Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প833 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আহা! আজি এ বসন্তে

    ১

    কৃষ্ণ বলিল, ‘হুঁ।’

    রাধা তার গোলাপি উত্তরীয়টি মাথার উপর টানিয়া সামান্য আড় ঘোমটা দিয়া মিষ্টি হাসিয়া বলিল, ‘হুঁ নয়, উহুঁ।’

    আসলে সে ঠিক করিয়া আসিয়াছে আজ কৃষ্ণের সঙ্গে খেলিবে। তাহার চিত্ত অস্থির করিয়া তুলিবে। মিলনের তাড়নায় সে ছটফট করিবে, রাগিবে, হাসিবে। তথাপি নিজেকে সমর্পণ করিবে না।

    সেই খেলাই চলিতেছে।

    কৃষ্ণ অভিমানারত মুখ ফিরাইয়া বলিল, ‘আমি কতটা তৃষ্ণার্ত, সে কথা কি তুমি বুঝতে পারছ না রাধিকে? নাকি বুঝেও না বোঝার ভান করো?’

    কৃষ্ণের কথা শুনিয়া রাধার যেমন লজ্জা হইল, তেমন আমোদও হইল। মুখ টিপিয়া বলিল, ‘কীসের তৃষ্ণা?’

    কৃষ্ণ কহিল, ‘জানোও না বুঝি?’

    রাধা অধর দংশন করিয়া কহিল, ‘না, জানি না। তবে আজ কিছুতেই নয়।’

    ‘কেন? নয় কেন? সমস্যা কোথায় প্রিয়তমে।’

    ‘সমস্যা সর্বত্র। গোটা বৃন্দাবনে যে ঢি ঢি পড়ে গেল।’

    বসন্তের এই মনোরম বৈকালে সূর্যাস্তের নিস্তেজ আলো যমুনা নদীর উপর দিয়া লঘু পদক্ষেপে পশ্চিম দিগন্তে মিলাইয়া যাইতেছে। দূর কাননের সুগন্ধি ভাসিয়া আসিতেছে। অস্তমান সূর্যের কনকচ্ছটা প্রথমেই বিচ্ছুরিত হইতেছে বৃক্ষরাজির পত্রে পত্রে, তাহার পর ঝরিয়া পড়িতেছে অলস ভঙ্গিমায়। দেখিলে মনে হইতেছে, যেন আলো নয়, স্বর্ণকণা। সেই কণার কিছু পড়িতেছে এই কদমতলেও।

    রাধা হাসি গোপন করিয়া বলিল, ‘বুঝলে?’

    কৃষ্ণ ক্রোধে গরগর করিয়া বলিল, ‘না বুঝলাম না। বুঝতে চাইও না। লোকনিন্দার ভয় আমি করি না।’

    ‘তুমি না করো, আমি তো করি। তা ছাড়া কী?’

    রাধা মুহূর্তকাল নিশ্চুপ থাকিল। চক্ষু ভূমি সংলগ্ন করিয়া বলিল, ‘আমি সম্পর্কে তোমার কে হই, তুমি জানো না যেন। এই সম্পর্কে মিলন মহাপাপ।’

    কৃষ্ণ ভ্রূ কুঞ্চিত করিয়া বলিল, ‘কে বলে?’

    কৃষ্ণের তর্ক শুনিয়া রাধার আরও হাসি পাইল। ভালমানুষের মতো মুখ করিয়া বলিল, ‘অত সব তর্কের কথা আমি বুঝি না।’

    কৃষ্ণ গজগজ করিল, ‘এ সব তোমার ছলনা। প্রত্যাখ্যানের ফন্দি। স্পষ্ট করে বলো দেখি রাধা তুমি কি মিলন চাও না?’

    রাধার লজ্জা বাড়িল। অস্ফুটে বলিল, ‘না চাই না। যাও।’

    ‘তবে আজ এসেছ কেন?’

    ‘এসেছি এই কথাটুকুই বলতে।’

    কৃষ্ণ এবার ক্রুদ্ধ গলায় বলিল, ‘বাজে কথা রাখো। এ তোমার বড় নিষ্ঠুর খেলা রাধিকে। শুধু এখন নয়, আগেও তুমি এই খেলায় মেতেছ। এর শাস্তি জানো? একেক দিন একেকটা বাহানা তোমার।’

    রাধা আর পারিল না। হাসিয়া বলিল, ‘শাস্তি জানি না, তবে খেলায় যে মজা আছে, সেটা জানি।’

    দূর আকাশে নবীন চাঁদের ফলক উঁকি মারিতেছে। যমুনা তীরের স্নিগ্ধ বাতাসে দুইটি মন ভরিয়া উঠিতেছে ধীরে ধীরে। কদমতলে সুনিবিড় ছায়া নামিয়াছে। নীড়ে ফেরা পক্ষীকুলের কুহুতানে চারিপাশ সংগীতমুখর।

    কৃষ্ণ কঠিন মুখে বলিল, ‘অনেক সহ্য করেছি, আর নয়। এখনই যদি আমার আলিঙ্গনে না আসো, তোমার কপালে দুঃখ আছে প্রাণেশ্বরী। আমি কিন্তু এবার জোর দেখাব। তোমার কলসের দধি দুধ নষ্ট করব, সনাতনী হার কেড়ে নেব, কাঁচুলি ফেলব ছিঁড়ে। তখন বুঝবে মজা কাকে বলে এবং কয় প্রকার। তার আগেই ভালয় ভালয় আমার আলিঙ্গনে এসো।’

    রাধা কাজলে ভাসা ভাসা চোখে অধর ঈষৎ স্ফুরিত করিয়া বলিল, ‘না।’

    ‘আবার না! কেন? এত করে যে চাইছি তোমায়, আমার আলিঙ্গনে আসতে তোমার বাধা কোথায়? তা হলে জোর খাটাই।’

    রাধার বুকে শিহরন জাগিল। আনন্দের শিহরন। এত রং ঢঙে সে যে এই জোরই কামনা করিতেছিল এতক্ষণ। ইতিমধ্যেই আড় চোখে সে দেখিয়াছে প্রিয়তমের হরিণায়ত চক্ষু দুটি কামনার ছটায় আরও মধুর, আরও আপন হইয়া উঠিয়াছে। মিলন আকাঙ্ক্ষায় অধর হইয়াছে পক্ক-বিল্বফলের ন্যায় পুষ্ট, গাঢ়, রক্তাভ। সরল মুখখানিতে সৌন্দর্য ছাড়াও যেন আরও কিছু যুক্ত হইয়াছে। সেই ‘আরও কিছু’ স্নায়ু-শরীরে আগুন ধরাইয়া দিতে জানে।

    রাধা মুখ নামাইল। বুবিল, পালাইবার পথ নাই আর। খেলা সাঙ্গ হইবে এখনই। এবার শুরু সর্বনাশের পালা। যে সর্বনাশের জন্যই এত ছলচাতুরি, এত সাজ। প্রাণাধিক বড় বেশি কামোন্মত্ত হইয়া পড়িয়াছে। রাধার রাঙা মুখখানি দ্রুত রাঙা হইল। ওষ্ঠাধর ঈষন্মুক্ত, আঁখিতারকা নিশ্চল। পল্লবে আসিল কাঁপন। হায় রে, সে নিজেও বুঝিতে পারে নাই, কামনার শিখা কখন তাহার মনেও সঞ্চারিত হইয়াছে! কিছু করিবার নাই আর।

    নিজের ওপর যেমন ক্রোধ হইল, তেমন তৃপ্তির আগাম আনন্দে অন্তরে কাঁপিয়া কাঁপিয়া উঠিতে লাগিল রাধা। স্খলিত আঁচলটি তুলিয়া কাঁচুলির উপর রাখিল। হাঁটু মুড়িয়া, কোলের উপর রাঙা হাত দুটি রাখিয়া ফিসফিস করিয়া বলিল, ‘সে আর নতুন কথা কী? এতকাল যেন জোর খাটাওনি।’

    কৃষ্ণ মৃদু হাসিয়া রাধার হাত ধরিল। গাঢ় স্বরে কহিল, ‘আজ এত সাজ কীসের প্রিয়া?’

    রাধা অস্ফুট বলিল, ‘ওমা, সাজ কই!’

    সত্যি রাধা সাজিয়াছে। মথুরা হাট হইতে ফিরিবার পথে দীর্ঘ সময় ধরিয়া রাধা সাজিয়াছে পুষ্প সাজে। পথের ধারে ফুলের সাজি লইয়া বসিয়া ছিল মালিনী। সে রাধার দুই বেণিতে জড়াইয়া দিয়াছে কুন্দকলি। স্বর্ণ অঙ্গে পুষ্পভূষা আর কর্ণে দিয়েছে শিরীষের কাঁপন। কণ্ঠে ফুলহার রাখিয়াছে এমনভাবে, যাহাতে সে দুলিতে পারে বক্ষযুগলের মৃদু ছন্দে। নিতম্ব অশোকপুষ্পের কাঞ্চীতে সুন্দর। তবে চরণে ফুলের অলংকার দেয় নাই মালিনী। সেখানে আছে অলক্তরাগের উপর সোনার গুঞ্জরী নূপুর। সুন্দরীর অঙ্গে ফুলের আভরণ শোভা বৃদ্ধি করে ঠিকই; কিন্তু পায়ে গুঞ্জরী নূপুর না থাকিলে প্রতি পদক্ষেপে ঝংকার উঠিবে কেমন করিয়া? রাধার নিতম্ব, জঘন, পয়োধর যুগল পত্রপুষ্পে ঝলমল করিতে লাগিল। জীবন্ত কানন যেন! রূপ, সৌরভ আর মন ভোলানোর মায়া লইয়া গুঞ্জরীতে রিনিঝিনিতে আওয়াজ তুলিয়ে হাঁটিতেছে।

    মালিনী রাধার মৃণালভুজে ফুলের অঙ্গদ পরাইতে পরাইতে হ্রস্বস্বরে বলিল, ‘কোন ভ্রমরের কাছে যাবে গো দিদি?’

    রাধা কিল তুলিয়া দেখাইল। হাসিয়া বলল, ‘চুপ কর মুখপুড়ি।’

    মালিনী ঝরঝর করিয়া হাসিয়া উঠিল।

    কদমতলে কৃষ্ণ শুইয়া ছিল ঊর্ধ্বমুখে। বিরহে মনমরা। দীর্ঘদিন রাধার সহিত তাহার দেখা নাই। মনে হইতেছিল কোমল শুষ্কপত্রের শয্যায় কে যেন কন্টক বিছাইয়াছে। কন্টক গোধূলির স্নান আলোতে মনমরা ভাব আরও বাড়িয়াছে। কেবলই মনে হইতেছে সে কি আসিবে? নাকি, সে আসিবে না? ভাবিতে ভাবিতে খানিকটা তন্দ্রাচ্ছন্ন হইয়াছিল কৃষ্ণ। হঠাৎই গুঞ্জরীর রিনিঝিনি শব্দ! চারিপাশের বাতাস সুগন্ধ! ব্যাকুল চিত্তে উঠিয়া বসিল কৃষ্ণ। চমকিয়া উঠিল। সে পত্রপুষ্পে সজ্জিত অপরূপা রাধাকে দেখিয়া তাহার নিশ্বাস বহিতে লাগিল ঘনঘন।

    এত সুন্দর! এ কি সত্য? নাকি এ মায়া?

    ‘রাধিকা! কোথায় ছিলে এতদিন? কোথায় ছিলে প্রাণাধিকা?’

    নতচক্ষুতে অল্প হাসিয়া রাধা কৌতুক করিল। বলিল, ‘কোথায় আর ছিলাম? তোমার পাশেই।’

    কৃষ্ণ আরও ঘন হইয়া রাধার হাত ধরিল। সেই মুঠিতে শুধু প্রেম নয়, জোরও রহিয়াছে। এই জোর ভাঙিয়া ফিরিয়া যাওয়া অসম্ভব। যাওয়া অনর্থক। রাধার অন্তর বাজিয়া উঠিল। ফিসফিস করিয়া বলিল, ‘আঁধার নামুক।’

    খানিক পরেই রাত্রি আসিল। আসিল তারা নক্ষত্রের রত্ন খচিত নীল আঁচলের মতো। ঘন হয়ে আসা প্রণয়ী যুগলকে সযত্নে, স্নেহভরে আবৃত করিল। কৃষ্ণ চক্ষু দিয়া প্রাণেশ্বরীকে আহ্বান করিলে, রাধা তাহার লজ্জা-ভূষণের বাধা সরাইয়া বলিল, ‘তুমি বড় দুষ্ট’। বলিয়া কোমল পেলব বাহু দিয়া জড়াইয়া ধরিল কৃষ্ণের কণ্ঠ। দুরন্ত আবেগে চক্ষু, গ্রীবা, অধর ও সর্বাঙ্গে চুম্বন করিতে লাগিল প্রেমে ও পরম আশ্লেষে। আর কৃষ্ণ? সে অতি যত্নে একটি একটি করিয়া পুষ্প আভরণ থেকে মুক্ত করিতে লাগিল রাধাকে। তাহার পর প্রতিদান দিল চুম্বনে।

    ‘চলো পালাই।’

    ‘কোথায়?’

    ‘যেখানে দু’চোখ যায়। যমুনায় নৌকো ভাসাই।’

    ‘উঁ উঁ চলো, চলো, চলো…।’

    নব নব অনুভবের বিস্ময়-পুলক-ভরা মোহ বিহ্বল সন্ধ্যা থমকিয়া দাঁড়াইল। যেন সময় দিল। মিলন ঘটিল দুটি শরীরের।

    আর এই সময়েই এক কাণ্ড হইল!

    রাধা কৃষ্ণের শিহরিত, চঞ্চল, উদ্বেলিত শরীরের ধাক্কায় একপাশে রাখা কৃষ্ণের মোহনবাঁশিটি গড়াইয়া পড়িল নিঃশব্দে। পড়িল কদমতলা হইতে। তাহার পর পড়িতে লাগিল। পড়িতে লাগিল। পড়িতেই লাগিল…।

    আকাশ পথে স্বর্গের সীমানা বড় কম পথ নহে, সেই সীমানা শেষ করিয়া মোহনবাঁশি যখন মর্তের আওতায় ঢুকিল, তখন সে তাহার রত্নখচিত রূপ, মুক্তার ঝালর, হীরক শোভিত মকর মুখ, স্বর্ণের আভা— সবই হারাইয়া ফেলিয়াছে।

    তখন সে একটি অতি সাধারণ খেলনা বাঁশি মাত্র!

    ২

    আজ ভোরের গাড়িতে বাবা-মা আর বোন ইতি গিয়েছে জামশেদপুর। মামাতো দাদার বিয়ে। দিতিরও যাওয়ার কথা ছিল। সেইমতো গোছগাছ কমপ্লিট করেছিল। বিয়ে বলে শাড়ি বেশি। দুটো টাঙাইল, একটা তসর, ধনেখালি একটা, শিফন আর সুতি একটা করে। তারপরেও মন খুঁতখুঁত করছিল। জিনস, টপস, সালোয়ার আর ক্যেপরি নিয়ে খুঁতখুতানি। ডিসিশন নিতে পারছিল না। ব্যাগে জায়গা নেই, কোনটা বাদ দেবে? এমন সময় খবর এল। সেই খবর জানার পরই দিতি প্রোগ্রাম বাতিল করেছে। খবর ভয়ংকর।

    জামশেদপুরে মামাতো দাদার বিয়ের আড়ালে দিতির বিয়ের তোড়জোড় চলছে!

    এই তোড়জোড়ের মূল উদ্যোক্তা দিতির মেজমামিমা। তিনি সেখানে পাত্রী ‘দেখানো’র ব্যবস্থা করেছেন। পাত্র অতি লোভনীয়। ইঞ্জিনিয়র এবং সুপুরুষ। হাইট একটু শর্টের দিকে তবে গায়ের রং ফরসা। অতিরিক্ত ফরসা। মাথা ভরতি ঘন চুল। নাক টিকলো। শুধু রূপ নয়, পাত্র গুণেও মনভোলানো টাইপ। খুব অল্পদিনের মধ্যে বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে। সবথেকে বড় কথা হল, ছেলের চা-কফি, মদ, সিগারেট কোনও কিচ্ছুর নেশা নেই। মেজমামিমার মতে, এত বড় পৃথিবীতে ভাল-মন্দ অনেক ধরনের পাত্র পাওয়া যায়, কিন্তু নেশাহীন পাত্র পাওয়া যায় না। মেজমামিমা এতেই মজেছেন। মজেছেন এবং খেপেছেন। দিতির মাকে ফোনে বললেন—

    ‘তুমি শুনলে খুব আনন্দ পাবে, তোমার হবু জামাইয়ের নেশা শুধু সুক্ততে। ছোটবেলা থেকেই শ্রীমান তেতোর ভক্ত। সুক্ত ছাড়া উনি খেতেই বসবেন না। পরশুদিনই তো নাকি এক কাণ্ড হয়েছে। ভাতের পাতে নিমপাতা না পেয়ে বাবু তো রেগে আগুন। এক বিচ্ছিরি অবস্থা। বোঝো কাণ্ড একবার! হা হা। নিমের জন্য রাগ! সত্যি কথা বলতে কী, এই কারণেই বাইরে যাওয়ার আগে বিয়েটা সেরে ফেলতে চাইছে। বুঝলে সীমা, বিদেশে সব পাওয়া যায়, সুক্ত পাওয়া যায় না। পাত্রের শখ, লাঞ্চে বউ সুক্ত রেঁধে খাওয়াবে।’

    দিতির মা আমতা আমতা করে বলে, ‘কিন্তু, কিন্তু দিতি তো রান্নাবান্নার তেমন কিছুই জানে না। সুক্ত তো দুরের কথা…।’

    মামিমা চাপা গলায় ধমক দেন।

    ‘চুপ, এসব একদম বলবে না। সব ম্যানেজ হয়ে যাবে। ওরকম পাত্রের জন্য সুক্ত কেন, শিম বেগুন দিয়ে আরশোলার ঝোল পর্যন্ত শিখিয়ে দেব। এখন কাউকে কিছু বলার দরকার নেই, দিতিকেও নয়। ওকে সারপ্রাইজ দেব।’

    এই খবর জানার পরই জামশেদপুর ক্যানসেল করল দিতি।

    কাল রাতে মা ঘরে এল। থমথমে মুখে।

    ‘শুনলাম, তুমি নাকি জামশেদপুরে যাচ্ছ না, ঘটনা কি সত্যি?’

    দিতি শান্ত ভঙ্গিতে ব্যাগ খালি করতে করতে বলল, ‘হ্যাঁ মা সত্যি।’

    ‘কেন?’

    ‘ওমা! বললাম না, পরীক্ষা পড়ে গিয়েছে।’

    ‘পরীক্ষা কি হঠাৎ পড়েছে?’

    দিতি মুখ তুলে হেসে বলল, ‘কেন হঠাৎ পড়লে আপত্তি কোথায়? ইউনিভার্সিটি তার পরীক্ষা হঠাৎ নেবে, না রয়ে-সয়ে নেবে, সেটা তারা বুঝবে।’

    মা কঠিন মুখে বলল, ‘ওসব বাজে কথা রাখো, পরীক্ষা টরিক্ষা কিছু নয়। আমি জানি, তুমি কেন যাচ্ছ না।’

    দিতি তার ব্যাগ থেকে শাড়িগুলো বের করে মন দিয়ে ওয়ার্ডরোবে ঢোকাতে লাগল। শাড়ি পরতে একবারে ভাল লাগে না দিতির। নেহাত বিয়েবাড়ি বলে শাড়ি নিয়েছিল।

    মা বলল, ‘কী হল, উত্তর দিচ্ছ না কেন?’

    দিতি চুপ করে থাকে।

    ‘দিতি, তুমি কি জানতে ওখানে তোমার মামিমা তোমার জন্য…?’

    দিতি হেসে বলল, ‘জানতাম না মা, জেনেছি। শুনেছি, ছেলে খুব ভাল। একটু বেঁটের দিকে, কিন্তু ফরসা। আজকাল ফরসা ছেলেদের খুব ডিমান্ড। একসময় আমেরিকায় ব্ল্যাকদের জন্য এমন ছিল।’

    মা চাপা গলায় হিসহিস করে উঠল।

    ‘চুপ। একদম চুপ। সবকিছু রসিকতা করার জিনিস নয় দিতি। এরকম একটা ভাল সুযোগ তুমি হারাতে পারো, আমরা হারাব না। সামনের অক্টোবরে ওই ছেলের পেনসিলভেনিয়া চলে যাওয়ার কথা পাকা। ততদিনে তোমার ফাইনাল হয়ে যাচ্ছে। তুমি যদি এম বি এ পড়তে চাও, সেখানে গিয়েও পড়তে পারো। সবদিক ভেবেই আমরা রাজি হয়েছি। ইতিমধ্যেই তারা তোমার ফটো দেখে পছন্দ করে ফেলেছে। এবার তোমাকে দেখবে। তারপর একটা…’

    দিতি নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে বলল, ‘আমি শুনেছি মা, মোট তিন পর্যায়ের পরীক্ষা। শেষে একটা ইন্টারভিউ হবে তো? সুক্তর ওপর ইন্টারভিউ।’

    মা কঠিন গলায় বলল, ‘চুপ করো। দিতি, স্বাধীনতা মানে নিজের গলা কাটার স্বাধীনতা নয়। আমরা চাই তুমি এই বিয়ে করো। আশা করি, তুমিও চাইবে। কারণ তুমি বুদ্ধিমতী। নিজের ভাল বোঝার সঙ্গে বুদ্ধি, স্বাধীনতা বা আধুনিকতার কোনও ঝগড়া নেই। যাক, তাড়াহুড়োর কিছু নেই। হাতে ক’টা দিন সময় রইল। ঠান্ডা মাথায় ভাবো। আমি এখনই কাউকে কিছু বলছি না। আমি চাই না, এটা নিয়ে একটা শোরগোল বাধুক। ভাবা হয়ে গেলে, তোমার বাবাকে একটা ফোন কোরো। সে এসে তোমাকে জামশেদপুরে নিয়ে যাবে।’ এই পর্যন্ত বলে মা থামল। তারপর চশমার ফাঁক দিয়ে মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘অনেক খবর পেয়ে গিয়েছ দেখছি। ছেলের নাম কী, জেনেছ? মনে হয় না জেনেছ। খুবই সুন্দর নাম। সিঞ্চন। ভোম্বল, কম্বল বা ডাম্বেলের থেকে যে সুন্দর, সেটা তো মানবে?’

    কথা শেষ করে মা ঘরের বাইরে চলে গেল।

    দিতি ঠান্ডা মাথায় ভেবেছে এবং ফোন করেছে। তবে বাবাকে নয়, ভোম্বলকে।

    ‘অ্যাই, তুমি বিকেলে একবার আসবে।’

    ‘ইমপসিবল, বিকেলে তিন-তিনটে টিউশন দিতি। আর মধ্যে একটা বাড়িতে মাইনে দেওয়ার কথা। দু’মাসের মাইনে বাকি।’

    দিতি ঠান্ডা গলায় বলল, ‘টিউশন কামাই করবে। মাইনে আমি দেব। কত টাকা? হাউ মচ?’

    ভোম্বল হাল ছাড়া গলায় বলল, ‘ঠিক আছে, কোথায় যাব?’

    দিতি বলল, ‘আমার বেডরুমে। কী চুপ করে আছ কেন? ভয় পেলে? ঠিক আছে বেডরুম দরকার নেই ডার্লিং, তুমি আমাদের ড্রইংরুম পর্যন্ত এসে, তা হলেই চলবে।’

    ভোম্বল অবাক গলায় বলল, ‘তোমার বাড়িতে! মাথা খারাপ হল নাকি?’

    ‘মনে হচ্ছে, হয়েছে। মাথা খারাপ হয়ে তোমাকে জড়িয়ে বসে থাকব ঠিক করেছি।’

    ‘এসব কী বলছ দিতি! আমার তো ইচ্ছে করছে এখনই ছুটে চলে যাই।’

    দিতি এতক্ষণ নিজের খাটে শুয়ে ছিল হাত পা ছড়িয়ে। বাবা-মা বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই সে শুয়ে আছে। শুয়ে শুয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কাল সকালেই ভোম্বলকে নিয়ে ম্যারেজ রেজিষ্ট্রি অফিসে যাবে। সেখান থেকে বেরিয়ে বাইরে কোথাও লাঞ্চ করবে। তারপর, মামিমাকে মোবাইলে ধরবে।

    ‘মামিমা, সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। বলতে লজ্জা করছে, কিন্তু ছেলে আমার খুবই পছন্দ হয়েছে। আমি তার জন্য উচ্ছে বেগুন আর নিমপাতা দিয়ে সুক্তর একটা চমৎকার প্রিপারেশন শিখেছি। প্রথমে উচ্ছের বিচি বের করে পেট চিরে নিতে হবে, তারপর, বেগুনগুলো ডুমো ডুমো করে কেটে কড়াইতে অল্প তেলে সাঁতলে… থাক, তুমি কলকাতায় এলে রেঁধে দেখাব। একেবারে হাতেকলমে পরীক্ষা দেব। আমি শিয়োর, আমার রাঁধা সুক্ত পাত্রের খুবই পছন্দ হবে। সমস্যা শুধু একটাই। ঘণ্টাখানেক আগে আমি হুট বলতে নিজের পছন্দমতো একটা বিয়ের ব্যবস্থা করে ফেলেছি। পাত্র ভাল নয়, বেকার, টিউশন মাস্টার। তবে কম্পিউটার শিখছে, মনে হয় একটা কিছু হয়ে যাবে। খুব শিগগিরই ফটো পাঠাব। ফটোতে গায়ের রং ময়লা মনে হবে, তবে আসলে ময়লা নয়, কাজের ধান্দায় রোদে ঘুরে… নাম শুনে তো হাসতে হাসতে মরে যাবে। ভোম্বল। এই যুগে একটা রেয়ার নাম। যাক, বাবা-মাকে এখনই কিছু বোলো না। বিয়ে টিয়ে মিটে আমি নিজে ফোন…।’

    দিতি উঠে বসল। ফোনে হেসে বলল, ‘ভয়ের এখনই কী দেখছেন ভোম্বলবাবু, আরও ভয় আসছে। কামিং। তবে তুমি যা ভাবছ, সেরকম কিছু নয়। বাড়ি ফাঁকা। বাবা-মা, ইতি জামশেদপুরে গিয়েছে আজ সকালে। তাড়াতাড়ি চলে এসো, একটা মারাত্মক পরিকল্পনা করেছি।’

    ভোম্বল ওপার থেকে ফিসফিস করে বলল, ‘চুমু খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে বলো।’

    ‘অসভ্য কোথাকারে, আগে জরুরি কথা।’

    ‘কেন আগে মিষ্টি মুখ দিয়ে শুরু করলে ক্ষতি কী?’

    দিতি খিলখিল করে হেসে বলল, ‘মিষ্টি না ঝাল বুঝতে পারবে স্যার। আরও বেশি হতে পারে।’

    ভোম্বল বলে, ‘ফ্যানটাস্টিক। এখন যাব?’

    দিতি গম্ভীর গলায় বলে, ‘না, এখন নয়। এখন আমি সুক্তর প্রিপারেশন শিখব। তারপর তোমার জন্য একটা নাম ভাবব।’

    শ্রীমান ভোম্বল আসে বিকেলের একটু পরে পরে। চোখ মুখে আনন্দ, চাপা উত্তেজনা। এই প্রথম সে প্রেমিকার বাড়িতে এত স্বচ্ছন্দে ঢুকছে। যে এক-দু’বার এসেছে, দিতির মা তার সঙ্গে খুবই ঠান্ডা আচরণ করেছেন। তার মতো একটা বেকার, অপোগণ্ড ছেলের সঙ্গে প্রেমিকার মা হেসে হেসে কথা বলবে, আশা করাটা ঠিক নয়, তবু…।

    দিতি সেজেছে। আকাশ নীল জিনসের সঙ্গে ‘স্যান্ডেল উড’ রঙের টপ। থাই পর্যন্ত ঝুল। চাইনিজ কলার, থ্রি কোয়াটার স্লিভস। এই টপ বাছতে তার সময় লেগেছে। টপের কোমর, গলা আর হাতে সুতো দিয়ে ফুল আঁকা। হঠাৎ দেখলে মনে হবে ফুলের সাজ। গলায় ব্ল্যাক স্টোনসের মালা। মালায় বিডস আর মেটাল। কানেও তাই। বড় বড় স্টোন। খুব দুলছে। দক্ষিণাপণ ঘুরে কিনতে হয়েছে। সময় লেগেছে। দিতির খুব ইচ্ছে ছিল, মাথাতেও একটা কিছু দেয়। ব্যান্ড ধরনের কিছু। কিন্তু মনের মতো কিছু পাওয়া যায়নি। যে দু’-একটা ভাল ছিল, ইতি নিয়ে চলে গিয়েছে।

    ভোম্বল গদগদ মুখে বলল, ‘এত সেজেছ কেন মাইরি?’

    দিতি হেসে বলল, ‘শাট আপ, ডোন্ট ইউজ স্ল্যাংস।’

    ‘সরি, ভেরি সরি। হেভি লাগছে কিন্তু। স্লিম অ্যান্ড সেক্সি।’

    দিতি চোখ পাকিয়ে বলল, ‘খুব সাহস, না?’

    ভোম্বল পা নাচাতে নাচাতে বলল, ‘বেশি নয়, একটু।’

    ‘আজ যে কথাটা তোমাকে বলব সেটা না সেজে বলা যায় না। নাও কফি খাও। আমি নিজে হাতে করেছি।’

    বাইরে সন্ধে নামছে। আজকাল আর যাদবপুরের এদিকটায় সন্ধে অন্ধকারে বোঝা যায় না। বোঝা যায় ঝলমলে আলোয়।

    ভোম্বল কফির মগে চুমুক দিয়ে বলে, ‘কথা পরে, আগে পাশে এসে একটু বসো দেখি। বাড়িতে কেউ নেই তো?

    দিতি উঠে গিয়ে ভোম্বলের পাশে বসল। ভোম্বলের নাকটা ধরে এক গাল হেসে বলে, ‘আছে। ভূত আর পেতনি। রান্নার মাসিকে পর্যন্ত ছুটি দিয়ে দিয়েছি।’

    ভোম্বল দিতির কোমরে হাত রাখে। কানের কাছে মুখ নিয়ে বলে, ‘একটা চুমু খাব?’

    দিতি চোখ পাকিয়ে বলে, ‘খেপেছ? এখন কী ঋতু জানো।’

    ‘কী?’

    ‘একটা গাধা। এখন হল বসন্ত ঋতু। এইসময় ওসব করলে কেলেঙ্কারি হয়।’

    ভোম্বল চট করে দিতির রসিকতা ধরতে পারে না। ভুরু কুঁচকে বলে, ‘কী কেলেঙ্কারি হয়?’

    দিতি ঠোঁট কামড়ে বলে, ‘কী আবার, সব উলটেপালটে যায়।’

    ‘মানে? ইয়ারকি হচ্ছে? আমাকে বোকা পেয়েছ না? আগে এসো, এসো বলছি। নইলে কিন্তু জোর করব।’

    ভোম্বল মুখ বাড়ায়।

    দিতি হেসে ফেলে। নিজের মুখ সরিয়ে হাত তুলে হাসতে হাসতে বলে, ‘অনেক সময় পাবে, হাঁদারাম। এখন কাজের কথাটা শোনো। কাজের কথা হয়ে গেলেই…।’

    ভোম্বল সোফায় হেলান দেয়। আবছা অন্ধকারেই তার চোখ চকচক করে ওঠে।

    ‘ঠিক তো। প্রমিস?’

    ‘প্রমিস। বসন্তকালের প্রমিস। সব প্রমিস ভাঙা যায় কিন্তু সিজনের নামে প্রমিস ভাঙা যায় না। নাও এবার শোনো দেখি। একটা বিপদে পড়েছি। মা আর মেজমামিমা মিলে আমার বিয়ে ঠিক করেছে।’

    ‘বিয়ে!’ ভোম্বল সোজা হয়ে বসে।

    ‘হ্যাঁ, পাত্র লেখাপড়ায় খুবই ভাল। সুক্তর ওপর ডক্টরেট আছে। এবার মন দিয়ে শোনো’

    মন দিয়ে শোনার পর মিনিট খানেক সময় নেয় ভোম্বল। প্রথমে নাকটা ফুলে ওঠে। তারপর ঠোঁট কাঁপতে থাকে। চোখ বিস্ফারিত হয়। মাথার চুল খাড়া হয়ে ওঠে নিজে থেকেই। কফির মাগ হাতে লাফিয়ে ওঠে সে। কফি চলকে পড়ল সোফায়, কার্পেটে।

    ‘খেপেছ? পাগল হয়েছ? বিয়ে! ওরে বাবা! অসম্ভব… ইমপসিবল। জানাজানি হয়ে গেলে কেলেঙ্কারি… আমার বাবা, তোমার মা…। তোমার মা… আমার বাবা…। একটা সামান্য সুক্তর জন্য তুমি এতবড় একটা সিদ্ধান্ত নিতে চলেছ দিতি? আমাকে বিয়ে করতে বলছ দিতি… ফরগিভ মি, ফরগেট মি… উফস…। না, নো, নেভার…।’

    দিতি অবাক হয়ে দেখে ‘স্মার্ট ভোম্বল’-এর ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে অন্য একটা ভোম্বল!

    অবাক ভাব কেটে গেলে দিতির দুঃখ হতে থাকে। চোখ ফেটে জল আসে। কী হবে? গলার ব্ল্যাক স্টোনসের হার আঙুল দিয়ে পেঁচাতে পেঁচাতে কান্না কন্ট্রোল করে দিতি। উঠে দাঁড়ায়। বানানো হেসে বলে, ‘কফি শেষ করো। তোমার টিউশনে দেরি হয়ে যাচ্ছে না?’

    ভোম্বল গুম মেরে বসে থাকে এবং একসময় ঠান্ডা কফিতে লম্বা চুমুক দিয়ে উঠে পড়ে।

    রাত পর্যন্ত ঘর অন্ধকার করে শুয়ে থাকে দিতি। খোলা জানলা দিয়ে বাতাস আসা-যাওয়া করে। বসন্তের বাতাস? বেশ লাগে দিতির। একা একা বাড়িতে থাকা তো হয় না।

    সে অন্ধকারেই জামশেদপুরে বাবাকে টেলিফোনে ধরে।

    ‘হ্যালো বাবা, পরশু বিকেলে পরীক্ষা দিয়ে যদি রওনা হই? তুমি আসতে পারবে না?’

    কথা শেষ করে খাট থেকে নেমে পড়ে দিতি। বাথরুমে গিয়ে চোখে মুখে জল দেয়। পেনসিলভেনিয়ায় এম বি এ এন্ট্রাসের পরীক্ষা কেমন? হার্ড? শুধুই কি রিট্‌ন? নাকি ভাইভাও দিতে হয়? বাথরুম থেকে বেরিয়ে এসে গুনগুন করে গান ধরে। ঘরের আলো জ্বালায়। আর তখনই দরজার গোড়ায় জিনিসটা চোখে পড়ে!

    আরে ওটা কী! এখানে এল কী করে!

    একটা বাঁশি! অতি সাধারণ একটা বাঁশি।

    ৩

    বাঁশরী ধ্বনিতে রাধা চমকিয়া উঠিল। ডাক আসিয়াছে, ডাক আসিয়াছে।

    রাধা চারপাশে তাকাইল সচকিত ভঙ্গিতে। সখি ও মাঝিদের আড়াল করিয়া ঘাটের পাশে সরিয়া আসিল দ্রুত। কেহ যেন দেখিতে না পায়, বুঝিতে না পারে।

    লাজুক নয়নে, রাঙা মুখে কাঁচুলির ভিতর হইতে মোবাইলটি বাহির করিল রাধা। রিংটোনে মধুর বাঁশরী ধ্বনি বাজিয়া উঠিল ফের।

    প্রতিদিন রোববার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }