Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাতালঘরের পিশাচ – অনীশ দাস অপু

    অনীশ দাস অপু এক পাতা গল্প404 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভূতের উকিল – অনীশ দাস অপু

    ভূতের উকিল

    ভোঁতা রিঙের শব্দ শুনেই কামবারটন বুঝতে পারলেন দুটো টেলিফোনের কোটি তাঁকে তুলতে হবে। তবু ইতস্তত করছেন তিনি। এই গোপন ফোন নম্বরে এত রাতে কে তাঁকে ফোন করল?

    তাঁর মাত্র ছয়জন আণ্ডারওয়ার্ল্ড মক্কেল এ নম্বরটি জানে। এ ভদ্রলোকদের দু’জন এদেশে নেই, দু’জন আছে ইউরোপে, আরেকজন কারাগারে। ষষ্ঠজন বার্ক হটিন। কিন্তু-বার্ক হটিন মারা গেছে।

    আবার বাজল ফোন। কামবারটন তাঁর মোটা হাতখানা বাড়িয়ে দিয়ে তুলে নিলেন রিসিভার। কানে লাগালেন। তবে বললেন না কিছুই। এ নম্বরের লাইনে তিনি কখনো আগে কথা বলেন না। নম্বরটি যে জানে সে নিশ্চয়ই এও জানে আগে কোড ওয়ার্ডটি বলতে হবে, তারপর সাড়া দেবে কামবারটন।

    শব্দটি উচ্চারণ করা হলো: ‘রেফারেন্স রুম।’ গলার স্বর নিচু এবং অপরিচিত।

    ‘কে আপনি?’· রুক্ষ, ঘষা গলায় বলে উঠলেন কামবারটন। তাঁর গোলাকার, পাণ্ডুর বদনখানা নির্বিকার, চর্বিঘেরা কুঁতকুঁতে চোখে জমে আছে রাজ্যের সন্দেহ।

    ‘হটিনের এক বন্ধু,’ অচেনা লোকটি জবাব দিল ফিসফিসে সুরে। ‘সে আমাকে এ নম্বরটি দিয়েছে। বলেছে কোন বিপদে পড়লে আপনাকে যেন ফোন করি।’

    ‘কী নাম আপনার?’

    ‘স্মিথ। জন স্মি—’

    ‘এ নামের কাউকে আমি চিনি না,’ বললেন কামবারটন।

    “দাঁড়ান, দাঁড়ান। আমাকে দেখলেই চিনতে পারবেন।’

    ‘আপনার সঙ্গে আমার দেখা হবে কেন?’

    ‘কারণ আইনী পরামর্শের জন্য আমি প্রচুর পয়সা দিতে প্রস্তুত। আপনি কি একা আছেন?’

    ‘আছি।’ কামবারটন উদাস গলায় জবাব দিলেন। যদিও তাঁর শুয়োরের মত চোখে ফুটে ওঠা লোভ প্রকাশ পেল না কণ্ঠস্বরে। ‘আমার ডেরা চেনেন?’

    ‘চিনি। হটিন আপনার সম্পর্কে সব বলেছে। আমি দশ মিনিটের মধ্যে আসছি।’

    ক্রিমিনাল ল-ইয়ার হোরেস এল. কামবারটন ফোন নামিয়ে রেখে হেলান দিলেন চেয়ারে। মনোযোগ ফেরালেন খবরের কাগজে। ফোন বেজে ওঠার আগে কাগজ পড়ছিলেন তিনি। কাগজে লিখেছে আজ সকালে শিকাগোর শহরতলী উইলো রিজের ফার্স্ট ইণ্ডাস্ট্রিয়াল ব্যাঙ্কে ডাকাতি করতে গিয়ে বার্ক হটিন এবং তার দুই সঙ্গী পুলিশের গুলিতে মারা গিয়েছে। হটিনের লাশ সনাক্ত করেছে পুলিশ। অপর দু’জন স্রেফ সাধারণ ভাড়াটে গুণ্ডা বলে তাদের ধারণা। তবে এ দু’জনের নাম-পরিচয় এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি।

    খবরটি পড়ে কামবারটনের একটু খারাপ লাগল শুধুমাত্র অর্থনৈতিক দিকটির কথা চিন্তা করে। হটিন তার শাঁসালো একজন মক্কেল ছিল, ভালই টাকা-পয়সা দিত। যদিও গত এক বছর ধরে হটিন তাঁর কাছ থেকে কোন আইনী পরামর্শ নেয়নি, তবু কামবারটনের একটা বাঁধা মাসোহারা পাঠিয়ে দিতে ভুল করেনি।

    হয়তো, ভাবছেন আইনজীবীটি, এইমাত্র ফোন করল যে লোকটি, সে মৃত মানুষটার জায়গা দখল করতেও পারে। টাকা-পয়সা আয়ের একটা সূত্র হয়ে উঠতে পারে আগন্তুক। তবে একে যেহেতু চেনেন না কামবারটন, কাজেই সাবধানের মার নেই ভেবে তাঁর প্রস্তুত থাকা উচিত।

    .

    লাইব্রেরি টেবিল থেকে গুলি ভরা একটি রিভলভার বের করে তিনি ডান কোটের পকেটে রাখলেন। তারপর শোবার ঘরে গিয়ে ব্যুরোর টপ ড্রয়ারটি খুললেন। ওখান থেকে আরেকটি গুলি ভরা রিভলভার নিয়ে বাম কোটের পকেটে ঢোকালেন।

    .

    ক্লার্ক স্ট্রিটের পুবে, ডাইভারসে পার্কওয়ের আকাশছোঁয়া আভর আর্মস হোটেলের দুই কক্ষ বিশিষ্ট রুমে তিনি অধৈর্য ভঙ্গিতে হাঁটাহাঁটি করতে লাগলেন। এ হোটেলে যতরাজ্যের মতলববাজ উকিল, বেআইনী কারবারী এবং ধোপদুরস্ত পোশাকে সজ্জিত গুণ্ডাপাণ্ডাদের বাস। এমনিতে এ ধরনের পরিবেশে তিনি বেশ স্বচ্ছন্দবোধই করেন, তবে আজ রাতে কেন জানি তাঁর অস্বস্তি হচ্ছে। এর আগে কখনো তাঁর মনে এভাবে কুডাক ডাকেনি। তিনি তাঁর নিশাচর অতিথির জন্য অপেক্ষা করছেন, তবে মনে আশঙ্কা জাগছে কিছু একটা ভজকট হতে চলেছে।

    নিজে গিয়ে দরজা খুলে আগন্তুকের কয়েক ইঞ্চি সামনে গিয়ে দাঁড়ানোর ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকতে তিনি দরজার ছিটকিনি নামিয়ে খাড়া পিঠের চেয়ারটিতে গিয়ে বসলেন প্রবেশপথের মুখোমুখি হয়ে। তাঁর দুটি হাতই পকেটে ঢোকানো, চেপে ধরে আছেন আগ্নেয়াস্ত্র।

    ‘এখন,’ মনে-মনে বললেন তিনি, ‘তোমার চেহারাসুরত যদি আমার পছন্দ না হয়, মি. স্মিথ, সে তুমি যে-ই হও না কেন, তোমাকে চলে যেতে বাধ্য করব। হোরেসের চেয়ে কেউ দ্রুত অস্ত্র চালাতে পারে না।’

    .

    দরজায় টোকা মারার শব্দটি হলো অত্যন্ত আস্তে, প্ৰায় নিঃশব্দে। তবে সাড়া মিলল সজোরে।

    ‘ভেতরে আসুন!’ হাঁক ছাড়লেন কামবারটন।

    নীরবে খুলে গেল দরজা। টাইট জ্যাকেট পরা চওড়া কাঁধের, পেশীবহুল শরীরের লোকটি ঘরে ঢুকে বন্ধ করে দিল কপাট। তার ডান হাতখানা পকেটে ঢোকানো থাকল যেন সে নিজেও বহন করছে অস্ত্র। অপর হাতে সামার ফেল্ট হ্যাটের কিনারা স্পর্শ করল।

    ‘ডারনাক!’ চেঁচিয়ে উঠলেন কামবারটন। এক লাফে উঠে দাঁড়িয়েছেন। এ লোককে চিনতে না পারার প্রশ্নই নেই। প্রায় প্রতিটি দৈনিকের পাতায় ছাপা হয়েছে এর ছবি। এর পুরো নাম অ্যান্টন (টনি) ডারনাক, আমেরিকার এক নম্বর গণশত্রু হিসেবে সে পরিচিত।

    ‘তাহলে চিনতে পেরেছেন আমাকে, ঘোঁতঘোঁত করল আগন্তুক। ‘এবং আপনি জানেন আমার চামড়ার মূল্য ধরা হয়েছে পঁচিশ হাজার ডলার। তবে-’ তার পকেটে ঢোকানো হাতটি সামান্য নড়ে উঠল-’ভাববেন না যে আপনি টাকাটা সংগ্রহ করতে পারবেন। তাছাড়া আমি টাকার অঙ্কটা দ্বিগুণ করে দিতে পারি-যদি আপনি আমার পক্ষ হয়ে কাজ করেন।’

    কামবারটনের মোটা, লোভী মুখখানা ভেংচি কাটল যেটিকে তিনি আন্তরিক হাসি বলে বিবেচনা করেন। ‘এসো, বন্ধু হই।’ বলে হাত বাড়িয়ে দিলেন।

    হাতুড়ির মত মুঠোয় আইনজীবীর মোটা-মোটা আঙুলগুলো চেপে ধরে ঠোঁটের কিনারায় মৃদু হাসি ফোটাল ডারনাক। ‘ঠিক আছে। এখন থেকে আপনি আমার মুখপাত্র এবং আশা করি দায়িত্বটি ভালভাবেই পালন করবেন। সেটাই আমার দরকার।’

    ‘তোমার নিশ্চয়ই তেষ্টা পেয়েছে। এসো, ড্রিঙ্ক করো, মাই বয়।’

    দু’জনে মুখোমুখি বসে কথা বলতে লাগলেন। আসলে কথা বলল ডারনাক, চুপচাপ শুনে গেলেন কামবারটন এবং অতিথিকে ম্যাগাজিন টেবিলের ওপর রাখা হুইস্কির বোতল থেকে মদ ঢেলে দিতে-দিতে লক্ষ করতে লাগলেন। সেই সঙ্গে সহানুভূতির ভঙ্গিতে মাথা ঝাঁকিয়ে গেলেন।

    ডারনাক তার বোঝা হালকা করতে আইনজীবীকে অকপটে সব কথা বলতে লাগল। খুব কঠিন স্বভাবের মানুষ বলে খ্যাতি থাকলেও এ মুহূর্তে তাকে বেশ ভয়ার্ত লাগছিল। মনের শান্তি বিনষ্ট হয়ে যাওয়ার মত অনেক কুকাজ সে করেছে। সারাক্ষণ পিস্তল আর বন্দুকের মাঝে যার বাস সে নিজেই আগ্নেয়াস্ত্রের কারণে মৃত্যুভয়ে ভীত। সবাই তার বিরুদ্ধে চলে গেছে। সে গ্লাসে আরেকটি ড্রিঙ্ক ঢেলে নিয়ে বলল:

    ‘মাস ছয় আগে মিনিয়াপলিসে হটিনের সঙ্গে আমার পরিচয়। সে আমার দলে যোগ দিয়েছিল এবং আমরা একসঙ্গে অনেক কাজ করেছি। সেন্ট লুই-এ ডাকাতি করেছি। তবে শেষের কাজটিতে ঝামেলা হয়ে যায়। আমার দলের তিনজন মারা যায়।

    ‘আমি ঘটনাটি কাগজে পড়েছি,’ মন্তব্য করলেন কামবারটন। ‘তবে জানতাম না হটিন ওটার সঙ্গে জড়িত ছিল-কিংবা তুমি।’

    ‘এখন পর্যন্ত কেউ ব্যাপারটা জানে না। আজ সকালে হটিনসহ দু’জন মারা গেছে। দস্যু সর্দার ঠোঁট ভেজাল জিভ দিয়ে। ‘আমিও প্রায় ধরা পড়তে যাচ্ছিলাম-তবে সতর্কতার কারণে বেঁচে গেছি। তাছাড়া, এক লাখ ডলার নিয়ে কেটে পড়ার সুযোগ পেলে ভাগব না কেন? এর মধ্যে হটিনেরও ভাগ ছিল। কিন্তু সে মারা গেছে এবং দলের বাকিরা, যারা মারা যায়নি, তারা জেলে। কাজেই এ টাকার ভাগ আমার আর কাউকে দিতে হচ্ছে না-শুধু আপনি ছাড়া। আমাকে দেশ ত্যাগে সাহায্য করতে আপনাকে কত দিতে হবে?’

    .

    শূকরতুল্য চোখ দুটো সরু করে অতিথির দিকে তাকালেন কামবারটন। সত্যি এ ডাকাতটা এত টাকা ডাকাতি করেছে? নিজের চামড়া বাঁচাতে সে ওই টাকার তিন ভাগের এক ভাগ সত্যি খরচ করবে? আইনজীবীর দৃঢ় ধারণা দুটি প্রশ্নের জবাবই হবে ইতিবাচক।

    ‘কাজটা কঠিন হবে,’ বললেন তিনি। ‘তুমি যে মহিলাকে ছ্যাঁকা দিয়ে চলে গিয়েছিলে, সে তোমার ছবি পুলিশকে দিয়েছে এবং তোমার সেই খোমা হামেশাই পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে এবং তোমাকে এখন লোকে বেবি রুথের মতই চেনে। প্রতিটি পুলিশ চিফের অফিসে তোমার চেহারার বর্ণনা দেয়া আছে, প্রতিটি গোয়েন্দা অফিস এবং ডাকঘরে তোমার ছবি ঝুলছে।’

    ‘জানি আমি। এমনকী আমার মত দেখতে লোকজন ও গ্রেপ্তার হয়ে যাচ্ছে, গুলি খাচ্ছে!’ চেঁচিয়ে উঠল ডারনাক। ‘কিন্তু আমার পালাবার সুযোগ আছে কি নেই?’

    ‘আছে,’ বললেন কামবারটন, তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে লক্ষ করছেন তাঁর মক্কেলকে। ‘কিন্তু বললামই তো কাজটা কঠিন-এবং ব্যয়বহুল। বেশ খরচা হবে তোমার। সবার আগে আমার একজনকে ভাড়া করতে হবে যে তোমার সুপরিচিত চেহারাটির ওপর ছুরি-কাঁচি চালাবে। প্লাস্টিক সার্জারির পরে যে রাস্তা দিয়ে তোমায় পাঠাব সেজন্যও আলাদা খরচ রয়েছে–’

    ‘দুত্তোর!’ চেঁচাল ডারনাক। ‘আপনি ভাবছেন আমি বোধহয় খরচ দিতে পারব না-এই রাখুন টোকেন মানি হিসেবে পঁচিশ হাজার ডলার।’ সে ব্রেস্ট পকেটে হাত ঢুকিয়ে নোটের একটি তাড়া বের করে উকিলের কোলে ছুঁড়ে মারল। ‘আর মনে রাখবেন আরও একশ’ হাজার ডলারেরও বেশি আছে আমার কাছে।-এখান থেকে কয়েক ব্লক দূরে আইডিয়াল শূ রিপেয়ার শপ-এর মেঝের নিচে টাকাটা রাখা আছে।’ বলেই থতমত খেয়ে গেল সে। আরেক ঢোক হুইস্কি গিলে নিয়ে গমগম করে বলল, ‘হ্যাঁ, আমি আইডিয়াল শূ রিপেয়ার শপের মালিক। বুড়ো মুচিটাকে সবাই মালিক ভাবলেও আসলে ও আমার কর্মচারী মাত্র। সে জেলখানায় বসে জুতো সেলাইয়ের কাজ শিখেছে।’

    ‘সে কি জানে টাকাটা ওখানে আছে?’

    ‘হা-হা! প্রশ্নই ওঠে না! বুড়ো ফ্রেড মিলার ভোঁতা বুদ্ধির লোক। সে আমার কাজের গুরুত্বপূর্ণ কোন ব্যাপারেই খোঁজখবর রাখে না। শুধু জানে মাঝেমধ্যে আমি হটিন আর -ছেলেদের সঙ্গে দোকানের পেছনের ঘরে বসে ব্যবসায়িক আলাপ করি। ওই সময় মিলারকে আমি মদের দোকানে পাঠিয়ে দিতাম মদ খেতে। বাকি সময়টা সে ওখানেই ঘুমায়। আজ রাতে অবশ্য ওকে বাইরে যেতে বলেছি। ভেবেছি আপনি আর আমি দোকানে বসে মিটিং করব।’

    ক্রিমিনাল ল-ইয়ারের লোভী চোখ নোটের তাড়া ছুঁয়ে চলে গেল ডারনাকের দিকে। ঝড়ো গতিতে চিন্তা করছেন। তাঁর মক্কেলকে আমেরিকা থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কতটুকু যদি কোথাও কোন ঝামেলা হয়ে যায়? ধরা খেলে বার অ্যাসোসিয়েশন থেকে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হয়ে যেতে পারে, তিনি আর ওকালতি করতে পারবেন না। আর জেলে যাওয়ার সম্ভাবনা তো রয়েইছে। সমস্যার কথা ভেবে তাঁর গোল, নির্বিকার চেহারায় ভাঁজ পড়ল।

    তবে বিদ্যুদ্‌গতিতে এর সমাধানও তাঁর মাথায় চলে এল। তিনি আড়চোখে ডারনাককে দেখলেন। তাঁর চাউনিতে এমন অশুভ কিছু ছিল যে রীতিমত চমকে গিয়ে ডারনাক তার আগ্নেয়াস্ত্রের জন্য পকেটে হাত ঢোকাল। কিন্তু আইনজীবীটি, বেঢপ মোটা এবং থলথলে হওয়া সত্ত্বেও, অবিশ্বাস্য দ্রুত তাঁর গতি, অপরজন লক্ষ্য স্থির করার আগেই পকেট থেকে অস্ত্র বের করে টিপে দিলেন ট্রিগার।

    এক নম্বর গণশত্রুটি কপালের মাঝখানে বুলেট নিয়ে গড়িয়ে পড়ল চেয়ার থেকে।

    বাতাসে বারুদের গন্ধ, তৃপ্তির সঙ্গে গভীর শ্বাস নিলেন কামবারটন, সন্তুষ্ট চোখে দেখছেন তাঁর ভিক্টিমের প্রাণহীন দেহ পড়ে রয়েছে মেঝেতে, হাতে অস্ত্র। এতে আত্মরক্ষার গল্পটিকে আরও নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করা যাবে। তিনি চেয়ার ছাড়লেন, নোটের তাড়াটি দ্রুত দেয়াল আলমারিতে রেখে দিলেন, ঘরের দরজা খোলাই থাকল, হুইস্কি এবং গ্লাস সরিয়ে ফেলে হাত বাড়িয়ে তুলে নিলেন টেলিফোন-এটি হোটেলের সুইচবোর্ডের সঙ্গে সংযুক্ত।

    ‘পুলিশ পাঠান,’ শান্ত গলায় বললেন তিনি। ‘আমি এইমাত্র একটা চোরকে গুলি করেছি। তাকে দেখতে টনি ডারনাকের মত।’

    .

    পুলিশ কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং হোটেলের লোকজন সবাই কামবারটনের সুইটে ভিড় করল তাঁর রোমাঞ্চকর বর্ণনা শুনতে, যে তিনি হাঁটাহাঁটি করে হোটেলে ফেরার পরে কীভাবে ডারনাককে হাতেনাতে ধরে ফেলেন; সে দেয়াল আলমারি ভেঙে টাকা-পয়সা হাতানোর চেষ্টাকালে।

    ‘সে আমার দিকে ছুটে আসে, বুক বরাবর উঁচিয়ে ধরে পিস্তল। তবে তার আগেই আমি টিপে দিই ট্রিগার।’

    ‘ওকে আগে কখনো দেখেছেন?’ জিজ্ঞেস করল একজন পুলিশ সার্জেন্ট।

    ‘কখনো না। খবরের কাগজে শুধু ছবি দেখেছিলাম। তা থেকেই অনুমান করি সে কে।’

    ‘ওয়াও, মি. কামবারটন,’ বিড়বিড় করে বলল একজন সাংবাদিক। ‘আপনি পঁচিশ হাজার ডলার পুরস্কার পাবেন!

    ‘তা হয়তো পাব। তবে পুরস্কারের কথা আমার মাথায় ছিল না। আমি শুধু আত্মরক্ষা করতে চেয়েছি। যদিও এক বিপজ্জনক খুনের হাত থেকে সমাজকে রক্ষার জন্য আমি পুরস্কার পাবার যোগ্যতা অর্জন করতেই পারি।’

    নিজের ওপর বেজায় খুশি আইনজীবীটি এরপর খবরের কাগজের জন্য অসংখ্য ছবির পোজ দিলেন। হাতে রিভলভার নিয়ে ক্যামেরায় তাকিয়ে পোজ মারলেন, দেয়াল আলমারির দিকে আঙুল নির্দেশ করা অবস্থায় ছবি তুললেন, সার্জেন্টের সঙ্গে হাত মেলানোর ফটো তোলা হলো, হোটেল ম্যানেজারের সঙ্গে হ্যাণ্ডশেকের ছবি তুললেন, ছবি তোলা হলো হোটেলের ছোকরা চাকর, আয়া সহ প্রায় সবার সঙ্গেই, শুধু তাঁর মৃত ভিক্টিম ছাড়া। ক্যামেরাম্যানরা তাঁকে অনুরোধ করেছিল দস্যু সর্দারের লাশের বুকের ওপর এক পা রেখে ব্যাঘ্র শিকারীর মত পোজ মেরে ছবি তুলতে। কিন্তু রাজি হলেন না আইনজীবী। বললেন এতে তাঁর সম্মান ভূলুণ্ঠিত হবে।

    ভোর হতে তখনো ঘণ্টাখানেক বাকি, তারপর ছাড়া পেলেন কামবারটন। সবাই চলে গেলে তিনি তাড়াতাড়ি টেলিফোন ডাইরেক্টরির পাতা ওল্টাতে লাগলেন। খুঁজছেন আইডিয়াল শূ রিপেয়ার শপের ঠিকানা। পেয়েও গেলেন। ৬৯২ এলওয়েল কোর্ট। মাত্র চার ব্লক দূরে। তিনি পকেটে পোরা রিভলভারে একবার চাপড় মেরে, ব্যুরোর দেরাজ খুলে একটি ইলেকট্রিক টর্চ নিয়ে, মাথায় হ্যাট চাপিয়ে হোটেলের পেছনের সিঁড়ি বেয়ে নেমে গেলেন রাস্তায়।

    .

    ক্লার্ক অ্যাণ্ড ব্রডওয়ের আলোকিত মোড় থেকে অল্প কয়েক ব্লক দূরে হলেও এলওয়েল কোর্ট কতগুলো নোংরা, ভাঙা এবং জীর্ণ কুটির নিয়ে গড়ে ওঠা একটা ঘিঞ্জি গলি। এর মধ্যে একেবারেই ভগ্নদশার দোকানটি হলো ৬৯২ নং যার সামনের দরজায় কাচের ওপর আঁকাবাঁকা হস্তাক্ষরে লেখা: ‘এখানে জুতো মেরামত করা হয়। এরকম একটি জায়গায় এক লাখ ডলার লুকিয়ে রাখা হয়েছে তা কল্পনা করাও শক্ত। তবে কামবারটন নিশ্চিত তিনি টাকাটা এখানে পাবেন। তিনি ডারনাককে দেখেই বুঝতে পেরেছিলেন লোকটা স্থূলবুদ্ধির। বোকাটা এমনকী দরজায় আধুনিক এবং শক্ত কোন তালা পর্যন্ত লাগায়নি। স্কেলিটন কী দিয়ে তিনি সহজেই খুলে ফেললেন তালা!

    ভেতরে ঢুকে লক্ষ করলেন দূরের রাস্তার বাতির আলো দোকানের সামনের ধুলোমাখা কাচের জানালা দিয়ে প্রবেশ করছে। ভৌতিক এবং আবছা। তবে এ আলোতেও দোকানের ভেতরের যন্ত্রপাতি, আসবাবের কাঠামো দেখা যাচ্ছিল। আলো পড়ে ঘরে ভুতুড়ে ছায়া ফেলেছে ওগুলো। তিনি সামনে পা বাড়ালেন। অন্ধকারে তাঁর থুতনি কীসের সঙ্গে যেন ধাক্কা খেল আর ওটা লাফিয়ে উঠে হিসহিস শব্দ করল। দুটো হলুদ চোখ হিংস্র আক্রোশে তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকল। তিনি টর্চের আলো মারলেন বিড়ালটার গায়ে। দাঁতে দাঁত চেপে একটা গালি দিলেন। আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে যেতে পিছু হঠল জন্তুটা। তিনি টর্চের আলো ঘুরিয়ে দেখলেন ঘরের চারপাশ।

    দোকানের পেছন দিকে একটি দরজা আছে। কামবারটন ওদিকে একবার তাকিয়ে নিভিয়ে দিলেন টর্চ। ডারনাক বলেছিল বুড়ো মিলার দোকানের পেছনের ঘরে ঘুমায়। সে যদি ফিরে এসে থাকে? এই ভয়ে টর্চ নিভিয়েছেন তিনি। সিদ্ধান্ত নিলেন লুঠের মাল খোঁজার আগে একবার পেছনের ঘরটা দেখে নেবেন।

    পা টিপে-টিপে এগোলেন তিনি। হাত রাখলেন দরজার হাতলে। ওটা ধরে নিঃশব্দে এবং ধীরে মোচড় দিতে যেতেই অদ্ভুত একটা ভয় পেয়ে বসল তাঁকে। বিষয়টি অস্বাভাবিক; তিনি বিশ্বের সবচেয়ে সাহসী মানুষটি হতে না পারেন, তাই বলে আঁধারে বিড়ালের জ্বলজ্বলে চোখ দেখে ভয় খাওয়ার মত লোক মোটেই নন। আতঙ্কের কারণ অন্য কিছু যেটি তিনি বুঝতে পারছেন না। আর এ কারণে তাঁর নিজের ওপরেই খুব রাগ হলো।

    সাবধানতা অবলম্বনের গুষ্টি কিলিয়ে তিনি ধাক্কা মেরে খুলে ফেললেন দরজা। সঙ্গে-সঙ্গে হিমঠাণ্ডা একটা বাতাস তাঁকে ঝাপটা মারল। এমন কনকনে হাওয়া যে রীতিমত শীত লাগল। জুলাইয়ের এমন উত্তপ্ত রাতে এরকম বরফ শীতল বাতাসের প্রবাহ খুব একটা স্বাভাবিক বলা যাবে না। মাংসল দেহে জেগে ওঠা শিরশিরানির ভাবটি দমন করতে আইনজীবীকে নিজের সমস্ত ইচ্ছাশক্তি প্রয়োগ করতে হলো। তারপর তিনি ঘরের দিকে তাকাতে পারলেন। এখানে আলোর পরিমাণ একটু বেশি মনে হলো। এ আলোর উৎস পাশের বাড়ির পেছনের বারান্দায় জ্বলতে থাকা বৈদ্যুতিক আলো। ওখান থেকে আলো ঢুকছে দোকানের জানালা দিয়ে।

    কামবারটন নার্ভাস ভঙ্গিতে ঘরের চারপাশ জরিপ করছিলেন, তাঁর চাউনি নিবদ্ধ হলো ঘরের অন্ধকারতম কোনায় একটি বস্তুর ওপর। মনে হচ্ছে কেউ একজন শুয়ে আছে খাটিয়ায়। তাহলে বুড়ো মুচি মিলার মাতাল হয়ে ফিরে এসে এখানে ঘুম দিয়েছে। তবে কামবারটনের নাকে যে গন্ধটি ধাক্কা মারছে সেটি মদের গন্ধ নয়। কেমন চেনা গন্ধ যেটি এ ভাঙাচোরা দোকানের সঙ্গে যায় না। জোরে নাক টানলেন তিনি এবং একই সঙ্গে তাঁর হাত খামচে ধরল পকেটের রিভলভার। তিনি অর্ধশায়িত মূর্তিটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, মাঝপথে দাঁড়িয়ে পড়লেন। বরফের মত জমে গেছেন। ভয়ে বিস্ফারিত চোখ।

    খাটিয়ায় শোয়া মূর্তিটি উঠে বসেছে-আর ওটা কোন বুড়ো মানুষ নয়। ওখানে দেখা যাচ্ছে চওড়া কাঁধের বিশালদেহী টনি ডারনাককে। আমেরিকার এক নম্বর গণশত্রু। টনি ডারনাক, যার লাশ এ মুহূর্তে শহরের মর্গের স্ল্যাবে শোয়ানো রয়েছে, সে এখন উঠে বসছে! মুখটা দিয়ে সবুজ একটা আভা বেরুচ্ছে। তাতে তাকে আরও ভয়ঙ্কর লাগছে দেখতে। লোকটার কপালে বুলেটের গর্ত। আর এতক্ষণ কামবারটন যে গন্ধটা পাচ্ছিলেন সেটা কীসের গন্ধ এখন বুঝতে পারছেন। বারুদের গন্ধ!

    তাঁর গোল মুখটা বিবর্ণ এবং ফ্যাকাসে হয়ে গেল। মাংসল, ফুলো-ফুলো অক্ষিকোটর থেকে চোখ জোড়া ঠিকরে বেরিয়ে আসার দাখিল। তিনি ঠোঁট নাড়লেন তবে কোন শব্দ বেরুল না মুখ থেকে।

    ‘তুমি!’ অবশেষে ব্যাঙের কর্কশ ডাক তুলল তাঁর কণ্ঠ; ‘তুমি—ডারনাক, তোমাকে আমি একবার খুন করেছি এবং আবারও করব।’

    অশরীরীর দিকে পিস্তল তাক করলেন কামবারটন। বারবার গুলির আওয়াজে কুটির যেন কেঁপে-কেঁপে উঠল। গুলিগুলো মূর্তিটার শরীর ভেদ করে চলে যাচ্ছে। ওটা ধীরে সুস্থে খাটিয়া থেকে নেমে পায়ে-পায়ে এগিয়ে আসতে লাগল আইনজীবীর দিকে। গুলি করতে-করতে তিনি পিছিয়ে যেতে লাগলেন। ঘুরে দাঁড়াবার চেষ্টা করেও পারছেন না। ঘুরে দাঁড়াতে পারলেই পালিয়ে যাবেন। তাঁর চোখ আঠার মত সেঁটে আছে সামনের মূর্তিটির দিকে। তাঁকে যেন সম্মোহন করা হয়েছে, অদৃশ্য এক জোড়া হাত বেঁধে রেখেছে, পিছু হঠতে-হঠতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেল। কিন্তু অশরীরী আতঙ্ক তাঁর দিকে এগিয়ে আসতেই থাকল।

    .

    ফোঁপাতে-ফোঁপাতে কামবারটন তাঁর অপর আগ্নেয়াস্ত্রটি বের করে সেটির গুলিও শেষ করলেন প্রেতাত্মার গায়ে। খালি হয়ে যাওয়া রিভলভারের ট্রিগারে আপনা-আপনি তাঁর আঙুল বারবার চাপ দিয়ে গেল।

    পুলিশ স্কোয়াড কারের লোকজন এসে তাঁকে এ অবস্থাতেই দেখল। তিনি খালি দুটি রিভলভারের ঘোড়া টিপেই চলেছেন। গুলির শব্দে পড়শীদের ঘুম ভেঙে যায় এবং তারা পুলিশে খবর দিলে টহলদার পুলিশের গাড়ি প্রথম গুলি হওয়ার তিন মিনিটের মাথায় ৬৯২ নং দোকানে হাজির হয়।

    বুড়ো ফ্রেড মিলারের প্রাণহীন লাশ নিথর পড়ে ছিল খাটিয়ায়। আইনজীবীর আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে ঝাঁঝরা দেহ। আর প্রখ্যাত ক্রিমিনাল অ্যাটর্নি হোরেস এল. কামবারটন স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিভলভারের ট্রিগার পাগলের মত টিপেই চলেছিলেন। দেখেই বোঝা যাচ্ছিল তাঁর মাথা খারাপ হয়ে গেছে।

    বুড়ো মুচিকে হত্যার দায়ে কখনো তাঁর বিচার হবে বলে মনে হয় না। কারণ তিনি কী কাণ্ড ঘটিয়েছেন সেটাই জানেন না। পাগল ক্রিমিনালদের পাগলাগারদে তাঁর ঠাঁই হলো। তিনি নিজের প্রকোষ্ঠে হামাগুড়ি দিয়ে বসে বারবার বলতে লাগলেন ৬৯২ নং দোকানের পেছনের ঘরে সেদিন তিনি আর ডারনাক ছাড়া কেউ ছিল না।

    মানসিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া আইনজীবীর সঙ্গে খুব কম মানুষকেই দেখা করতে দেয়া হলো। অবশ্য যারা দেখা করতে গিয়েছিল, জেল কর্তৃপক্ষের মতে,

    মতে, তারা কামবারটনের চেহারায় নগ্ন আতঙ্ক এমন বীভৎসভাবে ফুটে উঠতে দেখেছে যে দ্বিতীয়বার ওদিকে আর তাকানোর সাহস পায়নি। তিনি একটু পরপরই কী যেন দেখে চমকে ওঠেন। ভয়ে আর্তনাদ করেন। তাঁর মস্তিষ্কবিকৃতি এমনই ঘটেছে যে কৃত অপরাধকর্মের জন্য তাঁকে হয়তো কোন শাস্তিই দেয়া হবে না। বাকি জীবনটা হোরেস এল. কামবারটনকে পাগলাগারদেই কাটাতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচণ্ডরাজার বলি – সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    Next Article তিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }