Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প833 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আজ কি শুভ্র আসবে

    আজ শুভ্র আসবে না। তবু পর্ণার মনে হচ্ছে, আজ শুভ্র আসবে। অবশ্যই আসবে। আজ দোল না?

    শুভ্র কাল যখন ফোন করেছিল পর্ণা ঘুমিয়ে পড়েছে। মোবাইলটা বেজেই চলছিল, বেজেই চলছিল। একঘেয়ে বিশ্রীভাবে। ঘুমের মধ্যেই শুনতে পেল পর্ণা। বালিশ বিছানা হাতড়ে মোবাইল কানে চেপে ধরল। শুভ্রর গলা না শুনেই বলল, ‘কী হয়েছে?’

    ‘কী হয়েছে মানে? ধরছ না কেন? ঘুমোচ্ছিলে?’

    ‘না জেগেছিলাম। তোমার সঙ্গে গল্প করছিলাম। কী হয়েছে? তাড়াতাড়ি বললো, কেটে যাবে।’

    এখানকার মোবাইলগুলো এরকমই। যখন তখন কেটে যায়, কথা ছিঁড়ে ছিঁড়ে যায়। বিয়ের পর পর্ণা খুব বিরক্ত হত। বলত, ‘যদি না শোনা যায় তা হলে রেখে লাভ কী? গাদাখানেক টাকা গোনা শুধুমুদু।’

    শুভ্র বলত ‘কই! শোনা যায় তো। আমি তো শুনতে পাই।’

    ‘তুমি ওরকমই। একে শোনা বলে? স্পষ্ট নয়, খালি কেটে যায়। কাল কলকাতায় কথা বলছিলাম, মাঝপথে ফট করে বন্ধ হয়ে গেল।’

    ‘আবার করলে না কেন?’ শুভ্র শান্ত গলায় বলল।

    পর্ণা কাঁদোকাঁদো গলায় বলল, ‘করব কী করে? সিজনাল এল সেই রাতে। দশটারও পর। তখন কি মা জেগে থাকে? ইস মা কী মনে করল বলো তো।’

    শুভ্র অল্প হেসে বলল, ‘এটা কলকাতা নয় পর্ণা। এখানে টাওয়ার নেই। টাওয়ার সেই আরসায়। ওখান থেকে রিলে হয়। তুমি মাকে বুঝিয়ে বলবে।’

    পর্ণা স্বামীর দিকে ঘন হয়ে আসে। গলা নামিয়ে বলে, ‘শুধু কি মা? তুমি কোন করলে হ্যালো হ্যালো বলতে গলা ফেটে যায়। বাড়িসুদ্ধ সবাই শুনতে পায়। বুঝতে পারে তুমি ফোন করেছ। পরে জিজ্ঞেস করে, কী হল শুভা ফোন করেছিল? কী বলল? কবে ফিরবে? লজ্জা করে না বুঝি?’

    শুভ্র মাথা নামায়। হাসে। বিড়বিড় করে কিছু বলে। সেগুলোও মোবাইলের মতো অস্পষ্ট, ছেঁড়া ছেঁড়া।

    কাল রাতে কিন্তু শুভ্রর কথা সবটাই স্পষ্ট শুনতে পেয়েছে পর্ণা। যদিও ঘুমের মাঝে ফোন ধরেছিল। সেই হিসেবে কথা আরও অস্পষ্ট, আরও ঘেঁড়াহেঁড়া শোনা উচিত ছিল। ব্যাপারটা কাল মনে হয়নি, আজ সকালে মনে হচ্ছে। মজার কাণ্ড তো!

    পর্ণা বলেছিল, ‘কী হয়েছে?’

    শুভ্র বিরক্ত গলায় বলল, ‘ট্রেন মিস করেছি।’

    পর্ণা পাশ ফিরতে ফিরতে বলল, ‘কী হবে এখন?’

    ‘কী আর হবে? বাড়ি যাওয়া হবে না। স্টেশনে পচে মরতে হবে। শালার চাকরি।’

    পর্ণা চাপা গলায় ধমক দিল, ‘গাল দিচ্ছ কেন?’

    শুভ্র দাঁতে দাঁতে ঘসে বলল, ‘না গাল দেব না, দুধ ভাত দেব। শুয়োরের বাচ্চা।’

    পর্ণা হাই তুলে বলল, ‘কাকে বলছ?’

    শুভ্র বলল, ‘আবার কাকে? নিজেকে। হিয়া কী করছে?’

    পর্ণা ঘুমে কাদা মেয়ের গায়ে হাত দিয়ে বলল, ‘লুডো খেলছে। এরপর বলছে স্কিপিং করবে। তোমার মেয়ে আজকাল রাত দুটোর পর স্কিপিং করে।’

    শুভ্র বউয়ের রসিকতায় রাগ করল না। সম্ভবত ট্রেন মিস করার রাগে আর রাগ করার ক্ষমতা হারিয়েছে।

    ‘ইস মাত্র পনেরো মিনিটের জন্য ঝাড় খেয়ে গেলাম। ওনলি ফিফটিন মিনিটস। হাঁপাতে হাঁপাতে স্টেশনে ঢুকে শুনি গাড়ির বাচ্চা…।’

    ‘ঠিক আছে কাল ফিরবে।’ পর্ণা বুঝতে পারল তার আর কথা বলতে ইচ্ছে করছে না। ঘুম পাচ্ছে। এটা আগে ছিল না। আগে শুভ্রকে পেলে সারারাত কুটুর কুটুর করে গল্প করত। রাতেই মোবাইলের কার্ড ফুরিয়ে যেত। আজকাল ঘুম পায়।

    শুভ্র এবার রেগে উঠল। বলল, ‘কী হাবিজাবি বছ? কাল কী করে ফিরব? কাল সারাদিন গাড়ি নেই। সেই পরশু। তাও পরশু আবার ট্যুর। গেলেও রাতে থাকতে পারব। না। গিয়ে কী হবে? দূর যাবই না শালা।’

    শুভর গলা শুনে পর্ণার মনে হল মানুষটার মন খারাপ হয়ে গেছে। পর্ণার খারাপ, ভাল কিছুই লাগছে না। শুভ্রর বাড়ি না ফেরা তার কাছে নতুন কিছু নয়। প্রথমে মানতে পারত না। এখন জলভাত হয়ে গেছে। তাও তো এখন মেয়েটা আছে। একসময় খুব একা লাগত।

    ফিসফিস করে বলল, ‘মন খারাপ কোরো না। খেয়েছ?’

    ‘হ্যাঁ’।

    পর্ণা আবার হাই তুলল। বলল, ‘কী খেয়েছ?’

    ‘এয়ার, ফ্রেশ এয়ার। এত রাতে রেল স্টেশনে খাবার কোথায় পাব? লাইনের পাথর চিবিয়ে খেতে পারি, খাব?’

    এরপরই ফোন কেটে গেল। মোবাইলের আলো কয়েক মুহুর্ত জেগে থেকে, ঝুপ করে ডুব দিল অন্ধকারে। কত রাত তখন? এগারোটা? বারোটা? একটা? নাকি আরও বেশি? ইচ্ছে করলে পর্ণ সময় দেখে নিতে পারত। একবার ভাবল দেখেও নেবে। নীচের রাস্তা দিয়ে একটা রিকশ ঝনঝন আওয়াজ তুলে ছুটল। এখানে এরকমই। দিনরাত রিকশগুলো পিড়মড়ি করে ছুটছে। দূরে কে যেন ডাকল, ‘বাবু, বাবু, আই বাবু…।’ একবার, দু’বার, তিনবার। বাবু কে? এত রাতে তাকে কে ডাকছে? বাবু কি এখনও বাড়ি ফেরেনি? নাকি বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ডাকছে?

    ঘুমিয়ে পড়ল পর্ণা। তার সময় দেখা হল না।

    আজ ভোরে চোখ খুলেই পর্ণার মনে হল, শুভ্র আসবে। কাল রাতে টেলিফোন করে যা-ই বলুক, আজ সে আসবে। দোল বলেই আসবে। পর্ণা পাশ ফিরল। জানলার ফুটোগুলো দিয়ে আলো ঢুকছে। সেই আলোর দিকে তাকিয়ে পর্ণা এবার হেসে ফেলল। লজ্জাও হল। দূর, যত্তসব ছেলেমানুষি। দোল তো কী হয়েছে? সে কি শুভ্রর সঙ্গে রং খেলবে? এমা, ছিঃ।

    খাটের একপাশে হিয়া গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছে। চাদরটা পায়ের কাছে দলা পাকানো। মেয়েটাকে নিয়ে এই এক সমস্যা। ঘুমের সময় গায়ে কিছুতেই চাপা রাখবে না। সারারাত টেনে টেনে দিতে হয়। পাঁচ বছর বয়স হতে চলল, এখনও অভ্যেস পালটায়নি। ক’দিন আগেও বেচারি খুব সর্দি কাশিতে ভুগত। মাঝে মাঝেই জ্বর হত। বুকে সাঁই সাঁই আওয়াজ। শুভ্র বাড়িতে থাকত না। থাকবে কী করে? সেলসের চাকরি। নিজেই বলে ‘ফিরিওয়ালা’। ফিরিওয়ালার বাড়িতে থাকলে চলে? তার ওপর কোম্পানি ছোট। খাটিয়ে মারে। কোনও কোনও দিন মাসে একবারও বাড়ি ফিরতে পারে না। এখন মানিয়ে নিয়েছে পর্ণা, তখন খুব অসুবিধে হত। অসুস্থ মেয়েকে কোলে নিয়ে রাত জাগত পর্ণা। ভয় করত, কান্না পেত। অন্ধকার ঘরে বসে কাঁদত। কাঁদতে কাঁদতেই শুনতে পেত পাশের ঘরে মায়া হাসছে। মায়ার বয়স সতেরো। কিন্তু হাসি কিশোরীদের মতো সুন্দর হাসি নয়। খল খল করা বিশ্রী হাসি। শুনলে গায়ে কাঁটা দেয়। তখন মেয়েটার অবস্থা এতটা খারাপ হয়নি। এখনকার মতো সারাদিন ঘরে বন্ধ করে রাখতে হত না। শুধু যেদিন যেদিন বাড়াবাড়ি করত সেদিন তালা পড়ত। শাশুড়ি আসতেন সকালে ঘুম ভাঙার পর। তখন খাটের গায়ে হেলান দিয়ে বসে বসেই ঘুমিয়ে পড়েছে পর্ণা। শাশুড়ি এসে হইচই বাধিয়ে দিতেন।

    ‘বউমা, মেয়েকে এবার আমার কাছে দাও দেখি, দাও। এসে সোনা, এসো, এসো। আমার কোলে এসো। পর্ণা, তুমি বরং গিয়ে চা বসাও। শ্বশুরমশাই আবার ঘুম ভেঙে চা না পেলে বিরাট রাগারাগি করবে। পকেটে ঢু ঢু অথচ মেজাজ দেখে। ঝাটা মারি তোর মেজাজে। তারপর নাতনিকে কোলে নিয়ে দোলাতে দোলাতে মহিলা বলতেন, ‘আহা রে! কী কষ্ট রে, বাছা আমার, মনা আমার। আমার পুনুপুনু, আমার মুনমুন। কাশতে কাশতে ম’ল বেচারি। নিশ্চয় মামাবাড়ির ধাত পেয়েছে। হ্যাঁগো বউমা, তোমার বংশে কেউ হাঁপের রোগী আছে? তোমার বাপ-কাকার সর্দি কাশি কেমন?

    পর্ণা খাট থেকে নামতে নামতে বলত, ‘বাপ কাকার সর্দি কাশি ভাল মা। একতলায় কাশলে তিনতলা পর্যন্ত শোনা যায়। গলায় জোর আছে। তবে আমাদের বাড়িটা আরও ভাল। ড্যাম্প ধরা নয়, রোদ ঢোকে। সাউথ ফেসিং। পুৰটা ফাঁকা।’

    শাশুড়ি চিবিয়ে চিবিয়ে বলেন, ‘কী করব বাপু, রোদ তো টেনে হিচড়ে ঢোকাতে পারব না। তোমার শ্বশুরমশাই সারাজীবন সামান্য চাকরি করেছেন। যেটুকু পেরেছেন এই ধ্যাড়ধ্যাড়ে গোবিন্দপুরে মাথা গোঁজার ঠাই করেছেন। তোমার কলকাতার অট্টালিকার সঙ্গে এ জিনিসের তুলনা করলে চলবে কেন বাছা? তা ছাড়া…’

    ‘তা ছাড়া কী?’ পর্ণা মুখ ঘুরিয়ে জিজ্ঞেস করে। নিজের কথার মধ্যেই সে জোর খোঁজে। নাতনির পিঠে হাত বুলিয়ে শাশুড়ি আড়চোখে পুত্রবধূর দিকে তাকান। মুখ ঘুরিয়ে বলেন, ‘তা ছাড়া, তোমায় তো জোর করে স্যাঁতস্যাতে বাড়িতে এনে তোলা হয়নি বউমা, তুমি নিজেই এসেছ। নাকি বিয়ের আগে তোমায় ঘরবাড়ির কথা কিছু বলেনি শুভ? লুকিয়েছিল?

    ভুরু তুলে চুপ করেন মহিলা।

    থমকে দাড়ায় পর্ণা। না, শুভ্র তাকে কিছুই লুকোয়নি। ঘরবাড়ি, অসুস্থ শ্বশুরমশাই, পাগল ননদ সবই বলেছিল। বলেছিল, ‘তুমি পারবে না পর্ণা। দেখবে কিছুদিনের মধ্যেই তুমি হাঁপিয়ে উঠেছ। শুধু মনে হবে, কলকাতায় পালিয়ে আসি। তখন কিন্তু আমার কিছুই করার থাকবে না। যা রোজগার করি তাতে দুটো সংসার অসম্ভব। তুমি পারবে না পর্ণা। জীবনটা গল্প উপন্যাস নয়।’

    পর্ণা কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থাকে। তারপর অল্প হেসে বলেছিল, ‘জীবনটা গল্প উপন্যাসের থেকেও ভাল। আমি জানি, আমি পারব না। তবু আমি যাব। ওমা, দেখো দেখো পাঁচিলের মাথাটা দেখো, কেমন লাল হয়ে গেছে! ইস কী সুন্দর! কলকাতার রাস্তায় পলাশ পড়ে জানতাম না তো! অ্যাই, হাত বাড়িয়ে ক’টা এনে দাও না বাবা। দাও না প্লিজ। এই লম্বু…।’

    শুভ্র সরে গিয়ে বলেছিল, ‘পারব না।’

    পর্ণা খিলখিল করে হেসে বলল, ‘ঠিক আছে, তোমায় পারতে হবে না। আমি আঁচল বেঁধে পাঁচিলে উঠছি। এই দেখো।’

    শাশুড়ি বোধহয় পর্ণার মন বুঝলেন। ঠোঁটে হেসে বললেন, ‘এখন আর আপশোস করে লাভ কী? তবু দেখো, তোমার বর ফিরলে বলে দেখো। সে যদি তোমার জন্য রোদের কিছু ব্যবস্থা করতে পারে।’

    শুধু রোদ নয়, রোদের সঙ্গে বৃষ্টিরও ব্যবস্থা করল শুভ্র। ধার দেনা করে ছাদের ঘরটা সারিয়ে সুরিয়ে নিল। প্লাস্টার, একটা নতুন দরজা, হোয়াইট ওয়াশ। ছোট আর সাদামাটা হলেও পর্ণা নিজের একটা ঘর পেল। খরচ বাঁচাতে ঘরের সামনেটা অ্যাসবেসটসের চাল। বৃষ্টিতে সারারাত ঝমঝম করে বাজে।

    মেয়ের চাদর গলা পর্যন্ত টেনে বালিশটা ঠিক করে দিল পর্ণা। হিয়া ঘুম জড়ানো গলায় জিজ্ঞেস করল, বাবা এসেছে?

    পর্ণা এক মুহূর্ত চুপ করে রইল। তারপর বলল, ‘এখনও আসেনি। তবে এসে পড়বে। তুমি আর একটু ঘুমিয়ে নাও।’

    হিয়া চোখ বুজেই বলল, ‘তুমি বাবাকে রং আনতে বলেছ?’

    পর্ণা নিচু গলায় বলল, ‘বলেছি।?’

    ‘আর পিচকিরি? পিচকিরি বলোনি?’

    ‘হ্যাঁ তাও বলেছি।’

    ‘কীরকম পিচকিরি? বন্দুক পিচকিরি না আমব্রেলা পিচকিরি, আমব্রেলা হলে আমি নেব না। আমি বন্দুক চাই। শান্তার যেমন আছে।’

    পর্ণা একটা চাপা নিশ্বাস ফেলে বলল, ‘মনে হচ্ছে তোমার বাবা বন্দুক পিচকিরিই আনবে। তুমি এখন চুপ করে ঘুমোও।’

    পর্ণা বারান্দার দরজাটা খুলল। দোতলার এই বারান্দাটা আসলে বারান্দা নয়। নেড়া ছাদের একটুখানি পাঁচিল দিয়ে ঘেরা। ছাদের ফালি ঘরটার সঙ্গে শুভ্র এটাও বানিয়েছিল। দেয়ালে প্লাস্টার নেই। ইটগুলো দাঁত বের করে আছে। সেই ইট ঢাকতে পর্ণা একবার দুটো টব এনে রাখল। জুঁই গাছের টব। বিকেল হলে জল দিত। শখ করে বারান্দার নাম দিল জুঁই বারান্দা। ফুল হওয়ার আগেই গাছ দুটো মরে গেল। তবে নামটা রয়ে গেছে। জুঁই বারান্দায় এসে দাঁড়াল পর্ণা। বাতাসে একটা ভেজা ভেজা ভাব। ফাল্গনে এরকম হয়। কোনও কোনও দিন সকালটা কুয়াশামাখা স্যাঁতস্যাঁতে লাগে। পাতলা শিরশিরে হাওয়া দেয়। মনে হয় বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি হয় না। বরং বেলা বাড়লে চড়চড়ে রোদ ওঠে। আজও কি রোদ উঠবে? কোনও কারণ নেই, তবু কেন জানি পর্ণার মনে হল, দোলের দিন কড়া রোদ ভাল নয়।

    মেয়ে বেলা করে উঠলে সুবিধে। অনেকগুলো কাজ সেরে ফেলা যায়। চা জলখাবার করে, শ্বশুর-শাশুড়িকে দিয়ে, রান্নার গোছগাছ সেরে ভাতটা পর্যন্ত চাপানো হয়ে যায়। সবথেকে বড় কাজ হল, মায়ার কাজ। তাকে স্নান করানো, ঘর পরিষ্কার করে খেতে দেওয়া। সতেরো বছর বয়সের পাগল মেয়েকে স্নান, খাওয়া করানো সহজ কথা নয়। অনেকটা সময় লাগে। এটা রুটিনে ছিল না পর্ণার। মাস কয়েক হল ঢুকেছে। রোগা জিরজিরে মেয়েটাকে দেখভালের জন্য এক দশাসই আদিবাসী মহিলার ব্যবস্থা ছিল। শুভ্রই করেছিল। সকালে আসত, যেত একেবারে রাতে রোগীকে খাইয়ে। মহিলা এমনি খারাপ ছিল না, তবে আড়ালে মায়াকে মারধর করত। পর্ণা কথাটা বলেছিল শুভ্রকে।

    ‘পাগল সামলাতে অমন একটু-আধটু করতে হয় পর্ণা।’

    ‘তা বলে অত বড় মেয়ের গায়ে হাত তুলবে!’

    ‘আঃ পর্ণা, এখানে বড় ছোটর কিছু নেই। ওরা ছেলেমানুষের মতোই। পাগলাগারদে দিলে তো আরও খারাপ হবে।’

    পর্ণা নিচু গলায় বলে, ‘না, না এটা ঠিক নয়, তুমি বারণ করে দেবে।’

    শুভ্র এবার রেগে যায়। হাত জোড় করে বলে, ‘দোহাই পর্ণা আর ঝামেলা পাকিয়ো না। ওপরে ঘর করা নিয়ে তো দেখলে কী হল, বাবা এখনও ঠিকমতো কথা বলে না। এখন যদি ওই লোক চলে যায়, মায়াকে কে দেখবে বলো? তুমি? না আমি চাকরি ছেড়ে বসে থাকব।’

    পর্ণা ছাদ থেকে তুলে আনা শাড়ি ভাজ করতে করতে বলে, ‘ঘরটা ভেঙে দিয়ো না হয়।’

    সেই মহিলা কাজ ছেড়ে দিয়েছে। এমনি ছাড়েনি। মায়া তার গালে কামড় দিয়েছিল। অল্প কামড় নয়, জোর কামড়! মুখ একেবারে রক্তে ভেসে গিয়েছিল। ওই হাড় বের করা মেয়ে দাঁতে অত জোর পেল কী করে! পরদিন জানতে পেরেছিল। অপমানের জোর। সেই অপমান মায়া নিজেই জামা খুলে দেখিয়েছিল। পর্ণা অবাক হয়ে গেল। পাগলেরও অপমান! সেই থেকে পর্ণা ননদের দায়িত্ব নিয়েছে। অন্তত শুভ্র যতদিন না পর্যন্ত একটা ভাল অ্যাসাইলামের ব্যবস্থা করে। মনে হয় না খুব তাড়াতাড়ি সে ব্যবস্থা করতে পারবে। যে দু’-একটা খোঁজ পাওয়া গেছে তাদের খরচ অনেক। বাকিরা শিকলে বেঁধে রাখে।

    আলো বাড়ছে। কুয়াশা কুয়াশা ভাবটা কেটে স্পষ্ট হচ্ছে চারপাশ। এদিকে গাছপালা অনেক। বাড়ির সামনেই দু’-দুটো বকুল গাছ। চট করে এমন হয় না। ঘন ডালপালা নিয়ে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ফুল শুরু হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই নীচটাও সাদা হয়ে যাবে। মনে হবে, গাছ তার তলায় চাদর বিছিয়েছে। পর্ণা কখনও ফুল মাড়িয়ে যায় না। এখানে আসার পর দুটো বছর গাছপালা নিয়ে খুব লাফালাফি করেছিল। একটা খাতাই বানিয়ে ফেলল! ফুল-পাতার খাতা। সিজন ধরে ধরে সেখানে গাছের পাতা আর ফুলের পাপড়ি থাকত। একবার সেই খাতা কলকাতায় নিয়ে গেল পর্ণা। দেখে গম্ভীর হয়ে গেল।

    ‘তোর বাবাকে দেখিয়েছিস?’

    পর্ণা হেসে বলল, ‘এখনও দেখাইনি, তবে ঠিক করেছি আজ ডিনারের পর দেখাব। আগে নিজের হাতে কফি বানাব, তারপর জমিয়ে বসে কফি খেতে খেতে দেখাব।’

    ‘থাক, দেখাতে হবে না।’

    পর্ণা অবাক হয়। খাতার পাতা উলটে বলে, ‘সে কী! কেন মা! তুমি বর্ষা আর বসন্তের সিরিজটা দেখলে? এই দেখো শিমূল, পারুল, এই যে পলাশ। বকুল দেখেছ? কলকাতায় ইচ্ছে করলেও এই কালেকশন তুমি করতে পারবে না। বলো পারবে? আচ্ছা, বলো তো মা এটা কোন পাতা? এটা আমাদের বাড়ির গাছ। ঠিক বাড়ির নয়, তবে বাড়ির মতোই, গেটের পাশেই আছে। পারলে না তো? জানতাম পারবে না। দেখব বাপি পারে কিনা। বাপিকে যখন দেখাবি…।’

    মা কঠিন গলায় বলল, ‘না, দেখাবে না।’

    মা এবার রেগে যায়। সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলেছিল, ‘পর্ণা আমরা জানি, এই বিয়ে করে তুমি কতটা জলে পড়েছ। ফুল পাতা দিয়ে তা ঢাকার চেষ্টা কোরো না।’

    ফেরার পথে ট্রেনেই খাতাটা ফেলে দিয়েছিল পর্ণা। তারপর স্বাভাবিক ভঙ্গিতে শুভ্রকে বলেছিল, ‘একটা চা বলো না। খুব তেষ্টা পেয়েছে।’

    মায়ার কাজ শেষ করে একেবারে স্নান করে এসে তবে মেয়েকে তোলে পর্ণা। আর তো ক’টা দিন। এরপর স্কুল শুরু হলে সব রুটিন পালটে যাবে। কলকাতায় থাকলে এখনই হয়ে যেত। আজকাল তিন বছর থেকেই ছেলেমেয়েরা ব্যাগ নিয়ে স্কুলে যাচ্ছে। এই পাড়াগাঁ শহরে কোনও নার্সারি স্কুল নেই। বড় স্কুলও তেমন নেই। ট্রেনে করে সেই আরসা পর্যন্ত যেতে হবে। ঘণ্টা খানেকের মামলা। সব মিলিয়ে হয়তো আরও বেশি।

    শুভ্রকে কথাটা বলেছিল পর্ণা।

    ‘হিয়া, অতটা ট্রেন জার্নি পারবে তো?’

    শুভ্র অবাক গলায় বলল, ‘কেন? পারবে না কেন? আমরা সবাই পেরেছি। ও কেন পারবে না?’

    ‘তোমাদের সময় আর ওদের সময় এক নয়।’

    শুভ্র শান্ত গলায় বলল, ‘ওদের সময় কীরকম পর্ণা? হেলিকপ্টার চড়বার সময়?’

    পর্ণা মুখ ঘুরিয়ে বলল, ‘এরকম করে বলছ কেন?’

    শুভ্র ভুঁরু কুচকে কয়েক মুহুর্ত থমকে থাকল। তারপর চাপা গলায় হিসহিসিয়ে বলল, ‘কীরকম করে বলছি? দেখো পর্ণা, তুমি যেমন চাইছ তেমন হবে না। আমার পক্ষে দুটো। সংসার মেইনটেইন করা ইমপসিবল। একথা আমি তোমাকে বিয়ের আগেই বলেছিলাম। সেদিন তুমি শোনেননি। আজ বলছি, তুমি যদি চাও, বাপের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে মেয়েকে পড়াতে পারো। সেটা সবার পক্ষেই মঙ্গল হবে। আশা করি আজ তুমি আমার কথা শুনবে।’

    সেদিন এই বারান্দায় অনেক রাত পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ছিল পর্ণা। কাঁদছিল কি? কে জানে হয়তো কঁদছিল, হয়তো কাঁদছিল না। মনে নেই। তবে মনে আছে ছাদ জুড়ে অনেকটা জ্যোৎস্না ছিল৷ আর বাতাসে ছিল একটা চাপা গন্ধ। চাপা অথচ মিষ্টি বকুল গাছের গন্ধ। ফুল দেওয়ার আগে কোনও কোনও বকুল গাছ লুকিয়ে লুকিয়ে এই গন্ধ ছাড়ে।

    বেলা পর্যন্ত বিছানায় থাকতে পর্ণারও ভাল লাগে। বিয়ের আগে তো দশটাতেও খাটে গড়িয়েছে। ঘুম ভাঙলেও ওঠেনি। মটকা মেরে পড়ে থেকেছে। বিয়ের পর গড়ানো যায় না। তাও মাঝে মাঝে দোর দিয়ে পড়ে থাকে। শাশুড়ি ছাদে হাঁটেন, সিঁড়িতে ওঠেন, নামেন। পায়ের আওয়াজ করেন দুমদুম। আর চাপা গলায় গজগজ করতে থাকেন। করতেই থাকেন।

    ‘এ কেমন অলুক্ষুনে কাণ্ড গো। ছি ছি। শ্বশুরবাড়িতে এত বেলা পর্যন্ত বিছানায়? লজ্জা শরম নেই নাকি গো? তাও যদি বুঝতুম বর রাতে ছিল। লোকে কী ভাববে গো? অ্যাঁ! কী ভাববে?’

    শুভ্রকে নালিশ করলে বলে, ‘এসব ছোটখাটো জিনিস নিয়ে বিরক্ত কোরো না পর্ণা। প্লিজ। মাস শেষ হতে চলল, এখনও টার্গেট হয়নি। কী দরকার বাপু তোমার অত বেলা পর্যন্ত নাক ডেকে ঘুমোনোর।’

    বারান্দার দরজা দিয়ে ঘরে উঁকি দিল পর্ণা। মেয়েটা হাত পা ছড়িয়ে ঘুমোচ্ছে। পর্ণা থমকে দাঁড়াল। ঘুমোলে মেয়েটাকে বড় সুন্দর দেখায়। ঠোট দুটো অল্প অল্প কাঁপে। ঠিক শুভ্রর মতো! আহা রে, কত আশা বেচারির, বাবা পিচকিরি এনে দেবে, রং এনে দেবে। দোল খেলবে। পাশের বাড়ির শিবুটাকে দিয়ে একটু পরেই একটা পিচকিরি আনিয়ে নিতে হবে। আর আবির। আবির গুলেই খেলবে। এখানকার রং ভাল না। গায়ে র‍্যাশ হয়।

    সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে পর্ণা নিজের বাঁ হাতের কড়ে আঙুলে কামড় দিল। তিনবার কামড়। মেয়েকে সুন্দর দেখলে মাকে তিনবার কামড় দিতে হয়। নইলে নজর লাগে।

    সিঁড়ির শেষে শাশুড়ির সঙ্গে দেখা। মুখ থমথমে। তিনি রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছেন। নিশ্চয় কিছু ঘটেছে।

    ‘কী হয়েছে মা?’

    শাশুড়ি গনগনে গলায় বললেন, ‘জানি না। তুমি মায়ার কাছে আজ যাবে না। ছি ছি, একটা বছরকার দিনে…।’

    পর্ণা উদ্বিগ্ন গলায় বলে, ‘কেন কী করছে মায়া?’

    ‘নিজে গিয়ে দেখো একবার কী করছে। থুতু দিচ্ছে। নতুন পাগলামি। আমি ঘরের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম, জানলা দিয়ে থু থু করে একগাদা… ইস মাগো… আমি তেড়ে গেলাম তখন আবার দিল। আজ নোড়া দিয়ে হারামজাদির সব ক’টা দাঁত যদি না ফেলেছি। দেখব ফোকলা দাঁতে তখন কত গুক দেয়। ভূমি সরো বউমা, সরো দেখি। আমি রান্নাঘর থেকে নোড়াটা নিয়ে আসি।’

    পর্ণা শান্ত গলায় বলে, ‘দাঁড়ান মা, আমি দেখছি। আপনি শান্ত হন।’

    এগিয়ে যায় পর্ণা। বারান্দা পেরিয়ে মায়ার ঘরের সামনে এসে দাঁড়ায়। বন্ধ জানলায় মেয়েটা দাঁড়িয়ে আছে। পর্ণাকে দেখে হাসে। পর্ণাও হাসে।

    ‘মায়া, ভাল আছ?’

    ‘হ্যাঁ, বউদি ভাল আছি। তুমি কেমন আছ?’

    ‘আমি ভাল আছি।’

    পূর্ণা এগিয়ে এল। সে প্রতিদিনই আগে কথা বলে মেয়েটার মনের অবস্থা বুঝে নেয়। তারপর দরজা খোলে। পর্ণা নিচু গলায় বলল, ‘যা শুনলাম সেটা কি সত্যি? তুমি কি…?’

    মায়া কথার মাঝখানেই বলে, ‘হ্যাঁ সত্যি। সত্যি সত্যি সত্যি। তিন সত্যি। এবার তোমাকেও দেব। সবাইকে দেব।’ পর্ণা মুখ সরানোর সময় পায় না।

    দোল একটা আনন্দের দিন। এদিন কেউ কাঁদে না। এদিন কাঁদতে নেই। পর্ণা তাই দাঁতে দাঁত চেপে কান্না আটকে রেখেছে। আটকে মুখে জলের ঝাপটা দিচ্ছে। দিয়েই চলেছে।

    আজ শুভ্র আসবে না। তবু পর্ণার মনে হচ্ছে, আজ শুভ্র আসবে। অবশ্যই আসবে। আজ দোল না?

    বর্তমান, রবিবার ১৬ মার্চ, ২০০৮

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }