Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পার্থিব – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প1462 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৮. বিড়ির গন্ধটা নিমাইয়ের সহ্য হচ্ছিল না

    ২৮

    বিড়ির গন্ধটা নিমাইয়ের সহ্য হচ্ছিল না। বিড়ির মধ্যে যে কী মধু আছে কে জানে বাবা! লোকে সারাক্ষণ ফুসফুস করে টেনেই চলেছে, টেনেই চলেছে। বিটকেল ঝাঁজালো গন্ধটা নাকে এলেই নিমাইয়ের পেটে গোঁতলান মারতে চায় একটা অস্বস্তি। তবু সইতে হয়। না সয়ে উপায় কী? যার সঙ্গেই কথা কইতে যায় সেই দু’চার কথার পর ফস করে একটা বিড়ি বা সিগারেট ধরিয়ে ফেলে। বিড়িই বেশী। সিগারেট বিড়িতে চারদিকটা ছয়লাপ।

    গণেশ সাহা মস্ত মানুষ। মণিমালা অপেরার মালিক। চিৎপুরে গদি। এরকম সব মানুষের সামনে এসে বসতে পারাটাই ভাগ্যের কথা। কত উমেদার আসে, দরজার বাইরে থেকেই খেদিয়ে দেওয়ার কথা। সেটা যে করেনি সেটাই সৌভাগ্য বলে বিবেচনা করছে নিমাই।

    গণেশের বিড়ির ধোঁয়া সুতরাং সইতে হচ্ছে নিমাইকে। নাক চেপে থাকবে, তারও উপায় নেই। নাক চেপে থাকলে গণেশ সাহার অপমান হতে পারে।

    কথা অবশ্য বীণাই কইছে। বলে-কয় ভাল। আগে একটু আলাপও ছিল। কাঁচড়াপাড়া যাত্রা উৎসবে দল নিয়ে গিয়ে বছরটাক আগে বিশ্ববিজয় অপেরার পালা দেখেছিল গণেশ। তখনই আলাপ। বীণা পায়ের ধুলো নিয়েছিল, গণেশ আশীর্বাদ করেছিল। সেসব আজ আর মনে থাকার কথা নয়। ছিলও না গণেশের। আজও পায়ের ধুলো নেওয়ার চেষ্টা করেছিল বীণা। পেরে ওঠেনি। ঘরখানা বড্ড ছোট, তার মধ্যে রাজ্যের টেবিল চেয়ার পাতা। আর গণেশ একখানা হাফ সেক্রেটারিয়েট টেবিলের ওপাশে বসা। টেবিলের নিচে অতি দুর্গম জায়গায় তার পা। বীণা নিচু হয়ে যখন অন্ধকারে গণেশের পা খোঁজাখুঁজি করছিল তখন ঠাস করে কপাল ঠুকে গেল টেবিলের কানায়। গণেশ শশব্যস্ত হয়ে বলল, থাক থাক।

    শিয়ালদায় নেমে চিৎপুর অবধি আসতেই তারা ঘেমে, হাপসে অস্থির। একখানা শহর বটে এই কলকাতা। কোনওদিকেই এগোনো যায় না। বাসে ট্রামে গন্ধমাদন ভিড়, রাস্তায় থিক থিক করছে মানুষ-পোকা, হকার, বাজার, রাগী আর তেড়িয়া সব বাঘ-ভালুকের মতো লোক। বাসে ট্রামে সুবিধে হল না বলে হেঁটেই আসতে হয়েছে। ঠিকানা খুঁজে বের করতে দম আরও বেরিয়ে গেছে। গলির গলি তস্য গলির মধ্যে এই ঘরখানা। বুকচাপা অন্ধকার। হাওয়া নেই। লোড শেডিং বলে দিনের বেলাতেও মোম জ্বলছে। হাতপাখা হাতে মোটা মানুষ গণেশ বসা। বদ্ধ ঘরে গণেশের বিড়ির ধোঁয়া একেবারে আঁট হয়ে বসে আছে। নড়ছে না।

    বীণা বলল, আপনি তো আমার পার্ট দেখেছেন গণেশদা। একবার চান্স দিয়ে দেখুন, প্রাণ দিয়ে করব।

    গণেশ ভারি বিমর্ষ গলায় বলল, আরে ভাই, বায়নাই হচ্ছে না তো পার্ট, গত বছর এসময়ে অন্তত গোটা কুড়ি আগাম বায়না হয়েছিল। এবার তো মাছিও বসছে না।

    কেন, মণিমালা অপেরার তো খুব নাম।

    সে ছিল। পৌরাণিক পালাগুলো একসময়ে রে রে করে আসর মাতিয়ে দিত। তা এখন একটু অন্যরকম করতে গিয়ে মার খাচ্ছি। দু’দুটো পালা বসে মার খেল। শাঁখা-সিঁদূর চলল না, সতীর জ্বালা তিন-চার জায়গায় হল, কিন্তু ক্ল্যাপই পেল না।

    তা বলে তো আর দল বসে থাকবে না।

    বসার মতোই অবস্থা। সিনেমার পাঁচু চাটুজ্জেকে সাতের দরে রাখলুম, তাতেও কিছু হল না। লোহার কারবারটা ছিল বলে রক্ষে, নইলে পেটের ভাতে টান পড়ত।

    ওকথা বলবেন না। আপনার তো খুব নামডাক। এখন একটু পড়তি অবস্থা যাচ্ছে বলে কী, আবার বায়না হবে।

    তা বিশ্ববিজয়ও তো ভালই করছিল। ছেড়ে আসতে চাও কেন?

    বিশ্ববিজয় ভাল দল। কাকার মতোও মানুষ হয় না। কিন্তু বনগাঁয়ে চিরটা কালই কি পড়ে থাকব?

    লাইম লাইটে আসতে চাও নাকি? সে বড় শক্ত কথা। রোজ কত ছেলে মেয়ে এসে ধরনা দিচ্ছে। অনেকে পয়সাকড়িও চায় না, শুধু একটা চান্স চায়। আমি বলি কি, বিশ্ববিজয় ছেড়ো না। এখানে তো খুব কম্পিটিশন, ওখানে তা নেই। বিশ্ববিজয় কম পয়সায় পালা করে, তাই বায়নাও হয়। আর আমাদের অবস্থা দেখ, হাতি পোষার খরচ। বছরে কতগুলো মাস আর্টিস্টদের বসিয়ে বসিয়ে মাইনে দিতে হয়। আমরা কম পয়সায় করতে পারি না।

    দেখবেন, বায়না ঠিকই হবে।

    কোথায় আর হচ্ছে। শাঁখা-সিঁদুর আর সতীর জ্বালা এ দুটো পালায় কম পয়সা ঢেলেছিলাম? সবই কপাল। পালা দুটো চললে না হয় কথা ছিল।

    আচ্ছা, আমার চেহারা তো খুব খারাপ নয়। পার্ট দেখেও তো লোকে ক্ল্যাপ দেয়। একেবারে কি ফেলনা ভাবছেন আমাকে?

    গণেশ একথায় রাগ করল না। মাথা নেড়ে বলে, ওরে বাপু, চেহারা তো আমরা মেক-আপ আর আলো দিয়েই পেত্নীকে পরী বানিয়ে দিই। ওটা কোনও কথা নয়। চন্দ্রা মল্লিককে মেক-আপ ছাড়া দেখেছো কখনও? রাস্তায় হেঁটে গেলে কেউ ফিরেও তাকাবে না। সেই চন্দ্রা যখন স্টেজে নামে তখন লোকে পাগল হয়ে যায়।

    সে জানি। চন্দ্রাদির সঙ্গে আমার আলাপও আছে একটু।

    নাম করে ফেললে সব দোষই ঢেকে যায়।

    আমাকেও একটু নাম করতে দিন না। দেখবেন, ঠকবেন না।

    গণেশ বিড়িটা একটা অ্যাশট্রের মধ্যে গুঁজে দিয়ে বলল, নতুন একটা পালা এবারে নামাচ্ছি। বাবু-বিবি। যদি এটা লাগে তাহলে তোমার কথা ভাবব’খন। এ সিজনটা যেতে দাও।

    বীণা খুব আবদার মাখানো গলায় বলে, আমার কথা আপনার মনেই থাকবে না। এই তো বললেন, কত ছেলেমেয়ে আসছে পার্টের জন্য।

    তা আসছে। মণিমালা অপেরার বুকের পাটা আছে বলেই নতুন আর্টিস্ট নামায়। সুনীতি বিশ্বাস, জয়ন্ত হালদার, যোগেন বোস এরা সবাই এই আমার হাতের তৈরি। সুনীতি নেমকহারামি করেনি, এখনও আছে। যদিও মেলা টাকা চাইছে আজকাল। আর যারা নাম করেছে সবাই বড় বড় দলে গিয়ে ভিড়েছে। তবু কি ভেঙে পড়েছি? আবার নতুনদের দিয়েই বছর চারেক আগে ‘সাধক বামাক্ষ্যাপা’ আর ‘ঝড়ের রাত’ নামিয়ে কেমন হৈ-চৈ ফেলে দিয়েছিলুম!

    সে আর বলতে! ঝড়ের রাত তো এই সেদিন অবধিও চলেছে।

    সব নতুন মুখ ছিল। বুঝলে?

    বাবু-বিবির কাস্টিং কি শেষ?

    ও বাবা! শেষ কবে হয়েছে। রিহার্সালই তো চলছে পনেরো দিনের বেশি।

    একটা ছোটখাটো রোলও কি পড়ে নেই?

    তাই কি থাকে! আমাদের সব গোড়া বেঁধে কাজ করতে হয়। পুজোর সময় থেকেই পালা নামবে, আর কটা দিন হাতে আছে?

    আর ক’টা দিন আগে এলে বোধ হয় ভাল করতুম, তাই না?

    তা করতে। বড্ড দেরী করে ফেলেছো। তবে চিন্তা কিসের? বয়স কম, সুযোগ হয়তো পেয়ে যাবে। সঙ্গে এটি কে বলো তো!

    বীণা একটু লজ্জা পেয়ে মুখ নামিয়ে বলল, আমার বর।

    গণেশ পুরনো আমলের মানুষ। যাত্রাওয়ালির ঘর-সংসার আছে জেনে যেন খুশিই হল। বলল, বাঃ বেশ। তা তুমি কী করো হে বাপু?

    নিমাই তটস্থ হয়ে বলল, এই টুকটাক।

    বীণা তাড়াতাড়ি নিমাইয়ের আহাম্মকি ঢাকবার জন্য বলল, ফলের ব্যবসা আছে।

    গণেশ প্রশান্ত মুখে বলল, খুব ভাল ব্যবসা। ফল শুদ্ধ জিনিস। তা গানটান জানো নাকি? একটু আগে যেন শুনছিলাম গুনগুন করে একটু গাইছিলে! কীর্তনের মতো!

    ভারি লজ্জা পেয়ে গেল নিমাই। গান জানার ওই হল একটা মুশকিল। যখন তখন যেখানে সেখানে বে-খেয়ালে গলায় সুরটা খেলে ওঠে। মাথা নামিয়ে বলল, আজ্ঞে গানটান জানি না।

    হেঁড়ে গলায় কি আর গান হয়? একটু কীর্তন-টির্তন করি আর কি!

    খুব ভাল। গলায় সুরও আছে মনে হচ্ছে। তা ফলও ভাল, কীর্তনও ভাল, কিন্তু কচি বউটিকে এই লাইনে ঠেলছো কেন? সংসার যে রসাতলে যাবে।

    নিমাই আতান্তরে পড়ে গেল। কথাটা ন্যায্য বটে, কিন্তু প্রকাশ্যে কথাটার পোঁ ধরা যায় না। বীণাপাণি খর চোখে চেয়ে আছে। আমতা আমতা করে নিমাই যা বলল তারও কোনও মানে হয় না। সে বলল, আজ্ঞে, দিনকাল যা পড়েছে।

    গণেশ সাহা আর একখানা বিড়ি ধরিয়ে বলল, আমার ছেলেরা সব লায়েক হয়েছে। বড়জনই এখন দলের কাজকর্ম দেখছে। আমাদের সেকেলে রুচি সে বেশী পছন্দ করছে না। তার ইচ্ছে সিনেমার লোকজনকে টেনে আনে। কাস্টিং ভাল হলে, পালা যাই হোক, চলবে। আমার সঙ্গে মতে মেলে না, তবে মেনেও নিতে হচ্ছে। এদের আমলে তো নতুনদের দলে ঢোকাই কঠিন হবে।

    বীণার মুখখানা একেবারে ফ্যাকাসে মেরে গেল। ঘামছেও খুব। রুমালে মুখ মুছতে গিয়ে ঘামের সঙ্গে রূপটানের সবটুকুই প্রায় পুঁছে ফেলল। কেমন ন্যাতানো গলায় বলল, আমিও তো গান গাই।

    গণেশ সাহা বিড়ির ধোঁয়ায় ঘরটাকে একেবারে জতুগৃহ বানিয়ে বলল, বলছি তো, সিজনটা শেষ হোক। দেখব।

    আমার নাম ঠিকানা লিখে রাখুন তাহলে। নইলে ভুলে যাবেন।

    গণেশ বোধ হয় বীণার হাত থেকে বাঁচার জন্যই অনিচ্ছে সত্ত্বেও এদিক ওদিক খুঁজে একটা কাগজের টুকরো আর ডটপেন বের করে নাম ঠিকানা টুকে নিল। তারপর বলল, এবার এসো গিয়ে।

    নিমাই তড়াক করে উঠে পড়ল। যত তাড়াতাড়ি ঘরটা থেকে বেরনো যায় ততই মঙ্গল। তার দম বন্ধ হয়ে আসছে।

    বাইরে বেরিয়ে এসে বীণার কাঁদো কাঁদো মুখটার দিকে চেয়ে খুব সন্তর্পণে জিজ্ঞেস করল, এবার কোথায় যাবে?

    বীণাপাণি ঝাঁঝের সঙ্গে বলল, কেওড়াতলায়!

    এ হল রাগের কথা। রাগের সময় লোককে ঘাঁটাতে নেই। বীণা একটা মস্ত বড় হাতব্যাগ বয়ে বেড়াচ্ছে। অত বড় ব্যাগ আনার দরকার ছিল না। ভারী জিনিস, ওর কষ্ট হচ্ছে। নিমাই হাত বাড়িয়ে বলল, ব্যাগটা বরং আমার হাতে দাও। তোমার কষ্ট হচ্ছে।

    সঙ্গে সঙ্গে বীণাপাণি ব্যাগটা দ্বিগুণ জোরে পাঁজরে চেপে ধরে বলে, না। মেয়েদের ব্যাগ তুমি বাইবে কেন? খারাপ দেখাবে।

    নিমাই একটু হাসল। মেয়েরা যেন কিছুতেই পুরুষদের বিশ্বাস করতে চায় না। নিমাই হাতটা গুটিয়ে নিয়ে বলল, তেষ্টা পায়নি?

    কেন বলো তো!

    একটা ডাব খাবে নাকি? এখানে বেশ সস্তা।

    আমার আর কিছু হবে না জানো?

    কী হবে না?

    কেউ নেবে না আমাকে। বিশ্ববিজয় অপেরা উঠে যাবে। তখন না খেয়ে বনগাঁয় পড়ে মরতে হবে।

    এর জবাবে নিমাইয়ের কিছু বলার ছিল। কিন্তু গরম ঘেমো দুপুরে চিৎপুরের পাগল-করা ভিড়ের গলিতে দাঁড়িয়ে কথাটা বলা যায় না। বললেও নেবে না বীণা। রেগে যাবে। মেজাজ বুঝে কথা না বললেই বিপদ। সে চুপ করে দাড়িয়ে রইল।

    বীণা কোন দিকে যাবে তা যেন ঠিক করতে পারছে না। তার চোখে জল আসছে। ধরা গলায় বলল, এর পর বয়স হবে, রূপ যৌবন যাবে। কে পুঁছবে আমায় আর? মণিমালা অপেরার মতো ছোট দলই এত প্যাঁচ কষছে! বড় দল তো কথাই বলতে চাইবে না।

    নিমাই জানে, এটা কোনও প্রশ্ন নয়। তাই জবাব দেওয়ার দরকার নেই। মুখে শুধু একটু কষ্টের ভাব ফুটিয়ে রাখা। যেন ওর দুঃখে বুক ফেটে যাচ্ছে তার। অভিনয় সেও একটু জানে। সবাই জানে। না জানলে কি জগৎসংসার চলত?

    বীণাপাণি আরও কিছুক্ষণ ভিড়ের রাস্তায় দাঁড়িয়ে রইল। ওর মাথায় কেন যেন ভূত চেপেছে আজকাল, বিশ্ববিজয় ছেড়ে বড় দলে ঢুকবে, কলকাতায় বাসা করবে। আরও অনেক কিছু। বীণাপাণিকে কিছু বোঝানোর নেই নিমাইয়ের। যা ভাল বুঝবে তাই করুক। তার দুর্দিনে বীণাপাণি যে তার জন্য অনেক করেছে সেটা ভোলে কি করে নিমাই? খারাপ অসুখ থেকে সারিয়ে তুলেছে। দোকান করে দেবে বলে ভরসা দিয়েছে। বীণাপাণি তো আর খারাপ মেয়ে নয়।

    বশংবদ নিমাই বীণার কাছ ঘেঁষেই চিন্তিতভাবে দাঁড়িয়ে থাকে।

    অনেকক্ষণ বাদে বীণা বলে, চলো।

    চলো। কোনদিকে যাবে?

    এমনি হাঁটি চলল। মনটা ভাল নেই।

    সে তো জানি।

    লোকটার কথা শুনে তোমার কী মনে হল বলো তো! সত্যিই ডাকবে আমাকে?

    নিমাই সাজিয়ে গুছিয়ে মিথ্যে কইতে পারে না। বলল, এরা সব ঘুঘু লোক। মনের কথা বুঝতেই দেয় না।

    তার মানে ডাকবে না, এই তো!

    মনে তো হয়, না। ব্যবসা খারাপ যাচ্ছে।

    এদের কেউ পোঁছে না, জানো? বায়না হয় না। তবু কেমন ডাঁট দেখাচ্ছে। ফিল্ম স্টার নিচ্ছে না হাতি! পাঁচু চাটুজ্জের কোনও বাজার আছে নাকি? ফিল্মে চান্স পায় না বলে যাত্রায় এসে ঢুকেছে।

    তাই হবে। সাতের দর না কী একটা বলছিল যেন।

    সাতের দর মানেও জানো না? মাসে সাত হাজার টাকা মাইনে। মণিমালা অপেরা দেবে সাতের দর, হুঁ!

    হাঁটতে হাঁটতে তারা চিৎপুরের ট্রাম রাস্তায় এসে ওঠে।

    হ্যাঁ গো, তুমি ফোন করতে পারো?

    ফোন! কাকে করবে?

    বড়দার বাড়িতে।

    জরুরী কথা আছে নাকি? দুপুরে কি বড়দাদা বাড়িতে থাকবেন? অফিস নেই?

    তাই তো! মনে ছিল না। তাহলে চলো আর দু-একটা গদিতে যাই।

    নিমাই একটু নিবে গিয়ে বলে, যাবে!

    যাই না। বড় জোর ঘাড় ধাক্কা দেবে, তার বেশী তো আর নয়। তা আজকের দিনটা ঘাড় ধাক্কা খেয়েই যাক।

    একটু চেনাজানা না থাকলে কি গিয়ে সুবিধে হবে?

    একেবারে যে নেই তা নয়। পুষ্প অপেরার ম্যানেজার পানুবাবুর সঙ্গে তো কাকা একবার আলাপ করিয়ে দিয়েছিল।

    নিমাই মিয়নো গলায় বলে, সে কি আর মনে রেখেছে?

    চলোই না দেখা যাক। গদিটা কাছেই কোথাও হবে।

    আবার খুঁজতে খুঁজতে দুজনে হয়রান হল। পুষ্প অপেরাও ছোট দল, বাজারে তেমন নাম নেই। তবে ধৈর্য ধরার একটা মূল্য তো আছেই। অবশেষে একটা গলির শেষে পুরনো একটা দোতলা বাড়ির ওপরের তলায় পুষ্প অপেরার একটা রংচটা সাইন বোের্ড দেখতে পাওয়া গেল।

    পুরনো ভাঙা সিঁড়ি বেয়ে উঠে একখানা টানা বারান্দার একেবারে শেষ ঘরখানায় পুষ্পর অফিস। দুজন লোক বসা। একজন বোধ হয় কোনও জ্যোতিষী। সেই বিষয়েই কথা হচ্ছিল।

    অন্য জন পানুবাবুই। কাঁচা পাকা চুলের মাঝবয়সী মানুষ। বেশ শৌখিন পোশাক। আদ্দির পাঞ্জাবি, হাতে তিন রকম পাথরের আংটি, গলায় সোনার চেন। কালোর মধ্যে চেহারাটা মন্দ নয়।

    বীণা এবার আর পা খুঁজল না। খুব শিক্ষা হয়েছে। তবে জোড় হাতে নমস্কার করে বলল, পানুবাবু, চিনতে পারছেন?

    পানুবাবু চিনতে পারলেন না। বা চিনতে চাইলেন না। একটু চেয়ে থেকে বললেন, না তো! তুমি কোথা থেকে আসছো?

    বনগাঁ। বিশ্ববিজয় অপেরায় পার্ট করি। কাকা আলাপ করিয়ে দিয়েছিল আপনার সঙ্গে। মনে নেই?

    অ। বোসো, বোসো। কাকার খবর কী? ভাল আছে তো!

    আছে। আমি একটা আবদার নিয়ে এসেছি।

    এখানেও লোডশেডিং। তবে সুখের কথা হল, পানুবাবু বা জ্যোতিষী বিড়ি খাচ্ছে না, আর ঘরখানা দোতলায় বলে একটু আলো-হাওয়া আছে। নিমাই বসে মৃদু মৃদু ঠ্যাং নাচাতে লাগল। কথাবার্তা যা হবে সে যেন আগে থেকেই তা জানে।

    বীণা গলা খাঁকারি দিয়ে বলল, আমি যদি দলে আসতে চাই তাহলে নেবেন?

    পানুবাবু মৃদু একটু হাসলেন। তারপর বললেন, সে তো খুব ভাল কথা। কিন্তু দল কোথায়?

    কেন, দল উঠে গেছে নাকি?

    এইবার তুলে দেবো। লোকে যা চায় তা দিতে পারছি কোথায়? পেরেও উঠব না।

    তাহলে আমার কী হবে? অনেক আশা নিয়ে এসেছিলাম যে!

    আমরাই মাইনে পাচ্ছি না ঠিকমতো। গত বিশটি বচ্ছর ম্যানেজারি করে এখন গুনাগার দিতে হচ্ছে। কর্তা আর টাকা-পয়সা ঢালবেন না। বড় বড় দলের চাপে আমাদের এখন নাভিশ্বাস উঠছে। কয়েক লাখ টাকা ঢাললে তবে একটু তোলা যায় হয়তো। টাকারই জোগাড় নেই।

    বীণা স্তব্ধ হয়ে বসে থাকে কিছুক্ষণ। তারপর বলে, এবার আপনাদের পালা নামছে না?

    পানুবাবু একটা মাছিকে তাড়ানোর জন্য হাতের ঝাপটা মেরে বললেন, দুটো পুরনো প্লে নামবে। কয়েকটা বায়না হয়েছে। দেখা যাক।

    তাতে হয় না?

    পুরনো লোকরা সব রয়েছে যে! তাদের তো আর তাড়াতে পারি না।

    নতুন মুখও তো দরকার হয়। হয় না?

    দরকার হলেই বা উদ্যোগ কে নেবে বলো? স্বয়ং মালিকেরই গা নেই। তাঁর এখন নানা ব্যবসা। খুব ফলাও অবস্থা।

    যাত্রার বাজার তো এখন খুব ভাল।

    আরে ভাল তো বড় বড় নামকরা দলগুলোর কাছে। আমাদের নয়।

    জ্যোতিষী লোকটার চেহারা বেশ পরিপাটি। গলায় রুদ্রাক্ষ আর কপালে একটা সিঁদুরের ফোঁটা আছে। মিটিমিটি দেখছিল দুজনকে।

    নিমাইয়ের মাথাটা এই গরমে আর রোদে একটু গোলমালই হয়ে গিয়ে থাকবে। হঠাৎ জ্যোতিষীর দিকে চেয়ে বলে ফেলল, আজ্ঞে, হাত দেখাতে কত দক্ষিণা লাগে?

    জ্যোতিষী লোকটা একটু অবাক হল যেন। একটু হাসল, তারপর বলল, কেন, হাত দেখাতে চান নাকি?

    কখনও দেখাইনি কাউকে। ভাগ্যটা বিশেষ ভাল যাচ্ছে না।

    জ্যোতিষী মিটিমিটি হেসে বলল, কেমন যাচ্ছে! কাজকর্ম নেই নাকি?

    নেইই বলতে পারেন।

    দেখি হাতটা।

    নিমাই হাতটা লুকিয়ে ফেলে বলে, আজ্ঞে, দক্ষিণাটা না জেনে দেখাই কি করে? পরে পয়সা দিতে না পারলে?

    পয়সা লাগবে না।

    বলেন কি? বিনা পয়সায় কি কিছু হয়?

    আমি ওরকম জ্যোতিষী নই।

    নিমাই চেয়ার বদল করে জ্যোতিষীর পাশে এসে বসল। হাতখানা মেলে দিয়ে বলল, দেখাতে একটু ভয়-ভয়ও করে। কি জানি কী লেখা আছে হাতে! হয়তো অপঘাতে মৃত্যু।

    পানুবাবু একটা দেশলাই কাঠি দিয়ে দাঁত খোঁচাচ্ছেন। আড় চোখে দেখছেন এদিকে। বীণা একটু অবাক চোখে চেয়ে আছে। নিমাই এমন অদ্ভুত কাণ্ড কখনও করে না।

    জ্যোতিষী হাতটা মন দিয়ে মিনিট খানেক দেখল। তারপর ছেড়ে দিয়ে বলল, অপঘাতে মরবেন না।

    নিজের এই হঠাৎ করে হাত দেখানোর কাণ্ডটা ঘটিয়ে নিমাইয়েরও এখন লজ্জা লজ্জা করছে একটু। বিনয়ে বিগলিত হয়ে বলল, বাঁচা আর মরা সমানই হয়ে এসেছে। কেমন দেখলেন হাতখানা?

    জ্যোতিষী একটু হাসল। বলল, সবটাই কি কারও ভাল বা মন্দ হয়? তবে আপনি লোক খারাপ নন।

    একটা ব্যবসা করার খুব ইচ্ছে। হবে?

    এ হাত ব্যবসাদারের হাতই নয়। তবু করুন।

    এই রে, একেবারে জল ঢেলে দিলেন যে!

    কত বয়স হল?

    সে সব কি আর হিসেব আছে? ত্রিশের কাছাকাছি তো হবেই। বেশীও হতে পারে।

    ত্রিশের পর একটু ভাল হতে পারে।

    জীবনে হাত দেখায়নি নিমাই। জ্যোতিষীরা কিরকম বলে-কয় তার ধারণাও ছিল না। অবাক হয়ে বলল, কিরকম ভাল হবে?

    জ্যোতিষী একটু হেসে বলে, দেখুন না কি হয়!

    নিমাই ভাবল, বিনা পয়সায় যথেষ্ট হয়েছে। হাতটা সরিয়ে নিল সে।

    বীণা উঠল। পানুবাবুকে বলল, আসি তাহলে।

    এসো গিয়ে। কাকার দলে আছো এখনও?

    আছি।

    চলছে কেমন?

    খারাপ নয়। তবে মফস্বলের দল তো।

    তাতে কি? মফস্বল কি আর ভাল হয় না?

    দুজনে ফের বেরিয়ে পড়ল। রাস্তায় এসে বীণা বলল, হাঁ গো, তুমি হঠাৎ হাত দেখালে কেন?

    নিমাই লজ্জা পেয়ে এক গাল হেসে বলে, সবাই দেখায়। শখ হল।

    খুব বিদঘুটে লোক আছো তুমি! বলে হাসল।

    তুমি কিছু মনে করোনি তো!

    করেছি। পয়সার কথা বলছিলে কেন? পয়সা লাগলে কি দিতে পারি না আমরা?

    ও বাবা! খামোখা হাত দেখিয়ে নষ্ট করার মতো পয়সা কি আমাদের আছে?

    আচ্ছা, একটা সত্যি কথা বলবে আজ?

    বলব না কেন? কী জানতে চাও?

    আমি দেখতে কেমন?

    নিমাই অবাক হয়ে হেসে ফেলল, কেন, হঠাৎ আবার সন্দেহ হচ্ছে নাকি? বনগাঁয়ে তো তোমার রূপের সুখ্যাতি সবাই করে।

    ছাই করে। তুমি হচ্ছে এক নম্বরের মিথুক। যদি আমি সুন্দরীই হবো তাহলে লোকে পাত্তা দিচ্ছে না কেন?

    পাত্তা দিচ্ছে না কে বলল? এদের অবস্থা টাইট। সব গরিব দল। তোমার উচিত বড় বড় দলের কাছে যাওয়া।

    তারা আরও পাত্তা দেবে না। আমি দেখতে একটুও সুন্দর নই।

    নিমাই যেন নতুন করে বউকে একটু দেখল ভাল করে। তারপর বলল, তাহলে তাদের চোখ নেই।

    আচ্ছা, তুমি তো ভগবানের লোক। তুমি যখন বলছ তখন চলো একটা বড় দলের গদিতে যাই।

    আজই?

    আজই! আমাদের কি আর রোজ রোজ কলকাতায় আসা হয়? চলো।

    নিমাই একটা শ্বাস ফেলে বলে, চলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছোটদের ২৫টি মজার গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article পঞ্চাশটি কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }