Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাতালঘরের পিশাচ – অনীশ দাস অপু

    অনীশ দাস অপু এক পাতা গল্প404 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্নোম্যান – অনীশ দাস অপু

    স্নোম্যান

    আমার বন্ধু বিলি নিজেকে খুব বুদ্ধিমান ভাবে। সবসময় আমাদেরকে বলতেই থাকে তার মাথায় কত বুদ্ধি-আর এটাই বিলির সবচেয়ে বিরক্তিকর দিক।

    বিলি বড্ড বিরক্তিকর একটি চরিত্র। কেন? এর একটা তালিকা দিতে পারি আমি…..

    ১. সে খুব দাম্ভিক প্রকৃতির।

    ২. নিজেকে শো অফ করতে খুব ভালবাসে।

    ৩. বড্ড বড় বড় বুলি কপচায়।

    ৪. নিজেকে ভাবে সবজান্তা শমসের। পৃথিবীতে হেন কাজ নেই সে পারে না, এমনই ভাব দেখায়।

    ৫. নিজেকে আমাদের চেয়ে অনেক চালাক-চতুর মনে করে।

    আমরা মানে আমি-রিক বেকার-এবং আমার অন্যান্য বন্ধুরা লোরেন ও ফ্রেড। আমরা চারজন একই মহল্লায় থাকি, কিণ্ডারগার্টেনে পড়ার সময় থেকে আমাদের বন্ধুত্ব।

    আমরা সারাক্ষণ বিলির বিরুদ্ধে নালিশ আর অভিযোগ করলেও সারাদিন ওর সঙ্গেই আছি। আমার মনে হয় বিলির সঙ্গে আমাদের প্রধান সমস্যা হলো সে কখনো মুখ বন্ধ করে রাখতে পারে না।

    আর সর্বক্ষণ সে একটি বিষয় নিয়েই কথা বলে-মৃত্যু।

    ‘তোমরা কি জানো একজন লোককে স্পর্শমাত্র না করেও সুড়সুড়ি দিয়ে মেরে ফেলা যায়?’ বলে বিলি।

    এরকমই অদ্ভুত বিলি। মাঝে মাঝে মনে হয় ওকে যেন ভূতে পেয়েছে। লোকে কত বিচিত্রভাবে মারা যেতে পারে তা নিয়েই সারাদিন বকবকানি চলে তার।

    ‘জানো ঘুমের মধ্যে চুলকাতে চুলকাতে তোমরা মারা যেতে পার?’

    ‘তোমরা কি জানো প্লেন থেকে পড়ে যাওয়া পালকের আঘাতেও মৃত্যু ঘটতে পারে?’

    এরকম মৃত্যুর কথা সবসময় শুনতে ভাল লাগে না। এতে মনের মধ্যে কেমন তালগোল পাকিয়ে যায়।

    আজ আমরা চারজনে মিলে বাড়ির পাশের পার্কের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলাম। ওখানে পৌঁছাবার পরে লোরেন, ফ্রেড এবং আমি ঠিক করলাম বিলির মৃত্যু সম্পর্কিত তথ্য নিয়ে আজ একটা কাণ্ড ঘটাব।

    প্রচুর তুষারপাত হচ্ছে বলে আজ স্কুল বন্ধ। তাই আমাদের মনেও অনেক ফূর্তি।

    রাস্তায় কমপক্ষে দুই ফুট গভীর বরফ জমে আছে। কোথাও কোথাও কাঁধ পর্যন্ত উঁচু। গোটা পৃথিবী সাদায় সাদাময়। শুধু আকাশটা বাদে। ওটা ঝকঝকে নীল। একটি চমৎকার, চনমনে শীতল দিন।

    নিঃশ্বাসের সঙ্গে নাক দিয়ে বাষ্প বেরিয়ে আসছে, বুট জুতোর চাপে মুড়মুড় করে ভাঙছে বরফ। পার্কে গিয়ে বাচ্চাদের সঙ্গে স্লেজে চড়লে মন্দ হয় না।

    কিন্তু বিলি এসব কী বলছে?

    ‘তোমরা কি জানো ভয়ের চোটে তোমরা জমে বরফ

    হয়ে যেতে পার?’ বলল সে।

    গুঙিয়ে উঠলাম আমি। ‘আরে, ভাই, এসব কথা ছাড়ো তো।’

    ‘না, সত্যি বলছি,’ বলল সে। ‘তুমি এমন ভয় পাবে তোমার শরীর বরফের মত জমাট বেঁধে যাবে-চিরদিনের জন্য। তুমি কথা বলতে পারবে না। নড়াচড়া করতে পারবে না। এ যেন ভয়ের চোটে মৃত্যু, তবে এখানে তুমি মারা যাচ্ছ না! বেঁচে আছ!’

    ‘ঠিক আছে, একবার ব্যাপারটা পরীক্ষা করে দেখি,’ বললাম আমি।

    আমি বিলির কাঁধ চেপে ধরলাম। ‘এটা আমরা পরীক্ষা করে দেখব।’

    আমার ধারণা লোরেন এবং ফ্রেডও একই কথা ভাবছিল। বিলির পার্কা এমনভাবে চেপে ধরেছি ও ধস্তাধস্তি করতে লাগল, মোচড় খাচ্ছে নিজেকে ছাড়াবার জন্য। কিন্তু আমরা তিনজনে মিলে ওকে তুলে ধরলাম। প্রথমে পা তুললাম তারপর সবচেয়ে উঁচু বরফের স্তূপের ওপর বসিয়ে দিলাম।

    ও নড়াচড়া করার আগেই আমরা ওকে বরফ চাপা দিতে শুরু করলাম। বরফখণ্ডগুলো ছিল ভেজা এবং ভারি।

    ‘অ্যাই! তোমরা কী করছ?’ চেঁচাল বিলি।

    ‘তোমাকে স্লেম্যান বানাচ্ছি!’ বলল ফ্রেড।

    খুব দ্রুত কাজ করছিলাম আমি। বড় বড় বরফের চাঙড় হাতে নিয়ে ওর গায়ে চাপা দিচ্ছিলাম।

    ‘আরে আমার কথা একটু শোনো!’ চিৎকার করছে বিলি। ‘আমি বদ্ধ জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারি না, জানোই তো। আরে-থামো না! এটা ইয়ার্কি নয়। আমার শরীর জমে বরফ হয়ে যাচ্ছে। আমার ভীষণ ঠাণ্ডা লাগছে। আমাকে ছাড়ো! এখান থেকে বেরুতে দাও!’

    আমরা তিনজন হেসে উঠলাম।

    ওকে ভয় পেতে দেখে আমাদের বেশ ফূর্তি লাগছে। এরকম একটা মজার ব্যাপারে কেউ ভয় পায়?

    ‘বুদ্ধিটা তোমার,’ বললাম আমি। ‘তুমি একবার পরীক্ষা করে দেখবে না? তুমি দেখতে চাও না সত্যি ভয়ে বরফের মত জমাট বেঁধে যাও কিনা?’

    ‘না! না! চাই না!’ কেঁদে ফেলার জোগাড় বিলির।

    ‘তোমার কোন শেষ ইচ্ছা আছে?’ জিজ্ঞেস করল ফ্রেড।

    ‘হ্যাঁ। আমাকে এখান থেকে বের করো!’ গলা ফাটাল বিলি।

    আমরা বরফ দিয়ে ওর মাথাটা ঢেকে দিলাম।

    মাথার ওপরে গর্ত করে দিলাম যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে। লোরেন দুটো চমৎকার গোল পাথর পেয়ে গেল। এ দিয়ে চোখ বানানো যাবে। আর একটা ডাল বাঁকিয়ে নিল নাক বানাতে। ফ্রেড এবং আমি মিলে বরফটাকে এমন আকৃতি দিলাম দেখতে সত্যিকারের স্নোম্যান বা বরফমানরের মত লাগছিল। বরফের গায়ে চেপে চুপে ওটাকে আরও শক্ত করলাম। লোরেন তার স্কার্ফ খুলে বরফমানবের গলায় পরিয়ে দিল।

    ‘হাই, বিলি, ওখানকার আবহাওয়া এখন কেমন, ভাই?’ হাঁক ছাড়লাম আমি।

    বিলি সাড়া দিল না।

    আমরা তিনজন একটু পিছিয়ে গিয়ে নিজেদের শিল্পকর্মটি দেখতে লাগলাম মুগ্ধ চোখে।

    ‘চমৎকার হয়েছে!’ মন্তব্য করল লোরেন। আমরা আমাদের ভেজা, বরফ মাখানো তালু দিয়ে একে অন্যের সঙ্গে ‘হাই ফাইভ’ করলাম।

    আমরা ভাবছিলাম বিলি এখুনি বরফের মূর্তি ভেঙে বেরিয়ে আসবে হুঙ্কার ছাড়তে ছাড়তে এবং আমাদের দিকে বরফ ছুঁড়ে মারবে।

    কিন্তু সে এল না।

    ওখানে নিশ্চল দাঁড়িয়ে থাকল স্নোম্যানের মত। পাথুরে দুটো চোখ আমাদের দিকে শীতল দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।

    ‘হেই, বিলি!’ আমি ডাক দিলাম।

    নীরবতা। ‘বিলি? হ্যালো!’

    দীর্ঘ, গা ছমছমে নিস্তব্ধতা।

    ‘বিলি?’ আবার হাঁক ছাড়লাম।

    কোন জবাব নেই।

    হেসে উঠল ফ্রেড। ‘ও আমাদেরকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।’ আমার হাত ধরে টানল। ‘এসো, রিক। পাহাড়ে কতগুলো বাচ্চা আছে স্লেজ নিয়ে। চলো খেলি।

    আমরা বরফের ওপর দিয়ে লাফাতে লাফাতে ছোটার সময় একবার ঘাড় ঘুরিয়ে আমি পেছন ফিরে তাকালাম। বিলি এখনো আগের মতই দাঁড়িয়ে আছে। সে কীসের জন্য অপেক্ষা করছে?

    ‘হেই-আমেরিকান ফ্লায়ার্স!’ ফ্রেড কতগুলো বাচ্চার উদ্দেশে চেঁচাল। ‘আমাদের একটু খেলতে দেবে?’

    .

    আমরা কতক্ষণ স্লেজ নিয়ে খেলেছি ঠিক মনে নেই। বিকেলের সূর্য পশ্চিমে ডুব দিতে শুরু করেছে। লম্বা লম্বা নীল ছায়া পড়ছে বরফে। আমরা স্লেজগুলো বাচ্চাদের কাছে ফেরত দিলাম। লোরেন এবং ফ্রেড চলে গেল বাসায়।

    হঠাৎ বিলির কথা মনে পড়ল আমার।

    বরফে জমে যাওয়া থুতনি ঘষতে ঘষতে পাহাড় বেয়ে নিচে নামতে লাগলাম আমি। দেখলাম বরফমানব ঠিক আগের জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে।

    ওহ, না! আমি ছুটে গেলাম ওটার কাছে। চিৎকার দিলাম, ‘বিলি? বিলি?’

    আমরা ওর কথা একদমই ভুলে গিয়েছিলাম।

    আমার নিঃশ্বাস আটকে এল গলায়। গোটা শরীর কেঁপে উঠল।

    ও কি জমে বরফ হয়ে গেছে?

    আমরা তো স্রেফ মজা করছিলাম। আমরা ওর মস্ত কোন ক্ষতি করে ফেলিনি তো?

    না, প্লিজ-না!

    আমি বরফমানবের মাথাটা চেপে ধরলাম। ‘বিলি? অ্যাই-আমার কথায় সাড়া দাও। তুমি কথা বলছ না কেন?’

    কংক্রিটের মত জমে শক্ত হয়ে আছে বরফ। আমি পাগলের মত বরফের চাঙড় সরাতে শুরু করলাম।

    ‘বিলি? তুমি আমার কথা শুনতে পাচ্ছ?’

    সর্বত্র বরফ ছিটিয়ে ফেলছি আমি, স্নোম্যানের মুখের সামনের বরফ দ্রুত ভাঙছি। খাবলা মেরে বরফ তুলে ছুঁড়ে ফেলতে লাগলাম।

    ‘বিলি? হেই-বিলি?’

    উন্মাদের মত আরও কিছু বরফ ছোটালাম গোলাকার দেহটি থেকে।

    কিন্তু ভেতরে বিলি নেই।

    টলতে টলতে পিছিয়ে এলাম। কোথায় গেল ও? জিজ্ঞেস করলাম নিজেকে, বিমূঢ় দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি মাটিতে পড়ে থাকা বরফের চাঙড়ের দিকে। ও স্লোম্যানের শরীর ভেঙে বের হয়নি। আমরা যেভাবে রেখে গিয়েছিলাম সেভাবেই পেয়েছি বরফমানবকে।

    বরফ জল নামল আমার শিরদাঁড়া বেয়ে। কোটটা টেনে গায়ে জড়ালাম। কিন্তু কাঁপুনি বন্ধ হলো না তাতে।

    ঠিক তখন আমার পেছন থেকে নরম, ফিসফিসে একটি কণ্ঠ ভেসে এল। ‘রিক-তুমি আমাকে জমাট করে ফেলেছ। তুমি আমাকে জমিয়ে বরফ করেছ!

    ‘না!’ আঁতকে উঠলাম আমি।

    পাঁই করে ঘুরলাম। ‘কোথায় তুমি?’ ভাঙা গলায় জিজ্ঞেস করলাম। ‘তোমাকে আমি দেখতে পাচ্ছি না!’

    কোন শব্দ নেই।

    শুধু বাতাসের শব্দ ছাড়া, গাছের ডালে বাতাস ঘষা খেয়ে নরম তুষার ফেলছে।

    আবার শোনা গেল সেই ভৌতিক ফিসফিসানি। ‘তুমি আমাকে জমিয়ে বরফ করেছ!’

    বিলি বেরিয়ে এল একটি গাছের আড়াল থেকে।

    ও নিচু করে রেখেছে মাথা, এগিয়ে আসছে আমার দিকে। শরীরটা এক পাশে কাত হয়ে আছে, অদ্ভুত মন্থর গতিতে টলতে টলতে কদম ফেলছে।

    তারপর ধীরে ধীরে ও মুখ তুলল-আমি দেখতে পেলাম ওর চেহারা। সারা মুখে বরফ। চুল, ভুরু সব বরফে মাখা। গাল এবং থুতনিতে ঝুলছে সুচালো বরফখণ্ড।

    আমার মুখ হাঁ হয়ে গেল ভয়ে প্রচণ্ড চিৎকার দেয়ার জন্য।

    বিলি একইভাবে টলতে টলতে এগিয়ে আসতে লাগল আমার দিকে, মোজা পরা দুই হাত সামনের দিকে বাড়ানো। যেন আমাকে চেপে ধরবে। *রিক, তুমি আমাকে জমিয়ে বরফ করেছ। তুমি আমাকে বরফে জমিয়ে মেরে ফেলেছ!’

    আমার দাঁতে দাঁত লেগে ঠকঠক শব্দ হতে লাগল। গোটা দেহে এবার যেন বরফের স্রোত বইছে। আমি ভয়ে বিস্ফারিত চোখে বিলির দিকে তাকিয়ে রইলাম।

    তারপর কী যেন একটা ভাঙার শব্দ পেলাম। আমার মস্তিষ্কের মধ্যে কিছু একটা ঘটছে। নরম, মৃদু ফট একটা শব্দ।

    আমি শরীর নাড়াবার চেষ্টা করলাম। চিৎকার দিতে চাইলাম।

    পারলাম না।

    আমার পা, আমার হাত-নাড়াতে পারছি না। আমি মুখ খুলতে পারছি না চিৎকার দেয়ার জন্য। এমনকী চোখের পাতাও ফেলতে পারছি না।

    আমি শুধু সোজা সামনের দিকে তাকিয়ে থাকতে পারছি।

    বিলি কাছিয়ে এল। আরও কাছে। ‘রিক-তোমার কী হয়েছে?’ জিজ্ঞেস করল সে।

    আমি ওকে দেখতে পাচ্ছি। ওর কথা পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছি। কিন্তু জবাব দিতে পারছি না। আমার ঠোঁট নাড়াতে পারছি না। গলা দিয়ে কোন শব্দ বেরুচ্ছে না।

    তখন বিলির সেই কথাগুলো মনে পড়ে গেল…

    ‘তুমি এমন ভয় পেতে পারো, তোমার শরীর জমাট বরফের মত হয়ে যেতে পারে-চিরদিনের জন্য।

    ‘কামন রিক।’ বলল বিলি। ‘ঠাট্টা তামাশা অনেক হলো। আমি ঠিক আছি। ভাল করে দেখো। আমি নিজেই গায়ে মুখে বরফ মেখেছিলাম চেহারাটা ভীতিকর করে তোলার জন্য। দেখবে?’

    সে গাল থেকে এক খণ্ড বরফ তুলে ফেলল।

    ‘রিক-রাগ কোরো না।’ বলল ও। ‘আমি ঠিক আছি। তোমরা চলে যাওয়া পর্যন্ত আমি অপেক্ষা করছিলাম। তারপর বরফমানবের শরীর ভেঙে বেরিয়ে আসি। কোন সমস্যাই হয়নি। তোমরা তখন স্লেজ নিয়ে খেলতে ব্যস্ত। তাই দেখতে পাওনি যে আমি বেরিয়ে এসেছি। দেখনি যে স্নোম্যানকে আবার বানিয়েছি।’

    ‘আমি মূর্তিটা আবার বানাই,’ বলে চলল বিলি।

    ‘তারপর একটা গাছের আড়ালে লুকিয়ে পড়ে অপেক্ষা করতে থাকি তোমাদের জন্য।’

    সে আমার কাঁধে হাত রাখল। আমি ওর স্পর্শ পাচ্ছি কিন্তু নড়তে পারছি না। সে আমার মুখের সামনে হাত নাড়ল। কিন্তু আমার চোখের পাতা পড়ল না। আমি চোখ পিটপিট করতেও পারছি না। :

    ‘অ্যাই, রিক-তুমি দুষ্টামি করছ, তাই না?’ জিজ্ঞেস করল ও। ‘আরে, ভাই, কিছু তো বলো। আমার ঠাট্টাটা তোমার পছন্দ হয়নি? আমার কাছে তো দারুণ লেগেছে। আমি কি তোমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছি? কামন, রিক—তুমি কি আমাকে দেখে ভয় পেয়েছ?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচণ্ডরাজার বলি – সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    Next Article তিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }