Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প833 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যে যা পারে না

    যে যা পারে না! এ আবার কী রে বাবা! শাম্বদা মিটিমিটি হেসে বলল, ‘দেখ না কী কাণ্ড হয়। এবারের নবমী একেবারে জমজমাট হয়ে যাবে। একেই বলে যথার্থ রিয়ালিটি শো।’ মেঘনা ভয়-ভয় মুখে বলল, ‘শাম্বদা, পুজোর সময় কোনও ঝামেলা-টামেলা হয়ে যাবে না তো? করতে গেলাম ফান, হয়ে গেল উলটো। তা হলে পুটো কমিটি কিন্তু ছেড়ে কথা বলবে না।’ শাম্বদা মেঘনার কাঁধে হাত রেখে বলল, ‘দূর বোকা, সবাই দারুণ খুশি হবে। আইডিয়া কাকে বলে দেখবি। শুধু একটা নোটিশ দিতে হবে।’ আমি ভুরু কুঁচকে বললাম, ‘কী নোটিশ?’ শাম্বদা বলল, ‘নোটিশে লেখা হবে— এই খেলায় নাম দেওয়ার সময় দয়া করিয়া কেহ মিথ্যে বলিবেন না। কী পারেন আমরা তাহা জানিতে চাহি না। যাহা পারেন না তাহাই করিয়া দেখান এবং পুরস্কার জিতুন। কমিটির সঙ্গে কথা বলে প্রাইজ মানিটা হেভি রাখতে হবে।’ অর্ক বলল, ‘মিথ্যে বলার উপায় নেই। আমাদের হাউজিং-এ কে কী পারে, না পারে আমাদের ভালমতোই জানা আছে। বৈশালী কাকিমা গান গাইলে কী কেলেঙ্কারি হয় তা কি আমরা জানি না ভেবেছ? কিংবা ধরো, অপূর্ব কাকুর রান্না। নুন ঝালে পোড়া। মুখে দিলে তিড়িং-বিড়িং করে টানা তিন দিন লাফাতে হবে। বিদিশা মাসিমার ড্রইং? ল্যান্ডস্কেপ আঁকলে তলায় লিখে দিতে হয়— ইহা একটি দৃশ্য। সূর্য অস্ত যাইতেছে। নৌকো চলিতেছে। তারপর ধরো অন্তরার সাজগোজ। যত সাজবে, তত পেতনি ওয়ার্ল্ড ওকে দলে নেবার জন্য টানাহেঁচড়া করবে। সবই জানি। আমাদের ফল্‌স উপায় নেই।’ শাম্বদা কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, ‘যে মিথ্যে বলবে, সে-ই ঠকবে। এই খেলায় কে ভাল পারল, তা তো আর জাজ করা হবে না। জাজ করা হবে কে পারল না।’ আমি বললাম, ‘আরে এর মধ্যে হেনস্তা করার কী দেখছি! আমরা তো আর কাজের এক্সসেলেন্স দেখব না। আমরা দেখব স্পিরিট। পারি না, তবু বুক ফুলিয়ে, সাহস করে করবার চেষ্টা করলাম। এটাই তো ফেস্টিভ্যালের স্পিরিট। যার স্পিরিট যত ভাল হবে, সে-ই জিতবে। ইটস্‌ জাস্ট ফান।’

    সবাই হইহই করে উঠল। আমি চুপ করে রইলাম। শাম্বদা বাড়াবাড়ি করছে। বেশি পাকা। মজার খেলা খেলতে গিয়ে একটা গোলমাল না হয়ে যায়। মনে হচ্ছে হয়ে যাবে।

    পুজোর সময় আমাদের এখানে এমনিতেই নানান ধরনের গোলমাল হয়। কাশফুল, শরতের মেঘ দেখলে সবাই বুঝতে পারে পুজোর আর দেরি নেই। মন আনন্দে নেচে ওঠে। আমরা যারা ‘সুখে আছি’ হাউজিং-এ থাকি, তাদের মন আনন্দে নেচে ওঠে জি-ব্লকের অবনী মেসোমশাইয়ের সঙ্গে এ-ব্লকের পরিতোষকাকুর মুখ দেখাদেখি বন্ধ হলে বুঝতে পারি, উৎসব শুরু হয়ে গেছে। পুজো ইজ নকিং অ্যাট দ্য ডোর।

    অবনী মেসোমশাই আর পরিতোষকাকুর ঝগড়া এবার কঠিন পর্যায়ে পৌঁছেছে। সামনাসামনি দেখা হলে তারা মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে। শুধু মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে না, নাক দিয়ে ‘ফুঃ’ ধরনের অবজ্ঞাসূচক আওয়াজও করছে। ঝগড়ার কারণ অতি গুরুত্বপূর্ণ। পুজোর ক’দিন হাউজিং-এর খাওয়া-দাওয়ার মেনু। সপ্তমীর দিন ছেঁচড়া, না নবমীতে আলু-পটলের তরকারি? শুনেছি অবনী মেসোমশাই এবার দু’দিনেই ছেঁচড়ার পক্ষে। পরিতোষকাকু চাইছেন ছেঁচড়া একদিন অফ করে দেওয়া হোক। আলু-পটলের সঙ্গে ছেঁচড়া যায় না। অবনী মেসোমশাই বলেছেন, ‘এ তো ফাইভস্টারের ডিশ নয়, পুজোর সময় হাউজিং-এর সবাই মিলে একসঙ্গে বসে হইচই করে খাওয়া। এখানে অত যাওয়া-আসা দেখলে চলে না।’ ব্যস। এর পরেই দু’জনের কথা স্টপ। তবে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। ষষ্ঠীর আগে ঝগড়া মিটে যাবে। গত বারো বছর ধরে মেনু নিয়ে এই কাণ্ড চলছে।

    আমাদের পুজোয় মজা খুব বেশি। এত বেশি যে পুজোর ক’টা দিন হাউজিং ছেড়ে আমাদের কোথাও যেতে ইচ্ছে করে না। সেই স্কুলের সময় থেকেই এরকম চলছে। এখন বড় হয়েছি। কলেজে পড়ছি। উৎসাহ কমা তো দূরের কথা, উলটে বাড়ছে। মেয়ে বলে অন্য সময় মা রাত পর্যন্ত বাইরে থাকতে দেয় না। সন্ধে হলেই মোবাইলে জ্বালাতন শুরু হয়ে যায়। ‘কোথায় আছিস?’, ‘কখন ফিরবি?’, ‘বাবা কিন্তু রাগ করবে।’ পুজোয় নো ডাকাডাকি। রাত পর্যন্ত প্যান্ডেলে বসে থাকলেও কেউ কিছু বলে না। এগারোটার সময় ঝালমুড়ি বা এগরোল নিয়ে আমরা নতুন করে গল্প শুরু করি। হাসতে হাসতে ডেকরেটরের নড়বড়ে চেয়ার থেকে ঘাসের ওপর পড়ে যাই। মনে হয় রাত এগারোটা নয়, মোটে সন্ধে ছ’টা বাজে।

    যারা সারা বছর বাইরে পড়াশোনা করে বা চাকরি করছে, তারাও এই ক’দিন হাউজিং-এ ফিরে আসে। যারা ছুটিতে বেড়াতে যায়, তারা ট্রেনের টিকিট কাটে দশমীর পর। ঠাকুর ভাসান হয়ে গেলে সুটকেস গোছাতে বসে। যদি কেউ আগে যায়, তা হলে রওনা দেওয়ার সময় এমন মুখ করে থাকে, যেন বিরাট শাস্তি পেয়েছে। ট্রেনে চেপে কুলুমানালি বা মুসৌরি বেড়াতে যাচ্ছে না, যাচ্ছে দ্বীপান্তরে। প্যান্ডেলের দিকে তাকিয়ে ফোঁস ফোঁস করে দীর্ঘশ্বাস ফেলে।

    আসল কথা হল, আমাদের ‘সুখে আছি’ হাউসিং-এ পুজোর হাসি, হইচই, হুল্লোড়ের সঙ্গে সবসময়েই খানিকটা ঝগড়া, কিছুটা হিংসুটেপনা, বেশি মাত্রায় পরনিন্দা-পরচর্চা এবং সর্বোপরি দু’-একটা নির্দোষ ষড়যন্ত্র মিলেমিশে থাকে। ফলে উৎসব আরও ইন্টারেস্টিং হয়।

    শারদীয় পরনিন্দা-পরচর্চা পর্বটি আমাদের হাউজিং-এ অতি উত্তেজনাময় একটা ঘটনা। ঘটনা খুব গোপনে ঘটলেও কীভাবে যেন সকলেই সব জেনে যায়! হাউজিং-এর মাসিমা, কাকিমা, পিসিমারা এই সময়টা এক্সটেনসিভ পরিশ্রম করেন। ই-ব্লকের মৈত্রেয়ী মাসিমা দুপুর হলেই তিনতলায় তপতী কাকিমার ফ্ল্যাটে ছুটছেন। সেখানে খানিকক্ষণ কাটিয়েই তাঁকে চলে যেতে হচ্ছে ডি-ব্লকের ইরা পিসিমার কাছে। ‘কিছুতেই বলব না’ বলেও আগের আলোচনা সব ফাঁস করে তিনি সোজা চলে যান সি-ব্লকে। কারণ, চান্দ্রেয়ী বউদি ডেকে পাঠিয়েছেন— ‘মৈত্রেয়ী, তাড়াতাড়ি চলে এসো। খবর আছে।’ কী খবর? দোতলার তন্দ্রা বউদি নাকি পুজোর কটা দিন ফরসা হবে বলে গাজর আর আপেল সেদ্ধ মুখে মেখে গোটা সকালটা সূর্যের দিকে তাকিয়ে বসে ছিল। রান্না-টান্না পুড়ে কেলেঙ্কারি। প্রতিবাদে তন্দ্রা বউদির শাশুড়ি অনশন শুরু করেছেন। পুত্রবধূকে বলেছেন, ‘বউমা, তুমি গাজর এবং আপেল খাও। আমার আজ নো মিল।’ এ ছাড়াও কে বেশি শাড়ি কিনে ডাঁট দেখাচ্ছে, কে পিছিয়ে পড়েছে, তাঁতের ব্লক প্রিন্টে কাকে পেতনির মতো লাগবে, তসরে অ্যাপ্লিক লাগিয়ে কে রাম ঠকান ঠকেছে, চুড়িদারের সঙ্গে আনারকলি কাট কামিজ কিনে কোন দুই মেয়ের মা খুকি সাজবার চেষ্টা করছে— এসব হট টপিক তো আছেই।

    আমার মা একজন খুবই ভালমানুষ টাইপ মহিলা। তিনি এসবের মধ্যে থাকেন না। খবর পেলাম, এবার প্রাকপুজো পরচর্চাপর্বে তিনি নাকি ‘সুখে আছি’ হাউজিং-এ সবার আগে রয়েছেন। তাঁকে বিভিন্ন ফ্ল্যাট থেকে ঘনঘন ডেকে পাঠানো হচ্ছে। মোবাইলে দীর্ঘ সময় ফিসফিসানি চলছে। বুঝতে পারছি, এ বছর আমার মা কোনও মজাই ছাড়তে রাজি নয়।

    এবার দু’-একটা হিংসুটেপনার উদাহরণ দিই।

    জি-ব্লকের রঞ্জনা শুনলাম, দু’দিন আগে ই-ব্লকের আরিত্রিকাকে একটা এস এম এস পাঠিয়েছে। বয়ান এরকম— ‘তোমার মন যে এত ছোট আমি কল্পনাও করতে পারিনি আরিত্রিকা। সামান্য জুতোর হিল নিয়ে তুমি এত কাণ্ড করলে! তোমাকে সেদিন আমি গল্প করে বললাম, হাই হিলের একটা চমৎকার জুতোর খোঁজ পেয়েছি। একেবারে এক্সক্লিউসিভ। ভাবছি কিনে নেব। নবমীর রাতে আমার ফ্লোরাল প্রিন্টের কুর্তিটার সঙ্গে পরব। তুমি ভালমানুষের মতো মুখ করে বললে, ভেরি গুড়, কিনে নাও। অথচ খবর পেলাম, গতকাল তুমি ঠিক ওই দোকানে গিয়ে জুতোটা কিনে নিয়েছ। ছি ছি।’

    হিল বিষয়ক হিংসের পর আসি আলো বিষয়ক হিংসুটেপনায়।

    কাল দেখি শৌভিক মুখ শুকিয়ে জিজ্ঞেস করতে বলল, দেবাঞ্জন তাকে থ্রেট করেছে। থ্রেট! কেন? গতবার শৌভিক সপ্তমীর সান্ধ্য গানের আসরে স্টেজে আলো ফেলছিল। বালিকাদের কোরাসের সময় সে নাকি ইচ্ছে করে দেবাঞ্জনের বোনের বদলে আলো ফেলেছিল নিজের বোনের মুখে। এবার যদি একই ঘটনা ঘটে, তা হলে গানের পর শৌভিকের বিপদ আছে বলেছে। সপ্তমীর রাতেই তার বিসর্জনের ব্যবস্থা হবে। সত্যি কথা বলতে কী, ‘সুখে আছি’ হাউজিং-এর সব থেকে বেশি গোলমাল হয় ফাংশন নিয়ে। এবারও হয়েছে। আগে একটা নাটক হত, গোলমালের কারণে এবার হচ্ছে তিনটে। কমিউনিটি হলে তিন দফায় তিন মাস ধরে অডিশনপর্বে অ্যাক্টর সিলেকশন হয়েছে। বাছাই নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ। স্বজনপোষণের অভিযোগ। বিক্ষোভ সামাল দিতে নাটকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তাতেও বিক্ষোভ সামলানো যায়নি। গান, আবৃত্তি, নাচেও একই গোলমাল। জি-ব্লকের মঞ্জু মাসিমা প্রতিবাদে আলাদা করে গীতিনাট্যের ব্যবস্থা করেছেন। প্যারালাল প্রোগ্রাম। রবীন্দ্রসংগীত-নজরুলগীতি-অতুলপ্রসাদের গান পাঞ্চ করে হিন্দি সিনেমার নৃত্য সহযোগে একটা জগাখিচুড়ি ব্যাপার। ফাংশন থেকে বাদ পড়া ছোট-বড়রা এতে যোগ দিয়েছে। পুজো কমিটি এই প্রতিবাদী গীতিনাট্য এখনও অনুমোদন করেনি। মঞ্জুমাসিমা জানিয়েছেন, অ্যালাও না করলে বয়ে গেল। অষ্টমীর সন্ধেবেলা তিনি দলবল নিয়ে স্টেজে উঠবেন এবং নাচ শুরু করবেন। নাচ কে থামায় তিনি দেখতে চান। সেরকম হলে পুলিশে কমপ্লেন করবেন। ভয়াবহ টেনশনের ব্যাপার। টেনশন বাড়ছে, পুজোর মজাও বাড়ছে। মনে হচ্ছে, ইস, গতবার কেন এমন টেনশনের ঘটনা ঘটেনি?

    তবে আমাদের মূল ঝগড়া শুরু হয় কমিটি তৈরির সময়। মূল পুজো কমিটি ঠিক থাকলেও সাব-কমিটি নিয়ে বিরাট গোলযোগ লেগে যায়। চাঁদা, হিসেবনিকেশ, প্রতিমা, আলো, ফাংশন, ভাসান, খাওয়া-দাওয়া—সবকিছুরই আলাদা আলাদা সাব-কমিটি রয়েছে। হাউজিং-এর সবাই একটা না একটা কমিটিতে ঢুকতে চায়। জোর পলিটিক্স চলে। পাবলিক ডিমান্ডে সাব-কমিটির সংখ্যা প্রতি বছরই বাড়ছে। এ বছর যেমন নতুন দুটো হয়েছে। মাইকে গান বাজানোর সাবকমিটি আর প্রসাদ বিতরণ সাব-কমিটি। আমরা কমবয়সিরা এবার আরও একটা কমিটি বানিয়েছি। ফান সাবকমিটি। ফান কমিটি প্ল্যান-প্রোগ্রাম করছে, পুজোর তিনদিন হাউজিং বাসিন্দারা কী কী মজার খেলায় মাতবে। পরিকল্পনা শুনে কমিটির বয়স্করা প্রথম ভুরু কুঁচকেছিল। আমরা তাদের বুঝিয়েছি, ফান ছাড়া ফেস্টিভাল হয় না। ফানের মধ্যে রয়েছে ষষ্ঠীর রাতে ফ্যাশন শো। সেই শো-তে ‘মিস সুখে আছি’ এবং ‘মিস্টার সুখে আছি’ সিলেক্ট করা হবে। সপ্তমীর বিকেলে মিউজিক্যাল চেয়ার। অষ্টমীর সন্ধেতে গো অ্যাজ ইউ লাইক। শুধু নবনীর দিনটা বাকি। সাব-কমিটি মিটিং-এ বসেছে। কমিটিতে আমি যেমন আছি, তেমন শাম্বদা রয়েছে। শাম্বদা সেক্রেটারি। শাম্বদার কমিটিতে থাকার ব্যাপারে আমার আপত্তি আছে। কারণটা গোপন গোপন কারণ শুনে অনেকে মনে করতে পারে শাম্বদা ছেলে খারাপ। না, শাম্বদা ছেলে খারাপ নয়। বরং ছেলে অতিরিক্ত ভাল। শিবপুরে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে। গায়ের রং কালোর দিকে হলেও দেখতে হ্যান্ডসাম। গানের গলা সুন্দর। গিটার হাতে বব ডিলান, পিট সিগার, জন ডেনভারের গান ধরলে মুগ্ধ না-হয়ে উপায় থাকে না। তবে আজকাল কায়দা করে নিজে গান লিখে সুর বসাচ্ছে। সেগুলো অবশ্য অতি অখাদ্য। সে হোক, সবার সবকিছু ভাল হয় না। তবে আমার আপত্তি অন্য কারণে। শাম্বদা গত বছর পুজোর সময় আমাকে…। থাক, গোপন জিনিস গোপন থাকাই ভাল। আমি তাকে জানিয়ে দিয়েছিলাম, ‘আমার দ্বারা এসব হবে না। আমি এসব পারি না।’ এই কারণেই ওই ছেলের সঙ্গে আমার কমিটিতে থাকতে আপত্তি। তবু সবাই যখন বলল থাকতে হবে, আমি মুখে কিছু বলিনি। একটা কিছু হলেই চোখ বড় বড় করে গুজগুজ ফুসফুস শুরু করে দেবে। আমিও করি। কিন্তু শাম্বদার সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে কোনও কানাঘুষো হোক, তা আমি চাই না। সেইজন্য চুপ করে মেনে নিয়েছি।

    নবমীর রাতের নতুন মজার পরিকল্পনাও মেনে নিলাম। তবে আমার স্থির বিশ্বাস, আমরা একটা বড় বিপদের মধ্যে পড়তে চলেছি। ‘সুখে আছি’ হাউজিং-এর বাসিন্দারা ‘যা পারে না’ তা নিয়ে কেরামতি দেখাতে গিয়ে বিরাট প্রেস্টিজের মধ্যে পড়বে। হাজার ঝগড়া, হিংসুটেপনা, পরচর্চায় পুজোর যে আনন্দ কখনও নষ্ট হয়নি, এবার হবে। সবথেকে বড় কথা, এই খেলায় কেউ যোগ দেবে না। উৎসবের দিন ফেল করতে কে চায়?

    …যা বাব্বা! নবমী এবার সবথেকে আনন্দের হয়েছে। শাম্বদার নতুন খেলায় কম্পিটিটরের সংখ্যা একশো ছাড়িয়ে গিয়েছিল। প্যান্ডেলের মাঠে জায়গা করে রিয়ালিটি শো চলেছে দুপুর থেকে সন্ধে পর্যন্ত। শম্ভু কাকুর নাচ, শুভশ্রীর হাই জাম্প, লীলাবতীদির আবৃত্তি, শ্যামল মেশোর কীর্তন, অর্কপ্ৰভদার সুচে সুতো পরানো, প্রান্তিকের তবলা, সৌরভবাবুর শাড়ি ভাঁজ, অমিয়দার অমলেট রান্না, বিদিশা মাসির নাট-বল্টু লাগানো— একেবারে হইহই ফেলে দিল। সবাই এত হেসেছে যে যে হাউজিং-এর বাইরে পর্যন্ত ভিড় জমে গেল। তারা অবাক হয়ে পাঁচিলের ওপর দিয়ে উঁকি মারতে লাগল। এত ফুর্তি!

    যদিও আমি ছিলাম দূরে দূরে। প্ল্যান ছিল গোলমাল লাগলেই কেটে পড়ব। শাম্বদার পাকামির জন্য আমি কেন বড়দের গালি খাব? খেলা শেষ হয়ে যাওয়ার পর সবাই দেখলাম ওই ছেলেকে খুব বাহবা দিচ্ছে। অনেকে পিঠ চাপড়েও দিল। পুজো কমিটির সেক্রেটারি ওর হাত ধরে বলল, ‘আগামী পুজোতে আরেকটা নতুন আইডিয়া চাই কিন্তু শাম্ব। আরও মজার কিছু। তোমার জন্য বেশি করে টাইম রাখব।’ শাম্বদার দেখি গর্বে বুক ফুলে উঠেছে। ওর সঙ্গে চোখে চোখ পড়তে মুখ ফিরিয়ে নিলাম। যেন কিছুই দেখিনি।

    দশমীর দিন আমি একটা বিচ্ছিরি কাণ্ড করে বসলাম। আমি যা পারি না, সেই কাণ্ড। ‘শাম্ব’ নামের পাকা ছেলেটাকে লুকিয়ে একটি চিঠি দিয়েছি। দু’লাইনের চিঠি। কিন্তু লিখেছি রাত জেগে। কী লিখেছি? লিখেছি— ইস, বলব কেন? উৎসবের সব আনন্দের কথা সবাইকে বলতে নেই। তবে আমি কখনও ভাবতে পারিনি এ কাজ আমি পারব। উৎসবের এটাই মজা। যে যা পারে না, তাকে দিয়ে সে সেই কাজও করিয়ে নেয়।

    আনন্দবাজার পত্রিকা ক্রোড়পত্র, জেলা ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }