Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প833 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সন্ন্যাসী

    টিফিনের পর পার্থ সমাদ্দারকে তার টেবিলের দিকে আসতে দেখে সুপ্রতীক সতর্ক হল। সব অফিসেই এক ধরনের ‘নিচু-গলা’ টাইপের লোক থাকে। এরা যে-কোনও ধরনের আলাপ-আলোচনা গলা নামিয়ে করতে ভালবাসে। হয়তো ক্যান্টিনের মেনু বা বনগাঁ লোকালের লেট নিয়ে কথা বলবে, কিন্তু ভাব ভঙ্গি এমন যেন ভারত-আমেরিকার পরমাণু চুক্তি নিয়ে গোপন শলাপরামর্শ করতে এসেছে। কেউ শুনে ফেললে বিরাট বিপদ। প্রধানমন্ত্রী বকাঝকা দেবে।

    পার্থ সমাদ্দার এই অফিসের সেই ‘নিচু-গলা’ টাইপের লোক। কথা বলার সময় সে শুধু গলা নামায় না, চারপাশে ইতিউতি চাইতেও থাকে। কেউ দেখে ফেলছে না তো? অনেকেই দেখে, কিন্তু আমল দেয় না। তারা জানে, এই ফিসফিসানির কোনও দাম নেই। সম্ভবত সেই কারণেই সমাদ্দার সম্প্রতি পরীক্ষামূলকভাবে কিছু কিছু কথা বানিয়ে বলতে শুরু করেছে। এতে যদি তার নিচু গলার গুরুত্ব বাড়ে। তবে এখনও এ খবর খুব বেশি চাউর হয়নি।

    আজও কি সেরকম কিছু ঘটল? পার্থ সমাদ্দার কি বানিয়ে কিছু বলছে? নইলে সুপ্রতীক অমন চমকে উঠবে কেন?

    ‘এসব আপনি কোথা থেকে শুনলেন পার্থদা? এ আপনি কী বলছেন!’

    সমাদ্দার মুচকি হাসল। পাশের টেবিল থেকে চেয়ার টেনে এনে বসল মুখোমুখি। টেবিলের স্তূপাকৃত কাগজপত্রের পাশ থেকে মুখ বের করে বলল, ‘ওকথা ছাড়ো, তুমি বলো খবর সত্যি কি না।’

    সুপ্রতীক ঠোঁট কামড়ে মুহূর্তখানেক চুপ করে রইল। তারপর বলল, ‘ভুল করছেন না তো? হয়তো একই নামের অন্য কেউ গিয়েছিল।’

    ‘খেপেছ? উনি তোমার নাম বলেছেন।’

    ‘আমার নাম!’

    পার্থ সমাদ্দার ফিসফিস করে বলল, ‘শুধু তোমার নাম নয়, তোমার মিসেসের নাম, বাড়ির ঠিকানা সব বলেছেন। এমনকী তুমি যে এখানে কাজ করো তাও। সেই কারণেই তো বিশু আমাকে কথাটা বলল। নইলে বলবে কেন? ওদের ওখানে এরকম রোজই কতজন যাচ্ছে।’

    সুপ্রতীক নিজের অজান্তেই গলা নামিয়ে বলল, ‘বিশু! বিশু কে?’

    পার্থ সমাদ্দার হাসি হাসি মুখে বলল, ‘বিশু, বিশ্বনাথ। বিশুই তো ওখানে নামটাম লেখে, ম্যানেজার মতো। আমার ভগ্নিপতির বাড়ির পাশেই থাকে। ছেলে খারাপ নয়, ছেলে ভাল, একটু বেশি বকবক করে এই যা। কাল ভগ্নিপতির বাড়িতে নেমন্তন্ন ছিল। ছেলের জন্মদিন। ওখানেই ছোকরার সঙ্গে দেখা। বলল, পার্থবাবু, আপনাদের অফিসের… আমি তো শুনে থ’।’

    সুপ্রতীক নার্ভাস গলায় বলল, ‘আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।’

    এদিক ওদিক তাকিয়ে পার্থ সমাদ্দার বলল, ‘ঝগড়াঝাঁটি কিছু হয়েছে?’

    সুপ্রতীকের সবটা তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে। সমাদ্দার এসব কী বলছে! নিশ্চয় কোনও গোলমাল করছে। বানাচ্ছে না তো? লোকটা নাকি আজকাল বানিয়ে বানিয়েও কথা বলে। কিন্তু এরকম অদ্ভুত একটা কথা বানিয়ে বলতেই বা যাবে কেন? তা ছাড়া কথাটা তো এলেবেলে কিছু নয়, কথা সাংঘাতিক। নিজেকে সামলে, শুকনো হেসে সুপ্রতীক বলল, ‘না, না, ঝগড়া কার সঙ্গে হবে? কেনই বা হবে? এই তো অফিসে বেরোনোর সময় শর্মিলাকে দেখে এলাম ব্রেকফাস্টের জন্য চা-টোস্ট, অমলেট, একটা বড় সাইজের কলা নিয়ে…।’

    নিচু গলাতেই খুক খুক ধরনের হাসল সমাদ্দার। চোখ নাচিয়ে বলল, ‘ঝগড়ার সঙ্গে কলার সাইজের সম্পর্ক কী? ঝগড়া তোমার ছোট কাঁঠালি কলাতেও হতে পারে, বড় সিঙ্গাপুরিতেও হতে পারে। পারে না?’

    হাতের পেন টেবিলের ওপর রেখে পিঠ সোজা করে সুপ্রতীক খানিকটা সারেন্ডার করার ভঙ্গিতে বলল, ‘তা ঠিকই, কিন্তু সত্যি পার্থদা, আমি কিছুই জানি না। কী মুশকিল হল বলুন তো।’

    পার্থ সমাদ্দার ঠোঁটের ওপর আঙুল দিয়ে বলল, ‘স্ স্‌… আস্তে বলো সুপ্রতীক, এসব জিনিস জোরে বলার নয়। লোকে শুনলে ভুল বুঝবে। ভাববে তোমরাই জোর করে…। আরও ব্যাপার হয়েছে।’

    ‘আরও ব্যাপার! ব্যাপারের আর বাকি কী রইল?’ সুপ্রতীকের ভেঙে পড়ার জোগাড়।

    পার্থ সমাদ্দার এবার চোখের বদলে শুধু ভুরু নাচিয়ে বলল, উনি তোমার আর তোমার গিন্নির গুণগান করেছেন। একটু গুণগান নয়, বেশি রকমের গুণগান। বিশু তো বলছিল, পুত্রবধূর প্রশংসায় ভদ্রলোক নাকি একেবারে পঞ্চমুখ। রান্নাবান্না, সেবা যত্ন, ঘর গুছিয়ে দেওয়ার লম্বা ফিরিস্তি দিয়েছেন। বিশু তখন বলেছে, স্যার, এখানে অতটা তো পাবেন না, তবে যতটা হয়…।’

    সুপ্রতীক মিনমিন করে বলল, ‘তা হলেই বুঝুন।’

    টেবিলে টোকা দিতে দিতে সমাদ্দার দার্শনিক ধরনের চিন্তিত মুখ করে বলল, ‘এটাই তো ব্যাপার সুপ্রতীক। মানুষের মনের কথা আর বাইরের কাজ যখন আলাদা হয়ে যায় তখনই ব্যাপার জটিল হয়ে দাঁড়ায়। নিশ্চয় ভেতরে কোনও ক্ষোভ অভিমান তৈরি হয়েছে।’

    খানিকটা চুপ করে থেকে সুপ্রতীক মুখ নামিয়ে বলল, ‘জায়গাটা কোথায়?’

    সমাদ্দার চারপাশে এক ঝলক তাকিয়ে নিয়ে আরও ঝুঁকে পড়ল। গলা বাড়িয়ে প্রায় সুপ্রতীকের কানের কাছে মুখ নিয়ে বলল, ‘অ্যাকিউরেট লোকেশন জানি না, তবে বিশুর কাছে শুনেছি, জায়গা অতি চমৎকার।’

    দাঁতে দাঁত চেপে সুপ্রতীক নিজের নার্ভাস ভাব গোপন করার চেষ্টা করল। বলল, ‘চমৎকার না কদাকার জানতে চাইনি, জায়গাটা কোথায় সেটা কি আপনি জানেন?’

    ‘জানি। উত্তরপাড়া স্টেশন থেকে যেতে হয়, গঙ্গার ধারে। দোতলার ওপর গঙ্গা ফেসিং একটা ঘর উনি পছন্দ করে এসেছেন। তিনতলাতে আরও ভাল ঘর ছিল। নেননি, হাঁটুতে ব্যথা, ওঠা-নামা করতে পারবেন না।’

    সুপ্রতীক আঁতকে উঠল। হাঁটুতে ব্যথা! কই তার তো জানা নেই! কবে থেকে হল?

    ‘সে কী! ঘর পর্যন্ত পছন্দ হয়ে গেছে! ছি ছি।’

    সমাদ্দার সান্ত্বনা দেওয়ার ভঙ্গিতে বলল, ‘ডোন্ট বি সো আপসেট সুপ্রতীক। আজই বাড়ি গিয়ে ঝামেলা মেটানোর চেষ্টা করো। যতই হোক বুড়ো মানুষ। বয়স কত হল?’

    সুপ্রতীকের আর একটা কথাও বলতে ইচ্ছে করছে না। তার শরীর খারাপ করছে। তবু সে বিড়বিড় করে বলল, ‘সিক্সটি এইট। সামনের আশ্বিনে নাইনে পা দেবে। তেরোই আশ্বিন।’

    সমাদ্দার ঠোঁট উলটে ঘাড় নেড়ে বলল, ‘না না সুপ্রতীক, এটা ঠিক নয়। তোমাদের আজই ঘটনা মেটানো উচিত।’

    ‘কী মেটাব? কিছু হলে তো মেটামেটির প্রশ্ন। আপনি বিশ্বাস করুন পার্থদা, বিলিভ মি। নিজেই তো শুনেছেন, উনি শর্মিলাকে কতটা পছন্দ করেন।’

    ‘আমার শোনাশুনিতে কী এসে যায়? লোকে শুনবে না। তোমাকে এই অফিসে সবাই গুডবয় হিসেবে জানে। শুধু গুডবয় নয়, তুমি হলে একজন ডিউটিফুল ফ্যামিলিম্যান। সেই তোমার বাড়িতেই যদি এই কাণ্ড হয় তা হলে কী বিচ্ছিরি বলো তো? সবার সামনে কী এক্সমপেল তৈরি হবে? আমি এখন চললাম, গাদাখানেক ফাইল ছাড়তে হবে। বস তো খালি আমার টেবিলের দিকেই চোখ পেতে রেখেছে, যাক, দরকার হলে বোলো, সেরকম হলে আমিও বোঝাতে যাব। তোমাদের একটা সোশ্যাল প্রেস্টিজ আছে।’

    আবার মুচকি হেসে, পিঠে দু’বার চাপড় দিয়ে পার্থ সমাদ্দার নিজের ডিপার্টমেন্টের দিকে পা বাড়াল। সুপ্রতীকের মনে হল ‘চাপড়’ নয়, পিঠে দু’ ঘা চাবুক পড়ল। সে পকেট থেকে মোবাইল বের করে দ্রুত শর্মিলার নম্বর টেপে।

    দুপুরের এই সময়টা শর্মিলা টেলিফোন পছন্দ করে না। এই সময় সে তার দুই মেয়ে চন্দ্রাবলী এবং চন্দ্রাবতীকে স্কুলে পাঠিয়ে ঝাড়া হাতপায়ে বসে টিভিতে রান্নার প্রোগ্রাম দেখে। আজও দেখছে। বিদেশি চ্যানেলে সুন্দরী মেমসাহেব হাসি হাসি মুখে চকোলেট কেক বানাচ্ছে। শর্মিলা বিস্মিত দৃষ্টিতে সেদিকে তাকিয়ে আছে। তার বিস্ময় চকোলেট কেকের জন্য নয়, বিস্ময় রান্নাঘরের জন্য। এটা রান্নাঘর! রান্নাঘরও এত সুন্দর হয়! রান্নাঘর না হয়ে একে অনায়াসে ড্রইংরুম বা স্টাডিও বলা যেতে পারে। সিঙ্কের পাশে ফুলদানি। মাইক্রোআভেনের ওপর বইয়ের র‍্যাক। ইয়া বড় জানলায় মেরুন রঙের পরদা ঝুলছে। তার রান্নাঘরে যদি এরকম একটা লম্বা, কালো মার্বেল টেবিল থাকত তা হলে কথাই ছিল না। গরমের দুপুরে মাঝে মধ্যেই পালংশাক, ধনেপাতা, সজনেডাঁটা সরিয়ে একটু গড়িয়ে নিত। একেবারে বেডরুম। আহা!

    সত্যি কথা বলতে কী, একটা ঝকঝকে রান্নাঘরের স্বপ্ন শর্মিলার বহুদিনের। সেই বিয়ের পর থেকেই। তার শ্বশুরবাড়ির সব ভাল, একতলা ছিমছাম বাড়ি। তিনটে বড় বড় বেডরুম। সঙ্গে টাইলস মোড়া বাথরুম। পুব আর দক্ষিণে দুটো খোলা বারান্দা। ডাইনিং কাম ড্রইংটাও ছোটর ওপর মন্দ নয়। শুধু রান্নাঘরটাই হতকুচ্ছিত। অন্ধকার, ঘুপচি, যেন বাড়ির এক কোনায় লজ্জায় মুখ লুকিয়ে আছে কুশ্রী মেয়ের মতো। ওখানে ঢুকলেই, খানিকটা পর থেকে শর্মিলার শরীর ঝিমঝিম করে, মাথা ধরে যায়, দম আটকে পড়ে। শাশুড়ি বেঁচে থাকতে একবার কথাটা তুলেছিল শর্মিলা।

    ‘মা, রান্নাঘরটা একটু ঠিকঠাক করলে হয় না?’

    ‘ঠিকঠাক! রান্নাঘরের আবার ঠিকঠাক কী! তেল মশলা, ফোড়ন কমিয়ে বাড়িয়ে রান্নার ঠিকঠাক হয় শুনেছি, তুমি কী বলতে চাইছ আমি ঠিক ধরতে পারছি না শর্মিলা!’

    শর্মিলা আমতা আমতা করে বলল, ‘না মানে, এই ধরুন জানলাটা কেটেকুটে খানিকটা বড় করা হল, দেয়ালে টাইলস দিলাম, ওপরদিকে একটা বড় ক্যাবিনেট। ক্যাবিনেটের ভেতরে মশলাপাতি থাকল।’

    শাশুড়ি চোখ বড় করে বললেন, ‘আর?’

    শর্মিলা নার্ভাস হেসে বলল, ‘আর… আর ঘরটা সাইজে যদি খানিকটা বড় করা যায়। এদিকের ওয়ালটা ভেঙে ফেলে খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে।’ শর্মিলা কথা থামিয়ে ঢোঁক গিলে আবার বলতে শুরু করল, ‘আজকাল রান্নাঘরের কনসেপ্টটাই বদলে গেছে মা। সিনেমা, টিভিতে দেখেন না, ফ্ল্যাটবাড়িতে সব মডিউলার কিচেন। স্পেশিয়াস, এয়ারি। আমাদের মতো নয়, দু’জন ঢুকল কি ঢুকল না গায়ে গা লেগে যায়।’

    শাশুড়ি ঠান্ডা গলায় বলেছিলেন, ‘শর্মিলা, আমার যতদূর জানা আছে তোমার শ্বশুরমশাই রান্নাঘর সিমেন্ট বালি দিয়েই বানিয়েছেন, ইলাস্টিক দিয়ে নয়। ইলাস্টিক বা রাবার দিয়ে করলে না হয় টেনে বড় করা যেত। তা ছাড়া এটা ফুটবল খেলার মাঠও নয় যে তার ভালমন্দ আলো হাওয়ায় বিচার হবে। রান্নাঘরের বিচার হবে রান্নার কোয়ালিটিতে। তুমি ঘরের দিকে মন না দিয়ে বরং রান্নায় মন দিলে ভাল হবে। সেরকম অসুবিধে হলে তুমি রান্নার জন্য আলাদা লোকও রাখতে পারো। বাড়ির বউকে রোজ হেঁশেল ঠেলতে হবে এরকম কোনও নিয়ম আমার সংসারে নেই। রান্নাঘর সিনেমা-টিভির মতো করে সাজানোর থেকে তার খরচ কম হবে বলেই আমার মনে হয়।’

    এরপর আর এ প্রসঙ্গ তোলার সাহস পায়নি শর্মিলা। শাশুড়ি মারা যাওয়ার পর সুপ্রতীককে কয়েকবার কথাটা বলেছিল। সে ‘হচ্ছে, হবে’ বলে চুপ করে গেছে। সেও প্রায় কয়েক বছর পার হয়ে গেল। এবার শর্মিলা নিজেই উদ্যোগ নিয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে শ্বশুরমশাইকে গোপনে নিজের ইচ্ছে জানিয়েছে। বৃদ্ধ মানুষটা শুধু রাজি হননি, খুবই উৎসাহও দেখিয়েছেন। শুধু রান্নাঘর নয়, বাড়ির লোকদের যে-কোনও ধরনের ইচ্ছেতেই এই মানুষের বিরাট উৎসাহ। যত দিন যাচ্ছে উৎসাহের পরিমাণ বাড়ছে। নাতনিদের অ্যাকোরিয়ামের শখ তো নিজেই দু’জনকে নিয়ে হাতিবাগানে ছুটলেন গোল্ড ফিশ আনতে। শর্মিলা ছাদে গাছ করবে শুনে, টব আনলেন গাদাখানেক। সঙ্গে নয়নতারার চারা। সেই চারার বেশিটাই গেল মরে। উনি বললেন, নো প্রবলেম। আরও আসবে। ছুটির দিনে ছেলে বেলা পর্যন্ত ঘুমোচ্ছে? কই বাত নেহি। সেদিন দোকান-বাজারের সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে একটা হইচই শুরু করে দিলেন। বাজারের সঙ্গে এল গরম জিলিপি। চন্দ্রাবলী-চন্দ্রাবতী গরম জিলিপি দিয়ে ব্রেকফাস্ট করতে গিয়ে হাতে মুখে রস মেখে একাকার কাণ্ড করল। মানুষটার এই হইচইয়ের অভ্যেস আজ থেকে নয়, গোড়া থেকেই দেখছে শর্মিলা। শাশুড়ি চোখ পাকিয়ে বলতেন, ‘আদিখ্যেতা কোরো না তো।’

    শর্মিলার মুখে সেদিন রান্নাঘরের কথা শুনে বললেন, ‘বুঝলে বউমা, রান্নাঘর হল বাড়ির হার্ট। সে যেমন পাম্প করে গোটা বাড়ির শরীরে রক্ত সাপ্লাই করে, তেমন আবার সে হৃদয়ও বটে। খাবারে যত্ন, ভালবাসার ছোঁয়া লাগাতে জানে। রাঁধুনির মন খারাপের সময় কতবার যে রান্না পুড়ে গেছে আর রাগের সময় ঝাল পড়েছে বেশি তার ওপর যদি একটা সার্ভে হত… হা হা।’

    শর্মিলা খুশি হয় আবার লজ্জাও পায়। হেসে বসে, ‘মা বেঁচে থাকতে বলেছিলাম একবার।’

    ‘তিনি প্রোপোসাল ঘ্যাচাং করে দিয়েছিলেন তো? জানি দেবেন। আরে বাবা, তোমার শাশুড়ির যুগ ছিল অন্যরকম। সে ছিল রান্নাঘরে বন্দি থাকার যুগ, আর তোমাদের যুগ হল আরেকরকম। রান্নাঘরে মুক্তির যুগ। কাজটা এতদিন যে কেন হয়নি, সেটাই আমার অবাক লাগছে।’

    শর্মিলা অনুযোগের সুরে বলে, ‘দেখুন না বাবা, আপনার ছেলেও তো বুঝতে চাইছে না। কতদিন ধরে বলছি।’

    শ্বশুরমশাই চোখ পাকিয়ে বললেন, ‘সুপ্রতীকের কথা বাদ দাও দেখি, তুমি বলদেওকে খবর পাঠিয়ে আজই প্ল্যান প্রোগ্রাম ঠিক করে ফেলা। রাজমিস্ত্রি হিসেবে বলদেও খারাপ নয়। খরচাপাতির হাতটা একটু বেশি। তবে ও নিয়ে চিন্তা কোরো না, আমি আছি।’

    মানুষটাকে নিয়ে এই এক মুশকিল হয়েছে শর্মিলার। যে-কোনও কাজেই জমানো টাকা ফরফর করে বের করে দেন। সুপ্রতীক শুনলে রাগারাগি করে। শর্মিলা বলে, ‘বাঃ, আমায় বলছ কেন? আমি কি চেয়েছি নাকি? উনি চিরকালই তো এরকম। মা বেঁচে থাকতে কম অশান্তি হয়েছে?’

    বলদেওকে ডেকে ইতিমধ্যে দু’পর্যায়ে কথা হয়ে গেছে শর্মিলার। রাজমিস্ত্রির সঙ্গে কথা ফাইনাল হলে, আসবে কাঠের মিস্ত্রি। একদম শেষে ইলেকট্রিকের লোক। সবই ঠিক আছে, অসুবিধে হচ্ছে শুধু ঘরের সাইজ বড় করায়। রান্নাঘর বড় করতে হলে লিভিং ডাইনিং রুমের খানিকটা কেটে নিতে হবে। তা ছাড়া দেয়াল ভাঙলে বাড়ির খোলনলচেতে কোনও গোলমাল হয়ে যায় কিনা সেটাও দেখার। শর্মিলা অবশ্য এসব নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না। ডিজাইন ফাইনাল হয়ে গেলে, শ্বশুরমশাইয়ের সঙ্গে বলদেওকে বসিয়ে দেবে। তবে শর্মিলার ইচ্ছে আগে একবার বলদেওকে টিভির প্রোগ্রাম দেখিয়ে দেওয়ার। ফটোর থেকে টিভি দেখলে আইডিয়া পরিষ্কার হবে।

    বিরক্ত মুখে সুপ্রতীকের ফোন ধরেছিল শর্মিলা। এখন থমথমে মুখে বসে আছে। শুধু মুখ থমথমে নয়, চোখও ভেজা। ইচ্ছে করছে এখনই উঠে শ্বশুরমশাইয়ের ঘরে যায় এবং জিজ্ঞেস করে ঘটনা সত্যি কি না? সত্যি হলে কেন সত্যি? তারা কী অন্যায় করেছে? কী অসুবিধে হচ্ছে তাঁর?

    দুপুরে খাওয়ার পর মানুষটা নিজে একটু বিশ্রাম করেন। ঘরটা বাড়ির মধ্যে সবথেকে ভাল। দক্ষিণমুখো। জানলার কাছেই চাঁপা ফুলের গাছ ঝুঁকে আছে। গরমের সময় ফুলে ফুলে ভরে থাকে। স্ত্রীর মৃত্যুর পর, এই ঘর ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। শর্মিলাকে ডেকে বলেছিলেন, ‘এত বড় ঘরে আর দরকার কী? তুমি বরং এটাতে চলে এসো বউমা।’

    শর্মিলা, সুপ্রতীক দু’জনেই কথাটা উড়িয়ে দেয়।

    সুপ্রতীক টেলিফোনে বলেছে, ‘তুমি হড়বড় করে বাবাকে কিছু বলতে যেয়ো না। আমি ফিরে যা বলার বলব।’

    শর্মিলা চাপা গলায় ঝাঁঝিয়ে ওঠে, ‘কেন? আমি বলব না কেন? আমি কী দোষ করলাম?’

    ‘আহা, তোমার দোষের প্রশ্ন উঠছে কেন?’ ওপাশ থেকে ফিসফিস করে বলল সুপ্রতীক।

    কাঁদোকাঁদো গলায় শর্মিলা বলে, ‘উঠছে না? সবাই তো আমার দিকেই আঙুল তুলবে। বলবে নিশ্চয় আমার সঙ্গে ঝগড়া করে… ছি ছি, এরপর মুখ দেখাতে পারব?’

    সুপ্রতীক একটু চুপ করে থেকে বলে, ‘তোমার সঙ্গে কিছু হয়নি তো শর্মিলা?’

    ‘আমার সঙ্গে! আমার সঙ্গে কী হবে?’ এবার সত্যি সত্যি চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ে শর্মিলার। বলে, ‘তুমি এখনই বলতে শুরু করেছ!’

    সুপ্রতীক গলা নরম করে বলে, ‘আহা, ওভাবে কথাটা নিচ্ছ কেন? হয়তো ডাইরেক্ট কিছু হয়নি, ধরো, উনি তোমার কোনও কথায় দুঃখ পেয়েছেন অথবা কোনও আচরণে। তুমি বুঝতে পারোনি।’

    ‘কী বুঝতে পারব না? খানিক আগেই তো কত গল্প করলাম, উনি ভাত খেতে বসেছিলেন। নাতনিদের নাচ-গান নিয়ে হাসাহাসি করলেন, কাল রাতদুপুর পর্যন্ত তোমার দুই মেয়ে নাকি জ্বালিয়ে মেরেছে। রেগে থাকলে কেউ অমন হাসাহাসি করতে পারে!’

    ‘আচ্ছা, চন্দ্রাবলী-চন্দ্রাবতী কিছু করেনি?’

    শর্মিলা এবার হিসহিসিয়ে উঠল। বলল, ‘তোমার মাথা কি একেবারে গেছে? ক্লাস ফোরের দুটো মেয়ে কী করবে? আর যদি করেও থাকে, উনি একেবারে বাড়ি ছেড়ে…।’

    সুপ্রতীক ফোনেই যেন নিজের মনে বলল, ‘ঠিকই তো। তা-ই বা কী করে হবে? কিছুই বুঝতে পারছি না শর্মিলা। সব কেমন গুলিয়ে যাচ্ছে। কোনও কারণ নেই তবু… আমি নিজেও যে ওঁকে আঘাত দেওয়ার মতো কিছু বলেছি এমন তো নয়, সেদিন শুধু বললাম, অতবার দোকান বাজার ছুটো না বাবা। নাতনিরা রং পেনসিল চাইল, লজেন্স চকোলেট চাইল অমনি গায়ে পাঞ্জাবি চড়িয়ে ছুটলে, বয়স বাড়ছে না? তা হলে কী এমন ঘটল? যাক, আমি ফিরে দেখছি।’

    শর্মিলা চোখ মুছে ফিসফিসিয়ে বলল, ‘হ্যাঁগো, তোমার মামা কোনও পরামর্শ দেয়নি তো? ওর মাথায় কিন্তু নানারকম বদ মতলব খেলে।’

    সুপ্রতীক বলল, ‘খেপেছ! বাবা কারও পরামর্শ শুনে চলার মানুষ? তা ছাড়া পরামর্শ দিয়ে ওদের লাভ কী?’

    ‘লাভ কিছু নয়, হিংসে। ছেলে, ছেলের বউ, নাতনিদের নিয়ে বুড়ো মানুষটা এমন সুন্দরভাবে মিলেমিশে আনন্দে রয়েছেন সেই দেখে হিংসে। ক’টা বাড়িতে এমন হয়?’

    এত সমস্যাতেও সুপ্রতীক হেসে ফেলল, ‘এটা বাড়াবাড়ি ধরনের ভাবনা হয়ে যাচ্ছে শর্মিলা। যাক, আমি তাড়াতাড়ি ফিরছি। ততক্ষণ তুমি কিছু বোলো না। হিতে বিপরীত হয়ে যাবে। জানোই তো বাবা একবার কোনও ডিসিশন নিয়ে ফেললে নড়চড় হয় না, তবে আমার কেন জানি মনে হচ্ছে, আরও একটা জিনিস হতে পারে।’

    ‘আবার কী?’

    ‘শুনেছি সমাদ্দারটা নাকি আজকাল মিথ্যেও বলছে। নিচু গলার কারণে, মনটাও নিচু হয়ে গেছে। তাই যদি হয়…।’

    এ প্রান্তে কপালে ডান হাত ঠেকিয়ে শর্মিলা বলল, ‘তাই যেন হয় ঠাকুর, বানানোই যেন হয়।’

    বিকেলে শ্বশুরমশাই ঘুম থেকে উঠলে রোজকার মতো শর্মিলা চা দিতে গেল। মন খারাপ হলে কী হবে, এই কাজে শর্মিলার কখনও গোলমাল হয় না। বরাবরই শর্মিলা চায়ের বাপারে সতর্ক। বিছানায় আধশোয়া অবস্থাতে চায়ের কাপ হাতে নিয়ে শ্বশুরমশাই হাসলেন।

    ‘থ্যাঙ্কু। আমাদের বাড়ির নাচিয়ে গাইয়ে দুই ওস্তাদ স্কুল থেকে ফিরেছে নাকি?’

    শর্মিলা অভিমানে মুখ ঘুরিয়ে বলল, ‘এবার ফিরবে। আমি ওদের টিফিন করতে যাব।’

    ‘শোনো শর্মিলা, আজ কিন্তু আমার একটা আবদার তোমায় রাখতে হবে।’

    শর্মিলা ভুরু কোঁচকাল। অনুরোধ! অবাক গলায় বলল, ‘বলুন।’

    ‘আজ তোমাকে মেয়ে দুটোর জন্য লুচি ভাজতে হবে। শুধু ভাজলেই চলবে না, খেয়াল রাখতে হবে, লুচি যেন ফুলকো হয়। নাতনি দুটোকে কাল রাতে বলেছি, ওদের নাচগানে আমি খুবই সন্তুষ্ট হয়েছি, পুরস্কার হিসেবে আজ ফুলকো লুচি আর মণ্ডা মিঠাইয়ের ব্যবস্থা করা হবে। মিঠাইয়ের ব্যবস্থা আমি করব, কিন্তু লুচির জন্য তুমি ভরসা। হা হা।’

    শর্মিলা চমকে ওঠে। এই চমৎকার মানুষটাই অমন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন! হতেই পারে না। কিছুতেই হতে পারে না। সুপ্রতীক নিশ্চয় কোথাও গোলমালা করছে। অফিসের লোক মজা করেননি তো? অফিসের সব লোক ভাল হয় না। তারা বিচ্ছিরি ধরনের ঠাট্টা করতে ভালবাসে। সুপ্রতীক যে বলেছিল, ওই সমাদ্দার না তালুকদার মিথ্যে কথা বলে? নিশ্চয় তাই হয়েছে। শর্মিলা কিছু একটা বলতে গিয়েও নিজেকে সামলাল। থাকুক, সুপ্রতীক কিছু বলতে বারণ করেছে।

    ‘তোমার রান্নাঘর রেনোভেশনের কাজ এগোচ্ছে তো শর্মিলা? বলদেওকে আমার সঙ্গে একবার কথা বলতে বোলো দেখি। এতদিন পরে কাজটা যখন হচ্ছে ভাল করেই হওয়া দরকার।’

    আলো কমে আসা বিকেলে ঘুপচি রান্নাঘর আরও অন্ধকার। ময়দা মাখতে মাখতে শর্মিলা নিশ্চিন্ত হল, সুপ্রতীকের খবর সত্যি নয়। এই চমৎকার মানুষটার কিছু হয়নি। রাগ অভিমান হলে লুচি, রান্নাঘরের কথা কেউ হাসতে হাসতে বলতে পারে? কখনওই নয়। সুপ্রতীক ফিরে আসার পর যখন সে তার বাবাকে কথাটা বলবে, তখন যে খুব একচোট হাসাহাসি হবে তা এখনই বোঝা যাচ্ছে। গল্পটা শুনে মানুষটার মুখ কেমন হবে? ঘাবড়ে যাবেন? নাকি লজ্জা পাবেন? মনে হয় খুব জোরে একটা হাসি দেবেন। আচ্ছা, সে যদি সেইসময় নরমাল গলায় জিজ্ঞেস করে, ‘বাবা, আপনি কোন সুটকেসটা নিয়ে যাবেন? জিনিসপত্র গোছাতে শুরু করি?’ এতে হাসি কি বাড়বে? মনে হয় বাড়বে। চন্দ্রাবলী-চন্দ্রাবতী পড়া ফেলে ছুটে এসে দাদুর ঘাড়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে এবং কিছু না জেনে তারাও হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়বে।

    দৃশ্যটা ভেবে শর্মিলা নিজের মনেই হাসল।

    দ্রুত টেনশন মুক্ত হতে হতে শর্মিলা সিদ্ধান্ত নিল, নতুন রান্নাঘরের একপাশে একটা ছোট্ট টিভি সেট রাখা হবে। এতে প্রোগ্রাম দেখতে দেখতে হাতেকলমে রান্না শিখতে সুবিধে হবে।

    কলিং বেল পর্যন্ত হাত যায় না বলে, রোজই স্কুল থেকে ফিরে চন্দ্রাবতী এবং চন্দ্রাবলী প্রবল উৎসাহে দরজায় ধাক্কা মারে। যেন আজ স্কুলে তাদের দরজা ধাক্কা বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। দরজা খুলে শর্মিলা প্রথমেই জোর ধমক লাগায়। আজ লাগাল না। দরজা খুলে একগাল হেসে বলল, ‘তাড়াতাড়ি হাতমুখ ধুয়ে নাও, তোমাদের দাদু তোমাদের জন্য লুচি-মণ্ডার ব্যবস্থা করেছে।’

    সন্ধের মুখে মুখে চন্দ্রাবতী-চন্দ্রাবলী তাদের মায়ের কাছে এসে একটা মজার খবর বলতে বলতে হেসে কুটোপাটি খেতে লাগল। ধমক দেওয়ার পর জানা গেল, খানিক আগে তাদের দাদু নাকি মস্ত একটা সুটকেস নিয়ে খুব ঝামেলায় পড়েছিল। ঠেসে জামাকাপড় ভরার পর আর সুটকেস বন্ধ করতে পারে না! শেষ পর্যন্ত দুই বোন ওপরে বসে…

    শর্মিলার মেজাজ ভাল নেই। চকোলেট কেক ঠিকমতো হয়নি। দুই মেয়েই টেস্ট করতে গিয়ে নাক কুঁচকেছে। এই হয়েছে এক ঝামেলা। নতুন রান্নাঘর মনের মতো হলেও, খাবারগুলো সবসময় মনের মতো হচ্ছে না। আজও হয়নি। আবার যে চেষ্টা করবে সে সময়ও নেই। বাইরে সবাই অপেক্ষা করছে। উত্তরপাড়া একেবারে কম পথ নয়। গঙ্গার ধারের বৃদ্ধাবাস পর্যন্ত পৌঁছাতে আরও খানিকটা যেতে হয়। সেই বাড়ির দোতলার গঙ্গামুখী বারান্দায় বসে আছেন এক বৃদ্ধ। আজ তাঁর জন্মদিন। তিনি ছেলেমানুষের মতো ছটফট করছেন। এত দেরি হচ্ছে কেন? কখন ওরা আসবে? নাতনিরা কখন ‘হ্যাপি বার্থ ডে’ বলে কেকের টুকরো মুখে তুলে দেবে?

    বৃদ্ধবাসের অনেকেই তাঁর এই ছটফটানি দেখে হাসাহাসি করছে। করুক। তাঁর কিছু এসে যায় না। আর কেউ না জানুক, তিনি তো আসল কথা জানেন। জীবনের বাকি দিনগুলো সংসারে থাকার জন্যই যে তিনি সংসার ছেড়েছেন। ঘরবাড়ির নকল সংসার নয়, সত্যিকারের সংসার।

    সাপ্তাহিক বর্তমান, ২৪ জানুয়ারি ২০০৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }