Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প833 Mins Read0
    ⤶

    নীলকণ্ঠ

    এতক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। এবার বসতে দেওয়া হয়েছে। ঠায় দাঁড়িয়ে থাকার থেকে হাত-পা ছড়িয়ে বসা সব সময়েই আরামের। কিন্তু দুটো হাত পিছমোড়া করে বাঁধা থাকলে বসা আর আরামের থাকে না। কাধ দুটো ঝুঁকে পড়ে। কনুইগুলো ঠেলে বেরিয়ে আসে সামনের দিকে। পিঠে লাগে। মনে হয়, কে যেন লোহার চেন দিয়ে পিছনেও টানছে, আবার সামনেও টানছে। কষ্ট হয়।

    পচা কষ্ট করেই বসেছে। এটা মারের সময়। সাধারণ মার নয়। চোরের মার। চোরের মার অতি মারাত্মক জিনিস। কথায় আছে ‘চোরের মার’। কথা এমনি এমনি তৈরি হয়নি। এই সময় এত সুবিধে-অসুবিধে দেখলে চলে না। বসতে বলেছে এটাই যথেষ্ট।

    ‘অ্যাই ছোঁড়া, তোর নাম কী?’

    পচা বিড়বিড় করে বলে, ‘পচা’।

    কেউ শুনতে পেল বলে মনে হয় না। চোরের নাম জানার জন্য কেউ ব্যস্তও নয়। জিজ্ঞেস করতে হয় তাই করা।

    মার বলতে প্রধানত থাপ্পড় এবং লাথি। সেই সঙ্গে চুলের মুঠি ধরে ঝাঁকুনি। সমস্যা হচ্ছে, প্রতি ঝাঁকুনিতেই হাতে চুল উঠে আসছে। গোছা গোছা চুল। বারো-তেরো বছরের একটা নোংরা ভিখিরি ধরনের ছেলের চুল হাতে উঠে আসা ভাল জিনিস নয়। একটা গা ঘিনঘিনে ব্যাপার। হারামজাদা কতদিন স্নান করেনি তার ঠিক আছে? কোনও ঠিক নেই। করলেও তেল, সাবান যে দেয় না সেটা নিশ্চিত। মারের সময় তো হাতে শ্যাম্পুর শিশি ধরিয়ে বলা যায় না, ‘যা আগে ভাল করে স্নান করে আয়। তারপর তোকে ঠ্যাঙাব।’বলা যায় কখনও? বলা যায় না।

    তবে সুসংবাদ হল, খানিক আগে চুল ওঠা বন্ধ হয়েছে। সম্ভবত অনেকটা ছিঁড়ে, ওপরে উঠে যাওয়ার পর চুল নিজেই নিজের প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে নিয়েছে। অনেক সময় এরকম হয়। শরীর কিছুটা সময় বাইরের সাহায্যের জন্য হাঁকুপাঁকু করে। তারপর নিজেই নিজের জন্য এগিয়ে আসে। তবে ঘটনা যাই হোক, আসল কথা হল, চুল এবার ধরা যাচ্ছে নিশ্চিন্তে। চোর ঠ্যাঙানোর সময় ঘনঘন চুলের মুঠি ধরতেই হবে। চুল খামচে ধরে ইচ্ছেমতো মাথাটা ডানদিক-বাঁদিকে, ওপরে-নীচে পেঁচিয়ে-পুঁচিয়ে ফেলতে হয়। এই ক্ষেত্রেও হচ্ছে। সুবিধে হল, ছোট মানুষ। বেটার ঘাড় এখনও তেমন শক্ত হয়নি। একটা প্লাস্টিক প্লাস্টিক ভাব রয়েছে। মাথা দুমড়ে-মুচড়ে দিতে বিরাট কিছু কসরত করতে হচ্ছে না। অল্পেই হচ্ছে।

    মঙ্গল এবং তার বড় জানকী দু’জনেই এই ফ্ল্যাটবাড়িতে কাজ করে। দু’জনের দু’রকম কাজ। মঙ্গল পেয়েছে দারোয়ানের দায়িত্ব। তার চেহারা ভারী এবং গলার আওয়াজ মোটা। দারোয়ান হিসেবে এই দুটি জিনিসেরই খুব প্রয়োজন। এই যোগ্যতার জোরে তাকে দিনে এবং রাতে ডিউটি দেওয়া হয়েছে। দিনের ডিউটিতে সারাদিন গেটের সামনে টেবিল নিয়ে বসে থাকতে হয়। কেউ এলে মোটা খাতায় তার নাম, ঠিকানা, বাবার নাম লিখে ফেলতে হয়। রাতের ডিউটিতে লেখালিখির কোনও ব্যাপার নেই। কাজ হল শুধু দু’ঘণ্টা অন্তর একবার করে বাড়ি চক্কর দেওয়া এবং হাঁক পাড়া। এর জন্য তাকে খাকি পোশাক এবং বেঁটে লাঠি কিনে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে তার বউ পেয়েছে খুটখাট ফাইফরমাশের দায়িত্ব। দোকান-বাজার, পোস্টাপিস এইসব।

    কিন্তু ভেতরে সমস্যা আছে।

    চেহারা ভারী হলেও মঙ্গল খুবই ভিতু ধরনের একজন মানুষ। ফ্ল্যাট চক্কর তো দূরের কথা, রাতে ঘরের বাইরে যাওয়ার মুরোদই তার নেই। গভীর রাতে ঘরের বাইরে খুটখাট আওয়াজ হলে সে হাত বাড়িয়ে জানকীকে ঠেলা দেয়। জানকীর ঘুম গভীর। চট করে ভাঙতে চায় না। তবু সে স্বামীর ঠেলায় চোখ কচলে তক্তপোশের ওপর উঠে বসে। বসে হাঁক মারে— ‘কৌন হ্যায়? কৌন হ্যায় শালা?’

    স্বামী-স্ত্রীর মধ্যের গোপন খবর হল, বেঁটে লাঠিটা আজকাল মঙ্গলের বদলে জানকীর হাতের কাছেই থাকছে।

    আজ ভোরে বাড়ির সামনে পচাকে সন্দেহজনকভাবে ঘুরতে দেখে মঙ্গল তাকে ধরতে পেরেছে দুটো কারণে। এক নম্বর কারণ, ঘটনা দিনের আলোয়। দু’নম্বর কারণ হল, চোরের বয়স অল্প। অল্পবয়সি চোর ফ্ল্যাটবাড়ির উলটোদিকের মাঠে দাঁড়িয়ে হিসি করছিল। মঙ্গল গিয়ে পেছন থেকে জাপটে ধরে।

    মঙ্গল চোর ধরেছে— এই খবর জানাজানি হয়েছে খানিকটা পরে। চোরকে বেঁধে ফেলার পর।

    ‘বল, হারামজাদা বল। সাতদিন ধরে তুই এই ফ্ল্যাটের সামনে ঘুরঘুর করছিলি কিনা বল। তিনতলার চুরিটা কার কাজ?তোর?বল, বল আগে। তিনতলায় উঠলি কী করে?সিঁড়ি দিয়ে? পাইপ বেয়ে?চেহারাটা যেরকম টিকটিকির মতো রেখেছিস তাতে তো মনে হচ্ছে, দেওয়াল বেয়ে ওঠা-নামা করিস৷ বল, চুরির জিনিস কোথায় বেচিস?আর ক’টা বাড়িতে এই কাণ্ড করেছিস?মালগুলো বেচেছিস কোথায়?কী রে চুপ করে আছিস কেন? কথা বল। না বললে তোর ঘাড়খানা মটকে একদম মেরে ফেলব। এই দেখ, এইভাবে মটকাব, এই যে, এই এই এইভাবে…।’

    পচা চিৎকার করে ওঠে। প্রথমে চাপা। তারপর তীব্র, তীক্ষ্ণ। ঘাড় যত বেঁকে চিৎকার তত তীক্ষ্ণ হয়। উঁচু ফ্ল্যাট, অনেকে উঁকি দেয়।

    চুল খামচে শুধু মেরে ফেলার হুমকি নয়। প্রতিটা হুমকির শেষে একটা করে জোর থাপ্পড় দেওয়ার ব্যাপার রয়েছে। থাপ্পড় যে মঙ্গল একা দিচ্ছে এমন নয়। অন্যরাও দিচ্ছে। আশপাশের ফ্ল্যাট থেকেও অনেকেই চোর দেখতে আসছে। দারোয়ান, কাজের লোক, মিস্ত্রি-মজুররা যেমন আছে, তেমনি বাবুরাও আছে। বাজার যাওয়ার পথে, ছেলেমেয়েকে স্কুলবাসে তুলে এসে দেখে যাচ্ছে। দেখে যাওয়ার পথে থাপ্পড় দিয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের থাপ্পড়ে গাল লাল হয়ে ওঠার কথা। শুধু লাল নয়, ফেটে রক্ত পড়লেও আশ্চর্যের কিছু ছিল না। কিন্তু পচার সেরকম কিছু হচ্ছে না। সম্ভবত, ছোকরার রক্তে টানাটানি আছে। থাপ্পড়ে লাল হওয়ার মতো এক্সট্রা রক্ত তার নেই।

    একটা ভাঙা কাচের প্লেটে আলুর দম আর পাউরুটি এসেছে। সঙ্গে হাতল ভাঙা কাপে জল। আলুর দমে ঝোল অনেকটা, আলু মোটে একটা। তবে পাউরুটি দুটো। আনন্দের কথা হল, মিষ্টিও আছে। প্লেটের কোণে, পাউরুটির আড়ালে একটা লাড্ডু উঁকি মারে। চেহারা দেখে বোঝা যাচ্ছে, জিনিস বাসি। হোক বাসি। পচা ইতিমধ্যেই ঠিক করে ফেলেছে, লাড্ডু সে সবার শেষে খাবে। শেষপাতে মিষ্টি।

    কেউ একজন হাত খুলে দিল।

    ‘নে খেয়ে নে। খেয়ে নে তাড়াতাড়ি। তারপর ঠেলা কাকে বলে বুঝবি। তখন চুরির মাল বের করবি সুড়সুড় করে। এক ফোটা ছেলের রস নিংড়ে বের করব।’

    হাত নামিয়ে প্লেটটা ধরতেই কাঁধের কাছটা টনটনিয়ে উঠল। হাতে কে যেন পাথর বেঁধে রেখেছে। ব্যথার পাথর। সেই পাথর হাত নামিয়ে দিতে চাইছে টেনে। আঙুল নড়তে চাইছে না। মনে হচ্ছে, নখে নখে সুই ফোঁড়ানো! অনেক কায়দাকানুন করে, দাঁতে দাঁত চেপে খাবার তুলে মুখে দিল পচা। মুখে দিতেই মাথা পর্যন্ত ঝনঝনিয়ে উঠল! বাপ রে! বাপ রে কী ঝাল! সত্যি ঝাল?নাকি, মুখের ভেতর কাটাকুটি হয়েছে?অসম্ভব নয়। হতেই পারে। বেমক্কা মারধরে সারা গায়েই কাটাকুটি হয়েছে। ঠোঁট ফেটেছে, নাক থেকে রক্ত পড়েছে, মুখের আর দোষ কী?এখন মনে পড়ছে খানিক আগে জ্বালার সঙ্গে একটা রক্ত রক্ত স্বাদও পাচ্ছিল। হোক, যা খুশি হোক। মারধরে জ্বালা-যন্ত্রণা হবে না তো কী হবে?আরাম হবে? খাওয়ার সময় ওসব নিয়ে মাথা ঘামালে চলে না।

    পচা কামড় দিল পাউরুটিতে। কামড় হল না। ব্যথার কারণে চোয়াল জমে গেছে। থম মেরে আছে। নড়তে চাইছে না। কিছুতেই নড়তে চাইছে না। নড়াতে গেলে ব্যথা বাড়ছে। মাথা ঘুরে যাচ্ছে। ইচ্ছে করছে, ডাক দিয়ে কেঁদে উঠি। পচা অনেক কষ্টে নিজেকে সামলাল। আবার চেষ্টা করল।

    না, পাউরুটি খারাপ নয়।

    দ্বিতীয় পর্যায়ের মারের পদ্ধতিপ্রকরণ কীরকম হবে? সম্ভাবনা অনেক। সকাল থেকে চোরকে ঘিরে আলোচনা চলছে। মার-সম্পর্কিত আলোচনা। অনেকরকম পরামর্শ, পরিকল্পনা।

    ‘বেটা যে মুখ খুলছে না কিছুতেই। একেবারে কুলুপ দিয়েছে।’

    ‘খুলবে। ঠিক খুলবে। তোমরা খোলাতে পারছ না তাই খুলছে না।’

    ‘থানায় দিয়ে এলে কেমন হয়? পুলিশ বুঝে নেবে। পুলিশের ডান্ডা খেলে জামাপ্যান্টে হেগেমুতে দেবে।’

    ‘অসভ্যের মতো কথা বোলো না। মনে রাখবে এটা ভদ্রলোকের পাড়া। চোর পেটাচ্ছ বলে লাটসাহেব হয়ে যাওনি। পুলিশে দিলে খারাপ হয় না। ভালই হয়। তবে তার আগে নিজেরা আধমরা করে দেওয়াটাই ভাল। পুলিশের সঙ্গে এদের কনাইভেন্স আছে। বখরার ব্যবস্থা থাকে। তোমরা চলে এলে, ছেড়ে দেবে। মনে রেখো, এত বড় একটা বিজনেস এমনি এমনি রান করে না। অনেক ভেবে রান করাতে হয়। ভাল করে ধোলাই দাও। আর যেন এমুখো না হয়।’

    ‘ধোলাই তো কম হচ্ছে না।’

    ‘মনে হচ্ছে, কম হচ্ছে না। আসলে কমই হচ্ছে। এরা মার খেয়ে খেয়ে হ্যাভিচুয়েটেড। অভ্যস্ত। আমার ধারণা চোরদের মার খাওয়ার ট্রেনিং হয়। এদের শুরুই করতে হয় ওপর থেকে।’

    ‘দাদা, সেটা একটা ভুল হয়ে গেছে। আমরা মাঝখান থেকে শুরু করেছিলাম। প্রথমেই হারামজাদার পাছায় মারা হয়েছে।’

    ‘আবার?আবার স্ল্যাং?তোমার বললাম না, এই বাড়িগুলোতে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, টিচাররা থাকেন?বলিনি তোমায়?তাদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা আছে। তারা কী শিখবে?হোয়াট দে উইল লার্ন? কথা বলবে মুখ সামলে।’

    ‘আর হবে না। তা হলে কি দাদা, হাত-পা ভেঙে দেব?’

    ‘বুদ্ধি খারাপ নয়। তবে হাত-পা দুটো ভাঙার দরকার নেই। শুধু হাত ভাঙতে পারো। হাত ভাঙলে কী হবে জানো?’

    ‘কী হবে?’

    ‘অনেকদিন মনে থাকবে।’

    ‘তা হলে দুটো হাতই ভেঙে দিতে বলি?’

    ‘বোকার মতো প্রশ্ন করছ কেন?ছোকরার কি দশটা হাত? হাত যখন দুটো তখন দুটোই ভাঙবে। দশটা হলে দশটা ভাঙতে। সামান্য একটা ফচকে চোর | কবে কোন ফ্ল্যাট থেকে দুটো ঘড়ি, একটা মোবাইল, দুটো গলার হার চুরি করেছে, তাকে তোমরা এতজন মিলে ট্যাকল করতে পারছ না! টিচ হিম আ গুড লেসন।’

    ‘কীরকম দাদা?’

    ‘আঃ চুপ করো। ইংরেজি জানো না সেটা জাহির করে বলতে হবে না।’

    ‘আচ্ছা, ঝোল্লা মার দিলে কেমন হবে?

    ‘ঝোল্লা মার!সেটা আবার কেমন?

    ‘ঝোল্লা মার হল ঝুলিয়ে মার। হাত দুটো বেঁধে ওপর থেকে শরীরটা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। ছোকরার বডি দুবলা পাতলা আছে। সহজেই ওপর থেকে ঝুলিয়ে দেব। তারপর লাঠি দিয়ে পায়ের তলায়…। মাথা পর্যন্ত টং টং করে বাজবে। মানে হবে পায়ে নয়, লাঠি মাথায় পড়ছে। নকশাল পিরিয়ডে এ জিনিস হেভি পপুলার ছিল দাদা। থানায় থানায় ঝোল্লা দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। পাকা ব্যবস্থা।’

    ‘আইডিয়া মন্দ নয়। তবে মরে টরে যাবে না তো? দেখো বাবা। মরে গেলে আর এক চিত্তির। ফ্ল্যাটসুদ্ধু লোকের হাতে হাতকড়া পড়বে। আমাদের দেশ বড় অদ্ভুত। সব কিছুতেই মরা পর্যন্ত ছাড় আছে। মরা পর্যন্ত যা খুশি আলাউ। মরলেই কেস ঘুরে যায়।’

    ‘কী যে বলেন। এরা হল গিয়ে দাদা কই চোর।’

    ‘কই চোর!কই চোর ব্যাপারটা কী?’

    ‘কই চোর মানে হল কই মাছের মতো প্রাণ। কড়াইতে তেল ফুটিয়ে ফেললেও মরবে না। লাফাবে। চেঁচাবে। মরবে না। ছিচকেগুলো এরকমও হয়। কই ধরনের।’

    ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে। বাজে বকতে হবে না। তোমরা যা ভাল বোঝো করো। তবে যেটাই করো সাবধানে করবে।’

    ব্যবস্থা সাবধানেই হচ্ছে। পচা খাওয়াদাওয়া শেষ করে জল খেয়েছে। প্যান্টে হাত মুছেছে। তারপর তারিয়ে তাড়িয়ে লাড্ডুটা খেয়েছে আর পিটপিটে চোখে সেই ব্যবস্থা দেখছে। মই এনে বাড়ির গ্যারাজে উঁচু করে দড়ি ঝোলানো হচ্ছে। মইয়ের ব্যবস্থা করেছে মঙ্গল। দড়িও তার আনা। মনে হচ্ছে, ঝোল্লা মারের ব্যাপারে তার খুবই উৎসাহ।

    এই পর্যন্ত ব্যবস্থা পচা মোটামুটি ঠিক আছে। কিন্তু এর পরেরটুকু মারাত্মক। পচার দুবলা শিরদাঁড়া দিয়ে ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল। সে দুটো চোখই বন্ধ করে।

    এক বালতি জল আনা হয়েছে। ঠান্ডা জল। ঝোল্লা মারের সময় নাকি ঘনঘন অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার একটা ব্যাপার আছে। ব্যথা সহ্য করতে না পেরে অজ্ঞান। খুব বেশিক্ষণ নয়, মিনিট পাঁচেকের মামলা। তবু জলের ঝাপটা লাগে। তাই জলের ব্যবস্থা।

    পচাকে যখন ঝোলানো হচ্ছে তখন ভয়ে এবং আতঙ্কে তার সারা শরীর কাঁপছে। এটা কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। এরকম সময় শরীর কাপাঁটাই স্বাভাবিক। একটু পরে এ ছেলে জামাপ্যান্টও নোংরা করে ফেলবো।

    পচা ফিসফিস করে বলে উঠল, ‘নিয়ে যাও। নিয়ে যাও আমাকে…।’

    সামনের লোকটা খনখনে গলায় হেসে উঠল।

    ‘নিয়ে যাও!কে তোমাকে নিয়ে যাবে বাবা হিরের টুকরো? হি হি। একটু পরেই নিয়ে যাওয়া কী জিনিস বুঝতে পারবে। হি হি।’

    পচা তবু চোখ বুজে ফিসফিস করে বলতে লাগল, ‘নিয়ে যাও, নিয়ে যাও, নিয়ে যাও আমাকে…’

    ঘটনা সত্যি। দ্বিতীয় পর্যায়ের মার শুরুর আগেই পচা জামাপ্যান্ট ভাসিয়ে বমি করে ফেলে।

    প্রথমটায় ভেবেছিল, অজ্ঞান হয়ে গেছে। কিন্তু অজ্ঞান কোথায়?এই তো দিব্যি চোখ খুলে আছে। দেখতে পাচ্ছে সব। ঝুলে থাকা পা দুটো নাড়তে পারছে একটু একটু। তা হলে?তা হলে কি মার এখনও শুরু করেনি?আয়োজনের কি বাকি আছে আরও?

    না, তা নয়। মার শুরু হয়ে গেছে। মঙ্গলের হাতে লাঠি। বেঁটে লাঠি। লাঠি দিয়েই সে মারছে। ভালই মারছে। কখনও পায়ের তলায়। কখনও হাঁটুতে। বেচারি মোটা মানুষ। এত লাফালাফি কি তার পোষায়? হাঁপিয়ে পড়ছে।

    কে যেন বলে উঠল, হারামজাদার কাণ্ড দেখো। চিৎকার নাই। কান্না নাই। উলটে কেমন ড্যাবড্যাবিয়ে তাকায়! শালার শলিলে কি ব্যথা-বেদনা কিছু নাই? কষিয়ে আরও দু’ঘা লাগা।’

    কষিয়ে লাগিয়েও কিছু হচ্ছে না। তা হলে কি এটা সত্যি মার নয়? এটা কোনও স্বপ্ন? কিন্তু আওয়াজ হচ্ছে যে? স্বপ্নে আওয়াজ হয় না। নাকি হয়? সে কি এমন একটা স্বপ্নের মধ্যে ঢুকে পড়েছে যেখানে মারের সময় আওয়াজ থাকে, কিন্তু ব্যথা থাকে না?

    আশ্চর্য! খুবই আশ্চর্য!

    ঘটনা আশ্চর্যের হলেও সত্যি। মারে আর কোনও ব্যথা নেই। শুধু তাই নয়, পচার মনে হচ্ছে, শরীরের পুরনো যন্ত্রণাগুলো যেন কমে কমে আসছে! কাঁধ দুটো আর ভারী ঠেকছে না। বরং বেশ হালকাই লাগছে। পালকের মতো?জিভের জ্বালাটাই বা কোথায়? পিঠটা যে টনটন করছিল! ওমা কী হল তার?কোথায় পালাল? মাথার যন্ত্রণাটাও যে উবেছে!

    খানিক আগেই পচা বারবার কাকে নিয়ে যেতে বলেছিল জানা যায়নি। যে-ই হোক, সে পচাকে নিয়ে যেতে পারেনি। শুধু তার ব্যথাটুকু নিয়ে গেছে।

    শারদীয় আজকাল, ১৪১৩

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত
    Next Article দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নিষাদ – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }