Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ন হন্যতে – মৈত্রেয়ী দেবী

    মৈত্রেয়ী দেবী এক পাতা গল্প382 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.২ নির্জন গিরিবাস

    আমি যখন সেই নির্জন গিরিবাসে এলাম তখন বর্ষাকাল—গভীর আদিম অরণ্য পার হয়ে যখন বাড়িতে, এসে পৌঁছলাম তখন সেই বাগানঘেরা বাড়িটা যেন আমার দিকে চেয়ে হেসে উঠল। শান্ত নির্জন বনভূমি—দূরে নীলাভ দিগন্তে বরফের সাদা রেখা। গৃহ সুসজ্জিত, ভৃত্যকুল পরিমার্জিত। আমাকে ‘ব্যাচিলারের’ এলোমেলো বাড়িতে আসতে হয় নি। আমরা যদিও এদের চেয়ে সঙ্গতিসম্পন্ন তবু সত্যি বলতে কি, এত আরামে পূর্বে থাকি নি। কিন্তু আমাদের আত্মীয়-স্বজনেরা নিন্দা করতেই লাগল—তারা বললে যথোপযুক্ত বিয়ে হয় নি, ইত্যাদি ইত্যাদি—বিশেষত আমার সমবয়সীরা আমার দুঃখে গলে যেতে লাগল—শেষ পর্যন্ত এই! আমার ভারি রাগ হত। গোপালের সঙ্গে তো আমার জন্মের মতো ঝগড়া হয়ে গেল। এক বান্ধবী মুখ টিপে বললেন-“পতিনিন্দা শুনি সতী হৈল অতি রোষবতী”—আর একজন বললেন, “তোর যখন পছন্দ হয়েছে আমাদের আর বলার কি আছে, তবে বলিহারি যাই তোর পছন্দে—”।

    আমি যখন ওদের সঙ্গে তর্ক করতাম সেটা তোক দেখাবার জন্য নয় বা মান বাচানর জন্যও নয়, এবাড়ির পুরুষদের দেখে আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। তারা কর্তৃত্ব করে না, সমস্ত মেয়েদের উপর ছেড়ে দিয়েছে—এ বাড়ির মেয়েরা সম্পূর্ণ স্বাধীন। অন্য বাড়িতে যেমন দেখি বাড়ির কর্তার জন্য ভালো জিনিসটা তোলা রইল এখানে তা হতেই পারবে না–কর্তারা ফুলস্থুল বাধিয়ে দেবেন। স্ত্রী রাধতে বসলে কর্তা হয়তো পাখা নিয়ে তাকে বাতাস করতে গেলেন! সত্যি বলতে কি এক বাড়িতে এতগুলি কর্তব্যপরায়ণ, উদার ও সৎ লোক আমি পূর্বে দেখি নি।

    আমি আমার সংসারযাত্রার পূর্ণ চিত্র এখানে আঁকতে বসি নি। এটা আমার জীবনী নয়—এটা আমার জীবনের একটা অংশ মাত্র, সেখানে নায়ক মির্চা কিন্তু এই গল্পটা সম্পূর্ণ করতে গেলেও আমার স্বামীর কথা কিছুটা বলতে হবে, কারণ তাঁকে বাদ দিয়ে তো আমি নয়। আমরা আটত্রিশ বছর ধরে একসঙ্গে যে সংসার রচনা করেছি তাতে কোনো খুঁত ছিল না, বলতে গেলে কখনো আমাদের বিরোধ হয় নি। আমরা প্রত্যেকটি ফার্নিচার তৈরী থেকে সন্তানপালন একসঙ্গে একমত হয়ে করেছি এবং এসব কাজ মোটামুটি সুসম্পন্ন হয়েছে। আমাদের সন্তানেরা বিরাট প্রতিভাধর না হলেও মানুষ হিসাবে তারা শ্রেষ্ঠ মানুষের শ্রেণীতে যেতে পেরেছে। যে শূন্যতা নিয়ে আমি জীবন শুরু করেছিলাম আমার সংসারের মধ্যে তা ফঁাকির বাঁশি বাজায় নি। বিবাহের পূর্বে আমার প্রধান আকাঙ্ক্ষা যা ছিল, স্বাধীনতা, তাও আমি পূর্ণমাত্রায় পেয়েছি। আমার ঘরে পা দিয়েই আমি বুঝতে পেরেছি, আমার শৃঙ্খল খুলে গেছে, আমি যা উচিত মনে করব তা করতে পারব। স্বাধীনতার অর্থ স্বেচ্ছাচারিতা নয়, আমার অফুরন্ত স্বাধীনতা আমি এমন কোনো কাজে লাগাই নি যা আমার যোগ্য নয়।

    বিয়ের অল্প কিছুদিন পরে আমার মনে হল মির্চার ব্যাপারটা আমার স্বামীকে বলা প্রয়োজন—আমি একদিন শুরু করলাম—“আমাদের বাড়িতে একজন বিদেশী ছাত্র ছিল, সে আমাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল, বাবা দিলেন না, তখন সে হিমালয়ে চলে গেল!” একটি বাক্যে আমি সংক্ষেপে কাহিনীটা শুরু করলাম। আমার স্বামী বললেন, “ও তাই নাকি?”

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    Books
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অনুবাদকের পরিষেবা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বই
    অনলাইন বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা কবিতা

    ব্যস্ ফুরিয়ে গেল। ওর কোনো কৌতূহল নেই। কথা যত কম বলা যায় ততই ভালো, কোনো দায়ে পড়ে দু-চারটে বেশি কথা বলতে হলে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে। খুব সংক্ষেপে একটা হাসির কথা বলে উনি বাক্যালাপ চুকিয়ে ফেলতে পারলে বাঁচেন। হিমালয়ে চলে গেল তো গেল, আমার কথাটি ফুরলো নটেগাছটি মুড়লো। তারপর আর কি? কাজেই সেদিন আর আমার কিছু বলা হল না। বেশ কিছুদিন পরে আমি আবার একদিন মনস্থির করে তোড়জোড় করে শুরু করলাম—আজ বলতেই হবে। না বলাটা খুব অন্যায় হচ্ছে, “আচ্ছা বাসরঘরে যখন আমি চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়লাম তোমার কি মনে হয়েছিল?” নীরবতা, নিচ্ছিদ্র নীরবতা।

    “বল না বলতেই হবে তোমার খারাপ লেগেছিল কি না।”

    নীরবতা দুর্ভেদ্য। আমিও স্থিরসংকল্প আজকে বলবই—

    “কিছু নিশ্চয় মনে হয়েছিল, আমার ভাবভঙ্গী তো ঠিক সহজ ছিল না,”…বহু প্রশ্নের পর উত্তর এই, “তা সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন লোকের সঙ্গে হঠাৎ রাত্রে একঘরে থাকতে অসুবিধা তো লাগতেই পারে। খারাপও লাগতে পারে।”

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা বই
    বাংলা উপন্যাস

     

    “তোমার অসুবিধা বা খারাপ লাগে নি?”

    “একটুও না।”

    “ভালো লেগেছিল?”

    “খুবই। অবাক হয়ে গিয়েছিলাম তোমাকে দেখে।”

    “তবে আমারই বা খারাপ লাগছে কেন তা তোমার মনে হয় নি?”

    এই প্রকারে অশেষ প্রশ্নবাণে নির্যাতিত হবার পর বললেন—“আমার বন্ধু ভূপেশের কথা মনে হয়েছিল, তার মতো হল না তো?”

    গল্পটা এই—ভূপেশের বিয়ে হল যেমন কথাবার্তা হয়ে বিয়ে হয়ে থাকে, ভূপেশও মেয়েটিকে আগে দেখে নি। বাসরঘরে মেয়েটি ভূপেশকে বললে, “দেখুন, আমি আপনার স্ত্রী নই, হতে পারি না, আমি একজনকে পতিত্বে বরণ করেছি, সেও আমাকে ভালোবাসে কিন্তু আমার বাবা কিছুতেই রাজি হলেন না। তাকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিয়েছেন। এখন আমি কি করি? আপনারও আমাকে বিয়ে করা উচিত নয়।”

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বই
    বাংলা ভাষা
    বইয়ের
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ইসলামিক বই
    অনলাইন বুক
    বাংলা কবিতা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

    ভূপেশ স্তম্ভিত। মেয়েটির কথা ঠিকই, যুক্তিযুক্ত। ভূপেশ সেই ছেলেটির নাম ঠিকানা নিল, তারপর বরবেশী ভূপেশ বাসরঘর থেকে, বিবাহ বাড়ি থেকে বেরিয়ে সেই পলাতক প্রেমিকের সন্ধানে রাত্রির অন্ধকারে যাত্রা করল। ওদের তখনও কুশণ্ডিকা হয় নি—শুধু সম্প্রদান হয়েছে অর্থাৎ বিবাহের আসল অংশ হয় নি। ঐ কন্যা ভূপেশের ধর্মপত্নী নয়, ওরা একসঙ্গে ধর্মানুষ্ঠান করে নি, সপ্তপদী করে নি, শুধু কন্যার পিতা অন্যান্য তৈজসপত্রের সঙ্গে সালঙ্কারা কন্যাটিকে ভূপেশকে সম্প্রদান করেছেন—তুভ্যঅহং সম্প্রদদে-সম্পত্তি হাত বদল হয়েছে মাত্র! এই কন্যা এখন ভূপেশের সম্পত্তি। ঠিকানা নিয়ে ভূপেশ সেই ভদ্রলোকের বাড়িতে উপস্থিত, “বেশ মানুষ তো আপনি, পড়ে পড়ে শোক করছেন, আপনার কর্তব্য কিছু নেই?”

    ছেলেটিকে নিয়ে ভূপেশ বিবাহ বাড়িতে ফিরে এল। সে কর্তব্য স্থির করে ফেলেছে। মেয়ের বাপকে ঘুম ভাঙিয়ে বললে, “আপনি গর্হিত অন্যায় কাজ করেছেন। যাহোক আপনি তো আপনার কন্যাকে আমার হাতে সম্প্রদান করে দিয়েছেন, তার উপর আপনার আর কোনো অধিকার নেই…এখন আমি তাকে তার মনোনীত পাত্রের হাতে সম্প্রদান করে দিচ্ছি। ওদের বিবাহ হবে, আপনার বাধা দেবার কোনো অধিকার নেই।”

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বইয়ের
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    PDF
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Books

    “তারপর?”

    “তারপর ওদের বিয়ে হয়ে গেল।”

    আমি মনে মনে ভাবছি, বাপ্ রে, এই মেয়ের মনে জোর আছে। “তারও পর আছে নাকি?”

    “আছে। সেই ছেলেটি সেই রাত্রেই ঐ মেয়েটিকে ভালোবেসে ফেলেছিল, সে যেন কেমন হয়ে গেল—উদভ্রান্ত-মাঝে মাঝে ওদের বাড়ি যেত।” তারপর একদিন সে মরে গেল। তার ঘরে স্টোভে আগুন জ্বলছিল, খাট থেকে গড়িয়ে পড়ে আগুন লেগে গেল। পুড়ে মরল বেচারা। কেউ কেউ বলে আত্মহত্যা করেছিল।

    “নিশ্চয়ই আত্মহত্যা।”

    কী ভীষণ ব্যাপার, বঞ্চিত প্রেমের এই পরিণামে সৌন্দর্য তো নেই…সত্যম্ শিবম্ সুন্দরম্‌—শিবও নেই সুন্দরও নেই—সৌন্দর্য ছাড়া সত্যের রূপ ভয়ঙ্কর–প্রেমের মধ্যে যদি সৌন্দর্য ফুরিয়ে যায় তাহলে রইল কি? আমি মানসচক্ষে একটা দগ্ধ লোককে দেখতে পেলাম—তার গায়ের মাংস দগদগে, তার চুল পুড়ে গেছে, তার মুখ ঝলসে গেছে—সে গোঙাচ্ছে! কী ভয়ানক! আমাকে ভালোবেসে যদি কারু এই পরিণাম হয় তাহলে আমিও বাঁচতে পারব না। আমার ভয় করতে লাগল, এর বন্ধু যদি এই রকম তবে ইনিও এই। আর কোনো কথা বলে কাজ নেই, ওর মনে এতটুকু দুঃখ দিতে পারব না। মির্চা যদি এই মুহূর্তে এসে বলে ‘চল’ আমি কি যেতে পারি? কখনো না, আর হয় না। এই ভদ্র মানুষের মনে কষ্ট দিয়ে কোনো স্বর্গ থেকে আমি সুখ পেড়ে আনতে পারব না। আমার এখন যথেষ্ট বয়স হয়েছে, আমি জানি সুখ বাহিরের কোনো অবস্থায় বা বস্তুতে নেই—অন্তরে তার আয়োজন সুসম্পূর্ণ থাকলে তবেই বাহিরের স্পর্শে তা উচ্ছ্বসিত হতে পারে। বিবেকের দহনে অন্তর যদি ক্ষতবিক্ষত হতে থাকে, নিন্দায় কুবাক্যে ইতর জনের রসনায় যদি তা লেহ্যমান হয় তাহলে মির্চাকে জড়িয়ে ধরলেই কি আমি সুখ পাব? শরীর সুখ দিতে পারে না, সুখ দেয় মন, আমার মন অন্যকে দুঃখ দিয়ে সুখী হতে পারবে না, এটুকু আমি জানি।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    অনলাইন বুক
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    Books
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা অডিওবুক

    অন্যকে দুঃখ দিয়ে সুখী হওয়া যায় না, অন্যকে বঞ্চিত করে সুখী হওয়া যায় না—এগুলো সোজা কথা, বার বার শুনেছি। আমি তো আবিষ্কার করি নি, সবাই জানে। জানে কি? তাহলে রমা এই মুহূর্তে আমার মাকে কেন তুষানলে দগ্ধ করছে। যাক, যার যা ইচ্ছে করুক। আমি এই নির্বিরোধী ভালোমানুষকে কখনো দুঃখ দেব না। এটা কি শুধু কর্তব্য? কখনই নয়, আমি তো এঁকে ভালোবাসছি, খুবই ভালোবাসছি। সেদিন সেটা বুঝতে পারলাম যেদিন রাত আটটা নাগাদ বেহারা বলল, “সাহেব যেখানে গেছেন সেখান থেকে আসতে পথ হারিয়ে ফেলতেও পারেন। সাহেব যদি ঘোড়ায় যেতেন পথ হারাতেন না, ঘোড়া ঠিক বাড়ি এনে হাজির করত। কিন্তু…” অবিশ্রান্ত বৃষ্টি পড়ছে-নিচ্ছিদ্র অন্ধকার রাত্রি, কোনোখানে জনমানবের চিহ্ন নেই—ওরা বলাবলি করছিল ঐ রাস্তায় ভাল্লুক বেরোয়। আমি এত অস্থির হয়ে পড়েছিলাম যে ওরা যদি না যেত আমি নিজেই ম্যাকিন্টস চাপিয়ে, গামবুট পরে লণ্ঠন নিয়ে বেরুতাম—তা বাঘই থাক আর ভাল্লুকই থাক, এটা কি ভালোবাসা নয়? তবে, তবে আবার কি? কিছু তবে আছে নাকি? আছে আছে আছে—এই সাজানো সংসারের মধ্যে বসে আমার স্বামীর সস্নেহ ভালোবাসার আশ্রয়ে থেকেও আমার মন কেন এত শূন্যতায় ভরে থাকে কে বলবে? ‘শূন্য হাতে ফিরি হেনাথ-পথে পথে…।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    অনলাইন বই
    বাংলা কবিতা
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা উপন্যাস
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    Library
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    নতুন উপন্যাস

     

    আমাদের বিবাহিত জীবন মসৃণ পথে চলেছে, আত্মীয়স্বজন যাই বলুক, বন্ধুবান্ধবরা যা-ই ইঙ্গিত করুক, আমরা বেশ আছি। আমার স্বামীর সঙ্গে সবচেয়ে যে বিষয়ে আমার সঙ্গে মিলেছে তা হচ্ছে তারও কোনো সংস্কার নেই। তিনি কোনো আচারে বদ্ধ নন, তিনিও জাতিভেদ মানেন না, সামাজিক ব্যবস্থাগুলি যুক্তি দিয়ে বোঝেন। আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম যেদিন শুনলাম যে তিনি প্রথম যে দিন মাংস খেলেন সেটা ছিল গোমাংস। আমিও চমকে উঠেছি। ইনি মাংস খেতেন না, প্রথম যে দিন পাহাড়ে এসে পৌঁছেছেন এক সাহেবের বাড়ি সেদিন খাবার ব্যবস্থা হয়েছে, তার মেম আবার দারুণ কৃপণ। অতিথি নিমন্ত্রণ করে একখানাই মাছভাজা রেখে বলে, একখানা মাছ খেতেই হবে। সেদিন সে মাছভাজা রাখে নি রেখেছিল বীফস্টেক।

    “তুমি খেলে কেন?”

    “আর তো কিছু ছিল না, ওরা অপ্রস্তুত হবে, মাংস যদি খেতেই হয় তো ছাগলই বা কি গরুই বা কি, বরং গরুই ভালো, একটা প্রাণী হত্যা করে অনেকটা মাংস পাওয়া যায়, হাতি আরো ভালো।”

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বুক শেল্ফ
    বাংলা উপন্যাস
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা গল্প
    বাংলা অনুবাদকের পরিষেবা
    নতুন উপন্যাস
    উপন্যাস সংগ্রহ
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    অকাট্য যুক্তি। সেযুগে মধ্যবিত্ত ঘরের হিন্দু সন্তানের পক্ষে এটা কঠিন কাজ। কিন্তু এটা কোনো কঠিন কাজ করার মত করে করা নয়—উনি কোনো বিপ্লবী নন, আমি যে রকম জাতিভেদ ভাঙবার জন্য উদ্যত সে রকমও নয়—খুব সহজ স্বাভাবিকভাবে সত্যকে পাওয়া।

    পরে যখন রবীন্দ্রনাথ, একে ভালোমতো চিনলেন তখন বলেছিলেন, “গল্পস্বল্পের ভালোমানুষ কবিতাটিতে এরই পরিচয় রেখে দিয়েছি–”

    মনিরাম সত্যই স্যায়না
    বাহিরের ধাক্কা সে নেয় না।
    বেশি করে আপনারে দেখাতে
    চায় যেন কোনোমতে ঠেকাতে–
    যোগ্যতা থাকে যদি থাক না
    ঢাকে তার চাপ দিয়ে ঢাকনা
    আপনারে ঠেলে রেখে কোণেতে
    তবে সে আরাম পায় মনেতে।
    যেথা তারে নিতে চায় আগিয়ে
    দূরে থাকে সে সভায় না গিয়ে
    বলে না সে আরো দে বা খুবই দে
    ঠেলা নাহি মারে পেলে সুবিধে।
    যদি দেখে টানাটানি খাবারে
    বলে কি যে পেট ভার বাবারে।
    ব্যঞ্জনে মুন নেই খাবে তা
    মুখ দেখে বোঝা নাহি যাবে তা।
    যদি শোনে যা তা বলে লোকেরা
    বলে, আহা ওরা ছেলে ছোকরা।
    পাঁচু বই নিয়ে গেল না বলে
    বলে খোঁটা দিও নাকো তা বলে।
    বন্ধু ঠকায় যদি সইবে–
    বলে হিসাবের ভুল দৈবে
    ধার নিয়ে যার কোনো সাড়া নেই–
    বলে তারে বিশেষ তো তাড়া নেই–
    যত কেন যায় তারে ঘা মারি
    বলে দোষ ছিল বুঝি আমারই!

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বিনামূল্যে বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা হেলথ টিপস ই-বুক
    ই-বই ডাউনলোড

    এই কবিতার তত্ত্ববাণী গীতারই কথা—দুঃখে অনুদ্বিগ্নমনাঃ সুখে বিগত স্পৃহঃ—সুখেদুঃখে অবিচলিত অনাসক্ত এবং নিরহঙ্কার এ সবগুলি গুণই আমার স্বামীর পূর্ণমাত্রায় আছে—এগুলো তাকে সাধনা করে উপার্জন করতে হয় নি। এ তাঁর স্বাভাবিক বিধিদত্ত গুণ। আমি তো উপার্জন করতে চেষ্টা করি, কিছুই পারি না। আমি উদ্বিগ্ন অসহিষ্ণু ও নানাবিধ দোষের আকর—জল যেমন মাছের আকর আমিও তেমনি দোষের আকর, আমার মধ্যে দোষগুলো কিলবিল করছে। সম্ভবত সেই জন্যই প্রায় সর্বদাই আমার মনের মধ্যে হু হু করে—এই যেমন একদিন সন্ধ্যেবেলা আমি বসে বসে ভাবছিলাম অর্থাৎ গুনছিলাম আমি সারা দিনে ক’টা কথা বলেছি—গুনে দেখলাম সাত-আটটার বেশি হবে না—সেগুলো এই রকম—আজ আধঘণ্টা দেরী কেন? বিকালে কি টেনিস আছে? পরশু কি অসবোর্নরা খেতে আসবে? সামশের বেয়ারা কি একা পারবে? আর কি কথা হবে? আমরা যে দুই জগতের মানুষ—উনি যা পড়েছেন আমি তা পড়ি নিতা নাই বা হল—আমি না হয় কেমিস্ট্রিই পড়তুম—যদি উনি পড়াতেন, আমার তাতে আপত্তি নেই—যে কোনো জ্ঞানের বিষয় থেকে আমি আনন্দ পেতে পারি কিন্তু উনি তা পারবেন না। অত কথা বলা ওর কর্ম নয়। আর আমি যা পড়েছি তা উনি পড়েন নি, পাঠ্যপুস্তক ছাড়া কোনো ভাষায় এক লাইন কবিতা উনি পড়েন নি। তা আমি তো ওকে শোনাতে পারি? তা কি হয়? কবিতা যে বোঝে না তাকে শোনান যায় না। যদিও আমি শোনালে উনি খুব সহিষ্ণুভাবে শুনবেন, কখনই সেই ভদ্রলোকের মতো করবেন না যার কথা আমি আমার এক আত্মীয়ার কাছে শুনেছিলাম। আমার কবিতারসিকা আত্মীয়া নববিবাহের পর স্বামীকে একটি ‘মহুয়া’র কবিতা শোনাবেন বলে বেশ গুছিয়ে বসেছেন। স্বামীও খুব উৎসাহ দেখিয়েছেন, কবিতাটি পড়তে শুরু করবার আগে তিনি হাত বাড়িয়ে দিলেন—একটু দেখি’, বইটা হাতে নিয়ে একটু দেখে ফেরৎ দিলেন। মেয়েটি অবাক হয়ে গেছে—“কি ‘দেখলে?”

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা লাইব্রেরী
    পিডিএফ
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ভাষা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    Books
    বাংলা কমিকস

     

    “দেখলুম কবিতাটি কত বড়। আমার স্বামী এরকম কখনো করবেন না। আমি যদি টালি এডিশনের সমগ্র রচনাবলী তাঁকে শোনাই তিনি পরম ধৈর্যে শুনে যাবেন, বললেন, “খুবই তো ভালো।”

    এক একদিন তা নয়, প্রায় প্রত্যেকদিনই নির্জনতা আমাকে চেপে ধরে। দুপুরবেলা আমি ঘুমোই না, পড়ব কি? এ তল্লাটে বই নেই। যে ক’খানা বই আছে বহুবার করে পড়া হয়ে গেছে। বই এত কিনবই বা কি করে? কেই বা বই পাঠাচ্ছে আমায়? তবু যখনই কলকাতায় যাই কিছু বই সংগ্রহ করে আনি। আমার স্বামী যে কথা বলতে একেবারেই ভালোবাসেন না তবুও তাঁরও এই নির্জনতা কষ্টকর বোধ হয়। একবার আমায় লিখেছিলেন, “দিন পনের আয়নায় ছাড়া আর কোন শিক্ষিত মানুষ দেখি নি।”

    সন্ধ্যেবেলাটা যেন আরো নির্জন। বারান্দায় আমি আর আমার স্বামী বসে থাকি—আমি দু’চারটে কথা বলবার চেষ্টা করি। কিন্তু কোন ভাষায় কথা বলব? আমাদের ভাষাই যে পৃথক। তাই একটু পরেই দু’জনেই চুপ। এই মানবহীন দেশে শব্দগুলি যেন নির্জনতাকে আরো বাড়িয়ে তোলে—অন্ধকার বন থেকে একটা রাত-কো-চরা ডেকে ওঠে, একটা বাদুড় ঝুপ করে পড়ে যায়। ঝিঝি পোকা ডাকতে থাকে অবিশ্রান্ত ঝি ঝি ঝি—পাশের ঝরনাটাও তো থামে না, ঝর ঝর ঝর ঝর চলেইছে চলেইছে—এ শব্দগুলো মানুষের সঙ্গী নয়—এরা কেবল বলতে থাকে, তুমি একলা, তুমি একলা–আমি বুঝতে পারি, প্রত্যেকদিন বুঝতে পারি আমার জগৎটা হারিয়ে গেল। আমার লিখতেও আর ভালো লাগে নাকি লিখব? লেখা আমার এই জনহীন জগতে দিকভ্রান্ত হয়েছে। অনেকে মনে করে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বোধ হয় লেখকের প্রেরণা জোগায়—ফুলের বাগানে বসে কবিতা লিখলে কবিতার গুণ বেড়ে ওঠে। যে জন্য শুনি শান্তিনিকেতনে আজকাল গাইডরা দেখায়, “ঐ গাছের নীচে বসে কবি ‘রক্তকরবী’ লিখেছিলেন, ঐ কুঞ্জের পাশে বসে ‘মহুয়া’ ইত্যাদি…মূঢ়তার যেন শেষ নেই। শান্তিনিকেতনের এই নির্জন প্রান্তরে বিশ্বের লোককে ডাক দিয়ে আনলেন কবি লেখারই প্রয়োজনে।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বই পড়ুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য
    PDF
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    Library
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

    মানুষের সঙ্গে সংস্পর্শে সুখদুঃখের ঘাতপ্রতিঘাতে ভালোমন্দের দ্বন্দ্বে নিত্য মথিত হওয়াই লেখকের প্রেরণার উৎস। নিস্তরঙ্গ শান্ত অবস্থা, জনবিরল অরণ্য সাধুসন্ন্যাসীদের দরকার থাকতে পারে, আমার নয়। এই প্রকৃতি আমায় জীবন দিচ্ছে না বরং হরণ করে নিয়ে যাচ্ছে। মানুষের মানুষকে দরকার। অন্তত আমার দরকার। মির্চার বদলে একটা পুষ্পিত তরু হলে কি ভালো হত? হাঃ হাঃ হাঃ একটা কথা মনে পড়ে গেল—“প্রথম কাকে ভালোবেসেছিলে, বল বল”-“একটা গাছকে গো একটা গাছকে”—এখন থাক গাছে ঝুলে!

    আমার বাইশ বছর অরণ্যবাসের তিনটি বছর স্মরণীয়—ঐ তিন বছরই আমরা বেঁচেছিলাম। বাকি দিনগুলি খালি পুনরাবৃত্তি। যখন আমার জীবনের সেই সুন্দরতম পর্ব শুরু হতে চলেছে যতদূর মনে পড়ে সেই সময়ে অর্থাৎ ১৯৩৮ সালে অল্পদিনের জন্য কলকাতায় এসেছি। বাবা আমাকে বললেন, “ইউক্লিড তোমাকে একটা বই উৎসর্গ করেছে, উৎসর্গপত্রে তোমার কাছে ক্ষমা চেয়েছে।” কথাটা শোনবার জন্য আমি একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না—হৃৎপিণ্ড লাফাতে লাগল, বাধাই মানে না—আমি প্রস্তরীভূত দাঁড়িয়েই রইলাম, কিছু বললাম না। কয়েক মিনিট পর তিনি আবার বললেন, “পর্নগ্রাফি লেখার জন্য তার জেল হয়েছে।”পর্নগ্রাফি কথাটার অর্থ আমি জানতাম না। বাবাকে জিজ্ঞাসা করবার ইচ্ছা ছিল না। যা লিখলে জেল হয় তা নিশ্চয় কোনো সৎসাহিত্য নয়। আমি কোনো উত্তর না দিয়ে প্রশ্নও না করে চলে গেলাম। ডিকশনারিতে ঐ শব্দটা দেখে আমি অবাক হয়ে গেছি। একি বিশ্রী ব্যাপার! আমাকে যে বইটা উৎসর্গ করেছে সেটাই ওরকম না তো! আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না আমাকে বই উৎসর্গ করবারই বা দরকার কি, ক্ষমা চাওয়ারই বা প্রয়োজন কি! বইটা সম্বন্ধে আমার কোনো কৌতূহল হল না। শুধু ঘৃণায় আমার মন সঙ্কুচিত হয়ে গেল, অপবিত্র বোধ হতে লাগল এবং এই রকম একজন লোকের সঙ্গে আমার এক দিন ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল এবং এর জন্য আমি এত আগ্রহী ছিলাম ভাবতেই আমি শিউরে উঠলাম। আমার এতই খারাপ লেগেছিল যে আমি ঐ বইটার কথা ভুলে গেলাম, অর্থাৎ মনেই আনতে চাইলাম না, তারপর থেকে প্রায় পনের বছর ওর নামটাও আমার মনে পড়ে নি। ঘৃণার একটা প্রকাণ্ড পাথর দিয়ে স্মৃতির সেই আলোকিত গুহাটার মুখ আমি নিচ্ছিদ্র বন্ধ করে দিলাম…করে দিলাম’ বলা ভুল হবে—এটা হয়ে গেল।

    আরও দেখুন
    গিফ্টের বাস্কেট
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    অনলাইন বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বই
    বুক শেল্ফ

     

    * * *

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুর পাঠশালা – মাহমুদুল হক
    Next Article অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }