Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প391 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জয়নারায়ণ ঘোষাল – বিনয় ঘোষ

    জয়নারায়ণ ঘোষাল – বিনয় ঘোষ

    পলাশির যুদ্ধ বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের একটা দিকস্তম্ভ। পলাশির আগেও যুদ্ধ হয়েছে অনেক, বিখ্যাত সব যুদ্ধ, কিন্তু কোনও যুদ্ধের প্রভাব—প্রতিক্রিয়া আমাদের জাতীয় জীবনে এমন সুদূরপ্রসারী হতে পারেনি। তার কারণ, বাংলার জাতীয় জীবনের ইতিহাসের দিক থেকে পলাশির রণাঙ্গনে সংঘাত হয়েছে দুই যুগের, কেবল দুই জাতের নয়। বিদেশি বণিকের মানদণ্ড যেমন রাজদণ্ডরূপে দেখা দিয়েছে, তেমনি একটা যুগ অস্তাচলে গিয়ে তার সঙ্গে। সেই যুগটাকে আমরা নবাবি আমল এবং সামন্তযুগ বলতে পারি। অন্যান্য যুগের মতো সামন্তযুগেও আমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের ভালোমন্দ বিচারের একটা নির্দিষ্ট মানদণ্ড ছিল, একটি বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। নবযুগের নতুন পরিবেশে সেই মানদণ্ড ও দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে লাগল। বিদেশি ইংরেজ বণিকরা একহাতে আমাদের রাজদণ্ড কেড়ে নিয়ে, আর—একহাতে নবযুগের এই নতুন মানদণ্ডটি আমাদের দিয়েছিলেন। অর্থনীতি, শিক্ষা, সমাজ ও সংস্কৃতি—জীবনের কোনওক্ষেত্রেই অবশ্য এই বিদেশি শাসকরা নিজেদের স্বার্থের খাতিরে, নবযুগের এই নতুন মূল্যায়নের মানদণ্ডটি প্রয়োগের অবাধ স্বাধীনতা আমাদের দেননি। তার ফলে আমাদের যুগোপযোগী অগ্রগতি ব্যাহত হয়েছে, মধ্যপথে এসে থেমে গিয়েছে, দিগভ্রান্ত হয়েছে। কিন্তু তবু আমরা বাধাবিপত্তির মধ্যেও জীবনের সব ক্ষেত্রে অনেকটা পথ এগিয়ে গিয়েছি। নবযুগের নতুন মানদণ্ড নিয়ে এই অগ্রগমনে, ইতিহাসের সন্ধিক্ষণের প্রথম পর্বে, অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ পাদ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম পাদ পর্যন্ত বাংলা দেশের যে কয়েকটি পরিবার নানাদিক থেকে আমাদের সাহায্য করেছেন, তাঁদের মধ্যে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার, শোভাবাজারের রাজপরিবার, পাইকপাড়ার রাজপরিবার, ভূকৈলাসের রাজপরিবার প্রভৃতির নাম বিশেষ উল্লেখযোগ্য। জয়নারায়ণ ঘোষাল এই ভূকৈলাসের রাজপরিবারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও কৃতী বংশধর।

    নবযুগের এই নতুন পরিবার—প্রতিষ্ঠাতাদের (Family-founders) এযুগের প্রথম উদ্যোগী সংস্কৃতি—রচয়িতা বলা যায়। পরিবারই হল সমাজের ক্ষুদ্রতম গোষ্ঠীভিত্তি, তাই পরিবার থেকেই নতুন যুগের আলোক বাইরের বৃহত্তর সমাজে বিচ্ছুরিত হয়েছে। কেবল যে আমাদের দেশে হয়েছে তা নয়, সব দেশেই হয়েছে। প্রাচীন বা মধ্যযুগে পরিবারের কোনও ইতিহাস ছিল না, তার কারণ জীবন্ত সমাজের সক্রিয় ‘সেল’ (cell) বা ‘ইউনিট’ হিসেবে পরিবারের কোনও স্বতন্ত্র সত্তা স্বীকৃত হত না। কেবল সকলের অধীশ্বর শাসকরাজার পরিবারের অস্তিত্বই স্বীকৃত হত। আমাদের দেশে ব্রাহ্মণরা যে ‘কুলপঞ্জি’ রচনা করতেন, তা সামাজিক শুচিতা রক্ষার জন্যে ব্যবহৃত হত, আর কোনও কাজে লাগত না। পারিবারিক প্রাধান্যের ইতিহাস আধুনিক যুগের ইতিহাস এবং সেইসব পরিবার যে প্রধানত ধনিক পরিবার, বিত্তশালী পরিবার, তার কারণ স্বোপার্জিত বিত্তই এ যুগের সামাজিক প্রতিষ্ঠার প্রধান স্তম্ভ। যুগটা ধনতান্ত্রিক, সামন্ততান্ত্রিক নয়। এ যুগে বিত্তের কৌলীন্যই স্বীকৃত, কুলের কৌলীন্য নয়। স্বোপার্জিত বিত্তের জোরেই বাংলা দেশে যাঁরা পারিবারিক ও ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠা অর্জন করেছিলেন এবং সেই প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক ও সাংস্কৃতি ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ভূকৈলাসের রাজারা অন্যতম। ইতালীয় ও ইয়োরোপীয় রেনেসাঁসের ইতিহাসেও দেখা যায়, কয়েকটি বিত্তবান পরিবারই নতুন সংস্কৃতিধারার পরিচালক ছিলেন। বাংলা দেশের নবযুগের ইতিহাসেও তার বিশেষ ব্যতিক্রম হয়নি।

    জয়নারায়ণ ঘোষাল স্বরচিত ‘করুণানিধানবিলাস’ কাব্যে বংশপরিচয় প্রসঙ্গে লিখেছেন :

    বিষ্ণুর কনীয় সুত কন্দর্প ঘোষাল।

    কৈশোরে কিশোর প্রেমে হইল রসাল।।

    ঐ গুণে লোলা অতি হইয়া সদয়া।

    দেশাধিপ রাজকার্যে তাঁরে নিয়োজিয়া।।

    গোবিন্দপুরেতে বাস দিলেন তাঁহার।

    গড়্যা বেহালা খিদিরপুরে নিরন্তর।।

    তস্য তিন সুত কৃষ্ণচন্দ্র প্রথম।

    গোকুলচন্দ্র রামচন্দ্র অতীব উত্তম।।

    তাঁর পাঁচ পুত্র নাম ক্রমে বলি শুন।

    বৃন্দাবনচন্দ্র পরে রামনারায়ণ।।

    হরিনারায়ণ লক্ষ্মীনারায়ণ চতুর্থ।

    পঞ্চ গঙ্গানারায়ণ হয় হে যথার্থ।।

    বিধাধীনে পাঁচজনের বংশ হইল হীন।

    কৃষ্ণচন্দ্রের এক পুত্র আমি মাত্র দীন।।

    পলাশির যুদ্ধের আগে, অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে, জয়নারায়ণের পিতামহ কন্দর্প ঘোষাল, হাওড়া জেলার বাকসাড়া গ্রামের পৈর্তৃক বাস ছেড়ে নতুন কলকাতা শহরে গোবিন্দপুর অঞ্চলে উঠে আসেন। এখন যেখানে ফোর্ট উইলিয়াম কেল্লা প্রতিষ্ঠিত, পূর্বে তার নাম ছিল গোবিন্দপুর। ভাগীরথীর পশ্চিম তীর ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে প্রথমে যাঁরা নতুন মহানগরে ভাগ্যান্বেষণে আসেন, তাঁরা এই গোবিন্দপুর অঞ্চলেই বসতি স্থাপন করেন কলকাতার প্রাচীন বনেদি পরিবারের পূর্বপুরুষরা অনেকেই গোবিন্দপুরের আদি বাসিন্দা। নতুন কেল্লা নির্মাণের সময় এঁরা উত্তরে ও দক্ষিণে জমিজমা পেয়ে চলে যান। শেঠ—বসাকরা, ঠাকুর ও শোভাবাজারের দেবরা যান উত্তরে সুতানুটিতে, ঘোষাল পরিবার ও অন্যান্য আরও অনেকে যান দক্ষিণে বেহালা—সরশুনার দিকে। কিছুদিন গড়—বেহালা অঞ্চলে বাস করে কন্দর্প ঘোষাল, ১১৬১ সনে পলাশির যুদ্ধের আগে খিদিরপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে আরম্ভ করেন। প্রায় ২০০ বছর অর্থাৎ আটপুরুষ ধরে, ভূকৈলাসের রাজারা বংশানুক্রমে খিদিরপুরে বাস করছেন। জয়নারায়ণের জন্ম হয় গোবিন্দপুরে, ১৭৫১ সালে, পলাশির যুদ্ধের ছ—বছর আগে।

    কন্দর্পর কালে ভূকৈলাসের রাজপরিবারের বিশেষ কোনও প্রতিষ্ঠা ছিল না, থাকবার কথাও নয়। তাঁর মধ্যমপুত্র, জয়নারায়ণের পিতৃব্য গোকুলচন্দ্র ঘোষালই এই পরিবারের আদি প্রতিষ্ঠাতাদের শীর্ষস্থানীয়। কুলগত বৃত্তি ছেড়ে তিনিই প্রথম স্বাধীন বাণিজ্যবৃত্তি অবলম্বন করেন। এই বৃত্তিনির্বাচনে তিনি যুগধর্মই পালন করেছিলেন। সামন্তযুগে বৃত্তি ছিল কুলগত ও বংশানুক্রমিক। যাজন অধ্যাপন শাস্ত্রব্যাবসা ছাড়া ব্রাহ্মণরা অন্য ব্যাবসা করলে সমাজে পতিত হতেন। কায়স্থরা প্রধানত রাজস্ববিভাগে ও জমিদারের কাছারিতে চাকরি করতেন। বাণিজ্য তাঁদেরও কুলগত পেশা ছিল না। বাণিজ্য করতেন সুবর্ণবণিক, গন্ধবণিক, তাম্বূলীবণিক, তন্তুবণিক প্রভৃতি বণিকশ্রেণি। সামন্তসমাজে বণিগবৃত্তির মর্যাদা ছিল না। নবযুগে বণিগবৃত্তির মর্যাদা স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত হল। অবাধ বাণিজ্যের উদ্যমের মধ্যে যুগধর্মের প্রকাশ হতে থাকল। পলাশির যূদ্ধের পর, কলকাতার তথা বাংলার সমাজে এই যুগধর্মের প্রকাশ হয়েছিল বাঙালি ‘বেনিয়ানদের’ মধ্যে। এ দেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারী ও স্বাধীন ইংরেজ বণিকদের ‘এজেন্ট’ ও দালাল ছিলেন বাঙালি বেনিয়ানরা। অষ্টাদশ শতাব্দীর এই বেনিয়ানরা ছিলেন একাধারে ‘interpreter, head book-keeper, head-secretary, head-broker, the supplier of cash and cash-keeper’। ‘টু মেন ধাপুড়—ধুপুড়, ওয়ান ম্যান সেঁকে দেয়’—গোছের (ঢেঁকির বর্ণনা) ইংরেজি বিদ্যের জোরে সে যুগে সে প্রতিপত্তি তাঁরা অর্জন করে গিয়েছেন, এ যুগের ইংরেজি বুলিদুরস্তদের কাছে তা রূপকথা বলে মনে হবে। পলাশির যুদ্ধের আগে পর্যন্ত ব্রাহ্মণ—বৈদ্য—কায়স্থদের মধ্যে বিশেষ কেউ কুলবৃত্তি ছেড়ে বানিজ্যের এ পথে অগ্রসর হননি। তখন কলকাতার বাঙালি শেঠ—বসাকরাই প্রধানত ‘এজেন্ট’—এর কাজ করতেন। পলাশির পরে কুলবৃত্তির বন্ধন ছিন্ন করে, ব্রাহ্মণ—বৈদ্য—কায়স্থরা স্বাধীন বাণিজ্যেরপথে অগ্রসর হন এবং বুদ্ধিবলে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অসাধারণ প্রতিষ্ঠান পান। গোকুল ঘোষালের সমসাময়িক বেনিয়ানদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন বারাণসী ঘোষ, হৃদয়রাম ব্যানার্জি, অত্রুর দত্ত, মনোহর মুখার্জি, মদন দত্ত প্রভৃতি। এঁদের সমকক্ষ প্রতিপত্তিশালী বেনিয়ান তখন খুব অল্পই ছিলেন।

    গোকুল ঘোষাল ছিলেন গভর্নর ভেরেলস্টের বেনিয়ান। মহারাজা নবকৃষ্ণর সমসাময়িক তিনি এবং তাঁর প্রতিপত্তিও নবকৃষ্ণর সমতুল্য ছিল। সেকালের ‘মেয়র্স কোর্ট’—এর দলিলপত্র থেকে গোকুল ঘোষালের বাণিজ্যিক প্রতিপত্তির যে পরিচয় পাওয়া যায়, তা অবিশ্বাস্য মনে হয়। বাংলা দেশে ও বাংলার বাইরে প্রায় সর্বপ্রকারের পণ্যের বাণিজ্যে তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছিলেন। নানা রকমের কাপড়চোপড়, মসলিন—মলমল, আফিম—তামাক, কাঠ—চিনি ইত্যাদি কোনও কিছুই বাদ ছিল না। সাহেবসমাজে ও ধনিক বাঙালি সমাজে তাঁর যথেষ্ট প্রতিপত্তি ছিল। ১৭৭৯ সালে গোকুল ঘোষালের মৃত্যু হয়। তাঁর পুত্রদের মধ্যে কেউ পিতার মতো কৃতী পুরুষ হতে পারেননি। তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র জয়নারায়ণ ঘোষালই তাঁর কৃতিত্বের ধারা ভিন্ন ক্ষেত্রে বহন করে নিয়ে গিয়েছিলেন।

    বাঙালি বেনিয়ানদের স্বাভাবিক ঐতিহাসিক পরিণতি হওয়া উচিত চিল আধুনিক ক্যাপিটালিস্ট বা শিল্পপতিশ্রেণির বিকাশে। ধনতন্ত্রের প্রথম পর্বের প্রয়োজনীয় বিত্তসঞ্চয়, ‘primary accumulaion’, প্রচুর পরিমাণে তাঁরা করেছিলেন। দেশীয় শিল্প—বাণিজ্যের প্রতিষ্ঠায় সেই সঞ্চিত বিত্তের নিয়োগ একান্ত কাম্য ছিল। কিন্তু এ দেশি বেনিয়ান—বণিকদের সে কামনা ইংরেজ শাসক—বণিকদের স্বার্থে চরিতার্থ করা সম্ভব হয়নি। নবযুগের বেনিয়ান—বণিকরাও তাই শেষ পর্যন্ত স্থাবর ভূসম্পত্তি কিনে জমিদারশ্রেণিতে পরিণত হয়েছেন, ইয়োরোপের বণিকদের মতো শিল্পপতিশ্রেণিতে উন্নীত হতে পারেননি। বাংলা দেশের একটা গতিশীল সামাজিক শ্রেণি এইভাবে স্থিতিশীল শ্রেণিতে পরিণত হয়েছে।

    গোকুল ঘোষাল প্রচুর অর্থব্যয় করে ধনসম্পত্তি কিনেছিলেন। জয়নারায়ণ ঘোষাল পিতৃব্যের বেনিয়ানি ও বাণিজ্যবৃত্তি অনুসরণ করেননি। তিনি প্রধানত সরকারি চাকরি করে বিপুল ভূসম্পত্তির অধিকারী হয়েছেন। সংস্কৃত, বাংলা, ফারসি, হিন্দি, ইংরেজি ভাষা অল্প বয়সে শিখে, তিনি যৌবনেই দায়িত্বশীল রাজকার্যের যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। ইংরেজ মহলে তঁর বিশেষ প্রতিপত্তি ছিল এবং তখনকার পদস্থ ইংরেজদের ঘনিষ্ঠ সাহায্যে তিনি ব্যক্তিগতভাবে লাভবানও হয়েছিলেন। ভূসম্পত্তির মালিকানা ও নিশ্চিন্ত চাকুরিজীবন জয়নারায়ণকে কূপমণ্ডূক করে তোলেনি। জীবনের ও সমাজের নতুন অভাব, নতুন প্রয়োজন তিনি স্বীকার করতেন ও বুঝতেন যুগধর্মের বিরুদ্ধাচরণ তিনি সাধারণত করেননি। ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি হয়েও ধর্মান্ধ গোঁড়ামিকে তিনি খানিকটা বর্জন করে চলেছেন। এই উদার প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির জন্যই জয়নারায়ণ নবযুগের বাংলার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

    দেবদেবালয় জয়নারায়ণ প্রতিষ্ঠা করেছেন অনেক, দানধ্যানেও কার্পণ্য করেননি। কিন্তু তার জন্য তিনি শ্রদ্ধেয় হলেও, স্মরণীয় নন। সেকালের রাজরাজড়া ও জমিদাররা অনেকে এই মহৎ কাজ করেছেন। কিন্তু তাঁদের মহত্ত্বের সেইসব নিদর্শনের সঙ্গে তাঁদের নামও প্রায় লুপ্ত হয়ে গিয়েছে। ইতিহাসে তাঁদেরই স্বাক্ষর অক্ষয় হয়ে থাকে, যাঁরা তার সম্মুখগতিতে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেন। জয়নারায়ণ তা—ই করেছিলেন বলেই স্মরণীয়। কীভাবে করেছিলেন, তার দু—একটি দৃষ্টান্ত দিচ্ছি।

    আধুনিক যুগপযোগী শিক্ষার প্রতি জয়নারায়ণের কতখানি অনুরাগ ছিল কাশীতে তাঁর বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস থেকে তার পরিচয় পাওয়া যায়। কাশীর বিদ্যালয়ে পাঠারম্ভ হয় ১৮১৮ সালের ১৭ জুলাই থেকে। জয় নারায়ণের এই বিদ্যালয় প্রসঙ্গে রেভারেন্ড লং সাহেব লিখেছেন :

    Banares, the city of temples and citadel of idolatry, the Athens for Hindu students from various parts of India, was one of the first places in India where a Hindu came forward to offer an English education to his countrymen, and to connect it also with the Holy Scriptures.

    কলকাতা শহরে তার আগেই ইংরেজি শিক্ষার সূচনা হয়েছে। ১৮১৭ সালে আধুনিক ইংরেজি শিক্ষার প্রধান বিদ্যায়তন হিন্দু কলেজও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, প্রধানত এ দেশবাসীদের উদযোগেই। কিন্তু বাংলা দেশের বাইরে, কাশীর মতো প্রাচীন বিদ্যাতীর্থে, আধুনিক শিক্ষার আলোকবর্তিকা একজন বাঙালিই বহন করে নিয়ে যান, তিনি জয়নারায়ণ ঘোষাল। ধর্মপ্রাণ হিন্দু হয়েও তিনি কীভাবে চার্চ মিশনারির সোসাইটির সংস্পর্শে এসে, কাশীর স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন, তার বিচিত্র কাহিনী জয়নারায়ণ নিজেই একখানি চিঠিতে বর্ণনা করে গিয়েছেন। চিঠিখানি তখনই লন্ডনের চার্চ মিশনারি সোসাইটিকে লিখেছিলেন, ১৮১৮ সালে। সেই দীর্ঘ ইংরেজি চিঠির মর্ম এই :

    কয়েক বছর হল আমি অসুস্থ হয়ে কলকাতা ছেড়ে কাশীবাস করছি। অনেক চেষ্টা করেও সুস্থ হতে পারিনি। জোনাথান ডানকান তখন কাশীর ‘রেসিডেন্ট এজেন্ট’, তাঁর সঙ্গে আমার বিশেষ বন্ধুত্ব ছিল। তিনি ইয়োরোপীয় সার্জেনদের দিয়ে আমার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন, কিন্তু তাতেও আমার নিরাময় হয় না। এইসময় শুনতে পাই আর—একজন হিন্দু ভদ্রলোক হুইটলি নামে এক সাহেব বণিকের উপদেশ মেনে নাকি সম্পূর্ণ রোগমুক্ত হয়েছেন। আমিও হুইটলি সাহেবের শরণাপন্ন হলাম; তিনি আমাকে একখানি New Testament ও Book of Common Prayer দিলেন, পড়তে বললেন এবং ভগবানের কাছে প্রার্থনা করতে অনুরোধ করলেন। এইসময় তিনি প্রায়ই আমার কাছে আসতেন এবং খ্রিস্টিয় ধর্মতত্ত্ব ব্যাখ্যা করতেন। অনেক চিঠিপত্রও তিনি আমাকে ধর্ম বিষয়ে লিখেছেন। ওষুধপত্তর তিনি বিশেষ আমাকে দেননি, সামান্য দু—একটি বলে দিয়েছেন। কিন্তু তাঁর কথামতো চলে আমি সম্পূর্ণ রোগমুক্ত হই। কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁকে জিজ্ঞাসা করি, ‘যিশুখ্রিস্টের জন্য আমি কী করতে পারি বলুন?’ তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের উপকারের জন্য এবং সর্ববিদ্যা ও সর্বভাষা শিক্ষার জন্য আপনি যদি কাশীতে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন, তাহলেই খ্রিস্টসেবা করা হবে। তাঁর কথাতেই আমি স্কুল প্রতিষ্ঠায় উদযোগী হই। …হুইটলি সাহেবের কাছে রেভারেন্ড সাহেবের কথা প্রায় শুনতাম। মনে মনে কামনা করতাম যদি তিনি কাশী আসেন, তাহলে স্কুলের ভার তাঁর উপর দিয়ে নিশ্চিন্ত হই। অবশেষে তিনি কাশীতেই এলেন। তাঁর কাছে চার্চ মিশনারি সোসাইটির কথা সব শুনি এবং তাঁদের কার্যাবলির রিপোর্ট পাঠ করার সুযোগ পাই। তারপরেই সিদ্ধান্ত করি যে চার্চ মিশনারি সোসাইটির কলকাতা কমিটির উপরেই স্কুলের দায়িত্ব দেব এবং তাঁদেরই স্কুল—পরিচালনার জন্য যে সম্পত্তি আমি দান করেছি তার ট্রাস্টি করব।

    এর মধ্যে অবশ্য ৪৮০০০ হাজার টাকা দিয়ে বাঙালি টোলায় যে বাড়ি আমি তৈরি করেছি, সেই বাড়িতে একটি স্কুলের কাজ আরম্ভ হয়েছে এবং অ্যাডলিংটন সাহেব সেখানে ইংরেজি পড়ান। এইভাবে আমার দীর্ঘদিনের কামনা সার্থক হতে চলেছে। কিন্তু কেবল স্কুল প্রতিষ্ঠা করেই আমি নিশ্চিন্ত হতে পারছি না। আমার বিশ্বাস আধুনিক শিক্ষার দ্রুত প্রসারের জন্য কাশীতে অবিলম্বে একটি Prnting Press প্রতিষ্ঠা করা দরকার। প্রেস না হলে স্কুলপাঠ্য নতুন নতুন বই ছাপা সম্ভব হবে না এবং শিক্ষার বিস্তারও হবে না। শিক্ষার প্রসারের জন্য ছাপাখানা অবশ্য প্রয়োজন। আমার তাই একান্ত ইচ্ছা, চার্চ মিশনারি সোসাইটি যত শীঘ্র সম্ভব কাশীতে একটি Press নিয়ে প্রতিষ্ঠা করুন এবং একজন কি দু—জন ভালো মিশনারি কর্মী পাঠান প্রেস তদারক করবার জন্য। যাঁদের তাঁরা পাঠাবেন তাঁরা যেন বিদ্বান ব্যক্তি হন, আধুনিক ইতিহাস—বিজ্ঞান প্রভৃতি বিষয়ে যেন তাঁদের বিশেষ জ্ঞান থাকে, কারণ কাশী এ দেশের প্রাচীন বিদ্যাসমাজ, বহু পণ্ডিতের বাস এখানে। এঁদের জ্ঞানার্জনস্পৃহা ও অনুসন্ধিৎসা নিবৃত্তির ক্ষমতা থাকার দরকার তাঁদের। তা যদি তাঁরা করতে পারেন এবং স্কুলের সঙ্গে যদি একটি প্রেস প্রতিষ্ঠা করা যায়, তাহলে আমার বিশ্বাস শ্রীরামপুরের মিশনারিদের মতো এবং কলকাতার স্কুল বুক সোসাইটির মতো কাশীতেও আমরা আধুনিক শিক্ষার প্রসারে সফল হব।

    আদালতের রেকর্ডস্তূপে ও অন্যান্য স্থানের দলিলপত্রে ভূকৈলাসের রাজপরিবার সংক্রান্ত যত নথিপত্র আছে এবং এখনও যা পাওয়া যায়, তার মধ্যে আমার ধারণা, জয়নারায়ণ ঘোষালের এই দপত্রখানির ঐতিহাসিক মূল্য ও তাৎপর্য সবচেয়ে বেশি। এই পত্রের মধ্যে জয়নারায়ণের চরিত্র যেভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, তেমন আর কোনওখানেই হয়নি। নিজে হিন্দু হয়েও এবং হিন্দুধর্মের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা ও আস্থা রেখেও, তিনি ভিন্নধর্মের প্রতি কত শ্রদ্ধাবান ছিলেন, এই চিঠি থেকে তা বোঝা যায়। এ উদারতা তখনকার হিন্দুসমাজে খুবই দুর্লভ ছিল। উদারতার সঙ্গে তিনি মানসিক বলিষ্ঠতার পরিচয় দিয়েছেন পত্রে, তা—ও যে—কোনও বিদ্রোহীর বলিষ্ঠতার সঙ্গে তুলনীয়। দেবদেবালয় প্রতিষ্ঠায় ও ধর্মচিন্তায় মগ্ন থেকেও, তিনি যুগোপযোগী প্রত্যেক সমস্যা সম্বন্ধে, বিশেষ করে আধুনিক শিক্ষার প্রসার সম্বন্ধে কত গভীরভাবে চিন্তা করতেন, তা তাঁর বিদ্যালয়সহ ছাপাখানা প্রতিষ্ঠার আগ্রহ থেকে বোঝা যায়। কেবল ইংরেজি বিদ্যালয় নয়, ছাপাখানার ঐতিহাসিক ভূমিকা সম্বন্ধে এই চেতনা এ দেশের খুব অল্প লোকের মধ্যেই ছিল। রামমোহনের যুগের প্রথম পর্বে, রামমোহনের প্রগতিশীল ভাবধারার অন্যতম সমর্থক এ বাহক ছিলেন জয়নারায়ণ।

    বাংলা ১১৫৪ সনে, ইং ১৭৮৭ সালে, পিতা কৃষ্ণচন্দ্রর সঙ্গে জয়নারায়ণ কলকাতায় অনাথ আশ্রম ও ‘ইন্ডাস্ট্রি হাউস’ প্রতিষ্ঠার জন্য গভর্নর—জেনারেলকে যে পত্র লেখেন তা—ও তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য। অক্ষম ও বেকারদের জন্য ‘ইন্ডাস্ট্রি হাউস’—এর পরিকল্পনা ইংলন্ডে করা হলেও, তখন এ দেশের ইংরেজরাও তা ভাবতে পারেননি।

    জয়নারায়ণের সাহিত্যকীর্তি সম্বন্ধে এখানে আলোচনা করব না, কারণ সে আলোচনা বিস্তৃত না হলে তাঁর প্রতি বিচার করা হবে না। তাঁর ‘করুণানিধানবিলাস’ কাব্য সম্বন্ধে কেবল একটি কথা বলব। ১২২১ সনে, অর্থাৎ ১৮১৪ সালে জয়নারায়ণ এই কাব্য রচনা শেষ করেন। কৃষ্ণলীলা বিষয়ক কাব্য হলেও, লীলার ক্ষেত্র বাংলা দেশ এবং কাল আধুনিক। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকের বাঙাল সমাজ ও সংস্কৃতির বিস্তৃত বিবরণ ‘করুণানিধানবিলাস’ কাব্যে আছে। সেকালের বাংলার উৎসব—পার্বণ, পোশাক—পরিচ্ছদ, ধর্মকর্ম, আচার—অনুষ্ঠান ইত্যাদি বিষয়ে একখানি আকরগ্রন্থ ‘করুণানিধানবিলাস’।

    ১৮২১ সালে, বাংলা ১২২৮ সনের ২৫ কার্তিক জয়নারায়ণের মৃত্যু হয়। তাঁর একমাত্র পুত্র কালীশংকর ঘোষাল, কালীশংকরের পুত্রদের মধ্যে সত্যকিংকর, সত্যচরণ ও সত্যশরণ ঘোষাল, এই প্রগতিশীল ভাবধারাকে যত দূর সম্ভব সর্বক্ষেত্রে বহন করে নিয়ে গিয়েছেন। হিন্দু কলেজে কাশীতে ২০ হাজার টাকা দান করেছিলেন। রামমোহনের ‘আত্মীয় সভার’ সঙ্গে কালীশংকরের সংযোগ ছিল এবং ভূকৈলাসের রাজবাড়িতে মধ্যে মধ্যে ‘ব্রাহ্মসামজ’—এর বৈঠকও হত। সেকালের অন্যতম বিদ্বৎসভা ‘গৌড়ীয় সমাজ’—এর ও অধিবেশন হত এই রাজবাড়িতে। বাংলা দেশের প্রায় প্রত্যেক প্রগতিশীল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সভাসমিতি ও প্রতিষ্ঠান—অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভূকৈলাসের রাজপরিবারের পূর্বপুরুষদের সংযোগ ছিল। নবযুগের বাংলার ইতিহাসে প্রধানত এই কারণেই তাঁরা স্মরণীয় হয়ে আছেন ও থাকবেন।

    ১৯৬০

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাদম্বরী – বানভট্ট
    Next Article মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }