Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পার্থিব – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প1462 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭৭. ডারলিং আৰ্থ বইটা

    ৭৭

    ডারলিং আর্থ বইটা হাতে এসেছিল কয়েকদিন আগে। চারুশীলার বাড়িতে ঝকমকে বইটা দেখে নিয়ে এসেছিল। লেখক ডঃ কৃষ্ণজীবন বিসোয়াস। প্রকাশক লস এঞ্জেলেসের একটা বই কোম্পানি। সাড়ে তিনশো পৃষ্ঠার শক্ত মলাটের বই। ভিতরে কিছু আর্ট প্লেট আর লাইন ড্রয়িং আছে। ত্রিশ ডলার দামটা বড্ড বেশি। লোকে কি কিনবে?

    বইটা আনলেও পড়ার সময় পায়নি প্রথমে। অফিসের বকেয়া কাজ নিয়ে হিমসিম খেতে হচ্ছিল! এক শুক্রবার রাতে খাওয়ার পর বইটা নিয়ে শুয়ে পড়ল। খটোমটো টেকনিক্যাল বই নয়। যেন এক দার্শনিকের লেখা প্রবন্ধ-উপন্যাস। প্রথম পরিচ্ছেদের শুরুতেই এলিয়টের একটা উদ্ধৃতি, দিস ইজ দি ওয়ে দি ওয়ার্ল্ড এন্ড্‌স, নট উইথ এ ব্যাং, বাট এ হুইম্‌পার। প্রথম পরিচ্ছেদেই প্রশ্নে প্রশ্নে জর্জরিত এক মানুষ বেরিয়েছে তার সঙ্গে পৃথিবী ও বিশ্বজগতের সম্পর্ক অনুসন্ধানে। রোমান্টিক এক কবির মতো। কিন্তু রোমান্টিক কবি কখনও চায় না তার অনুসন্ধান চরিতার্থ হোক মীমাংসায়, সমাধানে, প্রত্যুত্তরে। শুধু ওই অনুসন্ধানই তার কাম্য, তার প্রার্থিত হল ওই রহস্যময়তার ঘেরাটোপ। কিন্তু কৃষ্ণজীবন চায় স্ফটিকের মতো স্বচ্ছ সত্যকে। জড় থেকে চৈতন্যের স্তরে ক্রম অভিগমনকে নানা জ্বলন্ত প্রশ্নে, জরিপে, এষণায় উল্টেপাল্টে দেখছে পাগল কৃষ্ণজীবন। খ্যাপার হাহাকার শুরু হল দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে, যার শুরুতেই কৃষ্ণজীবন উদ্ধৃতি দিয়েছে, কুয়ো ভেদিস? এক মহাকাশযাত্রীর চোখ দিয়ে দেখা পৃথিবীর দৃশ্য দিয়ে শুরু। আর তারপর এই উন্মাদ বৈজ্ঞানিক মানুষের সব ধ্যানধারণার ওপর যেন উপর্যুপরি আঘাত করতে চেয়েছে। কোথায় যাচ্ছো? কোথায় চলেছে তোমরা? এইভাবে এই গ্রন্থ এগিয়ে গেছে চূড়ান্ত রোমান্টিক পাগলামি আর বৈজ্ঞানিক পরিসংখ্যানে গাঁটছড়া বেঁধে। পড়তে পড়তে ঘুম কোথায় পালাল হেমাঙ্গর। শোয়া থেকে উত্তেজনায় উঠে বসল। সাড়ে তিনশো পাতার বই শেষ হয়ে গেল লহমায়। তখন হেমাঙ্গর দু’চোখে টলটল করছে জল। বুক ভার। গলায় ঠেলাঠেলি করছে কান্নার ডেলা।

    রাত সাড়ে তিনটে। লন্ডনে রাত দশটাও বোধহয় নয়। হেমাঙ্গ থাকতে পারছিল না। কাউকে এই বইটার কথা তাকে বলতেই হবে। দ্রুত রশ্মির নম্বর ডায়াল করল সে।

    আমি তোমাকে একটা বইয়ের কথা বলতে চাই রশ্মি।

    তুমি এখনও জেগে আছো? কী করছিলে?

    একটা বই পড়ছিলাম। সেই বইটার কথাই বলতে চাই। বইটা তুমি পড়ো। অবশ্যই পড়ো।

    কী বই বলো তো!

    ডারলিং আর্থ।

    ও! বলে একটু হাসল রশ্মি। তারপর বলল, এতদিনে পড়লে? আমার কয়েকবার পড়া হয়ে গেছে।

    সে কী! তুমি বইটা পেলে কোথায়?

    কেন, এখানে তো খুব বিক্রি হচ্ছে। সাত-আটটা রিপ্রিন্ট হয়েছে। আমারটাই বোধহয় সেভেনথ্‌ ইমপ্রেশন।

    মাই গড! কৃষ্ণজীবন তা হলে এখন ওয়ার্ল্ড ফেমাস!

    তাও বলতে পারো। তবে তুমি তো জানোই এসব দেশে বই এমনিতেই বেশি বিক্রি হয়। আর ওয়ার্ল্ড ফেমাস হতে বেশি দেরিও লাগে না। কিন্তু ওয়ার্ল্ড ফেমাসদের সংখ্যাও যে বড্ড বেশি।

    তা বটে। বই পড়ে তোমার কেমন লেগেছে বলো তো!

    এত প্যাশনেট লেখা অনেকদিন পড়িনি। তুমি ভীষণ ইমপ্রেসড মনে হচ্ছে!

    আমার মাথাটা একটু বিভ্রান্ত। ঠিক অ্যাসেস করতে পারছি না।

    তুমি তো ভাল অ্যাসেসর নও। অনেক কিছুই অ্যাসেস করতে পারোনি।

    রশ্মির হাসির শব্দটা শুনে একটু লজ্জা পেল হেমাঙ্গ। বলল, তোমার বোধহয় ততটা ভাল লাগেনি, না?

    আমি ভদ্রলোককে চিনি। চারুদির বাড়িতে কয়েকবার দেখা হয়েছে। আমি ওঁর প্যাশনের কথা জানি। ডারলিং আর্থ-এ ইমোশন একটু বেশি। কিন্তু তবু ভাল। এখানকার কাগজে ভাল রিভিউ হয়েছে। এশিয়াবাসী বলে একটু ক্ষমাঘেন্নার ভাবও আছে। সাহেবরা যেমনটা হয় আর কি।

    বলছো, এ বই সাহেব লিখলে নোবেল প্রাইজ পেত?

    ও বাবা, তা জানি না। নোবেল প্রাইজ অনেক বড় ব্যাপার।

    আমার ক্ষমতা থাকলে দিতাম।

    ভাগ্যিস তোমার ক্ষমতা নেই! রোজ এত রাত অবধি জেগে থাকো নাকি?

    না। আজ বইটা পড়তে গিয়ে ঘুম চটে গেল। কৃষ্ণজীবনকেই ফোন করতাম। কিন্তু আন্‌গডলি আওয়ার্সে ফোন করলে হয়তো প্রশংসাও ভাল মনে নেবেন না। কিন্তু কাউকে তো বলা দরকার, তাই তোমাকে বলতে হল।

    বেশ করেছে। ডারলিং আর্থকে ধন্যবাদ। বইটার সুবাদে অন্তত তোমার গলা শোনা গেল।

    কেন, আমি কি তোমাকে প্রায়ই ফোন করি না?

    রশ্মি হাসল, মাসে দু’বার। আমি কতবার করি বলল তো! চারবার।

    আমাকে কৃপণ বলার চেষ্টা করছে নাকি?

    একটু আছে। সব ব্যাপারেই তুমি একটু কৃপণ। এমন কি হৃদয়ের ব্যাপারেও।

    তাই বুঝি?

    শুধু এই ডারলিং আর্থের ব্যাপারে দেখছি খুব অকৃপণ।

    বইটা তোমাকে কেন ইমপ্রেস করল না ভাবছি।

    রশ্মি একটু চুপ করে থেকে আস্তে করে বলল, দেখ, পৃথিবীকে নিয়ে কৃষ্ণজীবনের কিছু উদ্ভট ভয় আছে। তাই উনি কল-কারখানা বন্ধ করতে বলছেন, মোটরগাড়ির ব্যবহার কমিয়ে সাইকেল, ঘোড়া এইসব ব্যবহার করতে বলছেন। তা করলে যে আন্‌এমপ্লয়মেন্টের সৃষ্টি হবে তার সমাধান কে করবে? আরও অনেক কথা আছে যা খুব লজিক্যাল নয়।

    একটু দমে গেল হেমাঙ্গ। তারপর বলল, জনসংখ্যা কমে গেলে আন্‌এমপ্লয়মেন্টও কমবে।

    জনসংখ্যা কি করে কমবে? একটা থিওরি অব মাল্টিপ্লিকেশন আছে। সেটা অপটিমামে না গেলে রিভার্স ট্রেন্ডটা শুরু হয় না।

    তার মানে তুমি কি বলতে চাইছে পৃথিবীর জনসংখ্যা একটা চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছে তারপর কমবে?

    সেরকমই তো মনে হয়।

    ডারলিং আর্থ তুমি আর একবার পড়ো।

    কেন বলো তো!

    পড়লে দেখবে, পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ছে তৃতীয় বিশ্বে। উন্নত দেশগুলোতে নয়। আমাদের এই তৃতীয় বিশ্ব জনসংখ্যার চাপে গোল্লায় যাক, পশ্চিমি দেশগুলো তাই চায়।

    সব ব্যাপারেই বুঝি আজকাল আমেরিকা ইউরোপের দোষ? থার্ড ওয়ার্ল্ডের পপুলেশন বাড়লে এদের কী করার আছে?

    আছে রশ্মি, আছে। থার্ড ওয়ার্ল্ড, ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড বলে এখন আর কিছু থাকা উচিত নয়। থার্ড ওয়ার্ল্ডও ওয়ার্ল্ড। সেখানে ঘা হলে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডও সাফার করবে।

    ওটা ফিলজফি।

    ফিলজফি মানে কি ফ্যাক্ট নয়? আমার তো মনে হয় সমস্যার সমাধানে গোটা দুনিয়ার এগিয়ে আসা উচিত।

    রশ্মি মৃদু হেসে বলে, থার্ড ওয়ার্ল্ড চাইলে এরা জাহাজ ভর্তি কন্ট্রাসেপটিভ পাঠিয়ে দেবে। তাতেই কি হবে?

    না, তুমি বুঝলে না রশ্মি। কন্ট্রাসেপটিভ নয়, থার্ড ওয়ার্ল্ডের দরকার প্র্যাকটিকাল ইডিওলজির। কিন্তু তুমি কি খেতে বসেছিলে? চিবোনোর শব্দ পাচ্ছি যেন।

    রশ্মি হেসে ফেলল। বলল, রাতে আমি কি খাই জানো? মাত্র চারখানা ক্র্যাকার আর দুধ। তুমি যখন ফোন করলে তখন আমি সবে বিস্কুটে কামড় দিয়েছি।

    ইস! ডিস্টার্ব করলাম। তুমি বরং খাও, আমি ছাড়ছি।

    ছেড়ো না। আমি বরং পরে খাবো। বেশি রাত তো হয়নি।

    এদিকে যে ভোর হতে চলেছে!

    তুমি যা উত্তেজিত হয়ে রয়েছে, এখন তো ঘুমোতেও পারবে না।

    ঘুমটা কি খুব প্রয়োজন? বরং বাকি রাতটা এইসব প্রবলেম নিয়ে ভাববো। কৃষ্ণজীবন অন্তত আমাকে ভাবতে শেখাচ্ছেন।

    তা ঠিক। বইটা পড়ে আমিও কিন্তু ক’দিন খুব ট্রান্স-এর মধ্যে ছিলাম। ঠিক আছে, তুমি বরং ভাবো।

    বইটার ক’টা এডিশন হয়েছে বললে?

    সাত-আটটা তো বটেই। বেশিও হতে পারে।

    সেটা কি বেশ বেশি বিক্রি?

    খুব না হলেও মন্দ নয়।

    সাত-আট এডিশনে কত কপি হয় বলল তো।

    মিনিমাম সাত-আট লাখ। অলমোস্ট এ মিলিয়ন। কৃষ্ণজীবনবাবু ইজ নাউ এ ভেরি রিচ ম্যান।

    রিচ ম্যান! দূর, সেটা কোনও কথা নয়। হি ইজ রিচ ইন আদার ম্যাটারস্। ছাড়ছি রশ্মি।

    বাই।

    আরও খানিকক্ষণ জেগে রইল হেমাঙ্গ। ক্যাসেট চালিয়ে স্টিরিওতে আমির খাঁ সাহেবের হংসধ্বনি শুনল। তারপর শুলো এবং ঘুমোলো।

    শনিবার আজকাল অফিস ছুটি থাকে। সকালেই সে ফোন করল কৃষ্ণজীবনকে।

    ডারলিং আর্থ পড়লাম। অভিনন্দন।

    কৃষ্ণজীবন শিশুর মতো শব্দ করে হেসে উঠল। বলল, কী আশ্চর্য! পড়েছেন? ইটস্ এ গুড নিউজ!

    আপনার বইটা যে দারুণ বিক্রি হচ্ছে তা কি আপনি জানেন?

    কৃষ্ণজীবন আর হাসল না। বলল, বিক্রি! তা জানি। কিন্তু লোকে ব্যাপারটা বুঝতে পারছে কি?

    আমি বোধহয় বুঝেছি।

    কিন্তু অন্যরা? অনেকে বই পড়ে, কিন্তু বইয়ের কথাকে ভিতরে নেয় না। অনেক পণ্ডিত আছে বইয়ের মধ্যে প্রতিবাদযোগ্য অংশগুলি খোঁজে। ডারলিং আর্থ হয়তো খুব কমপিটেন্ট রাইটিং নয়, কিন্তু কাঁচাহাতে আমি যা লিখেছি তার উদ্দেশ্য হল, মানুষ আর একটু চিন্তিত হোক, একটু বিষণ্ণ হোক, একটু ভাল করে চারদিকটাকে লক্ষ করুক।

    আমি বইটা পড়ার পর থেকে ঘুমোতে পারিনি। একটা কথা আছে। আপনি সামনের উইক এন্ডে আমার গাঁয়ের বাড়িতে যাবেন?

    সামনের উইক এন্ড? বোধহয় আমি ম্যানিলায় যাব।

    তা হলে আজই চলুন।

    আজ? আজ!

    ভাববেন না। ভাবলে আর যাওয়া হবে না।

    একটা অসুবিধে আছে। রিয়া আজ কয়েকজনকে নেমন্তন্ন করেছে। তারা সব আসবে।

    কখন?

    আজ বিকেলে। যদি কিছু মনে না করেন, আপনিও আসুন। খুব ইনফর্মাল ব্যাপার।

    না, সেটা ভাল দেখাবে না। আমি বাইরের লোক।

    বোধহয় ইনভাইটিদের কাউকে কাউকে আপনার অপছন্দ হবে না। কারণ তাঁদের একজন আপনার দিদি চারুশীলা।

    মাই গড। চারুদি হলে তো আমি আরও যাবো না।

    কেন বলুন তো!

    ওঃ সে অনেক কথা। বিয়ে বিয়ে করে ও আমার মাথা খারাপ করে দিচ্ছে। রিসেন্টলি ও আর একটি মেয়েকে আমদানি করেছে। ওকে কিছুতেই বোঝাতে পারছি না যে বিয়েটা একজন মানুষের জীবনে সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট ব্যাপার নয়।

    একটা বয়সের পর কিন্তু বিয়েটা ইম্পর্ট্যান্ট। ইভন এ রং ম্যারেজ ইজ ওয়েলকাম দ্যান নো। ম্যারেজ।

    আপনি একজন বুদ্ধিমান লোক হয়ে এ কথা বলছেন? রং ম্যারেজ যে মানুষকে নষ্ট করে দিতে পারে। ডিভোর্স, সুইসাইড কত কী হয়!

    শিরঃপীড়া হলে কি মাথাটা কেটে বাদ দিতে হবে?

    বুঝেছি। কিন্তু আমি বলতে চাইছি, বিয়ে জিনিসটা সবাইকে স্যুট করে না।

    আচ্ছা, ঠিক আছে। ইনভাইটিদের সঙ্গে আপনাকে মিট করাবো না। আমি আর আপনি সামনের বারান্দায় বসব। হবে? একটু ধরুন, রিয়া নিজে আপনাকে নেমন্তন্ন করবে।

    আহা, তার দরকার কি?

    আছে। ও আপনাকে খুব পছন্দ করে। খুশি হবে।

    রিয়া এল এবং ফোন ধরেই বলল, আমার কি এমন ভাগ্যি হবে যে আপনি আসবেন?

    কেন, আমি কে এমন খাঞ্জা খাঁয়ের নাতি?

    সত্যি আসবেন?

    আসতে বলেই দেখুন না! সেই যে হিং-এর কচুরি খাইয়েছিলেন আজও ভুলিনি।

    ইস, ছিঃ ছিঃ, কচুরি কি একটা খাবার!

    আমি খুব ভালবাসি।

    আজ কিন্তু কচুরি নয়। ফুল ডিনার।

    আপনি কি ডারলিং আর্থ বইটা পড়েছেন?

    ডারলিং আর্থ? না। সময় পাই কোথায় বলুন!

    আপনি কি জানেন যে কৃষ্ণজীবনবাবু এখন একজন ওয়ার্ল্ড ফেমাস লোক?

    রিয়া হাসল, অতটা জানি না।

    ইটস্ এ ফ্যাক্ট।

    আসছেন কিন্তু।

    যাবো।

    ফোনটা রেখে দিল হেমাঙ্গ। এইজন্যই সে বিয়ে করতে চায় না। ভদ্রমহিলা তাঁর স্বামীর বইটা অবধি পড়েননি!

    সারাদিন ধরে বইটা আবার পড়ল হেমাঙ্গ। এবার ধীরে ধীরে। ক্রিটিকের মতো। সজাগ ও সতর্ক। কিন্তু কৃষ্ণজীবন তার বইয়ের সম্মোহক অভ্যন্তরে ঠিকই টেনে নিল তাকে। শেষ অধ্যায়ের শুরুতে জীবনানন্দ দাশের একটি উদ্ধৃতি রয়েছে। হে নাবিক, হে নাবিক, জীবন অপরিমেয় নাকি—ও সেইলার, সেইলার, ইজ দি লাইফ স্টিল ইনফিনিট। ক্ষ্যাপা বৈজ্ঞানিক তার বলগাছাড়া কলমে লিখে গেছে, তোমাকে কে বলে দেবে, একটি প্রস্ফুটিত শিউলি ফুলের সৌন্দর্যে কেন তোমার এত আনন্দ? দূরের নক্ষত্রের দিকে চেয়ে শুয়ে আছছ ছাদে, চিৎপাত! তোমার সর্বস্ব হারিয়ে যাচ্ছে অনন্ত নক্ষত্রবীথির রহস্যময়তায়—তখন কে তুমি মনে পড়ে? ওই নক্ষত্ররা কি তোমার সঙ্গে কথা বলে? বলতে চায়? বিজ্ঞান কি ব্যাখ্যা করে এক মহৎ কবিতার অন্তলোককে? সুন্দর গানের মধ্যে কোথায় হারিয়ে যায় তোমার লজিক? হে মানুষ, কোন জড়বস্তু থেকে এল এত চৈতন্যের প্লাবন? ভালবাসা? মুগ্ধতা! কে ব্যাখ্যা করবে তা? বিজ্ঞান তো অন্ধের যষ্টি মাত্র। পথের ঠাহর দেয়, কিন্তু সে তো নয় চোখ! বীজের ভিতরে বটবৃক্ষের সম্ভাবনা—এ কি ভাবতে পারা যায়? একটু ভাবো। ভাল করে ভাবো। ঈশ্বরীয় বা নিরীশ্বর যাই হও তুমি, দাঁড়াও। দুই হাত অঞ্জলিবদ্ধ করে প্রার্থনা করো, জ্ঞানবান করো আমাকে। সৃষ্টির দুর্ভেয় অবগুণ্ঠন সরিয়ে দাও। বুঝতে দাও, আমি কে। বুঝতে দাও, তুমি কে!

    আপনি কি খুব কবিতা পড়েন?

    কবিতা! বলে কৃষ্ণজীবন লাজুক একটু হাসল, একটু-আধটু।

    নিজে লেখেনও নাকি?

    না, না, কী যে বলেন!

    হেমাঙ্গ একটু চুপ করে থেকে বলল, আমার মনে হচ্ছিল, কবিতার প্রতি আপনার কিছু আনগত্য আছে।

    কৃষ্ণজীবন চুপ করে রইল কিছুক্ষণ। তারপর বলল, অ্যাফ্লুয়েন্ট দেশগুলোতে কবিতা লোপাট হয়ে যাচ্ছে। টেকনোলজি খেয়ে ফেলছে সাহিত্যকে। এইসব কবিতা-টবিতা যা কিছু সব আজকাল থার্ড ওয়ার্ডের নিষ্কর্মাদের পাসটাইম। জানেন?

    কিছুটা জানি।

    বাঁচোয়া। আর সব দিকে এগিয়ে গেলেও ওরা, ওইসব টেকনোলজিক্যালি হাই সোসাইটি, বোধহয় কবিতাকে আমাদের হাতে ছেড়ে দেবে।

    তাই হোক।

    বিকেল মরে সন্ধে হয়ে আসছে। কৃষ্ণজীবনের সাততলার ঝুল-বারান্দা থেকে সূর্যাস্তের শেষ রশ্মি মিলিয়ে যেতে দেখেছে হেমাঙ্গ। অতিথিদের সমাগম এখনও হয়নি। কৃষ্ণজীবনকে একা পাওয়ার জন্য একটু আগেই এসেছে হেমাঙ্গ।

    রেলিঙে থুতনির ভর হাতের পাতায় রেখে কৃষ্ণজীবন সামনের দিকে চেয়ে দূরাবলোকন করছিল। কেমন এক দূর গলায় বলল, আমার ছোটো দুটো ভাই সামান্য বিষয়-সম্পত্তি নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারপিট করে এ ওকে জখম করেছে। আমার একটা বোন যাত্রা করে বেড়ায়। আমার বাবা-মা কাঁচাঘরে বাস করে। আর আমি? সাততলায় থাকি। মোটা মাইনে পাই। আমেরিকা থেকে আমার বই বেরোয়। হেমাঙ্গবাবু, আমাকে যা দেখছেন, যতটুকু দেখা যাচ্ছে আমার, এটুকুই সব নয়। আমি যেমন বাইরের দূষণের কথা বলি, তেমনি ভিতরের দৃষণের কথাও বলি। মানুষের জীবনযাপনের মধ্যে, তার মনের মধ্যে, মস্তিষ্কের মধ্যে কি কম পলিউশন?

    হেমাঙ্গ চুপ করে কৃষ্ণজীবনের দিকে চেয়ে রইল।

    কৃষ্ণজীবন মৃদু স্বরে বলল, মাঝে মাঝে আমি কেমন যেন মূক-বধির হয়ে যাই। এমন সব সিঁচুয়েশন তৈরি হয় যাতে আমি ভীষণ অসহায় হয়ে পড়ি, কিছুই করতে পারি না। তখন কি ভাবি জানেন? ভাবি, তোর ওপরে নেই ভুবনের ভার। মাঝে মাঝে ভাবি, আমি বৃথা চিৎকার করে মরছি, পৃথিবীর কেউ আমার কথা শুনছে না, গুরুত্ব দিচ্ছে না, হয়তো আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে।

    আপনার কেন এরকম মনে হয়?

    কৃষ্ণজীবন যখন মুখ ফিরিয়ে তার দিকে তাকাল তখন হেমাঙ্গ লক্ষ করল কৃষ্ণজীবনের মুখে বিষণ্ণতার ছাই মাখানো। চোখের দীপ্তি হঠাৎ নিবে গেছে। মৃদু স্বরে বলল, ডারলিং আর্থ বইটা প্রকাশের আগে পাবলিশারের অনেক দ্বিধা ছিল। রিভিউয়াররা সবাই ফেবারেবল ছিল না। অনেক আগু-পিছু, অনেক দ্বিধা-দ্বন্দ্বের পর ওরা ডিসিশন নেয় যে, বইটা শেষ অবধি ছাপা হবে। যখন বইটা নিয়ে ইনডিসিশন চলছে তখন আমার প্রায়ই মনে হত, ওই বইয়ের মধ্যে বোধহয় আমার পাগলামিই রয়েছে। কিন্তু এই পাগলামি ছাড়া আর যে আমি কিছুই পারি না।

    কোনও কোনও পাগলামি হয়তো প্রতিভার লক্ষণ।

    প্রতিভা! না না, ওসব আমার নেই। আপনি ঠিক বুঝবেন না, আমি খুব আনসাকসেসফুল ম্যান।

    তার মানেটা কি হল?

    সাকসেস তাকেই বলে যখন মানুষ নিজের সঙ্গে এই গোটা বিশ্বজগতের প্রকৃত সম্পর্কটা আবিষ্কার করতে পারে। সারাজীবন আমি সেই চেষ্টাই তো করেছি। কিন্তু হল না। মনে হচ্ছে, একটা নিরেট দেয়ালে মাথা ঠুকে মরছি। কিছুতেই বুঝতে পারছি না, আমি কি। সত্যিই আমি কে। এই যন্ত্রণা আমাকে মাঝে মাঝে পাগলের মতো করে দেয়। এই গাড়ি বাড়ি টাকা ডক্টরেট সব যেন একমুঠো ধুলোর মতো অর্থহীন হয়ে যায়।

    হেমাঙ্গ স্মিতমুখে বলল, অ্যান্ড দ্যাট ইজ সাকসেস। আপনার যন্ত্রণাটাও যদি আমার থাকত তা হলে নিজের পিঠ চাপড়ে বলে উঠতাম, সাবাস।

    এ বই কি মানুষকে ভাবাবে হেমাঙ্গবাবু?

    কাঁদাবে।

    আপনি ঠাট্টা করছেন না তো!

    এই বুঝলেন এতক্ষণে?

    না না। ইউ আর সো কাইন্ড।

    ডোরবেল বাজতেই উঠে গেল কৃষ্ণজীবন। অতিথি সমাগম শুরু হল বোধহয়। ভিড় হয়ে যাবে। কত অর্থহীন কথার গ্যাঁজলা উঠবে। বিষণ্ণ, মন্থর, গভীর যে সময়টুকু এই বারান্দায় ঘনীভূত হয়ে উঠেছিল তা ডানা মেলে পালিয়ে যাবে।

    কী রে কিম্ভূত?

    হেমাঙ্গ ঘোর অন্যমনস্কতা থেকে মুখ তুলে কয়েক পলক মহিলাটিকে চিনতেই পারল না। মনে মনে অনেকটা দূরে সরে গিয়েছিল সে। এক মহাকাশচারীর মতো সে কালো আকাশে সবুজাভ নীল পৃথিবীর গোলকটিকে অবলোকন করছিল। সেও ভাবছিল, কেন জন্ম? কেন এই চৈতন্য? কেন এই বিশাল সৃষ্টির আয়োজন? এর কি কোনও মানে হয় না?

    চারুশীলাকে চিনতে তাই সময় লাগল। সে একটু হাসল। নিজেই টের পেল, হাসিটা ফুটল না। হাসিটা হাসির মতো হল না। অস্ফুট স্বরে সে বলল, চারুদি!

    তোরও নেমন্তন্ন ছিল বলিসনি তো! কৃষ্ণজীবনবাবুর কাছে শুনে তো আমি অবাক।

    হেমাঙ্গ বেশ কষ্ট করেই নিজেকে বাস্তবে নামিয়ে আনল। বলল, নেমন্তন্ন? ও হ্যাঁ, নেমন্তন্নটা আজ সকালেই হয়েছে। তোকে বলবার সময় পাইনি।

    এত অন্যমনস্ক দেখাচ্ছে কেন তোকে? কী হয়েছে?

    না, কিছু নয়।

    ভেতরে আয় না! মুখ গোমড়া করে বসে আছিস কেন? আয়।

    হেমাঙ্গ উঠল।

    মস্ত হলঘরটায় অতিথি সমাগম হচ্ছে। বেশির ভাগই চেনা মুখ। সুব্রত, অনু, চারুদির ছেলেমেয়েরা।

    আপনি কিন্তু রোগা হয়ে গেছেন।

    হেমাঙ্গ ফিরে তাকাল। যাকে দেখল তাকে চিনতেও একটু সময় লাগল তার।

    রোগা হয়ে গেছি!

    অনেক। কেন রোগা হলেন? বিরহে নয় তো!

    হেমাঙ্গর কান দুটো হঠাৎ একটু গরম হয়ে গেল। বিড় বিড় করে সে কয়েকবার আওড়াল, বিরহ? বিরহ? কেন বলুন তো!

    ঝুমকি একটুও হাসছে না। মুখটা থমথমে গম্ভীর। বলল, এমনি জিজ্ঞেস করলাম। কিছু মনে করবেন না।

    হেমাঙ্গ ছিপছিপে সুন্দর মেয়েটার দিকে চেয়ে ভাবতে লাগল, একে কী বলা যায়! মেয়েটা কি তাকে নিয়ে মজা করছে?

    একটু সময় নিয়ে সে গম্ভীর গলায় বলল, বিরহের কোনও কারণ তো দেখতে পাচ্ছি না।

    ঝুমকি একটু হাসল। বলল, তা হলে বোধহয় ডায়েটিং করছেন।

    ফাজিল মেয়েটির কাছ থেকে সরে যাওয়ার জন্য সে ‘এই যে, চয়নবাবু’ বলে এগিয়ে গেল।

    কিন্তু সারাক্ষণ সে মাঝে মাঝেই টের পেতে লাগল, একজোড়া চোখ তাকে কৌতূহলের সঙ্গে লক্ষ করছে, অনুসরণ করছে। কিছু বলতেও চাইছে কি? গেরো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছোটদের ২৫টি মজার গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article পঞ্চাশটি কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }