর জুতোর অবস্থা দেখে মনে হয়, কেনেডি দিনের পর দিন ওই ভূগর্ভের গোলোকধাঁধাঁয় পথ হারিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন। এমনকী মোমবাতি বা দেশলাই পর্যন্ত সঙ্গে না নিয়ে ওই ভূগর্ভে ঢুকে তিনি চরম নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছেন। ব্যাপারটা আরও বেদনাদায়ক এই কারণে যে কেনেডি ছিলেন ডাঃ জুলিয়াস বার্গারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। কেনেডিকে হারানোর বেদনা ডাঃ বার্গারের আবিষ্কারের আনন্দকে অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে।

    ‘The New Catacomb’ গল্পের অনুবাদ

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া – ১
    Next Article আগামী রাত্রির উপাখ্যান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }