Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পৃথা – কালকূট (সমরেশ বসু)

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প100 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পৃথা – ১১

    ১১

    কুন্তী তাঁর পরবর্তীজীবনে, যখন কৃষ্ণকে দুঃখের সঙ্গে জানিয়েছিলেন, শৈশবে পিতৃস্নেহ থেকে বঞ্চনা দিয়েই জীবন শুরু হয়েছিল, তখন তিনি আরও কয়েকটি কথা বলেছিলেন, “.. শ্বশুরকুলেও ভীষ্ম ও ধৃতরাষ্ট্রাদির দ্বারা আমি লাঞ্ছিত হয়েছি। কৃষ্ণ! আমার মতো দুঃখীর বেঁচে থাকার আর কী প্রয়োজন?”…

    শ্বশুরকুলের কথা বলতে গিয়ে, সে সময় তিনি স্বামী পাণ্ডুর উল্লেখ করেননি। কৃষ্ণজ্ঞানী,অভিজ্ঞ, সমস্ত বিষয়ে নীতিবিশারদ। তথাপি তিনি কুম্ভীর ভ্রাতুষ্পুত্র। হয়তো সেই কারণেই তাঁরদাম্পত্যজীবনের কথা কৃষ্ণকে বলতে পারেননি। প্রথমজীবনে কন্যকাবস্থায় পুত্রলাভ ও পুত্রকে ত্যাগ করা, কোনো কথাই লজ্জায় বলতে পারেননি। কিন্তু শ্বশুরকুলে, কুম্ভী কী লাঞ্ছনা ভোগ করেছিলেন? দ্রৌপদীর লাঞ্ছনার সময় ভীষ্মের ও ধৃতরাষ্ট্রের আচরণে তিনি মর্মান্তিক দুঃখ পেয়েছিলেন। পুত্রবধূর লাঞ্ছনা, তাঁরও মানসিক লাঞ্ছনার বিষয়। কিন্তু ‘শ্বশুরের দ্বারাও লাঞ্ছিত হয়েছি’এ অভি- যোগটি যেন অত্যন্ত স্পষ্ট ভাবেই তাঁর নিজের বিষয়ে বলেছেন। কেন?

    কারণ নিশ্চয়ই ছিল।

    আমিযে-নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছি,সেখানেই তার জবাব নিহিত আছে। চম্পানগরীতে অধিরথ সূতের কাছে কর্ণকে পাঠিয়ে, কুন্তী অনেকটা আশ্বস্ত ছিলেন। পুত্র ত্যাগের কষ্টদূর হয় নি। তা সম্ভবও ছিল না। তবে, রাজা কুন্তীভোজের কন্যা কুস্তী যে এক অসাধারণ সুন্দরী রাজপুত্রী, এ বিষয়টি দেখছি, বেশভালো ভাবেই প্রচারিত ছিল। রাজা তো দেখছি, অনেক বর্তমান। তাঁদের অনেকের কন্যা থাকা সত্ত্বেও, কুন্তীর রূপৈশ্বর্যের যে-প্রচার ছিল, তেমনটি কারোরই দেখছি না। আরও একটি বৈশিষ্ট্য দেখা দিচ্ছিল। বিভিন্ন রাজ্যের রাজারা সকলেই কুম্ভীকে বিয়ে করার প্রস্তাব পাঠাচ্ছিলেন রাজা কুন্তিভোজকে।

    রাজা কুন্তি ভোজ পড়লেন মুশকিলে। সব রাজ্যের পরাক্রমশালী রাজারাই কুম্ভীর পাণিপ্রার্থী। বিশেষ কোন্ একজন রাজাকে তিনি কুন্তীকে সম্প্রদান করবেন? এ সিদ্ধান্ত নেওয়া যখন অসম্ভব হলো, তখন তিনি আত্মীয় বান্ধব অমাত্য, সকলের সঙ্গে আলোচনা করে, কুন্তীর বিয়ের জন্য স্বয়ংবর সভা আহ্বান করা স্থির করলেন। এবং আহ্বানও করলেন।

    এই স্বয়ংবর সভায় কুরুবংশের রাজা পাণ্ডুকেও দেখছি। ইতিহাসের পাতায়, পাণ্ডুর রূপের বর্ণনা দেখছি, তিনি স্বয়ংবর সভায় : সূর্যসদৃশ স্বীয় অনুপম প্রভাব দ্বারা সমস্ত ভূপতিগণের প্রভা ম্লান করে দিয়ে বসে আছেন। তাঁর কারণ প্রতাপ সিংহের মতো, বক্ষদেশ কষণ- সদৃশ প্রশস্ত, নয়নযুগল পদ্মসদৃশ। মহারাজ পাণ্ডুকে দেখলে, স্পষ্ট বোধহয়, যেন সাক্ষাৎ ইন্দ্র স্বর্গ ছেড়ে কুন্তীকে পাবার জন্য উপস্থিত হয়েছেন।’ বলাবাহুল্য, কুন্তী সেই মহাতেজা পুরুষকে দর্শন করে, তাঁর গলাতেই মাল্যদান করলেন।

    এই মাল্যদানের সময়, কুন্তীর কি দক্ষিণ চক্ষু কম্পিত হয়েছিল? কোনো অশুভ ভাবনা কি তাঁর মনে উদয় হয়েছিল? বস্তুতপক্ষে, পাণ্ডুর রূপের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তার কতোটাই বা সত্য? যাঁর ওরকম সিংহের মতো প্রতাপ আর সূর্যসম কান্তি, অথচ জন্মের সময় থেকেই দেখছি, তিনি একজন পাণ্ডুবর্ণের পুরুষ। ইতিহাস রূপকথা না। ব্যাসদেবের ঔরসে, ধৃতরাষ্ট্র অন্ধ হয়ে জন্মেছিলেন! কারণ, তাঁর মা ব্যাসদেবকে দেখে ভয়ে চোখ বুজেছিলেন। ইতিহাস যুক্তি চায়। মা গর্ভধারণের জন্য, ব্যাসদেবের সঙ্গে মিলিত হতে গিয়ে যেহেতু ভয়ে চোখ বুজেছিলেন, সেই হেতু সন্তান অন্ধ হয়ে জন্মেছিল, এ কথা বিশ্বাস করবার কোনো কারণ নেই। যেমন পাণ্ডুর জন্মের আগেই তাঁর জননী ব্যাসদেবকে দেখে, ভয়ে পাণ্ডুর হয়ে গিয়েছিলেন, সেই কারণে গর্ভের সন্তানও পাণ্ডুর বর্ণ হয়েছিল। এও কোনো যুক্তিসিদ্ধ ব্যাখ্যা না। আপাততঃ ত্রুটির সন্ধান করতে গিয়ে, আমি এই মুহূর্তে কিছু খুঁজে পাচ্ছি না। তবে, আমি একটা বিষয়ে নিঃসন্দেহ, ধৃতরাষ্ট্র ও পাণ্ডু স্বাভাবিক সুস্থ পুরুষ ছিলেন না।

    ধৃতরাষ্ট্রের অন্ধত্ব বিষয়ে,দেখছিকেউকেউ তাঁর বিষয়েও স্নেহান্ধতাকে বোঝাতে চেয়েছেন। এসব হলো ইতিহাসের পাতাকে দূষিত করার চেষ্টা। ধৃতরাষ্ট্র প্রকৃতই অন্ধ হয়ে জন্মে ছিলেন। সে ত্রুটি কার ছিল? অম্বিকার? না ব্যাসদেবের? যে বিচিত্রবীর্য ধৃতরাষ্ট্র ও পাণ্ডুর পিতা ছিলেন (পৈতৃক পরিচয়ের দিক থেকে ) সেই বিচিত্রবীর্যের দ্বারা কি তাঁর দুই পত্নী কোনোরূপ অসুস্থ হয়েছিলেন? ইতিহাস বলছে, বিচিত্রবীর্য দুই পত্নীর সঙ্গে অতিরিক্ত দৈহিক সম্ভোগের কারণে, যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন। বিচিত্রবীর্য নামের মধ্যে কি বিশেষ কোনো অর্থ আছে? রূপবান সুপুরুষকে কি বিচিত্রবীর্য বলা যেতে পারে?

    এই সব জিজ্ঞাসার মধ্যে কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার। দুই পত্নীর তুলনায়, বিচিত্রবীর্য বয়সে বেশ ছোট ছিলেন। এবং ছিলেন অত্যন্ত কামুক। ইতিহাসের নীরবতার অর্থ এই না, ইতিবৃত্তের অন্তরালের ঘটনাবলীকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা থাকবে না। বিচিত্রবীর্য কি অন্যান্য নারীতেও আসক্ত ছিলেন? যৌনব্যাধি পৃথিবীর মানব সমাজে এই প্রাচীন অভিশাপ। বিচিত্রবীর্য যদি কোনো ব্যাধি তাঁর দুই পত্নীকে দান করে গিয়ে থাকেন, সেটা খুব একটা আশ্চর্যের বিষয় না।

    আরও দুটি বিষয় আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। বেদব্যাস যে দাসীর গর্ভে পুত্র উৎপাদন করেছিলেন, সেই বিছর নিরোগ স্বাস্থ্যবান সুপুরুষ ছিলেন। তাঁর কোনো শারীরিক ত্রুটি ছিল না। বেদব্যাস এক শূদ্রার গর্ভে তাঁর পুত্র শুকদেবকে জন্ম দিয়েছিলেন। তিনিও সুস্থ ছিলেন। অথচ ধৃতরাষ্ট্র আর পাণ্ডু অস্বাভাবিক ত্রুটিপূর্ণ ছুটি সন্তান। আরও লক্ষণীয়, ধৃতরাষ্ট্র ও পাণ্ডুর জন্মের পর, অম্বিকা ও অম্বালিকার বিষয়ে আমি আর বিশেষ কোনো সংবাদই পাচ্ছি না যেন, ধৃতরাষ্ট্র আর পাণ্ডুকে জন্মদান করা ছাড়া,তাঁদের আর কোনো ভূমিকা ছিল না! হয় তো বাস্তবিকই তা ছিল না।

    ধৃতরাষ্ট্র জন্মান্ধ ছিলেন। কিন্তু পুত্রোৎপাদনে অক্ষম ছিলেন না। গান্ধারীর দীর্ঘকাল গর্ভধারণ, পিণ্ড প্রসব, তা থেকে একমাত্র পুত্রের জন্ম, এসব নিয়ে আপাততঃ আমার কোনো দরকার নেই। গান্ধারী ছাড়াও, তিনি দাসীর গর্ভে দুটি পুত্র উৎপাদন করেছিলেন। বোঝা যায় অন্ধ হলেও সন্তান জন্মদানে তিনি সক্ষম ছিলেন। কিন্তু পাণ্ডু?

    ‘অন্তিম প্ৰণয়’ কাহিনীতে আমি পাণ্ডুর প্রশ্ন তুলেছিলাম। ধৃতরাষ্ট্র অন্ধ ছিলেন বলে তিনি জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা হওয়া সত্ত্বেও, রাজা হতে পারেন নি। রাজা হয়েছিলেন পাণ্ডু। ভীষ্ম, ব্যাসদেব, এবং এমন কি ধৃতরাষ্ট্রও কি জানতেন না, পাণ্ডু প্রকৃতপক্ষে ত্রুটিহীন পুরুষ নন? তাঁর যে রূপ ও স্বাস্থ্যের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে পাণ্ডুবর্ণের যোগাযোগ ঘটায় তিনি যথার্থই কেমন দেখতে ছিলেন, তার সঠিক কিছু ব্যক্ত করা যায় নি।

    কুন্তী কি সত্যি পাণ্ডুর পরিচয় না জেনে, নিতান্ত চেহারা দেখে মুগ্ধহয়েই তাঁর গলায় মাল্যদান করেছিলেন? অথবা তিনি জানতেন সেই যুগের কুরুবংশের মহারাজা পাণ্ডুই ছিলেন শ্রেষ্ঠ নরপতি?

    সম্ভবতঃ এটাই সত্য। তিনি যদি পাণ্ডু সম্পর্কে আরও কিছু জানতেন তা হলে হয়তো সেই শুভ দিন, শুভ মুহূর্তটিতে পাণ্ডুর গলায় মালা পরাতেন না।

    এ বিষয়ে নিঃসন্দিগ্ধ হবার আগে, আমি পাণ্ডুর জীবনের কয়েকটি পাতা উলটে দেখতে চাই। পাণ্ডু বীর এবং যোদ্ধা ছিলেন। কুম্ভীর মাল্যদানের পর রাজা কুন্তিভোজ উভয়ের বেদবিহিতানুসারে বিয়ে দিলেন। আর দিলেন প্রচুর ধনসম্পত্তি। পাণ্ডু অসংখ্য ধ্বজপতাকা- যুক্ত সৈন্য সমভিব্যহারে হস্তিনায় প্রবেশ করলেন। তার মানে, স্বয়ংবরে যাবার সময়, পাণ্ডু সৈন্য সামন্ত নিয়ে গিয়েছিলেন। এ বিয়ের উৎসবে, হস্তিনার কোনো রাজপুরুষকেই দেখছি না? আবার, তার- পরেই দেখছি ভীষ্ম ধৃতরাষ্ট্র সবাই বেশ উৎসাহের সঙ্গে, পাণ্ডুকে আবার রাজা শল্যের ভগ্নি মাদ্রীর বিয়ে দিলেন।

    কুন্তী আর মাদ্রীকে বিয়ে করার পরে, পাণ্ডু হস্তিনা প্রাসাদে কতো দিন বাস করেছিলেন? ইতিহাস এখানেও কেমন একটি অস্পষ্টতায় আচ্ছন্ন। কোথাও বল। হয়েছে, কুম্ভীও মাদ্রীকে বিয়ে করার পর, তিনি কিছুকাল হস্তিনায় বাস করেছিলেন। আবার অন্যত্র বলা হয়েছে, দুই পত্নীসহ পাণ্ডু হস্তিনা প্রাসাদে এক মাস বাস করে- ছিলেন। কিছুকাল আর এক মাস, এক কথা নয়। একমাস বলার মধ্যে কোনো যুক্তি পাওয়া যায় না। ঠিক মাস গণনা করা কঠিন কিন্তু কালটাই ঠিক। একমাস হতে পারে। মাসাধিককাল হতে পারে। আবার এক মাসের কমও হতে পারে। ঐতিহাসিক ইচ্ছা করেই, এই প্রচ্ছন্নতা বজায় রেখেছেন। আরও একটি প্রশ্ন মনে জাগে। কুন্তীকে বিয়ে করে তিনি হস্তিনা নগরে ফিরলেন। তারপরে বাহীক—অর্থাৎ পাঞ্জাবের দুহিতা মাদ্রীকে বিয়ে করলেন। এ দুই বিষয়ের মধ্যে, কতো দিনের ব্যবধান ছিল, তা কিছুই জানা যায় না। শুধু একটি বিষয় স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, কুন্তী আর মাদ্রীর মতো দুটি যুবতী পত্নীর সঙ্গে, পাণ্ডুর মিলন ঘটে নি। অথবা, যদি ধরেও নিই, মিলন ঘটেছিল, তবু এমন প্রত্যাশা করা যায় না, সেই সময়ের মিলনেই, কুন্তী বা মাদ্রী গর্ভবর্তী হবেনই।

    তারপরে দেখছি, পাণ্ডু দুই পত্নীকে রেখে, বহু সৈন্য-সামন্ত নিয়ে দিগ্বিজয়ে বের হলেন। এ যুদ্ধ-যাত্রার প্রয়োজনও ছিল। রাজা শান্তনুর তেমন যুদ্ধাভিযানের সংবাদ ইতিহাসে নেই। ভীষ্মও তেমন যুদ্ধবিগ্রহ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন নি। কিন্তু আশেপাশের অনেক রাজ্য, কুরুবংশের বেশ ক্ষতি করেছিল। পাণ্ডু যুদ্ধযাত্রা করে, দর্শন দেশ প্রথম জয় করেন। তারপরে মগধ, মিথিলা, কাশী,

    সুক্ষ ও পুণ্ড জয় করেন। তা ছাড়াও আরও অনেক দেশ জয় করে, কুরু-বংশের গৌরব প্রতিষ্ঠা করে নিয়েছিলেন। এবং রাজ্যগুলো জয় করে যে-সব ধনরত্ন সংগ্রহ করেছিলেন, তা ভীষ্ম, ধৃতরাষ্ট্র, সত্যবর্তী, নিজের মা ও ছোট ভাই বিছুরকে দান করেছিলেন। এ সবই ইতিহাসে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। কিন্তু দিগ্বিজয় করে, বহু অর্থ ধনসম্পত্তি নিয়ে ফিরে এসে, রাজা হিসাবে দেশ শাসন করার পরিবর্তে, দুই পত্নীকে নিয়ে পাণ্ডু হঠাৎ বনে গমন করলেন কেন? ইতিহাস এ বিষয়ে একেবারে নীরব। অথচ, এখন পাণ্ডুর হঠাৎ বনে গমন একেবারেই যুক্তিহীন। অথবা, বুঝতে হবে, হস্তিনা নগরী ও প্রাসাদে এমন কোনো ঘটনা ঘটেছিল, পাণ্ডু রাজ্য ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। এ কারণটি যদি বাদ দিই, তবে কি বুঝবো পাণ্ডু বৈরাগ্যবশতঃই বনবাসে গিয়েছিলেন?

    তারপরেই দেখছি, সেই অতি পুরাতন অসার একটি কাহিনী। কিমদ্দক নামে এক ঋষি, বনের মধ্যে হরিণীর সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত ছিলেন। বলা হয়েছে, হরিণীটি কিমদ্দক ঋষির পত্নী। কোনো নাম নেই। ঋষির কুটিরে যেহেতু জায়গা নেই সেই হেতু জঙ্গলের মধ্যে স্বামী স্ত্রী হরিণের বেশ ধরে রমণে লিপ্ত হয়েছিলেন। আবার সেই অযৌক্তিক কাহিনীর অবতারণা। ভূতের গল্পের মতো, ভূতের নানা প্রাণীর বেশ ধারণ। কিন্তু ভৌতিক কাহিনী আর ইতিহাস এক বস্তু না। কোনো মুনি-ঋষিই কখনও কোনো প্রাণীর রূপ ধারণ করতে পারেন না। তবে পশুমৈথুন সম্ভব হতে পারে। কিমদ্দক হয় তো কোনো হরিণীর সঙ্গে মৈথুনে লিপ্ত হয়েছিলেন। পাণ্ডু মৃগয়ায় বেরিয়ে, সেই অবস্থায় দুজনকেই তীর বিদ্ধ করে হত্যা করেছিলেন।

    কিমদ্দক পাণ্ডুকে অভিশাপ দিয়েছিলেন, পাণ্ডুও যখন স্ত্রী সঙ্গমে লিপ্ত হতে যাবেন, তখন তাঁর মৃত্যু ঘটবে।

    ইতিহাসে অভিশাপের ঘটনাগুলোকে ঐশী শক্তির দ্বারা প্রমাণিত করার চেষ্টা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, অভিশাপের মধ্যে কোনো ঐশী শক্তি নেই। অলৌকিকতাও নেই। যা আছে, তা হলো, সেই যুগে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা জ্যোতিষী বা অন্য কোনো গুণের প্রভাবে ভবিষ্য- দ্বাণী করতে পারতেন। কিন্তু কিমদ্দক মুনির হরিণ বেশে মৈথুন, পাণ্ডুর মৃগহত্যা, অভিশাপ, সবটাই অবাস্তব বোধহয়। কাহিনীটি আগাগোড়া সাজানো। এবং অবশ্যই তার উদ্দেশ্যও রয়েছে।

    পাণ্ডু যখন কুন্তী ও মাদ্রীর মতো দুই হস্তিনীর মধ্যে বিশাল হস্তীর ন্যায় বনে মহানন্দে ভ্রমণ করছিলেন, তখন হস্তিনায় বিদুরের বিয়ে হয়। ধৃতরাষ্ট্রের ঔরসে দাসী বা বৈশ্যা পত্নীর গর্ভে যুযুৎসুর জন্ম হয়। গান্ধারীর গর্ভে দুঃশলা নামে এক কন্যারও জন্ম হয়। হস্তিনা নগরে এত ঘটনা ঘটে যাচ্ছিল। ধৃতরাষ্ট্রের দাসীর গর্ভে ছেলে হলো। গান্ধার প্রসব করলেন এক কন্যা। আর হস্তীর ন্যায় বিশাল তেজস্বীপুরুষ পাণ্ডু দুই পত্নীর গর্ভে একটি সন্তান উৎপাদন করতে পারলেন না? যদি দেখতাম, এসব ঘটনা ঘটবার আগেই, কিমদ্দক মুনির অভিশাপের ঘটনাটি ঘটে গিয়েছে, তা হলেও একটা কথা ছিল। কিন্তু যুযুৎসু আর দুঃশলার জন্মও বিছরের বিয়ের পরে, অভিশাপের ঘটনাটি ঘটলো।

    প্রকৃতপক্ষে অভিশাপের ঘটনাটি হয় প্রক্ষিপ্ত। অন্যথায় স্বয়ং ব্যাস দেব কুরুবংশের রাজাকে ক্লীব দেখাতে চান নি বলেই এরকম একটি কাহিনীর অবতারণা করেছে। কোনো সন্দেহ নেই, পাণ্ডু যতোই বলশালী পুরুষ হোন, তিনি ছিলেন অসুস্থ। কেবল মৃত শুক্রের ধারক ছিলেন না। তাঁর এমন কোনো ব্যাধি ছিল, যে ব্যাধির কারণে নারী সঙ্গমে লিপ্ত হলেই, মৃত্যু ছিল অবধারিত। অভিশপ্ত হবার আগে দুই পত্নীকে গর্ভবতী করার মতো সময় তিনি অনেক পেয়েছিলেন। কিন্তু পারেন নি। ইতিহাস অলক্ষ্য থেকে, নীরবেই তার প্রমাণ দিচ্ছে। ভবিষ্যতে কুন্তীর, শ্বশুরকুলের লাঞ্ছনার কথাতেই তার প্রমাণ রয়েছে। শ্বশুরকুলের লাঞ্ছনা বলতে তিনি ভীষ্মকে, বেদব্যাসকে, যুদ্ধ বা দ্রৌপদী লাঞ্ছনার জন্য দায়ী করেন নি। শ্বশুরকুলের মধ্যে ধৃতরাষ্ট্রকেও ধরা হয়েছে।

    কুন্তী বিয়ের পর, হস্তিনা নগরের প্রাসাদেই পাণ্ডুর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেছিলেন। তিনি স্বয়ংবর সভায় যে-বীর পুরুষকে মাল্যদান করেছিলেন, স্বভাবতই তাঁর প্রত্যাশা ছিল, স্বামী সহ- বাসের দ্বারা অচিরাৎ সুখী হবেন। তাঁর কন্যকাবস্থার পুত্রকে যেহেতু নিজে লালন-পালন করতে পারেন নি, সেই হেতু তিনি স্বাভাবিক কারণেই, দেহে মনে অতি পুত্রার্থিনী হয়েছিলন। অথচ সেই প্রত্যাশিত মিলন ঘটেনি। তারপরেই আবার মাদ্রীর সঙ্গে বিয়ের ব্যবস্থা তাঁকে অবাক করেছিল। দুঃখও দিয়েছিল। ভেবেছিলেন, বাহীক কন্যা, মাদ্রীকেই হয়তো মহারাজ বেশি পচ্ছন্দ করেন। কিন্তু কুন্তী দেখেছিলেন পাণ্ডু মাদ্রীর সঙ্গেও সহবাসে লিপ্ত হন নি। পাণ্ডু যুদ্ধযাত্রা করেছিলেন। ফিরে এসে, হস্তিনা ত্যাগ করে বনে গমন।

    কুন্তী বনবাসকালেই প্রথম নিশ্চিত বুঝতে পারলেন, বাইরে থেকে যে-পুরুষকে তিনি সূর্যসম উজ্জ্বল বলশালী দেখিয়ে ছিলেন, প্ৰকৃত- পক্ষে তিনি এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত। মৃগয়ায় গিয়ে যিনি অক্লেশে ব্যাঘ্র সিংহ হত্যা করেন, সেই তিনি স্ত্রী সহবাসে অক্ষম। “শ্বশুরের দ্বারাও লাঞ্ছিত হয়েছি” কুম্ভীর এই কথার একটিই অর্থ হয়। ভীষ্ম বেদব্যাস, এমন কি তাঁর ভাসুর ধৃতরাষ্ট্রও জানতেন, পাণ্ডুর বিবাহ অনুচিত। তাঁর স্ত্রী গ্রহণ করা নিষ্ফল হবে। এসব জেনেও তাঁরা পাণ্ডুকে কুন্তীর স্বয়ংবর সভায় যেতে নিষেধ করেন নি। উপরন্তু রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য শল্য-ভগ্নী মাদ্রীরও ক্ষতি করেছিলেন।

    পাণ্ডুর সঙ্গে বনবাসকালে, কুন্তী মাদ্রী প্রকৃতপক্ষে বৈধব্য জীবন যাপন করেছিলেন। আমি স্পষ্টই দেখতে পাচ্ছি; কিমদ্দকের ঘটনা একটি কল্পিত অবাস্তব কাহিনী মাত্র। পাণ্ডু কুন্তীর কাছে সত্য প্রকাশে বাধ্য হলেন। তিনি কুন্তীকে বললেন, “মহারানী আমি আমার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার মতোই জন্ম থেকে এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত। স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত হলে আমার মৃত্যু অনিবার্য। আমি বুথাই বীরত্ব প্রদর্শন করি। এখন থেকে আমি সাত্ত্বিক জীবন-যাপন করবো। আমি আমার সমস্ত রাজপোশাক হস্তিনায় পাঠিয়ে দেবো। তোমাদের নিয়ে শতশৃঙ্গ পর্বতে গিয়ে তপস্যায় রত হবো। তবে তোমাদের আমি আমার সঙ্গে, আমার মতো জীবন-যাপন করতে দিতে চাই না।”

    পাণ্ডুর শেষের কথাটি যে কুম্ভী মানবেন না, তা জানাই ছিল। কুন্তী তাঁর দুঃখের কারণসমূহ সকলই অবগত হয়েছিলেন। এবং পাণ্ডুকে বলেছিলেন, “আমি ও মাদ্রী, আপনার সঙ্গে, আপনার মতোই জীবন-যাপন করবো। আমরাও আপনার মতো তপস্যায় নিরত হবো। ব্রহ্মচর্য পালন করবো।”

    পাণ্ডুর যে-ব্যাধিই থাক, তথাপি তিনি ছিলেন কুরুবংশের রাজা পথা তিনিই কি বৈরাগ্য নিয়েই, দুই পত্নীসহ হস্তিনা ত্যাগ করে বনে গমন করেছিলেন? না কি আরও গভীর কোনো কারণ ছিল। থাকাই স্বাভাবিক। তিনি জানতেন, তাঁর কোনো সন্তানাদি হবেনা। হস্তিনায় থেকে, তাঁকে দেখতে হবে, ধৃতরাষ্ট্রের পুত্র কুরু সিংহাসনে বসবে। তার চেয়ে পত্নীদের নিয়ে বনগমন শ্রেয়ঃ। সেখানেই তাঁকে ভাবতে হবে, ভবিষ্যতের জন্য কী করা যায়। অথবা, তিনি তখনই ক্ষেত্রজ সন্তানের কথা ভেবেছিলেন। হস্তিনায় থেকে, ক্ষেত্রজ সন্তান পাওয়া তাঁর পক্ষে নিশ্চয়ই কঠিন ছিল। আর কেউ বাধা না দিলেও, ধৃতরাষ্ট্র ও তাঁর সঙ্গীরা বাধা দিতেন। কেন না, ইতিহাসে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি, কুন্তী ও মাদ্রীর পরে, আর কোনো রানীই ক্ষেত্রজ সন্তানের জন্ম দেন নি। এর একটাই কারণ। সমাজে সেই সময়ে ক্ষেত্রজ সন্তান উৎপাদন নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল। অতএব, হস্তিনায় থাকলে, পাণ্ডু ক্ষেত্রজ সন্তান উৎপাদন করতে পারতেন না। অথচ, তিনি মনে মনে চেয়েছিলেন, তাঁর ক্ষেত্রজ পুত্ররা, তাঁর নামে সিংহাসনের দাবীদার হবে। রাজা হবে।

    ক্ষেত্রজ পুত্রের জন্য শতশৃঙ্গ পর্বতে যেতে হলো কেন?

    শতশৃঙ্গ পর্বতে অনেক মুনি ঋষিগণ তপস্যা করতেন। পাণ্ডু তাঁদের সহায়তা চেয়েছিলেন। সেই সব মুনি ঋষিরা যেন ক্ষেত্রজ পুত্রোৎ- পাদনের সম্মতি দেন, এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য। তাঁদের সঙ্গে পাণ্ডুর বিশেষ হৃদ্যতা জন্মালো। তাঁরা পাণ্ডুর মনোগত বাসনার কথা জেনে, বললেন, “যার পুত্র নেই, তিনি পিতৃঋণে আবদ্ধ থাকেন। অতএব পিতৃঋণ পরিশোধের জন্য তাঁর পুত্রোৎপাদন অবশ্য কর্তব্য। পিতৃঋণ অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু পাত্রর নিজের পক্ষে যখন পুত্রোৎপাদন সম্ভব না, তিনি প্রাচীন মতানুসারে ক্ষেত্রজ পুত্র লাভ করতে পারেন। ব্রাক্ষণরা যখন এই নিদান দিলেন, তখন পাণ্ডুর মনে আর কোনো দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকলো না। তিনি প্ৰথম অনুরোধ নিয়ে কুন্তীর কাছে গেলেন।

    কুন্তী কানীন পুত্রের জননী। তিনি জানতেন, সমাজে সেটি একটি গর্হিত অন্যায় কাজ, সেই কারণে তিনি পুত্র স্নেহ থেকে বঞ্চিত। ক্ষেত্রজ পুত্র উৎপাদনও অরুচিত। কুম্ভী প্রথমে বললেন, “মহারাজ, আপনি আমার সঙ্গেই সহবাসে লিপ্ত হোন। আপনার সঙ্গে আমিও স্বর্গে যাবো।”

    বস্তুতপক্ষে এ কথা কুন্তী আদৌ বলতেই পারেন না। পুত্র লাভের জন্য, স্বামী প্রাণ হারাবেন, তিনি তা কখনও চান নি। বরং তিনি বহু পূর্বের কুরু বংশেরই রাজা ব্যুষিতাশ্বের জীবনের ঘটনা বলে – ছিলেন। ব্যুষিতাশ্ব আপন শক্তিতে বিশাল রাজ্য সৃষ্টি করেছে, সহসা অপুত্রক অবস্থায় মারা গিয়েছিলেন। তাঁর মহিষী ভদ্র! প্রাণত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আকাশবাণী শুনে- ছিলেন, ব্যুষিতাশ্ব বলেছিলেন, তিনি স্বয়ং তাঁর শবদেহে আবির্ভূত হয়ে, স্ত্রীর গর্ভে সন্তান উৎপাদন করবেন।

    ব্যুষিতাশ্ব ভদ্রার গর্ভে তিনজন শাল্ব ও চারজন মদ্রের জন্ম দিয়ে- ছিলেন। কুন্তী এই কাহিনী শুনিয়ে, পাণ্ডুকে বললেন, “আপনি এভাবে আমার গর্ভে পুত্রোৎপাদন করে, আমার সতীত্ব রক্ষা করুন।”

    পাণ্ডু জানতেন,ঘটনাটি অবাস্তব। অতএব, তিনি কুন্তীকে বোঝাবার জন্য বললেন, “রাজা ব্যুষিতাশ্ব ছিলেন দেবতুল্য মানুষ। তিনি যা পারতেন, আমি তা পারি না।” এই বলে তিনি কুন্তীকে সংহিতা যুগের কথা শোনালেন, নারী পুরুষ যদৃচ্ছা স্ব স্ব জাতিতে মিলিত হলে কোনো দোষ হতো না। উত্তর কুরুতে (সাইবেরিয়ায়) এখনও সে ব্যবস্থা প্রচলিত আছে। তিনি তখন তাঁর নিজের জন্মের কথাও শোনালেন।

    কুম্ভী শেষ পর্যন্ত সম্মত হলেন। শুধু সম্মত হলেন না। কুমারী অবস্থায়, দুর্বাসার সেবার জন্য তিনি যে বর হিসেবে বিশেষ মন্ত্র- প্রাপ্ত হয়ে, যে-কোনো দেবতাকে ডেকে নিজের অভিলাষ পূরণ করতে পারেন, সে-কথাও বলতে ভুললেন না। কিন্তু কর্ণের জন্মের কথা ঘুণাক্ষরেও প্রকাশ করলেন না। জীবনে কোনো কালেই স্বামীর কাছে তিনি তা প্রকাশ করেন নি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅমৃত কুম্ভের সন্ধানে – কালকূট (সমরেশ বসু)
    Next Article মহাকালের রথের ঘোড়া – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    বিবর – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }