Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাঁচকড়ি দে রচনাবলী ৪ (৪র্থ খণ্ড)

    পাঁচকড়ি দে এক পাতা গল্প504 Mins Read0
    ⤶

    উপসংহার – ডাক্তারের পত্র

    উপসংহার – ডাক্তারের পত্র

    দত্ত সাহেবের প্রতি বেন্টউড – প্রথম পত্র

    আলিপুর, কলিকাতা

    প্রিয় সুহৃদ!

    সহসা সুরেন্দ্রনাথকে জীবিত দেখিয়া আপনারা তখন এমনই আনন্দাকুল হইয়া উঠিয়াছিলেন যে, আমার কথা আপনাদিগের মনেই ছিল না। সুবিধা বুঝিয়া আমিও ঘর হতে বাহির হইয়া পড়িলাম। যে ঘরে অমরেন্দ্রের মৃতদেহ পড়িয়া ছিল, সেই ঘরে যাইয়া তাহাকে পুনর্জীবিত করিয়া তুলিলাম। আমি সুরেন্দ্রনাথকেও পুনর্জীবিত করিয়াছিলাম।

    মৃত ব্যক্তি যে কিরূপে পুনর্জীবিত হইল, এবং আমার এই সকল কাণ্ডকারখানার অর্থ কি, তাহা জানিতে অবশ্যই আপনি প্রভূত পরিমাণে কৌতূহলাক্রান্ত হইয়াছেন, সন্দেহ নাই। এই পত্রের দ্বারা আপনার সেই কৌতূহল চরিতার্থ হইবে। আমার সহিত দেখা করিতে কষ্ট করিয়া আপনাকে আর এতদূর আসিতে হইবে না। যদি আসেন, দেখা হইবে না। এই পত্র যখন আপনার হাতে পড়িবে, তখন আমি কলিকাতা পরিত্যাগ করিয়া অনেক দূরে গিয়া পড়িয়াছি, জানিবেন। আমি যে শীঘ্রই কলিকাতা ত্যাগ করিব, তাহা আপনি একদিন আমার মুখে শুনিয়াছেন। বিশেষতঃ, আমার সহিত আর দেখা-সাক্ষাৎ হয়, সে ইচ্ছাও আপনার নাই। আপনার অনিচ্ছাসত্ত্বেও বিশেষ প্রয়োজন বশতঃ আমি উপযাচক হইয়া একবার আপনার সহিত দেখা করিয়াছিলাম—

    আর সেরূপ করিবার আবশ্যকতা দেখি না। আমার কাজ ফুরাইয়াছে, অতএব আমি চিরদিনের মত আপনার নিকট হইতে বিদায় লইলাম। আর আমার দেখা পাইবেন না। আপনি ধর্ম্মভীরু, সহৃদয়, উদারচেতা, সরল প্রকৃতি। আমি ঠিক তাহার বিপরীত; এরূপ স্থলে আমাদিগের মধ্যে স্থায়ী বন্ধুত্ব দুর্ঘট। যাহা হউক, সেজন্য আমাদিগের কাহারও বিশেষ কোন ক্ষতি-বৃদ্ধি নাই। এখন শীঘ্র শীঘ্র কাজের কথাগুলি লিখিয়া শেষ করিয়া ফেলি।

    আপনি আমাকে কেবল চিকিৎসক বলিয়াই জানেন; কিন্তু তাহা ঠিক নহে। চিকিৎসা ছাড়া আমি আরও অনেক বিষয়ের চর্চ্চা করিয়া থাকি। সকল দিকেই আমার মাথা বেশ পরিষ্কার জানিবেন; কিন্তু অর্থাভাবে মাথা খেলাইতে পারি না। দস্তরমত অর্থ থাকিলে, আমি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় এমন অনেক বিষয় আবিষ্কার করিতে পারিতাম, যাহাতে জগৎ স্তম্ভিত হইয়া যাইত। বিজ্ঞান ও রসায়নে আমার অপরিমিত বুৎপত্তি থাকিলেও, আমি অর্থাভাবে কিছুই করিতে পারিলাম না। সেই অর্থাভাব দূর করিবার জন্য আমি সেলিনাকে বিবাহ করিতে ব্যগ্র হইয়া উঠিয়াছিলাম। নানাদেশ ঘুরিয়া, বহু চেষ্টায়, বহু অধ্যবসায়ে আমি অনেক গুপ্তবিদ্যা শিক্ষা করিয়াছি। আপনারা যে সকল গুপ্তবিদ্যা মন্ত্র তন্ত্র হাসিয়া উড়াইয়া দেন, তাহা না করিয়া, আমি বহু আলোচনার দ্বারা সেই সকলের ভিতর হইতে সত্য আবিষ্কার করিবার চেষ্টা করিয়াছি—অনেক স্থলে চেষ্টা সফল হইয়াছে। হিমালয়ের উত্তরে দুর্গম পার্বত্যপ্রদেশ তিব্বতে গিয়া ছদ্মবেশে অনেক সিদ্ধযোগী মায়াবী লামার সঙ্গে মিশিয়াছি—কতবার ধরা পড়িয়া নিজের জীবনকে সঙ্কটাপন্ন করিয়াছি। তাহাদের অদ্ভুত ক্ষমতা—তাহারা ভীষণ ঐন্দ্রজালিক—তাহারা না পারে, এমন কাজ নাই। আমি আপনাকে যে হিপ্‌নটিজম্ দেখাইয়াছিলাম, তাহাদিগের আবালবৃদ্ধবনিতা উহাতে বিশেষ পারদর্শী—উহাকে তাহারা একটা বিদ্যার মধ্যে গণনা করে না। তাহারা মরা মানুষকে বাঁচাইতে পারে; মনে করিলে, গৃহে বসিয়া দূরদেশস্থ কোন শত্রুকে নিপাত করিতে পারে। ইহা কি সামান্য শক্তির কাজ! যে সকল আপনারা বিশ্বাস করেন না—তাহা আমি প্রত্যক্ষ করিয়াছি! আমি গুপ্ত বিদ্যা শিক্ষার জন্য সমগ্র জগৎ ঘুরিয়াছি—প্রাণপণ করিয়াছি — ছোটনাগপুরের খাড়িয়াদের নিকটে অনেক শিখিয়াছি, তাহাদিগের কাঁউরূপী, সিঙ্গিবোঙ্গা সম্বন্ধে অনেক বিষয় জানি। তাহাদের টম্বরু প্রস্তরের যে সকল গুণ আছে, তাহাও বড় সহজ নহে। চেষ্টা করিয়া সেই টম্বরুও আমি সংগ্রহ করিয়াছিলাম। অর্থাভাবে অনেক স্থানে যাইতে পারি নাই, অনেক চেষ্টা বিফল হইয়া গিয়াছে।

    যখন অর্থের জন্য একান্ত লালায়িত, সেই সময়ে আমি সেলিনার সংবাদ পাই। সেলিনাকে বিবাহ করিলে, আমার গন্তব্যপথ অনেকটা সুগম হইবার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু সেলিনা আমাকে বিবাহ করিতে সম্মত হইল না। দেখিলাম, সুরেন্দ্রনাথ তাহার হৃদয় অধিকার করিয়াছে। তথাপি আমি তাহার আশা ত্যাগ করিতে পারিলাম না। মনে করিলাম, আমার অভীষ্টসিদ্ধির একমাত্র প্রতিবন্ধক সুরেন্দ্রনাথকে সরাইতে হইবে–একেবারে এ জগৎ হইতে সরাইবার ইচ্ছা আমার ছিল না—তাহা আমিও করি নাই। কাহারও প্রাণহানি না হয়, অথচ আমার কার্য্যোদ্ধার হয়— – সেলিনাকে লাভ করিতে পারি, আমার এইরূপ ইচ্ছাই ছিল।

    এখন অবশ্যই আপনি বুঝিতে পারিবেন, কেন আমি আপনার নিকট হইতে বিষ-গুপ্তি ক্রয় করিতে চাহিয়াছিলাম। আপনার কাছে যে বিষ-গুপ্তি ছিল, আমি তাহা অনেকদিন হইতে জানিতাম। যাহা হউক, আপনার বিষ-গুপ্তি হস্তগত করিবার জন্য টম্বরুর ভয় দেখাইয়া আমি জুলেখাকে আগে হস্তগত করিলাম। জুলেখাও আমার কথামত চলিতে সম্মত হইল। সে বিষ-গুপ্তির বিষ তৈয়ারী করিতে জানিত।

    বিষ-গপ্তির বিষে মানুষ শীঘ্র মরে না। তবে এরূপ নিঃসংজ্ঞ হইয়া পড়ে যে, কোন সুবিজ্ঞ ডাক্তার তাহা বুঝিতে পারেন না; যদি বেশী দিন নিঃসংজ্ঞ অবস্থায় থাকে, এবং প্রতিষেধক ঔষধ না পড়ে, তাহা হইলে মৃত্যু নিশ্চিত। বেশীদিন অজ্ঞান অবস্থায় রাখিতে হইলে, যন্ত্রের সাহায্যে দুগ্ধ কিম্বা অন্য কোন পুষ্টিকর সামগ্রী খাওয়ান দরকার করে।

    জুলেখার নিকট হইতে আমি বিষ-গুপ্তির বিষের প্রতিষেধক ঔষধ তৈয়ারি করিতে শিখিয়াছিলাম। বলিতে কি, সেইজন্যই আমি বিষ-গুপ্তি ব্যবহার করিতে সাহসী হইয়াছিলাম। জানিতাম, মনে করিলেই যখন ইচ্ছা সুরেন্দ্রনাথকে আবার পূর্ব্বৎ সুস্থ করিতে পারিব। এখন বুঝিতে পারিলেন কি কেন আমি সামুদ্রিকগণনার অছিলায় জীবমৃত্যু ঘটিবে বলিয়া সুরেন্দ্রনাথকে ভয় দেখাইয়াছিলাম; এবং সতর্ক হইতে বলিয়াছিলাম। যাহা হউক, আমার গণনা সফল হইল— কিন্তু আশা সফল হইল না। সুরেন্দ্রনাথ তাহাতে ভীত হইল না—সতর্কও হইল না—বরং সেলিনাকে বিবাহ করিবার জন্য আরও ব্যগ্র হইয়া উঠিল। আমিও বদ্ধপরিকর হইয়া উঠিলাম।

    বিষ-গুপ্তি সংগ্রহের জন্য জুলেখার সহিত পরামর্শ করিলাম, সে মিসেস্ মার্‌শনকে হিপ্‌নটাইজ করিয়া বিষ-গুপ্তি সংগ্রহ করিতে সম্মত হইল। আপনার অবশ্য স্মরণ আছে, একদিন আমি আপনার নিকট হইতে এই বিষ-গুপ্তি কিনিতে চাহিয়াছিলাম—আপনি অসম্মত হইলেন; অগত্যা আমাকে অসদুপায় অবলম্বনে ঐ বিষ-গুপ্তি হস্তগত করিতে হইল। মিসেস্ মার্শনের দ্বারা বিষ-গুপ্তি অপহরণ করিবার আরও একটা কারণ ছিল—পরে তাঁহাকে চুরির দাবীতে ফেলিয়া, ভয় দেখাইয়া হাতে রাখিতে পারিব বলিয়া, এরূপ করিয়াছিলাম। যাহা হউক, পরে হিপ্‌নটাইজ করিয়া তাঁহারই দ্বারা বিষ-গুপ্তি সংগ্রহ করিলাম; অথচ তিনি নিজে কিছুই জানিলেন না। তাহার পর নূতন বিষের দ্বারা জুলখা বিষগুপ্তি ঠিক করিয়া রাখিল। আমারই আদেশমত একদিন সে সেলিনাকে হিপ্‌নটাইজ করিল, এবং তাহার হাতে সেই বিষ-গুপ্তি দিয়া সুরেন্দ্রনাথকে হত্যা করিতে পাঠাইয়া দিল। সুরেন্দ্রনাথ খুন হইল—খুন ঠিক নহে—কারণ বিষ-গুপ্তির বিষে মানুষ মরে না। সেলিনার মাতার দ্বারা বিষ-গুপ্তি অপহরণের ন্যায় সেলিনাকে দিয়া এই কাজ শেষ করিবার তেমনই একটা উদ্দেশ্য ছিল; খুনের অপরাধে ফেলিয়া সেলিনাকে নিজের বশে রাখিব, মনে করিয়াছিলাম। ভাবিয়া দেখুন দেখি, সেলিনাকে বিবাহ করিবার জন্য আমি কি ভীষণ ষড়যন্ত্রের সৃষ্টি করিয়াছিলাম। কি লোমহর্ষণ ব্যাপারে লিপ্ত হইয়াছিলাম! আশা করি, অবশ্যই আপনি আমার এই বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করিবেন।

    যাক্, আর বাজে কথা বলিয়া পত্র দীর্ঘ করিবার দরকার নাই। এখন দুই-একটি কাজের কথা বলিয়া আমার বক্তব্য শেষ করি। জুলেখার সাহায্যে আমিই সুরেন্দ্রনাথের দেহ অপহরণ করিয়াছিলাম। সুরেন্দ্রনাথকে বাঁচাইবার জন্যই আমি এরূপ করিয়াছিলাম। সত্যকথা বলিতে কি, সুরেন্দ্রনাথের প্রাণহানি করিতে আমার আদৌ ইচ্ছা ছিল না। যতদিন আমি সেলিনার আশা ত্যাগ করিতে পারি নাই, ততদিন সুরন্দ্রনাথকে অজ্ঞানাবস্থায় ফেলিয়া রাখিয়াছিলাম। নিয়মিত সময়ে তাহাকে দুগ্ধাদি খাওয়াইতাম। সেইজন্য তাহার স্বাস্থ্যের কোন হানি হয় নাই। যখন আমি হাজতে বন্দী ছিলাম, আমার আদেশে জুলেখা সুরেন্দ্রনাথের রক্ষণাবেক্ষণ করিতে। সুরেন্দ্রনাথকে আমার বাড়ীতে রাখি নাই, সেইজন্য পুলিসের অনুসন্ধান সফল হয় নাই। কোথায় লুকাইয়া রাখিয়াছিলাম, তাহা বলিবার আবশ্যকতা নাই—তাহা জানিয়া আপনার আর লাভ কি?

    সেদিন আদালতে অমরেন্দ্রনাথকে একান্ত নির্ব্বোধের ন্যায় আত্মহত্যা করিতে দেখিয়া, আমি হাল ছাড়িয়া দিলাম। বুঝিলাম, সেলিনা-লাভ আমার অদৃষ্টে নাই, তবে কেন অনর্থক অমরেন্দ্রের জীবন নষ্ট হয়। অমরেন্দ্রের ন্যায় সরলপ্রকৃতির লোক এ জগতে অতি অল্প। সেদিন আদালতে তাহাকে আত্মহত্যা করিতে দেখিয়া আমি যেমন চমৎকৃত হইয়াছিলাম, তেমনই দুঃখিত ইয়াছিলাম। যদি অমরকে বাঁচাইতে হয়, তবে সুরেন্দ্রনাথকে আর মৃতকল্প অবস্থায় ফেলিয়া রাখিয়া, লাস-চুরির অপরাধে কেন নিজে অভিযুক্ত থাকি? যখন সেলিনাকে পাইলাম না, তখন সকল গোলযোগ মিটিয়া যাওয়াই ভাল। দুজনকেই প্রতিষেধক ঔষধে আমি প্রকৃতিস্থ করিলাম। সুরেন্দ্রনাথকে সুস্থ করিয়া আমি আপনার নিকটে লইয়া গেলাম। আপনি আপনার হারানিধি পাইলেন। সম্ভব, শীঘ্রই সেলিনার সহিত তাহার বিবাহ হইবে। তাহা হউক, সেজন্য আমি দুঃখিত নহি; পূৰ্ব্বেই বলিয়াছি, অর্থাকাঙ্ক্ষায় সেলিনাকে বিবাহ করিবার জন্য আমি বদ্ধপরিকর হইয়াছিলাম। কিন্তু, অমরেন্দ্রের জন্য আমার বড়ই দুঃখ হয়—সেলিমার উপরে তাহার প্রগাঢ় ভালবাসা, সেলিনার উপরে তাহার আন্তরিক অনুরাগ, সেলিনার জন্য অমর নিজের প্রাণ দিয়াছিল। এখন অমরেন্দ্র, সেলিনাকে সুরেন্দ্রনাথের অঙ্কশোভিনী দেখিয়া—তাহার কি কষ্ট হইবে, কে জানে? অমরেন্দ্র সারাজীবন জীবন্বত হইয়া থাকিবে। অমরেন্দ্রকে বাঁচাইয়া ভাল করিয়াছি কি মন্দ করিয়াছি, বুঝিলাম না।

    যাহা হউক, আপনি এখন আপনার দুই’ স্নেহাস্পদকে রক্ত মাংসের শরীরে পুনর্জীবিত পাইয়াছেন, অবশ্যই এখন আপনার মনে আর কোন কষ্ট নাই—যথেষ্ট আনন্দিত হইয়াছেন। আমার উপরে আপনি এখন সন্তুষ্ট কি অসন্তুষ্ট, তাহা আপনিই জানেন। আমার তাহা জানিবার আবশ্যকতা নাই। আপনি মনে মনে যে ঘোর কৃষ্ণবর্ণ আমাকে পিশাচ মূর্তিতে চিত্রিত করিয়াছেন, আমি নিজে ঠিক তাহা নাহি।

    আমার সকল উদ্যম, সকল আগ্রহ, সকল চেষ্টা বিফল হইল—তবে আর এখানে থাকিয়া লাভ কি? দেখি, আর কোথায় যদি সেলিনার মতো ঐশ্বর্য্যবর্তী কোন পাত্রী পাই। জুলেখাকেও একবার অনুসন্ধান করিয়া দেখিতে হইবে–সে আমাকে বড় ফাঁকি দিয়াছে—যেমন করিয়া হউক, তাহার নিকট হইতে টম্বরুর পুনরুদ্ধার করিতে হইবে। এখন আমার বক্তব্য শেষ হইয়াছে। আপনি এতদিন যে রহস্যের মধ্যে আত্মহারা হইয়া পড়িয়াছিলেন, এখন তাহা পরিষ্কার হইয়া গেল। আমিও বিদায় লইলাম।

    দ্বিতীয় পত্র

    আর, বেন্টউড।

    ছোটনাগপুর

    প্রিয় সুহৃদ!

    প্রায় চারিপাঁচ মাস গত হইল, আপনাকে একখানি পত্র লিখিয়া ছিলাম। সেই সকল দুর্ঘটনা সম্বন্ধে যাহা কিছু বলিবার, বুঝাইবার, আপনাকে সেই পত্রে সমুদয় বুঝাইয়া বলিয়াছি। এখন আমি আপনার নিকটে দুই-একটি বিষয় জানিতে চাই; সেই উদ্দেশ্যে আমি আপনাকে এই পত্র লিখিলাম। আশা করি, পত্রোত্তরে আমার কৌতূহল নিবৃত্তি করিবেন।

    জুলেখার সন্ধানে আমি এখানে আসিয়াছি। এখনও তাহার কোন সন্ধান পাই নাই; বোধ করি, আমাকে আরও কিছুদিন এখানে থাকিতে হইবে। জুলেখার সন্ধান না করিয়া আমি এখান হইতে এক পা নড়িতেছি না।

    ইতিমধ্যে অমরেন্দ্রকে আমি একখণ্ড পত্র লিখিয়াছিলাম। আমার দ্বারা মৃত্যুমুখ হইতে রক্ষা পাইয়াছে, ইত্যাদি লিখিয়া অমরেন্দ্র পত্রোত্তরে আমার নিকট খুব কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করিয়াছে। হত্যাপরাধ হইতে আমাকে রক্ষা করিবার জন্য অমরেন্দ্রও আমার হইয়া অনেক চেষ্টা করিয়াছে— যাহা কেহ করে না, তাহা করিয়াছে। সেজন্য আমার পত্রেও আমি তাহাকে যথেষ্ট ধন্যবাদ করিয়াছি। কিন্তু, অমরেন্দ্র পত্রোত্তরে যে কথা লিখিয়াছে, তাহাতে আমাকে একান্ত বিস্মিত হইতে হইয়াছে। অমর যদিও মিথ্যাকথা লিখিবে না—আমি তাহাকে জানি—তথাপি বিশ্বাস করিতে পারিতেছি না। আপনি আমাকে সবিশেষ লিখিয়া জানাইবেন।

    অমরেন্দ্রের পত্রে জানিতে পারিলাম, সেলিনা, সুরেন্দ্রনাথকে বিবাহ করিতে আর সম্মত নহে। সুরেন্দ্রনাথও সেজন্য আদৌ দুঃখিত নহে। শুনিলাম, সুরেন্দ্রনাথ স্ব-ইচ্ছায় আমিনাকেই বিবাহ করিয়াছে। ভালই হইয়াছে, সরলা আমিনা সুরেন্দ্রনাথের চিরানুরাগিণী। এ মিলনে আমি খুব সুখী হইলাম। কিন্তু সুরেন্দ্রনাথের এরূপ মতি-পরিবর্তনের কারণ কি, বুঝিতে পারিলাম না; সেলিনার জন্য এত বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করিয়া, এত কষ্ট স্বীকার করিয়া, শেষে সুরেন্দ্রনাথ সেলিনাকে ছাড়িয়া সহসা আমিনাকে বিবাহ করিল কেন? আপনি পত্রোত্তরে তাহা আমাকে বুঝাইয়া দিবেন। অমরেন্দ্রনাথ লিখিয়াছে, পূর্ব্বে আমিনার উপরেই সুরেন্দ্রনাথের অনুরাগ বদ্ধমূল ছিল; মধ্যে সুরেন্দ্রনাথ কি জানি, কোন কারণে সেলিনাকে বিবাহ করিবার জন্য ব্যগ্র হইয়া উঠিয়াছিল। সুরেন্দ্রনাথ চিরকালই বড় অস্থির-প্রকৃতি। অমর যাহা লিখিয়াছে, তাহাই কি ঠিক?

    অমরেন্দ্রনাথের পত্রে আমি আরও জানিতে পারিলাম, সেলিনা এখন অমরেন্দ্রনাথকেই বিবাহ করিবে। এই মাসেই তাহাদিগের বিবাহ হইবে। শুনিয়া বড়ই সুখী হইলাম—সুখী হইলাম শুনিয়া, বিস্মিত হইবেন না—সেলিনার আশা আমি সেই একদিনেই একেবারে ত্যাগ করিয়াছি; সুতরাং অসুখী হইবার আর কোন কারণ দেখি না। যাহা হউক, অমরেন্দ্রের নিঃস্বার্থ প্রেমের এরূপ প্রতিদানই বাঞ্ছনীয়। কেবল সেলিনা কেন, কোন্ রমণী এমন প্রগাঢ় প্রাণপণ ভালবাসার এইরূপে প্রতিদান না করিয়া থাকে?

    অমর লিখিয়াছে, হিপ্‌নটাইজড্ অবস্থায় সেলিনা যে সুরেন্দ্রনাথকে খুন করিয়াছিল, তাহা এখন তাহারা দুইজনেই শুনিয়াছে, সেইজন্যই তদুভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য ঘটিয়াছে। এবং সুরেন্দ্রনাথ সেইজন্য সেলিনাকে ছাড়িয়া আমিনাকে বিবাহ করিয়াছে। আমারও তাহাই অনুমান; হিপ্‌নটিজমে অভিভূত হইয়া হউক, আর যেরূপে হউক, যে স্ত্রীলোক একবার প্রাণনাশ করিতে উদ্যত হইয়াছে, তাহার প্রতি অনুরাগের লাঘব হওয়াই ঠিক। বোধ করি, এইরূপ একটা কারণে সেলিনারও মত ফিরিয়াছে। বিনা দোষে সেলিনা যে সুরেন্দ্রনাথকে খুন করিতে চেষ্টা করিয়াছিল, সুরেন্দ্রনাথকে দেখিয়া দিবারাত্র সেই ভয়ানক কথাই তাহার মনে উদিত হইত। সেলিনা বুঝিতে পারিয়াছে, সুরেন্দ্রনাথকে বিবাহ করিয়া সে সুখী হইতে পারিবে না—সুরেন্দ্রনাথকেও সুখী করিতে পারিবে না—সেই হত্যাকাণ্ড তাহাদিগের ভালবাসার উপরে চিরকাল এমনই একটা ছায়াপাত- করিয়া থাকিবে যে, পরস্পর কেহই সুখী হইতে পারিবে না—কাহাকেও কেহ সুখী করিতে পারিবে না। ইহাতে আশ্চর্য্যের কিছুই নাই; বিশেষতঃ সেলিনা সেদিন আদালতে অমরেন্দ্রনাথের নিঃস্বার্থ প্রণয়ের যে প্রকৃষ্ট পরীক্ষা পাইয়াছে, তাহাতে তাহার এরূপ মতি-পরিবর্ত্তন না হওয়াই আশ্চৰ্য্য; আমার ত এইরূপ অনুমান; এ বিষয়ে আপনি কি বোধ করেন, পত্রোত্তরে সবিশেষ লিখিয়া জানাইবেন।

    জুলেখার সন্ধানে আমাকে এখানে কিছুদিন থাকিতে হইবে। এইখানকার ঠিকানায় পত্র লিখিবেন।

    তৃতীয় পত্ৰ

    বোম্বে

    প্রিয় সুহৃদ!

    দুই-তিন মাস পূর্ব্বে একখানি পত্র লিখিয়াছিলাম। দুঃখের বিষয় আপনি আমার পত্রের কোন উত্তর দিলেন না। অমরের পত্রে জানিতে পারিলাম, তাহার সহিত সেলিনার বিবাহ হইয়াছে। আমিনারও মনোভিলাষ সিদ্ধি হইয়াছে, সে এখন সুরেন্দ্রনাথের বিবাহিতা পত্নী। এরূপ অচিন্তনীয় ঘটনায় আমাকে যথেষ্ট বিস্মিত হইতে হইয়াছে। আপনাকে ইহার কারণ লিখিতে বলিয়াছিলাম, কিন্তু আপনি এমনই ভয়ানক লোক, আমার পত্রের উত্তরও লিখিলেন না। তা’ আপনি নাই লিখুন, আমার পূর্ব্বপত্রের অনুমানই ঠিক। আপনার এরূপ ব্যবহারে আমি বিশেষ দুঃখিত হইলাম।

    এখন আমি আরও দুই-তিন সপ্তাহ বোম্বে থাকিব। টম্বরু প্রস্তর পাওয়া গিয়াছে। জুলেখার মৃত্যু হইয়াছে। কাঁউরূপীর সাধনা করিতে গিয়া সে কাউরূপীর হাতেই মরিয়াছে।

    আমার কুশল জানিবেন।

    আর, বেন্টউড।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপাঁচকড়ি দে রচনাবলী ৫ (৫ম খণ্ড)
    Next Article পাঁচকড়ি দে রচনাবলী ৩ (তৃতীয় খণ্ড)

    Related Articles

    পাঁচকড়ি দে

    নীলবসনা সুন্দরী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবিনী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যাকারী কে – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    গোবিন্দরাম – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    মায়াবী – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    পাঁচকড়ি দে

    হত্যা-রহস্য – পাঁচকড়ি দে

    September 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }