Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প391 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সমাজপতি মহারাজা নবকৃষ্ণ – বিনয় ঘোষ

    বারাণসীর অধিষ্ঠাতৃ দেবতা হলেন শ্রীশ্রীবিশ্বেশ্বরজী মহাদেব। বিশ্বেশ্বর—বিশ্বনাথ বারাণসীকে ভারতের অন্যতম হিন্দু তীর্থে পরিণত করেছেন তাঁর অলৌকিক মাহাত্ম্যগুণে। তাঁরই পাশে একধারে প্রতিষ্ঠিত আছেন শ্রীশ্রীনবকৃষ্ণেশ্বর। দেবাদিদেব মহাদেব শ্রীশ্রীবিশ্বেশ্বরের পাশে এই নবকৃষ্ণেশ্বর কে? মানুষ, না দেবতা? মহাদেবতার পাশে নগণ্য মানুষ পূজিত হবে কী করে? শ্রীশ্রীনবকৃষ্ণেশ্বর আমাদের বঙ্গদেশের মহারাজা নবকৃষ্ণ, কলকাতার প্রাচীন শোভাবাজার রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা। অনেকের কাছে আজ বিশ্বাস্য হবে না শোভাবাজারের মহারাজা নবকৃষ্ণ দেব বাহাদুরের ‘শ্রীশ্রীনবকৃষ্ণেশ্বর’ রূপ ধারণ করার কাহিনি, অথবা তাঁর বিস্ময়কর বাহাদুরি। কিন্তু আজ থেকে প্রায় ২০০ বছর আগে অষ্টাদশ শতকে নবকৃষ্ণর কালে সমাজের এমন সব আশ্চর্য ঘটনা ঘটত, যা আজকের দিনে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া স্বাভাবিক। আজকের বৈজ্ঞানিক যুগের বহু বিচিত্র ঘটনা অষ্টাদশ শতকের লোকের কাছেও তাজ্জব বলে মনে হত। অতএব মহারাজা নবকৃষ্ণর কথা এবং তাঁর ‘শ্রীশ্রীনবকৃষ্ণেশ্বর রূপধারণের কাহিনি তাঁরই কালের দৃষ্টিতে বিচার করতে হবে।

    আমাদের দেশের প্রত্যেক ধর্মপ্রাণ হিন্দু একদা কামনা করতেন যেন শেষজীবনে কাশীবাসী হতে পারেন এবং কাশীর বিশ্বনাথধামে দেহত্যাগ করে স্বর্গলোকে স্থায়ী আসন দখল করতে পারেন। রাজা—প্রজা, ধনী—নির্ধন নির্বিশেষে সকলের মনেই সংসারধর্ম পালনের পর এই কামনা মূর্ত হয়ে উঠত। মহারাজা নবকৃষ্ণর মনেও তা—ই হয়েছিল। তদানীন্তন রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কর্মক্ষেত্রে অনেক প্রকারের কর্ম—অকর্ম করার পর নবকৃষ্ণর মন এক বিষণ্ণ অবসাদে ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছিল। ক্লাইভের চেয়ে তিনি বয়স কিছু ছোট ছিলেন এবং প্রায় সমবয়সি ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংসের। ক্লাইভ ও হেস্টিংস, দুই কৃতী পুরুষেরই তিনি ছিলেন মুনশি বা ফারসি শিক্ষক। এ দেশের রাজনীতির ঘোরপ্যাঁচও ক্লাইভ—হেস্টিংস তাদের প্রিয় মুনশী নবকৃষ্ণর কাছে শিক্ষা করেছিলেন। পলাশির যুদ্ধের পর বাংলার রাজনীতিক্ষেত্রে যে পঙ্কিল আবর্ত রচিত হয়েছিল, তাতে মহারাজ নবকৃষ্ণ কর্ণধার না হলে ইংরেজ রাজপুরুষেরা চোখে হয়তো অন্ধকার দেখতেন। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ‘পলিটিক্যাল দেওয়ান’ হয়েছিলেন নবকৃষ্ণ। সর্বকর্মে দুর্লভ যোগ্যতা ও কৃতিত্বের জন্যই তিনি যে এই দায়িত্বপূর্ণ পদে বহাল হয়েছিলেন, তাতে সন্দেহ নেই। কূটনীতি কে কাকে সেদিন বেশি শিক্ষা দিয়েছিলেন, তা—ও আজ তর্কের বিষয়, তবে নবকৃষ্ণর কাছ থেকে এ বিষয়েও ইংরেজরা কিছু কম শিক্ষা পাননি। যা—ই হোক, কেবল যে রাজনীতিতে তা নয়, ব্যাবসাবাণিজ্য ও নানানবিধ সামাজিক কাজকর্মেও সারাজীবন নবকৃষ্ণ অনেক কঠোর কর্তব্য পালন করেছেন। জীবনের অপরাহ্নে কাশীধামের দিকে স্বভাবতই তাই তাঁর মন ধাবিত হয়েছিল। ইচ্ছা হয়েছিল স্বনামে একটি শিব বিশ্বেশ্বর মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করবেন। বিশ্বেশ্বরজির অবাঙালি ভক্তরা, বিশেষ করে পান্ডারা, বেশ একটু আপত্তিকর গুঞ্জন তুলেছিল, কিন্তু বারাণসীর মহারাজা বিলক্ষণ অবগত ছিলেন মহারাজা নবকৃষ্ণ ‘কে’ এবং তাঁর প্রভাব—প্রতিপত্তি কতখানি। কাজেই ওজর—আপত্তি শেষ পর্যন্ত টিকল না, সমারোহে ও সগৌরবে শ্রীশ্রীবিশ্বেশ্বরের পাশে শ্রীশ্রীনবকৃষ্ণর শিব প্রতিষ্ঠা করা হল। অদ্যাবধি এই শিব পূজিত হয়ে আসছেন যদিও নবকৃষ্ণর এই কীর্তির কথা অনেকেরই আজ মনে নেই।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই পড়ুন
    পিডিএফ
    বইয়ের তালিকা
    Library
    বইয়ের
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বই ডাউনলোড
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার

     

    মহারাজা নবকৃষ্ণর সামাজিক প্রতিপত্তির এটি একটি বড় নিদর্শন। অগ্রদ্বীপের গোপীনাথের বিগ্রহ নিয়ে নদিয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রর সঙ্গে তাঁর ঐতিহাসিক বিরোধ হয়েছিল। মাতৃশ্রাদ্ধের সময় নবকৃষ্ণর বাসনা হয়, বাংলা দেশের লোকপ্রিয় বিগ্রহগুলি কয়েকদিনের জন্য কলকাতায় তাঁর মায়ের শ্রাদ্ধবাসরে নিয়ে এসে প্রতিষ্ঠা করে পূজার্চনা করেন। এই বাসনা চরিতার্থের জন্য তিনি লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করেন। শ্রাদ্ধ শেষ হবার পর অন্যান্য বিগ্রহ ফিরিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু অগ্রদ্বীপের গোপীনাথ জিউকে দেওয়া হয় না। কারণ নবকৃষ্ণ স্বপ্ন দেখেছিলেন গোপীনাথ তাঁর কাছে থাকতে চান। মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র তখন জমিদারির ব্যাপারে হেস্টিংসের নতুন বন্দোবস্তের জন্য নানাদিক থেকে বিপন্ন ও বিপর্যস্ত। মধ্যেমধ্যে নবকৃষ্ণর কাছে টাকার জন্য তাঁকে হাত পাততে হত, নানা বিষয়ে উপদেশ—পরামর্শও নিতে হত। তিন লক্ষ টাকা নবকৃষ্ণর কাছ থেকে তিনি ঋণ করেছিলেন। গোপীনাথ—বিগ্রহের বিনিময়ে এই ঋণ নবকৃষ্ণ মকুব করতেও রাজি ছিলেন। কিন্তু ঋণ তো দূরের কথা, প্রাণের চেয়েও অধিকতর মূল্য হল আভিজাত্যপ্রসূত সামাজিক মর্যাদার। বিগ্রহ নিয়ে কলকাতা ও কৃষ্ণনগরের দুই মহারাজার মধ্যে মর্যাদার লড়াই বাধল। কৃষ্ণচন্দ্র প্রাচীন রাজবংশের বংশধর, নবকৃষ্ণ একপুরুষের অর্বাচীন মহারাজা। তেজবীর্য কারও কম নয়। বরং একপুরুষের মহারাজার একটু বেশি। প্রবীণ ও তরুণের মতো দুই মহারাজার মধ্যে তফাত। বিগ্রহ নিয়ে অবশেষে মামলা হল আদালতে, কয়েক হাজার টাকা জলের মতো খরচ হয়ে গেল। জয় হল কৃষ্ণচন্দ্রর। কিন্তু নবকৃষ্ণর নয়া আভিজাত্যের গর্বোদ্ধত মাথা সহজে হেঁট হবার নয়। আর কয়েক হাজার টাকা খরচ করে তিনি গোপীনাথের অবিকল একটি মূর্তি ওস্তাদ শিল্পীদের দিয়ে তৈরি করালেন। তারপর বিগ্রহ পাঠিয়ে দিলেন কৃষ্ণচন্দ্রকে। কিন্তু কোন বিগ্রহটি পাঠালেন, আসল না নকল, তা নিয়ে আজও অনেক কাহিনি শোনা যায়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    PDF বই
    বুক শেল্ফ
    বই পড়ুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    মহারাজা নবকৃষ্ণর দেবদ্বিজে ভক্তি ছিল প্রগাঢ়। শোভাবাজারের রাজবাড়িতে দোল—দুর্গোৎসব মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হত। সাহেবসুবো থেকে আরম্ভ করে কলকাতা শহরের সকল শ্রেণির লোক এইসব উৎসবে যোগদান করতেন। দানধ্যান ও ভোজনের প্রলোভনে রবাহূতের সংখ্যাও কম হত না। জাঁকজমক পাল্লা দিয়ে করা হত, কারণ শহরে তখন রাজা—মহারাজা স্তরের আরও অনেক ধনিক ছিলেন, যাঁরা উৎসব—অনুষ্ঠানের সমারোহকে আভিজাত্যের প্রতিযোগিতা বলে মনে করতেন। শোভাবাজারের তালুকদার নবকৃষ্ণর আভিজাত্য ছিল সকলের উপরে, কাজেই উৎসবের জাঁকজমকও তাঁকে সেই অনুপাতে করতে হত। তার একটি দৃষ্টান্ত দিচ্ছি। ওয়ার্ড সাহেব তাঁর হিন্দুদের ইতিহাসগ্রন্থে (ইংরেজি) এই দৃষ্টান্তটি উল্লেখ না করে পারেননি। একবার নবকৃষ্ণ কালীঘাটে কালী মন্দিরে পুজো দিতে যান। অমাত্য—আমলাবর্গ, ব্রাহ্মণ—পুরোহিত—পণ্ডিত শত শত তাঁর সঙ্গী হন। পুজো উপলক্ষে এক লক্ষ টাকা খরচ হয়। দশ হাজার টাকার একটি স্বর্ণহার নবকৃষ্ণ মা কালীকে উপহার দেন। তার সঙ্গে আরও নানা রকমের অলংকার দেওয়া হয় এবং খাট—বিছানা, রুপোর থালা—বাসন ইত্যাদিও অনেক দান করা হয়। কয়েক হাজার ভিখিরিও মহারাজার অর্থদান গ্রহণ করে। শোভাবাজার থেকে কালীঘাট পর্যন্ত কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলের লোকের মধ্যে নিদারুণ উত্তেজনার সঞ্চার হয়।

     

    আরও দেখুন
    বই
    বাইশে শ্রাবণ
    নতুন বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    রেসিপি বই
    Library

     

    ধর্মেকর্মে যেমন, সামাজিক কাজকর্মেও তেমনি নবকৃষ্ণ তাঁর আভিজাত্য—গৌরব সম্বন্ধে সচেতন ছিলেন। মনে হয় সামাজিক ব্যাপারে তাঁর পদমর্যাদার চেতনা আরও বেশি প্রখর ছিল। তা—ই থাকার কথা। সেকালে সামাজিক মর্যাদার লড়াই চলত প্রকাশ্যে ধনদৌলত প্রদর্শনের প্রতিযোগিতার ভিতর দিয়ে। প্রধানত সেই কারণে বড় বড় বিত্তশালী পরিবারে উৎসব—অনুষ্ঠানের জাঁকজমক খুব বেশি পরিমাণে হত। সামাজিক ক্রিয়াকর্মের অনুষ্ঠানগুলিতে সমারোহ এমন পর্যায়ে পৌঁছোত যা আজকের দিনে বাস্তবিকই কল্পনা করা যায় না। এইরকম সামাজিক ক্রিয়াকর্মের মধ্যে নবকৃষ্ণর মাতৃশ্রাদ্ধের অনুষ্ঠান বাংলার সামাজিক ইতিহাসে একটি রূপকথা রচনা করেছে। অবশ্য কেবল নবকৃষ্ণর মাতৃশ্রাদ্ধ নয়, তাঁর সমকালীন আরও কয়েকজন ধনিক বাঙালির মাতৃশ্রাদ্ধের অনুষ্ঠান আজ অনুরূপ কাল্পনিক কাহিনি বলে মনে হয়। ওয়ার্ড সাহেব লিখেছেন যে, পাইকপাড়ার গঙ্গাগোবিন্দ সিংহ তাঁর মাতৃশ্রাদ্ধে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছিলেন। বর্তমান টাকার মূল্যে বিচার করলে অন্তত দু—কোটি টাকা হবে। মহারাজা নবকৃষ্ণ প্রায় এই একই পরিমাণ টাকা তাঁর মাতৃশ্রাদ্ধে ব্যয় করেন। তবে ওয়ার্ড সাহেব লিখেছেন যে, নবকৃষ্ণ বেশির ভাগ টাকা দানধ্যানে ব্যয় করেন। দানের মধ্যে ব্রাহ্মণ—পণ্ডিতদের দানই সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। ওয়ার্ড ব্রাহ্মণদের দানের এই তালিকাটি দিয়েছেন :

    কেবল ব্রাহ্মণদের নয়, সাধারণ দরিদ্র লোকদেরও কাপড়চোপড় ও অন্যান্য জিনিস দান করা হয়েছিল। অনেকে এই অনুষ্ঠানকে তখন কলিযুগের এক মহাযজ্ঞ বলে অভিহিত করেছিলেন। ‘মুখার্জির ম্যাগাজিন’—এ (এপ্রিল ১৮৬১) এই অনুষ্ঠানের একটি বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছিল। তার মর্ম এই :

     

    আরও দেখুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বইয়ের
    বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    PDF বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গ্রন্থাগার
    নতুন বই

     

    মনে হয় বাংলা দেশের সমস্ত অঞ্চল থেকে সকল শ্রেণির লোক এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিল। ‘ভিখিরি’ ‘ভাট’ ‘পাড়িয়া’ এরা তো ছিলই, দরিদ্র ও অবস্থাপন্ন মধ্যবিত্তরা পর্যন্ত বাদ ছিল না। এমনকী রীতিমতো সংগতিপন্ন যাঁরা তাঁরাও এসেছিলেন উপঢৌকনের লোভে। যেহেতু প্রত্যেক ব্যক্তি দান গ্রহণ করতে পারবে, তাই অধিকাংশ লোকই স্ত্রী—পুত্র নিয়ে সপরিবারে এসেছিল, এমনকী কোলের শিশুটিকেও কেউ ফেলে আসেনি। বড় বড় পুতুল কাপড়ে ঢেকে কোলের শিশু সাজিয়ে অনেকে দান গ্রহণ করেছিল। জিনিসপত্তর ও খাবারদাবার সরবরাহ করা সহজ ব্যাপার ছিল না। দেশের শত শত কর্মকার কুম্ভকার স্বর্ণকার তন্তুবায় ময়রা প্রভৃতি কারিগরদের আহ্বান করা হয়েছিল এই মহাযজ্ঞের জোগান দিতে। লক্ষাধিক লোকের সমাগম হয়েছিল অনুষ্ঠানে, এবং তখনকার দিনেও নিজের যথেষ্ট আমলাবর্গ পাইক—বরকন্দাজ—সেপাই দাসদাসী থাকা সত্ত্বেও, মহারাজা নবকৃষ্ণকে পুলিশ ও মিলিটারির সাহায্য নিতে হয়েছিল শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য।

    দানধ্যানের ব্যাপারে মহারাজা নবকৃষ্ণর উদারতা কেবল পারিবারিক উৎসব—অনুষ্ঠানে নয়, অন্যান্য সামাজিক কাজকর্মেও প্রকাশ পেত। তিনি মনেপ্রাণে হিন্দু ছিলেন ঠিক, কিন্তু সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজকর্মে সচরাচর তাঁর সাম্প্রদায়িক গোঁড়ামি দেখা যেত না। হিন্দুদের জন্য তিনি বহু দেবালয়, স্নানের ঘাট, তীর্থযাত্রার পথ ইত্যাদি নির্মাণ করেছেন। তাঁর মতো আরও অনেক ধনিক রাজা—মহারাজা পুণ্যকর্মবলে এইসব কাজ সেকালে করেছেন, বহু পাপকর্মের প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য। এ ব্যাপারে অন্তত নবকৃষ্ণ ব্যতিক্রম ছিলেন না। তবে তিনি অন্যান্য সম্প্রদায়ের উপকারার্থেও যথেষ্ট দানধ্যান করেছেন। কলকাতার ‘সেন্ট জন’স গির্জা নবকৃষ্ণর দানের জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। তখনই এই জমিটুকুর দাম ছিল প্রায় ৩০ হাজার টাকার মতো, এখন ৩০ লক্ষ টাকা হওয়াও আশ্চর্য নয়। এ ছাড়া ওয়ারেন হেস্টিংসকে তিনি ফারসি—আরবি বিদ্যার চর্চার জন্য মাদ্রাসা স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রায় তিন লক্ষ টাকা দান করেছিলেন। নবকৃষ্ণ নিজে যে একজন ফারসি বিদ্যায় বিচক্ষণ পণ্ডিত ছিলেন সে কথা অবশ্য মনে রাখা উচিত। সেইজন্য শুধু হিন্দু বিদ্যায় নয়, মুসলমান বিদ্যাতেও তাঁর অগাধ অনুরাগ ছিল। সংস্কৃতচর্চার জন্য তিনি যেমন ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের অকাতরে দানধ্যান করতেন, বৃত্তি দিতেন, সেইরকম ফারসিবিদ্যাচর্চার জন্যও মৌলবি—মুনশিদের বৃত্তি দান করতেন। বাংলা দেশের রাজা—মহারাজা ও জমিদারদের সাংস্কৃতিক উদারতার ঐতিহ্য নবকৃষ্ণ আঠারো শতকের শেষার্ধে কলকাতা শহরে পূর্ণমাত্রায় বহন করে এনেছিলেন। আধুনিক মহানগরে তাঁকে বিলীয়মান সামন্তযুগের একজন উদীয়মান শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি বলা যায়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    Books
    PDF বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বুক শেল্ফ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই পড়ুন

     

    মহারাজা নবকৃষ্ণর পণ্ডিতসভার তখন এমন খ্যাতি ছিল যে লোকে তাকে মহারাজা বিক্রমাদিত্যর নবরত্নসভা বলত। নবকৃষ্ণর বিদ্বৎসভা যারা অলংকৃত করতেন, তাঁদের মধ্যে প্রধান ছিলেন সুপ্রসিদ্ধ পণ্ডিত জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন, বাণেশ্বর বিদ্যালংকার, রাধাকান্ত তর্কবাগীশ, শ্রীকণ্ঠ কমলাকান্ত, বলরাম ও শংকর। সভাতে নিয়মিত বিতর্ক হত তখনকার দিনের নানারকম জটিল সামাজিক সমস্যা নিয়ে। দেশ—বিদেশ থেকে বড় বড় পণ্ডিতরা আসতেন এই বিতর্কে যোগদান করতে এবং জয়ের পুরস্কার ও মর্যাদা লাভ করতে। কাশীর বড়—বড় পণ্ডিতরা তখন নিয়মিত আমন্ত্রিত হতেন নবকৃষ্ণর পণ্ডিতসভায়। বাঙালি পণ্ডিতদের সঙ্গে উত্তর ভারতের পণ্ডিতদের বহু গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বিষয় নিয়ে তর্কবিতর্ক হত। রমানাথ তর্কসিদ্ধান্ত, জগন্নাথ তর্কপঞ্চাননের মতো বিখ্যাত সব বাঙালি পণ্ডিতদের কাছে অনেক বাইরের পণ্ডিত তখন পরাজয় স্বীকার করেছেন। বাঙালি—অবাঙালি নির্বিশেষে মহারাজা নবকৃষ্ণ পণ্ডিতদের পুরস্কার ও বৃত্তি দান করে উৎসাহিত ও সম্মানিত করেছেন। সভাস্থলে বিদ্যাকে বিত্তের মতো শ্রেষ্ঠ মর্যাদায় ভূষিত করেছেন। তখনকার দিনে বাংলা দেশে এমন কোনও খ্যাতিমান পণ্ডিত ছিলেন কি না সন্দেহ, যিনি কলকাতার শোভাবাজারের মহারাজা নবকৃষ্ণর অথবা নদিয়ার মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রর দানভাজন ছিলেন না।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    অনলাইন বুকস্টোর
    ই-বই পড়ুন
    গল্প, কবিতা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা অডিওবুক

     

    ত্রিবেণির প্রসিদ্ধ পণ্ডিত জগন্নাথ তর্কপঞ্চাননের পাণ্ডিত্য ও পরমায়ু দুইই বিস্ময়কর ছিল। নবকৃষ্ণর মারফতে ওয়ারেন হেস্টিংস তাঁর পরিচয় পান এবং হিন্দু আইনগ্রন্থ সংকলনের কাজে তাঁকে নিয়োগ করেন। জীবিকানির্বাহ ও গৃহনির্মাণের জন্য নবকৃষ্ণ তাঁকে অর্থ এবং একটি তালুক দান করেন। বছরে এক লক্ষ টাকা আয়ের মতো একটি বড় তালুক তিনি জগন্নাথকে দিতে ইচ্ছুক ছিলেন, কিন্তু জগন্নাথ তা গ্রহণ করেননি। তিনি বলেছিলেন যে লক্ষ টাকা আয়ের সম্পত্তি তাঁর প্রয়োজন নেই, কারণ বিদ্যানুশীলন ও ভোগবিলাসিতা একসঙ্গে চলতে পারে না। জগন্নাথের ইচ্ছা, তাঁর বংশে বিদ্যাচর্চার ধারা অক্ষুণ্ণ থাক, এবং তা থাকতে হলে লক্ষ টাকা আয়ের সম্পত্তি ভোগ করা চলবে না। কাজেই জগন্নাথ ছোট্ট একটি তালুক নবকৃষ্ণর কাছ থেকে গ্রহণ করেছিলেন, যার আয় থেকে কোনওরকমে দু—বেলা খেয়ে—পরে চলে যেতে পারে। পণ্ডিত বাণেশ্বর বিদ্যালংকারকে তিনি শোভাবাজারে একটি বসতগৃহ নির্মাণ করে দিয়েছিলেন। পণ্ডিত রাধাকান্ত তর্কবাগীশকে ১২০০ বিঘা নিষ্কর ভূমি দান করেছিলেন এবং দিল্লির সম্রাটের কাছ থেকে তাঁর জন্য ‘পণ্ডিতপ্রধান’ উপাধি মঞ্জুর করে এনেছিলেন। দেশের পণ্ডিতসমাজের জন্য নবকৃষ্ণর এরকম আরও অনেক কীর্তি স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। তাঁর নিজের গ্রন্থাগারটি ছিল তাঁর বিদ্যানুরাগের অন্যতম নিদর্শন। তার জন্য বহু প্রাচীন সংস্কৃত পুঁথি তিনি নানা স্থান থেকে সংগ্রহ করেছিলেন। কেবল সংস্কৃত পুঁথি নয়, আরবি—ফারসি পুঁথিও তাঁর সংগ্রহশালায় অনেক ছিল। শোভাবাজারের রাজপরিবারের এই বিদ্যোৎসাহ নবকৃষ্ণের বংশধরদের মধ্যেও দীর্ঘকাল অক্ষুণ্ণ ধারায় প্রবাহিত হয়েছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    পিডিএফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা অডিওবুক
    লেখকের বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    লাইব্রেরি

     

    কেবল বিদ্যানুশীলনে নয়, সংগীত ও শিল্পকলার অনুশীলনেও নবকৃষ্ণ যথেষ্ট উৎসাহী ছিলেন। কলকাতা শহরে কবিগানের নব্যধারার তিনি ছিলেন প্রধান প্রবর্তক ও পৃষ্ঠপোষক। শোভাবাজার রাজবংশের অনাথকৃষ্ণ দেব তাঁর ‘বঙ্গের কবিতা’ গ্রন্থে লিখেছেন : ‘কলিকাতার শোভাবাজার রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা মহারাজা নবকৃষ্ণ বাহাদুরের ভবনেই প্রকৃত ওস্তাদী কবি—গাহনার প্রথম আবির্ভাব। মহারাজা অতিশয় সঙ্গীত গুণগ্রাহী ও বিলক্ষণ উদারচেতা ছিলেন; কবি—গান সম্বন্ধে অভিজ্ঞ অনেকে বলিয়া গিয়াছেন, একমাত্র তাঁহার উৎসাহে তৎকালে কবি—গানের প্রচুর সমাদর হইয়াছিল। মহারাজার নিকট কুলুইচন্দ্র সেন নামক একজন বৈদ্যবংশীয় গুণী থাকিতেন, তিনি ”আখড়াই” গাহনা বিষয়ে পারদর্শী ছিলেন। এই সেনজা মহাশয় টপ্পাবাজ নিধুবাবুর নিকট—আত্মীয়।’ বিখ্যাত টপ্পা গায়ক নিধুবাবুর ভালো নাম রামনিধি গুপ্ত। তাঁর পুত্র জয়গোপাল গুপ্ত পিতার রচিত সংগীত—সংকলন ‘গীতরত্ন’ গ্রন্থের ভূমিকায় লিখেছেন যে, কুলুই সেন ছিলেন নিধুবাবুর নিকট মাতুলপুত্র। নবকৃষ্ণর পর তাঁর পুত্র মহারাজা রাজকৃষ্ণ বাহাদুরের আমলে প্রধানত নিধুবাবুর প্রেরণায় আখড়াই গানের চরম বিকাশ হয়।

    কবিগায়কদের মধ্যে নবকৃষ্ণর কালে হরু ঠাকুর শ্রেষ্ঠ বলে সমাদৃত হতেন। তাঁর নাম হরেকৃষ্ণ দীর্ঘাঙ্গী। তিনি কবিয়াল মহলে ‘কবির গুরু, ঠাকুর হরু’ বলে পরিচিত ছিলেন। বিখ্যাত রাম বসু, যিনি কবিগানের নব্যধারার প্রবর্তক (প্রশ্ন—উত্তর রীতির), হরু ঠাকুরের পরবর্তী। হরু ঠাকুর একটি শখের দল করে মহারাজা নবকৃষ্ণর রাজবাড়িতেই গান করতেন। কবিগায়ক হলেও তাঁর আত্মমর্যাদাবোধ অত্যন্ত প্রখর ছিল। শোনা যায়, মহারাজা নবকৃষ্ণ একদিন তাঁর গান শুনে খুশি হয়ে তাঁকে একটি দামি শাল উপহার দেন, হরু ঠাকুর সেটি মহারাজার সামনেই তাঁর ঢুলিকে পরিয়ে দেন। মহারাজা তাতে আরও খুশি হন এবং এই তেজস্বিতার জন্য হরুর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা ও প্রীতি আরও বেড়ে যায়। রাজকোষ থেকে হরু নিয়মিত বৃত্তি পেতেন এবং নবকৃষ্ণর পরামর্শেই তিনি শখের দল থেকে প্রথম পেশাদার কবিদল গড়ে তোলেন। তাঁর রচিত গানের একটি ছোট্ট নমুনা এই—

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    PDF বই
    PDF
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    কৌতুক সংগ্রহ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    নাম প্রেম তার, সাকার নহে,

    বস্তুটি সে নিরাকার।

    জীবন যৌবন, ধন কিবা মন,

    প্রাণ বশীভূত তার।

    নবকৃষ্ণর প্রতি হরু ঠাকুরের অনুরাগ এত গভীর ছিল যে, নবকৃষ্ণর মৃত্যুর পর তিনি কবিগান গাওয়া পরিত্যাগ করেন। নবকৃষ্ণর উত্তরাধিকারীদের পোষকতায় পরবর্তীকালে বাংলা কবি—আখড়াই—টপ্পা গানের সমৃদ্ধি হয় বটে, কিন্তু ক্রমে কলকাতা শহরের নব্য—অভিজাতদের কুরুচিস্পর্শে তার বিকৃতি ও অবনতিও দ্রুতগতিতে ঘটতে থাকে।

    বাংলর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে, অষ্টাদশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে, মহারাজা নবকৃষ্ণর দান নানাবিধ। তৎকালে বাংলা দেশে নদিয়ারাজ মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব—প্রতিপত্তি একটুও ম্লান হয়নি। কৃষ্ণচন্দ্রর জমিদারিপ্রতাপ ইংরেজ শাসকদের নিত্যনতুন বন্দোবস্তের ফলে অনেকটা ক্ষুণ্ণ হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সমাজে বা সংস্কৃতিক্ষেত্রে তঁর প্রভাব অক্ষুণ্ণ ছিল। সেইসময় শোভাবাজারের মহারাজা নবকৃষ্ণ একটি ‘দ্বিতীয় কৃষ্ণনগরের রাজসভা’র পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন নতুন শহর কলকাতায়। সেখানে তাঁরই ছিল অখণ্ড প্রতিপত্তি এবং নতুন ইংরেজ শাসকরা পর্যন্ত সেই প্রতিপত্তি মান্য করে চলতেন। তিনি দক্ষিণ রাঢ়ীয় মৌলিক কায়স্থসমাজভুক্ত হয়েও সর্বসম্মতিক্রমে কুলীন—মৌলিকসহ সমগ্র কলকাতার কায়স্থসমাজভুক্ত ‘সমাজপতি’র আসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন, মৌলিক কায়স্থ হয়ে সমগ্র কায়স্থসমাজের ‘সমাজপতি’ হওয়া, বিশেষ করে কলকাতার মতো ধনিকবহুল দলাদলিপ্রধান শহরে যে কী ভয়ংকর ব্যাপার হতে পারে তখনকার দিনে, তা আজ কল্পনাতেও অনুমান করা সম্ভব নয়। নবকৃষ্ণ সমাজপতি হয়েছিলেন এবং কলকাতার সম্ভ্রান্ত কুলীন কায়স্থরা তাঁর নেতৃত্ব বিনা আপত্তিতে মেনে নিয়েছিলেন। এমনকী তিনি একবার কুলীন—মৌলিক উভয় গোষ্ঠীর কায়স্থদের ‘একজাই’ পর্যন্ত করেছিলেন, অর্থাৎ সকলের বংশানুক্রমের বিশুদ্ধতা যাচাই করে নতুন করে জাতিগত স্তরবিন্যাস করেছিলেন এবং তাঁর ‘একজাই’ সকলে স্বীকারও করে নিয়েছিলেন। তা ছাড়া মহারাজা নবকৃষ্ণ ছিলেন তখনকার ‘জাতিমালা কাছারি’র সভাপতি। এই কাছারির কাজ ছিল জাতিগতভাবে কর্তব্যের ত্রুটিবিচ্যুতির জন্য দণ্ডবিধান করা। এই দণ্ড সমাজের চোখে ভয়ানক দণ্ড ছিল, কারণ সমাজচ্যুতি অথবা জাতিচ্যুতির দণ্ড তখন প্রাণদণ্ডের চেয়েও কঠোরতর বলে গণ্য হত। মহারাজা নবকৃষ্ণ কলকাতার সমাজে এই দণ্ডমুণ্ডের কর্তা ছিলেন, যে দণ্ডের জন্য আপিল তখন ব্রিটিশের আদালতেও গ্রাহ্য হত না। কোটিপতি নবকৃষ্ণর পক্ষে সমাজপতি হওয়া সহজেই সম্ভব হয়েছিল, যেমন আজও অনেকের পক্ষে সম্ভব হয়।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    লাইব্রেরি
    বাংলা অডিওবুক
    বইয়ের
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    Library
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    PDF বই

     

    ১৩৭১ । ১৯৬৪

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাদম্বরী – বানভট্ট
    Next Article মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }