Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প391 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রবীন্দ্র-চিন্তা – বিনয় ঘোষ

    রবীন্দ্রজীবনের অর্ধেক কেটেছে উনিশ শতকে, আর বাকি অর্ধেক বিশ শতকে। ঘটনাটা উনিশ—বিশের মতো সামান্য নয়, চিন্তা করলে এর অসামান্যতা ধরা পড়ে। রবীন্দ্রজীবনের দুই শতকের এই বিভাগটাতে আরও ভালো করে তলিয়ে দেখা উচিত।….

    দুই অর্ধেকের পার্থক্য আছে। একটি শেষের অর্ধেক, আর—একটি গোড়ার অর্ধেক। কারও শেষ ভালো কারও গোড়া ভালো। যেমন উনিশ শতকের শেষ ভালো, বিশ শতকের গোড়া ভালো। বিশ শতকের শেষ হয়তো আরও অনেক ভালো, কিন্তু আপাতত তা আমাদের বুদ্ধির নাগালের বাইরে।…

    উনিশ শতকের শেষ ভালো এইজন্য যে সেটা হল ভাঙা—গড়ার যুগ। ভাঙন ও গড়ন যেযুগে পাশপাশি চলতে থাকে তার প্রথম পর্বে সমাজমন্থনের ফলে অমৃত ও গরল দুইয়েরই উত্থান হয়। কোনটা অমৃত কোনটা গরল; এবং কেনই বা অমৃত আর কেনই বা গরল, তা স্থির—ধীরভাবে বিবেচনা করে বুঝবার শক্তি সমাজের বেশির ভাগ লোকেরা থাকে না। বিচার—বিশ্লেষণ ও সমীকরণের কাজ আরম্ভ হয় পরে, যখন প্রথম চিন্তালোড়নের ফেনা—বুদবুদ মিলিয়ে যেতে থাকে। রামমোহন—ইয়াং বেঙ্গল—বিদ্যাসাগর এই প্রাথমিক আলোড়নের স্রষ্টা। বাংলার নিস্তরঙ্গ কূপমণ্ডূক সমাজে প্রচণ্ড আঘাত করে এঁরা যে তরঙ্গবিক্ষোভ সৃষ্টি করেছিলেন, তার ভিন্নমুখী স্রোতগুলির নির্দিষ্ট খাতে বেছে নিয়ে প্রবাহিত হতে সময় লেগেছিল অনেক। নবযুগের ভাববিপ্লবের সময় প্রথমে ভিন্নমুখী চিন্তাধারাগুলি পরস্পর মিলিত হয়ে একটা জটিল আবর্ত রচনা করে। উনিশ শতকের প্রথম অর্ধেকে বাংলার মানসলোকে এই ধরনের চিন্তাবর্ত রচিত হয়েছিল। দ্বিতীয় অর্ধেকের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল, চিন্তার স্রোতগুলি স্পষ্ট রূপ ধরে নির্দিষ্ট খাতে তখন বইতে আরম্ভ করেছিল। কোনটা বলিষ্ঠ অগ্রপন্থী, কোনটা বা দোদুল্যমান মধ্যপন্থী, কোনটা পশ্চাদপন্থী—তা সাধারণ লোকের কাছেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। পথ বেছে নেওয়ার মধ্যে তখন কোনওরকম গোঁজামিল দেওয়া সম্ভব ছিল না। সমাজের মধ্যে মধ্যে এমন বিচিত্র সব ঘটনা—সমাবেশ হয় যে দুই পথে দুই পা দিয়ে চলতে বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের খুব একটা অসুবিধে হয় না। সেরকম সুযোগ রবীন্দ্রনাথের জন্মকালে বিশেষ ছিল না। সমাজের দেহে যেমন, সমাজের মনেও তেমনি শ্রেণিভেদ তখন প্রকট হয়ে উঠেছিল।…

    প্রথমে চিন্তালোড়নটা বাংলা দেশে প্রধানত হিন্দুসমাজের মধ্যে কেন্দ্রীভূত ছিল বলে, উনিশ শতকের দ্বিতীয় দশকে দেখা যায় যে সমাজচিন্তার সমস্ত ডালপালা যখন দেশের মাটিতে মূল গাড়তে চাইছে, তখন তার সমস্ত প্রাণশক্তির জোগান দিচ্ছে ‘হিন্দুত্বের’ ঐতিহাসিক চেতনা। নতুন স্বাদেশিকতাবোধের উন্মেষ হচ্ছে বটে, কিন্তু হিন্দুত্বের গাঢ় রঙে তা রঞ্জিত। দেশমাতৃকার ধ্যানমূর্তি গড়ছে তখন দেশের লোক, রবীন্দ্রনাথ সেই মায়ের কোলেই জন্মগ্রহণ করলেন, অথচ গাঢ় বা ফিকে কোনও রঙের ছোপ তাঁর মনে একটুও লাগল না। রবীন্দ্রনাথের স্বাদেশিকতাবোধ কোনওদিন সাম্প্রদায়িকতার স্পর্শে কলুষিত হয়নি। ‘জীবনস্মৃতি’র পাঠকরা জানেন, হিন্দু মেলার সামাজিক কলকোলাহল রবীন্দ্র—পরিবারেই প্রতিধ্বনিত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর, সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর, গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রভৃতি ঠাকুর পরিবারের যুবকরা এই নব্যজাতীয়তার উদ্বোধনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন। জাতীয় জাগরণের এই উষাকালে রবির উদয় মনে হয় গভীর তাৎপর্যে পূর্ণ।…

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বই
    ডিজিটাল বই
    Library
    PDF বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই পড়ুন
    বই ডাউনলোড
    রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    ১৮৬০ সালে বাইশ বছরের যুবক কেশবচন্দ্র সেন তাঁর প্রথম রচনা ‘Young Bengal, This is for you’ প্রকাশ করেন। তৎকালের তরুণদের আহ্বান করে তিনি বলেন: ‘Rest assured, my friend, if in our country intellectual progress went hand in hand with religious development, if our educated countrymen had initiated themselves in living truths of religion, patriotism would not have been a matter of mere oration and essay, but a reality in practice.’ নবযুগের শিক্ষার মধ্যে এই ‘living truth of religion’—এর অভাবকেই কেশবচন্দ্র ‘godless education’-এর ফল বলেছিলেন। তরুণ বাংলাকে নতুন জীবনমন্ত্রে জাগিয়ে তোলার জন্য কেশবচন্দ্রর এইসব বক্তৃতা, তাঁর ব্রাহ্মধর্মের দীক্ষা, আচার্যপদে অভিষেক, সংগত সভা, ক্যালকাটা কলেজ, ‘ইন্ডিয়ান মিরর’ পত্রিকা প্রভৃতি স্থাপন (১৮৬০—৬২), সাহিত্যক্ষেত্রে দীনবন্ধু মিত্রর ‘নীলদর্পণ’ নাটক, মাইকেল মধুসূদনের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ প্রকাশ রবীন্দ্রনাথের জন্মকালের ঘটনা। তারপর রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলায় স্বামী বিবেকানন্দর জন্ম (১৮৬৩), আদি ব্রাহ্মসমাজ ও ভারতবর্ষীয় ব্রাহ্মসমাজের ভেদ (১৮৬৬), হিন্দু মেলা বা জাতীয় মেলার অধিবেশন আরম্ভ (১৮৬৭), বঙ্কিমচন্দ্রর ‘বঙ্গদর্শন’ প্রকাশ (১৮৭২), বেলঘরিয়ার তপোবনে কেশবচন্দ্রর সঙ্গে রামকৃষ্ণ পরমহংসের প্রথম সাক্ষাৎ ও আলাপ (১৮৭৫)—এইসব ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটতে থাকে। সমাজচিন্তার বিভিন্ন প্রবাহের যে নির্দিষ্ট খাতের কথা বলেছি, এই সময় থেকে সেগুলি স্পষ্টাকারে রেখায়িত হতে থাকে।…

     

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    ডিকশনারি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বুক শেল্ফ
    কৌতুক সংগ্রহ
    পিডিএফ
    বাইশে শ্রাবণ
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্য
    Books

     

    ‘সঞ্জীবনী’, ‘ভারতী’ ও ‘সাধনা’ পত্রিকা মারফত রবীন্দ্রনাথ যে সামাজিক আদর্শসংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন ‘নবজীবন’ ‘প্রচার’ ‘বঙ্গবাসী’ প্রভৃতি পত্রিকার সঙ্গে, আজও তার সম্পূর্ণ ইতিবৃত্ত রচনা করা হয়নি। উনিশ শতকের শেষ দুই দশকে হিন্দু পুনরভ্যুত্থানবাদীদের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ জাতীয় ও সামাজিক প্রগতির জন্য, মানবধর্মের অকৃত্রিম সত্যের জন্য যে লড়াই করেছিলেন, মনে হয় বাকি জীবনে সুসংহত বিপরীত চিন্তার সঙ্গে আর কখনো তাঁকে সেরকম লড়াই করতে হয়নি। চিন্তার এই সংঘাতের ইতিহাস যতদিন না লুপ্ত ও দুষ্প্রাপ্য পত্রিকার পৃষ্ঠা থেকে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হব, ততদিন রবীন্দ্রনাথের সমাজচিন্তার (social thoughts) অনুশীলন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। ‘হিং টিং ছট’ কবিতা, ‘গোরা’ উপন্যাস প্রভৃতি রচনার প্রকৃত মানসিক পশ্চাদভূমি অনুধাবন করাও সম্ভব হবে বলে মনে হয় না। যোগেন্দ্রচন্দ্র—শশধর তর্কচূড়ামণিদের বক্তব্য কী ছিল তা না জানলে রবীন্দ্রনাথের বক্তব্যও সম্পূর্ণ বোঝা যাবে না। রবীন্দ্র প্রতিভার অনুশীলনে এটা একটা বড় ফাঁক রয়ে গিয়েছে, ভরাট করা প্রয়োজন।

    ‘গোরা’ উপন্যাসটিকেও একটি হিং টিং ছট কবিতা বলা যায়। অন্তরালবর্তী ভাবগত সাদৃশ্যের দিক দিয়ে বলছি। চরিত্রায়ণের অপূর্ব দক্ষতায় প্রত্যেকটি চরিত্র মনে গভীর দাগ কেটে যায়, কাউকে চেষ্টা করেও ভোলা যায় না। তবু চরিত্রায়ণের চেয়ে জীবন ও জাতির আদর্শের রূপায়ণই গোরার বড় কথা। চরিত্রের চেয়ে বক্তব্য অনেক বড়। কী সেই বক্তব্য? নায়ক গোরার জীবনের বিশাল সৌধ কেনই বা তিনি বৈদেশিক জনকত্বের বালুচরের উপর গড়ে তুললেন? কেনই বা সে রহস্যের আবরণ নায়কের কাছে উন্মোচন করলেন না পরিণতির আগে পর্যন্ত? এ কি হিন্দুধর্মের তর্কচূড়ামণিদের প্রতি নির্মম বিদ্রুপ? তামার তাসের প্রাসাদ রচনা? ব্রাহ্মধর্মের প্রতিও নির্মম কটাক্ষ আগাগোড়া ‘গোরা’র মধ্যে করা হয়েছে। হিন্দুধর্ম ও ব্রাহ্মধর্মের মিলনের ইঙ্গিতও যথেষ্ট রয়েছে ‘গোরা’র মধ্যে। ব্রাহ্মধর্মের অন্যতম আদি গুরু রাজনারায়ণ বসু ‘হিন্দুধর্মের শ্রেষ্ঠতা’ সম্বন্ধে বক্তৃতা দিয়েছিলেন অত্যুগ্র ব্রাহ্মদের প্রকৃতিস্থ করার জন্য। ‘গোরা’তে রবীন্দ্রনাথ কি তা—ই করেছেন? অথবা এই কথা বলতে চেয়েছেন যে সকল ধর্মের বাইরের মেকি খোলসটা পরিত্যাজ্য, বাকি আদত সত্তাটুকু সকলেরই সমান মহৎ ও শ্রেষ্ঠ, এবং সেটা মানবধর্ম তথা বিশ্বমানবধর্ম? এরকম অনেক প্রশ্ন জাগে মনে, রবীন্দ্রনাথের সমাজচিন্তার ক্রমবিকাশের ধারাটিকে, সমস্ত ফাঁক ভরাট করে ধরতে না পারলে এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সহজ নয়।…

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বই
    পিডিএফ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    নতুন বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    প্রতিভার কালনিরপেক্ষতায় যাঁরা বিশ্বাসী তাঁদের সঙ্গে আমার মতের মিল হবে না কোনওদিন, হবার প্রয়োজনও নেই। অনাদিকালের এই তর্ক অনন্তকাল ধরে চলবে, এবং তা চলে তো চলুক। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের সমাজচেতনার যুক্তিবাদী বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আদৌ নড়বড়ে বলে মনে হয় না। তিনি নিজে তাই তাঁর প্রতিভার কালসাপেক্ষতায় বিশ্বাসী ছিলেন, এবং কাব্যাকারে তার সুন্দর উত্তর দিয়ে গিয়েছেন ‘আমি যদি জন্ম নিতেন কালিদাসের কালে’ কবিতায়। আরও অনেক রচনায় তার স্পষ্ট ইঙ্গিত আছে।…

    দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চরিত্রে তাঁর পিতা দ্বারকানাথের প্রভাব উল্লেখ্য বলে মনে হয় না। রবীন্দ্রনাথের জীবনেও পিতা দেবেন্দ্রনাথের প্রভাব যতই প্রত্যক্ষ ও গভীর হোক—না কেন, মনে হয় পিতার পুত্রের চেয়ে বিশ্বকবি তাঁর পিতামহের প্রকৃত পৌত্র ছিলেন অনেক বেশি। ‘বিদ্যাসাগরচরিত’—এ রবীন্দ্রনাথ নিজে ঈশ্বরচন্দ্রর পিতামহ রামজয় তর্কভূষণের চরিত্র সবিস্তারে বর্ণনা করে বলেছেন, ‘এই দরিদ্র ব্রাহ্মণ তাঁহার পৌত্রকে আর কোনো সম্পত্তি দান করিতে পারেন নাই, কেবল যে অক্ষয়সম্পদের উত্তরাধিকারবণ্টন একমাত্র ভগবানের হস্তে, সেই চরিত্র—মাহাত্ম্য অখণ্ডভাবে তাঁহার জ্যেষ্ঠ পৌত্রের অংশে রাখিয়া গিয়েছিলেন।’ কেবল ‘দরিদ্র’ কথাটির বদলে ‘অতুল ঐশ্বর্যশালী’ কথাটি বসিয়ে বলা যায় যে প্রিন্স দ্বারকানাথ তাঁর চরিত্রমাহাত্ম্য অখণ্ডভাবে তাঁর নবম পৌত্রের অংশে রেখে গিয়েছিলেন। দেবেন্দ্রনাথের জীবনী ও আত্মজীবনী দুইই আছে, কিন্তু কিশোরীচাঁদ মিত্রর একখানি অসম্পূর্ণ ইংরেজি জীবনী ছাড়া দ্বারকানাথের কিছু নেই। দেবেন্দ্রনাথের চরিত্রে ধ্যানগম্ভীর আত্মমুখী প্রশান্তি রবীন্দ্র চরিত্রে বর্তেছিল বটে, কিন্তু রবীন্দ্র প্রতিভার শ্রেষ্ঠ বৈশিষ্ট্য যে বলাকার উদ্দাম সচলতা, যে ‘হেথা নয়, হেথা নয়, অন্য কোথা, অন্য কোনখানে’র আবেগ, যে দুর্বার দুরন্ত অভিযানের অনির্বাণ বাসনা, তা একান্তভাবে দ্বারকানাথের ‘material’-ঐশ্বর্যমুখী চরিত্রের ‘ideological’ বা ‘intellectual’—ঐশ্বর্যমুখী রূপান্তর। ‘Money’ এবং ‘Talent’, ‘Wealth’ এবং ‘Erudition’—এই দুটি হল শ্রেষ্ঠতা প্রতিপাদনের প্রধান মানদণ্ড। প্রথমটি (Money বা Wealth) দ্বারকানাথ অর্জন করেছিলেন, দ্বিতীয়টি অর্জন করেছিলেন তাঁর পৌত্র রবীন্দ্রনাথ। দুয়েরই ‘common factor is motive energy and a powerful dynamic’—যা পিতামহ ও পৌত্র উভয়েরই প্রচুর পরিমাণে ছিল। নব্যযুগের ‘econonic entrepreneur’ দ্বারকানাথ ঠাকুরের পৌত্র রবীন্দ্রনাথ ছিলেন আদর্শ ‘intellectual entrepreneur’ এবং দ্বারকানাথ ও রবীন্দ্রনাথের মিলনেই রেনেসাঁসের অখণ্ড চিত্র চোখের সামনে ভেসে ওঠে।…

     

    আরও দেখুন
    ই-বই পড়ুন
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    PDF বই
    বইয়ের
    রেসিপি বই
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা বই
    বাংলা অডিওবুক

     

    তাঁর জীবনের ‘hero’ কে? এপ্রশ্ন একবার রবীন্দ্রনাথকে করা হয়েছিল। তার উত্তরে তিনি বলেছিলেন—’রামমোহন রায়’। এই প্রশ্ন বা উত্তর কোনোটাই আমরা আজও ভালো করে বিচার করিনি। ঠাকুর পরিবারের (রবীন্দ্র—শাখার) আদর্শের মূল যে রামমোহনের সামাজিক ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার মধ্যে কত গভীরভাবে নিহিত ছিল তা দ্বারকানাথ ও দেবেন্দ্রনাথের জীবন থেকেই বোঝা যায়। দ্বারকানাথ ছিলেন তাঁর মানসপুত্র। রামমোহনের আদর্শই রবীন্দ্রনাথের সমগ্র সাহিত্যকর্মে ও চিন্তাধারায় পরিব্যপ্ত। ভারতপথিক রামমোহন সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন : ‘ভারতের চিত্ত সেদিন মনের অন্ন নূতন করে উৎপাদন করতে পারছিল না, তার খেত ভরা ছিল আগাছার জঙ্গলে। সেই অজন্মার দিনে রামমোহন রায় জন্মেছিলেন সত্যের ক্ষুধা নিয়ে। ইতিহাসের প্রাণহীন আবর্জনা বাহ্যবিধির কৃত্রিমতায় কিছুতে তাঁকে তৃপ্ত করতে পারলে না। কোথা থেকে তিনি নিয়ে এলেন সেই জ্ঞানের আগ্রহে স্বভাবত উৎসুক মন, যা সম্প্রদায়ের বিচিত্র বেড়া ভেঙ্গে বেরল, চারিদিকের মানুষ যা নিয়ে ভুলে আছে তাতে যার বিতৃষ্ণা হোলো। সে চাইল মোহমুক্ত বুদ্ধির সেই অবারিত আশ্রয় যেখানে সকল মানুষের মিলনতীর্থ। এই বেড়াভাঙ্গার সাধনাই যথার্থ ভারতবর্ষের মিলনতীর্থকে উদ্ঘাটিত করা। এইজন্যেই এ—সাধনা বিশেষভাবে ভারতবর্ষের, যেহেতু এর বিরুদ্ধতাই ভারতে এত প্রভূত, এত প্রবল।’ রবীন্দ্রনাথের জীবনসাধনা সম্বন্ধেও তাঁর নিজের এই উক্তি প্রযোজ্য।…

     

    আরও দেখুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই ডাউনলোড
    PDF
    লেখকের বই
    লাইব্রেরি
    পিডিএফ
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স

     

    অগাধ জলধিতুল্য রবীন্দ্র—সাহিত্যের সম্যক পর্যালোচনা করতে হলে তার কালানুক্রমিক পর্বভেদ করা সর্বাগ্রে প্রয়োজন। দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য হেতু পর্বভেদে মতভেদ দেখা দিতে পারে। তা দিলেও উপায় নেই, এই পথেই অগ্রসর হতে হবে। দেহের বা বয়সের বিকাশের সঙ্গে যেমন মনের বিকাশ হয়, তেমনি দেশকালের বা সমাজের বিকাশের সঙ্গে ব্যক্তিত্বেরও বিকাশ হয়, সমান্তরাল পথে সরল গতিতে নয়, সমাজের সঙ্গে ব্যক্তির নিরন্তর ঘাতপ্রতিঘাতে। ১৮৭৫ সালে ‘হিন্দু মেলার উপহার’ কবিতা প্রকাশ থেকে ১৯৪১ সালের ‘শেষ লেখা’ পর্যন্ত রবীন্দ্র সাহিত্যের রচনাকালের একটা চলনসই ভেদপর্ব এইভাবে করা যেতে পারে :

    প্রথম পর্ব : ১৮৭৫—৯৯। বয়স ১৪ থেকে ৩৯ বছর, প্রায় সম্পূর্ণ যৌবনকালটা বলা চলে। রবীন্দ্রনাথের গভীর জাতীয়তাবোধ ও আন্তর্জাতিকতাবোধ, বাংলা ভাষা, লোকসাহিত্য ও লোকসংস্কৃতির প্রতি নিবিড় অনুরাগ এইসময় পাকা বনেদের উপর গড়ে ওঠে। কবি কাহিনী, বাল্মীকি প্রতিভা, সন্ধ্যা সঙ্গীত, বৌঠাকুরাণীর হাট, প্রভাত সঙ্গীত, বিবিধ প্রসঙ্গ, প্রকৃতির প্রতিশোধ, রাজা ও রাণী, বিসর্জন, চিত্রাঙ্গদা, সোনার তরী, চিত্রা, বৈকুণ্ঠের খাতা, পঞ্চভূত, কণিকা পর্যন্ত সাহিত্যকর্মের অগ্রগতি। বাংলার লোকসংস্কৃতির পুনরনুশীলনে প্রায় একুশ—বাইশ বছর বয়স থেকে তিনি আত্মনিয়োগ করেন। সমাজচিন্তার অগ্রসরগতি যাতে অবরুদ্ধ না হয় তার জন্য প্রতিপক্ষের সঙ্গে এইসময় তাঁকে কঠোর আদর্শসংগ্রামে অবতীর্ণ হতে হয়।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাইশে শ্রাবণ
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    PDF বই

     

    দ্বিতীয় পর্ব : ১৯০০—১৫। বয়স প্রায় ৪০ থেকে ৫৫ বছর। ক্ষণিকা, নৈবেদ্য, চোখের বালি, আত্মশক্তি, বাউল, স্বদেশ, ভারতবর্ষ, খেয়া, নৌকাডুবি, প্রাচীন সাহিত্য, লোকসাহিত্য, সাহিত্য, আধুনিক সাহিত্য, রাজা প্রজা, সমূহ, সমাজ, শারদোৎসব, শিক্ষা, ধর্ম, প্রায়শ্চিত্ত, গোরা, গীতাঞ্জলি, ডাকঘর, চৈতালি, ছিন্নপত্র, অচলায়তন, গীতালি পর্যন্ত এই পর্বের সাহিত্যযাত্রা। স্বদেশিযুগের মন বহু রচনার মধ্যে সক্রিয়। চিন্তার পরিণতি, অগ্রগতি এবং দূর থেকে দূরান্তের অভিযানের উৎকণ্ঠাও লক্ষণীয়।

    তৃতীয় পর্ব : ১৯১৬—৩০। বয়স প্রায় ৫৬ থেকে ৭০ বছর। ফাল্গুনী, ঘরে—বাইরে, বলাকা, চতুরঙ্গ থেকে লিপিকা, পূরবী, সংকলন, রক্তকরবী, যোগাযোগ, শেষের কবিতা, মহুয়া পর্যন্ত সাহিত্যের অগ্রগতি। দেহের যৌবন উত্তীর্ণ হলেও মনের যৌবন কাণায়—কাণায় ভরা। যৌবনোত্তরকালে রবীন্দ্র—প্রতিভার এই বৈশিষ্ট্যও লক্ষণীয়। সমাজচেতনার প্রাখর্য কমেনি, বরং বেড়েছে এবং তার সঙ্গে জীবন—আস্বাদনের আকাঙ্ক্ষা তীব্রতর হয়েছে।

    চতুর্থ পর্ব : ১৯৩১—৩৯। বয়স সত্তরের কোঠায় চলেছে। ‘রাশিয়ার চিঠি’ থেকে আরম্ভ করেপুনশ্চ, দুই বোন, মানুষের ধর্ম, মালঞ্চ, শ্যামলী, কালান্তর, প্রান্তিক, সেঁজুতি, আকাশ—প্রদীপ পর্যন্ত সাহিত্যযাত্রা। নতুন পৃথিবী, নতুন সমাজ, নতুন মানুষ ও নতুন জীবনকে বুঝবার আবেগপূর্ণ আকুতি রবীন্দ্রনাথের সত্তরের সাহিত্যে পরিস্ফুট।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা অডিওবুক
    Books
    বইয়ের তালিকা
    লেখকের বই
    ডিকশনারি
    রেসিপি বই
    বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কৌতুক বই

     

    পঞ্চম পর্ব : ১৯৪০—৪১। বয়স আশির কোঠায় পড়ল। জীবনেরও শেষ হল। তবু এ—ও একটা স্বাতন্ত্র্য—উজ্জ্বল পর্ব। দ্বিতীয় বিশ্ব—মহাযুদ্ধ এর পটভূমি। দেবাসুর সংগ্রামে মানবসভ্যতার চূড়ান্ত সংকট। ‘নবজাতক’ থেকে শুরু করে সানাই, তিন সঙ্গী, রোগশয্যায়, আরোগ্য, জন্মদিনে, সভ্যতার সংকট, শেষ লেখা পর্যন্ত সাহিত্যের যাত্রাশেষ। নতুন জীবনের অঙ্গীকারে আস্থা আশিতে আরও আবেগমুখী হচ্ছিল মনে হয়। কালক্রমে রবীন্দ্র—মানসের এই বিচিত্র অভিব্যক্তি অত্যাশ্চর্য নয় কি?….

    কালানুক্রমিক আলোচনায় লাভ এই যে রবীন্দ্র—মানসের আঁকাবাঁকা ঊর্ধ্বগতির পথরেখাটি তাতে ধরা পড়তে পারে। পূর্বোক্ত পর্বভেদ থেকে এইটাই বোঝা যায় যে রবীন্দ্রনাথের বয়স যত প্রবীণ হয়েছে, তাঁর মন তত নবীন হয়েছে, কিন্তু তাঁর সেই মন কখনো দেশকালের চেতনাভূমি থেকে উৎক্ষিপ্ত হয়নি। অতএব দেশকালের পরিবর্তনশীল আবেষ্টনের সঙ্গে, এবং সমাজচিন্তার সংঘাতমুখর অগ্রসরগতির সঙ্গে যোগ রেখে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকীর্তির অনুশীলন করলে তার বিশালতা ও বিশিষ্টতা দুইই উপলব্ধি করা সম্ভব হতে পারে।

    ১৯৬১

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    লেখকের বই
    Library
    পিডিএফ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    ……………………………………….

    * লেখকের নোটবই থেকে টুকরো চিন্তাগুলি সংকলিত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাদম্বরী – বানভট্ট
    Next Article মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }