Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাতালঘরের পিশাচ – অনীশ দাস অপু

    অনীশ দাস অপু এক পাতা গল্প404 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কী ভয়ঙ্কর চাউনি! – অনীশ দাস অপু

    কী ভয়ঙ্কর চাউনি!

    মার্ক এবং আমার গোরস্তানের ক্লাসট্রিপে যাওয়ার কোন ইচ্ছেই ছিল না। তবে এতে আর ক্লাস করতে হবে না, এটুকুই যা মজা।

    গ্রেস্টোন গোরস্তান আমাদের রাস্তার শেষ মাথায়। স্কুলে যাওয়া-আসার একমাত্র রাস্তা ওটা। অনেক দিন আগের প্রাচীন গোরস্তান। কবরগুলোর পাথর অনেক জায়গায় চিড় খেয়েছে, ভেঙে গেছে, উঠে গেছে চলটা। অনেকেই বলে জায়গাটা নাকি ভুতুড়ে।

    মার্ক এবং আমি ভূতে বিশ্বাস করি না। তবে স্কুলে যাওয়ার পথে সবসময় রাস্তার অন্য পাশ দিয়ে যাতায়াত করি। ঝুঁকি নেয়ার দরকারটা কী?

    আমি এবং মার্ক যমজ। লোকে মাঝে, মাঝে এমন বোকার মত প্রশ্ন করে, ‘তোমরা কি আইডেন্টিকাল টুইনস?’ হা হা। মার্ক ছেলে আর আমি মেয়ে। আমার নাম লোরেন। যমজ হয়ে জন্মানোর ব্যাপারটা আমি বেশ উপভোগ করি, শুধু আমাদেরকে নিয়ে গাধার মত জোকস বলা ছাড়া।

    গত রাতে সারাক্ষণ বরফ পড়েছে। মাটি ঢেকে গেছে পাতলা, পাউডারের মত তুষারে। আমরা, সোশাল স্টাডিজ ক্লাসের ছেলেমেয়েরা মুড়মুড়ে বরফের ওপর হেঁটে হেঁটে পৌঁছে গেলাম গোরস্তানের পুরনো লোহার ফটকের ধারে।

    গাছপালার ফাঁকফোকর দিয়ে হুঙ্কার ছাড়ছে বাতাস, প্রবল বেগে নড়ে উঠছে ডালপালা, মাথার ওপর তুষার বৃষ্টি ঝরাচ্ছে। আমি পার্কার হুড টেনে দিলাম মাথার ওপর, নতুন হাতমোজাজোড়া গলিয়ে নিলাম হাতে।

    নতুন গ্লাভজোড়া খুব প্রিয় আমার। আমার দ্বাদশ জন্মদিনে আমার এক খালা উপহার দিয়েছে। ভারি সুন্দর দেখতে হাতমোজাজোড়া-বাইরেটা নরম বাদামী চামড়ায় মোড়া, ভেতরে পশমী কাপড়। বেশ গরম রাখে হাত।

    ‘আশা করি সবাই গোস্ট রেপেলেন্ট নিয়ে এসেছ।’ হাঁক ছাড়লেন আমার শিক্ষয়িত্রী মিস অ্যাপলবাম। এরকম উদ্ভট বুদ্ধি কী করে তাঁর মাথায় এল? বছরের শীতলতম দিনে কবরস্তানে গিয়ে কবরের ডিজাইন করা?

    ‘ভূত দেখলে কী করতে হয় জানো?’ আমার এবং মার্কের মাঝখানে ঢুকে পড়ে জিজ্ঞেস করল র‍্যাচেল মিলার।

    ‘জানি। দৌড় দেব তো?’ বলল মার্ক।

    ‘না। ভুলেও ও কাজটি করবে না,’ র‍্যাচেল বলল ওকে। ‘আমার দাদীমা আমাকে শিখিয়ে দিয়েছেন। তোমাকে ভূতের দিকে ভুতুড়ে চাউনি দিতে হবে।’

    কোটরের ভেতরে চোখের মণি ঘোরালাম আমি। ‘ভুতুড়ে চাউনি? সে আবার কী?’

    দাঁড়িয়ে পড়ল র‍্যাচেল। আমার কাঁধ চেপে ধরে ওর দিকে ঘুরিয়ে নিল। তারপর ভুরু তুলে, চোখ দুটো বড় বড় করে তাকাল। ‘লোরেন, এ-ই হলো ভুতুড়ে চাউনি।’

    হেসে উঠল মার্ক। ‘তোমাকে খুবই বিশ্রী লাগছে দেখতে।’

    হেসো না,’ দাবড়ি দিল র‍্যাচেল। ‘এতে তোমার জীবন বাঁচবে। আমার দাদীমা এসব জিনিস খুব ভাল জানেন। তিনি বলেছেন ভূতের কবলে পড়লে কখনো পালাতে নেই। বদলে ভূতের চোখের দিকে কটমট করে তাকিয়ে থাকবে। এমন গভীরভাবে তাকাবে যেন ভূতের আত্মা দেখতে পাচ্ছ।’

    র‍্যাচেল বিস্ফারিত চোখে তাকাল মার্কের দিকে। ‘চোখ পিটপিট করা মানা,’ উপদেশ দিল সে। ‘ভূতের আত্মার দিকে স্থির দৃষ্টি থাকবে তোমার।’

    ‘এতে কাজ হবে কেন?’ জানতে চাইলাম আমি।

    ‘কারণ ভূতেরা মৃত,’ জবাব দিল র‍্যাচেল, এখনো চক্ষু বড় বড় করে তাকিয়ে আছে মার্কের দিকে। ওদের আত্মা বলে কিছু নেই। তোমার চাউনি সোজা ওদেরকে ভেদ করবে। ওরা এ চাউনির বিরুদ্ধে আত্মরক্ষা করতে পারবে না। ওরা ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গিয়ে মিলিয়ে যাবে বাতাসে।’

    র‍্যাচেল মিনিটে এক মাইল সমান কথা বলে। ভাবে পৃথিবীর সবকিছুই তার নখদর্পণে। হেন জিনিস নেই সে নাকি জানে না। র‍্যাচেলকে আমার পছন্দ হয় না। ও আমার বন্ধু হওয়ার ভান করে। কিন্তু আমি জানি এটা সে করে শুধুমাত্র মার্কের ওপর ক্রাশ খেয়েছে সেই জন্য।

    ‘আমি তোমার পার্টনার হতে পারি, লোরেন?’ জিজ্ঞেস করল র‍্যাচেল। ‘মিস অ্যাপলবাম বলেছেন পার্টনার হিসেবে কাজ করতে। তুমি কি ভূত বিশ্বাস কর? আমি করি। আমার দাদীমা বলেছেন তিনি এখানকার পুরনো কবর থেকে ভূত উঠে আসতে দেখেছেন।’

    ‘ক্লাভানদের কুকুরের কথা মনে আছে?’ বলল মার্ক। ‘ওটা গোরস্তানে ঘুরঘুর করত। একদিন হঠাৎ উধাও হয়ে যায়। হিলারী ক্লাভান বলেছে কবর থেকে একটা ভূত এসে কুকুরটাকে নিয়ে মাটির নিচে চলে গেছে। হিলারী নাকি নিজের চোখে দেখেছে! তারপর থেকে সে তোতলাতে শুরু করে!’

    মার্কের দিকে তাকিয়ে আমি ভ্রুকুটি করলাম। এ গল্প কখনো শুনিনি। আমার ধারণা র‍্যাচেলকে মুগ্ধ করতে ও গল্পটা বানিয়েছে।

    মিস অ্যাপলবাম লোহার গেটটি খুললেন। আমরা তাঁর পেছন পেছন ঢুকে পড়লাম গোরস্তানে। পথের দুই পাশে সারি সারি কালো এবং ধূসর কবর দাঁড়িয়ে আছে গায়ে বরফ মেখে।

    পুরনো পাথুরে কবরগুলো জায়গায় জায়গায় ভেঙে গেছে। দেখতে লাগছে ভাঙা দাঁতের মত। বেশিরভাগ কবরই ভাঙা। কয়েকটা চিৎ হয়ে উল্টে রয়েছে। গায়ে পুরু বরফ।

    কিছু কবরের গায়ে কোন কিছু লেখা নেই। হয়তো লেখা ছিল, কালের আঁচড়ে মুছে গেছে। বাতাসের সঙ্গে লড়াই করতে করতে মিস অ্যাপলবাম আমাদেরকে নিয়ে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে উঠতে লাগলেন। ওদিকে বড় বড় কিছু কবর আছে। কিছু কবর শত শত বছর ধরে বাতাস-ঝড়-বৃষ্টির অত্যাচারে তাদের গায়ের লেখাগুলো হারিয়েছে। আবার কয়েকটির গায়ে প্রতিলিপি রয়েছে।

    ‘যা ঠাণ্ডা পড়েছে আজ ভূতেরা ঠাণ্ডার ভয়ে কবর ছেড়েই বেরুবে না,’ মজা করলেন মিস অ্যাপলবাম। এখন কাজে লেগে যাও সবাই।’

    আমরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়লাম। র‍্যাচেল এবং আমি পাহাড়ের অন্য পাশটাতে রওনা হলাম। এখানে বাতাসের ঝাপটা হয়তো কম থাকবে। ভুল ভেবেছি। প্রবল দমকা হাওয়া আমার হুড সরিয়ে দিল মাথার ওপর থেকে। আমার লম্বা, লাল চুল বাতাসে পতপত উড়তে লাগল পতাকার মত।

    আমরা বরফ মাড়িয়ে সামনে ঝুঁকলাম কবরের গায়ে লেখা পুরনো প্রতিলিপি পড়ার জন্য। কয়েকটি কবর ষোড়শ শতকের।

    ‘এখানে ইন্টারেস্টিং কিছু নেই,’ অনুযোগের সুরে বলল র‍্যাচেল। ‘চলো, ওই পুরনো কবরগুলোর ধারে যাই।

    প্রথম কবরটির সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। ছোট, পুরনো কবরটির গায়ে কয়েক জায়গায় ফাটল ধরেছে। আমি হাঁটু মুড়ে বসলাম প্রতিলিপিতে চোখ বুলাতে: এবিগেইল উইলি। ১৬৮০-১৬৯২। স্বর্গে গিয়ে বিশ্রাম নাও, সোনা।

    ‘ওয়াও!’ চেঁচিয়ে উঠলাম আমি, স্থির দৃষ্টি সন-তারিখের দিকে। ‘র‍্যাচেল-এ মেয়েটি আমাদের বয়সী!’

    র‍্যাচেলও ঝুঁকল লেখাটি পড়তে। ‘ভাবছি মেয়েটি কীভাবে মারা গেল, লোরেন। ওই সময় সবাই খুব অল্প বয়সে মারা যেত।’ র‍্যাচেল ওর ব্যাকপ্যাক খুলে ট্রেসিং পেপারের প্যাড বের করল। ‘এটার ডিজাইন করা যাক। বেশ ইন্টারেস্টিং।

    আমাদের চারপাশে হিমশীতল বাতাস পাক খেল। পাথরের গায়ে ট্রেসিং পেপার ঠেসে ধরে রাখতে গলদঘর্ম হয়ে যাচ্ছে র‍্যাচেল। ও ট্রেসিং ধরে রাখবে, আমি ঘষে ঘষে ওতে ছবি ফুটিয়ে তুলব। কিন্তু প্রবল বাতাসে ফরফর করে উড়ছে কাগজ।

    ‘আমি তোমাকে ওটা ধরে রাখতে সাহায্য করছি,’ বললাম আমি। হাত থেকে গ্লাভস খুলে ওজোড়া কবরের ওপর রাখলাম। তারপর উবু হয়ে বসলাম র‍্যাচেলের পাশে। একসঙ্গে মিলে কাজ শুরু করে দিলাম।

    আমাদের কাজ প্রায় শেষ এমন সময় দেখি মিস অ্যাপলবাম দ্রুত নেমে আসছেন পাহাড় বেয়ে, বরফ ভেজা ঘাসে আছাড় খেলেন। ‘আজ আর কাজ করতে হবে না।’ হাঁচড়ে পাঁচড়ে উঠে বললেন তিনি। ‘আজ এখানে আসাই ঠিক হয়নি। যেমন ঠাণ্ডা তেমনি বাতাস। এখুনি স্কুলে ফিরে না গেলে নির্ঘাত সবাই ফ্রস্টবাইটে আক্রান্ত হব।’

    র‍্যাচেল এবং আমি ডিজাইন করা বন্ধ রাখলাম। মাথার ওপর তুলে দিলাম পার্কা হুড। তারপর শীতে কাঁপতে কাঁপতে, আমার পা জমে প্রায় বরফ, মুখ টনটন করছে, জলদি পা বাড়ালাম অন্যদের সঙ্গে একত্রিত হতে, এখান থেকে বেরুতে পারলে বাঁচি।

    .

    সেই রাতে ডিনারের পরে আমার মনে পড়ল, আরি। আমি তো আমার গ্লাভস গোরস্তানে ফেলে রেখে এসেছি! বাবা-মা গেছেন তাদের রিডিং ডিসকাশন গ্রুপের কাছে, বাড়িতে শুধু আমি আর মার্ক। আমাদের হোমওয়ার্ক করার কথা। কিন্তু টিভি দেখছি। টিভিতে আবহাওয়ার খবর হচ্ছে।

    লাফ মেরে উঠে গায়ের সুয়েটারটা টেনেটুনে ঠিক করলাম। ‘মার্ক, আমি গোরস্তানে যাব আমার গ্লাভস নিয়ে আসতে।’

    অ্যালজেব্রার বই থেকে মুখ তুলল মার্ক। ‘ঠাট্টা করছিস?’

    ‘ওগুলো আমার সবচেয়ে সেরা গ্লাভস!’ বললাম আমি। ‘আর আমার খুব পছন্দের। ওখানে গ্লাভজোড়া ফেলে রাখতে পারি না।’

    মার্ক আবার মনোযোগ ফেরাল অ্যালজেব্রার বইতে। ‘কাল সকালে নিয়ে আসব।’

    ‘প্রশ্নই ওঠে না!’ বললাম আমি। ‘এইমাত্র টিভিতে বলল শুনিসনি রাতে তুষারপাত হবে। আমার গ্লাভসের দফারফা হয়ে যাবে।’ আমি কোট ক্লজিট খুলে পার্কা বের করলাম।

    ‘আমার সঙ্গে যাবি কিনা বল।’

    ইতস্তত করছে মার্ক, চিবাচ্ছে পেন্সিল। শেষে মুখ থেকে বের করল পেন্সিল। ‘ঠিক আছে, চল। তোকে একা যেতে দিতে পারি না।’

    আমার সিংহহৃদয় ভাইটি!

    এখন পড়ে গেছে বাতাস তবে রাতের হাওয়া ভীষণ শীতল এবং স্যাঁতসেঁতে। কালো কালো ঝোড়ো মেঘের মাঝখানে উঁকি মারছে ছোট্ট, রূপালি চাঁদ। তুষারের পাতলা আস্তরণ শক্ত হয়ে নিরেট আকৃতি পাচ্ছে।

    আমরা বরফ পিচ্ছিল রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। কিছুক্ষণ পরে গ্রেস্টোন গোরস্তানের নিচু বেড়াটি নজরে এল।

    ‘কোথায় তোর হাতমোজা ফেলে রেখে গিয়েছিলি মনে আছে?’ জিজ্ঞেস করল মার্ক। মস্ত পশমী হুডের আড়ালে ওর মুখ। ফ্লাশলাইটের আলো ফেলছে সামনের বরফের ওপর।

    শিউরে উঠলাম আমি। ‘একটা মেয়ের কবরের ওপরে। যেতে অল্প সময় লাগবে।’

    গোরস্তানের ফটকের হাতল ধরে টান দিলাম। শক্ত বরফে আটকে গেছে গেট। গায়ের জোরে টানতে হলো। ক্যাচকোচ শব্দে খুলল ফটক।

    খাড়া পাহাড় বেয়ে আমি আর মার্ক ওপরে উঠছি, ফ্লাশলাইটের হলুদ আলোর বৃত্তগুলো নাচানাচি করতে লাগল কবরগুলোর গায়ে। চাঁদটাকে ঢেকে ফেলল ঝোড়ো মেঘের দল, গাঢ় আঁধার ঘিরে ধরল আমাদেরকে। বাতাসটা যেন আরও নিশ্চল।

    নাক ঘষলাম আমি। কোন সাড়া পাচ্ছি না। ‘এ পাহাড়ের ওদিকটায়।’

    আমাদের চারপাশে বৃক্ষসারি ককাচ্ছে, গোঙাচ্ছে। বাতাস মানুষের নিঃশ্বাস ফেলার মত ভৌতিক শব্দ করছে।

    কঠিন বরফের ওপর দিয়ে পা পিছলে পিছলে অবশেষে পৌঁছে গেলাম এবিগেইল উইলির কবরে। ‘এই তো,’ বললাম আমি।

    আলো ফেলল মার্ক। দাঁড়িয়ে পড়লাম আমি। চোখ কুঁচকে তাকালাম কবরের ওপর। ‘ওগুলো নেই!’ আর্তনাদ করে উঠলাম। ‘গ্লাভজোড়া নেই ওখানে! অথচ এই কবরটার ওপরেই রেখে গিয়েছিলাম!’

    মার্ক কবরের সামনে আলো ফেলল। ‘বোধহয় বাতাসে উড়িয়ে নিয়ে গেছে। মাটিতে দেখ।’

    ‘ঠিক আছে। বাতাসে উড়ে গিয়ে মাটিতেও পড়তে পারে।’ বিড়বিড় করলাম আমি। নজর বুলালাম বরফ ঢাকা জমিনের ওপর।

    আবার দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল বাতাস। ককিয়ে উঠে গা ঝাড়া দিল বৃক্ষরাজি। দূরে তীক্ষ্ণ গলায় চিৎকার দিল কেউ। সম্ভবত বিড়াল।

    নিচু হয়ে কবরের চারপাশটা দেখলাম। ‘কোথায় ওগুলো?’

    ‘হয়তো উড়ে গিয়ে পাহাড়ের নিচে চলে গেছে,’ মন্তব্য করল মার্ক। পশমী হুডটি মুখের ওপর ভাল করে টেনে নিল। তারপর নামতে শুরু করল পাহাড় বেয়ে, মাটিতে এদিকে ওদিকে ফেলছে ফ্লাশলাইটের আলো।

    ‘কোথায় ওগুলো? কোথায় ওগুলো?’ আমার অসাড় নাক এবং মুখ ঘষতে ঘষতে বারবার বলছি আমি।

    এমন সময়ে প্রায় ধাক্কা লাগল মেয়েটির সঙ্গে।

    মেয়েটির লম্বা, কালো চুল মুখখানা ঢেকে রেখেছে। পরনে লম্বা আস্তিনের পাতলা একটি ড্রেস আর মাটি পর্যন্ত ঝুলে থাকা স্কার্ট। কোমরের পেছনে হাত নিয়ে আড়ষ্ট ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে।

    কে তুমি?’ আঁতকে উঠলাম আমি।

    এমন সময় একটা দমকা হাওয়া তার মুখের ওপর থেকে সরিয়ে নিল চুল।

    আমি তাকালাম-

    —তাকালাম তীব্র আতঙ্ক নিয়ে-তার কঙ্কাল মুখটার দিকে। তার গায়ে কোন চামড়া নেই। ভাঙাচোরা দাঁতের ওপর কোন ঠোঁট নেই। কোন চোখ নেই। শুধু শূন্য কোটর। গভীর অন্ধকার কোটর।

    ‘আমি এবিগেইল,’ ভাঙা, খনখনে, শুকনো গলায় বলল সে।

    তারপর সে হাতজোড়া তুলল। তার হাতেও কোন চামড়ার বালাই নেই। শুধু খটখটে হাড়। আর হাড্ডিসার, ধূসর হাতের মাথায় পরে রেখেছে আমার হাতমোজা!

    নীরবে এক কদম বাড়ল সে আমার দিকে। আমি ভয়ে নড়াচড়ার শক্তি হারিয়ে ফেলেছি।

    ‘আমার খুব ঠাণ্ডা লাগছে,’ ভাঙা দাঁতের ফাঁক দিয়ে ভেসে এল তার কাতর গোঙানি। ‘এখানে বড্ড ঠাণ্ডা, লোরেন…’

    ‘প-প্লিজ…’ ফিসফিস করলাম আমি, স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি আমার গ্লাভজোড়ার দিকে। কঙ্কাল হাতে আমার হাতমোজা…

    ‘তোমার কোটটা আমাকে দাও!’ গুঙিয়ে উঠে আমার দিকে হাত বাড়াল সে।

    গভীর শূন্য কোটর চোখ…কঙ্কাল খুলিতে চুল উড়ছে, মাথাটা একদিকে কাত হয়ে আছে ওর…

    ‘লোরেন, তোমার কোটটা আমাকে দাও…’

    ‘না! প্লিজ!’

    ঘুরে দাঁড়ালাম আমি। আমার ভাইকে খুঁজছি। ‘মার্ক!’ ডাক দিলাম। এমন সময় দেখতে পেলাম ওকে। জানবাজি

    রেখে ছুটে আসছে ও। কালো ওভারকোট পরা লম্বা একটা কঙ্কাল ধাওয়া করেছে ওকে।

    ভাগো! আমি আদেশ করলাম নিজেকে। লোরেন—এক্ষুনি ভাগো।

    কিন্তু আমার পা থরথরিয়ে কাঁপছে। নড়াতে পারছি না। ‘লোরেন, তোমার সোয়েটারটা আমাকে দাও…

    ‘না-থামো!’

    আমার গ্লাভস পরা নরকঙ্কালের আঙুল আমার শরীর হাতড়াচ্ছে।

    ‘লোরেন, তোমার জামাকাপড়গুলো আমাকে দাও…লোরেন…এখানে বড্ড ঠাণ্ডা…তোমার কোটটা আমার দরকার…তোমার সোয়েটার আমার দরকার…’

    ‘না! চলে যাও আমার কাছ থেকে!’ চিৎকার দিলাম।

    ‘লোরেন, তোমার জুতো আমার দরকার…’ মোজা পরা হাত আমার চুল খামচে ধরল।

    ‘লোরেন, তোমার গায়ের চামড়া আমি চাই!’

    মোজা পরা আঙুলগুলো এবার আমার চুল ধরে টানছে।

    ‘ছাড়ো! আমাকে ছাড়ো!’

    ‘লোরেন, ‘তোমার গায়ের চামড়া আমার চাই। লোরেন, তোমার শরীরটা আমার দরকার।’

    ‘আআআআআ!’ আমার গলা দিয়ে আতঙ্কিত আর্তনাদ বেরিয়ে এল।

    আর ঠিক তখন মনে পড়ে গেল র‍্যাচেলের কথাগুলো। ভুতুড়ে চাউনি।

    র‍্যাচেলের দাদীমা ওকে পরামর্শ দিয়েছিলেন: দৌড়াবে না। ভূতের চোখের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবে। এমনভাবে তাকাবে যেন তুমি ওর আত্মার সন্ধান করতে চাইছ।

    কিন্তু এতে কি কাজ হবে?

    আমার অন্য কোন উপায়ও নেই। এবিগেইলের ভূত ক্রমে তার দিকে আমাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।

    আমি ঝট করে আমার মাথাটা পেছন দিকে সরিয়ে নিলাম, তাকালাম ওর শূন্য চোখের কোটরে-স্থির দৃষ্টিতে চেয়ে রইলাম। চোখ বড় বড় করে, চোখের পাতা না ফেলে, পিটপিট না করে রোষষায়িত নয়নে ওই গভীর গর্তদুটোর দিকে তাকিয়ে থাকলাম। যেন এবিগেইলের আত্মার সন্ধান করছি।

    আমাকে ধরে টানাটানি বন্ধ করল সে। দু’জনেই গোরস্তানের পাথরের মূর্তির মত দাঁড়িয়ে আছি।

    ওর কঙ্কাল চোয়াল মট শব্দ করে ভেঙে গেল।

    খুলির ওপর উড়ছে শনের মত লম্বা চুল। ‘লোরেন…’ গুঙিয়ে উঠল সে। ‘লোরেন…’

    তারপর মোজা পরা হাত দুটো ছেড়ে দিল আমার চুল এবং তার পচা, শীর্ণ কাপড়ের পাশে ওগুলো পড়ে গেল।

    আমি এখনো কটমট করে তাকিয়ে আছি, চোখের পলক পড়ছে না আমার। যেখানে একসময় চোখ ছিল সেই শূন্য কোটরে আমার দৃষ্টি স্থিরভাবে নিবদ্ধ।

    ভুতুড়ে চাউনি…..

    ওর শরীরটা ক্রমে ছোট হয়ে যেতে লাগল…ছোট হয়ে যাচ্ছে…

    ওর চুলগুলো আবার ঢেকে দিল কঙ্কাল মুখটা। হাড্ডিসার কাঁধজোড়া মটমট শব্দে ভেঙে গেল। আমি দেখছি ওর দেহ ক্রমে ছোট হয়ে কবরের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে।

    ‘লোরেন…’ আরেকবার ফিসফিসিয়ে আমার নাম ধরে ডাকল সে।

    তারপর অদৃশ্য হয়ে গেল।

    আমি মুখ হাঁ করে জোরে জোরে ঠাণ্ডা বাতাস টেনে নিতে লাগলাম ফুসফুসে।

    তারপর দিলাম ছুট। একটু পরে মার্কের পায়ের আওয়াজ শোনা গেল। স্বস্তি নিয়ে টের পেলাম আমার পেছন পেছন আসছে সে। আমরা ছুটতে ছুটতে চলে এলাম বাড়ি। সদর দরজা দিয়ে সবেগে ঢুকে পড়লাম ভেতরে। আমার পাঁজরে দমাদম বাড়ি খাচ্ছে হৃৎপিণ্ড। একটানা দৌড়ের কারণে ব্যথা করছে বুক।

    টলতে টলতে ঢুকলাম লিভিংরুমে। উবু হয়ে হাঁটুতে হাত রাখলাম। হাঁপাচ্ছি বেদম। ‘ওই ভুতুড়ে চাউনি…’ বললাম আমি। ‘বিশ্বাসই হচ্ছে না ওটা কাজে লেগেছে! তুইও বোধহয় তাই করেছিস, না?’

    হাঁপাতে হাঁপাতে মার্কের দিকে ফিরলাম আমি।

    এবং দিলাম চিৎকার।

    ভয়ার্ত চিৎকার বেরিয়ে এসেছে আমার গলা থেকে সামনে ছেঁড়া, কালো ওভারকোট পরা কঙ্কালসার মুখটা দেখে। ওটার মুখ হাঁ করা। দাঁতহীন হাঁ করা মুখে মোটা মোটা বাদামী রঙের পোকা কিলবিল করছে। ওটার মাথা ন্যাড়া, খুলি এবড়ো খেবড়ো, ফাটা। কোটরে চোখ নেই। ওখানে গাঢ় অন্ধকার। ‘মার্ক কোথায়? তুমি মার্কের কী করেছ?’ গলা ফাটালাম আমি। ‘তুমি এখানে কেন এসেছ! কোথায় মার্ক?’

    খুলে গেল কঙ্কালের চোয়াল, ভূতটার পচা পেটের ভেতর থেকে বিকট একটা দুর্গন্ধ বেরিয়ে এল ঢেকুর তোলার শব্দে।

    ‘আমার ভাই কোথায়?’ কাঁদো কাঁদো গলায় বললাম আমি। ‘ও কি গোরস্তানে? তুমি কী চাও? কী চাও তুমি?’

    আমি নড়াচড়া করার আগেই ভূতটা সাঁৎ করে সরে গেল দেয়ালের ধারে। কঙ্কাল একটা হাত বাড়িয়ে নিভিয়ে দিল ‘বাতি।

    আমি নিকষ অন্ধকারে দাঁড়িয়ে রইলাম।

    ‘কে-কেন বাতি নেভালে?’ ফিসফিস করলাম আমি।

    ‘লোরেন, ভুতুড়ে চাউনি দেয়া মোটেও ঠিক কাজ নয়!’ ঘোঁত ঘোঁত করে উঠল ওটা।

    তারপর ওটার শক্ত, কঙ্কালসার আঙুলগুলো চেপে ধরল আমার গলা।

    ‘লোরেন, আমার খুব শীত করছে…’ উখা চালানোর মত ঘ্যাসঘেঁসে গলায় বলে উঠল সে। ‘লোরেন… তোমার সোয়েটারটা আমার দরকার…লোরেন, তোমার চুল আমার দরকার। লোরেন…তোমার গায়ের চামড়া আমার চাই!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচণ্ডরাজার বলি – সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    Next Article তিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }