Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নতুন বিশ রহস্য – স্যার আর্থার কোনান ডয়েল

    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল এক পাতা গল্প287 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অতিথি – আর্থার কোনান ডয়েল

    অতিথি

    জন র‌্যান্টার ছিল সাদাম্পটনের এক পানশালার প্রাক্তন মালিক। ওর লম্বাচওড়া চেহারা আর উগ্র মেজাজের জন্যে কেউ ওর সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে আগ্রহী ছিল না, শত্রুতা তো নয়ই। এই বাহান্ন বছর বয়সেও র‌্যান্টারের চরিত্রে ও আচরণে কোমলতার লেশমাত্র নেই। ওর জীবনভর দুর্ভাগ্যের কারণ এই বদমেজাজ। বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে ছোটবেলায় বাড়ি ছেড়ে চলে যায় র‌্যান্টার। তারপর একটু একটু করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে ও একটি মেয়েকে বিয়ে করে। মেয়েটি সুশ্রী, কিন্তু স্বভাবে ভীরু ও ব্যক্তিত্বহীন। ওদের একটি ছেলে হয়েছিল, কিন্তু একদিন ছোটখাটো কোনও দুষ্টুমি করার জন্যে র‌্যান্টার ছেলেটিকে এমন মেরেছিল যে, ছেলেটি বাড়ি ছেড়ে চলে যায় এবং একটি জাহাজে খালাসির কাজ নেয়। পরে খবর আসে যে জাহাজটি নাকি ডুবে গিয়েছিল।

    এর পর থেকে র‌্যান্টারের মেজাজ আরও বিগড়ে যায়। সেই কারণে পানশালার খদ্দেররা পানশালায় আসা কমিয়ে দেয়। তখন বাধ্য হয়েই র‌্যান্টার তার ব্যবসা বিক্রি করে সেই টাকায় একটা ছোট বাড়ি কিনল—পোর্টসমাউথ-সাদাম্পটন রোডের ওপর, শেষোক্ত শহর থেকে মাইল তিনেক দূরে। শুরু হল স্ত্রীর সঙ্গে ওর নির্জনবাস, মনে সমগ্র মানবজাতির প্রতি বিদ্বেষ।

    প্লাস্টারবিহীন ইট দিয়ে তৈরি আর খড় দিয়ে ছাওয়া এই নির্জনতা-ঘেরা কটেজটি সম্বন্ধে অদ্ভুত অদ্ভুত কথা শোনা যেত। গাড়ির চালকরা বলাবলি করত যে পক্ককেশ, রাগী দেখতে একটা লোক কটেজ সংলগ্ন বাগানে সারাদিন বসে থাকে আর মাঝে মাঝে দরজার ফাঁকে দেখা যায় একটা বিষণ্ণ মুখ। কখনও বা নাকি শোনা যায় রাগে ভরা কণ্ঠস্বর, আঘাতের শব্দ ও নারীকণ্ঠে কান্নার আওয়াজ। বাড়িটাকে কেমন যেন অভিশপ্ত মনে হতো, তাই ঘোড়ার পিঠে চাবুক মেরে তাড়াতাড়ি বাড়িটা পেরিয়ে গাড়ি নিয়ে চলে যেত চালকরা।

    শরৎকালের এক ঝকঝকে বিকেলে র‌্যান্টার তার কটেজের গেটে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল—মুখে পাইপ। তার মনে অনেক চিন্তা। এইভাবেই বাকি জীবনটা কাটবে? নাকি যেটুকু টাকা এখনও হাতে আছে তা দিয়ে নতুন কিছু শুরু করবে? একদিকে সর্বস্বান্ত হয়ে যাবার ভয়, অন্য দিকে এখনও অবশিষ্ট নিজের যুবকসুলভ শক্তি-সামর্থ্য সম্বল করে ভাগ্যের চাকার ঘোরানোর আশা। পনেরো বছর আগে ঘর ছেড়ে যাওয়া নিজের ছেলেটা আজ সঙ্গে থাকলে কাজে লাগত। এইসব সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে র‌্যান্টার দেখল অস্তগামী সূর্যের আলোয় সাদাম্পটনের দিক থেকে লম্বা ধূসর ওভারকোট পরা একটা লোক এদিকেই আসছে।

    লোকজন তো মাঝে মাঝেই বাড়ির সামনে দিয়ে যাতাযাত করে, কিন্তু এই লোকটির দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ আকৃষ্ট হল র‌্যান্টারের। লম্বা, অ্যাথলিটের মতো শরীর, হলদেটে গোঁফজোড়া আর রোদে পোড়া তামাটে রঙের এক যুবক। ওর অদ্ভুত ধরনের টুপি আর ধূসর রঙের কোটটাও নজরে পড়ে। যুবকের পিঠে চামড়ার ফিতে দিয়ে ঝোলানো একটা বড় কালো ব্যাগ।

    যুবক র‌্যান্টারের বাড়ির গেটের কাছে এসে হাঁটার গতি কমাল এবং একটু ইতস্তত করে র‌্যান্টারকে জিগ্যেস করল—আচ্ছা, পোর্টসমাউথ সকালে পৌঁছোতে গেলে কি সারারাত হাঁটতে হবে? যুবকের কণ্ঠস্বর একটু ধাতব।

    র‌্যান্টার যুবকের বলার ভঙ্গি ও কণ্ঠস্বর নকল করে বলল, তাই তো মনে হয়। এই তো যাত্রার শুরু।

    —তাহলে তো সব গন্ডগোল হয়ে গেল। এর থেকে তো সাদাম্পটনের সরাইখানায় একটা রাত থেকে গেলেই হতো!

    —সরাইখানায় থাকলে না কেন?

    চোখ টিপে বলল আগন্তুক—সরাইখানার মালিক আর চোরের মধ্যে বিশেষ কিছু পার্থক্য নেই। আমার সঙ্গের জিনিসগুলো রক্ষা করার জন্য সরাইখানায় না থাকলেই ভালো।

    —ও! তাহলে তোমার কাছে মূল্যবান কিছু আছে? র‌্যান্টার আড়চোখে যুবকটির বড় ব্যাগটার দিকে তাকিয়ে নিজের কাঠখোট্টা ভাবটাকে যতটা সম্ভব নরম করে জিগ্যেস করল।

    যুবকটি গলা নামিয়ে বলল, দেখুন, আমি আমেরিকায় নেভাডা ও ক্যালিফোর্নিয়ায় সোনার খনিতে কাজ করতে গেছলাম। প্রাপ্তিযোগ মন্দ হয়নি। তারপর স্যানফ্রান্সিসকো থেকে জাহাজে করে আজই সাদাম্পটনে পৌঁছেছি। কাস্টমস-এর লোকেরা খুব দেরি করিয়ে দিল। পোর্টমাউথে আমার পরিচিতজনরা আছে। কিন্তু জায়গাটা যে এত দূরে তা জানতাম না। আর এরকম একটা ব্যাগ পিঠে নিয়ে ঘুরলে লোকের তো নজরে পড়বেই।

    —তোমার চেনা লোকজন কি পোর্টসমাউথে তোমার জন্যে অপেক্ষা করছে?

    —আরে, সেটাই তো মজা! আমি কাউকে জানাইনি যে দেশে ফিরছি। ওরা হয়তো খাবার টেবিলে বসে, আর আমি হঠাৎ করে ঘরে ঢুকলাম আর ব্যাগ থেকে সব কিছু বের করে টেবিলের ওপর রেখে দিলাম! কেমন সারপ্রাইজ হবে বলুন তো? ব্যাগটা মাটিতে নামিয়ে হাসতে হাসতে বলল যুবকটি।

    —সব কিছু?

    —হ্যাঁ, মানে ডলার।

    —তোমার সব কিছু বলতে পুরোটাই সোনায় না ডলারে?

    —না স্যার, তা নয়। বেশির ভাগটাই ডলারে ও শেয়ারে এবং সেগুলো আলদাভাবে ভালো করে প্যাক করা আছে। খালি আটশো ডলার হাতের কাছে রাখা ওই মজাটুকু করার জন্যে। কিন্তু আজ তো আর তা করা যাবে না। দেখি কোনও সরাইখানা পাই কিনা!

    এবার কিছুটা ব্যাকুলভাবে র‌্যান্টার বলল, না, না, সরাইখানায় যেয়ো না। এই অঞ্চলের সরাইখানাগুলোয় খুব বাজে লোকের আড্ডা। বহু নাবিক সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেছে পকেট গড়ের মাঠ। তুমি বরং কোনও ভদ্র বাড়িতে অনুরোধ করে রাতটুকু সেখানে কাটিয়ে দাও।

    —দেখুন, আমি তো এ অঞ্চলের কিছুই চিনি না। আপনি যদি একটা থাকার জায়গার সন্ধান দেন, তাহলে খুব ভালো হয়।

    —অবশ্য আমার বাড়িতেই একজন রাখার মতো ব্যবস্থা আছে। তুমি রাতটা এখানে কাটালে আমরা খুশিই হব। আমাদের অতি সাধারণ ছোট পরিবার; আমি ও আমার স্ত্রী। তবে বাড়িতে আগুন পোহানোর ও গরম খাবারের ব্যবস্থা আছে।

    —বেশ, তাহলে তো সমস্যা মিটেই গেল। এই বলে যুবকটি নুড়ি-বাঁধানো পথটুকু দিয়ে এগিয়ে এল। রাতের ছায়া তখন নেমে আসছিল। দূরে কোথা থেকে একটা প্যাঁচার আওয়াজ শোনা গেল।

    মিসেস র‌্যান্টারের তিরিশ বছর আগেকার চেহারার সঙ্গে আজকের চেহারার কোনও মিল নেই। তার চুল গেছে পেকে, ম্লান মুখে বিষণ্ণতার ছাপ। চলাফেরায় ভীতসন্ত্রস্ত ভাব। যুবকটিকে কষ্টকৃতভাবে অভ্যর্থনা জানাল মহিলা। শুয়োরের মাংসের একটা বড় অংশ ঝুলছিল রান্নাঘরের চালের বরগা থেকে। তার থেকে খানিকটা কেটে নিয়ে পাতলা পাতলা টুকরো করে রান্না শুরু করে দিল মিসেস র‌্যান্টার। যুবক চেয়ারের নীচে পিঠের ব্যাগটা রেখে তারপর চেয়ারে বসল।

    ও পাইপ ধরাতে র‌্যান্টারও পাইপে তামাক ভরতে ভরতে মোটা ভ্রু-র নীচের থেকে আড়চোখে ওকে দেখতে থাকল।

    —তুমি বরং কোটটা খুলেই ফ্যালো। বলল র‌্যান্টার।

    —কিছু মনে করবেন না। ওটা আমি পরেই থাকব। এই কোটটা আমি কখনওই খুলি না।

    —ঠিক আছে। আমি ভাবছিলাম কোট গায়ে তোমার গরম লাগবে।

    যুবক কোনও উত্তর দিল না। দুজনেই চুপচাপ রান্নার দিকে তাকিয়ে রইল। পাত্রের ওপর মাংস রান্নার ছ্যাঁকছোঁক আওয়াজ।

    অনেকক্ষণ পরে র‌্যান্টার জিগ্যেস করল, তুমি কোন জাহাজে এলে?

    —তিন-মাস্তুলের একটা জাহাজ। নাম ‘মারি রোজ’। চামড়া আর কী সব মাল আসছিল জাহাজটায়। ম্যাডাম, আমি কি আপনার যাতায়াতের রাস্তা আটকাচ্ছি?

    —না, না। বলে উঠল মিসেস র‌্যান্টার। যুবক মহিলাকে তীক্ষ্ন দৃষ্টিতে দেখছিল।

    যুবক বলল, জাহাজের ক্যাপ্টেন আর কর্মচারীরা হয়তো ভাবছে আমার কী হল। ওদের কোনও কথা না বলেই আমি জাহাজ ছেড়ে এসেছি। অবশ্য আমার বাকি মালপত্তর জাহাজেই রাখা আছে। ওরা বুঝতে পারবে, আমি চিরতরে চলে আসিনি।

    র‌্যান্টার প্রায় আলতোভাবে একটা প্রশ্ন ছুড়ে দিল, জাহাজ ছাড়ার পর কারও সঙ্গে কি কথা বলেছিলে তুমি?

    —না।

    —রান্না তৈরি। চলো, খাওয়া যাক। এই জগে আর ওই বোতলে পানীয় আছে—যেটা ইচ্ছে নিয়ে নাও।

    টেবিলে বসে তিনজনে জমিয়ে খেতে লাগল। যুবকের হাসিখুশি মুখের জন্যে আর মজার মজার কথায় মিসেস র‌্যান্টারও তার বিষণ্ণভাব যেন অনেকটা কাটিয়ে উঠল। একটু-আধটু কথাও বলতে লাগল। পাড়ার পিয়োন কুটিরের জানালা দিয়ে ভেতরে ঝলমলে আলো দেখে আর হাসির আওয়াজ শুনে বেশ অবাক হল।

    একটু নজর করলেই যে কেউ বুঝতে পারত যে, জন র‌্যান্টার যুবকের পরনের ওভারকোটটির ব্যাপারে একটু বেশি মাত্রায় কৌতূহলী। ও শুধু বারবার আড়চোখে যে কোটটা দেখছিল তা-ই নয়, দুবার কোনও ছুতোয় চেয়ার থেকে উঠে যুবকটির কাছে গিয়ে, যেন হঠাৎ হাত লেগে গেছে এমন ভাব করে, বুকের পাশে কোটের ওপর হাত বুলিয়ে নিল। অবশ্য ব্যাপারটা যুবকটির বা মিসেস র‌্যান্টারের নজরে পড়ল না।

    খাওয়ার পর র‌্যান্টার ও যুবকটি চেয়ার দুটো আগুনের কাছে টেনে নিয়ে বসল। মহিলা বাসনগুলো ধুচ্ছিল। যুবক গল্প করছিল তার ক্যালিফোর্নিয়ায় কাটানো দিনগুলি নিয়ে—কেমন করে সে ধনরত্ন পেয়েছে, ওখানে খনিতে এখনও আরও কত সোনাদানা রয়ে গেছে ইত্যাদি। এসব শুনে র‌্যান্টারের চোখ দুটো চকচক করে উঠল।

    —ওখানে যেতে কীরকম খরচা পড়বে? র‌্যান্টারের প্রশ্ন।

    —একশো পাউন্ডের মতো নিয়ে বেরিয়ে পড়লেই হবে।

    —তেমন বেশি কিছু নয় তো!

    —তা-ই তো বলছি। বুঝিই না লোকে কেন ইংল্যান্ডে পড়ে থাকে, যখন ওখানে গেলে অনেক টাকা কামানো যায়। আচ্ছা স্যার, এবার আমায় অনুমতি দিন। আমি আবার তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ি আর খুব ভোরে উঠি। ম্যাডাম যদি দয়া করে আমাকে শোওয়ার ঘরটা দেখিয়ে দেন—

    —আর একটু পানীয় চলবে না? না! ঠিক আছে, তাহলে শুভরাত্রি। লিজি, তুমি মি…মি…

    —মিঃ গুডল, বলল যুবকটি।

    —লিজি, তুমি মিঃ গুডলকে ঘরটা দেখিয়ে দাও তো! আশা করি তোমার ঘুম ভালো হবে।

    —আমার ঘুম সবসময়ই ভালো হয়। যুবক এবার মাথা নেড়ে ব্যাগ হাতে ধপধপ করে পা ফেলে আলো হাতে মিসেস র‌্যান্টারের পেছনে পেছনে কাঠের সিঁড়ি দিয়ে ওপরে গেল।

    যুবকটি ওপরে যেতেই র‌্যান্টার প্যান্টের দু-পকেটে হাত ঢুকিয়ে পা ছড়িয়ে ভ্রু কুঁচকে ঠোঁট সরু করে গম্ভীরভাবে আগুনের দিকে তাকিয়ে রইল। ওর মাথায় চিন্তার জট। বুঝতেও পারল না ওর স্ত্রী কখন নীচে নেমে এসেছে। স্ত্রী কিছু বলছিল, শুনতেও পেল না। রাত সাড়ে দশটায় ছেলেটি ওপরে শুতে চলে গেছে, অথচ রাত বারোটার সময়েও র‌্যান্টার ধিকিধিকি জ্বলতে থাকা আগুনের দিকে তাকিয়ে বসে—মুখে একই রকম চিন্তার ছাপ। অবশেষে মিসেস র‌্যান্টার যখন শুতে যাবার কথা বলল, তখন র‌্যান্টারের সম্বিৎ ফিরল।

    —না লিজি, আমরা দুজনেই আরও কিছুক্ষণ জেগে থাকব। র‌্যান্টারের গলার স্বরে লিজিকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা।

    হেসেই উত্তর দিল মহিলা, ঠিক আছে, জন।

    —ছেলেটি ওপরেই শুয়ে আছে তো?

    —কে? ও! মিঃ গুডল। হ্যাঁ। আমি তো ওকে আমাদের বাড়তি ঘরটাতে পৌঁছে দিয়ে এলাম।

    —কী মনে হয়? ও ঘুমোচ্ছে?

    —মনে তো হয় ঘুমোচ্ছে। দেড় ঘণ্টা হল শুতে গেছে।

    —দরজায় কি চাবি আছে?

    —না। তুমি আজ হাবিজাবি কী সব প্রশ্ন করছ?

    খানিকক্ষণ চুপ থাকার পর আগুন খোঁচানোর লোহার শিকটা হাতে নিয়ে নাড়তে নাড়তে একটু সন্ত্রস্ত স্বরে র‌্যান্টার বলল, লিজি, পৃথিবীতে কেউ জানে না যে ওই ছেলেটা আজ রাতে আমাদের বাড়িতে এসেছে। ও যদি এ বাড়ি ছেড়ে না যায়, তাহলেও কেউ জানবে না ওর কী হয়েছে, এমনকী ওকে খোঁজার চেষ্টাও করবে না।

    লিজি নিরুত্তর, কিন্তু ঠোঁট সমেত ওর মুখ ফ্যাকাশে, রক্তশূন্য।

    —ওর ব্যাগে, জানো লিজি, আটশো ডলার আছে। আমাদের হিসেবে প্রায় দেড়শো পাউন্ড। তা ছাড়া, ওর কোটের লাইনিং-এর মধ্যে সেলাই করে রাখা আছে টুকরো টুকরো সোনা। তাই ও কোটটা কিছুতেই খুলছিল না। আমি হাত বুলিয়ে দেখেছি কোটের ওপরটা ফোলা ফোলা গাঁটের মতো। এসব পেলে আমরাও ওর মতো সেই দেশে চলে যেতে পারব—

    মিসেস র‌্যান্টার স্বামীর পায়ের কাছে বসে ওর হাঁটু দুটো ধরে আর্ত স্বরে বলে উঠল, ভগবানের দোহাই! আমার কথা ভেবে, ওই ছেলেটির বয়সি আমাদের গৃহত্যাগী সন্তানের কথা মনে করে, তুমি এসব কথা চিন্তাও কোরো না। আমরা গরিব-বড়লোক যা-ই হই, আমাদের বয়স হয়েছে আগামী কয়েক বছরেই আমরা এ জগতের মায়া কাটাব। হাতে রক্তের চিহ্ন নিয়ে এ জগৎ থেকে যেয়ো না। ওই ছেলেটাকে ছেড়ে দাও।

    র‌্যান্টার কিন্তু একদৃষ্টে আগুনের দিকে তাকিয়ে। ওর গম্ভীর ভাবলেশহীন মুখে এক মুহূর্তের জন্যেও কোনও শিথিলতা দেখা গেল না। ওর চোখে যেন শিকারি জানোয়ারের বীভৎস, হিংস্র দৃষ্টি।

    র‌্যান্টার বলল, দ্যাখো, এমন সুযোগ জীবনে হয়তো আর কখনও আসবে না। এরকম সুযোগ পেলে অনেকেই বর্তে যেত। ব্যাপারটা আর কিছুই নয়—হয় আমার জীবন, নয় ওর। তোমার মনে আছে, আমার যখন মৃগীরোগ ধরা পড়েছিল, ডাক্তার বলেছিল যে আমাদের জীবনে আসবে অনেক দুঃখ, কষ্ট আর হতাশা। আমার হতভাগ্য জীবন ওইসবেই ভরা। কিছু টাকা পেয়ে জীবনটা যদি আবার নতুনভাবে শুরু করি, তাহলে হয়তো সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে। আমি কিন্তু এই কাজটা করবই!—বলে লোহার শিকটাকে নিজের বড় বড় হাতে শক্ত করে ধরল র‌্যান্টার।

    —না, এ কাজ তুমি কখনওই করতে পারো না। এ অনুচিত, এ অন্যায়!

    র‌্যান্টার স্ত্রীকে প্রায় ধাক্কা দিয়ে হাঁটু দুটো ছাড়িয়ে দেখল যে সে অচেতন হয়ে পড়েছে। উঠে দাঁড়িয়ে র‌্যান্টার শিকটা নেড়েচেড়ে দেখল যে ওটা বড্ড হালকা। তখন রান্নাঘরের পাশে বাসন-মাজার ঘর থেকে ও বের করল একটা ছোট কুড়ুল। কুড়ুলটা দোলাতে দোলাতে ওর চোখ পড়ল মাংস কাটার ছুরিটা, যেটা লিজি একটু আগেই রান্নার সময় ব্যবহার করেছিল। ছুরিটায় হাত বুলিয়ে ও দেখল ওটা ক্ষুরের মতো ধারালো। বিড়বিড় করে আপন মনে ও বলল, এটাই ভালো কাজ দেবে। তারপর এক গ্লাস হুইস্কি ঢকঢক করে খেয়ে জুতোজোড়া খুলে নিঃশব্দে সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠতে লাগল র‌্যান্টার।

    সব সমেত কুড়ি ধাপ সিঁড়ি। প্রায় আধ ঘণ্টা লাগল বারো ধাপ সিঁড়ি পেরোতে। পুরোনো বাড়ি, সিঁড়ির কাঠ পচা—তাই ওর ভারী শরীরের পদভারে ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ হচ্ছিল। নিশ্বাস রুদ্ধ করে এক পা-এক পা করে উঠছিল র‌্যান্টার। আর কোনও শব্দ নেই কোথাও—কেবল একতলার ঘড়িটার টিকটিক আওয়াজ আর দূর থেকে ভেসে আসা একটা প্যাঁচার চিৎকারের শব্দ। সেই ভূতুড়ে আলো-ছায়ায় মনে হচ্ছিল একটা ছায়ামূর্তি যেন সিঁড়ি দিয়ে উঠছে, চলছে, থামছে, গুঁড়ি মেরে এগোচ্ছে, আর অনিবার্যভাবে এগিয়ে চলেছে দোতলার দিকে।

    বারো ধাপ সিঁড়ি ভেঙে ল্যান্ডিং-এ পৌঁছে র‌্যান্টার দেখল, ছেলেটার ঘরের দরজা আধখোলা। ফাঁক দিয়ে সোনালি আলোর ইশারা। তার মানে ঘরে আলো জ্বলছে। ছেলেটা কি এখনও জেগে আছে? কিন্তু ঘর থেকে কোনওরকম নড়াচাড়ার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না তো! ছেলেটা জেগে থাকলে এতক্ষণে পাশ ফেরার কিংবা বিছানার চাদর বা কম্বল ইত্যাদির নড়াচাড়ার আওয়াজ শোনা যেত। কান পেতে বিস্মিত র‌্যান্টার অনেকক্ষণ ধরে শোনার চেষ্টা করল। কিন্তু নাহ, চারদিক নিস্তব্ধ।

    তারপর ও ধীরে ধীরে নিঃশব্দে বাকি আট ধাপ সিঁড়ি ভেঙে ছেলেটির ঘরের বাইরে দাঁড়াল। হয়তো ছেলেটার আলো জ্বালিয়ে ঘুমোনোর অভ্যাস। ও তো বলেছিল, ওর ঘুম খুব গভীর। কিছুটা আশঙ্কিত হয়ে র‌্যান্টার ভাবল, কাজটা তাড়াতাড়ি শেষ করে ফেলাই ভালো, না হলে লিজি হঠাৎ জ্ঞান ফিরে পেয়ে চেঁচামেচি শুরু করতে পারে। ছুরিটাকে ডান হাতে নিয়ে বাঁ হাত দিয়ে দরজাটা আর একটু ফাঁক করে মাথাটা ভেতরে ঢোকাল ও। সঙ্গে সঙ্গে ওর কপালের ওপর ঠান্ডা, ধাতব একটা বস্তুর স্পর্শ অনুভব করল ও। একটা রিভলভারের নল।

    শান্ত স্বরে অতিথি বলে উঠল, জন র‌্যান্টার, আসুন। কিন্তু প্রথমে আপনার অস্ত্রটা ফেলে দিন, না হলে আমি গুলি চালাতে বাধ্য হব। আপনার জীবন কিন্তু আমার হাতে।

    র‌্যান্টার দরজার ফাঁকে গলাটা ঢুকিয়ে না পারছিল ঘরে ঢুকতে, না পারছিল বেরিয়ে যেতে, সুতরাং রাগে-হতাশায় ও বিড়বিড় করে কিছু বলল আর ছুরিটা সশব্দে মেঝের ওপর পড়ে গেল। ঘরে ঢুকতে ঢুকতে গোমড়া মুখে ও বলল, আমি কিন্তু তোমার কোনও ক্ষতি করতে চাইনি।

    ডান হাতে উদ্যত রিভলভার ধরে ধূসর কোট পরা যুবক বলল, আমি প্রায় দু-ঘণ্টা ধরে আপনার আসার প্রতীক্ষায় ছিলাম।

    ওপরে ওঠার সময় যে পোশাক পরে ছিল যুবকটি, এখনও ও ঠিক সেই পোশাকেই। নিভাঁজ বিছানার ওপর ওর ব্যাগটা রাখা।

    ও বলল, আমি জানতাম আপনি আসবেন।

    —কী-কী, কেমন করে?

    —কারণ আমি আপনাকে চিনি, কারণ বাড়ির গেটে আপনি যখন দাঁড়িয়ে ছিলেন, আমি আপনার চোখে খুনের ইঙ্গিত দেখেছিলাম। কারণ আপনি আমার কোটের ওপর হাত বুলিয়ে ভেতরে সোনার টুকরো আছে কি না, তা দেখেছিলেন। তাই আমি আপনার অপেক্ষায় ছিলাম।

    —তোমার কাছে আমার বিরুদ্ধে কী প্রমাণ আছে?

    —প্রমাণের দরকার নেই। আপনাকে আমি এক্ষুনি গুলি করতে পারি এবং আইন আমাকেই সমর্থন করবে। বিছানার ওপর রাখা ওই ব্যাগটা দেখুন। বলেছিলাম ওতে টাকা আছে। ইংল্যান্ডে এই টাকা নিয়ে আসার কারণ কী মনে হয় আপনার? আপনাকে ওটা দেব বলে, হ্যাঁ—আপনারই জন্যে। আর আমার এই ধূসর কোটটা? এটার দাম পাঁচশো পাউন্ডের মতো। এটাও আপনার জন্যে। এই তো! এতক্ষণে বুঝতে পারছেন মনে হয়। বুঝতে পারছেন কী ভুলটাই করেছেন?

    টলতে টলতে দেয়ালের কাছে গিয়ে দাঁড়াল র‌্যান্টার। মুখটা একদিকে বেঁকে গেছে। হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, জ্যাক জ্যাক!

    —হ্যাঁ, আমি জ্যাক র‌্যান্টার, তোমার ছেলে, ঠিক তা-ই। বলে যুবক জামার আস্তিন একটু গুটিয়ে বাহুতে একটা নীল রঙের উল্কি দেখাল।

    —মানে আছে, আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন আমার হাতে এই ‘J.R.’ কথাটা এঁকে দেওয়া হয়েছিল? এখন তো আমায় চিনতে পারছ? আমি টাকাপয়সা রোজগার করে তোমাদের কাছেই ফিরে আসছিলাম। আশা ছিল, তোমরা আমাকে এই টাকা ঠিকভাবে খরচ করতে পরামর্শ দেবে। কাছেই একটা সরাইখানার থেকে জেনে নিয়েছিলাম তোমাদের ঠিকানা। তারপর তোমাকে বাড়ির গেটে দেখতে পেয়ে ঠিক করলাম, তোমার আর মা-র পরীক্ষা নেব। দেখব তোমরা আগের মতোই আছ কিনা। আমি তোমাদের জন্যে সুখ এনেছিলাম, কিন্তু তোমরা আমাকে খুন করতে চেয়েছিলে। আমি তোমাদের শাস্তি দেবো না, তবে আমি চিরতরে চলে যাব। আমাকে বা আমার টাকাকে তোমরা আর কখনও দেখতে পাবে না।

    জ্যাক যখন এই কথাগুলি বলছিল, তখন জন র‌্যান্টারের মুখটা বেঁকে, কুঁচকে যাচ্ছিল। ছেলের শেষ কথা শুনে ও মাথার ওপর দু-হাত তুলে এক পা এগিয়ে এল, কিন্তু গলায় একটা ঘড়ঘড়ে আওয়াজ করে ও মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। ওর চোখ দুটো অস্বাভাবিক উজ্জ্বল, নিশ্বাসে কেমন যেন নাক-ডাকার আওয়াজ আর ঠোঁটের দুপাশে ফেনা। ও যে মরতে চলেছে তা বোঝার জন্যে ডাক্তারি জ্ঞান লাগে না। জ্যাক ঝুঁকে পড়ে বাবার জামা ও কলারটা ঢিলে করে দিল।

    তারপর ও ব্যগ্রভাবে বাবাকে জিগ্যেস করল, আচ্ছা, মা-ও কি এই ব্যাপারে তোমার সঙ্গে যোগ দিয়েছিল?

    জন র‌্যান্টার এই প্রশ্নের অর্থ বোধহয় বুঝতে পারল, কারণ উত্তরে ও মাথা নাড়ল। এই একটি সৎকাজ করার সঙ্গে সঙ্গে যেন অপরাধের ইহলোক থেকে ওর অভিশপ্ত আত্মা মুক্তি পেল। ডাক্তারের সাবধানবাণী ফলে গেল—মানসিক আবেগের আঘাতে মৃগীরোগের অন্তিম কামড়। জ্যাক বাবার দেহটি সশ্রদ্ধভাবে বিছানার ওপর শুইয়ে দিল এবং এই পরিস্থিতিতে যেটুকু পারলৌকিক ক্রিয়া করা সম্ভব তা করল।

    যা হয়েছে তা-ই হয়তো শ্রেয়—আপন মনে এই কথা বলে জ্যাক নীচে মায়ের খোঁজে গেল, এই শোকে তাঁকে সান্ত্বনা দিতে।

    জ্যাক র‌্যান্টার আমেরিকায় ফিরে গেল। কর্মক্ষমতা ও ব্যবসাবুদ্ধি মিলিয়ে ও ওই অঞ্চলের অতি ধনবান লোক হিসেবে পরিচিতি পেল। ও আর কখনও দেশে ফিরবে না। ওর প্রাসাদোপম বাড়িতে এক বৃদ্ধা মহিলা থাকেন—মাথার চুল সাদা এবং তিনি উদবিগ্ন স্বভাবের। এই বাড়িতে তাঁর প্রতিটি ইচ্ছার মূল্য দেওয়া হয়। বাড়ির সব লোকজন তাঁর প্রতি সশ্রদ্ধ ব্যবহার করে। বলা বাহুল্য, ইনিই মিসেস র‌্যান্টার। তাঁর ছেলের আশা—সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এবং নতুন পরিচিতদের সংস্পর্শে এসে তিনি হয়তো একদিন সেই ভয়ংকর রাতের কথা ভুলে যাবেন, যে রাতে ধূসর কোট পরা এক অতিথি তাঁদের নির্জন কুটিরে এসেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া – ১
    Next Article আগামী রাত্রির উপাখ্যান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }