Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পাতালঘরের পিশাচ – অনীশ দাস অপু

    অনীশ দাস অপু এক পাতা গল্প404 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাক্ষস – অনীশ দাস অপু

    রাক্ষস

    অনেক বছর আগে জাপানে একটি বড় সমভূমি ছিল। লোকে বলত ওখানে এক মানুষখেকো রাক্ষস থাকে। ওই সমভূমিতে কেউ গেলে আর ফিরে আসত না। কাছেপিঠের গাঁয়ের মানুষজন ফিসফিসিয়ে নিখোঁজ মানুষগুলোকে নিয়ে ভয়ঙ্কর সব গল্প বলত। বলত রাক্ষসটা পথহারা পথিকদের ভুলিয়ে- ভালিয়ে নিয়ে খেয়ে ফেলে।

    একদিন রাতের বেলা ওয়াতানাবি নামে এক সাহসী নাইট ঘোড়ায় চেপে ওই সমভূমিতে এলেন। তখন ঝড়বাদল শুরু হয়ে গেছে। মুষলধারে ঝরছে বৃষ্টি আর পাহাড়ি নেকড়েদের মত গর্জাচ্ছে বাতাস। দূরে কতগুলো গাছের আড়ালে একটি বাতি জ্বলছে দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন ঝড়ে বিপর্যস্ত নাইট।

    ওখানে রাতের মত আশ্রয় মিলতে পারে ভেবে ওয়াতানাবি আলো লক্ষ্য করে এগিয়ে গেলেন। গিয়ে দেখলেন একটা জরাজীর্ণ ছোট্ট কুটির। কুটিরের বাঁশের বেড়া ভেঙে পড়েছে, ফাঁকা জায়গাটায় গজিয়ে উঠেছে ঘাস আর আগাছা। জানালায় কাগজের পর্দাগুলোয় বড়-বড় ফুটো। খড় দিয়ে ছাওয়া বাড়ির ছাদ হেলে পড়েছে।

    কুটিরের দরজা খোলা। দরজায় টোকা দিলেন নাইট। এক যুবক, পোশাক দেখে মনে হয় চাষাভুষা, ঘরে বসে ভাত খাচ্ছিল। টোকার শব্দে মুখ তুলে তাকাল। নাইটের পোশাক পরা ওয়াতানাবিকে দেখে সে খুব অবাক হয়ে গেল।

    ‘শুভ সন্ধ্যা, স্যর,’ বললেন নাইট। ‘আজ রাতের জন্য আপনার বাড়িতে একটু আশ্রয় চাইছি।’

    ‘নিশ্চয়ই,’ বলল কৃষক। ‘আপনাকে আপ্যায়ন করার মত কিছুই নেই আমার। তবু আসুন দয়া করে। আপনার জন্য আমি আগুনের ব্যবস্থা করছি। একটু গরম করে নেবেন গা।’

    নাইটকে সে আস্তাবলে ঘোড়াটিকে বেঁধে রেখে আসতে বলল। সে আস্তাবলেরও বাড়ির মতই ভগ্নদশা। ওয়াতানাবি আস্তাবলে ঘোড়া রেখে পায়ের বুটজুতো খুলে নিয়ে ঘরে ঢুকলেন। যুবক তাঁকে এক কাপ চা দিয়ে বলল, ‘ঘরে লাকড়ি বেশি নেই। কিছু লাকড়ির ব্যবস্থা করা দরকার। আমি যাই। জঙ্গল থেকে কিছু লাকড়ি নিয়ে আসি।’ তবে যাওয়ার আগে সে নাইটকে সাবধান করে দিল, ‘যেখানে আছেন সেখানেই বসে থাকুন। ভুলেও পেছনের ঘরে যাবেন না।’

    ‘আচ্ছা, ঠিক আছে,’ বললেন নাইট। কৃষকের এই সাবধান বাণী তাঁকে খানিকটা বিস্মিত করল।

    চলে গেল কৃষক। একটু পরেই চুল্লির আগুন নিভে গেল। আলো বলতে রইল শুধু একটি টিমটিমে লণ্ঠন। পেছনের ঘরে যেতে মানা করে গেছে কৃষক যুবক, কিন্তু তার কথার সুরটা ওয়াতানাবির মধ্যে কেমন অস্বস্তি এবং সে সঙ্গে কৌতূহলও বাড়িয়ে তুলছিল।

    অবশেষে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন পেছনের ঘরে একবার উঁকি দিয়ে দেখবেন। ঘরের মালিক তো আর কিছু জানতে পারছে না। ওয়াতানাবি পা টিপে-টিপে পেছনের ঘরে গেলেন। ধাক্কা মেরে খুলে ফেললেন দরজা। যা দেখলেন তাতে তাঁর বুকের রক্ত হিম হয়ে গেল। মেঝে বোঝাই মানুষের হাড়গোড়, ঘরের এক কোণে স্তূপ করে রাখা মরা মানুষের খুলি। সেই খুলির পাহাড় মেঝে থেকে ছাদে গিয়ে ঠেকেছে।

    ওয়াতানাবি দ্রুত তাঁর বুটজুতো পরে আস্তাবলের দিকে রওনা হলেন। কারণ ঘোড়ার পিঠে তিনি অস্ত্রশস্ত্র রেখে গেছেন।

    কিন্তু আস্তাবলে ঢুকে যেই তরবারির দিকে হাত বাড়িয়েছেন, মনে হলো কেউ একজন তাঁর পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে। পেছন থেকে ভেসে এল কৃষকের কণ্ঠ, ‘প্রিয় অতিথি, এই ঝড়জলের রাত্রে চলে যাবার এত তাড়া কীসের? আপনাকে যেখানে উঁকি দিতে নিষেধ করা হয়েছিল সেখানে কি উঁকি মেরেছিলেন? হায়! আমরা তো ভালভাবে কথাই বলতে পারলাম না।’

    এ কথা বলার পরপরই একটা হাত চেপে ধরল ওয়াতানাবির মাথার শিরস্ত্রাণ। পাঁই করে ঘুরলেন নাইট, চট করে মাথায় হাত দিলেন দেখতে কে তাঁর মাথা চেপে ধরেছে। তবে যে হাতটির স্পর্শ তিনি পেলেন সেটি কোন মানুষের হাত নয়। হাতে বড়-বড় শক্ত-শক্ত লোম। আর হাতটিও গাছের গুঁড়ির মত প্রকাণ্ড।

    গা মুচড়ে নিজেকে মুক্ত করে নিলেন ওয়াতানাবি এবং পাঁই করে ঘুরে দাঁড়ালেন। দেখলেন সেই চাষা তার মানুষের রূপ বদল করে এখন রাক্ষসের চেহারা ধরেছে। এটাই তার আসল রূপ। উচ্চতায় সে দুই মানুষ সমান লম্বা। ভাঁটার মত জ্বলজ্বলে চোখ, লম্বা-লম্বা চুলগুলো যেন ফণাতোলা সাপ, মুখভর্তি টকটকে লাল দাঁত।

    রাক্ষসটা আবার তাঁকে ধরার জন্য থাবা চালাল। ওয়াতানাবি রাক্ষসের হাত লক্ষ্য করে প্রচণ্ড জোরে তরবারি চালিয়ে দিলেন। ব্যথায় হাউমাউ করে উঠল রাক্ষস, পিছিয়ে গেল। এবারে নাইট তাঁর সমস্ত শক্তি দিয়ে আক্রমণ করলেন রাক্ষসকে। দানবটা নিরীহ পথচারীদের পথ ভুলিয়ে নিজের ডেরায় নিয়ে আসতে পটু হলেও মারামারিতে মোটেই দক্ষ নয়। সে নাইটের সঙ্গে লড়াইতে না পেরে রণে ভঙ্গ দিল।

    পলায়নপর রাক্ষসের পিছু ধাওয়া করলেন ওয়াতানাবি, তবে ওটা গাঢ় অন্ধকারের মধ্যে দ্রুত হারিয়ে গেল। আস্তাবলে ফিরে এলেন ওয়াতানাবি। পায়ে কী একটা ঠেকল। ঝুঁকে দেখেন রাক্ষসের কাটা হাত। মারামারির সময় নাইটের তরবারির আঘাতে কাটা পড়েছে হাতটি।

    ওটাকে কাপড়ে মুড়ে নিয়ে কোয়োটোতে, নিজের বাড়ির পথ ধরলেন ওয়াতানাবি। রাক্ষসের কাটা হাত নিয়ে যাচ্ছেন বিজয়ের স্মারক হিসেবে দেখাতে। বন্ধুদেরকে কাটা হাতটি দেখানোর পরে তারা সবাই তাঁকে ‘হিরো’ বলে সম্বোধন করল এবং তাঁর সম্মানে বিরাট ভূরিভোজের আয়োজন করল। ওয়াতানাবি রাক্ষসের হাত কেটে এনেছেন, এ খবর শীঘ্রি ছড়িয়ে পড়ল। দূরদূরান্ত থেকে লোকজন আসতে লাগল কাটা হাতখানা দেখার আশায়।

    কিন্তু ওয়াতানাবি জানতেন রাক্ষসটা এখনো বেঁচে আছে এবং তার হাত চুরির চেষ্টা করতে পারে। তাই তিনি খুব শক্ত কাঠ দিয়ে একটি বাক্স বানালেন, চারপাশটা মুড়ে দিলেন লোহায়। সেখানে হাতটি রাখলেন এবং কাউকেই ওটা দেখতে দিলেন না। নিজের ঘরে নিয়ে এলেন বাক্সটি যাতে ওটি কখনো চোখের আড়াল না হয়।

    কয়েকদিন পরে, এক রাতের বেলা ওয়াতানাবির কাছে এল এক দর্শনার্থী। বৃদ্ধা মহিলাকে দেখামাত্র তিনি চিনতে পারলেন: এ তার শিশুকালের দাইমা। মহিলা ওয়াতানাবিকে কোলেপিঠে করে মানুষ করেছে। তিনি দাইমাকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানালেন। যদিও অবাক লাগছিল ভেবে এত রাতে তাঁর কাছে কেন এসেছে বুড়ি।

    দু’জনে মিলে চা পান করার পরে বৃদ্ধা বলল, ‘প্ৰভু, রাক্ষসের সঙ্গে আপনার সাহসী লড়াইয়ের কথা এতদূর ছড়িয়েছে যে আমার মত বুড়ো মানুষের কানেও তা এসেছে। এ কথা কি সত্যি আপনি এক রাক্ষসের হাত কেটে নিয়েছেন? ঘটনা সত্যি হলে শতমুখে আপনার প্রশংসা করতে হয়।’

    ‘হ্যাঁ, ঘটনা সত্যি,’ স্বীকার করলেন ওয়াতানাবি। ‘তবে লজ্জার ব্যাপারই বলতে হবে রাক্ষসটাকে আমি হত্যা করতে পারিনি। দানবটা তার কাটা হাত ফেলে রেখেই পালিয়ে যায়।’

    ‘ওহ্! সত্যি আপনার সাহসের কোন তুলনাই নেই! দয়া করে আমাকে হাতটি দেখতে দিন!’ অনুনয় করল সে।

    ‘আমি দুঃখিত,’ বললেন ওয়াতানাবি। ‘আমি তা পারব না। রাক্ষসরা খুব প্রতিহিংসাপরায়ণ। আমি যদি বাক্সটি এক মুহূর্তের জন্যও খুলি, রাক্ষস হঠাৎ উদয় হয়ে হাতটা কেড়ে নিয়ে যেতে পারে। তাই আমি ওই হাত কাউকে দেখাই না।’

    ‘আপনার সাবধান হওয়ার পেছনে যুক্তি আছে,’ বলল বৃদ্ধা। ‘কিন্তু আমি আপনার পুরানো দাইমা। আমাকে হাতখানা দেখতে দিতে অসুবিধে কোথায়? এতখানি পথ বয়ে এলাম শুধু হাতটি দেখতে। আপনি আমাকে ফিরিয়ে দেবেন, প্ৰভু?’

    বৃদ্ধার কাতর অনুনয় এবং হতাশ চেহারা নাইটকে বিচলিত করে তুলল। তবু তিনি তাকে প্রত্যাখ্যান করলেন।

    এবারে রেগে গেল বৃদ্ধা। ‘আপনার কি ধারণা আমি রাক্ষসের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করতে এসেছি?’

    ‘না, আমি অবশ্যই তা ভাবছি না।’ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন ওয়াতানাবি। ‘আপনি আমার বুড়ি দাইমা।’

    ‘তাহলে এই বুড়ো মানুষটার মনের ইচ্ছাটা একবার পূরণ করুন,’ কাতর গলায় বলল বুড়ি। তার চোখ দিয়ে জল গড়াচ্ছে।

    স্নেহ এবং ভালবাসার কাছে পরাজয় মানতেই হলো নাইটকে। বললেন, ‘ঠিক আছে। আমি আপনাকে রাক্ষসের হাত দেখাব। আসুন আমার সঙ্গে।’

    তিনি বৃদ্ধাকে নিয়ে নিজের ঘরে ঢুকলেন। সাবধানে বন্ধ করলেন দরজা, তারপর ঘরের কোণে রাখা বাক্সের লোহায় মোড়ানো ভারী ঢাকনিটা খুলে ধরলেন।

    ‘দেখি, আমাকে একবার দেখতে দিন,’ আনন্দে চেঁচিয়ে উঠল বৃদ্ধা। সে জ্বলজ্বলে মুখে এগিয়ে আসতে লাগল।

    বাক্সের সামনে এসেই সে হাত ঢুকিয়ে দিল ‘ভেতরে, চেপে ধরল রাক্ষসের কাটা হাত। তারপর এমন ভয়ঙ্কর জোরে চেঁচিয়ে উঠল যে গোটা ঘর কেঁপে উঠল থরথর করে। ‘আমি আমার হাত ফিরে পেয়েছি!’

    চোখের পলকে বুড়ি ধাত্রী সেই ভয়ানক রাক্ষসে পরিণত হলো। ছাদে গিয়ে ঠেকল তার মাথা। ওয়াতানাবি সবসময় সঙ্গে তরবারি রাখেন, সাঁৎ করে কোমরের কোষ থেকে মুক্ত করলেন ধারাল অস্ত্রটি। রাক্ষস জানে ওয়াতানাবি অস্ত্র চালনায় কতটা দক্ষ। সে আর মারপিটের দিকে না গিয়ে ছাদ ভেদ করে দিল লাফ। এক লাফে ছাদ ফুটো করে মিলিয়ে গেল রাতের আকাশে।

    লোকে যদিও ওয়াতানাবি এবং রাক্ষসের কাটা হাতের গল্প বলত গর্ব ভরে কিন্তু নাইটটি রাক্ষসের ওপরে ভয়ানক চটে গিয়েছিলেন তাঁকে এভাবে কাঁচকলা দেখানোর কারণে। রাগের চোটে তিনি চলে গেলেন সেই ভুতুড়ে সমভূমিতে দানবটার সঙ্গে লড়াই করতে। কিন্তু ঝড়ের কবলে পড়ে চাষার কুটির ততদিনে ধসে গেছে এবং বাতাস ও বৃষ্টিতে সেই হাড়গোড় ও খুলিগুলো মাটির সঙ্গে মিলিয়ে গিয়েছে।

    অদৃশ্য রাক্ষসকে উদ্দেশ্য করে তরবারি বাগিয়ে তাঁর মুখোমুখি হওয়ার জন্য একের পর এক চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যেতে লাগলেন ওয়াতানাবি। কিন্তু জবাবে শুধু উপহাসের মত হাসির শব্দ শোনা গেল। এতই হালকা সে আওয়াজ যা পাইন গাছের ডালে বয়ে যাওয়া বাতাসের শব্দ বলেই মনে হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচণ্ডরাজার বলি – সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    Next Article তিমির প্রেম – রকিব হাসান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }