Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – মহাশ্বেতা দেবী

    মহাশ্বেতা দেবী এক পাতা গল্প83 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রতি চুয়ান্ন মিনিটে – ৬

    ছয়

    ”সমু, তোর বিয়ের চিঠিটা পেয়ে খুব ভাল লাগল। এখনই বসে বসে ভাবছিলাম, জীবনে ভাল লাগার কত কি পিছনে ফেলে আসতে হয়। আমাকেও ফেলে আসতে হয়েছে সমু। পূর্বাশাকে বড় ভালবাসতাম, ওই শহরকে বড্ড ভালবাসতাম। তোদের বন্ধুত্ব আমাকে আমি তৈরি করেছে। তোকে, তোদের আজও ভালবাসি। আমার তোর বন্ধুত্ব কেড়ে নেয় কে? তুই পূজাকে বিয়ে করছিস জেনে আরোই খুশি হলাম। চলে এসেছিলাম ১৯৮৭—তে। এটা ১৯৯৩ পড়ে গেল। আমাদের সকলের বয়সই ছ’বছর বেড়ে গেল তাই না? সুজাতাদির সঙ্গে যোগাযোগ তো আছেই। তোদের কাজকর্ম কত বেড়েছে। ওখানে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতির সঙ্গে তোরাও আছিস। এ সব ভাবলে আমার খুব গর্ব হয়।

    আমার কথা তুই খুব জানতে চাস, তাই না? তাহলে বাড়ির কথাই বলি আগে। বাবা, দাদা, দিদি, সবাই খুব গর্বিত এখন আমার জন্যে। আমি তো জানি, কাগজে এত লেখালেখি না হলে ওরা এমন উচ্ছ্বসিত হতো না। দাদা লিখেছে, ঝুমা খুব গর্বিত, আর দাদা দেখছে, ডোনেশান তুলতে পারে কি না।

    দিদি আর অমেয়দার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে জানিস বোধহয়। দিদি আবার বিয়েও করছে। ছেলেমেয়েরা নাকি বাবা—মা দুজনের কাছেই আসতে পারবে।

    বাবা তো এখন দেওঘরে থাকে। কোনোদিন ধর্মে মন ছিল না। এখন নিজেকে বেশ মানিয়ে নিয়েছে। লিখেছে গভীর শান্তি পাই। তোমার জন্যে মনে দুশ্চিন্তা ছিল। তুমি মানব—সেবাব্রতে নিজেকে সমর্পণ করেছ, ভাবলে বড় শান্তি পাই।

    ব্যাপারটা দেখ। ধর, আমি যদি কোনোদিন বিয়ে করি (করব বলছি না), তাহলে বাবা, দিদি, দাদা, সবাই হয়তো দুঃখই পাবে।

    তোকে সব লেখা যায়, তাই বলছি, এখানে যাদের মধ্যে আছি, তাদের জীবন এমনই ভাঙাচোরা যে, নিজের কথা ভাবার সময়ই পাইনি। ওদের কথা জানার পর আর নিজের দুঃখ বা ক্ষতিকে বড় মনে হয় না। অনেক, অনেক মেয়ে আমার চেয়েও লাঞ্ছিত সমু, তাদের আমি জানিও না। কিন্তু এটা জানি যে, আমার মতো মেয়েরা অনেক। আমি তাদের একজন হয়তো। চরম সৌভাগ্যবতী একজন। আমাকে তো মুখ লুকিয়ে বেড়াতে হয়নি। আমি আরো বড় একটা কাজের মধ্যে মুক্তি পেয়েছি।

     

     

    ক’বছর দেখা হয় না? ছ’বছর। তুই এখন আমাকে দেখলে চিনতে পারবি না। তুই রাগলে বলতিস, চড় মেরে মুখের ম্যাপ পালটে দেব। তা, আমার মুখের ম্যাপ পালটে গেছেই (কতগুলো আঁচড় কামড় বল তো?), আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজের আগেকার মুখ মনে করতে পারি না। বাঁ গালটা, কামড় সেলাই করেছিল বলে অদ্ভুত কোঁচকানো। কপালে একটা লম্বা সাদাটে দাগ। আর দাগগুলোর কথা নাই বললাম। চুলগুলো তখন ডাক্তার কেটেছিল, কেটেই ফেলেছি।

    নিজের কথা ভাববার সময় দেয়নি নিশীথদা। আমাকে এনে ফেলল এখানে। প্রথমে কাজই হলো, যে দশজনকে নিয়ে উইন—এর (ফর উইমেন ইন নীড) সংসার শুরু হয়, তাদের কেস হিস্ট্রি লিখে ফেলা। আমার খুব ইচ্ছে, এ চিঠিটা তুই আমাদের বন্ধুদের পড়ে শোনাবি, আমার ভাল লাগবে। আচ্ছা, গুলতি এমন সাঁতারু ছিল যে, কম্পিটিশনে নামতে গেল। ও জলে ডুবে মারা গেছে, এ কথা এখনো ভাবতে খুব কষ্ট হয়। ওর মা কেমন করে সামলাবেন নিজেকে? এক ছেলে গেল বাস চাপা পড়ে, গুলতি গেল জলে ডুবে। তোরা তো ওর নামে ‘আবীর স্মৃতি পাঠাগার’ করেছিস।

    কাদের পেলাম জানিস?

     

     

    প্রথম মেয়ে বিদ্যুৎরানী পাল, ডাকনাম বিবি। শুনলাম বয়স তেইশ, দশ বছর জেলে ছিল এন. সি. এল. মেয়ে হিসেবে। রোগা হাড় বের করা কেঠো চেহারা, চুল উকুনে বোঝাই ছিল, এখানে ওষুধ দিয়ে সারিয়েছে। অবশ্য চুলে উকুন, আর উপযুক্ত খাদ্যের অভাবে সর্বাঙ্গে ঘা এদের সকলেরই ছিল। মাধবী আর গৌরী, আমাদের দুই স্বাস্থ্যকর্মী এদের ধরে ধরে পরিষ্কার করেছে।

    বিদ্যুৎ তো বলতেই চায় না কিছু। অনেক সাধ্যসাধনার পর বলল, আমরা কর্মকার। বাপের নাম নারায়ণ কর্মকার। আমি স্কুলেও গেছি, পড়তেও পারি, জেলে তো বই পাইনি। জানি না ভুলে গেছি কিনা। আমাদের গ্রাম সুলাপুর, ডাক চাম্পাবাজার। বাড়িতে সৎমা, খুব মারত। তা একদিন সৎমার ভাই বলল, বাড়িতে মেরে মেরে মেয়েটাকে মেরে ফেলবে? আমি ওকে নিয়ে যাই। বাহিরগাছি থেকে ট্রেনে উঠব। ঠাকুরনগরে আমার শাশুড়ী থাকে। তিনি ওকে তিরিশ টাকা মাইনে দেবে, খাওয়া—পরায় থাকবে। তিনি মানুষ খুব ভাল, ওর বিয়েও দিয়ে দেবে।

    আমাকে বাহিরগাছি স্টেশনে বলল, কানের ফুল আমায় দে। পথে বড় চোরের ভয়, তা দিলাম। তারপর ঠাকুরনগরে নেমে ‘রিকশা ডাকি’ বলে সেই যে পালায় আর তার দেখা নেই। সেখান থেকে রেলপুলিশ আমাকে থানায় জমা দিল। কত বললাম বাবার নাম এই, ঠিকানা এই, কিছু শুনল না জেলে ঢুকিয়ে দিল। তা কত বলেছি, বাবাকে খবর দাও। মেট্রন বলত, জেলখাটা মেয়ে ফেরত নিতে তাদের বয়ে গেছে।

     

     

    মেট্রনের পা টিপতাম, গায়ে তেল মাখাতাম, তার কাপড় কাচতাম। পাগলীদের সঙ্গে থাকতাম, তবে আমার বিছানা ছিল।

    বিদ্যুতের অনেক প্রশ্ন। এটাও কি জেল? পেট ভরে খেতে কেন দেয়? এই মেট্রন (রুচিরাদি) লাথি মারে না কেন? জামাকাপড় পরতে দিয়েছে, কেড়ে নেবে?

    এই বিদ্যুতের বাবাকে চিঠি লিখেছি আমরা। শেষে নিশীথদা কাদের নিয়ে সুলাপুরেও গেল। নারায়ণ কর্মকার নাকি বসবাস তুলে কোথায় চলে গেছে।

    এই বিদ্যুৎ আস্তে আস্তে নরম হলো। ও এখন মেটেলিতেই দর্জিদের কাছ থেকে কাজ আনে। কলে সেলাই করে। বইটইও পড়ে। আর সকলকে বোঝায়, এ খুব ভাল জায়গা। মন দিয়ে থাকো, ঠিক ভাল হবে তোমার! ওর চেহারাটাও পালটে গেছে।

    অঞ্জু দাশ যখন আসে, ওর বয়স সাঁইত্রিশ। নদীয়া জেলায় শ্যামপুরে বাড়ি। কেষ্টনগরে পুজো দেখতে এসে স্বামী আর মেয়ের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। দু’দিন বাদে বাড়ি ফিরে যায়, কিন্তু স্বামী ওকে ফিরে নেয়নি। পঞ্চায়েতের বিচারে তবে ওকে নিল। কিন্তু স্বামী বরাবরই বড় বউদির বশ ছিল। বাড়িতে কষ্ট হঠাৎ বেড়ে গেল, অঞ্জু একটা টাকা চাইলে পায় না। শেষে অঞ্জুরা কয়েকজন মেয়ে ধানকলে কাজ করতে গেল।

     

     

    অঞ্জুর মতে সে মহাপাপী। সেখানে আরেকজনের সঙ্গে ওর ভাষায় ”প্যাম হইল, লাব বলতে পারেন। হে খুব দরদ দেখাইত! আহা! সোয়ামি চক্ষে দ্যাহে না। আহা! হে তার বরবউদির হাতের বশ! ক্যান পইরা থাকবা চ্যালাকাঠের বারি খাইয়া? আমার লগে চল কলকাতা! মাইয়া পরে আইনা নিমু।”

    এবং কলকাতায় তাকে শেয়ালদায় এনেই তার ‘টাকাটুকা বাসনকুসন, ছুটকেসটা লইয়া হে উধাও।” অঞ্জুদের জীবনের একটা অলিখিত হিসাব আছে সমু। সেই হিসাবে অঞ্জুও পৌঁছে গেল জেলখানায়।

    অঞ্জু জেলখানা থেকে খুব তেজস্বিনী আর খানিকটা ছিটেল হয়ে এসেছিল। বলত, মারুম! কাটুম! জীয়ন্ত পোড়ামু অরে।

    —কাকে অঞ্জুদি?

    —সুধইন্য পালরে, যে আমারে লইয়া…

    কখনো বলত, মাইয়ার বাপরে, যে আমারে এত কষ্ট…কিন্তু মাঝে মাঝেই বলত, জেলখানায় কি চলে তা যদি জানতা! মাগো! তার নাম করতে ডরাই। মাইয়াগো…বাপ রে! তার নিরশংস, নির্দয়।

     

     

    শ্যামপুর থেকে কিন্তু ওর স্বামী চিঠি লিখেছিল। চিঠিটা রুচিরাদিকে লেখা। একবার আসতে চেয়েছিল।

    আধা বৃদ্ধ, শুকনো চেহারার লোকটি যেমন ভীরু, তেমন কুণ্ঠিত। অঞ্জুর জন্যে ও গুড়, মোয়া একটি ঊষসী সাবান এনেছিল। ওদের বসিয়ে রেখে আমি বেরিয়ে আসি, কেন না অঞ্জুকে দেখেই লোকটি হো হো করে কেঁদে বলেছিল, বুনির মা রে! ক্যান তুই ঘর ছাইরা গেলি?

    সসম্ভ্রম চাহনি ছিল ওর চোখে। ও তো ভাবেনি বাগান ঘেরা এমন এক দোতলা বাড়িতে ঢুকবে, এমন সাজানো ঘরে দেখা করবে তার বউয়ের সঙ্গে।

    আমি, মাধবী আর গৌরী ভাবলাম, হয়তো ওরা কথাবার্তা বলছে তো বলছেই। হয়তো আমাদের ভাষায় ইন্টারঅ্যাকশানের একটা সূচনা হচ্ছে।

    হয়নি। অঞ্জু সে ঘরে একাই বসেছিল, গৌরী যখন ওর স্বামী চা খাবে কিনা জানতে গেল। অঞ্জু বলল, হে বিয়া করছে বরো বউয়ের বুনরে। বুনিরে সে অযতন করে না। হেয়াগো আবুস্তা ফিরছে, সেলোয় চাষ করে, সেলো ভারা দেয়। দ্যাশে দশে জানে বুনির মা চইলা গিছে। অহন ফিরুম ক্যান। অগো বারা ভাতে ছাই দিতে? ভাল সংবাদ, ভাই ভাই আলাদা। বুনিদের ঘরে তার জেঠি পা দেয় না। বুন বুনের মুখ দেখে না।

     

     

    অঞ্জুদি আয়া ট্রেনিং নিয়ে বারুইপুরে এক নার্সিংহোমে প্রাইভেট আয়ার কাজ করে, রাতে ডিউটি নেয় না। রাতে রান্নাঘরে বাসন্তীর মাকে সাহায্য করে।

    মিনু যখন আসে, ওর বয়স বারো। একেবারে পাঁচবছরের মেয়েকে নিয়ে মা জেলে ঢুকেছিল কেন, তা মিনু জানে না। মিনু জেলের বাইরের কোনো জগৎ জানত না। ও কোনোদিন আস্ত জামা ইজের পরেনি, বেড়াল ও কাক ছাড়া কোনো পশুপাখি দেখেনি, কেমন জীবন ছিল বুঝতে পারেন, ওকে জেলের ভেতরে অন্য মেয়ে কয়েদীদের কেউ কেউ যৌন সম্পর্কে বাধ্য করত। মা—দিদি—মাসি—পিসি, এমন কোনো সম্পর্ক যে হয়, তাও ও জানত না।

    ও সবসময় ফুলকুমারীর সঙ্গ খুঁজত। ফুলকুমারী একটি নেপালী মেয়ে। জগদ্দলের কোনো কারখানায় ওর স্বামী কাজ করত। কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে ওরা কলকাতায় চলে আসে। শেয়ালদার কাছে বস্তিতে গ্যাংরেপড হবার পর নেপালী মেয়ে ফুলকুমারী আর বিহারী মেয়ে জানকী (নৈহাটি থেকে একই কারণে কলকাতা আসে) দুজনকেই ধর্ষণকারীরা শাসিয়ে যায় যে বস্তির দখল ছেড়ে চলে না গেলে আবার ওরা গ্যাংরেপড হবে। জানকীর বর ছিল না, প্রেমিক ছিল। ফুলকুমারীর ছিল বর, মেয়ে, ছেলে।

     

     

    ভাবতে পারিস, নৈহাটি—জগদ্দল এলাকার ওই ছাবিবশ ঘরকে তুলে দেবার জন্যে লোকাল মস্তানরা ওদের চার বার গ্যাংরেপ করেছে?

    চার বার সমু! ওরা তাদের মুখ দেখেছিল, চিনত। আমি তো কাউকে দেখিনি।

    শেষে স্থানীয় নাগরিক সমিতি এসে পড়ে। প্রচুর লেখালেখি হয়। মেয়েরা ”সেফ কাস্টাডি” লেবেল পেয়ে জেলে যায়। কেসও হয়। আসামীরা প্রমাণাভাবে খালাস পায়, আর এরা থেকে যায়।

    এখানে যখন আসে, ফুলকুমারীর বয়স চল্লিশ আর জানকীর আটত্রিশ।

    ওদের বাড়ির খবর তো নেওয়াই যায়নি। সেসব বস্তির জায়গায় ঘরদোর, দোকান—পাট। ওদের ছবি কাগজে দিয়েও খবর মেলেনি। ফুলকুমারী, বোধহয় নিজের মেয়ে ছিল বলেই, মিনুকে এত ভালোবাসত।

    ওরা দুজনেই এখানে থেকে গেছে। লেখাপড়া শিখেছে। নিশীথদা ওদের দুজনকে নিজেদের ”মা ও শিশু” সেণ্টারে ট্রেনিং দিয়ে নিয়েছে, ওরা ওখানে কাজ করছিল, কিন্তু জানকী এখন ওখানকার দরোয়ানের বউ। এখানকার বউ। দেশেও দরোয়ানের বউ আছে।

     

     

    বসিরহাটের দীপালি নস্কর এগারো বছর জেলে কাটিয়ে আটাশ বছর বয়সে এখানে এসেছিল। সুন্দর মুখ—চোখ, চেহারা দেখে মনে হয় না ওর কোনো ভীষণ অতীত আছে। অতীতটা ভীষণই। ওর সতেরো বছর বয়সে ওর মামা ওকে এক অবাঙালীর কাছে বেচে দেয় কলকাতায় এনে। সে অবাঙালী ওকে মাস আষ্টেক রেখে গর্ভপাত করিয়ে বেচে দেয় এক বাঙালী মহিলার কাছে। ইনি মধ্য কলকাতায় কোথাও নিজ বাড়িতেই ব্যবসা চালাতেন, কলগার্ল জোগান দিতেন। তাঁরই কোনো এজেণ্ট তাঁকে খুন করে পালায় এবং কলগার্লরা ধরা পড়ে। তারপর কোন আইনের কোন নিয়মে দীপালি থেকে যায় পুলিশ লকআপে এবং ধর্ষিতাও হয় বার বার, সে অঙ্ক জানতে চাস না।

    দীপালি নিষ্প্রাণ জড় হয়ে গিয়েছিল। এখানে তো নিয়মিত আসেন সাইকিয়াট্রিস্ট। দীপালি চিকিৎসাধীন, হয়তো আজীবনই তাই থাকবে। সহ্য করতে পারে না বন্ধ জায়গা। বাগানে ঘোরে, খুব ঘোরে। কিন্তু গেট পেরিয়ে মেটেলির মাটিতে পায় দেয় না কখনো।

    রামপুরহাটের শেলী আর বেলী সিং ”ইট ভাটায় কাজ করবি” পার্টির সঙ্গে, দিন বিশ টাকা মজুরির লোভে ট্রাকে চেপে বসেছিল। ওদের বাড়ি মহিষা, ডাক নামোপুর—খাসাড়া, বাবার নাম উমাকান্ত সিং। ওরা জাতে ডোম, শেলী আর বেলী, দুই বোনই বলে, ”আমরা ব্রহ্ম ডোম”—তার মানে কি, আমি জানি না।

     

     

    ওদের মধ্যে শেলীর বিয়ে হয়েছিল, বেলী বিধবা হবার পর সাঙা করে। ওরা বলে, ”এখন পঞ্চাইত থেকে কাজ মেলে, মজুরিও বেড়েছে, তখন এমুন ছিল নাই।” শেলীর বর আর বেলীর সাঙা বরও সঙ্গে ছিল। কিন্তু ট্রাকটি বারাসাত নীলগঞ্জে পৌঁছে আরেকটি ট্রাকে চাপিয়ে দেয় এবং রাতে হুড়োহুড়িতে অপেক্ষমান দুটি ট্রাকের যে ট্রাকে ওরা ওঠে, তাতে বেলীর সাঙা বর ছিল না।

    যে ইটভাটায় ওদের নিয়ে যায়, তার মালিকানা নিয়ে লড়াই চলছিলই, যা এদের জানার কথা নয়। দুই মালিকই লেবার আনে। তারা স্থানীয় লোক, দুজনেরই ছিল মস্তান বাহিনী। কাজ শুরু হবার আগেই হামলা শুরু হয়, মারামারি বোমবাজিতে একজনের মুনসী (ভাটায় সর্বশক্তিমানদের একজন) মারা যায়। মাতাল মস্তানরা কুলি ঝোপড়ি ভেঙে দেয়। শেলী ও বেলী আর ওন্দা থানার লক্ষ্মী দৌড়তে দৌড়তে বাসরাস্তায় গিয়ে ওঠে। সেখানে ওরা সারারাত জড়াজড়ি করে বসে থাকে। লক্ষ্মী বলে, এর চেয়ে বর্ধমান গেলে ভাল হতো। মাঠে কাজ পেতাম। শেলী আর বেলী (আসল নাম মিলন আর খেলন, কিন্তু যাত্রাপালা দেখে ওরা নাম পালটেছিল) এক রাতের কামারাদোরির ফলে গভীর বিশ্বাস পায় ও বলে যে ওরাও যাবে। খেটে টাকা নিয়ে ঘরে ফিরলে কে কি বলবে? ওদের আশা থাকে, সকালের মধ্যে অন্যরা এসে পড়বে।

     

     

    সকালে যে আসে ওরা শুনল তার নাম রেণুবালা, সে অন্য ট্রাকে এসেছে। রেণুবালা বলে ওখানে খুব হ্যাংগামা, খুনের ব্যাপার, তাই বেটাছেলেদের বেরোতে দেবে না পুলিশ।

    চল চল, তোদেরে আমি ভাল জায়গায় নে যাব বলে রেণুবালা ওদের একটি ট্রাকে তোলে।

    অঙ্কের স্বাভাবিক হিসাবেই রেণুবালা (গোসাবায় ও রেণুবালা কলকাতায় ও রানী এবং বাংলাদেশে ও সালেহা) ওদের নিয়ে যায় ব্রথেলের উদ্দেশে। কোনো চায়ের দোকানে বসিয়ে চা কচুরি, মামলেট খাওয়াতে খাওয়াতে ব্রথেলের দালালের সঙ্গে যখন দরকষাকষি হয় (ওরা দূরের টেবিলে বসেছিল) তখন লক্ষ্মী কিছু আঁচ করে এবং ওদের দুজনকে নিয়ে পথে বেরিয়ে ফুটপাত ধরে দৌড়তে থাকে।

    এদের দৌড়বার পথ, সে যেখান থেকেই হোক, প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়েই শেষ হয়। ফুটপাথ ও প্রেসিডেন্সি জেলের মধ্যবর্তী সময়ে শেলী ও বেলী লক্ষ্মী থেকে ছিটকে যায়। সে সময়ে ওরা কি করেছে তা ওরা বলে না। কিন্তু জেলে দু’বছর থাকার পর লক্ষ্মীকেও ওরা পেয়ে যায়। শেলী ও বেলী ন’বছর, এবং লক্ষ্মী সাত বছর জেলে ছিল।

     

     

    যেটা অবিশ্বাস্য, অথচ ঘটে, যে মিরাকাল বুঝিয়ে দেয় জীবনে অনেক ইতিবাচক দিক আছে, তা আমি ঘটতে দেখেছি তিন বছর ধরে।

    লক্ষ্মীর মনে ভয়ানক গোলযোগ ঘটে গিয়েছিল। পুরুষ মানুষ দেখলেই বলত, জামা খুলব না কাপড় তুলব? সেই লক্ষ্মীর সাইকিয়াট্রিক ট্রিটমেণ্ট আজও চলছে। কিন্তু ওর বাবা বগাডিহা গ্রাম থেকে দু মাস বাদে বাদে আসে, কথা বলে এটা সেটা আনে! লোকটি ঋজু স্বভাবের, কঠিন মতামতের লোক। সে বলল, আমি তো মেয়েকে অনেক খুঁজেছি। এখন আমি একা পড়েছি। ছেলে খড়গপুরে কাজ করে, আসবে না। ওর মা কবে মরে গেছে। লোকের কথায় ‘বাঁকুড়া জনমত’ কাগজে বিজ্ঞাপনও দিয়েছিলাম। জেল থেকে একটা চিঠি দিলে…

    ওর গ্রাম? ওর সমাজ?

    ও বলল, বাঁকুড়া বড় দুঃখী জেলা গো মা! বছর বছর মেয়েরা নামালে যায় বর্ধমানে। সাঁওতাল মেয়ে…আমাদের মেয়ে…আমার মেয়েকে আমি নিয়ে যাব, কিছু বলবে কে?

    তিন বছর হলো লক্ষ্মীকে ওর বাবা নিয়ে গেছে। যাক অঞ্জুর স্বামী, লক্ষ্মীর বাবা, এদের কথা ভাল লাগল না?

    শেলী ও বেলীর বাড়িতে চিঠি লিখে, খবর দিয়েও উত্তর পাইনি আমরা। রুচিরাদির খুড়তুত ভাইয়ের ব্যবসা নানা মাপের খাম তৈরি করা। শেলী সেই কাজ করছে, থাকে ও খায় মালিকের বাড়ি। নিশ্চয় বাড়ির কাজ কিছু করতে হয়।

    বেলীর বিষয়ে আমাদের অভিজ্ঞতাটা ভাল হলো না। কোনো ট্রেনিং নেবে না, সাজগোজ প্রসাধনে অত্যধিক মন। রুচিরাদি কত বোঝাল, ভাল হয়ে থাকো, কোনো কাজ করো, তাহলে হয়তো বিয়েও হবে। কিন্তু ও একদিন জাস্ট বেরিয়ে গেল।

    দোকান থেকে সেণ্টারের সাবান, লবণ, আরো কি কি কিনবে বলে পঞ্চাশ টাকা ওকে দেওয়া হয়েছিল।

    যাবার আগে ও বাসন্তীকে বলে গেছে, বয়স হলো আটাশ। খেয়ে মেখে গতর ফিরেছে, দেহের রোগবালাই গেছে। এখন বল, লাইনে দাঁড়ালে দিন চল্লিশ/পঞ্চাশ রোজগার। ব্যাণ্ডেজ পাকিয়ে বা বই বাধিয়ে কি পাব?

    বাসন্তীকে রুচিরাদি খুব বকলেন। ও বলল, ও তো এমন কথা হরদম বলে, আবার সওদাও কিনে আনে। কেমন করে জানব যে মোটে আসবে না?

    গোসাবার মনোরমার কাহিনী খুব সংক্ষিপ্ত। মনোরমা যখন আসে, বয়স চল্লিশ। দশ বছর জেলে কাটিয়েছে! ওর ভাষায় বারো বচরে বিয়ে, তিরিশ বচর অব্দি বাঁজা। সোয়ামি আবার বে’ করে। করবে নে? ছেলে চায় তো মানুষ। তা ধরো সতীন নে’ সাত বচর ঘর করিচি। আমারে তাইড়ে দেয়নে, খাটতাম, খেতাম। সোয়ামির শাগসবজির আবাদ, ধেনো জমিও দু’বিঘে।

    তা ছেলেপুলে হয় নে, গতর খুব। হাট হতে ফিরতেছি, আমারই পাড়ার কজনে আমারে ইয়ে করে মাতায় বাড়ি দে’ গাঙে ফেলে পালায়। তা বাদে তুলল মিঞারা। তারা থানায় গেল, আমারে হাসপাতালে নিল পুলিশ। তা বাদে কি হাংনামা। পাশের গাঁয়ে আমাদের জ্ঞেয়াতি জন, খুব শত্তুরতা সম্পক্কো। তারা রইটে দিল হিঁদুর বউরে মোচনমানেরা ওই সব করেচে। কি সাজো সাজো, মারো মারো, শেষে বলে ও বলতেচে এরা ওরে ইজ্জত লুটেচে, মোচনমানে বাঁইচেছে, ওরে মেরে ফেলব। তাইতেই আমার জেলে আসা। পেরথম পেরথম সোয়ামি আসত, দেখে ঝেতু। তা বাদে আসে নে আর। এই তো কতা”।

    মনোরমা আর মিনুর ভাব খুব। মিনু ইস্কুলে যায় এখানকার। মনোরমা পৌঁছে দেয়। ওকে শেখানো হচ্ছে নাইলন সুতোর থলি বানানো। ওর কাজে মন আছে।

    এখানে এসে জানলাম, কত রকমে মেয়েদের গায়ে দাগ পড়ে, কত ভাবে তারা ব্যবহৃত হয়।

    যাদের পুনর্বাসিত করা সহজ হবে, এমন দশজনকেই ১৯৮৭—তে আনা হয়েছিল।

    তারপর যারা এসেছে, তাদের চার জনের কোনো কেস হিস্ট্রি নেই। স্রেফ রাস্তা থেকে কোনো কারণে তুলে নিয়ে আসে পুলিশ, ঢুকে যায় এন—সি—এল ওয়ার্ডে।

    ওদের কথা অন্য কোনোদিন জানবি।

    আমি তো মনে করি, এখানে না এলে, নিজের সর্বনাশকে বড় করে দেখতে দেখতে আমি মানসিক রোগী হয়ে যেতাম।

    ওদের জেনে তবে যেন পায়ের তলার মাটি পেলাম। মনোরমা যখন বড় বড় অক্ষরে বাজারের হিসেব লেখে, সেটা আমাকে গভীর আনন্দ দেয়। ও তো নিরক্ষর ছিল।

    আর মিনু! এই বয়সে ক্লাস ফাইভে পড়ছে সুনন্দাদির ননফর্মাল স্কুলে। কি যত্ন করে ও একটা চড়াই পাখির ভাঙা ডানা মেরামত করে, শালিকের বাচ্চাকে বাঁচায় বেড়ালের থাবা থেকে, আমার ঘরটাতে মাঝেমাঝেই হাসপাতাল বানিয়ে ফেলে। রুচিরাদি ওকে আমার ঘরে রেখেছেন।

    আমার কাটাকুটি দেখলে বলত, জেলে খুব মারত মাসি? কেটে কেটে দিত?

    জেলে এদের অভিজ্ঞতার কথা কি বলব বল?

    মেয়েদের শরীরটার এমন বাজার! জেল থেকে জেলকর্মী রামদুলারী মেয়ে পাচার করত বলেই তো তার বিরুদ্ধে কেস করেছেন শিবশঙ্কর চক্রবর্তী। একটা কেস একজনের চেষ্টায়। কত রামদুলারী জড়িয়ে থাকে মেয়ে—পাচার চক্রের সঙ্গে, কত চান্দোয়া তাদের শিকার হয়, হিসেবে কোথায়?

    জেলে মেয়েরা মেয়েদের কামুকতার শিকার হয় না? জয়া মিত্রের বইটা পড়ে নিস।

    আমি খুব ভাল আছি সমু। ভালই থাকব। অবশ্য নিশীথদা বলে, এই শক থেরাপিটা আমার দরকার ছিল। ঠিকই বলে। ওর ওপর আমার মনে খুব নির্ভরতা এসে গেছে।

    অমিত গঙ্গাদূষণের ওপর অমন একটা ডকু ফিলম করে ফেলল? ভাবা যায় না।

    তুই তো তোর কথা রেখেছিস। সুধীনবাবুর জুনিয়ার। পূজা এখন আই—সি—ডি—এস—এ কাজ করে, স—ব খবর রাখি।

    ভাল থাকিস, ভালবাসা নিস তোরা সবাই। তোদের সকলকে কত ভালবাসি এখন বুঝতে পারি। তোদের বিয়েতে কি প্রেজেণ্ট পাঠাব ভাবতে পারবি না—পুতলি (এখন কিন্তু আমি পল্লবী।)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী
    Next Article আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    Related Articles

    মহাশ্বেতা দেবী

    হাজার চুরাশির মা – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মিলুর জন্য – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    প্রস্থানপর্ব – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    আই. পি. সি. ৩৭৫ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    পারিবারিক – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    মহাশ্বেতা দেবী

    মুখ – মহাশ্বেতা দেবী

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }