Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ন হন্যতে – মৈত্রেয়ী দেবী

    মৈত্রেয়ী দেবী এক পাতা গল্প382 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.২ বিদেশে যাবার কথা আমি ভাবি

    যাবার কথা আমি ভাবি, দিনের বেলা আমি নানা চেষ্টা করি, সোজা তো নয় আজকাল বিদেশে যাওয়া। কিন্তু রাত্রে আমার ভয় করে। মনে হয় কোথায় যাব একলা? রাস্তার মাঝখানে যদি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাই, যদি স্ট্রোক হয়। পার্বতীর স্বামীও তাই বলেছেন, “সে ভদ্রলোকের যেরকম বর্ণনা শুনছি, তিনি যে কি রকম ব্যবহার করবেন তাও তো জানা নেই, তোমরা যে অমৃতাকে একলা ছেড়ে দিচ্ছ, অসুস্থ হলে কি হবে?” সবাই ভাবছে, আমিও। কেবল আমার স্বামী আমাকে আশ্বাস দিচ্ছেন, “কিছু হবে না, কোনো ভয় নেই, কেউ তোমাকে কষ্ট দেবে না অসুস্থ হবে না। সব ব্যবস্থা হবে তুমি নির্বিঘ্নে ঘুরে আসবে। আমার অসুখ সম্বন্ধে আমার স্বামী সর্বদা চিন্তিত কিন্তু এখন ওঁর চিন্তা নেই। আমি অবাক হয়ে গেছি, আমি যদি ‘দশ পা পিছাই উনি ‘বিশ পা এগিয়ে দেন। আর এটা এত অবলীলাক্রমে করছেন যে আমরা সকলেই বিস্মিত। “যাবে, তুমি যাবে, সেখানে গিয়ে তোমার এই fairy tale-টা শেষ করে আসবে।”

    সেদিন Air India-র আপিসে বসে আছি, আমাদের সাহায্য করছেন যে ব্যক্তি তার নাম পুরোহিত। এয়ার ইণ্ডিয়ার আপিসে বসে আমার ভয় করছে। এত অজ্ঞাত দেশে কি করে যাব? এর আগে যখন বিদেশে গিয়েছি হয় কোনো দলের সঙ্গে, নয় নিমন্ত্রিত হয়ে। বিদেশে তারাই আমার সব ভার নিয়েছে, তা না হলে একলা কি যেতে পারি? নিমন্ত্রণের অপেক্ষা করছি, যদি নিমন্ত্রণ আসে তবেই যাওয়া হবে—নৈলে একা একা শুধু ওকে দেখতে যাওয়া অসম্ভব। আমি বললাম, “আজকে টিকিট করা থাক।”

    আমার স্বামী বললেন, “কেন? টিকিট করা হোক না, নিমন্ত্রণ আসবে, ঠিক আসবে দেখো।”

    “না, না, আজ থাক, আমার ভয় করছে।”

    “তোমার ভয় করছে কেন, আমারই তো ভয় করবার কথা!”

    “তোমার আবার ভয় করবে কেন?”

    “করবে না?” উনি খুব হাসছেন, “তুমি পুরোহিতের সাহায্য নিচ্ছ।”

    অনেক দিন পরে খুব হাসছি, মন হাল্কা হয়ে গেছে, স্বচ্ছ, উদার, শুভ্র হাস্যধারা এই নিরভিমান ব্যক্তিটি উৎসারিত করতে পারেন।

    নিমন্ত্রণ আসবে কি আসবে না, এই নিয়ে সংশয়ে আছি। আমি যাদের সঙ্গে নানা রকম কাজে এদেশে যুক্ত আছি তারাই আমার নিমন্ত্রণ করবে। তবে যদি সম্মেলন হয় তবেই করবে, তা না হলে সামনের বছর আমায় নিয়ে যাবে ঠিকই। তারা তো জানে না আমার তাড়াটা কি। সম্মেলন কবে হবে কে জানে। সেরগেই আসার পর ছ’মাসের উপর হয়ে গেল, কম দিন নয়। এই ছয় মাস আমি কোনো রাত্রে এক ঘণ্টার বেশি ঘুমোই নি, কিন্তু তাতে আমার শরীর খারাপ হচ্ছে না, বা দিনেও ঘুম পাচ্ছে না।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা গল্প
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী
    বিনামূল্যে বই
    PDF
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    ই-বই ডাউনলোড

     

    সেদিন একজন অধ্যাপক দেখা করতে এসেছেন, তিনি একটা বড় কাজের ভার নিয়েছেন। নানা কথার মধ্যে হঠাৎ বললেন, “আমার এক জ্যোতিষী আছেন তার কথাতেই আমি এই কাজের ভার নিয়েছি।”

    আমি বিস্মিত, অনেক জ্যোতিষী দেখেছি আমি, ঠিকমত কাউকে কিছু বলতে শুনি নি, সবাই আন্দাজে ঢিল ছোড়ে। আর তারপরই, স্বস্ত্যয়ন কর—যেন এখানে দুটো ফুল ফেলে বিশ্বের অমোঘ নিয়মকে বদলে দেবে।

    আমি বললাম, “আপনি এসব বুজরুকিতে বিশ্বাস করেন?”

    “বুজরুক অনেক আছে, সবাই নয়।”

    “আমাকে একবার নিয়ে যাবেন?” হাসি পাচ্ছে আমার, মানুষ যখন দুর্বল হয়ে যায় তখন তার মেরুদণ্ডও বেঁকে যায়। আমার তাই হয়েছে। এখন অলৌকিকে নির্ভর করতে হচ্ছে। এসব ভাবছি, আরো ভাবছি দেখাই যাক না। ক্ষতি তো কিছু নেই। অধ্যাপকের সঙ্গে জ্যোতিষীর বাড়ি গেলাম। তিনি আমায় পৌঁছে দিয়ে চলে গেলেন। জ্যোতিষী নিবিষ্ট মনে আমার রাশিচক্র দেখছেন। আমি ভাবছি কার সাধ্য আছে, আমার কি হচ্ছে তা বলতে পারে? আমার বয়সই আমার বর্ম।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন বুক
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ভাষার বই
    বাংলা গল্প

     

    জ্যোতিষী বললেন, “আপনি কি জানতে চান?”

    “আমার ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে কিছু বলুন—অতীত শুনতে চাই না—অবশ্য জীবনের আর বেশি বাকি নেই, তাই ভবিষ্যৎও নেই।”

    “তা নয়, আপনি অনেক দিন বাচবেন। আর খুব শীঘ্র, আমি তারিখ বলছি, লিখে দিচ্ছি, ১১ই এপ্রিলের মধ্যে আপনি সমুদ্র পার হবেন—বিদেশ যাবেন।”

    “কি করে যাব, আমার কাছে তো টাকা নেই?”

    “চেষ্টা করুন, নিমন্ত্রণ আসবে, টাকা আসবে।”

    “আমি স্তম্ভিত হয়ে গেছি, একে আমার পরিচয়টাও দিই নি, এত কথা বলে কি করে? “তারপর? বিদেশে গিয়ে আমার লাভ কি হবে?”

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বইয়ের
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা গল্প
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    পিডিএফ
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    “সেখানে গিয়ে একজনের সঙ্গে আপনার দেখা হবে, সারাজীবন আপনি যার সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন।”

    আমি যথাশক্তি নির্বিকার থাকতে চেষ্টা করছি—গম্ভীরভাবে বললাম-“সে লোকটি কি রকম?”

    “ম্লেচ্ছ।” চমকে উঠেছি আমি, সাবধানে কথা বলছি।

    “ম্লেচ্ছর সঙ্গে সাক্ষাৎকারের বিশেষত্বটা কি?”

    ভদ্রলোক এবারে একটি ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করলেন, “রোমান্টিক”।

    “হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ” —আমি হাসছি—“জ্যোতিষীমশায়, আপনি কাকে কি বলছেন? আমার চুলের দিকে দেখুন, বরফ পড়েছে সেখানে।”

    আমার হাস্যোচ্ছাসে তিনি বিরক্ত, “আমি কারু চুল, দাঁত বা নখ দেখি না, আমি তার গ্রহনক্ষত্রের দিকে দেখি।”

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বই
    বুক শেল্ফ
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্য

    এবার আর সন্দেহ নেই—‘অনাদিকালের এই আছিল মন্ত্রণা’ তেতাল্লিশ বছর পরে মির্চা ইউক্লিডের সঙ্গে অমৃতার দেখা হবে। এ গভীর রহস্যের অর্থ বোঝার সাধ্য কি আমার, সামান্য আমার?

    “জ্যোতিষীমশায়, আপনি তো এক ভয়ানক কথা বলছেন”, হালকা সুরে কথা বলছি আমি, “যদি এমন ঘটনা ঘটেই তাহলে অপমান হবে না আমার। নিন্দা হবে না?”

    “না, না, নিন্দা হতে যাবে কেন?”

    “কেন নয়? এ বয়সে রোমান্টিক দেখা হওয়া ভালো?”

    “কেন নয়? কেন নয়?” ভদ্রলোক বিরক্ত, “অপমান হবে কেন? মানহানি যোগই যে নেই।”

    আমার নিমন্ত্রণ এল, টাকাও। একে একে সব জটিল গ্রন্থি খুলে যাচ্ছে, যাবার পথ সহজ হয়ে আসছে। কি আশ্চর্য—কে আমাকে হাত ধরে এই অজ্ঞাত ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাচ্ছে? সাধারণ একটি বাঙালী ঘরের মধ্যবিত্ত সংসারের মধ্যে বসে জীবন এত বদলে যেতে পারে? আমার বন্ধুরা বলছে এই জীবনোপন্যাসটা লিখতে। মির্চা যা লিখেছে সেই অসমাপ্ত কাহিনী সমাপ্ত করা উচিত। জীবনে যখন সমাপ্ত করতে চলেছি সেই উনিশ শ’ ত্রিশ সালের আরম্ভকে, সাহিত্যেই বা হবে না কেন? এই তো এসেছে সেই ‘last of life for which the first was made

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    অনলাইন বুক
    বাংলা বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    গ্রন্থাগার
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা কমিকস

    জীবনী লেখার কথা হলেই আমি রবীন্দ্রনাথের কথাই ভাবি।

    বার্ধক্যে বাল্যকালের কথা স্পষ্ট করে মনে পড়ে। তাকেও দেখতাম সর্বদা অল্পবয়সের গল্প করতেন। সেই থেকেই তো ছেলেবেলা লেখার সূত্রপাত। আমি তখন অনেকবার তাঁকে বলেছি, আপনার জীবনটা লিখুন—এখন না হোক পরে প্রকাশিত হবে। বার বার বলছি অন্তৰ্জীবনটা লিখুন। তিনি বলতেন “অন্তৰ্জীবনই তো লিখছি—আর কি শুনতে চাও, আমার রোমান্টিক লাইফ? “আমি শুধু নয়। অনেকেই শুনতে চাইবে। আপনার এই দীর্ঘজীবনে কত মানুষ আপনাকে ভালোবেসেছে, বাসবে না কেন? ভালোবাসার যোগ্য আপনি, আপনি সামনে থাকলে তো আর ও বাড়ির পঞ্চাননকে ভালোবাসা যায় না। কিন্তু সেই ভালোবাসাকে আপনি যে ভাবে মর্যাদা দিয়ে, তাকে যথাস্থানে রেখে তার মাধুর্য বিকাশ করে, তার থেকে যতটুকু গ্রহণীয় তা নিয়ে তাকে সার্থক করেন এও একটা কবিতা এবং এ কবিতা আপনার রচনার চেয়ে কম সুন্দর নয়। কম আশ্চর্য নয়। এ যদি আপনি না লেখেন—এ তো হারিয়ে যাবে।” আমি তাকে আরো বলতুম—“এর পরে আপনার জীবনের বহু অর্থবহ ঘটনা যেমন তেমন লোক তাদের নিজের মনের মাপে বুঝবে–ইতরজনের জন্য ইতরভাবে লিখবে যার নাম রিসার্চ-আপনি মানুষটি কি তা যারা কিছুই জানে না, তারাই আপনার জীবন লিখবে— এবং লিখবে তাদের খাট কলমে, ছোট মনের ছোট ছোট ছায়া ফেলে। আপনার সবচেয়ে বড় কাব্যটি হারিয়ে যাবে।”

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    ই-বই ডাউনলোড
    Books
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    Library
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

    তিনি বলতেন, “যা যাবার তা যাবেই, আমার কতটুকু রাখতে পারবে তুমি? রাখতে পারবে এই শরীর? আমার এই হাতখানা কি রাখা সম্ভব হবে? যা যাবার তা চলে গিয়ে যা থাকবার তা রইল আমার গানে কবিতায়।”

    তিনি আরো বলতেন,-যে পথ দিয়ে চলে এসেছি সে পথে আর ফেরা যায় না, সে বড় বেদনা।আজ বুঝতে পারছি সে কথার অর্থ, যখন পিছনের দিকে তাকিয়ে আমার বর্তমান বেদনার ভারে দিশাহারা।

    তবে একথাও ঠিক অতীতকে আমি ডাক দিয়ে আনি নি—সে দরজা ভেঙে আমার বর্তমানে প্রবেশ করে বর্তমানের সঙ্গে মিশে গেছে। যার কথা চল্লিশ বছর শুনি নি, এই কমাস ধরে ক্রমাগত শুনছি। আমি শুনেছি ওর স্ত্রী আছেন কিন্তু কোনো সন্তান নেই। ওরা দুটি প্রাণী এক বাড়িতে থাকে, ও দিনরাত্রি নিজের লাইব্রেরীতে বইয়ে মুখ খুঁজে পড়ে থাকে। তার জীবনে বই পড়া ও লেখা ছাড়া আর কিছু নেই। কথাটা আমায় ভয় দেখাচ্ছে, তাহলে যে মানুষকে আমি দেখতে যাচ্ছি সে একটা পুরো মানুষই নয়। যার বুকের উপর, পায়ে নূপুর, চোখে কাজল, হাতে নাড়, বালগোপাল নৃত্য করে নি সে কি করে সম্পূর্ণতা পাবে? শুনছি তার স্ত্রী খুব পাহারাদার, কেউ কেউ বলছে, আমার কোনো চিঠি সে পায় নি। কিন্তু একথা আমার বিশ্বাস হয় না। আমার চিঠিতে এমন কিছু ছিল না যে সেজন্য সেটা দেওয়া হবে না। আমাকে সে ঈর্ষা করবেই বা কেন, আমি তো অতীতের একটা স্বপ্নমাত্র। সেই যে আঠারই সেপ্টেম্বর উনিশ শ’ ত্রিশ সালের দুপুরবেলা মির্চা আমাদের বাড়ি থেকে চলে গিয়েছিল তারপর তার একটি চিঠি বা অস্তিত্বের কোনো চিহ্ন আমি পাই নি। সেই দুঃখেই তো আমার বুকের একটা পাশ জ্বলে গিয়েছে, ধিকি ধিকি জ্বলছে—অবিশ্বাসের বিষাক্ত ধোয়ায় আমার ভালোবাসার শ্বাস রুদ্ধ হয়েছে। আর আজ এতদিন পরে শুনলাম সে কারু কাছে বলেছে-“আমি তাকে একটা ছবি পাঠিয়েছিলাম স্বর্গদ্বার থেকে, আমি তো তাকে লিখতে পারতাম না, তাই খোকার মাধ্যমে পাঠাতাম—ঐ ছবিতে আমার মুখে দাড়ি দেখে সে খোকাকে বলেছিল, ‘পাশ থেকে হেঁটে ফেলে যেন।”

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    গ্রন্থাগার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ভাষা
    Library
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    অনলাইন বুক
    বাংলা অডিওবুক

    আমি ভাবছি, তাই কি? এরকম ছবি কি আমি দেখেছি? কখন দেখলাম, কোথায় দাঁড়িয়েছিলাম? আজকাল আমার কাছে উনিশ শ’ ত্রিশ সালের ঘটনাগুলো ছবির মত ভেসে উঠছে, আমি দেখতে পাই বাবা যখন বলছেন, “একমুখ দাড়ি রেখেছে”, তখন বাবা কোথায় দাঁড়িয়েছিলেন, আমি কোথায় ছিলাম। কিন্তু খোকা যখন আমায় এ ছবি দেখাল, তখন আমিই বা কোথায় ছিলাম, সে-ই বা কোথায়! এ দৃশ্য তো মনে পড়ছে না। তাছাড়া আমি ওর ওরকম ছবি দেখলে শুধু বলব—দাড়িটা পাশ থেকে হেঁটে ফেলে যেন, আর কিছু না, তাই কি হতে পারে? পারে না, পারে না, আমি নিশ্চয় কেঁদে কেঁদে বলব, “ও খোকা আমাকে একটু দেখা করিয়ে দাও ভাই।” এ সব তো কিছু মনে পড়ছে না। আমি ভাবছিই, ভাবছিই, ভাবতে ভাবতে মনে হচ্ছে ছবিটাই শুধু পাঠাল আমাকে, তাহলে চিঠিও কি পাঠিয়েছে? নিশ্চয় চিঠি লিখেছে, কারণ আমাকে ছবিটা দেখাতে লিখেছে—তাহলে সে চিঠি তো আমি দেখি নি।

    আমি এখন জানি খোকা ওর কাছে মাঝে মাঝে টাকা চাইত এবং সেই টাকা আদায়ের জন্যই সে ওর কাছে আমার উপর নির্যাতনের অদ্ভুত অদ্ভুত কাহিনী বলে ওকে বিপর্যস্ত করে ওর কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। আমি স্থির করলাম খোকার কাছে যাব। এখন আর আমার লজ্জাই বা কি, সে তো কত যুগ আগের কথা।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ইসলামিক বই
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ভাষার বই
    PDF

    একদিন সন্ধ্যাবেলা খোকার বাড়ি গিয়ে উপস্থিত হলাম। ওর দুরবস্থা কোনো দিন ঘুচল, ঘুচবে কি করে, ওর বারটি সন্তান। সবাই বড় হয়েছে অবশ্য, তবু ওদের তিন পুরুষের অক্ষয় দারিদ্র্য। বাড়ির সামনে পৌঁছে দেখি বাড়িটা অন্ধকার। কলকাতার একটা বিশিষ্ট পাড়াতেই ওরা থাকে, অনেক দিন আছে, চারদিক আলো ঝলমল, শুধু এই বাড়িটাই অন্ধকার। কিছুক্ষণ ডাকাডাকির পর খোকা বেরিয়ে এল। বহু বছর পর ওকে দেখলাম। একেবারে বৃদ্ধ হয়ে গেছে, ওর কুৎসিত চেহারা আরো কুৎসিত হয়েছে। বিরাট থ্যাবড়া নাক ও মুখের পাশে লোলচর্ম ঝুলে এসেছে, ও বললে, “কে? কে?”

    “আমি, আমাকে চিনতে পারছ না?”

    অন্ধকারে কিছুক্ষণ ঠাহর করে বললে, “ও রু! অনেক দিন পরে তোমায় দেখলাম, কি ব্যাপার?”

    “আলো নেই কেন?”

    “সে তো বোঝা শক্ত নয়, বিল দিতে পারি নি বলে কেটে দিয়েছে।” তারপর, “ভিতরে আসবে? একটা মোমবাতি নিয়ে আসি”।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    অনলাইন বুক
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বই

    মোমবাতি এনে খোকা আমায় দেখছে, “তুমি এখনও খুবই সুন্দর আছ রু। তোমার বয়সে এরকম ক’জন আছে? আজকালকার মেয়েদের যা ছিরি”

    “তাই নাকি? খুব আনন্দ পেলাম শুনে, খোকা তোমার কাছে মির্চার যে চিঠিগুলো ছিল দাও তো!”

    “মির্চার চিঠি! এতকাল পরে তাকে মনে পড়ল?”

    “আমার জীবনী লিখব, তাতে ওর কথা তো লিখতেই হয় একটু, নয় কি?”

    “যদি তোমার সাহস থাকে তাহলে নিশ্চয় লিখবে। আর জীবনীটা যদি শুধু সাধুতার বড়াই করবার জন্য লেখ তাহলে লিখবে না।”

    “আমি ভেবেছি মির্চার কথা খুব ভালো করে লিখব।”

    “খুব খুশি হলাম শুনে, সত্যি আনন্দ হচ্ছে, সবাই বলে তোমার খুব সাহস আছে। আমাদের ছেলেবেলাটা কি সুন্দর ছিল রু, কি মধুর সে দিনগুলো। আর কি চমৎকার ছেলেই ছিল মির্চা, খোকা স্মৃতি রোমন্থন করছে “অমন করে এক ঘণ্টার মধ্যে ওকে তাড়িয়ে দেওয়া, মামার কোনো বিচার ছিল না, একটা ক্ষ্যাপাটে ছোট্ট মেয়ের কথা শুনে এমন কেউ করে…” ও বকেই চলেছে।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা বই
    বইয়ের
    বাংলা কবিতা
    Library
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ভাষার বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    গ্রন্থাগার
    বিনামূল্যে বই

    “খোকা চিঠিগুলো দাও তো। আমার তো কিছু মনেই পড়ছে না। চিঠিগুলো পড়লে হয়ত অনেক কথা মনে পড়বে। কটা চিঠি বল তো?” আমি মনে মনে আন্দাজ করছি দশ মাসে ক’টা লিখতে পারে, মাসে দুটো লিখেছে হয়ত।

    “তা অনেক, কিন্তু সে সব চিঠি তো আমি ছিঁড়ে ফেলেছি!”

    “ছিঁড়ে ফেললে কেন?”

    “সাবধান হবার জন্য, কে কখন দেখে ফেলে।”

    “খোকা ওর দাড়িওলা ছবিটা কই, সেটা তো হেঁড়বার দরকার ছিল না।”

    “সেটা তো তোমায় দিয়েছি।”

    “কখনো নয়। সে ছবি আমি দেখি নি! দেখলে ভুলতাম না।”

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    অনলাইন বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বই
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

    “ইঃ রে! একটা মানুষকে সম্পূর্ণ ভুলে গিয়ে দিব্যি সংসারধর্ম করে, এখন আবার বলা হচ্ছে ভুলতাম না।”

    “খোকা দাও, ছবিটা দাও, চিঠি কিছু না কিছু আছে, দাও তো।”

    “আচ্ছা, চল্লিশ বছর আগেকার চিঠি কি আমি পকেটে করে ঘুরছি? খুঁজি, তুমি সাতদিন পরে এস।”

    সাতদিন পরে গেলাম, রাগে আমার অন্তরটা জ্বলে যাচ্ছে—এত চিঠি লিখেছিল আর আমি কিছু জানি না—সে চিঠি তো আমাকেই লেখা নিশ্চয়, এই মূখ লোকটাকে এত চিঠি লিখবে কি কারণে!

    বেশ কয়েকদিন ঘুরিয়ে তারপর খবর পাঠাল সে চিঠি পেয়েছে। সন্ধ্যাবেলা আবার গেলাম-খোকা উপর থেকে নেমে এল, স্থূল ললামশ শরীর, খালি গা, লুঙ্গি পরা.। লুঙ্গির পাশে চিঠি ক’টা গোজা। ওর ঐ উলঙ্গ ঘর্মসিক্ত শরীরের সঙ্গে চিঠিগুলো লেগে আছে দেখে আমার গা শির শির করতে লাগল।

    হাত বাড়িয়ে দিলাম—“দাও।”

    “অনেক খুঁজে এই তিনটে চিঠি পেয়েছি। আরো খুঁজবো।”

    চিঠিগুলো নিয়ে মোমবাতির আলোয় পড়তে শুরু করেছি, খোকা বলছে, “বাড়ি গিয়ে পড়ো রু—একটু গল্প করা যাক, ছোটবেলার গল্প; জানো আমি তোমাদের দুজনের ছায়া কাচের কপাটে দেখেছিলাম। তারপর মির্চাকে বললাম, এস এই চেয়ারটায় বোসো, তারপর আমি গিয়ে পঁড়ালাম, দেখেছ? ঐখানে তোমাদের ছায়া দেখেছি আমি। ও তো চমকে উঠল। খোকা বকেই চলেছে, আমি চিঠি পড়তে শুরু করেছি—অপূর্ব চিঠি—একটি ইউরোপীয় মন প্রাচীন ভারতের জাদুদণ্ডের ছোঁয়ায় বিকশিত হচ্ছে আর প্রেমের দহনে দাহ্যমান, সেই সুন্দর মনের ছবি দেখতে পাচ্ছি। চিঠিগুলি জীর্ণ হয়ে এসেছে। বোঝা গেল এ চিঠির আগেও সে লিখেছে।

    স্বর্গাশ্রম, ঋষিকেশ
    ১০ই নভেম্বর ১৯৩০
    প্রিয় খোকা,

    ব্ৰহ্মপুরী অরণ্যে অনেক দিন নির্জনে কাটিয়ে কাল রাত্রে আশ্রমে ফিরে তোমার চিঠি পেলাম। তোমার ও আমার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে না। কিছু কিছু ঘটনা তুমি জানতে না তাই আমি খুলে লিখেছি। লোকে আমায় শ্রীচৈতন্য বলে বলুক, এই সস্তা রসিকতা আমায় স্পর্শ করে না। আমি সুখী হয়েছি যে আমার বন্ধু দু’জন তা বিশ্বাস করে না। আমার বৈরাগ্যের কথা যখন ভাববে তখন ইয়োরোপীয়দের মত ভেব না। ভারতীয় হও। তুমি আমার চেয়ে ভালো বুঝবে কেন যীশুকে মরুভূমিতে বিশ বৎসর সাধনা করতে হয়েছিল, তার বাণী পৃথিবীতে প্রচার করবার আগে। ভেবে দেখ, যিশু মাত্র আঠার মাস প্রচার করেছিলেন এবং এ পৃথিবীকে বদলে দিয়েছিলেন। আর আমি আমাদের সময়ের অনেক বুদ্ধিযুক্ত মস্তিষ্ক ও মনের কথা জানি যারা সারা জীবন প্রচার করলেও তাদের নিজের মনেরও পরিবর্তন করতে পারে না। আমি তাড়াতাড়ি সংসারে ফিরতে চাই না। রামকৃষ্ণের দরজার কাছে সারা বিশ্ব এসে গেল যখন তিনি সিদ্ধ হলেন। আর স্বামী বিবেকানন্দ সারা পৃথিবী ঘুরলেন তবু কাউকেই দীক্ষিত করতে পারলেন না। অনেক বাগবিস্তারে লাভ নেই–‘সাধনা অর্থ দেশবিদেশে বক্তৃতা দিয়ে ঘোরা আর বই লেখা নয়। অথবা এ কালের অসংখ্য গাধার কানে মন্ত্র দেওয়াও নয়। অন্তত আমার কাছে সাধনার অর্থ অন্য কিছু ও অনেক বেশি কিছু।

    আমার বাবা মা ও বোন আশা করে আছেন আমি বাড়ি ফিরব তাই আমি অনেক দিন তাদের কাছ থেকে কোনো চিঠি পাই নি। কারণ আমার অল্পদিনের জন্য দেশে যাওয়া সবই ঠিক হয়েছিল। আমার বই ‘যে আলো নিবে গেছে’ ১৮ই সেপ্টেম্বর আমার বন্ধুর কাছে পৌঁছেছে, অদ্ভুত ব্যাপার না?

    এই চিঠি অমৃতাকে দেখিও—ইতি মির্চা।

    চিঠিটা পড়ছি আর বুঝতে পারছি বাবার উপর রাগে ওর মন জ্বলে যাচ্ছে। তার লেকচার দেওয়া দেশ বিদেশে, বিদ্যা অর্জন ও বিদ্যাদান কিছু ওর ভালো লাগছে না, কিন্তু মনে মনে তাকে অনেক বড় ভেবেছিল বলেই ঐ সব মহাপুরুষদের সঙ্গে তুলনা করেছে। বাবার এটাই দুর্ভাগ্য যে তাঁর প্রিয়জনদের কাছে তিনি দেবতা হতে চেয়েছিলেন—যদি তা না হয়ে একজন দোষগুণযুক্ত মানুষ হতেন তাঁরও দুর্ভোগ হত না—আমাদেরও না।

    স্বর্গাশ্রম
    ২৫শে নভেম্বর ১৯৩০
    প্রিয় খোকা,

    আমি তোমার চিঠির অপেক্ষায় ছিলাম ও তাড়াতাড়ি পড়ছি। আমি বাড়িতে ঐ বিষয়ে কেন লিখছি না? আমার বোনকে লিখেছি খানিকটা। ওরা কেউই আমার বিষয়ে, আমার চিন্তাধারা সম্বন্ধে এত বেশি জানে না যে আমার চিঠি পেয়ে সবটা বুঝতে পারবে। ওরা জানে আমি একটি হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করব ঠিক করেছি এবং ভারতে আরও পাঁচ বছর থাকব। ওরা আমায় দোষ দেবে কারণ ওরা এইটুকুই জানে। কিন্তু আমার অন্তরের কথা আমি কাউকে বলি না…কখনই বলি না…যা হোক ওদের বলব, তবে এখনই নয়। আমি প্রত্যুষের অপেক্ষায় আছি, তোমার কি মনে হয় প্রভাত হতে অনেক দেরী হবে? দেখছ তো আমার সাহিত্যিক খ্যাতি কি কাজে লাগল? কাজেই আমি এখন সাহিত্য বা যশ ইত্যাদি গ্রাহ্যই করি না। আমি রাত্রি দিন উপনিষদ পড়ছি, আর বেদের অংশবিশেষ। আমি গুরুকুলে গিয়েছিলাম—আর্য সমাজের দ্বারা চালিত এই কলেজটি বিখ্যাত—এখানে বিভিন্ন ধর্মের তুলনামূলক বিষয়ে বক্তৃতা করতে নিমন্ত্রিত হয়েছি, আমি রাজি হয়েছি কারণ গুরুকুলে সংস্কৃতে কথা বলার সুযোগ পাব। এখানে ছাত্ররা পুরাতন ভারতের মহাভাবে উদ্বুদ্ধ—গাছের নীচে পবিত্রভাবে খোলা বাতাসে এরা বাস করে। এখন কেবল এই জীবনটাই আমি সহ্য করতে পারছি। তুমি জিজ্ঞাসা করেছ অল্পদিনের জন্যও দেশে যাচ্ছি নাকেন? কারণ তাহলে ওরা আর আমায় আসতে দেবে না! ওরা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বুঝবে ভারত আমায় কি শিখিয়েছে। ওরা ভয় পেয়ে যাবে আর আমায় ইয়োরোপে আটকে রাখবে। ইয়োরোপ এখন আমার স্বপ্নের মহাদেশ-ওখানে আমি মুক্ত ছিলাম, আমার বয়স কম ছিল, ওখানে থাকতে জীবন সম্বন্ধে উদাসীন ছিলাম এবং শান্তিতে সুখে ছিলাম। এখন এসব আমার কাছে স্বপ্ন। সিসিলির তীর আর রোমের ধ্বংসাবশেষ, ফ্লোরেন্সের ঘন নীল আকাশ আর সুইটজারল্যাণ্ডের নির্জনতা, হয়ত এসব আমি আর কখনো দেখব না। আমাকে এখানে থেকে যুদ্ধ করতে হবে। এই ভারতে থেকে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করব আমি। ভারতই আমায় বন্ধন দিয়েছে, ভারতই মুক্তির পথ দেখাবে। আমি কাউকে ঠকাচ্ছি না, আমাকেও না, আমার দেশকেও না, কাজেই দেশে ফিরে গিয়ে আমার আধ্যাত্মিকতা সম্বন্ধে বাজে কথা বলে কিংবা আমার যোগ বিষয়ে বিদ্যা সম্বন্ধে বড়াই করে লাভ কি—যখন সত্য হচ্ছে যন্ত্রণা, শুধু যন্ত্রণা। আমি চাই তুমি আর একটু সহানুভূতির সঙ্গে বোেঝ। তুমি এখনও জান না আমার কি ভয়ানক সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে, তার গভীরতা কতদূর। আমি এখানেই থাকব। আমি পাগলের মত সংস্কৃত ও ভারতীয় দর্শন পড়ছি। একটা বাতি পেয়েছি, অনেক রাত অবধি পড়ি। এখানটা খুব ঠাণ্ডা, খুব নির্জন, কয়েকজন পণ্ডিত আছেন। অমৃতাকে আমার ওই ছবিটা দয়া করে দেখিও—সে জানে আমার কত কষ্ট যে তাকে আমার একটা ছবি পাঠাবারও অধিকার নেই। ভালোবাসা জেন—ইতি মির্চা।

    স্বর্গাশ্রম
    ৫ই ডিসেম্বর, ১৯৩০
    প্রিয় খোকা,

    তোমার চিঠি পড়লাম। তোমাকে ক্ষমা করবার কথাই ওঠে না। তুমি ঠিকই করেছ, তোমার বন্ধুকে তোমার বিপদের কথা লিখেছ, আমারই ত্রুটি যে তোমাকে সাহায্য করতে পারছি না।…আমি পাগলের মত কাজ করছি। উপনিষদের তত্ত্ব নিয়ে আমার প্রবন্ধ শেষ করছি। উপনিষদের কথা এইটুকু বলতে পারি যে এই বই আমার এ জীবনের সান্ত্বনা, আমার মরণেও সান্ত্বনাস্থল হবে। আমি যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ি তখনই সাহিত্য লিখি—অবসর বিনোদনের জন্যও নয় বা নাম-খ্যাতির জন্যও নয়—আমার সম্পাদকের প্রতি কর্তব্যের খাতিরে। লেখাই আমার বৈকালিক বিশ্রাম—অই আমি অনেক কাজ করছি।…এখন তোমায় একটা কথা জিজ্ঞাসা করছি, তুমি কি অমৃতাকে আমার ছবিটা দেখিয়েছ? সে এখন কি করছে? তুমি প্রতি চিঠিতেই লিখছ এর সংকট এখনো কাটে নি। কিন্তু এ কথায় তো কিছু বোঝা যায় না, এ তো একটা কথা মাত্র। তুমি আশা করি বুঝছ ওর খবরের জন্য আমি কতটা উদ্বিগ্ন হয়ে আছি। আমি জানি, আমার নিশ্চিত বিশ্বাস যে ঠিক যা করা উচিত সে তাই করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে, কিন্তু আমি ওর কথা আরও জানতে চাই। তুমি কেন ওকে আমার চিঠিগুলি দেখাচ্ছ না? যখন সে একলা থাকে তখন তাকে আমার চিঠিগুলো দেখাও ও তার মনের কথা আমায় যে করেই হোক জানাও। তার মনের ঠিক কি অবস্থা আমি জানতে চাই। এ কথা লিখে লাভ নেই যে সে অতীতের কথা ভুলবে না কারণ ‘অতীত কথাটাও একটা কথা মাত্র। আমার কথা বুঝতে পারছ তো?…

    আমার যে উন্মত্ত অভিজ্ঞতা হল (তুমি তাকে প্রেম বলতে পার) যা গত তিন মাস ধরে আমাকে অসীম যন্ত্রণাবিদ্ধ করেছে—এখন তার শুভ দিকটা দেখাতে শুরু করেছে। ঐ মেয়েটি আমার জীবনটাকে বদলে দিয়েছে, বদলে একে সহস্রগুণে ভালো করেছে। আমার এই জাগরণ সূর্যোদয়ের মতই মহিমাময়। আমি সত্যকে দেখেছি এবং সামাজিক জগতের ও বিদ্যার জগতের নোংরামিও দেখেছি। চতুর্দিকের ভীরুতা ও নোংরামির মধ্যে আমি নিজেকে পবিত্র মনে করছি। যত মিথ্যার বেসাতি দেখছি, আমার শান্তি হচ্ছে যে আমি দুঃখ পাচ্ছি, আমি এ জীবন উপভোগ করতে চাই না ও করব না, আমি সুখ চাই না, চাই না—ইতি তোমার বন্ধু মির্চা।

    …চিঠিগুলি পড়ছি আর ভাবছি মির্চা বেনা বনে মুক্তা ছড়িয়েছে। বাবার কাছে প্রতিজ্ঞা করেছিল আমায় লিখবে না তাই খোকাকে লিখেছে—ও নিশ্চিত ছিল খোকা আমাকে চিঠিগুলো দেখাবে এবং আমি যথাকৰ্তব্য করব। ওর বিশ্বাস ছিল আমি ঠিক সময়ে ঠিক কাজটি করব। এত বিশ্বাস ছিল আমার উপর আর আমি কি করলাম? সারা জীবন ধরে ভাবলাম যে ও আমাকে ঠকিয়েছে। করতে তো আমিই পারতাম, এ আমার দেশ, আমার কত বন্ধু ছিলেন, তারা সবাই শ্রেষ্ঠ পুরুষ। আমার কি সহায় কেউ ছিল না? তবে কেন করলাম না? কারণ আমার ধারণা ছিল এ বিষয়ে যা কিছু করণীয় পুরুষকেই করতে হবে, মেয়েরা কেন এগিয়ে যাবে, উপচিকা হবে! এও একটা কুসংস্কার এবং দম্ভ। আমি একটা বোকা অপদার্থ মেয়ে ছিলাম। অবশ্য আমি জানতাম না যে বাবা পুলিশ পাঠিয়ে দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে আমাকে চিঠি লেখবার চেষ্টা করলে ওকে দেশ থেকে বের করে দেবেন। তিনি ওকে লিখেছিলেন, “তুমি আমার গৃহ অপবিত্র করেছ তুমি ছিলে তৃণাচ্ছাদিত সর্প, আর সাপ যখন মাথা তোলে তখনই তাকে মারতে হয়। তাই আমি করেছি…’ কাজেই ওর কোনো উপায় ছিল না, অথচ সারা জীবন আমি ওকে সন্দেহ করে কষ্ট পেয়েছি। আর এদিকে খোকা ওকে মিথ্যা কথা বলেছে, অন্তত ছবিটার কথা যখন বলেছে যে আমায় দেখিয়েছে তখন চিঠির কথাও বলেছে, কাজেই এটা কি অসম্ভব যে ওরও মনে হয়েছে আমি ইচ্ছে করেই কিছু করলাম না, আমারও সত্য ছিল না।…আমার বাড়ির দু মাইলের মধ্যে এই চিঠিগুলো ছিল আর আমি তেতাল্লিশ বছর, পর পেলাম। এই হচ্ছে কর্মফল, ভবিতব্য। খোকা বড় বড় করে কথা বলে যাচ্ছে, “পরে পোড়ো। এখন একটু গল্প করা যাক—

    আমি বললাম “উল্লুক”, রাগে কাপছি আমি। ও চমকে উঠেছে। আমার মতো পরিশীলিত মহিলার মুখে এমন একটি ইতর দুর্বাক্য উচ্চারিত হতে পারে তা ও ভাবতেই পারে নি।

    “কি বলছ, কি বলছ?”

    “কিছু না, একটা জন্তুর নাম।”

    “কাকে বলছ?”

    “ঐ জন্তুকে। খোকা এসব চিঠি আমায় কেন দেখাও নি?”

    “দেখিয়েছিলাম তো।”

    “দেখিয়েছিলে? মিথ্যেবাদী! কেন দেখাও নি বল।”

    “দেখালে তুমি কি করতে? তোমার করার কি ছিল?”

    আমি তাকিয়ে দেখছি ঐ লোকটার দিকে-মুখে ঘাম চক চক করছে—মোমবাতির আলোকে ওকে এক আদিমগুহাস্থিত জন্তুর মত মনে হচ্ছে। কেন এই লোকটা এমন শত্রুতা করল? এসব প্রশ্নের কোন উত্তর নেই এবং উত্তর পেয়েই বা কি হবে?

    “চলি থোকা। এই চিঠি তিনখানা যে এতদিন রেখেছ সেজন্য ধন্যবাদ।” মনে মনে ভাবছি ওর উপর মিথ্যা রাগ করছি, এ চিঠি পড়ে কি ও বুঝতে পারে, হয়ত বা ভালো করে পড়েই নি। ব্যাগটা খুলে চিঠিগুলো ভরছি, খোকা বললে, “জানো তো কি দিনকাল পড়েছে, কত দিন রোজগার নেই, যদি পঞ্চাশটা টাকা দাও কাল র্যাশন তুলতে পারি।” আমি টাকা ক’টা ফেলে দিয়ে চলে এলাম—আমার গা ঘিনঘিন করছে। খোকা পিছন থেকে ডেকে বলছে—“ও কোথায় আছে জান?”

    “নিশ্চয়ই—“

    “কোথায় বলতো?”

    “ঠিক যেখানে ছিল সেইখানে।”

    খোকা বিস্মিত, “এ আবার একটা ঠিকানা হল?”

    “আর কোনো ঠিকানা আমি জানি না ভাই।”

    আমি অবাক হয়ে ভাবছি উনিশ শ ত্রিশ সাল যেন মন্ত্রণা করছিল আমাদের মিলন হতে দেবে না আর এই উনিশ শ তিয়াত্তর মন্ত্রণা করেছে আমাদের দেখা হবে। আমার আত্মবিশ্বাস বাড়ছে, আমি হয়ত গিয়ে পৌঁছতে পারব। আমি অবাক হয়ে গেছি ১৯৩০ সালে যে এরকম চিঠি লিখেছে, এত সত্যে স্থির—১৯৩৩ সালে সে ওরকম বই লিখল কি করে? আমার ভয় হচ্ছে ওর এই যে সুন্দর নরম মনটা এই চিঠির ছত্রে ছত্রে প্রকাশ পাচ্ছে সেই মনট বেঁচে আছেনা পাণ্ডিত্যের চাপে শুকিয়ে গেছে। ওর পাণ্ডিত্যের খ্যাতি শুনছি আর ভয় পাচ্ছি আমি। আমি জানি বিদ্যার গুরুভারে মানুষ পিষ্ট হয়ে যায়। আমার বাবাও বলতেন, “বিদ্যা আমাদের অনেকেরই পিঠের বোঝা, ভাবাহী জন্তুর মতো আমরা চলেছি, একমাত্র রবীন্দ্রনাথেরই দেখেছি বিদ্যা তার রক্তে চলে গিয়ে দুদিকে পাখা গজিয়ে দিয়েছে, ঐ বিদ্যাই তাকে লঘুভার করে আকাশে ওড়াচ্ছে।”

    যাবার সময় যত এগিয়ে আসছে—আমি বুঝতে পারছি না হঠাৎ কোথা থেকে এ আবর্ত এসে এই জীবননদীর মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছে, কি এর উদ্দেশ্য, কি-ই বা পরিণাম!

    আমার স্বামী আমাকে আশ্বাস দিচ্ছেন, “তুমি নিশ্চিত জেনো তোমার জীবনে এতে কোনো সুফল ফলবে। এর কোনো উদ্দেশ্য আছে, আমাদের দুজনেরই লাভ হবে।”

    “তোমার আবার কি লাভ হবে!”

    লাভ হবে না? লাভ তো হচ্ছে। আমি শুধু নয় আমরা সকলে তাকে আরো চিনছি, আমরা তাকে ভক্তি করছি। উনিও নিজেকে চিনছেন। কতটা ভালোবাসা, কতটা ধৈর্য, কতটা নিরভিমান হতে পারেন তার পরীক্ষা দিচ্ছেন, এবং অবলীলাক্রমে সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে যাচ্ছেন। আমি মাঝে মাঝে ভাবি আমাদের একটা সাধারণ সংসারের মধ্যে বসে আমার স্বামী যা হয়েছেন ঋষিকেশের ঐ গুহায় বসে সেই জজসাহেব মৌনী সাধু তা হতে পারলেন কিনা!

    আমি স্বপ্নাচ্ছন্নের মত কাজগুলো করে যাচ্ছি। যে সমস্ত নিমন্ত্রণ পেয়েছি তার জন্য লেখা লিখছি, বৈষয়িক কাজগুলো সবই করে যাচ্ছি কিন্তু এ সমস্তে স্পৃহাশূন্য আমার মন, ভাবাবিষ্ট। এই কথাটা লেখবার জন্যই এই কলম ধরেছি, বাল্যকালে কি হয়েছিল তা লেখবার জন্য নয়। কারণ বাল্যপ্রণয় ও মধ্যপথে তার অকস্মাৎ অপঘাতমৃত্যু কোনো বিশেষ ঘটনা নয়, এরকম সর্বদাই হয়েছে, হচ্ছে, হবে। বহু লোক লিখে গিয়েছে অনেক জোরালো কলমে। আমি লিখছি বেয়াল্লিশ বছর পরে যা ঘটল সেই বিশেষ ঘটনাটার জন্য, কারণ এ এক বিস্ময়কর ঘটনা, হয়ত বা অভূতপূর্ব। মুশকিলও হয়েছে অভূতপূর্ব বলেই—এ ভাব প্রকাশের ভাষা আমার জানা নেই—যা বলতে চাইছি বলা হচ্ছে না। বাক্যগুলি যেন নিপ্রাণ ছায়ামাত্র—আমার অনুভূতিকে ধারণ করবার অযোগ্য।

    মির্চার বিষয়ে নূতন করে মনে পড়বার প্রায় বছর খানেক আগে থেকেই অর্থাৎ সেরগেই আসার আগে থেকেই আমি আমার ভিতরে একটা অদ্ভুত ব্যাকুলতা অনুভব করেছিলাম সেকথা আগেই বলেছি—সেই ব্যাকুলতার তীব্রতা আমি বোঝাতে পারছি না। মনের ভিতর সেই গানটার সুর ভেসে আসত-“আমি চঞ্চল হে আমি সুদূরের পিয়াসী”—আমার এই ভাব কেবল সুরেই প্রকাশ্য। আবার চঞ্চলতা এতদূর হয়েছিল যে আমি একে ওকে তাকে বলতাম, “আমি দেশের বাইরে যাব, কোথাও যাব, একটু ব্যবস্থা করা যায় না?” আমাদের একজন সহকর্মী আছেন পাদ্রী, তাঁর অনেক জানাশোনা, তাকে ধরে পড়তাম বার বার—“আমায় একটু বাইরে কোথাও যাবার ব্যবস্থা করে দিন।”

    “কোথায় যেতে চান?”

    “যে কোনো জায়গায় দেশের বাইরে—”

    “কেন, এদেশ দোষটা করল কি?”

    আমি মুখ ভার করতাম। এ ব্যক্তি করে দেবে না।

    “আচ্ছা আচ্ছা ব্যবস্থা করা যাবে, তা কোথায় যেতে চান তা তো বলবেন?”

    “জাপানে, আমেরিকায়, ইংল্যাণ্ডে—যে কোন জায়গায়।”

    ভদ্রলোক আমায় লক্ষ্য করছেন, “you are an amazing woman.”

    এই ব্যাকুলতা যেন চন্দ্রোদয়ে চঞ্চল সমুদ্রের মতো, যেন কোন অজ্ঞাত শক্তি বহুদূর থেকে আমাকে আহ্বান করছে। আমার বন্ধন খুলে দিচ্ছে—

    ‘দিগন্ত হতে শুনি তব সুর, মাটি ভেদ করি ওঠে অঙ্কুর।
    কারাগারে লাগে নাড়া।’

    আমার কারাগার ভাঙবে, মির্চা তার নিমিত্ত মাত্র। কিসের কারাগার? এই জগক্টাকে পঞ্চেন্দ্রিয় দিয়ে যে রকম চিনেছি, জেনেছি এবং যে জানাটাকে ধ্রুব বলে মেনেছি, সেই মূঢ় বিশ্বাসের কারাগার। আমি জানি অল্প কয়েক দিনই আমার এ ভাবটা থাকবে, চিরদিন থাকতে পারে না, কিন্তু অল্প সময়ের জন্য হলেও সেই কারাগারটা আমার পক্ষে ভাঙলো, আমি মহাকালের এক আশ্চর্য রূপ দেখতে পেলাম। আমি অন্য কোনো অবস্থানে উন্নীত হয়ে দেখলাম যাকে আমরা অতীত বলে ভাবছি, প্রকৃতপক্ষে তা অতীত নয়, তা কোথাও চলে যায় নি। তার আদিও নেই, মধ্যও নেই, অন্তও নেই। ‘নান্তং ন মধ্যং ন পুনস্তবাদিং, পশ্যামি বিশ্বেশ্বর বিশ্বরূপ এ দেখে লাভ কি হল? আমি আকূল হয়ে জিজ্ঞাসা করি যদি কোনো ঈশ্বর থাকো তো বল, লাভ কি হল আমার? কিন্তু উত্তর তো আমিই জানি, লাভ লোকসানের কথার তো খতিয়ান এখানে হবার নয়। এমন অনেক ঘটনা ঘটে যার কোন সার্থকতা নেই বাস্তব জীবনে, অথচ সেই অবান্তর অনর্থক ঘটনাগুলি দিয়েই মানুষের জগন্টা তৈরী, পশুর নয়। এই আট মাস ধরে আমি অন্তত এটুকু বুঝতে পারলাম—আমি পশু নয়, আমি মানুষ, বিশ্বরূপ দেখবার অধিকার আমার আছে।

    মহাকাল আমাকে কোলে তুলে নিয়ে নৃত্য করছেন, তার জটার বাধন খুলে আমার চোখমুখ সর্বশরীর আবৃত করছে। আমার অগ্রপশ্চাত, পূর্ব পশ্চিম, দূর ও নিকটে এক হয়ে গেছে, আমার কারাগার চুরমার হয়ে গেছে, লজ্জা, ভয় আত্মীয়-স্বজনের বন্ধন সব ঝরে পড়ে গেছে। শুধু প্রেম, কালজয়ী প্রেম ঐ উজ্জ্বল নীলাকাশে ধ্রুবতারার মত আমায় পথের নির্দেশ দিচ্ছে। আমাকে মহাসমুদ্র পার করে নিয়ে যাবে।

    এয়ারপোর্টে পৌঁছে আমার ইচ্ছা হল আমার স্বামীকে প্রণাম করব। তার ভালোবাসার স্নিগ্ধ বাতাস আমাকে ঘিরে আছে, আমার শরীর মন জুড়িয়ে দিচ্ছে। কিন্তু এখানে প্রণাম করা যাবে না। উনি অপ্রস্তুত হবেন। তাই আস্তে আস্তে বললাম “সারা জীবন তুমি আমায় এত স্বাধীনতা দিয়েছ।” উনি একটু একটু হাসছেন “তোমার স্বাধীনতা কি আমার পকেটে থাকে যে মাঝে মাঝে বের করে দেব? তোমার স্বাধীনতা তোমারই বস্তু।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুর পাঠশালা – মাহমুদুল হক
    Next Article অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }