Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প391 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাহিত্যে অশ্লীলতা – বিনয় ঘোষ

    সাহিত্যে অশ্লীলতা – বিনয় ঘোষ

    রতিকেলির অপূর্ব ভাস্কর্যের নিদর্শনগুলির সামনে দাঁড়িয়ে, কোনও মিউজিয়ামে, মনে করুন যদি কোনও বৃদ্ধ বারবনিতা, কলকাতার রামবাগান অঞ্চলের (হায় রাম!) কোনও ‘স্বনামধন্য’ বিনোদিনী দাসী, হঠাৎ শিউরে উঠে, দু—হাত দিয়ে চোখ ঢেকে, মাথা হেঁট করে, দাঁতে জিব কেটে বলে, ‘ছি ছি লজ্জায় মরি? নারায়ণ, নারায়ণ’ এবং তারপর নিজের ঘরে (অর্থাৎ চেম্বারে) ফিরে গিয়ে, গায়ে—মাথায় পবিত্র গঙ্গাজলের ছিটে দিয়ে, গলবস্ত্র হয়ে দেয়ালে—টাঙানো শ্রীকৃষ্ণর ‘বস্ত্রহরণ’ ছবির দিকে চেয়ে বলে, ‘ঠাকুর। এ কী করলে? এ চোখে এই পাপ দৃশ্যও দেখতে হল?’—তাহলে যা হয়, এ—ও ঠিক তা—ই নয় কি? অর্থাৎ সরকার বা পুলিশের সাহিত্য—শিল্পকলার শ্লীলতা বিচারের ব্যাপারটা? Moral-Immoral-এর বিচারক হওয়ার প্রহসনটা? আমার তো তা—ই মনে হয়।

    কথাটি কিন্তু বোদলেয়ারের : ‘All the imbeciles of the Bourgeoisie who interminably use the words “immoral”, “immorality”, “morality in art” and other such stupid expressions, remind me of Louise Villedieu, a five-frame whore who once went with me to the Louvre. She had never been there before, and began to blush and cover her face with her hands, repeatedly plucking at my sleeve and asking me, as we stood before deathless statues and pictures, how such indecencies could be flaunted in public.’

    Journals and Notebook 1851-62

    আপনার চিঠি পেয়ে এবং ‘মহেঞ্জোদরো’ পত্রিকার লেখাটি পড়ে প্রথমে এই কথাই আমার মনে হল। এ বিষয়ে মতামত জানাতে অনুরোধ করেছেন। জানি না, কী ভাষায়, কেমন করে আমার বক্তব্য আপনার কাছে নিবেদন করব। কলাকৈবল্যের সাধনা করে বাংলা ভাষায় রূপবিদ্যার শব্দসঞ্চার হয়তো অনেকটা সমৃদ্ধ হয়েছে, কিন্তু বাকি সকল বিদ্যার ভাণ্ডার প্রায়শূন্য বললে অত্যুক্তি হয় না। এ যে কী যন্ত্রণা তা তো বুঝতেই পারেন! লেখার সময় যদি ভাষা খুঁজে বেড়াতে হয়, তাহলে তার চেয়ে ট্র্যাজেডি লেখকের কাছে আর কিছু হতে পারে না। কাজেই এ বিষয়ে যতটুকু বলা যেতে পারে তার অনেকটাই বাংলা ভাষার মাধ্যমে বলা সম্ভবহবে না, বেশ কিছুটা ঈশারা—ইঙ্গিতে বোঝাবার চেষ্টা করতে হবে এবং তা বুঝে নিতে হবে। তা ছাড়া ভাষার একটা সামাজিক প্রতিবন্ধকও আছে, সেখানেও শ্লীলতা—অশ্লীলতার প্রশ্ন উঠতে পারে। ‘সভ্যতা’ কথার নির্গলিত সংজ্ঞা ‘কৃত্রিমতা’, যে যত বেশি ‘কৃত্রিম’, সে তত বেশি ‘সভ্য’। সভ্যসমাজে কৃত্রিমতার উপচার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন কৃত্রিম সামাজিক শ্রেণির উদ্ভব হয়েছে, এবং মধ্যবিত্ত ভদ্রলোকশ্রেণি তাদের মধ্যে অন্যতম। এই ভদ্রলোকদের ভদ্রতার মানদণ্ড অনবরত বদলাচ্ছে। আগে ভদ্রলোকের ছেলে ইংরেজি মাইনর স্কুলে পড়লেই মর্যাদা রক্ষা হত, এখন কোনও ট্যাঁসের নার্সারিতে না পড়লে মান বজায় থাকে না। আগে আমরা মামাবাড়ি যেতাম, দেশবাড়িতে যেতাম, এবং তাতেই আমাদের ‘চেঞ্জ’ হত। এখন কোনও শৈলাবাসে বা সমুদ্রতীরে যেতে হয়, অন্তত বছরে একবার বোনাসের টাকা পেয়ে তো বটেই, তা না হলে কোনও ভদ্রলোকের ইজ্জত থাকে না। এরকম সতত—পরিবর্তনশীল হাজার প্যারাফার্নেলিয়া। ভাষা তার মধ্যে নিঃসন্দেহে অন্যতম। শুধু ভাষা নয়, তার প্রকাশভঙ্গিও। আগে সহজ স্বাভাবিক কণ্ঠস্বরে কথা বলাই ছিল ভদ্রলোকের রীতি, এখন যাঁর কণ্ঠস্বরে অস্বাভাবিকতা ও কৃত্রিমতা না থাকে তাঁকে ভদ্রলোক বা কালচারড বলেই মনে হয় না। ভাষারও ভদ্র—অভদ্রের পোশাকি রূপ কেবল বদলায়। ধাপে ধাপে সমাজের যত উপরের স্তরে ওঠা যায় তত দেখা যায় যে ভাষা ও তার ভঙ্গি ক্রমেই বেশি কৃত্রিম হয়ে উঠেছে, কৃত্রিমতার বৈচিত্র্যও বাড়ছে—আচরণের কৃত্রিমতা, পরিচ্ছদের কৃত্রিমতা, চলনের কৃত্রিমতা, বলনের কৃত্রিমতা। কথার ধ্বনি যে শুধু কণ্ঠ্য—তালব্যের আড়স্টতায় বিকৃত হচ্ছে তা নয়, ভাষাকেও সেন্সরের ডান্ডাবেড়ি দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা হচ্ছে। কত ‘শব্দ’ যে সামান্য সংলাপের ক্ষেত্র থেকেও নির্বাসিত হচ্ছে তার ঠিক নেই। আমি—আপনি যে ভাষার কথাবার্তা বলতে পারি, সেই ভাষায় কোনও অভিজাত নীতিবাগীশ ব্রাহ্ম—বৈঠকে কথা বলা নিষেধ, কারণ আমাদের কথ্য ভাষায় এমন অনেক শব্দ থাকবে বা উচ্চারিত হওয়ামাত্রই তাঁরা হয়তো বৈঠক ছেড়ে প্রস্থান করবেন। তাঁদের ব্রাহ্ম আভিজাত্যে সেটা ‘অশ্লীল’ বলে মনে হবে।

     

    আরও দেখুন
    বই
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    পিডিএফ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বাইশে শ্রাবণ
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা অডিওবুক

     

    ঠিক এইরকম ধাপে ধাপে সমাজের নিচের স্তরের দিকে নেমে এলে দেখা যায় যে সেখানে মানুষের জীবন যত বেশি স্বাভাবিক ও অকৃত্রিম; ভাষাও তত বেশি স্বাভাবিক ও অকৃত্রিম। সেই স্বাভাবিক অকৃত্রিমতা উপরতলার সভ্য ভদ্রলোকদের কাছে যথেষ্ট ‘অশ্লীল’ মনে হতে পারে, কিন্তু তাদের কাছে সে কথা বললে তারা অশ্লীলতার অর্থই বুঝতে পারবে না। বরং তারা অবাক হয়ে যাবে। হবারই কথা। আমাদের মতো রাংতামোড়া অভিজাতদের কাছে যা ‘অশ্লীল’, অকৃত্রিম অনভিজাতদের কাছে তা ‘স্বাভাবিক’। তাদের যেসব কথার মধ্যে প্রাণপ্রাচুর্য সূর্যকিরণের মতো ঝলমল করে ওঠে, আমাদের কাছে তা অন্ধকার প্রেতলোকের অশ্লীল ও অশ্রাব্য কিচিরমিচির বলে মনে হয়। ‘হাসি’র সঙ্গে তুলনা দেওয়া যায়। অভিজাত ও ভদ্রলোকরা মেপেজুকে হাসেন, সেটা শালীনতা ও শ্লীলতার শ্রেষ্ঠ মানদণ্ড এবং যাঁর হাসি যত বেশি ওষ্ঠের বঙ্কিমতাবদ্ধ, তিনি তত বেশি শালীন, শ্লীল ও সভ্য। কিন্তু প্রকৃতির নিকটতম আত্মীয় যারা, তাদের হাসি শ্রাবণের গুরুগম্ভীর মেঘগর্জনের মতো অফুরন্ত প্রাণোচ্ছ্বাসের বর্ষণের সঙ্গে ধ্বনিত হয়। এই হাসির ধ্বনিও অভিজাতদের কানে কর্কশ ও অশ্লীল চিৎকার বলে মনে হয়। তাই বলছিলাম, আমাদের এই সভ্যসমাজে যেমন উপরের স্তরে ‘verbal censorship’ আছে, তেমনি ‘laughter cenorship’—ও আছে এবং ‘moral censorship’-ও আছে। সাহিত্যের যে ‘moral censorship’, সেটা অনেকটাই আমার কাছে ‘lingual censorship’ বলে মনে হয়। সে—কথা পরে বলছি। আপাতত এই ভাষাগত সেন্সরশিপ যেহেতু আমার উপরেও প্রযোজ্য তাই আমার বক্তব্য শ্লীলতার বন্ধনে আড়ষ্ট হতে বাধ্য। কারণ ‘One curious result of this isolation has been the dropping out from middle-class language of the entire vocabulary of sexual instruction of excretion’…

     

    আরও দেখুন
    PDF
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বই
    লাইব্রেরি
    বুক শেল্ফ
    রেসিপি বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ

     

    Alex Comfort : Sex and Society

    ইংরেজি ‘obscenity’ ও ‘pornography’ কথা দুটির অর্থই নিশ্চয় বাংলায় ‘সাহিত্যে অশ্লীলতা’ বলতে প্রকাশ পায়। কিন্তু ‘অবসিনিটি’ কথার অর্থ কী? ‘পর্নোগ্রাফি’—ই বা কাকে বলে? কথাটা যদি ‘obscena’ কথা থেকে এসে থাকে, তাহলে তার মানে হয়—প্রকাশ্যে যেসব দৃশ্য বা ‘scene’ দেখানো যায় না। কিন্তু ট্রাইবাল নৃত্য—উৎসবে প্রকাশ্যে যা দেখানো যায়, একসময় সভ্যসমাজের রঙ্গমঞ্চে তা দেখানো যেত না, আবার ইদানীং তা অনেকখানি দেখানো যায় এবং আরও ভবিষ্যতে হয়তো পুনরায় ট্রাইবাল স্তরেই তা দেখানো সম্ভব হবে। তাই ‘অবসিন’—এর পূর্ণচ্ছেদ কোথাও টানা যায় না এবং তার নির্দিষ্ট গণ্ডিও কিছু নেই। ইংরেজি ‘pornography’ কথার অর্থ শুনেছি ‘pertaining to harlots’ অথবা ‘the graph of the harlot’ এবং তা—ই যদি অর্থ হয় তাহলে ‘harlot’ কাকে বলে জানতে হয়। টাকার বিনিময়ে যে স্ত্রীলোক বাজারের কমোডিটির মতো তার দেহ বারোজনের কাছে বেচতে পারে, সেই ‘বারবনিতা’। কিন্তু যারা মত বেচে, বুদ্ধি বেচে, প্রতিভা বেচে, বিবেক বেচে—স্ত্রী—পুরুষ নির্বিশেষে—বর্তমান পণ্যসর্বস্ব সমাজে, তারা কি মর্তলোকের স্বর্গের এঞ্জেলের ‘সাবস্টিটিউট’, না ‘প্রস্টিটিউট’? যে বিজ্ঞানীরা অ্যাটম বোমার গবেষণায় আত্মনিয়োগ করেছেন, তাঁরা কি ‘savant’, না ‘harlot’? আর ধর্ম দেবদেবী বা ধর্মসাহিত্যের কথাই যদি ওঠে তাহলে বোদলেয়ারের ভাষাতেই তার জবাব হল—‘the most prostituted being of all is the ultimate being, that is God, since he is the supreme lover to each individual.’ এই অর্থে তো বারবনিতাদের ‘goddess’-ও বলা যায়। তাহলে আভিধানিক অর্থের গণ্ডির মধ্যে পর্নোগ্রাফি’, ‘অবসিনিটি’, ‘ইম্মরালিটি’ ইত্যাদি কথাগুলিকে বন্দি করা যায় না। অন্তত সাহিত্য—শিল্পকলার ক্ষেত্রে করা সম্ভব নয়। সামাজিক ইষ্ট—অনিষ্টের প্রশ্ন যদি ওঠে, তাহলে আমাদের দেশে তথাকথিত ‘সদসাহিত্য’ বা ‘সৎগুরু—সাহিত্য’কে সর্বাপেক্ষা অনিষ্টকর ‘পর্নোগ্রাফি’ বলে বাতিল করতে হয়। আর জলজ্যান্ত গুরুজি বা বাবাজিদের আখড়াগুলির কথা যদি ওঠে, তাহলে সেগুলিকে ন্যুডিস্ট ক্লাবের চেয়েও অনেক বেশি অপবিত্র ও অশ্লীল বলে মনে হয়। একটা দৃষ্টান্ত দিচ্ছি। ‘কর্তাভজা দল’ বলে একটি ধর্মসম্প্রদায় ব্রিটিশ আমলে বাংলা দেশে গজিয়ে উঠেছিল, অনেকেই জানেন। তারই একটা বিবরণ সেদিন ‘সোমপ্রকাশ’ পত্রিকার পৃষ্ঠায় পড়ছিলাম (১২৭০ সাল, ২৩ চৈত্র তারিখের)। বিবরণটি এই : ‘আমাদের সম্বাদদাতা এ বিষয়ের একটি দৃষ্টান্ত দর্শন করিয়া আসিয়াছেন। তিনি দেখিয়া আসিয়াছেন, বর্তমান কর্তাবাবু একটি শয্যায় শয়ন করিয়া আছেন, অনেকগুলি স্ত্রীলোক তাঁহার চতুর্দিকে বসিয়া কেহ পদসেবা করিতেছে, কেহ গা টিপিয়া দিতেছে, কেহ মুখে আহারদ্রব্য প্রদান করিতেছে, কেহ বা অঙ্গে চন্দন লেপন করিতেছে এবং কেহ কেহ বা গলদেশে পুষ্পমাল্য পরাইয়া দিতেছে। আমরাও অনেক লোকের মুখে শুনিয়াছি, এই ধর্মাবলম্বদিগের মধ্যে শ্রীবৃন্দাবনের প্রকৃত কৃষ্ণলীলাটাই অনুষ্ঠিত হয়। কোনো কোনো কর্তা কুলবালাদিগের বস্ত্র হরণ করিয়া বৃক্ষে আরোহণ করেন, রমণীরা করজোড় করিয়া বৃক্ষতল হইতে উহার প্রার্থনা লয়।’ একশো বছর আগেকার বিবরণ। ঠিক বস্ত্রহরণের দৃশ্য না হলেও, ভক্তবেশে (অবশ্যই ভণ্ড) আমাদের দেশে বহু গুরুজির আখড়ায় ঘুরে ঘুরে এর সমতুল্য দৃশ্য আমি স্বচক্ষে দেখেছি। দেখে দেখে আমার ধারণা হয়েছে যে আমাদের দেশে আজও, বিংশ শতাব্দীর বার্ধক্যে, এই ধরনের গুরুভজনকেন্দ্রগুলিতে যে নারী পুরুষের উন্মত্ত ভিড় হয়, তার কারণ আমাদের সমাজে ক্লাব, নাইটক্লাব ইত্যাদির মধ্যে অতৃপ্ত অবদমিত যৌনাকাঙ্ক্ষা বাষ্পীয়করণের ব্যবস্থা বা সুযোগ নেই। এমনকী, সাধারণ সামাজিক জীবনযাত্রাতেও প্রতিপদে নারী পুরুষের স্বচ্ছন্দ মেলামেশায় এত রকমের ট্যাবু ও কানাকানি—গুজগুজানির বাধা যে আমাদের স্বাভাবিক যৌনজীবনের ধারা সাবলীল গতিতে সমুদ্রাভিমুখী না হয়ে, আকৈশোর কেবল নর্দমার পাঁকের দিকে ধাবিত হতে চায়। আর সে এমনই পচা পাঁক যে তাতে কোনওকালে দৈবক্রমে পদ্ম ফুল ফোটে না। আর আমাদের উদার হিন্দুধর্ম জিনিসটা আজও এমন পদার্থ হয়ে আছে যে তার মধ্যে অজস্র পাঁক ভরতি খাল কেটে ফেলতে একটুও কষ্ট হয় না। তাই বোধহয় এ দেশের ধর্ম—সাহিত্য ধর্মচিত্র ইত্যাদির মধ্যে ‘পর্নোগ্রাফি’ ও ‘অবসিনিটি’র উপাদানের এত প্রাচুর্য। মন্দির ভাস্কর্যের কথা বলছি না। একালের ‘বিট’ বা ‘হাংগ্রি’ যে—কোন জেনারেশনই হোক—না কেন, কারও সাহিত্য রতিকেলির নির্লজ্জ প্রকাশে তার কাছে ঘেঁষতে পারে না। একটু চিন্তা করলেই দেখা যায়, যত গণ্ডগোল ভাষা নিয়ে, ভাবপ্রকাশের ভঙ্গি নিয়ে, যে কথা একটু আগেই বলেছি—ভাব নিয়ে নয়, বিষয়বস্তু নিয়েও নয়। রিরংসা, মৈথুন প্রভৃতি শব্দনিহিত ভাব সুশ্লীল সাহিত্যে স্বচ্ছন্দে চলতে পারে, কিন্তু এর নিগলিতার্থ যদি গ্রাম্য মেঠো ভাষায় প্রকাশ করা হয়, তাহলে সংস্কারদোষেই তা কানে রূঢ় ও অশ্লীল শোনাবে। ভঙ্গিটাও খুব বড় কথা। কত বড় কথা তা বুঝিয়ে বলার দরকার নেই। নির্বাক ভঙ্গিও ভয়ংকর রকমের অশ্লীল হতে পারে। রাস্তার বকাটে ছোঁড়াদের বিতণ্ডার মৌখিক ভাষা ও দৈহিক ভঙ্গি থেকে তার আভাস পাওয়া যায়। রতিরঙ্গের একই বিষয়বস্তু ভাষা ও ভঙ্গির সমন্বয়গুণে একজন শিল্পীর হাতে অতীব রমণীয় শিল্প হতে পারে, আবার তারই দোষে আর—একজনের হাতে তা এমনই অপাঠ্য নোংরা বস্তু হতে পারে যা পাঠকের বিবমিষা উদ্রেক ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না। একই মাটি কাদা করে গায়ে ছিটানো যায়, আবার তা—ই দিয়ে সুন্দর প্রতিমাও গড়া যায়। জানি না, কথাটা বুঝিয়ে বলতে পারলাম কি না, তবে আমার ধারণা তাই। অর্থাৎ অশ্লীলতার বিচারে ভাষা ও ভঙ্গিই মুখ্য, ভাব গৌণ। নর—নারীর প্রেম, যৌনসম্পর্ক ও জীবন নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে পৃথিবীর সকল দেশে সাহিত্য রচিত হয়েছে, আজও হচ্ছে, কিন্তু আজও যে তাতে আমাদের অরুচি হয় না তার কারণ যুগে যুগে শিল্পীরা সেই ভাববস্তু নতুন নতুন পরিবেশন করে নতুন আস্বাদের খোরাক জুগিয়েছেন।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বই পড়ুন
    বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    রেসিপি বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা কৌতুক বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি

     

    আধুনিককালে সাহিত্যে অশ্লীলতার অভিযোগে যাঁরা অতিষ্ঠ হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে লরেন্স (D.H. Lawrence) নিশ্চয় অন্যতম। কাজেই এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য স্মর্তব্য। লরেন্স বলেছেন: ‘Pornography is the attempt to insult sex, to do dirt on it. This is unpardonable. Take the very lowest instance, the picture-postcard sold under-hand, by the underworld, in most cities. What I have seen of them have been of an ugliness to make you cry. The insult to the human body, the insult to a vital human relationship! Ugly and cheap they make the human nudity, ugly and degraded they make the sexual act, trivial and cheap and nasty.’ কথা হল এই পিকচার পোস্টকার্ডকে কি আর্ট বলব? খাজুরাহ—কোনার্ক মন্দিরের রতিকেলিকলা, যা মৈথুন ভাস্কর্যে রূপায়িত, তার সঙ্গে কি এই পিকচারকার্ড তুলনীয়? হিন্দু মন্দিরের মৈথুন ভাস্কর্য সম্বন্ধে অ্যালেক্স কমফর্ট বলেছেন : ‘The erotic art of the Hindu temples is primarily didactic…What is presented is an experience, edifying, practical, and symbolic, of the way of Release, the contemplation of art. Another mode of Release is the experience of sexual ecstasy. The lovers of the maithuna groups both celebrate and demonstrate this… they stimulate our desire for this sort of Release in exactly the same way that a flower show stimulates out wish to have gardens.’ (Sex and Society) মৈথুন ভাস্কর্য আর পিকচারকার্ডের তুলনা করতে হলে লরেন্সের ভাষায় বলা যায়—একটি ‘sex flow’, আর—একটি ‘dirtlust’ বা ‘excrement flow’, এবং প্রথমটি ‘creative’, দ্বিতীয়টি ‘de-creative’। যে লরেন্স লেডি চ্যাটার্লির জন্যে ক্রুশবিদ্ধ হতে চলেছিলেন, তিনিই বলেছেন : ‘This is the secret of really vulgar and pornographical people : the sex flow and the excrement flow is the same to them….Then sex is dirt and dirt is sex and sexual excitement becomes a playing with dirt…This is the condition of the common, vulgar human being whose name is legion… And this is the source of all pornography.’

     

    আরও দেখুন
    Books
    রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    Library
    লেখকের বই
    PDF
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা কৌতুক বই

     

    লরেন্সের এই উক্তি বর্ণে বর্ণে আমি সমর্থন করি। ফার্নেসের গলিত ধাতুর মতো ধমনির রতিপ্রবাহ, আর অর্গলবদ্ধ পীড়িত যৌনগ্রন্থির ক্লেদ—নিঃসরণ, নিশ্চয় এক পদার্থ নয়। বর্তমানের জনতা—সমাজে (mass society) নিষ্পেষিত লক্ষ্যহীন জীবনের বিকৃত বাসনার এই অবক্ষেপ, নির্জন নিঃসঙ্গ জনতা—সমুদ্রে মানুষের আত্মবিলুপ্তির এই ঊর্ধ্বশ্বাসী উৎকণ্ঠা—এগুলিই একালের মানুষের বেদন—বিনোদনের অন্যতম পন্থা। সমাজবিজ্ঞানীরা এই মানসিক অবস্থাকে ‘complete de-spiritualisation of emotions’ বলেছেন। এই পরিবেশে স্বভাবতই সিনেমায়, খেলার মাঠে, ময়দানের রাজনৈতিক সভায়, জনতার মিছিলে, দলীয় দাঙ্গায় এবং সাহিত্যে—সর্বত্রই মানুষ শুধু ক্ষণস্থায়ী উত্তেজনা—সন্ধানী, যে উত্তেজনার কৃত্রিম উত্তাপে তার স্তূপীকৃত মানসিক গ্লানি ও ক্ষুধার্ত গ্রন্থির দ্রুতক্ষরণ হতে পারে। এ কথা অনস্বীকার্য যে সিনেমার পরেই সাহিত্য বর্তমানে মানুষের এই মানসিক ক্লেদ—নিঃসরণের পথ মসৃণ করছে এবং ‘crime’ ও ‘sex’ (অর্থাৎ ‘dirt’) হয়েছে তার প্রধান উপজীব্য। ‘And this is the source of all pornography.’ কিন্তু ‘সাহিত্যে অশ্লীলতা’র প্রতি সরকার বা পুলিশের যে মনোভাব তা যেমন হাস্যকর তেমনি নিন্দনীয়। তার বিচারক হবারও কোনও নৈতিক অধিকার তাঁদের নেই। তাঁরা যখন তথাকথিত ‘অশ্লীল সাহিত্যে’র মুদ্রিত আক্ষরিক রূপ দেখে ‘ছি! ছি!’ করেন, অথবা তার বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান চালান সামাজিক ‘corruption’-এর অজুহাতে তখন রামবাগানের বিনোদিনী দাসীর কথাই মনে হয়। ‘Cockburn Rule’ বা ‘Obscene Publications Act’ অনুযায়ী যদি অশ্লীল সাহিত্যের বিরুদ্ধে সামাজিক ‘করাপশন’—এর অভিযোগ করা হয়, তাহলে সেই অভিযোগে প্রত্যেকটি সরকারি ও পুলিশি কর্মকে সকলের আগে সমাজকল্যাণের স্বার্থে দমন করতে হয়। যে সরকারের কর্মনীতি এবং যে সমাজের জীবনযাত্রা থেকে পদে পদে মানুষ জালিয়াতি—জুয়াচুরি, অপরাধ—ঘৃণা, হিংসা—জিঘাংসা শিখছে, পথে পথে, দেয়ালে দেয়ালে, শোরুমে, বৈদ্যুতিক বিজ্ঞাপনে যেখানে অ্যাডোলেসেন্টদের জন্যে ‘ম্যাস্টারবেশন’ ও ‘করাপশন’—এর উপকরণ পর্যাপ্ত পরিমাণে ছড়িয়ে আছে, সেখানে কোনও বিশেষ সাহিত্যরচনার বিরুদ্ধে অশ্লীলতা ও নীতিহীনতার অভিযোগ করে দমন করা নিতান্তই হাস্যকর বলে মনে হয়। তবু তাঁরা তা কেন করেন? কারণ অশ্লীলতার যে প্রত্যক্ষ ‘psychophysical excitement’, যা সেন্সরকর্তারা উচ্চকণ্ঠে প্রচার করেন তার বিরুদ্ধে তাঁদের ক্রোধের উদ্রেক হয়, ‘because they are upset by their own response to it’ (Alex Comfort)। অনুসন্ধান করলে হয়তো দেখা যাবে যে এই নীতি প্রহরীরাই পর্নোগ্রাফি ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের পিকচারকার্ডের সবচেয়ে বড় কালেক্টর।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাইশে শ্রাবণ
    Books
    ডিজিটাল বই
    বইয়ের
    রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    PDF

     

    ১৯৬২

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাদম্বরী – বানভট্ট
    Next Article মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }