Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – মহাশ্বেতা দেবী

    মহাশ্বেতা দেবী এক পাতা গল্প83 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – ২

    দুই

    বৃষ্টি কমে তার পরদিন বিকেলে। বৃষ্টির জোরটা কমে। আর তার পরদিন আকাশে ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘ, এই আছে, এই নেই।

    তার পরদিন একেবারে নির্মেঘ আকাশ উজ্জ্বল রোদ। সব যেন আলোয় ভেসে যাচ্ছে।

    অথচ কি অন্ধকার, কি গাঢ় তমিস্রা নেমেছিল এই টাউনে, কি অশুভ কালো ছায়া।

    সুজাতার মার অবস্থা এতই খারাপ ছিল যে পুতলি পরদিন আসতে পারেনি। বিকেলে যখন বৃষ্টি কমল, তখন তো ওঁর শেষ অবস্থা।

    পুতলিই সুজাতাকে হাত ধরে নিয়ে এল। সুজাতা কপালের দু’রগ টিপে আস্তে আস্তে এলেন। তারপর বললেন, এত কষ্ট কেন পাচ্ছে মা?

    ডাক্তারকে বললেন, মা তো থাকবেই না, এই যন্ত্রণাটা কমানো যায় না?

    ওঁর মামা বললেন, এ যন্ত্রণা কে কমাবে মা? জানি না শ্বাসকষ্ট কতক্ষণ পাবেন দিদি।

    পুতলি অবাক, বিস্ফারিত চোখে দেখছিল। এমনি করেই মরে যায় মানুষ? খাটে ওই যে বৃদ্ধা শীর্ণ মানুষটির চোখ ঠেলে উঠছে, নিশ্বাসের জন্যে হাঁকপাঁক করছেন, ওঁরই ছবি ঘরের দেয়ালে?

    বিয়ের পর স্টুডিওতে তোলানো ছবি, বোর্ন অ্যানড শেপার্ডে। চোদ্দ বছরের বউ, কুড়ি বছরের বর।

    তারপর নানা বয়সের ছবি। ছেলে মেয়েদের সঙ্গে, শিশু সুজাতাকে কোলে নিয়ে। কাটা কাটা মুখ চোখ, কোঁকড়া চুলে খোঁপা বাঁধা, সিলক বা ঢাকাই বা তসর পরনে। জামার হাতে গলায় লেস।

    ওঁর সঙ্গে বিছানায় শুয়ে থাকা মানুষটির কোনো সাদৃশ্য নেই।

    পুতলি মুখে আঁচল গুঁজল, ওর কান্না পাচ্ছিল। সমু, গুলতি, তাপস, অমিত, সব দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে। নিশীথই সুজাতার পাশে দাঁড়িয়েছিল।

    ডাক্তার সোম মাথা নেড়ে এক সময়ে উঠে দাঁড়ালেন। সুজাতা মায়ের মুখের ওপর ঝুঁকে বসে থাকলেন। সমু এগিয়ে এল, পুতলি, বাইরে চল।

    —মাসিমা…মাসিমা কি…

    —হ্যাঁ, চল।

    বাইরে এসে পুতলি কেঁদে ফেলল।

    —কাঁদছিস কেন?

    —মাসিমা…এত…

    —মাসিমা বেঁচে গেলেন, মুক্তি পেলেন বল। যুক্তি দিয়ে বোঝ পুতলি, যেমন কষ্ট পাচ্ছিলেন, সুজাতাদিকে যত কষ্ট দিচ্ছিলেন, সেটা একটা অসহ্য অবস্থা। সুজাতাদির পক্ষে দেখা আর সহ্য করাটা কি কষ্টকর তাই বল।

    —সত্যি সমু, সত্যি, তবু…

    —তুই কাউকে মরতে—টরতে দেখিসনি, তাই না? তাই এত…

    মানে…

    পুতলি সজোরে মাথা নাড়ল।

    না, সে দেখেনি কাউকে মরতে, দেখতে চায় না।

    —আমরা তো বুঝেছিলাম, টাইমটা দেখছিলাম শুধু…কতক্ষণ কষ্ট পান।

    গুলতি আর তাপস বেরিয়ে এল। গুলতি সবচেয়ে অভিজ্ঞ এসব বিষয়ে।

    আকাশের দিকে চেয়ে বলল, বিকেল বিকেল মারা গেল, সুজাতাদি ‘রাতেই দাহ হবে’ না বললে বাঁচি। শ্মশান জাব হয়ে আছে মাইরি, কাঠফাট সব ভিজে, রাস্তায় কাদা।

    পুতলি বলল, ওঃ গুলতি! এখন এ সব কথা…

    —যা বাব্বা, কি হলো?

    —সুজাতাদি শুনলে…

    —আরে দাহ করতে হবে…

    সমু বলল, তুই বাড়ি যাবি না?

    —এখনি কি করে যাব? একটা ফোন করি বাড়িতে…মা—বাবা বুঝবে যে এখন যাওয়া চলে না।

    পুতলি ফোন করেছিল।

    মা—বাবা বুঝেছিলেন।

    অশ্রু, বলেছিলেন, কাল চলে এসো। সুজাতার ওখানে তো অনেক লোক। ওর ভাইবোনও আসবে।

    ডাক্তার সোম ডেথ সার্টিফিকেট লিখে দিয়ে, সুজাতাকে ‘বি ব্রেভ’ বলে চলে গেলেন।

    পুতলিরা ও ঘরে ঢুকল। সুজাতা হেলান দিয়ে বসে আছেন। মামীমা, বাড়ির পুরনো কাজের লোক দু’জন মৃদু গুঞ্জনে কাঁদছেন। সুজাতার মার মুখ এখন শান্ত ও অন্যরকম দেখাচ্ছে।

    নিশীথকে পুতলি আগে দেখেনি। কালো, বলিষ্ঠ, মাঝামাঝি লম্বা চেহারার মানুষ। চুল ছাঁটা, পরনে পাঞ্জাবি ও জিনসের প্যান্ট। নিশীথই যেন বুঝল, ওকে এখন পরিস্থিতির দায়িত্ব নিতে হবে।

    —সুজাতাদি।

    —বলো নিশীথ।

    —ভালই গেছেন মাসিমা। এ অবস্থায় বেঁচে থেকে কষ্ট পাচ্ছিলেন।

    —হ্যাঁ…শান্তি পেয়েছেন।

    —রনোদা, জয়, সুচেতাদি, এদের তো খবর দিতে হয়।

    —হ্যাঁ…

    —আর, আজ তো ফিউনেরাল হচ্ছে না?

    —নিশীথ, আমি কিছু ভাবতে পারছি না। পুতলি কোথায়?

    —এই তো সুজাতাদি!

    —আজ থাকবে?

    হ্যাঁ, সুজাতাদি।

    নিশীথ বলল, দ্যাটস গুড। আপনি থাকলে সুজাতাদির একটু…

    —থাকব। মাকে বলেছি।

    হাতঘড়িটা দেখে নিশীথ বলে, একটু চা অর্গানাইজ করে ফেলুন তো!

    সুজাতাদিকে বলে, চলো, ও ঘরে। শুয়ে থাকো। কাল থেকে জেগে আছ।

    সুজাতাদি বলেন, চলো।

    ওঁকে ধরে ধরে নিয়ে যায় নিশীথ। পুতলি চলে যায় চা করতে। তাপস বলে, চল, আমি তোর সঙ্গে যাচ্ছি।

    ওরা চা খায় সুজাতার ঘরে বসে। নিশীথ নিচু গলায় বলে, আমি ওঁর ভাইকে খবর দিচ্ছি। জানি না লাইন পাব কি না।

    গুলতি বলে, বডি রাখবেন তো?

    —রাখতেই হবে। কাল সকাল দশটা নাগাদ এসে যাবেন। আপনারা আজ বাড়ি গিয়ে রেস্ট নিন; আপনারাই তো সব করবেন।

    —বরফ দিয়ে রাখতে হবে?

    —কোথায় পাবেন বরফ এখন? এ দিকটা আমি সামলে নেব। লোক তো আছে। এত রিকশাওলা, বস্তির লোক…

    সমু বলে, পুতলি যেন রাতে একটু ঘুমোয়।

    নিশীথ ঈষৎ হাসে ও আঙুল তোলে।

    —সব আমার উপর ছেড়ে দিন তো।

    —সুজাতাদিকে আপনি অনেক দিন চেনেন?

    —অনেক দিন। আপনাদের কথা কত বলেছে আমাকে। কলকাতা গেলে তো আমার ওখানেই ওঠে। কতবার বলেছে, আপনাদের পেয়ে ওঁর বাঁচার ইচ্ছেটা ফিরে এসেছে।

    অমিত বলে, আমাদের…খুব আপনজন।

    —তাই তো দেখলাম। আপনাদের সঙ্গে দেখা হয়নি। নইলে দু’বছরে তিন বার ঘুরে গেছি মাসিমার কাছে।

    মামীমা বললেন, আরে নিশীথের বোনকেই তো বিয়ে করেছে সুজয়, ওদের ছোটভাই।

    নিশীথ বলল, সুজাতাদি আর মাসিমার সঙ্গে সম্পর্কটা অন্য রকম…যাক গে। মামীমা, এ বাড়িতে তো আজ রান্না হবে না, তাই না?

    সুজাতা ক্ষীণ স্বরে বললেন, ও সব মানামানি করে কি হবে নিশীথ?

    —তুমি থামো।

    —তোমরা…

    —ছেলেরা চলে যাক আজ। দু’রাত জেগেছে। কাল আসুক দশটা নাগাদ।

    —তুমি কল বুক করো।

    গুলতি বলে, আমি টেলিফোন আপিস থেকে বরং সহজে লাইন পাব, যদি পাই।

    —দেখ!

    নিশীথ বলে, হয়ে যাবে সব।

    —মাকে একটু পরিষ্কার…

    —তুমি থামবে? শোও, শুয়ে থাকো। মামীমা একটু ধুনো দিন ঘরে ঘরে, এ ঘরে মশার ধূপ জ্বেলে দিন। সবই তো করতে হবে, কিছু তো থেমে থাকবে না।

    মামীমা বলেন, তুমিই এ সময়ে এসে পড়লে, এটা মস্ত ভরসা…

    —সুজাতাদি ডেকেছিল।

    সমু পুতলিকে বলে, আমরা যাচ্ছি তবে। তুই কিন্তু রেস্ট করিস।

    —হ্যাঁ…কাল কখন আসবি?

    —সকালেই।

    ছেলেরা চলে গিয়েছিল। জহর রিকশাঅলাকে পাঠিয়ে নিশীথ পথের ধার থেকে রুটি তরকারি আনাল। সুজাতাকে হরলিকস খাওয়াল, ঘুমের ওষুধ। বলল, আমি থাকব ওঁর ঘরে।

    ভরসা, একটা মস্ত ভরসা।

    ট্রাঙ্ককল বুক করে নিশীথই মাসিমাকে গা মুছিয়ে, ধোয়া কাপড় জামা পরিয়ে, বিছানায় ফর্সা চাদর পেতে শুইয়ে দিল। গায়ে চাদর ঢেকে ফ্যানটা খুলে দিল, ধূপ জ্বেলে দিল ঘরে।

    মামীমাকে বলল, ছোঁয়ালেপা হেনতেন বলবেন না। স্নান আমি করব।

    —দেখ! তিনিও তেমন মানত না, এরা তেমন মানে না, সুজাতা তো বিশ্বাসই করে না কিছু। কিন্তু যেটুকু নিয়ম…

    —সব হবে।

    ট্রাঙ্কে লাইন পেতে পেতে রাত দশটা হলো।

    —রণোদা, আমি নিশীথ…হ্যাঁ, তিনটে দশে…ঘুমোচ্ছে, ওষুধ দিলাম…কয়েক রাত জেগেছে…। ও! শেষ খবর দিচ্ছি কেন? তোমায় তো বলে এসেছিলাম, মাসিমা সিরিয়াস। সুজাতাদি ডেকেছে। তুমি তো ট্যুরে গেলে।…এলে আসবে, তুমি বা জয়…কাল এগারোটা নাগাদ বেরোতে হবে, আর রাখা যাবে না। কি? রিচুয়ালস? ও সব আমি জানি না। তোমরা যা হয়…এঃ, এ কি হলো?

    রিসিভার নামিয়ে নিশীথ বলল, কেটে গেল।

    মামীমা বললেন, ওরা আসবে? খবর তো সুজাতা বারবার দিয়েছে।

    —সিংহদের ব্যাপার! আমি রণোদাকে বললাম, ছেলেরা জয়কে বলবে, রাতে গাড়ি নিয়ে বেরোলেও সকালে পৌঁছে যাবে। না এলেও আটকাবে না। ওরা যে আসবেই, তা আপনি জানেন, আমিও জানি।

    —জানি…সম্পত্তি…

    —ছেড়ে দিন ও সব কথা। এই যে, পুতলি। আসুন, কিছু খেয়ে নিন।

    পুতলি নীরবে এসে দাঁড়াল।

    —বসুন। আপনি না খেলে আমি বা খাই কি করে?

    —আমার নাম পল্লবী।

    —বেশ নাম। নিন, খান।

    —ভাল লাগছে না।

    —ভাল লাগার কি আছে?

    —ভাল লাগার কি আছে? এটা প্রয়োজন। মামীমা, আপনারা কি করবেন?

    —আমরা আছি এরা আছে…খাব যা হয়। রক্তের সম্পর্কই নেই, নইলে ওর মা…

    —জানি। দেখছি তো এত বছর…

    পুতলি বলল, আমরা কেউ আপনাকে দেখিনি।

    —না, সন্ধ্যায় পৌঁছতাম…পরদিন চলে যেতাম…সুজাতাদি তো ডাকে সবসময়ে…

    —আমার মা’র সঙ্গে পড়তেন…

    —ওকে ‘দিদি’ বলি, মায়ের কাজ করেছে।

    —আপনার বোন ওঁর…

    —ওটা আমার বোন আর ওঁর ভাইয়ের ব্যাপার। তাই বাইরেই আমার সম্পর্কটা…

    —অনেক দিনের?

    —অনেক দিনের। আমার বয়স ত্রিশ। বলতে পারেন আমার জন্ম থেকেই ওঁকে দেখেছি। মানে…একদা উনি আমার কাকীমা হবেন এমন সম্ভাবনা ছিল। তা হয়নি। কিন্তু আমাদের সঙ্গে ওঁর একটা আলাদা সম্পর্ক…

    —আপনার মায়ের নাম মনীষা? যাঁর কথা সুজাতাদি বলেন?

    —ঠিক বলেছেন। নিন, শেষ করুন। আমি স্নান করব, মাসিমার ঘরে থাকব।

    মামীমা বললেন, স্টোভের পাশে কেটলি, কফি, সব আছে ‘নিশীথ’।

    —করে নেব। যান তো, শুয়ে পড়ুন।

    মামীমা চলে গেলে নিশীথ বলে, মাসিমা এত বছর অসুস্থ যে, ভাবিনি এত বছর বাঁচবেন।

    —সুজাতাদি যা যত্ন করত…

    —সিংহ বংশে পুরুষ তো ও একা। দিদি, দুই ভাই, সব কলকাতাতেই থাকে। আসবে সবাই…বাড়ি…বাগান…সম্পত্তি…

    —সুজাতাদি যাবে না।

    —না গেলেই ভাল। যান, শুয়ে পড়ুন।

    সুজাতাদির পাশে শুয়ে পড়েছিল পুতলি। ওঁর গায়ে হাত রেখে ঘুমিয়েও পড়েছিল। জানতও না যে এটাই অনেক দিনের মতো শেষ নিশ্চিন্তে ঘুম হবে ওর।

    পরদিন সুজাতাদির দু’ভাই এসেছিল, সুনন্দ আর সুজয়।

    ওরাই শ্মশানে গেল, সুজাতা থেকে গেলেন। নিশীথও গেল।

    সুজাতা বললেন, এখন ওরা করুক।

    পুতলি বলল, তুমি একা থাকবে?

    —একা কিসের? মামীমারা আছেন, তুই চলে যা বেলা থাকতে থাকতে।

    —না, ওরা ফিরুক।

    মামীমা কাছের কলোনি থেকে ডেকে আনলেন কাদের। বাড়ি ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা নিয়ম। পুতলি স্নান করল, সুজাতাও।

    সুজাতাদির জামা কাপড় পরে মামীমার ঘরে গিয়ে পুতলি ভাত খেয়ে এল।

    —তুই যাবি না পুতলি?

    —একটু শুয়ে থাকি তোমার কাছে।

    —শ্মশান বহুদূর, চন্দনপাড়া কি এখানে? ওদের ফিরতে দেরি হবে।

    —রিকশায় চলে যাব আমি আর সমু।

    —স্কুল থেকে, ক্লাব থেকে, সব শ্মশানেই যাবে। এত দূরে কে আসবে?

    —তোমার দিদি এলেন না?

    ঈষৎ তিক্ত গলায় সুজাতা বললেন, আসবে। সুচেতা রায় আসবে। নিজের কন্ট্রাক্টর স্বামী, রণো আর জয়ের বউরা, সব নিয়ে আসবে। মার শ্রাদ্ধশান্তিতে কত জাঁক হবে দেখিস?

    ঘুম ঘুম গলায় পুতলি বলেছিল, তোমার মতো খালি খালি তো ওদের লাগবে না।

    তারপর ঘুমিয়ে পড়েছিল।

    ঘুম ভাঙতে সন্ধ্যা।

    সুজাতা বললেন, কি করবি এখন? অশ্রু বারবার ফোন করছে।

    —সন্ধ্যা হয়ে গেল?

    —ভীষণ ঘুমিয়েছিস।

    —ওরা ফেরেনি?

    —একটায় তো বেরোল, এবার ফিরবে বোধহয়।

    —আমি আর দেরি করব না, চলে যাই।

    যেতে পারবি?

    —কত বার গেছি! রাস্তায় গেলেই তো রিকশা পেয়ে যাব।

    চুলে এলো খোঁপা জড়িয়ে নিয়ে পুতলি বেরিয়ে পড়েছিল। খানিকটা এগোলেই বড় রাস্তা, রিকশা পেয়ে যাবে। বাড়িতে মা—বাবা ভাবছে নিশ্চয়। ইশ, এতটা ঘুম পেয়ে গেল কেন?

    বড় রাস্তা দেখা যাচ্ছে, দেখা যাচ্ছে, হঠাৎ সব ঘুটঘুটে হয়ে গেল।

    লোডশেডিং! টর্চ তো নেই!

    ফিরে যাবে আবার?

    না, সাবধানে এগোলেই তো বড় রাস্তা। যে হোটেল তৈরি হচ্ছে, তার পাশে পৌঁছেই লোডশেডিংটা হলো?

    একটা গাড়ি দাঁড়াল সামনে, ঘ্যাঁচ করে।

    টর্চের আলো পুতলির মুখে।

    হাতে মুখ আড়াল করে পুতলি এগোল।

    গাড়ির পাশ কাটিয়ে আরো একটু, আর খানিকটা এগোলেই…

    গাড়ির দরজা খুলে কারা নামল।

    পুতলি পাশ কাটিয়ে চলে যাবে, চলে যাচ্ছে, অসম্ভব পেশাদারী দক্ষতায় কারা ওর মুখ চেপে ধরল, টেনে তুলল গাড়িতে।

    গন্ধ, মদের গন্ধ। একজন মুখ চেপে আছে, আরেকজনের লোলুপ হাত ওর হাত দুটো চেপে আছে।

    —স্পীডে বেরিয়ে যা!

    কে বলল?

    .

    অশ্রু আর নীহার, আর শ্মশানযাত্রীরা নিষ্প্রদীপ অন্ধকারেই এসেছিলেন সুজাতাদের বাড়ি।

    —পুতলি! পুতলি কোথায়?

    —সে তো চলে গেছে কখন?

    —কখন?

    —লোডশেডিং হলো ও বেরোবার কিছুটা বাদেই। সে তো…

    —এক ঘণ্টা হয়ে গেল?

    —বাড়ি যায়নি?

    —না সুজাতা, না! কেন, কেন এত দেরিতে একা ছেড়ে দিলে?

    —ও ঘুমিয়ে…

    —কেন একা যেতে…

    —পড়েছিল, বললাম, শ্মশান থেকে…

    —দিলে, এই বয়স ওর…এ দিকটা…

    —ওরা ফিরুক, তবে যাস, ও জেদ করে…

    —এমন বিচ্ছিরি, টাউনের বাইরে…

    —সমু চেঁচিয়ে বলল, গুলতি, তাপস, আয়।

    ওরা দুপ দুপ করে ছুটে গেল। পুতলি! পুতলি! পুতলি! সমুর আর্ত ডাক।

    আলো জ্বলে উঠল হঠাৎ।

    .

    না, সেদিন পুতলিকে পাওয়া যায়নি, তার পরদিন না, তার পরদিনও না।

    চারদিন পরে নদীর ওপারে গৌরীপুর থানা এলাকাধীন নন্দচক বাজার পেরিয়ে একটি কালভার্টের পাশে সম্পূর্ণ নগ্ন একটি মেয়েকে পাওয়া যায়। প্রভাতে মাঠে মলত্যাগ উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল, এমন কয়েকটি লোক ওটিকে মৃতদেহ মনে করে এবং একজন গামছা দিয়ে তাকে ঢাকতে গিয়ে বলে, বেঁচে আছে।

    এরাই মেয়েটিকে নিকটস্থ থানায় নিয়ে যায় একটা কাপড় জড়িয়ে। ভদ্দরঘরের মেয়ে, হাতে ঘড়ির দাগ আছে, বয়সও বছর কুড়ি। থানা থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্র। খবর ঘুরতে থাকে, ঘুরতে থাকে। অবশেষে সদর থানায় খবর যায়, এবং নিরুদ্দেশ হবার আটদিনের মাথায় গণধর্ষিতা পুতলিকে সদর হাসপাতালে আনা হয়।

    হাসপাতালে আঁচড়েকামড়ে ক্ষতবিক্ষত পুতলির অস্বাভাবিক চাহনি ও গাড়ি থেকে ফেলে দেবার ফলে থেঁৎলানো কপাল দেখে অশ্রুকণার মাথায় অন্ধকার নামে।

    কে? কারা? কতজন?

    পুতলি বোবা চোখে চেয়ে থাকে। তারপর হঠাৎ আতঙ্কে সিঁটিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়।

    ডাক্তার বলতে বাধ্য হন, এ সময়ে আপনারা না এলেই ভালো, একটু ধাতস্থ হোক আগে।

    পুতলিকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ, এ ভাবে তাকে ফেলে যাওয়া, টাউনের মানসিকতায় ভীষণ ঝড় তোলে।

    পুতলি আর কিছুই জানেনি। ভয়ঙ্কর শকে, ব্রেনসেলে ও মনে, ও জীবন্মৃতের মতো হয়ে গিয়েছিল।

    যেমন জানেনি অশ্রুকণার অতর্কিত রক্তচাপ বেড়ে সেরিব্রাল অ্যাটাক ও মৃত্যুর কথা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী
    Next Article আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    Related Articles

    মহাশ্বেতা দেবী

    হাজার চুরাশির মা – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মিলুর জন্য – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রস্থানপর্ব – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    পারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মুখ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }