Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প833 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মোবাইল

    এক

    তন্দ্রা মোবাইলটা এবার ডান কান থেকে বাঁ কানে নিল। জিনিসটা এতক্ষণ ডান হাতে ধরা ছিল, এবার ধরল হাঁ হাতে। কান ও হাত বদল এই নিয়ে হল মোট সতেরো বার। তাও কথা ফুরোয়নি। চট করে ফুরোবে বলে মনেও হচ্ছে না। গভীর রাতে প্রেমিক-প্রেমিকার ভাব-ভালবাসার কথাও একসময় ফুরিয়ে যায়। ঝগড়া বোধহয় ফুরোয় না।

    তন্দ্রা ফোঁস করে নিশ্বাস ফেলল। রাগের নিশ্বাস। বলল, ‘সুপর্ণ’ তুমি কচি খোকা নও যে কথাটা বুঝতে পারবে না। আসলে ইচ্ছে করেই বুঝছ না। তোমার সঙ্গে প্রেম করাটাই আমার ভুল হয়েছিল। খুব বড় ভুল।’

    সুপর্ণ বলল, ‘শুধু আমি কেন, তুমিও তো বুঝতে পারছ না তন্দ্রা। সে অর্থে ভুল শুধু তোমার হয়নি, আমারও হয়েছে। যাক ভুলে ভুলে কাটাকাটি হয়ে গেল। শোনো, তুমি অমন ফোঁস ফোঁস করে নিশ্বাস ফেলো না তো। কানে লাগে।’

    তন্দ্রা ঝাঁঝিয়ে উঠল, ‘কানে লাগলে, তুলো দিয়ে নাও। ফোন ছাড়ছি। ইস, রাত দেড়টা বাজে।’

    সুপর্ণ ও ধার থেকে ‘ফুঃ’ ধরনের একটা আওয়াজ করল। বলল, ‘দেড়টা বাজল তো কী হল? আমেরিকায় রাত দেড়টা মানে কী জানো? রাত দেড়টা মানে হল বিকেল। প্রেম করতে যাবে বলে ছেলেমেয়েরা তখন সাজতে বসে। বুঝলে?’

    তন্দ্রা দাঁত কিড়মিড় করে বলল, ‘এটা আমেরিকা নয় সুপর্ণ। যাদবপুর বাইপাসের ধার। এখানে রাত দেড়টার সময় শেয়াল বেরোতে পারে।’

    সুপর্ণ গলা নরম করে বলল, ‘আহা, শেয়াল তো তোমার ঘরে ঢুকে পড়ছে না। ঠিক আছে আর পাঁচ মিনিট। ওনলি ফাইভ। প্লিজ, তন্দ্রা এসো আজই আমরা একটা ডিসিশন নিয়ে ফেলি। এই সুযোগ আর পাব না। ঠাকুমার কাছে শুনেছি, রাত বারোটার পর যে-কোনও সিদ্ধান্ত খুব মঙ্গলজনক।’

    তন্দ্রার ইচ্ছে করল চিৎকার করে। অনেক কষ্টে রাগ সামলাল। ঠান্ডা গলায় বলল, ‘ঠাকুমা, দিদিমা লাগবে না। সিদ্ধান্ত আমি নিয়ে ফেলেছি সুপর্ণ। আমি এখন বিয়ে করছি না। আগে তুমি কাজকর্ম পাও। বিয়ে তো পালিয়ে যাচ্ছে না।’

    ‘উফ তুমি সেই একই ভুল করছ। আজকাল ওই কনসেপ্টটাই উঠে গেছে। ছেলেকে চাকরি-বাকরি করতে হবে এমনটা আর নেই। এক জন করলেই চলে। পাত্র অর পাত্রী। এনিবডি। তিন মাস হয়ে গেল তুমি স্কুলে জয়েন করে গেছ। তা হলে বিয়েতে অসুবিধে কোথায়? অ্যাই তন্দ্রা, শুনছ? অ্যাই শোনো না, হানিমুনের জন্য একটা জায়গা যা ভেবেছি না, উঁহুঁ এখন বলব না। সারপ্রাইজ দেব। ঠিক করেছি, চোখ বেঁধে তোমাকে নিয়ে যাব। তারপর পৌঁছে যখন দেখবে… অ্যাই শুনছ, চুপ করে আছ কেন? কী হল?’

    তন্দ্রা মোবাইল বন্ধ করে দিয়েছে। তার মাথা ঝাঁ ঝাঁ করছে। উফ, কী ভয়ংকর! চাকরি নেই, বিয়ে নেই, এদিকে হানিমুনের প্ল্যান হয়ে গেছে। এরপর নিশ্চয় ছেলেমেয়ের পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে আলোচনা শুরু করত। না, কাল ভোরে এ ছেলেকে আরও জোর ধমক দিতে হবে। এ ছেলে জোর ধমকের ছেলে।

    পাঁচ তলার ওপরে এই ফ্ল্যাটটা ছোট কিন্তু চমৎকার। তার ওপরে তন্দ্রার ঘরটা দক্ষিণমুখী। টেবিলটাকে সে রেখেছে একেবারে জানলা ঘেঁষে। সেখানে ঘন নীল রঙের টেবিল ক্লথ। নীল পেপারওয়েট। এমনকী পেনস্ট্যান্ডটা পর্যন্ত নীল। জোরে হাওয়া দিলে মনে হয়, ঘরের বদলে টেবিল চেয়ার পেতে আকাশে বসে আছে। টেবিলের ওপর মোবাইলটা রেখে তন্দ্রা চেয়ারে বসল। সামনে এক গাদা খাতা। কাল দুপুরে স্কুলে যাওয়ার আগে এগুলো দেখতে হবে। উপায় নেই। বড়দি খ্যাচখ্যাচ করবে। অন্য টিচাররা যদিও পাত্তা দেয় না, বকাঝকার মাঝখানেই তারা জিরে-হলুদ বাটা আর ছেলের প্রাইভেট টিউটর নিয়ে সিরিয়াস ধরনের আলোচনা শুরু করে দেয়। মাত্র তিন মাস চাকরিতে ঢুকে তন্দ্রার পক্ষে এটা সম্ভব নয়।

    সে খাতাগুলো সামনে টেনে নিল এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই টেবিলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ল। ঘুমোনোর আগে মোবাইল ফোনে আঙুল ছুঁয়ে ফিসফিস করে বলল, ‘পাগল ছেলে… পাগল ছেলে কোথাকার।’

    রাতে কখন চেয়ার ছেড়ে উঠে বিছানায় গেছে মনে নেই তন্দ্রার। ঘুম যখন ভাঙল তখন সকালের আলোয় ঘর ভাসছে। সকালে ঘুম ভাঙলে প্রিয় কারও মুখ মনে পড়ে। তন্দ্রার মনে পড়ল বড়দির গম্ভীর মুখ। ইস, খাতা দেখা বাকি। টেবিলের দিকে তাকাল তন্দ্রা। সব অগোছালো হয়ে পড়ে আছে। ছড়ানো খাতা। খোলা পেন। সব। শুধু মোবাইলটা নেই!

    তন্দ্রা ছুটে গিয়ে ঘরের দরজা খুলল। মুখ বাড়িয়ে চিৎকার করে বলল, ‘মা, মা, আমার মোবাইল কোথায়? মোবাইল ফোন!’

    কমলাদেবী রান্নাঘর থেকে বললেন, ‘আঃ সকালে উঠেই মোবাইল মোবাইল করিস না তো৷ এই সাতসকালে তোর বন্ধ ঘর থেকে মোবাইল কে নেবে? ভূতে? দেখ হয়তো ভূতেই নিয়েছে।’

    ২

    আঠাশ তলার কার্নিশে পা ঝুলিয়ে বসে আছে কানন। মা বলে, ‘অমন ফটফটে আলোয় বাইরে থাকিসনি। কে দেখে ফেলবে।’

    মায়ের বড্ড ভয়। বসলে কে দেখবে? বাইপাসের পাশে আকাশ ছোঁয়া এই বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। এখনও মানুষের ঝামেলা শুরু হয়নি। মিস্ত্রি-মজুর এসে গেলে দেয়াল, সিলিং বা মেঝেতে ছায়ার মতো মিশে থাকলেই চলে।

    অন্য দিন হলে এই সময়টায় কানন জোরে জোরে পা দোলাত। আজ একবারে চুপ। মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে আছে নিজের কঙ্কাল হাতের দিকে। সেই হাতে ধরা রয়েছে ছোট্ট একটা মোবাইল ফোন! মানুষের মোবাইল ফোন।

    এই জিনিস কানন আজ প্রথম দেখছে এমন না। আগেও আড়াল-আবডাল থেকে দেখেছে। লোভ হত। বড় অদ্ভুত জিনিসটা! মাথার কাছের ছোট্ট কাচটুক যেন এক চিলতে জানলা! বাজনা বেজে, যন্ত্র চালু হলে সেই জানলায় চাপা আলো জ্বলে ওঠে। মনে হয়, জানলা খুলে কেউ ডাকছে, আয় আয়…! কানন দেখেছে, মানুষ তখন কান পেতে কথা শোনে। ফিসফিস করে কথা কয়। কাননের হিংসেও হয়েছে। আহা, মানুষের জীবন কী আনন্দের! সেই আনন্দের জীবন আর পাওয়া যাবে না, কিন্তু মজার জিনিসটা যদি একবারটির জন্য পাওয়া যেত।

    পাওয়া গেছে।

    প্রতিদিনের মতো কালও অনেক রাতে আকাশ পথে চক্কর মারতে বেরিয়েছিল কানন। মানুষের মর্নিং ওয়াকের মতো ভূতেদের নাইট চক্কর। তখনই চোখে পড়ে। একেবারে জানলার পাশে। নিজেকে সামলাতে পারেনি। জানলা দিয়ে সে তার লম্বা হাত বাড়িয়ে দেয়।

    এখন মনে হচ্ছে, কাজটা ঠিক হয়নি। যতই তোক চুরি তো। মা জানতে পারলে রাগারাগি করবে। তবে এখনই ফেরত দিয়ে আসা যায়। জায়গা মনে আছে। ফ্ল্যাটটা পাঁচ তলায়। টেবিলে নীল কাপড় পাতা। ভেসে যেতে কতক্ষণ আর লাগবে?

    রিং রিং রিং…। মোবাইল বেজে উঠল।

    কানন চমকে উঠে আঁকড়ে ধরল জিনিসটা। শুধু বাজছে না, থিরথির করে কাঁপছেও! কী করবে সে? ছুড়ে ফেলে দেবে? ওই তো ছোট্ট জানলায় আলো জ্বলছে! কী মিষ্টি বাজনা! কে ফোন করছে? শুনবে? ওরে বাবা, কথা বলতে হবে নাকি? একটু বললে কী ক্ষতি? কীভাবে বলবে? পারবে কি? মানুষের সঙ্গে সে যে অনেক দিন কথা বলেনি।

    এলোমেলো বোতাম হাতড়াতে যন্ত্র চালু হল নিজের খেয়ালে। কাঁপা হাতে তুলে কানে ঠেকাল কানন।

    ‘কেমন আছ তন্দ্রা? নিশ্চয় স্কুলের খাতা নিয়ে বসে পড়েছ। এই চমৎকার সকালে কাউকে যেন গোল্লা দিয়ে বোসো না। সব দশে দশ করে দাও। কী হল কথা বলছ না কেন? যাঃ বাবা, এখনও রাগ কমেনি। তুমি দেখছি বিয়ের পর জ্বালাবে।’

    কানন পারছে না। কথা গলা পর্যন্ত এসে যেন আটকে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত ফিসফিস করে বলল, ‘না, মানে আমি…।’

    ‘ওরে বাবা, রাগের চোটে গলাটাও বদলে ফেলেছ! হা হা। নাকে কথা কিন্তু সুন্দর লাগছে তন্দ্রা। বিউটিফুল! বেশ পেতনি পেতনি লাগছে। আচ্ছা, একবার বলো তো আমি তোমাকে ভালবাসি। দেখি পেতনি গলায় কেমন শোনায়। হা হা।’

    হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে কাননের। মানুষটা এসব কী বলছে! কানন ঢোঁক গিলে বলল, ‘দেখুন, আপনি…।’

    ‘ওরে বাবা, একেবারে আপনিতে চলে গেছ! ভেরি গুড। বাপ রে, বিয়ে করতে চেয়েছি বলে এত রাগ! প্লিজ তন্দ্রা, রসিকতা ছাড়া, বিশ্বাস করো, আমি ক্রমশ অসুস্থ হয়ে পড়ছি। রাতে ঘুমোতে পারি না। দিনে খালি ঘুম ঘুম পায়। চূড়ান্ত ডিসঅর্ডার। সকলে বলছে, এ সবের একটাই ওষুধ। বিবাহ। এই দেখো মোবাইলের ভেতর দিয়েই তোমার গা ছুঁয়ে বলছি। বিয়ের মুখে একটু-আধটু গা ছুঁলে কোনও ক্ষতি নেই তন্দ্রা।’

    এই মানুষটা সত্যি সত্যি গায়ে হাত দেবে নাকি! দূর, এরকম হয় না। কাননের শরীর ঝিমঝিম করে উঠল। সে বুঝতে পারছে জিনিসটা এবার ছুড়ে ফেলে দেওয়া উচিত। কিন্তু পারছে না! কত দিন যে কোনও পুরুষ তাকে ছোঁয়নি৷ কত দিন তা মনেও পড়ে না। সে নিজের মনে বলল, ‘আমি, আমি…।’

    ‘তোমাকে কিচ্ছু করতে হবে না, তন্দ্রা। বিয়ের ব্যাপারে যা করবার, সব আমি করব। লক্ষ্মীটি, তুমি শুধু একবার রাজি হয়ে যাও। আর, দয়া করে গলাটা স্বাভাবিক করো। দিনের বেলা ভূতের গলা শুনতে ভয় করছে। নাও, ফোন ছাড়ার আগে একটা চুমু দাও দেখি। আচ্ছা, আমি দিচ্ছি…।’

    কাননের কান গরম হয়ে উঠেছে। মনে হচ্ছে, তার শরীর দিয়ে তাপ বেরুচ্ছে। তার লজ্জা করছে। ভীষণ লজ্জা। কানন নিজের অজান্তেই হাত তুলে ঠোঁটে চাপা দিল।

    ৩

    স্কুল থেকে হাফছুটি করে বাড়ি চলে এসেছে তন্দ্রা। শরীরটা ম্যাজম্যাজ করছে। কাল রাতে ঘুম হয়নি। মনও খারাপ। ফিরেই খোঁজ নিয়েছে। না, মোবাইল এখনও পাওয়া যায়নি। এত রাগ হচ্ছে, যে মনে হচ্ছে, মা ঠিকই বলেছে। ভূতেই নিয়ে গেছে। তা ছাড়া আর যাবে কোথায়? তন্দ্রা ভেবেছিল, বাড়ি ফিরে লম্বা ঘুম দেবে। এখন আর ঘুম আসছে না। শাড়ি বদলে বসবার ঘরে এল। সুপর্ণকে মোবাইল হারানোর ঘটনাটা জানানো দরকার। বেচারি নিশ্চয় অনেক বার ফোন করে বসে আছে। সে টেবিলে রাখা ফোনের রিসিভার তুলে ডায়াল করল।

    বেকার হওয়ার সুযোগে সুপর্ণ দুপুরে একটা ছোট্ট ঘুম দেয়। ফোন ধরে বিস্মিত গলায় বলল, ‘তন্দ্রা! তুমি? কী হল, স্কুলে যাওনি?’

    ‘গিয়েছিলাম। তবে শরীরটা ভাল লাগছে না বলে বাড়ি ফিরে এসেছি।’

    সুপর্ণর গলায় উদ্বেগ, ‘শরীর খারাপ! সে কী! কী হয়েছে? দাঁড়াও আমি এখনই একটা ট্যাক্সি ধরে চলে আসছি।’

    মনের এই অবস্থার মধ্যেও তুন্দ্রার হাসি পেল। বলল, ‘ট্যাক্সি ধরে আসতে পারো, তবে পকেটে টাকা আছে তো? ভাড়া কিন্তু তোমাকেই দিতে হবে।’

    সুপর্ণ নাটকীয় ঢঙে বলল, ‘সামান্য ট্যাক্সি ভাড়ার ভয় দেখাচ্ছ তন্দ্রা? দরকার হলে একটা গোটা ট্যাক্সি কিনে চলে যেতে পারি। তুমি শুধু একবার হ্যাঁ বলো।’

    ‘দুঃখিত, আমি হ্যাঁ বলছি না। যাক, এখন এসব কথা ছাড়ো তো। অ্যাই জানো, আজ একটা বিচ্ছিরি কাণ্ড হয়েছে।’

    ‘বিচ্ছিরি কাণ্ড যে হয়েছে সে সকালে তোমার সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেই বুঝতে পেরেছি। ভাল কাণ্ড হলে কারও গলা অমন ভূতের মতো হয় না। মনে হচ্ছিল, ঠিক যেন একটা পেতনির সঙ্গে কথা বলছি! শুধু পেতনিগলা? রাগের চোটে আপনি আজ্ঞেও করছিলে। যাক, শেষ পর্যন্ত গলা যে তোমার ঠিক হয়েছে তার জন্য ধন্যবাদ। সব ধরনের বউ মেনে নেওয়া যায় তন্দ্রা, কিন্তু পেতনিগলার বউ মেনে নেওয়া অসম্ভব। নাও, এখন তোমার বিচ্ছিরি ঘটনা বলো। দাঁড়াও আগে একটা সিগারেট ধরিয়ে নিই।’

    তন্দ্রা কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থাকল। সে সুপর্ণর কথা ঠিক বুঝতে পারেনি। সকালে মোবাইলে কথা হয়েছে মানে! ছেলেটা নিশ্চয়ই ঠাট্টা করছে। সে গম্ভীর গলায় বলল, ‘মন মেজাজ ভাল নেই সুপর্ণ। এখন ঠাট্টা ভাল লাগছে না। আজ সকাল থেকে আমি মোবাইলটা হারিয়ে বসে আছি। তাই তো বাড়ির ল্যান্ডফোনে তোমাকে এখন ধরলাম। তুমি বলছ সকালে মোবাইলে কথা বলেছি! সকালে তোমার সঙ্গে কথার প্রশ্নই ওঠে না।’

    ও পাশে সুপর্ণ যেন লাফিয়ে উঠল। বলল, ‘আলবাত হয়েছে। একশো বার হয়েছে। তখন ন’টা বেজে দশ মিনিট। আমরা দু’জনে ঠিক সাত মিনিট তেরো সেকেন্ড কথা বলেছি। শুধু কথা বলিনি, কথা শেষ হয়ে গেলে আমি তোমাকে চুমু খেয়েছি। একটা নয়, পরপর দুটো চুমু খেয়েছি। প্রেমিকাকে সব নিয়ে মিথ্যে বলা যায় তন্দ্রা, চুমু নিয়ে বলা যায় না। আর একটা কথা বলব তন্দ্রা? যদি রাগ না করে তা হলে বলতে পারি। বলো, রাগ করবে না। বলো আগে। অন্য দিন নরম লাগে, আজ কিন্তু চুমু দেওয়ার সময় কেমন শক্ত শক্ত লাগল। মনে হল, ঠোঁটে নয়, হাড়ে চুমু খাচ্ছি। হা হা। সত্যি বলছি। হা হা। অ্যাই রাগ করলে? অ্যাই তন্দ্রা, রাগ কোরো না প্লিজ। বিয়ের মুখে একটু-আধটু অসভ্য কথা চলে।’

    তন্দ্রা রিসিভার ধরে কিছুক্ষণ চুপ করে বসে রইল। তারপর হিমশীতল গলায় বলল, সুপর্ণ, মোবাইল কোম্পানিকে বলে আমার লাইনটা কেটে দেওয়ার ব্যবস্থা করো প্লিজ। আজই। এখনই।’

    ৪

    মা বকে। বলে, ‘অত সাজিসনি রে ছুঁড়ি। অত সাজিসনি। ওসবে আমাদের অমঙ্গল হয়। রং ঢং হল মানুষের জিনিস আমাদের কি মানায়?’

    কানন শোনে না। সে সাজতে বসে। কঙ্কাল হাতে চুড়ি পরে। করোটি কপালে টিপ লাগায়। পাতাহীন কোটর চোখের চার পাশে হালকা কাজল টানে। তারপর মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে আকাশ ছোঁয়া বাড়ির অনেক ওপরে গিয়ে বসে। অপেক্ষা করে, যদি আবার কখনও গান বেজে ওঠে। যদি ফের মোবাইলের এক চিলতে জানলায় জ্বলে ওঠে আলো। হয় না। কিছুই হয় না। কানন কাঁদতে ভুলে গেছে। সে শুধু মোবাইলটা গালে বোলায়। ঠোঁটে ঠেকায়।

    সুপর্ণ এখনই চাকরি পাক না পাক, তন্দ্রা ঠিক করেছে বিয়েটা করে ফেলবে। আজকাল রাতে একা থাকতে তার কেমন ভয় ভয় করে।

    আনন্দবাজার পত্রিকা, রবিবাসরীয় ৩০ অক্টোবর ২০১৫

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }