Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – মহাশ্বেতা দেবী

    মহাশ্বেতা দেবী এক পাতা গল্প83 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – ৩

    তিন

    একটা ছোট শহর, বড় শহর নয়। নয় কলকাতা। বড় হবার জন্যই হোক, বা অন্য কোনো গবেষণাযোগ্য কারণ থাকুক, কলকাতা ভয়ংকর ও বিধ্বংসী সব আঘাতের পর চলতে পারে। বিনোদ মেহেতা হত্যা, অথবা বানতলা—রাইটার্সে বোবা কালা ধর্ষিতা মেয়ে ফেলানী, অথবা বউবাজার, কলকাতা চলতে পারে, চলতে পারে।

    একটা ছোট শহর পারে না এত আঘাত নিতে। তাকেও চলতে হয় সব কিছুর পরেও, জীবনের নিয়মেই চলতে হয়। কিন্তু আঘাতের ক্ষত বহন করতে বড় কষ্ট হয়।

    শহরের আশপাশে নারীধর্ষণ ও হত্যা এমন বিরল কোনো ঘটনা নয়। এরকম হয়, মাঝে মাঝে হয়। কখনো প্রতিবাদ হয়, কখনো হয় না। অ্যাসেমব্লিতে পঠিত স্টেটমেন্ট কাগজে পড়ে আমরা ২/১ মিনিট ভাবিত হই। অতঃপর কাগজের মতো খবরটিও বাসি হয়ে যায়।

    প্রতিবাদের প্রতিরোধের ছোট ছোট দ্বীপ দেখা যায় এখানে সেখানে। এখনো তা দ্বীপ, সম্মিলিত বিশাল ভূখণ্ড নয়।

    সুজাতাকে সহ্যই করতে পারছিলেন না নীহার। আসলে কোনো আঘাত আসেনি জীবনে, পূর্বাশার ভেতরে ঢুকে গেলেই নিজেদের ভীষণ সুরক্ষিত মনে হতো। পুতলির বা সমুর উচ্চাশা নেই। ওরা এ—ওকে বিয়ে করবে, এর চেয়ে বড় দুঃখ ওঁরা পাননি। সুরক্ষিত, সুছন্দ, নিয়মবাঁধা জীবনযাত্রা।

    হঠাৎ তাঁরা যেন নগ্ন, জনতার চোখের সামনে।

    পুতলি গণধর্ষণের পর জীবন্মৃত এক নির্বাক শরীর মাত্র, হাসপাতালে পড়ে আছে।

    এ আঘাত অশ্রুকণা নিতে পারলেন না।

    কুমার ও পিপলি ও নীহার বললেন, সুজাতা ডেকে নিয়ে গেল কেন?

    এস. পি. বললেন, আপনাদের মতে তিনিই দায়ী?

    —নিশ্চয় দায়ী।

    —বী রীজনেবল।

    —এক গ্যাং ছেলেমেয়ে থাকতে…

    —গ্যাং যদি বলেন, তাতে আপনার মেয়েও আছেন, আর ওরা তো ড্রাগ, পণপ্রথা, মেয়েদের ওপর নির‍্যাতন, পুকুর ডোবা দূষণ ইত্যাদি পাবলিক ইস্যুর বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন। কোনো রাজনীতিক স্বার্থ নেই।

    কুমার বলে, বুঝলাম। এখন হবেটা কি?

    —কেস হবে।

    —কেস! পুতলি বাঁচে কি মরে…

    —এখানে কি চিকিৎসা বা হবে…

    —অফ দি রেকর্ড বলছি। নিয়ে যান না বোনকে। ভর্তি করুন কলকাতার কোথাও…

    নীহার বলেছিলেন, খুনীদের কি হবে?

    —মার্ডার? কোথায়?

    —মার্ডার নয় এটা? আমার জীবন, সম্মান, সব খুন হয়ে গেল। আমার স্ত্রী…আমার স্ত্রী…এটা মার্ডার। আমার মেয়ে কোনোদিন স্বাভাবিক হবে? এতগুলো জীবন নষ্ট, এটা মার্ডার নয়?

    এস. পি. সময়োচিত গাম্ভীর্য মুখে এনে মাথা নেড়ে সম্মতি জানান।

    কুমারকে বলেন, এই তো হয়! কিন্তু পুলিশ তো চায় এভিডেনস।

    —ট্রু।

    —আপনার বোনকে এখনো জিজ্ঞাসা করলে উত্তর মিলছে না কিছু। কারা ধরল, কোন জায়গায় নিল, কাউকে চিনেছেন কি না…

    কুমার তেতো বিরক্তিতে বলল, লোডশেডিংয়ে তুলে নিয়ে ক্লোরোফর্ম করলে ও চিনবে কাকে? গাড়িটা ট্রেস করেছেন?

    —ও রাস্তায় গাড়ি ট্রেস?

    —কি করছেন? একটা কিছু করুন।

    —আগেও বলেছি, এখনো বলছি, আপনাদের শত্রু আছে কোনো, আপনার মেয়ের?

    —না না না! আমরা লেফট ফ্রণ্টকে ভোট দিই, অ্যান্ড সেখানেই শেষ। কলেজে আমি বা আমার স্ত্রী, কোনোদিন কোনো রাজনীতিতে থাকিনি। ছেলে আর বড় মেয়ে তা বাইরে থাকে। শহরেও আমরা খুব বেরোই না।

    —পুতুলি বেরোত বাবা।

    —হ্যাঁ…ও খুব অ্যাকটিভ…পরিবেশ—দূষণ প্রতিরোধ, হেনতেন …টাউনের প্রোগ্রেসিভ একটা গ্রুপ…

    —সুজাতা সিংহের সঙ্গে উনিও গিয়েছিলেন?

    —কোথায়?

    —সুতানপুর…মালা মণ্ডল…

    —তা হবে। সব সময়েই তো…

    —চাঁদের নামে অনেক চেঁচামেচি…

    নীহারের ভেতরে বরফের তীর বিঁধতে থাকে, সব ঠাণ্ডা হয়ে আসে।

    —মিস্টার সামন্ত?

    —বলুন।

    —সেই…চাঁদ কি…

    এস. পি. ঈষৎ হাসেন।

    —চাঁদকে আমরা জামিন দিতে বাধ্য হই…কিন্তু চাঁদ আর ওর সঙ্গী বলাই মোমিনপঞ্জে গণপিটুনিতে মরে গেছে দিন তিনেক আগে। চাঁদ এর মধ্যে ছিল কি না তা আর প্রমাণ করা যাবে না, বুঝলেন?

    —এ অবস্থায়…আমি কি করব …গ্যাং রেপ…তার আসামী ধরবেন না?

    —আপনি শোকাহত, আর এরকম ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হলো…আপনি জানেন না, ধর্ষণের কেস করতে পারে পুলিশ, কেন না ধর্ষণ হলো স্টেটের বিরুদ্ধে অপরাধ।

    —স্টেট…ব্যক্তি নয়…পুতলি ধ্বংস হয়ে গেল…বাপ হয়ে আমি…

    কুমার বলল, চলো বাবা, চলো।

    রিকশায় বসে বলল, মার শ্রাদ্ধশান্তি সেরে পুতলিকে কোথাও ভাল নার্সিংহোমে রাখা…সেটা করে তুমি অমেয়র সাহায্যে বাড়ি বেচে দাও।

    —বাড়ি বেচে দেব? এ বাড়ি তোমার মা আর আমি …তিলে তিলে…

    —আচ্ছা আচ্ছা, সে পরে হবে এখন…

    টাউনে পুতলিকে ঘিরে তখন কতকগুলো জীবনের কতগুলো বৃত্ত আবর্তিত হচ্ছিল, পুতলি তার কিছুই জানে না।

    সমু ভূতে—পাওয়া মানুষের মতো হয়ে গিয়েছিল। প্রথমটা পাগলের মতো ছোটাছুটি করছিল, তারপর ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাকে পাওয়া গেছে সে যে পুতলি, তা সমু একবারও ভাবেনি।

    —না না, পুতলি না। উলঙ্গ অবস্থায়…পথের ধারে…না ও পুতলি নয়।

    গুলতি মাটিতে পা রেখে চলে, অতীব গদ্য প্রকৃতির ছেলে, গোদা বাস্তব বোঝে।

    ও বলল, যা বাব্বা! তুমি ‘না’ বললে তো ‘না’ হয়ে যাচ্ছে না।

    —না, পুতলি না।

    সুজাতা বললেন, ও পুতলি সমু, আর এখনি ওর কাছে যাওয়া দরকার।

    সমুর মা কাতর গলায় বললেন, ক্ষমা দিন আপনারা একটু। সে মেয়ের তো যা কপালে ছিল তা হলো। আমার মেয়ের বিয়ে যে ক’দিন বাদে। সেটা তো নষ্ট হয়ে যাবে।

    —কেন? তা হবে কেন?

    —তারাও তো জানে পুতলি এ বাড়ির বউ হয়ে আসবে। এখন এ কথা জানতে বাকি নেই কারো। এ সময়ে এ বাড়িতে পুতলিকে নিয়ে এত কথা, সমুকে নিয়ে টানাটানি… আহা। আমি মেয়ের মা, আমি বুঝি না পুতলির মায়ের বুকে কি হচ্ছে?

    —আমরা জানিয়ে গেলাম শুধু।

    সমু রক্তাভ চোখ মুছে বলল, চলুন আমি যাচ্ছি। আমি চোখে না দেখলে..

    সুজাতা বললেন, চোখে দেখলেও বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে সমু, মনে জোর রেখো।

    পুতলির অসাড়, বিবর্ণ ক্ষতবিক্ষত চেহারা দেখে সমু বমি করে ফেলেছিল, হো হো করে কেঁদেছিল, তারপর বলেছিল, কারা এ কাজ করল?

    গুলতি বলল, জানি না। খুঁজে খুঁজে তোলপাড় করছি আমরা। পুলিশও খুঁজছে।

    —পুলিশ কিছু করবে না।

    —এ তো মালা মণ্ডল নয়, পুতলি চৌধুরী, চারদিকের চাপ আছে।

    লোকাল কাগজ, নিজস্ব সংবাদদাতা মাধ্যমে বড় কাগজ খবরটিকে যথেষ্ট প্রচার করে।

    ডি. এম. ও এস. পি.—র কাছে শহরের বিভিন্ন স্তর থেকে পুতলি সহ অন্যান্য নারী নির‍্যাতনকারীদের সমূহ শাস্তি দাবি করে মেমোরেনডাম আসে।

    সুজাতারা সদর থানা ঘেরাও করে মিটিং মিছিলের প্রস্তুতি নেন।

    এর মধ্যে অশ্রুকণার মৃত্যু ঘটে যায়।

    টাউন থমকে যায়।

    অনেকে বলতে থাকে, অভিশপ্ত পরিবার বলতে হবে। নইলে এমনটা ঘটে?

    যাদের মেয়েরা এভাবে নিগৃহীত হয়নি, তারা বলতে থাকে, নীহার ও অশ্রু ওই মেয়েকে লাগামছাড়া স্বাধীনতা দিয়েছিলেন বলতে হবে। নইলে সুজাতা সিংহের মা মরছে বলে ওখানে গিয়ে থেকেই যায়? একা একা রওনা হয় অন্ধকারে?

    এমন কথাও শোনা যায়, যেত তো অনেকেই। কিন্তু পুতলির স্বভাব ছিল…বাইরে থেকে দেখে মেয়েছেলেকে চেনা যায়?

    অমিত সুজাতাকে বলে, বাজারে মারামারি করতে হলো। দিলীপ এমন সব কথা বলছিল…

    সুজাতা বললেন, কত জনের মুখ বন্ধ করবে? এ দেশে তো এ ধারণা সর্বব্যাপী অমিত যে, যদি কোনো মেয়ে ধর্ষিতা হয়, এটা তারই অপরাধ!

    —কেউ এরকম ভাবলে সে মানুষ নয়।

    নিশীথ বলে, এটা কি বললেন ভাই? রেপ কেসে সমাজ তাই ভাবে, পুলিশ তাই ভাবে, এমনকি বিচারকরাও তাই ভাবে।

    —তা হতে পারে?

    —পারে না? শিবশঙ্কর চক্রবর্তীর কেস স্টাডি পড়েছেন? দেখবেন, কেস করলে কি হয়! আসামীরা ধরা পড়লেও, প্রমাণাভাবে খালাস পেয়ে যায়। মেয়েটা জেল হাজতে পচে। জেলের বাইরে রেপ হয়েছে, এখন জেলই ওর পক্ষে সেফ কাস্টডি।

    —এ দেশের কি হবে!

    —ভাবুন, কাজ করুন। আপাতত ভাবুন, মেয়েটার কি হবে!

    —ওদের বাড়িতেও এমন সর্বনাশ হয়ে গেল, কিন্তু আমি যে পাশে দাঁড়াব, পুতলির দাদা, বাবা, দিদি তো তা দেবে না।

    নিশীথ বলে, তোমার ওপরেই রাগ।

    —সত্যি, ভাবলেও নিজেকে…

    —দোষী মনে হচ্ছে?

    —বুঝি না। পুতলির কথাই ভাবছি।

    —আপাতত ওকে সরানো দরকার। অন্য কোথাও, কলকাতার কোনো নার্সিংহোমে।

    —পুলিশ তা অ্যালাও করবে?

    —কেন করবে না? ওর বাড়ির লোকরা স্বচ্ছন্দে নিয়ে যেতে পারে।

    —বাড়ির লোকরা কি করবে, তা ভেবেও পাচ্ছে না। তাতে শ্রাদ্ধশান্তির ব্যাপার।

    —স্বাভাবিক। যা শুনেছি, ওঁদের জীবনে আঘাত এই প্রথম এল, আর বলতেই হবে এরকম ভয়ংকর আঘাতের পর সামলানো খুব কঠিন। পুতলির যা হলো, সেটা তো সব হিসেবের বাইরে, তারপর ওর মা…ওর বাবা আত্মহত্যা করলেও অবাক হবার নেই কিছু।

    —এত বড় স্ক্যানডাল সয়ে মাথা তুলে থাকা…পুতুলিকে নিয়ে কলকাতায় কোথাও রাখলেন, নীহারবাবুকে ছেলে বা মেয়ে কাছে রাখল…কিন্তু বলবে কে ওঁদের?

    —সমুর অবস্থাও ভয়ংকর…

    —হ্যাঁ…

    সুজাতা বড় দুঃখে ক্ষীণ হেসে বললেন, নীহারবাবুর সরে যাবার জায়গা আছে, সমু কি করবে? ওদের বাড়ি এখানে, ওর বোনের বিয়ে সামনে, ওর মনের জোর, সততা, সব আছে। কিন্তু গ্যাংরেপের শিকার যে মেয়ে, তাকে বিয়ে করে এ টাউনে থাকবে কি করে?

    —বিয়ে বা করবে কি করে সুজাতাদি? অনেক, অনেক বাধা আসবে দুজনের মনের ভেতর থেকে, এটা ঘটনা। মেয়েরাই কি তা ভুলতে পারে? নীরা তো পারেনি। আমি বিয়ে করতে চেয়েছিলাম, বলেছিলাম, কতকগুলো জনোয়ার তোমাকে থানায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে, সেজন্য আমরা কেন বিয়ে করব না?

    —জানি, ও মাঝে মাঝে চিঠি লেখে।

    —জেল থেকে বেরিয়ে বিদেশে চলে গিয়ে ভালই করেছে। এখন বুঝি। কাজ করছে, ভাল স্বামী জেকব, ভাল আছে।

    —নীরার জন্যে এখনো কষ্ট হয়, নিশীথ?

    —না সুজাতাদি। আর হয় না, একদা হতো। কিন্তু পুতলির কি হবে? সমুর কি হবে? এত কম বয়স ওদের…এরকম ভাঙা ভাঙা জীবন নিয়ে কেউ বাঁচে, কেউ মরে, দেখতে আর পারি না।

    —আমাকে ওর মধ্যে ধর না নিশীথ, আমার জীবন পূর্ণতায় ভরা।

    —ভাবতে ভাল লাগে। তোমাদের বাড়ির বিষয়ে কিছু ঠিক হলো?

    —ভাবেভঙ্গিতে বুঝলাম, ওরা বেচেই দেবে।

    —তুমি কি করবে?

    —আমি বাধা দিলে বেচতে পারবে না, কিন্তু আমি তা করব না। আমারও আটান্ন হলো, কতদিন বাঁচব? যা চায় করুক… স্বচ্ছন্দে এটা বাবা—মার নামে কোনো ভাল কাজে দিতে পারত। মামারা আছেন…ওঁদের ব্যবস্থা অবশ্য আমি আমার শেয়ার থেকে করে দেব…পুতলি আমাকেও অসম্ভব…অসম্ভব দায়ী করে রেখে দিল।

    —দায়ী? তুমি দায়ী?

    —না না, তা নয়। ভাবনার দায়িত্ব দিল, কাজের দায়িত্ব। এমন তো কত মেয়ের হয়,, তারপর? সকলকে তার পরিবারে শেলটার দেয় না, সমাজ ক্ষমা করে না, মেয়েটার মনে দগদগে ঘা হয়ে যায়। এ সব মেয়েরা কোথায় যায়, কি করে, সে কথা ভাবতে শেখাল পুতলি। এ চিন্তা বহন করাটা দায় নয়?

    —বুঝেছি। চল তো আমার সঙ্গে ক’দিন থাকবে।

    —পুতলি এখানে, আমি চলে যাব? তুমিও কি রণো, জয় আর দিদি হয়ে গেলে? তারা জন্মে যেতে বলে না, এবার বলল, মা নেই, একলা থাকবি? তা ছাড়া থাকলেই ওই স্কানডালে জড়িয়ে পড়বি, চল কলকাতা।

    —বেশ, থাকো। থাকলে টাইমে পেটভরে খাবে, প্রেসার দেখাবে, ওষুধ খেয়ে ঘুমোবে। এটুকু অন্তত দেখে যাই। নিজে শক্ত না থাকলে ওকে, দরকার পড়লে সাহায্য করবে কি করে?

    —যাক, মা যে চলে গেলেন, পুতলির জন্যে সে কথা ভাবতেই পারি না যেন।

    মামীমা নিশীথকে বললেন, মা তো জীবন্মৃত হয়ে পড়েছিল। সে শোক বাজবে, পরে বাজবে। মেয়েটার জন্যেই ভেবে পাগল হচ্ছে। কি লাভ বল? তার কপালে ছিল অভিশাপ…মেয়ে জন্মই তো কপালের নির্দেশে চলে, হক কথা।

    শুধু কপাল বা ভাগ্য নয়। সুজাতার বাড়ি থেকে ভরা বর্ষায় পূজা আর মীনাক্ষী টাউনে ফিরেছে তাদের কিছু হলো না কেন?

    যারা ধর্ষণ করল, তারা পুতলিকে বেছে নিল কেন? পুতলি তো চোখে পড়ার মতো সুন্দরীও নয়।

    মেয়েটাই ওই গর্বিত, দেমাকী পরিবারকে ভেঙেচুরে দিল। কারো সঙ্গে মিশি না, কোথাও যাই না, কারো বিপদে দাঁড়াই না, ঝামেলা এড়িয়ে চলি, টাউনে কাউকে মেশার যোগ্য মনে করি না।

    এখন কি করবি? তোর মেয়েই রেপ হলো, তোর বউই মরল, এ যে লঙ্কাকাণ্ড হয়ে গেল।

    এমন অনেক কথা হতে থাকল, অনেক কথা।

    শেষ অবধি সুজাতা মরিয়া হয়ে পূর্বাশায় গেলেন।

    পিপলি বলল, আসুন।

    পিপলি বাইরে থাকে, যথেষ্ট সফিস্টিকেড, সুজাতার ওপর ও মোটেই প্রসন্ন নয়। কিন্তু তাঁকে দরজা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া বুদ্ধির কাজ নয়, সেটা ও বোঝে।

    কুমার বলল, ওঁকে ভেতরে বসালে?

    —বসালাম। টাউনে বাবাদের কোনো পাবলিক রিলেশান নেই। কত কম লোক এসেছে এত বড় ঘটনার পর। ক্রিমিনালদের ধরার জন্য পুলিশে এরাই যাচ্ছে, মাকে শ্মশানেও নিয়ে গেল পুতলির বন্ধুরাই।

    —বাবা জানলে…

    —বাবা জানবে কেন? ফ্রাংকলি কুমার, ম্যাডেনেস অনেক হয়েছে। তুমি দিল্লী ফিরে যাবে, আমিও থাকব না। এখন প্র্যাকটিকালি কি করা যায়, তা ভাবতে হবে, করতেও হবে। ওঁর সঙ্গেই কথা বলি?

    —আমিও বলব।

    —এসো, বাবা বা বোন আমার একার নয়।

    সুজাতা অশ্রুকণার ছবিটার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। ওঁরা ঢুকতে বললেন, বিয়ের সময়ে অশ্রুর চেহারা খুব ভালো ছিল, এ ছবি অনেক পরের।

    —হ্যাঁ…গত বছরের…

    —তোমরা কি করবে কিছু ভেবেছ?

    —কেস করব।

    —তুমি তো দাদা ওর…রেপকেসে কেস করতে পারে শুধু পুলিশ। পুলিশকে দিয়ে কেস করানোর প্রসেস অসম্ভব জটিল, সময়সাধ্য। আর কেসটা হবে এখানে, তোমরা তো বাইরে থাকো।

    —তা বলে কতকগুলো ক্রিমিনালকে….

    —দেখ!

    পিপলি বলল, আপনি তো কেস একটা… কি যেন…পুতলি বলেছিল…

    —মিতালি দাস। পুলিশকে অনেক চাপ দিয়েও পারিনি। রেপকেসে সামনের সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে দেখা যায় আসামী প্রমাণাভাবে বেরিয়ে গেল।

    —ইশশ! দিল্লীতে সহেলী কিন্তু…

    —এখানে তেমন সংগঠন গড়ে তোলা যায়নি। গড়ে উঠেছিল, এ ব্যাপারে প্রচণ্ড ঘা খেল। যাক গে, ওঁদের কি ব্যবস্থা করবে, পুতলির আর তোমাদের বাবার?

    —তাই তো ভাবছি। আমরা তো এখানে থাকব না। ফিরে যেতেই হবে।

    —আমি একটা কথা বলব?

    —বলুন।

    —পুতলিকে তোমরা কলকাতা নিয়ে যাও, কোনো ভালো জায়গায় ভর্তি করো। ওর সুস্থ হতে অনেকদিন লাগবে। তোমার বাবাকেও নিয়ে যাও। এখানে থাকবেন কি করে? রেপকেস বলো, স্বামী তাড়িয়ে দিলে বলো, পরিবারের লোকজনের সহানুভূতিটা একেবারে ওষুধের কাজ করে।

    —কলকাতায়…কোন নার্সিংহোমে?

    —সে তোমার ভাবতে হবে না কুমার। আমার বন্ধুরই নার্সিংহোম আছে।

    —তুমি ওকে নিয়ে গেলে, বাবাকে আমি…অবশ্য আমরা বাড়ি থাকি না।

    —বাবা এখন কলকাতা চলুক, পরে দেখা যাবে। বাড়িটা নিয়ে অবশ্য সমস্যা…

    —তোমরা যদি বলো, আমি বাড়িতে থাকার বিশ্বাসী লোক দিতে পারি।

    —বাবার কলেজের কোনো স্টাফ, না হয় বন্ধ থাকবে।

    —কবে যাবে তোমরা?

    —তাড়াতাড়িই যাব।

    —এখানে থাকলে…

    কুমার সঘৃণায় বলল, শুধু কথা। শুধু গসিপ। এখানে বাড়ি রাখারই মানে হয় না কোনো। বাবাই বা পরে থেকে কি করবে? পুতলিও তো বার্ডেন হয়ে যাবে একটা। নর্মাল হতে পারবে?

    —পারবে, যদি তোমরা পাশে থাকো।

    পিপলি সদুঃখে বলল, এ শহরকে সবচেয়ে ভালবেসেছে পুতলি। বাইরে থাকতেই চাইত না।

    —জানি। আমি উঠি।

    দাঁড়িয়ে সুজাতা বললেন, তোমাদের সামনে আসার মুখ নেই আমার, তবু বিশ্বাস করো, মায়ের শোক আমি ভুলে গেছি, সব ভুলে গেছি, শুধু পুতলির কথা ভেবে। তোমাদের আগে দেখিনি আজ দেখলাম। খুব শান্তি নিয়ে গেলাম মনে, খুব শ্রদ্ধা…সব পরিবার যদি এমন হতো…

    সুজাতা বেরিয়ে গেলেন।

    কুমার বলল, যাক নিশ্চিন্ত হওয়া গেল।

    —হ্যাঁ…কিন্তু বাড়িটা আগলাবার জন্যে ওদের বললেই ভাল হতো। ওদের এ বাড়ি দখল করবার চেষ্টা থাকবে না।

    —ওদের ফেভার নেব?

    —ওরা প্রত্যেকে মনে মনে জ্বলে আছে। আমাদের জন্যে এটুকু করতে পারলে…

    —দেখ! তুমি যা হোক কলকাতায় আছ। পুতলিও তোমার বাড়িতে থাকছে না এখন। আমার কাছে বাবা থাকবে…আমরা দুজন থাকব কাজে…ঝামেলাটা আমাদের বেশি।

    পিপলি আস্তে বলল, থাক কুমার। বাবা—মা আমাদের জন্যে কম করেনি। কোনোদিন বার্ডেন হয়নি। আমি আর তুমি ছাড়া কে দেখবে ওদের? পুতলি আমাদের বোন!

    —বাড়ি দেখার জন্যে ওঁকেই খবর দিতে হয়।

    —তাই দেব।

    —বাবা একটু ধাতস্থ হলে এ বাড়ি বিক্রি করে কলকাতায় কোথাও…

    —ধাতস্থ হোক আগে। বাবা চলে গেলে মা সামলে নিতে পারত। বাবার পক্ষে…মার ওপর এত নির্ভর করত…কি রকম হয়ে গেছে বাবা। ঘর থেকে বেরোয় না, কথা বলে না…আমি অমেয়কে ফোন করে সব ব্যবস্থা করতে বলি।

    নিয়ে যেতে…পুলিশ কিছু…

    .

    ওরা যখন সুজাতার বাড়ি গেল, সুজাতা বললেন, গুলতি, তাপস, ওরা থাকবে কেউ না কেউ। এখানেও সিকিউরিটি সার্ভিস হয়েছে, তাদের কাছেও লোক নিতে পার। পুলিশ কি করবে? যদি…যদি কোনোদিন ধরা পড়ে লোকগুলো…তখন পুতলিকে দরকার হতে পারে শনাক্ত করার জন্যে।

    পিপলি বলল, সে দেখা যাবে।

    পিপলি আর কুমার সুজাতার বাড়ি অবাক হয়ে দেখছিল। শ্বেতপাথরের টেবিল, সেকেলে ভারি ভারি আসবাব, আলমারি ভরা বই, বাগান থেকে কি সব ফুলের গন্ধ আসছিল।

    —এ তো বিশাল ব্যাপার…

    —হ্যাঁ…ঠাকুরদার তৈরি…ওঁরা তো জমিদার ছিলেন…আর কোনো সাহায্য চাই?

    —অমেয়কে বলেছি নার্সিংহোম ঠিক করতে।

    —ওকে নিয়ে যাবার সময়ে তোমাদের যদি এদিকে ব্যবস্থা করতে দু’একদিন থাকতে হয়, আমি আর নিশীথ অ্যাম্বুলেন্সে যেতে পারি।

    —সেটা খুব উপকার হবে, সত্যি। আমি থেকে বাড়িটা বন্ধ করব, লোক থাকার ব্যবস্থা করব, কুমার বাবাকে নিয়ে যাবে।

    নিশীথ মৃদুস্বরে বলল, সব এক সঙ্গেই হোক না? অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে গাড়িও নেওয়া হোক। আমার সঙ্গে যাব।

    —পুতলি এখনো কথা বলছে না।

    নিশীথ নরম গলায় বলল, অসম্ভব শক লেগেছে মনে, তবে ফেলে দেয় যখন, কাদায় পড়েছিল বলে মাথায় তেমন ইনজুরি হয়েছে মনে হয় না। কলকাতায় সব চিকিৎসাই হবে।

    সুরভিত, ঝকঝকে, ছোট করে চুল ছাঁটা পিপলি কপাল কুঁচকে বলল, পুতলির নখে চামড়া, মাংস, ও ফাইট করেছিল, তাই না?

    সুজাতা বললেন, হ্যাঁ…

    —কি করে করল তাই ভাবি…অত ছেলেমানুষ…অত নরম মেয়ে…মাগো!

    সুজাতার চোখে পর্দা নেমে এল, খুব সাহস ওর, খুব পিওর, খুব ইনোসেন্ট…ঠিক এই মুহূর্তে ছেলেরা অপরাধীদের পেলে খুন করতে রাজী আছে। ওকে সবাই এত ভালবাসে…

    —সেদিন যদি কেউ সঙ্গে যেত…

    —সবাই শ্মশানে ….মানা করলাম বারবার… ছেলেরা সাইকেলেই পৌঁছে দিত…শুনল সে কথা? জেদও আছে খুব…আর অশ্রুর জন্যে ব্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। হতভাগী জানেও না…

    পিপলি বলল, না। শক কেটে গেলেও জানানো যাবে না। তাতে…আমরা উঠি তাহলে।

    ওরা চলে গেলে সুজাতা বললেন, ওরা সমুর নামও করল না।

    —না সুজাতাদি। কেউই ওদের কাছে ম্যাটার করে না। ভেব না।

    —সে ছেলে কেমন করে বুলির বিয়ের আয়োজন করছে?

    —জানি না। গুলতিরা তো আছে।

    —যাক, তবু আমাদের কথাগুলোয় রাজী হলো। সাহায্য নিতে এত ভয় পায় কেন? সাহায্য ছাড়া চলে মানুষের কখনো?

    —তোমাদের বাড়ি দেখে ওদের সমীহ হয়েছে। কিন্তু এ টাউনে পড়েছে, আগে আসেনি কখনো?

    —কে জানে! আমি থাকতাম না, মা বেরোত না, কার কাছে আসবে? ওই বাগানে পিকনিক করতে আসত…গাছে আম পাকলে আসত…ওরা নাকি জানি না, শহরের ছেলেপিলে যত। শুনেছি, টাউনে যাঁরা স্বদেশী করতেন, তাঁরা এখানে লুকিয়ে মিটিংও করেছেন, শোনা কথা, দেখিনি।

    —তুমিও এখানেই ছিলে ছোটবেলা।

    —হস্টেলে পড়তাম, ছুটিতে আসতাম, ওই গাছটা, যেটা মা মরতে কাটা হলো, ওটা একসময়ে ফল দিত। ও গাছে দোলনা টাঙিয়ে দুলেছি।

    —এ বাড়িও তো থাকবে না।

    —মানুষ চলে যায় নিশীথ, বাড়ি দিয়ে কি হবে?

    —তুমিও ছেড়ে চলে যাবে?

    —হোক না বিক্রিবাটা। আমার নিজস্ব দশ কাঠা আছে না, স্বর্ণময়ীতে? একটা ছোট বাড়ি করে নেব বা কিনে নেব ওটা বেচে, আমার শেয়ারের টাকা দিয়ে। আমাদের সংগঠনের স্থায়ী ঘর হবে, মামা মামী থাকবে। ভাবলেও অনেক মুক্ত লাগছে। এ বাড়ি বলে বড্ড আসক্তি ছিল। পুতলি বুঝিয়ে দিল জীবিত মানুষই সব।

    —ভাগ্যি কাকাকে বিয়ে করনি তখন! ভাল কথা, আমি যে ফ্ল্যাট কিনছি।

    —সে কি?

    —ক্রিস্টোফার রোডে আমার ফ্ল্যাটটা কি ভাল বলো? একেবারে কোণের দিকে তেতলায়, সামনে দিয়ে ট্রেন যায়, বলো?

    —তাই তো! অমন বাড়ি থাকতে…

    —সরকার বলছে কিনে নাও। জলের দামে পেয়ে যাব, কিনেও নেব।

    —বাঁচা গেল।

    —একটা কাজ করবে আমার সঙ্গে?

    —যা করব, এখানে…

    —বলব, পরে বলব। এখন এখানে পুতলির সমস্যা খানিকটা মিটুক।

    —সমুটা যদি একটু আসত।

    .

    সমু এসেছিল।

    সুজাতার কাছে বসেছিল কপালে হাত রেখে। কয়েকদিনে বয়স বেড়ে গেছে ওর, চোখের নিচে কালি পড়েছে।

    —পুতলিকে তোমরা নিয়ে যাচ্ছ সুজাতাদি?

    —ওর দিদি নিয়ে যাচ্ছে সমু, সঙ্গে যাচ্ছি। এখানে না হবে তেমন চিকিৎসা, আর শকের অবস্থা কেটে গেলে চেনা পরিবেশ, চেনা মানুষ, ওর মনে আবার শক লাগতে পারে।

    —কোনোদিন কি ফিরবে এখানে?

    —সে কি বলা যায়?

    —কেন ফিরবে না? মাথা উঁচু করে ফিরবে। ও তো কোনো দোষ করেনি।

    —তুমি গিয়েছিলে তো!

    —গিয়েছিলাম…ডাকলাম…ও চিনতে পারল না।

    —এখন দীর্ঘকাল চিকিৎসা দরকার, প্রথমত শরীরের, তারপর মনের…

    —আমি কি করব?

    —আমরা যা করছিলাম, তাই করব। কিন্তু এক বছরে আটাশটা রেকর্ডেড নারীধর্ষণ, এ নিয়ে ঝড় তুলতে হবে আমাদেরই।

    —পুলিশের বিরুদ্ধে।

    —ধর্ষিতা মেয়েদের ট্রাজিডি কি জান? কেস থেকে সুবিচার পাবার পথ অতীব ঘোরাল। ট্রাজিডি হলো সমাজ আগেভাগেই রায় দিয়ে রাখে ধর্ষিতা মেয়েটিই দোষী। পুলিশ বা জজ বা উকিল, এই সমাজেরই লোকজন। তাই ধর্ষিতা মেয়েটি মানবিক বিচার পায় না।

    —পুতলির বেলাও তাই হবে?

    —সমাজের চোখে পুতলিতে বা মালা মণ্ডলে কোন তফাত নেই।

    —জানি। কিন্তু পুতলি যদি সব কিছুর পর রাজী থাকে, আমি ওকে বিয়ে করব।

    —খুব বড় কথা সমু, কিন্তু আগে ও শরীরে মনে সুস্থ হোক।

    —এদিকে বুলির বিয়ে…

    —হ্যাঁ, সেটা হোক…

    —সব ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল সুজাতাদি, যখন সবাই বলে, ওর নাম করব না, আমার আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে করে।

    —ছিঃ সমু!

    —আমি যাই সুজাতাদি। আপনি, আপনি ওকে দেখবেন। নিশীথদাকেও বলবেন।

    —সমু, আমি তোমার সঙ্গে আছি, তুমি একলা নও…

    —জানি, কিন্তু একটা নিষ্পাপ, অসামান্য মেয়েকে ভালবেসে এতদিন…ওদের বাড়ি বিরূপ…আমার বাবা—মার সঙ্গেও কম কথা বলতে হয়নি। ওদের কালচার এক রকম। আমরা নেহাৎ গেরস্ত সংসারের লোক… দেশের বাড়িতে পুজো হয়…আগেই শুনতাম বেজাতে বিয়ে করব, আমার জ্ঞাতি জ্যাঠা কাকাদের মেয়েদের বিয়ের সময়ে কথা হবে। আজ বাবা বলছে, এত সবের পরেও তাকে বিয়ে করলে আমাদের সঙ্গে যোগ থাকবে না।

    —তুমি তো ওকেই চাও…

    হ্যাঁ…চাই…পরিবারে ও বড় একলা…

    —দেখা যাবে সমু। এখন ওর ভাল হয়ে ওঠা দরকার। সবে তো কয়েকদিনের ব্যাপার।

    —এখানেই ছেড়ে দেব না আমি, পুলিশকে দিয়ে কেস করিয়ে ছাড়ব।

    —শান্ত হও, শান্ত হও সমু।

    নিশীথ বেরিয়ে এল।

    —আমি ওর সঙ্গে যাই। টেলিফোন অফিস থেকে একটা ফোন করব। চলো সমু।

    এর পরে পরেই, একদিন কাকভোরে একটা অ্যাম্বুলেন্স ও একটি অ্যামবাসাডর কলকাতা রওনা হয়ে গেল।

    পুতলি ইনজেকশনের ঘোরে ঘুমোচ্ছিল।

    ‘পূর্বাশা’য় ‘মান্না’জ সিকিউরিটি সার্ভিসের লোক মোতায়েন হয়ে যায়। একজন দিনে, একজন রাতে। শোনা যায় সুজাতাও সঙ্গে গেছেন।

    সমু বন্ধুদের বলে, বুলির বিয়ে মিটে যাক। দেখব, পুলিশ কেমন কেস না করে।

    গুলতি বলে, অন্তত জোরদার মিটিং দরকার, লাগাতর। যাতে অন্য মালা, অন্য পুতলিরা বেঁচে যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী
    Next Article আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    Related Articles

    মহাশ্বেতা দেবী

    হাজার চুরাশির মা – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মিলুর জন্য – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রস্থানপর্ব – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    পারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মুখ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }