Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাতালঘরের পিশাচ – অনীশ দাস অপু

    অনীশ দাস অপু এক পাতা গল্প404 Mins Read0
    ⤶

    ডাইনি – ৩০

    ত্রিশ

    ডাক্তার প্রায় প্রতিদিনই আমাকে দেখতে এলেন। তাঁকে কিছু বলার প্রয়োজন বোধ করলাম না আমি। নিজেকে পরিচয় দিলেন ডা. স্টাফোর্ড বলে। প্রায়ই বড় বড়, অপরিষ্কার দাঁত বের করে হাসেন। তার কব্জি মোটা মোটা, রোমশ। আঙুলে তিনটি আংটি পরে আছেন। আমার ধারণা ইনি একজন অসুখী মানুষ।

    সিটিংরুম নামে একটি কক্ষে তাঁর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়। বিশ্রী রুম। ওই ঘরে ঢোকার পরে কোয়েন্টিস স্লিপের আমাদের পলিশ করা কাঠের চকচকে মেঝে আর জটিল নকশা করা কার্পেটের কথা মনে হতে থাকে আমার। আমার নতুন রুমটির সবকিছুই প্লাস্টিক অথবা ধাতব দিয়ে নির্মিত। কোনটিই অলঙ্কৃত নয়। এমনকী যেসব মানুষ আমাকে এসে প্রশ্ন করে কিংবা আমার জন্য খাবার নিয়ে আসে, তাদেরও পরনে থাকে একেবারে সাদামাটা পোশাক। সে পোশাকের রং সাদা কিংবা সবুজ। আমাকে এখানে আয়না দেখতে দেয়া হয় না।

    আমি একবার ডা. স্টাফোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছিলাম, আমি আপনাদেরকে যেসব কথা বলেছিলাম সেসবই তাঁকে বয়ান করেছি। তিনি গম্ভীর মুখে, মনোযোগ দিয়ে আমার কথা শুনেছেন, তাঁর চোখ আমার দিকে নয়, নিবদ্ধ ছিল হলুদ কাগজের প্যাডে। ওতে তিনি সবুজ একটি কলম দিয়ে লিখছিলেন। আমার কথা তিনি বিশ্বাস করেননি বলে বিস্মিত হইনি। আমার ধারণা তাঁকে বেতন দেয়া হয় এজন্য যে সবাইকে তিনি যাতে বোঝানোর চেষ্টা করেন সকলেই তাঁর মত সাধারণ মানুষ।

    আমার বাবা-মা’র মৃত্যুর পরে আমার জীবনে যা ঘটেছে আমি তার ভুল ব্যাখ্যা করেছি বলে ডাক্তারের ধারণা। তিনি আমার সঙ্গে কথা বলার সময় ‘সত্য’ নিয়ে কথা বলেন।

    ডা. স্টাফোর্ড আমার সঙ্গে খুব কমই কথা বলেছেন। কথা বলার সময় তাঁর গলা স্বর থাকে শান্ত তবে একটু আড়ষ্ট, এবং সবুজ ফাউন্টেন পেনের গায়ে আঙুল বুলাতে বুলাতে তিনি কথা বলেন।

    তিনি সবসময়ই উপসংহারে এ কথাটি বলার চেষ্টা করেন যে পরিবারের সকলেই আমাকে ভালবাসে। জেমস বেপরোয়ার মত যেসব কাজ করেছে আমাকে কাছে পাবার জন্য যেমন, আমার বাবা-মাকে হত্যা কিংবা দাদীমাকে খুন, এসবই নাকি. স্রেফ আমার মনের কল্পনা। আমি এরকমটি বিশ্বাস করতে চাই বলেই করছি। দৃশ্যত যারা জড়িত তারা অতিপ্রাকৃত ঘটনার চেয়ে ব্যাখ্যা করা যায় এমন কিছুতেই বরং বিশ্বাসী। তারা ডাইনিটাইনি বিশ্বাস করে না।

    যেমন, মি. হিউবার্ট দাবি করেন জেমস আমার বাবা- মাকে হয় ডুবিয়ে মেরেছে কিংবা তাদেরকে ডুবে মরার হাত থেকে রক্ষা করেনি। মি. হ্যামিলটন বলছেন তিনি নাকি দেখেছেন জেমস সে রাতে দাদীমার লাশ বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে তার গাড়ির ট্রাঙ্কে ঢুকিয়ে ফেলে।

    এরা দু’জনেই প্রথম দিকে নীরব ছিলেন কারণ উভয়েই জেমসকে রক্ষা করতে চেয়েছিলেন তাকে তাঁদের সন্তান ভেবে। ধারণা করা হয়, জেমস দাদীমাকে পরদিন লেক জর্জের তীরে কবর দিয়েছে। যদিও দাদীমার লাশ খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই বলে ওদের বিশ্বাস টসকে যায়নি। ওঁরা হয়তো জেমস এবং দাদীমার ব্যাপারে ঠিক কথাই বলেছেন কিন্তু আমি ঠিক মেনে নিতে পারিনি।

    ডা. স্টাফোর্ডের কাছ থেকে যা প্রত্যাশা করা গিয়েছিল তিনি তাই করেছেন। তিনি পরিস্থিতির একটি জটিল তবে গতানুগতিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাঁর ব্যাখ্যা আমার মোটেই মনঃপূত হয়নি। মনে হলো অপরাধের কনসেপ্ট নিয়ে তাঁর একটি মুগ্ধতা রয়েছে। তিনি আমাকে বিশ্বাস করাতে চেয়েছেন, যেহেতু আমি আমার বাবা-মাকে ভালবাসতাম না তাই তাদের মৃত্যুর জন্য নিজেকে দায়ী মনে করে নিজেকে শাস্তি দিতে চেয়েছি এবং ফ্রান্সিস ও তার শক্তিকে দায়ী হিসেবে কল্পনা করেছি।

    ডাক্তার ভাল-মন্দ নিয়ে কিন্তু কিছু বললেন না। বললে তাঁর কথা আমার কাছে অনেকটাই গ্রহণযোগ্য মনে হত। তিনি আমার কাছ থেকে সে জিনিসটিই আশা করেছেন যা শত শত বছর আগে ভণ্ড লোকেরা প্রত্যাশা করত: স্বীকারোক্তি এবং বিশ্বাস পরিহার।

    আমার দৃঢ়সঙ্কল্পবদ্ধ মন বোধহয় তাঁর ধৈর্যচ্যুতি ঘটিয়েছিল। আর তা না হলেও একটি বিষয় ছিল যেটি ঘটবে বলে তিনি অনুমানই করেননি। তা হলো আমি মা হতে চলেছি।

    মা হওয়া নিয়ে খুব বেশি কিছু ভাবিনি আমি। প্রথমে এই বলে সান্ত্বনা পেয়েছি আমার কাছ থেকে যে শক্তি কেড়ে নেয়া হয়েছে তা হয়তো হারিয়ে যাবে না, আমার সন্তানের মধ্যে বেঁচে থাকবে।

    তবে এ চিন্তা আমাকে খুব বেশি স্বস্তি দেয়নি। আমার ধারণা বেশিরভাগ বাবা-মা তাদের সন্তানকে আশীর্বাদ বলে মনে করে। যেকোনভাবেই হোক তাদেরকে তাদের ব্যর্থতা থেকে বিমুক্ত করবে। তবে আমার জন্য এটি যথেষ্ট নয়। আমি শীঘ্রি উপলব্ধি করলাম আমার কাছে এ দৃশ্য অসহ্যই লাগবে যে আমার কাছে যে শক্তি নেই তা আমার সন্তান ধারণ করে আছে।

    আমাকে ওই শক্তিটি ফিরে পেতেই হবে।

    .

    একত্রিশ

    ডাক্তার শীঘ্রি আবিষ্কার করলেন যে আমি প্রেগনেন্ট। তারপর থেকে তিনি আমার দিকে তাকিয়ে অবিরত হেসেই যাচ্ছেন। কিন্তু আমি এখনো তাঁর সঙ্গে কথা বলিনি।

    তিনি ক্যাথেরিনকে নিয়ে এলেন আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য। আমি কোয়েন্টিস স্লিপ থেকে আসার পরে দু’একবার আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল ক্যাথেরিন। কিন্তু ওর সঙ্গ আমার ভাল লাগেনি। সে নীরস চেহারা নিয়ে প্লাস্টিকের মেঝের দিকে তাকিয়ে থাকত। শুধু মিস বার্টনের প্রসঙ্গ নিয়ে কথা উঠলে ভঙ্গ হত নীরবতা। মিস বার্টন মাঝে মাঝে ফোন করে। তবে বলে না কোথায় সে আছে।

    আমি কল্পনায় দেখি মিস বার্টন একটি ভাড়া বাড়িতে আছে, দাগটাগ পড়া ম্যাট্রেসে একাকী শুয়ে তাকিয়ে রয়েছে ছাদের দিকে, লকেটটি তার ঢিলা দুই বুকের মাঝখানে পড়ে আছে। সে হয়তো ভাবছে আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেও সে কেন তেমন খুশি হতে পারছে না।

    মিস বার্টন তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত কিনা কে জানে। তবে আমি নিশ্চিত একদিন সে ঠিকই অনুতাপ বোধ করবে। এবং সেটা গভীরভাবে অনুভব করবে।

    আমি মা হতে চলেছি জানার পরে ক্যাথেরিনের আচরণে একটি পরিবর্তন লক্ষ করলাম। মনে হলো প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত কথা বলছে। তারপর দেখি সে ডাক্তারের মতই হাসছে।

    একদিন ক্যাথেরিন আর আমি মুখোমুখি বসে আছি। আমি মুখ তুলে ওর দিকে পূর্ণদৃষ্টিতে তাকালাম। কেমন বোকার মত হাসল ক্যাথেরিন। আমি সিধে হলাম, হেঁটে ওর চেয়ারের কাছে গেলাম। ওর চুল ধরে মাথাটা টেনে নিয়ে এলাম আমার পেটের ওপর।

    ‘আমার মেয়ের হৃৎস্পন্দন শুনতে পাচ্ছ?’ জিজ্ঞেস করলাম আমি।

    আমার শরীরের সঙ্গে চেপে থাকা ক্যাথেরিনের মাথাটি কেঁপে উঠল। সে হাত তুলে আমার পাছা খামচে ধরল। তার নখ বসে গেল নরম মাংসে।

    ‘ওহ্, মাই ডার্লিং,’ বলল সে, ‘তুমি আমাদের কাছে ফিরে এসেছ।’

    ‘হ্যাঁ,’ বললাম আমি।

    আমার রোবের সামনের অংশটি ভিজে গেল ক্যাথেরিনের চোখের জলে।

    .

    ক্যাথেরিন এখন আমাকে দিনে দুইবার করে দেখতে আসে। হয়তো এ আশায় আবার আমার পেটে তার গাল ঠেসে ধরতে পারবে। কিন্তু আমি তাকে সে সুযোগ আর দিলাম না।

    .

    বত্রিশ

    তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে, এলিজাবেথ।’

    আমি এবং ক্যাথেরিন কোয়েন্টিস স্লিপের বাড়িতে দাঁড়িয়ে আছি। হালকা বৃষ্টি পড়ছে, বৃষ্টিতে নরম হয়ে যাচ্ছে কিছুক্ষণ আগে ঝরে পড়া তুষার।

    ‘সারপ্রাইজ?’

    দরজা খুলে গেল। প্রবেশ কক্ষের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আছে টেলর দম্পতি।

    মি. টেলর বলল, ‘ওয়েলকাম হোম, মিস এলিজাবেথ।’ তার এবং তার স্ত্রী দু’জনের মধ্যে মিশ্র অনুভূতি: ভয় এবং কৌতূহলের মিশ্রণ।

    আমি হেসে ওদেরকে পাশ কাটালাম। চলে গেলাম ফুল লেংথ আয়নাটির দিকে। ওটি হল ক্লজিট ডোরের সঙ্গে লাগানো। বাড়ি ফিরে বেশ ভাল লাগছে আমার।

    একটি কণ্ঠ শুনতে পেলাম তবে চিনতে পারলাম না। ‘হ্যালো, এলিজাবেথ।’ আয়নায় আমার কাঁধের পেছনে দেখতে পাচ্ছি কিথকে। তার কণ্ঠ আগের চেয়ে ভারি এবং দৃঢ় শোনালেও আচার আচরণ বদলেছে সামান্যই। তাকে দেখতে লাগছে সেই লোকটির মত যে মাত্রই নিজের সম্পর্কে অপ্রীতিকর কিছু আবিষ্কার করেছে এবং সেটি কাউকে বলবার জন্য উসখুস করছে মন।’

    ‘হ্যালো, কিথ,’ বললাম আমি, ‘তোমার সঙ্গে একটু পরেই কথা বলব আমি।’

    ক্যাথেরিন আমার হাত ধরে নিয়ে চলল, ‘তোমার সারপ্রাইজটি রয়েছে স্টাডি রুমে,’ বলল সে, ‘তুমি একা যাও।’

    আমি স্টাডির দিকে পা বাড়ালাম। দরজা বন্ধ। খোলার আগে এক মুহূর্ত দ্বিধা করলাম। ক্যাথেরিনের মত তার সারপ্রাইজটি আমাকেও আনন্দ দেবে কিনা বুঝতে পারছি না। হাতল ঘুরিয়ে খুলে ফেললাম দরজা।

    ঘরের মাঝখানে বসে আছে মিস বার্টন। সে আমার দিকে তাকিয়ে তার ডান হাতখানা উঁচু করল, তারপর ধীরে ধীরে খুলল মুঠো। হাতের তালুতে সেই লকেটটি যেটি সে আমার কাছ থেকে নিয়ে গিয়েছিল।

    ‘আমি তোমাকে এটা ফেরত দিতে এসেছি,’ বলল সে।

    ‘কেন?’

    ‘কারণ আমার শান্তি লাগছিল না।’

    ‘তুমি সবসময়ই অসুখী ছিলে,’ বললাম আমি।

    ‘সবসময় নয়,’ সে লকেটটি আমার দিকে বাড়িয়ে ধরল। ‘তুমি এটা নেবে?’

    ‘আমাকে পরিয়ে দাও,’ বলে গায়ের কোট খুলে ফেললাম, ওর দিকে পেছন ফিরলাম। মিস বার্টন আমার পেছনে যদিও আমার সামনের আয়নায় তার কোন প্রতিফলন নেই। তার গরম নিঃশ্বাস পড়ছে আমার ঘাড়ে, তার হাত কাঁপছে। লকেটের ক্ল্যাসপ লাগানোর সময় সে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল। আমি তার ফোঁপানি অগ্রাহ্য করলাম। আমি আরেকটি আবছা শব্দ শুনছি উৎকর্ণ হয়ে। ওটা একটা ফিসফিস:

    ‘আমার খরগোশ, আমার মিষ্টি।’

    ক্রমে ফ্রান্সিসের অবয়ব ফুটতে লাগল আয়নায়। তাকে এত সুন্দরী আর কোনদিন লাগেনি।

    ‘আমাকে ছেড়ে আর কখনো যাবে না,’ বললাম আমি।

    ‘না, সোনা, যাব না। আমরা এখন নিরাপদ।’

    আমরা একে অন্যের দিকে তাকিয়ে অনেকক্ষণ হাসাহাসি করলাম। শেষে ফ্রান্সিস বলল, ‘আমি আবার ফিরে আসব। তুমি এখন ওটার সঙ্গে কথা বলতে পার,’ তার ছবি মুছে গেল, আমি আবার যেন ফিরে পেলাম সংবিৎ। মিস বার্টনের ফোঁপানির প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠলাম। তাকে ধরে সোফায় বসিয়ে দিলাম। ওর কান্না বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বসে রইলাম চুপচাপ।

    ‘এখন কী?’ জিজ্ঞেস করলাম আমি তাকে।

    ‘আমি কি তোমার সঙ্গে থাকতে পারি? তোমার সন্তানের দেখভাল করব।’

    ‘তুমি আমার কাছ থেকে সম্মতি না পাওয়াতক এসব কথা বলে লাভ নেই।’

    ‘তুমি আমার অনুমতি পেয়ে গেছ, এলিজাবেথ। আমি এখন তোমারটা চাই। আমি তোমার বোন হতে চাই। তোমার সাহায্যকারী।’

    ‘তাহলে তুমি তোমার উত্তরাধিকারকে মেনে নিতে রাজি আছ?’

    ‘সে আমি আগেই সেরে ফেলেছি।’

    ‘তোমার কি ধারণা আমি শয়তান?’

    ‘তা কেন হবে। আমরা তো বড়জোর একটা শক্তি। যেমন জেমসের একটি শক্তি ছিল। তারটা ছিল ন্যাচারাল পাওয়ার, কিন্তু আমাদেরটা সুপারন্যাচারাল। আমরা অন্য কারো চেয়ে কমবেশি শয়তান নই। আমরা মানুষ মাত্র।’

    ভান করলাম মিস বার্টনের কথা শুনে বেশ প্রীত হয়েছি। তার মন চাইলে আমাদের শক্তিটাকে সাধারণ মানুষের মত ভাবতে পারে। এটা হাস্যকর। তবে ওর এ কথায় কোন হুমকির আভাস নেই।

    মিস বার্টন যা বলছে আমি দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর চেষ্টা করলাম। কেন সে এ বাড়িতে ফিরে এল?

    হয়তো সে আমার প্রেমে পড়েছে। হয়তো সে ভাবছে আমার সন্তান তার সন্তান না হওয়ার বেদনা ভুলিয়ে দেবে। অবশ্য সে কী ভাবল না ভাবল আমার কিছু আসে যায় না। আমি চাই আমাদের বাড়িটি সুখে শান্তিতে ভরে থাকুক। এ ব্যাপারে যদি মহিলা সাহায্য করতে চায়, করবে।

    .

    তেত্রিশ

    এখন আমি প্রতি রাতে আমার ফুলো পেটে হাত রেখে শুয়ে থাকি, ফ্রান্সিসের শেখানো সুরটা গুনগুনিয়ে ভাবি। বাড়ির এখন সমস্ত কর্মকাণ্ড আমাকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে। বরং আরও পরিষ্কার করে বলা যায়, সকল আয়োজন হচ্ছে আমার ভেতরে যে জীবনটি তৈরি হচ্ছে তাকে ঘিরে।

    তবে আমি বিচলিত হয়ে আছি। কারণ আমি মনে করি ফ্রান্সিসই একমাত্র নারী যে বুঝতে পেরেছে এ শিশুটি আমার ভেতরের শক্তির একটি প্রতীক মাত্র। যদি কোন সন্তান না হত তাহলে হয়তো আমাকে ওরা বেশি বুঝতে পারত।

    আপনারা কি আমাকে বুঝতে পারেননি, পেরেছেন তাই না? আমি জানি পেরেছেন। এজন্যেই আমার গল্পটি আপনাদেরকে শোনালাম। আমি কল্পনায় আপনাকে দেখছি। আপনার বগল কামানো, আপনার দাঁতগুলো সাদা। মাঝে মাঝে আপনি যখন একা বাড়িতে থাকেন, গোধূলী লগ্নে নদী তীরে গাড়ি নিয়ে যান, তখন আপনি ব্যাকসিটে একবার দৃষ্টি নিক্ষেপ করেন। আশা করেন এমন কাউকে দেখতে পাবেন যে আপনার অফিস কিংবা ডিনার টেবিল থেকে আলাদা।

    আপনারা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন আমি কেন রাত দুপুরে ঘুম থেকে জেগে গিয়ে আয়নার কাছে যাই এবং বলি, ‘ফ্রান্সিস, একবার শিশুহত্যার অভিযোগ তোমার বিরুদ্ধে আনা হয়েছিল, তাই না?’

    এবং আপনারা নিশ্চয় এ-ও বুঝতে পারবেন আমার কথার জবাবে ফ্রান্সিস কেন আমার দিকে তাকিয়ে হাসল।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচণ্ডরাজার বলি – সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    Next Article তিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }