Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প391 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মার্কসবাদ ও মর্গানবাদ – বিনয় ঘোষ

    সম্প্রতি শ্রীডাঙ্গের India—From Primitive Communism to Slavery  নামক গ্রন্থের সমালোচনা প্রসঙ্গে ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত প্রায় দুই সহস্রাধিক শব্দসংবলিত এক ‘গৌরচন্দ্রিকায়’ মার্কসবাদ—মর্গানবাদ সম্বন্ধে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রকাশ করেছেন।* ভূপেন্দ্রনাথ আমাদের দেশে একজন সর্বজনশ্রদ্ধেয় প্রবীণ মার্কসবাদী পণ্ডিত হিসেবে সুপরিচিত। আমরা অনেকেই যখন ভূমিষ্ঠ হইনি তখন থেকে তিনি এ দেশে মার্কসবাদের অনুশীলনে আত্মনিয়োগ করেছেন। আমাদের মধ্যে প্রগতিশীল ও মার্কসবাদী চিন্তাধারার তিনি একজন অন্যতম প্রবর্তক বললেও অত্যুক্তি হয় না। মার্কসবাদী রাজনীতিক্ষেত্রে শ্রীডাঙ্গের স্থানও অনেক উচ্চে, কয়েকজন সর্বভারতীয় কর্মীর মধ্যে তিনি একজন প্রবীণতম কর্মী। ‘তত্ত্বানুশীলন’ বা ‘থিয়োরি’ এবং তার ‘প্রত্যক্ষ প্রয়োগ ও ব্যবহার’ বা ‘প্র্যাকটিস’ অভিন্নসত্তা, এই যদি মার্কসীয় প্রজ্ঞানতত্ত্বের মূলকথা হয় তাহলে ‘ভারতীয় ইতিহাস’ পর্যালোচনা শ্রীডাঙ্গের অধিকার—বহির্ভূত, এমন কথা সমালোচক বলতে পারেন না। অবশ্য তা তিনি বলেননি কোথাও, কিন্তু তবু তাঁর সমালোচনা আদ্যোপান্ত পাঠ করলে মনে হয় যেন এই কথাই তিনি বলতে চান। দত্তর মতন প্রবীণ বিচক্ষণ পণ্ডিতের কাছ থেকে ডাঙ্গের রচনা সম্বন্ধে পথনির্দেশক একটি সমালোচনা আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, কিন্তু তার পরিবর্তে যা পেয়েছি তাতে আমরা বাস্তবিকই হতাশ হয়েছি। হতাশ হয়েছি এইজন্য যে সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি ‘কমিউনিস্ট পার্টি’ ও কমিউনিস্ট সংস্কৃতিকর্মীদের সম্পর্কে এমন সব ঢালাও মন্তব্য করেছেন যা না করলেও তাঁর গভীর পাণ্ডিত্যপূর্ণ সমালোচনার অঙ্গহানি হত বলে মনে হয় না। তা করেও যদি তিনি ক্ষান্ত হতেন তাহলেও নতশিরে আমরা তাঁর কটুকথার সুতীব্র বর্ষণ সহ্য করতাম, নিজেদের ত্রুটিবিচ্যুতির কথা স্মরণ করে ভাবতাম যে বয়োজ্যেষ্ঠ শ্রদ্ধেয় গুরুজনের সমালোচনায় বিচলিত হওয়া উচিত নয়। কিন্তু তিনি আধুনিক নৃতাত্ত্বিক ও সমাজতাত্ত্বিক গবেষণার ভিত্তিতে মার্কস—এঙ্গেলসের মতবাদকে পর্যন্ত চ্যালেঞ্জ করেছেন। মার্কস ও মার্কসবাদ সম্বন্ধে তিনি বলেছেন : ‘মার্কসবাদের কোনও মত যদি আজ অবৈজ্ঞানিক বলিয়া ধার্য হয় তাহা হইলে তাহা ত্যাগ করিব না কেন?’ জনৈক জার্মান বামপন্থী সোশ্যালিস্ট বৈজ্ঞানিক তাঁকে ১৯২০ সালে এ সম্বন্ধে যা বলেছিলেন তা তিনি প্রণিধানযোগ্য বলে আমাদেরও শুনিয়েছেন: ‘কার্ল মার্কসও একজন মানুষ এবং Das Kapital পুস্তকও একজন মানুষের লেখা বই। কেহই অভ্রান্ত নয়।’ এই ধরনের ‘বামপন্থী সোশ্যালিস্ট বৈজ্ঞানিক’ জার্মানিতে খুব বেশি ছিলেন বলেই কি সেখানে কমিউনিজমের ঐতিহাসিক বিপর্যয় ঘটেছিল এবং ফ্যাসিজমের অভ্যুদয় হয়েছিল? জানি না, দত্ত হয়তো আরও ভালোভাবে তা জানেন। মার্কস—এঙ্গেলসের উত্তরসাধক লেনিন, স্তালিন, মাও সে—তুং প্রমুখ মনীষীদের কোন রচনায়, কোন বিবৃতিতে, কোন নীতির মধ্যে তিনি মার্কসবাদ যে ‘সনাতনবাদ’ বা ‘dogma’, তার পরিচয় পেয়েছেন? মার্কসবাদ যে গোঁড়ামি বা সনাতনবাদ নয়, ইতিহাসে তার জাজ্বল্যমান প্রমাণ হল উত্তরকালে লেনিন, স্তালিন ও মাওয়ের সাধনা। মার্কসবাদ যে মতামতসমষ্টি নয়, একটা বৈজ্ঞানিক methodology—এ কথা ভুলে গিয়ে, আধুনিক নৃতাত্ত্বিক গবেষণার আলোকে দত্ত মার্কসবাদকেই ‘অবৈজ্ঞানিক’ বলে উড়িয়ে দিলেন কেন? বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে কি ‘বিজ্ঞানবাদ’ বা ‘বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিই ধ্বংস হয়ে যায়? দত্তর মতে হয়তো যায়, তাই তিনি আধুনিক নৃতাত্ত্বিক গবেষণার অত্যুজ্জ্বল আলোকে ধাঁধিয়ে গিয়ে মার্কস—এঙ্গেলস রচিত গ্রন্থ কেন ‘বেদ, বাইবেল ও কোরানের’ মতন অভ্রান্ত হবে প্রশ্ন করছেন এবং মর্গানকে ‘আদ্যিকালের বদ্যিবুড়ো’ বলে বিদ্রুপ করেছেন। ‘বিজ্ঞান’ যেমন কেবল কোনও বিশেষ যুগের একজন বৈজ্ঞানিকের পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষালব্ধ মতামত নয়, পর্যবেক্ষণ ও অনুশীলনের একটা ‘টেকনিক’, মার্কসবাদও তেমনি চিন্তার, যুক্তির ও কাজকর্মের একটা ‘টেকনিক’। ‘টেকনিক’ মাত্রেরই যুগে যুগে উন্নতি হয়, কিন্তু তার জন্য ‘টেকনিক’টাই মিথ্যা প্রতিপন্ন হয় না। কামারের ‘হাতে গড়া হাতুড়ি’র বদলে আজ ‘বৈদ্যুতিক হাতুড়ি’ হয়েছে বলে হাতুড়ির ‘function’ মিথ্যা হয়নি, হাতুড়িগত মূল টেকনিকও বদলায়নি। ‘টেকনোলজি’র ইতিহাস তাই, বৈজ্ঞানিক ইডিয়োলজি’রও। সামাজিক অনুসন্ধানের ফলে মার্কসীয় টেকনিকেরও অনেক উন্নতি হয়েছে, এখনও হচ্ছে, কিন্তু তার জন্য মার্কসবাদের যে বৈজ্ঞানিক কাঠামো সেটা ধসে পড়বে কেন? মার্কিন নৃতাত্ত্বিক মর্গান থেকে লাউই পর্যন্ত প্রায় একশো বছরের ইতিহাস, এর মধ্যে নৃবিদ্যা ও প্রত্নবিদ্যার বৈপ্লবিক অগ্রগতি হয়েছে, তার ফলে মর্গানের অনেক কথাই অর্ধসত্য প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু মর্গানের সমাজবিজ্ঞানের মূল কাঠামো ধূলিসাৎ হয়ে যায়নি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    PDF বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইন বুকস্টোর
    বইয়ের

     

    এইটুকু গৌরচন্দ্রিকা করে এইবার দত্তর তথ্য—বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত যুক্তিসংগত কি না বিচার করা যাক। নিজের অক্ষমতা সম্বন্ধে যথেষ্ট সচেতন হয়েও এ কাজে প্রবৃত্ত হচ্ছি শুধু বিষয়ের অত্যধিক গুরুত্বের জন্য। আমি নৃবিজ্ঞান ও প্রাচীন ইতিহাসের একজন অনুসন্ধিৎসু ছাত্র মাত্র, দত্ত এই বিষয়ের পাণ্ডিত্যে ও সাধনায় নিঃসন্দেহে আমার শিক্ষক ও গুরুস্থানীয়। আদর্শ গুরুর ঐতিহ্য অনুসারে তিনি আমার এই আলোচনার ধৃষ্টতা ও অসতর্ক তীব্রতা ক্ষমা করবেন, এ বিশ্বাস আমার আছে। আর ছাত্রের সমালোচনা যদি সামান্য যুক্তিসংগত বলেও গ্রাহ্য হয়, তাহলে তার জন্য গুরুরই গৌরববোধ করা উচিত নয় কি?

    আধুনিক নৃতাত্ত্বিক অনুসন্ধান

    দত্ত বলেছেন যে তিনি ‘প্রধানত বিজ্ঞানের ছাত্র বলিয়া, মর্গানের অসম্পূর্ণ ও সামান্য ভিত্তির (Data) উপর প্রতিষ্ঠিত মতকে, মর্গানের পরে বিগত শতবর্ষের নৃতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের উপর সম্মান দিতে পারেন না।’ মার্কিন নৃতাত্ত্বিক লাউইর বিখ্যাত গ্রন্থ Primitive Society থেকে তিনি আধুনিক নৃতাত্ত্বিক গবেষণার উপাদান ও তার ব্যাখ্যান দুইই অভ্রান্ত বলে গ্রহণ করেছেন। শুধু লাউই নন, রিভার্স, ম্যালিনাউস্কি, হ্যাডন, ক্রোয়েবার, হাস্কোভিটস প্রমুখ এ যুগের বিশিষ্ট নৃবিজ্ঞানীরা এবং অধ্যাপক গর্ডন চাইল্ড প্রমুখ প্রাগৈতিহাসিক প্রত্নবিদরা মর্গানের উপাদান ও unilinear evolutionism-এর ব্যাখ্যান যে অসম্পূর্ণ তা পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন। মর্গানের সমালোচনা সকলেই করেছেন, তবে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিদ্যার অধ্যাপক লাউইর সমালোচনা এবং অন্যান্যদের সমালোচনার মধ্যে মৌল দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য আছে। সে কথা পরে বলব। তার আগে দেখা যাক, যে লাউইর কথায় দত্ত বিজ্ঞানের ছাত্র বলে মর্গানকে নিদারুণ অবজ্ঞায় ইতিহাসের আবর্জনাস্তূপে নিক্ষেপ করেছেন, আধুনিক নৃবিদ্যার জ্ঞানভাণ্ডারে সেই বিচক্ষণ মার্কিন অধ্যাপক লাউইর বিশেষ দান কী? লাউই নিজে তাঁর Primitive Society-র ভূমিকায় বলেছেন : ‘my book inevitably grew into a persistent critique of Morgan’—এবং এই হল লাউইর প্রথম দান। এই গ্রন্থ প্রকাশিত হবার পর নৃবিজ্ঞানীরা কীভাবে তা গ্রহণ করেন সে সম্বন্ধে লাউই বলেছেন :

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    লাইব্রেরি
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    The reception accorded, to Primitive Society on its appearance varied considerably. Some readers were repelled by the ‘negativistic’ aspects of the book; others felt swamped by the mass of detail.

    Primitive Society–Preface, 1949, ed.

    অধ্যাপক লাউইর দ্বিতীয় মূল্যবান দান হল এই ‘negativistic attitude’ এবং নঞর্থক দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চয়ই সুস্থ বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি নয়, সমাজবিজ্ঞানীর তো কখনোই নয়। আধুনিক নৃবিজ্ঞানের অন্যতম সাধক ও প্রবর্তক রিভার্স ‘American Anthropologist’ পত্রিকায় লাউইর বিখ্যাত গ্রন্থের সমালোচনা প্রসঙ্গে বলেছিলেন যে তাঁর বই ‘will be of greatest value to students as a record of early forms of social insitution’ (Italics লেখকের, কিন্তু তিনি লাউইর ‘historical pusillanimity’ বা ‘ঐতিহাসিক কাপুরুষতা’র বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। আধুনিক যুগের মার্কিন নৃবিজ্ঞানীদের মধ্যে দিকপালস্বরূপ অধ্যাপক ক্রোয়েবারও উক্ত পত্রিকায় লাউইর ‘negativistic attitude towards broader conclusions’ এবং ‘comparative sterility’ সম্বন্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। লাউইর Primitive Society আদ্যোপান্ত পাঠ করলে (প্রত্যেক সমাজবিজ্ঞানের ছাত্রের অবশ্য পাঠ করা উচিত) যে—কেউ তাঁর অসাধারণ তথ্যসংকলনশক্তি দেখে মুগ্ধ হবেন, কিন্তু তার ঐতিহাসিক নিটোল দৃষ্টিশক্তির শোচনীয় অভাব ও চিন্তার বন্ধ্যতা দেখে প্রকৃত বিজ্ঞানী যাঁরা তাঁরা ক্ষুব্ধ হবেন। হয়েছেনও তা—ই। অধ্যাপক মাইকেল ফস্টারের বিখ্যাত কথা—’hypothesis is the salt of science’—লাউই উপলব্ধি করতে পারেননি বলেই মনে হয়। বিস্তারিত অনুসন্ধান ও পর্যবেক্ষণ প্রত্যেক বিজ্ঞানীরই কর্তব্য, কিন্তু সেই অনুসন্ধানলব্ধ স্তূপাকার তথ্য যদি প্রকৃত বৈজ্ঞানিক চিন্তা ও বিশ্লেষণী শক্তির প্রভাবে সমীকৃত হয়ে নিটোল ‘জেনারালাইজেশন’—এ রূপায়িত না হয়, তাহলে সমস্ত প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়ে যায়। অধ্যাপক হ্যাডন এইজন্যই তাঁর History of Anthropology গ্রন্থের ভূমিকায় বলেছেন :

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    Library
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাইশে শ্রাবণ
    PDF বই
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    লাইব্রেরি

     

    It is one of the most important functions of stay-at-home synthetic studens laboriously to cull data from the vast literature of anthropology, travel and ancient and modern history and to weld them into coherent hypotheses. (A. C. Haddon : History of Anthropology—(Preface).

    অধ্যাপক লাউই প্রধানত একজন ‘রেকর্ডার’, ‘ক্রনিকলার’ বা সংকলক, ‘ওয়েল্ডার’ নন। তাই তাঁর গ্রন্থ পাঠ করে ক্রোয়েবারের ভাষায় খেদোক্তি করতে হয়—One sometimes sighs regretfully that the honesty of the method which is so successfully exemplified here is not stirred into quicker pulse by visions of more ultimate enterprise. (Italics লেখকের)। মার্কিন নৃতাত্ত্বিক ফ্রাঞ্জ বোয়াস ও ক্লার্ক উইসলারের উদযোগে ‘কালচার’—এর যে ‘trait-complex-pattern’ বিশ্লেষণের সূত্রপাত হয়, (যাকে টাইলরপন্থী ব্রিটিশ ইভলিউশনিস্ট ও এলিয়টপন্থী ডিফিউশজনিস্টদেরই একটা নতুন ধারা বলা চলে) লাউই সেই ধারারই প্রশস্ত পথটা ছেড়ে দিয়ে কেবল ‘ট্রেট’ বা বিচ্ছিন্ন উপকরণের অলিগলিতে বিচরণ করেছেন। ‘বিচ্ছিন্ন’ উপকরণের বাই—লেন যে বদ্ধ চোরাগলি এবং শেষ পর্যন্ত সেই চোরাগলিতে প্রবেশ করে লাউই মানুষের ইতিহাসে যে—কোনও প্রশস্ত রাজপথের (অবশ্যই আঁকাবাঁকা) হদিশ পাবেন না তা তাঁর গ্রন্থের প্রান্তে পৌঁছোলেই স্পষ্ট বোঝা যায়। অফুরন্ত উপকরণ ও তথ্যের মহারণ্যে ঘুরে ঘুরে হয়রান হয়ে, মর্গান, টাইলর, রিভার্স প্রমুখ সমাজবিজ্ঞানীদের (শুধু মর্গানকে নয়) মতামত খণ্ডন করে, লাউই অন্ধের মতন শেষ পর্যন্ত আর পথের সন্ধান পেলেন না। তথ্যের পর্বতচূড়া থেকে বিরাট ‘প্রিমিটিভ’ গর্জের দিকে তাকিয়ে তিনি দেখলেন ‘To that planless hodgepodge, that thing of shreds and patches called civilistion, its historian can no longer yield superstitious reverence। আশার কথা যে আজও অধিকাংশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানী মানবসভ্যতাকে ‘planless hodgepodge’ ‘shreds and patches’ মনে করেন না এবং সংস্কারের বশবর্তী হয়ে নয়, রীতিমতো বৈজ্ঞানিক কারণেই সভ্যতার ভবিষ্যতের উপর তাঁরা এতটুকু আস্থা হারাননি।

     

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাইশে শ্রাবণ
    ডিকশনারি
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    পিডিএফ
    অনলাইনে বই

     

    এখন কথা হচ্ছে, এহেন ‘হজপজপন্থী’, ‘শ্রেড—প্যাচপন্থী’ মার্কিন নৃবিজ্ঞনীর অনুরাগী হয়ে উঠলেন কেন শ্রদ্ধেয় দত্ত মহাশয়? আধুনিক নৃবিজ্ঞানীদের মধ্যে লাউই নিঃসন্দেহে অন্যতম, কিন্তু আধুনিক নৃবিদ্যার প্রগতি ও গতিপ্রকৃতি সম্বন্ধে তিনিই একমাত্র অধিবক্তা, এ ধারণা তাঁর কোথা থেকে হল? যেহেতু লাউই সযত্নে এবং অনেকটা অশ্রদ্ধার সঙ্গে মর্গানকে উড়িয়ে দিয়েছেন, সেইজন্য ‘মার্কসবাদী’ দত্ত তাঁকে ‘আদ্যিকালের বদ্যিবুড়ো’ বললেন এবং নৃবিজ্ঞানের অগ্রগতিতে বিচলিত হয়ে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে গিয়ে মার্কস—এঙ্গেলসকেও বাতিল করে দিলেন। ‘বিজ্ঞানের ছাত্র’ হিসেবে মর্গান ও মার্কস এঙ্গেলসের গ্রন্থ সন্নিবেশিত কোনও বিশেষ উক্তি তিনি স্বচ্ছন্দে অগ্রাহ্য করতে পারেন, তাকে নতুন অনুসন্ধানলব্ধ তথ্য দিয়ে একশোবার পরিপূরণ করতে পারেন, কিন্তু ‘মার্কসবাদকে’ বর্জন করতে চান কেন? এটা কি বাস্তবিকই নৃবিজ্ঞানের অগ্রগতির অবশ্যম্ভাবী পরিণতি, না বিকৃত বিজ্ঞানে মোহগ্রস্তের দিগবিদিক—জ্ঞানশূন্য উগ্রগতি? দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, দত্তর আলোচনার মধ্যে পাণ্ডিত্যের পরিচয় আছে (থাকাই স্বাভাবিক), কিন্তু বৈজ্ঞানিক ‘অগ্রগতি’র স্বাক্ষর তার মধ্যে নেই, আছে অবৈজ্ঞানিক ‘উগ্রগতি’ ও ‘উল্লম্ফন’—এর স্থূল পদচিহ্ন। সমাজবিজ্ঞানের আদি প্রবর্তকদের তিনি অশ্রদ্ধাভরে পদদলিত করেছেন, কিন্তু শ্রদ্ধাভরে তাঁর সুদীর্ঘ সমালোচনার মধ্যে কিছুই গড়ে তুলতে পারেননি। মুক্তচিত্ত মার্কসবাদী ও ‘বিজ্ঞানের ছাত্রের’ কাছ থেকে কালপাহাড়ি মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি আশা করা যায় না।১

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বই ডাউনলোড
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ডিকশনারি
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বুক শেল্ফ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন

     

    সমাজবিজ্ঞানের ইতিহাসে মর্গানের স্থান ও দান

    হ্যাডন তাঁর ‘নৃবিজ্ঞানের ইতিহাস’ গ্রন্থে বলেছেন যে, বিগত শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ সমাজবিজ্ঞানী হলেন মর্গান, এবং তিনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থে (Ancient Society) ‘পরিবার ও আত্মীয় সম্বন্ধের’ বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের পাকাপোক্ত ভিত স্থাপন করে গিয়েছেন।২ পারিবারিক ক্রমবিকাশের একটা ‘স্কিম’ বা ছক তিনি তৈরি করেছিলেন ‘শ্রেণিবাচক’ সম্বোধন—শব্দের (Classificatory kinship terms) ভিত্তিতে। এই বৈপ্লবিক অনুসন্ধানরীতির আদি প্রবর্তক ও আবিষ্কর্তা মর্গান। আধুনিককালে রিভার্স এই অনুসন্ধানরীতির আরও অনেক উন্নতিসাধন করেছেন এবং মর্গান—প্রবর্তিত এই পদ্ধতিই আধুনিক সমাজবিজ্ঞানীর কাছে অনুসন্ধানের সর্বশ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক হাতিয়ার। মর্গান যেকালে যে অপর্যাপ্ত উপকরণ নিয়ে কাজ করেছিলেন তাতে তাঁর ছকটা হয়তো আজ অদলবদল করতে হতে পারে, কিন্তু তবু হ্যাডন বলেছেন যে—’The greater part of Morgan’s work is, however, of lasting value.’ আধুনিককালে মর্গানের অন্যতম উত্তরাধিকারী (অন্ধভক্ত নন) ডা. রিভার্স এইজন্যই মর্গানবিরোধীদের লক্ষ্য করে মর্গানের উক্ত ‘স্কিম’ বা ছক সম্বন্ধে বলেছেন :৩

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    PDF
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    লাইব্রেরি
    ই-বই পড়ুন
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    …in recent years the scheme has encountered much opposition …the opponents of Morgan have made no attempt to distinguish between different parts of his scheme, but having shown that some of its features are unsatisfactory, they have condemned the whole. (Italics লেখকের)

    মর্গান—আবিষ্কৃত অনুসন্ধান—পদ্ধতিই (নৃবিজ্ঞানের ভাষায় ‘Genealogical Method’ বলা হয়) যে আধুনিক সমাজবিজ্ঞানীর অন্যতম বৈজ্ঞানিক হাতিয়ার এ কথা ডা. রিভার্স সারাজীবন তাঁর অনুসন্ধানকাজের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছেন এবং সাম্প্রতিককালের রেমন্ড ফার্থ প্রমুখ আরও অনেক বিজ্ঞানী এই হাতিয়ারের সাহায্যে আশ্চর্য কাজ করেছেন। লাউই নিজেও এই পদ্ধতির গুরুত্ব অস্বীকার করতে পারেননি, যদিও মর্গানের কাছে ঋণস্বীকার তিনি করেননি এবং ডা. রিভার্সের যথেষ্ট সমালোচনা করেছেন, এমনকী তাঁর ‘নেগেটিভ কমপ্লেক্স’—এর জন্য তিনি ‘Classificatory’ কথার বদলে ‘Dakota terminology’ (ডেকোটা কৌমের নামানুকরণে) শব্দ ব্যবহার করেছেন।৪ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নৃবিজ্ঞানীরা আজ প্রায় একবাক্যে মর্গান—প্রবর্তিত এই ‘Genealogical method’—কে অন্যতম বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের হাতিয়ার বলেন : ৫

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গল্প, কবিতা
    অনলাইনে বই
    নতুন বই
    বাংলা অডিওবুক
    বই ডাউনলোড
    ডিজিটাল বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বইয়ের তালিকা

     

    The genealogical method has proved of such value in anthropological research that it is now considered an essential technique in sociological investigation.

    বৈজ্ঞানিকের কাছে পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধানের পদ্ধতি বা methodology—টাই বড় কথা, কোনও বিশেষ কালে অনুসন্ধানলব্ধ তথ্য বা সেই তথ্যনির্ভর তত্ত্বটা নয়। বিজ্ঞানের অর্থই তা—ই, মার্কসবাদ ও মর্গানবাদেরও। সেই কারণেই সমাজবিজ্ঞানী অনুসন্ধানের সর্বশ্রেষ্ঠ পদ্ধতি ও হাতিয়ারের আবিষ্কর্তা মর্গান ১৮৭৭ সালে তাঁর ‘আদিম সমাজ’ গ্রন্থ লিখলেও আজও তিনি ‘আদ্যিকালের বদ্যিবুড়ো’ হয়ে যাননি। মর্গানের ‘স্কিম’ বা ছকের বিভিন্ন অংশ আজ নিশ্চয়ই আরও অনেক পরিপূর্ণ রূপ নিতে পারে, সংশোধিতও হতে পারে, কিন্তু আজও তা সম্পূর্ণ বাতিল হয়ে যায়নি। মার্কসবাদের সঙ্গে মর্গানবাদের যে গভীর যোগসূত্র স্থাপিত হয়েছিল তা—ও ‘আকস্মিক’ কারণে নয় ‘ঐতিহাসিক’ কারণে।

    মর্গানবাদ ও মার্কসবাদ

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই ডাউনলোড
    বইয়ের তালিকা
    ডিকশনারি

     

    মার্কস ও এঙ্গেলস যে মর্গানের ‘সামাজিক ক্রমবিকাশ’—এর স্কিম গ্রহণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে অধ্যাপক গর্ডন চাইল্ড বলেছেন, ‘That was no accident.’ ১৮৫৯ সালেই মাকর্স তাঁর ‘Critique’—এর মধ্যে ইতিহাসের বাস্তব ব্যাখ্যার ধারা বিশ্লেষণ করেছিলেন—এবং ঠিক সেই বছরেই ডারউইনের Origin of Species গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল। মাকর্স ঐতিহাসিক উপকরণ সংগ্রহ করেছিলেন প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সভ্যসমাজ থেকে। তাঁর ইচ্ছা ছিল যে ইতিহাসের বাস্তব ব্যাখ্যার ধারাগুলি তিনি আদিম মানবসমাজের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করেন, কিন্তু নৃতত্ত্ব সম্বন্ধে তাঁর সেরকম প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ছিল না বলেই তিনি মর্গানের দিকে আকৃষ্ট হন। অধ্যাপক গর্ডন চাইল্ড এ সম্বন্ধে বলেছেন : ৬

    The latter (মর্গান) had collected data of just the kind suited for illustrating the Materialist Conception of History. The criteria… he used for distinguishing between Savagery, Barbarian and Civilisation, if not precisely ‘forces of production’–skill less, modes of production–at least approx mated more closely thereto than the criteria expounded by any other school at that time.

     

    আরও দেখুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    রেসিপি বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বুক শেল্ফ
    বাইশে শ্রাবণ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    অনলাইনে বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    পিডিএফ

     

    সমালোচক দত্ত নিশ্চয়ই অধ্যাপক গর্ডন চাইল্ডকে এ—যুগের একজন শ্রেষ্ঠ সমাজ বিজ্ঞানী ও প্রত্নবিদ বলে স্বীকার করবেন। মর্গানের ‘ছক’ আজও যে ‘সম্পূর্ণ’ সমর্থনযোগ্য, এমন কথা গর্ডন চাইল্ডও বলেন না। তিনিবলেন: ‘In detail it is untenable. Yet it remains the best attempt of its kind.’৭ তাই প্রত্নবিদ হিসেবেও অধ্যাপক গর্ডন চাইল্ড মর্গান—কল্পিত মূল কাঠামোটাকে স্বীকার করেন এবং তাঁর What Happened in History গ্রন্থে তিনি মানবসমাজের ক্রমবিকাশের ইতিহাস সেই বৃহত্তর ‘ছক’—এর মধ্যেই বর্ণনা করেছেন। প্রধানত মর্গানের উপর নির্ভর করে ১৮৮৪ সালে এঙ্গেলস The Origin of the Family, Private Property and the State লেখেন এবং আধুনিক অনুসন্ধানের আলোকে মর্গানের ছকের অনেক অংশ যেমন আজ সংশোধন ও পরিপূর্ণ করা দরকার, এঙ্গেলসের গ্রন্থেরও ঠিক তা—ই দরকার। বিজ্ঞানের সর্বক্ষেত্রে, নতুন অনুসন্ধানের ফলে এই পরিপূরণের কাজ কিন্তু সর্বদাই চলতে থাকে।

    That shading out of sharply-drawn lines is an inevitable result of greater knowledge. If you compare the attempts to construct human pre-history of fifty years ago with the attempts to construct the pedigree of human evolution you find the same thing. A great any gaps have been filled in.৮

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    গল্প, কবিতা
    PDF বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

     

    ডারউইন, হাক্সলে ও হেকেলের পর আমরা ‘Fish’ ও ‘Amphibian’, ‘Reptile’ ও ‘Mammal’—এর মধ্যবর্তী কয়েকটি জীবাশ্মের নমুনা পেয়েছি এবং মেরুদণ্ডী জীবের ক্রমবিকাশের ইতিহাসের ‘ধারাবাহিকতা’ তার ফলে আরও অনেক সুদৃঢ় ও সুবিন্যস্ত ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এমনকী ‘এনথ্রপয়েড এপ’ ও আদিমতম মানব বা মানবসদৃশ জীবের এতগুলি ফসিল আজ পাওয়া গিয়েছে যে মানুষের ক্রমবিকাশের ইতিহাস আজ প্রায় নিরবচ্ছিন্ন ধারায় বর্ণনা করা যায়।৯ কিন্তু তার জন্য কি ডারউইন, হাক্সলে ও হেকেল আবর্জনাস্তূপে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন? তা হননি, সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে মর্গান—এঙ্গেলস তাই আজও বর্জনীয় নন। হলডেন বলছেন :১০

    In spite of that (অর্থাৎ বৈজ্ঞানিক প্রগতি সত্ত্বেও), however, the principal conclusions at which Huxley and Haeckel arrived from a starting point for an account of evolution, and are still true. My own view is that the same holds good to a very large extent for the system laid down by Engels, though there are certain parts of his scheme (Origin of Family etc গ্রন্থের) which are obviously doubtful and a few which are probably false. (Italics লেখকের)।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বুক শেল্ফ
    বই
    বাংলা কৌতুক বই
    ডিকশনারি
    অনলাইনে বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    মার্কস ও মর্গানের পর জ্ঞানবিজ্ঞানের প্রসার ও উন্নতি হয়েছে, কিন্তু তার জন্য তাঁরা কেউ ‘বদ্যিবুড়ো’ হিসেবে বাতিল হয়ে যাননি। তার কারণ তাঁদের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টি ছিল, সমস্ত তথ্য সমীকৃত করে যে সামাজিক বিকাশধারার ছক তাঁরা তৈরি করেছিলেন তা পরবর্তীকালের গবেষণার ফলে সংশোধিত ও সমৃদ্ধ হলেও, মানবেতিহাসের রেখাচিত্ররূপে আজও তা ম্লান হয়ে যায়নি। প্রকৃত মার্কসবাদী মাত্রেই মার্কসবাদ—মর্গানবাদের এই গতিশীলতা সম্বন্ধে সচেতন এবং সমালোচক দত্তর অনেক আগেই মার্কসীয় চিন্তানায়করা মর্গান—এঙ্গেলসের মতামত পরিপূরণের আবশ্যকতা উপলব্ধি করেছেন, কিন্তু ‘বিজ্ঞানের ছাত্র’ দত্তর মতন কেউ তাঁদের অবজ্ঞাভরে বর্জনীয় মনে করেননি। দত্তর ‘মার্কসবাদ’—এর সঙ্গে হলডেন বা গর্ডন চাইল্ডের মতন অধিকাংশ বিজ্ঞানী, প্রত্নবিদ ও সমাজবিজ্ঞানীর ‘মার্কসবাদ’—এর মূলগত পার্থক্য এইখানে। জড়বাদী ও নৈরাজ্যবাদীর দৃষ্টিতে মার্কস—এঙ্গেলস—মর্গানের বৈজ্ঞানিক দানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। ইতিহাসের কোনওকালে মানবসমাজ যে ‘আদিম সাম্যবাদ’—এর স্তরে ছিল, এ কথা দত্ত আধুনিক নৃতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের ফলে অস্বীকার করতে চান। তিনি লাউইর মত উদ্ধৃত করে বলেছেন যে : ‘মানবজাতি (১) Primitive Communism, তৎপর (২) Family Communism তৎপর (৩) Individualism—এই ছক আঁকিয়া বিবর্তিত হয় নাই। প্রথমোক্তটি কোথাও হয় নাই, ব্যক্তিগত সম্পত্তি ইহার সঙ্গে বিজড়িত ছিল বা আছে।’ প্রথমত বলা দরকার যে ‘কমিউনিজম’ সম্বন্ধে বিকৃত ধারণার বশবর্তী হয়ে লাউইর মতন কয়েকজন নৃবিজ্ঞানী ‘আদিম সাম্যবাদ’কে অস্বীকার করেন। দত্ত সেই একই ধারণা থেকেই কি তাঁদের মতামত গ্রহণ করেছেন? ব্যবহার্য জিনিসপত্রের উপরেও ব্যক্তিগত মালিকানা থাকবে না, এমন কথা ‘কমিউনিজম’ কোনওকালেই কল্পনা করেনি এবং সেই জাতীয় মালিকানা থাকলেও তা ‘কমিউনিজম’—এর পরিপন্থী হয় না। মূল প্রশ্ন হল উৎপাদনযন্ত্রের (Tools বা Means of Production) স্বত্বাধিকার নিয়ে। অনেক ‘পণ্ডিত’ এইখানেই ‘আদিম সাম্যবাদ’—এর স্বরূপ বুঝতে গণ্ডগোল করেছেন, লাউইর মতন ডায়মন্ডও তাঁর Primitive Law গ্রন্থে একই ভুল করেছেন।১১ লাউই বা ডায়মন্ড মার্কসবাদী নন, ‘কমিউনিজম’ সম্বন্ধে বিকৃত রোমান্টিক কল্পনা তাঁদের থাকতে পারে, কিন্তু দত্তর মতন প্রবীণ মার্কসবাদীর এধারণা কোথা থেকে হল? কমিউনিজমের সম্বন্ধে ওয়ান্ডারল্যান্ডের ‘অ্যালিস’—এর ধারণা যদি তাঁর না থাকত তাহলে তিনি দেখতে পেতেন যে আধুনিক নৃতাত্ত্বিক গবেষণার ফলে মানবসমাজের ইতিহাসে ‘আদিম সাম্যবাদ’—এর স্তর আরও বেশি সুদৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং ব্যবহার্য দ্রব্যাদির ব্যক্তিগত মালিকানার সঙ্গে কমিউনিজমের কোনও বিরোধ নেই, উৎপাদনযন্ত্রাদির মালিকানার সঙ্গেই তার বিরোধ। ব্যক্তিগত সম্পত্তিকে যদি অস্থাবর ও স্থাবর এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়, তাহলে আদিম মানবসমাজে প্রধানত চার শ্রেণির অস্থাবর সম্পত্তি দেখা যায় :

    ক। খাদ্যদ্রব্য

    খ। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিস

    গ। গৃহের আসবাবপত্র

    ঘ। কৃষির যন্ত্রপাতি

    ডায়মণ্ড বলছেন : ‘Perhaps these four classes become important in the order in which they are stated, from the 1st Hunters to the 3rd Agricultural Grade.১২ তাহলে কৃষি—সভ্যতার তৃতীয় পর্বে কর্ষণযন্ত্রপাতির মালিকানার বিকাশ হয়েছে দেখা যায়। এ ছাড়াও আদিম সমাজে অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে ‘পশু’ (Cattle) ও ‘দাস’ (Salve) উল্লেখযোগ্য। এ সম্বন্ধে হবহাউস—হুইলার—জিনসবার্গ বলেছেন যে শিকার যুগের প্রথম পর্বে দাসদের দেখা যায় না। যুদ্ধবিগ্রহের সূত্রপাত হবার পর শিকার যুগের দ্বিতীয় পর্বে তিন ভাগের এক ভাগ শিকারজীবী কৌমের মধ্যে ‘দাস’—এর চলন দেখা যায়। পশুপালন ও কৃষি যুগের প্রথম পর্বেই দাসের অস্তিত্ব ছিল বলে মনে হয়, কিন্তু কৃষির তৃতীয় পর্ব থেকেই দাসপ্রথার বিস্তার হতে থাকে।১৩ তারপর জমির (Land) উপর ব্যক্তিগত মালিকানাস্বত্ব সম্বন্ধে ডা: ডায়মন্ড বলেছেন :১৪

    …looking at the general history of property in land it is of first importance to notice that the extent of communal property in land does not vary from the 1st Hunters up to the 3rd Agricultural Grade, and has throughout a Wider field than what may be called private property. (Italics লেখকের)

    ডায়মন্ড এই প্রসঙ্গে হবহাউস—হুইলার—জিনসবার্গের Statistics উদ্ধৃত করেছেন পাদটীকায়। এই ‘সমষ্টিগত সম্পত্তি’র প্রকৃত স্বরূপ কী ছিল সে সম্বন্ধে নৃবিজ্ঞানীদের মধ্যে এখনও যথেষ্ট মতভেদ আছে—অর্থাৎ এই সম্পত্তি ‘tribe’, ‘sid’, বা ‘family’-র ছিল কি না, বা এর মধ্যেও কোনও ধারাবাহিক বিকাশের চিহ্ন পাওয়া যায় কি না, তা নিয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান ও আলোচনা আজও হয়নি। কিন্তু তা না হলেও, অস্থাবর সম্পত্তিতে ব্যক্তিগত মালিকানা ছিল বলে এবং সমষ্টিগত স্থাবর সম্পত্তি (পশু, দাস ইত্যাদি) কোথাও কৌমগত, কোথাও গোত্রগত (‘গোত্র’ ক্ল্যান বা সিব অর্থে), কোথাও পরিবারগত ছিল বলে, ‘আদিম সাম্যবাদ’—এর কোনও সামাজিক স্তর ইতিহাসে কোনওকালে কোথাও ছিল না, এত বড় হঠোক্তি করা বিজ্ঞানের ছাত্রের উচিত নয়। লাউই এমন কথা (অর্থাৎ সাম্যবাদ কোথাও ছিল না।) নিজেও বলতে সাহস পাননি। ‘আদিম সমাজ’ গ্রন্থে ‘সম্পত্তি’র আলোচনা প্রসঙ্গে লাউই মেরুবাসী এস্কিমোদের বিষয় বলেছেন যে, ‘many of their usages smack of communism’ এবং তাদের সুপ্ত ব্যক্তিচেতনার কথা উল্লেখ করেও তিনি মেরুবাসীদের আদিম সমাজকে ‘unusually communistic societies’ বলেছেন।১৫ দত্ত প্রথমত ‘উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে’ চাপিয়ে, বিচ্ছিন্ন উপকরণ থেকে ‘জেনারালাইজ’ করে, এবং দ্বিতীয়ত ‘কমিউনিজম’ সম্পর্কে বিকৃত কাল্পনিক ধারণার বশবর্তী হয়ে ‘আদিম সাম্যবাদ’কে বাতিল করে দিয়েছেন। এ সম্বন্ধে অধ্যাপক গর্ডন চাইল্ডের একটি চমৎকার উক্তি এখানে উদ্ধৃত করছি :১৬

    Private property in weapons, tools and ornaments used and worn by an individual is quite compatible with primitive communism and is recognised among even the simplest savages today. But among such savages the hunting-grounds are generally ‘owned’ by the clan collectively and the proceeds of the chase are usually divided among all members of the group.

    Property in means of production is in a very different position. To barbarians this means primarily land and livestock. …The recognition of proprietary rights, such as that of buying and selling land like a commodity, results from a slow proess in historical time. No archaeological data that could even serve as a basis for discussion on the ownership of farmland are available till late in the Iron Age. (Italics লেখকের)

    ডাঙ্গে ও দত্ত

    ডাঙ্গের সমালোচনা প্রসঙ্গে দত্ত যে দীর্ঘ ‘গৌরচন্দ্রিকা’ করেছেন এতক্ষণ তারই আলোচনা করা হল। দত্তর এই গৌরচন্দ্রিকার গুরুত্বপূর্ণ উক্তি সম্বন্ধেই আমার সামান্য যা বক্তব্য ছিল তা বলেছি। ডাঙ্গের গ্রন্থ সম্বন্ধে দত্ত যে সমালোচনা করেছেন তার অধিকাংশই আমি সমর্থন করি, যদিও ‘আর্য’, ‘গণ’, ‘গোত্র’ ও ‘বিবাহপদ্ধতি’ সম্বন্ধে তাঁর অনেক যুক্তির সঙ্গে আমি একমত নই। ডাঙ্গের গ্রন্থ পাঠ করলে কনরাড স্মিডটকে একখানি চিঠিতে লেখা এঙ্গেলসের একটি কথা মনে পড়ে : ‘The materialist conception of history has a lot of friends whom it serves as an excuse for not studying history.১৭ ডাঙ্গের মতন একজন প্রবীণ মার্কসবাদী ‘ইতিহাস’ পাঠ করেননি, এমন কথা বলা আমার পক্ষে ধৃষ্টতা ছাড়া কিছুই নয়। কিন্তু তবু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় যে ভারতীয় ‘প্রাগিতিহাস’ ও ‘প্রাচীন ইতিহাস’ সম্বন্ধে আধুনিক প্রত্নবিদ ও নৃবিদদের অনুসন্ধানলব্ধ পর্যাপ্ত উপাদানের কোনও সাহায্যই গ্রন্থ প্রণয়নে তিনি গ্রহণ করেননি। এইদিক দিয়ে দত্তর সমালোচনা যুক্তিসংগত। কিন্তু দত্ত যে নিজের কথা বলেছেন তাতেও উৎসাহিত হবার মতন বিশেষ কিছু নেই। তিনি তাঁর ‘ভারতীয় সমাজপদ্ধতি’ গ্রন্থে বলেছেন: ‘ভারতবর্ষের সভ্যতার ইতিহাস পূর্বে বৈদিক যুগ হইতেই ধরা হইত; এখন মহেন—জো—দড়োর যুগ হইতে ধরা হয়। কিন্তু বৈদিক সময় হইতে ভারতীয় ইতিহাসের ধারা নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতায় চলিতেছে। এইজন্য সামাজিক ইতিহাসের মূল উৎস সেই সময় হইতেই ধরিতে হইবে।’১৮ নৃবিজ্ঞানী দত্ত যদি ভারতের সামাজিক ইতিহাসের ‘মূল উৎস’ বৈদিক যুগেই সন্ধান করেন, তাহলে বলতে হয় যে ভারতীয় প্রত্নবিজ্ঞান ও নৃবিজ্ঞানের আধুনিককাল পর্যন্ত সমস্ত অনুসন্ধানই ব্যর্থ হয়েছে। একজন প্রবীণ মার্কসবাদী ও নৃবিজ্ঞানী ‘ভারতীয় সমাজপদ্ধতি’র ইতিহাস লিখছেন ১৯৪৫ সালে এবং তার মধ্যে আধুনিক নৃবিজ্ঞান ও প্রত্নবিদ্যার অনুসন্ধানলব্ধ কোনও উপকরণ নেই, এ কথা কল্পনাই করা যায় না। জিজ্ঞাসা করতে পারি কি—ভারতের বিবাহপদ্ধতি, গোত্র, গণ ইত্যাদির ‘মূল উৎস’ তিনি কোথায় সন্ধান করবেন? ভারতীয় ‘হিন্দুধর্ম’ বা ‘জাতিপ্রথা’র উৎস কোথায়? যে পুরোহিতদের (Priests) সম্বন্ধে দত্ত খুবই ক্রুদ্ধ ও সজাগ, তাদের ইতিহাস কি বৈদিক যুগ থেকেই শুরু হয়েছে? আদি প্রস্তরযুগ থেকে সিন্ধু সভ্যতার তাম্র প্রস্তরযুগ পর্যন্ত এবং সেখান থেকে বৈদিক যুগ পর্যন্ত যে সুদীর্ঘ ইতিহাস সেটা কি ‘ভারতীয় ইতিহাস’ নয়? নৃবিজ্ঞানী ও প্রত্নবিজ্ঞানীদের অক্লান্ত অনুসন্ধানের ফলে তার ‘নিরবচ্ছিন্ন ধারাবাহিকতা’ যে আজ প্রমাণিত হয়েছে তা কি সুপণ্ডিত দত্ত জানেন না, অথবা জেনেও অস্বীকার করতে চান?১৯ এইজন্যই তাঁর ‘ভারতীয় সমাজপদ্ধতি’ মার্কসীয় বা বৈজ্ঞানিক ইতিহাস হিসেবে অনেকটাই ব্যর্থ হয়েছে। মার্কস নিজে তাঁর ইতিহাসব্যাখ্যা সম্বন্ধে বলেছিলেন যে তাঁর ‘পদ্ধতি’র প্রধান লক্ষ্য হবে—‘Studying each form of evolution separtely and then comparing them’—এবং এই পদ্ধতিতে একটি জিনিস সর্বদা বর্জনীয়, সেটি হচ্ছে—‘the universal passport of a general historico-philosophical theory, whose supreme virtue consists in being super-historical’২০ দত্ত যেভাবে ভারতীয় সমাজপদ্ধতির ইতিহাস আলোচনা করেছেন তাতে তাঁর তথ্যনিষ্ঠার প্রশংসা করেও বলতে হয় তাঁর ‘supreme virtue consists in being super historical’, তাঁর ত্রুটির একটি দৃষ্টান্ত দিচ্ছি। তিনি ভারতীয় ‘পুরোহিততন্ত্র’ ও ‘ব্রাহ্মণদের’ আলোচনায় আগাগোড়া মারাত্মক sectarian মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন—ঐতিহাসিক কালবোধ পর্যন্ত তাঁর লুপ্ত হয়ে গিয়েছে। ভারতবর্ষে পুরোহিতশ্রেণির উদ্ভব বৈদিক যুগের অনেক আগেই হয়েছিল, সিন্ধু সভ্যতার যুগে তো নিশ্চয়ই হয়েছিল। অবশ্য পুরোহিতদের ‘মূল উৎস’ সন্ধান করতে হলে তারও আগে আদিম মানবসমাজের দিকে তাকাতে হয়। সেখানকার ‘জাদুকর’, ‘শমন’, ‘ওঝা’ ইত্যাদি থেকেই কি পরবর্তীকালের পুরোহিতদের বিকাশ হয়নি?২১ নৃবিজ্ঞানী হয়েও দত্ত তাঁর উক্ত গ্রন্থে এবং Studies in Indian Social Polity-র মধ্যেও এসব বিষয়ে কিছুই আলোচনা করেননি, বোধহয় প্রয়োজনই অনুভব করেননি। সুমের ও বাবিলন সভ্যতার কালে এই পুরোহিতশ্রেণি ‘learned leisured class’—এ পর্যবসিত হয়েছে, আমাদের সিন্ধু সভ্যতার যুগেও তা—ই হয়েছিল বা হচ্ছিল বলে মনে হয়। শ্রেণিসভ্যতার বনিয়াদের উপরেই যে এদের বিকাশ হয়েছে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু ইতিহাসের সেই যুগে এই পুরোহিতশ্রেণির একটা ঐতিহাসিক প্রগতিশীল ভূমিকা ছিল। অধ্যাপক গর্ডন চাইল্ড এই ভূমিকা চমৎকার ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন : ২২

    To them (পুরোহিতশ্রেণি) fell the task of translating the practical activities of ritual into conceptual theologies of mythologies and the traditional lore of craftsmen, surveyors and archiects into theoretical sciences. But their societies were already class societies. This was a new stage in human history. Never before had there been a class dedicated to thinking about the environment undistracted by the constant need of getting a living through physical action on the environment.

    আমাদের ভারতবর্ষে সিন্ধু সভ্যতার যুগের পুরোহিতদের ‘প্রারব্ধ’ কাজই (‘প্রারব্ধ’ এইজন্য বলছি যে এ যুগের ভাষা আজও decipher করা সম্ভব হয়নি, সুতরাং সেই ভাষায় কী লেখা হয়েছে—না—হয়েছে জানা যায়নি) উপনিষদ ব্রাহ্মণ ধর্মশাস্ত্র ও সূত্রযুগে পরিপূর্ণ হয়েছে বলে মনে হয়। এই যুগ ভারতীয় ইতিহাসেরও একটা ‘new stage’, যখন ব্রাহ্মণ পুরোহিতরা practical ritual-কে ‘conceptual theologies’ ও ‘mythologies’—এ রূপায়িত করেছেন। ভারতীয় সমাজের উৎপাদন—পদ্ধতির স্থিতিশীলতার জন্য ব্রাহ্মণরা এই জ্ঞানসমৃদ্ধির কাজে আত্মনিয়োগ করবার সুযোগ পেয়েছেন অনেককাল পর্যন্ত, যখন ‘আয়ুর্বেদশাস্ত্র’ ও ‘শিল্পশাস্ত্র’—এর মধ্যে তাঁরা কারিগর ও ওঝাদের ‘traditional lore’—কে ‘theoretical science’—এ রূপ দেবার চেষ্টা করেছেন। ভারতীয় ব্রাহ্মণ—পুরোহিতদের এই ঐতিহাসিক ভূমিকা মার্কসবাদী দত্তর দৃষ্টিগোচর হয়নি, তাই তিনি মন্ত্র, শ্লোক ও শাস্ত্রবচন উদ্ধৃত করে ব্রাহ্মণদের শ্রেণিসুলভ শোষণবৃত্তির ব্যাখ্যা করেই ক্ষান্ত হয়েছেন। ব্রাহ্মণরা দান সম্বন্ধে কোথায় কী বলেছেন, তার মধ্যে শোষণের প্রবৃত্তি কতটা প্রকট হয়ে উঠেছে, সেটা তাৎকালিক সামাজিক ইতিহাসের একটা সামান্য দিক মাত্র, ‘সমগ্র ইতিহাস’ নয়।২৩ দত্তর সঙ্গে হের ড্যুরিং—এর চিন্তাধারার অনেক সাদৃশ্য আছে, সেইজন্য তাঁকে নতুন করে (আগে তিনি অবশ্যই পড়েছেন) আর—একবার এঙ্গেলসের Anti-Duhring গ্রন্থ পাঠ করতে অনুরোধ করছি। ডাঙ্গের ‘কল্পনাপ্রধান’ কাহিনি রচনা হয়তো মার্জনীয় অপরাধ, কিন্তু দত্তর এই ‘হের ড্যুরিং—তুল্য’ মনোভাব কি বৈজ্ঞানিক যুক্তিসম্মত? একেই কি মার্কসবাদী ইতিহাসব্যাখ্যা বলে, না মার্কসের ভাষায় ‘super-historical method’ বলে?

    পরিশেষে একটি কথা বলে আলোচনা শেষ করব। মার্কসীয় বুদ্ধিজীবী ও সমালোচকদের নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধার অভাব সত্যই অত্যন্ত পীড়াদায়ক। দত্ত যে ভাষায় ও ভঙ্গিতে মার্কসবাদী ও কমিউনিস্টদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন তা আমাদের মতন অস্থিরবুদ্ধি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে হয়তো বা আশা করা যায়, কিন্তু তাঁর মতন স্থিরপ্রাজ্ঞ পণ্ডিতের কাছ থেকে কখনোই আশা করা যায় না। আমাদের ভুলত্রুটি তিনি দেখিয়ে দিন, বুঝিয়ে দিন, তার জন্য ভর্ৎসনা করুন, শিক্ষার্থীর মতন আমরা তা মাথা পেতে গ্রহণ করব—কিন্তু কার উপর অভিমান করে তিনি ‘কাকে’ নস্যাৎ করলেন? জানি না, আমাদের নিজেদের মধ্যে, অর্থাৎ মার্কসবাদীদের মধ্যে, অন্তত সংস্কৃতিক্ষেত্রের আলোচনা প্রসঙ্গে, পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভাব কবে ফিরে আসবে। তা যতদিন না আসবে, আমার বিশ্বাস, ততদিন মার্কসবাদী হিসেবে আমরা ব্যক্তিগতভাবে যে যত বড় ‘পণ্ডিত’ হই না কেন, ভারতীয় সংস্কৃতির ইতিহাসে কোনও স্থায়ী দান আমরা কিছুই দিতে পারব না এবং দেশের নিষ্ঠাবান পণ্ডিতমণ্ডলী ও শিক্ষিত শ্রেণির কাছে আমরা সকলেই হাস্যাস্পদ হয়ে থাকব।

    ১৩৫৮/১৯৫১—৫২

    .

    ১. R. H. Lowie: Primitive Society (1949) p. 428

    ২. A. C Haddon: History of Anthropology (1945 ed)-pp. 127-129

    ৩. W. H. R. Rivers—এর এইসব প্রবন্ধ ও গ্রন্থ দ্রষ্টব্য : A Genealogical Method of Collecting Social & Vital Statistics (J. A. I. xxx, 1900); On the Origin of the Classificatory System of Relationships (Anthropological Essays–Tylor Volums, 1907); দু—খানি বিখ্যাত গ্রন্থ Kinship and Social Organisation (1914) ও The History of Melanesian Society (1914) সংক্ষিপ্ত আলোচনার জন্য ডা. রিভার্সের Social Organisation গ্রন্থের চতুর্থ অধ্যায় দ্রষ্টব্য। রেমন্ড ফার্থের We, the Tikopia–a Sociological Study of Kinship in Primitive Polynesis-গ্রন্থ দ্রষ্টব্য, বিশেষ করে Kinship-এর বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব সম্বন্ধে উক্ত গ্রন্থের ষোড়শ অধ্যায় পঠিতব্য। আমাদের দেশে ডা. রিভার্সের অন্যতম ছাত্র অধ্যাপক ক্ষিতীশপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের Head of the Anthropology Dept.) এই পদ্ধতিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানের কাজ করেছেন।

    ৪. R. H. Lowie : Primitive Society (1949 ed.) Chap. VII

    ৫. Notes and Queries on Anthropology (6th Ed. 1951) By a Committee of the Royal Anthropological Institute of Gr. Britain & Ireland—p. 50

    ৬. Gordon Childe-এর সম্প্রতি প্রকাশিত Social Evolution (1951) গ্রন্থের প্রথম অধ্যায় দ্রষ্টব্য।

    ৭. Ibid pp. 10-110

    ৮. J. B. S. Haldane : The Marxist Philosophy and the Sciences (1942 ed) p. 158

    ৯. এ সম্বন্ধে বিখ্যাত নৃবিজ্ঞানী E. A. Hooton-এর Up from The Ape (Revised ed. 1946) গ্রন্থের চতুর্থ ভাগ Fossil Ancestors and Collateral দ্রষ্টব্য pp. 277-418

    ১০. হলডেনের পূর্বোদ্ধৃত গ্রন্থের ‘Sociology’ অধ্যায় দ্রষ্টব্য।

    ১১. A. S. Diamond : Primitive Law (2nd ed. 1950) ch. XXIV

     ১২. Ibid (1950) p. 264

    ১৩. Hobhouse, Wheeler & Ginsbarg : The Material Cultures & Tribal Institutions of Simpler Peoples—p. 236

     ১৪. ডায়মন্ডের পূর্বোদ্ধৃত গ্রন্থ : পৃষ্ঠা ২৭০

    ১৫. Lowie : Primitive Society (1949 ed). p. 199

     ১৬. Gordon Childe : Social Evolution (1951) pp. 67-69

     ১৭. Selected Correspondence—1846-1895 (1943 ed.) pp. 472-473

    ১৮. ভারতীয় সমাজপদ্ধতি : পৃষ্ঠা ৫৮

     ১৯. এই ইতিহাস আলোচনার জন্য কয়েকখানি গ্রন্থ ও নিবন্ধের উল্লেখ করছি : ১. De Terra & Paterson: Studies on the Ice Age in India and Associated Human Cultures (1939). ২. V. D. Krishna Swamy: Stone Age India (Ancient India-3). ৩. S. N. Chakravarti : An Outline of the Stone Age in India (J. R. A. S. B.—vol. X, 1944). ৪. S. Piggott : Prehistoric India. ৫. R. E. M. Wheeler: Harappa 1946 (Ancient India-3)

    ২০. Selected Correspondence p. 355

    ২১. এ সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা G. Landtman-এর সুবিখ্যাত গ্রন্থ The Origin of the Inequality of the Social-classed দ্রষ্টব্য—বিশেষ করে ‘পুরোহিতশ্রেণির ক্রমবিকাশ’ সম্বন্ধে এই গ্রন্থের (১৯৩৮ সালের সংস্করণ) অষ্টম থেকে দ্বাদশ অধ্যায় (১১১—২২৬ পৃষ্ঠা) পঠিতব্য।

     ২২. Gordon Childe : Social Worlds of Knowledge (Hobhouse Memorial Lecture 1949) pp. 20-21. এ সম্বন্ধে Faankforts, Wilson ও Jacobsen—এর Before Philosophy গ্রন্থ বিশেষভাবে দ্রষ্টব্য।

     ২৩. ‘ভারতীয় সমাজপদ্ধতি’ ও Studies in Indian Social Polity গ্রন্থের মধ্যে ডা. দত্ত মার্কসীয় পদ্ধতিতে ভারতে প্রাচীন যুগের ইতিহাসব্যাখ্যার যে চেষ্টা করেছেন তা অখণ্ড ধারাবাহিক ইতিহাস নয়। প্রাচীন ভারত সম্বন্ধে বা ভারতীয় সমাজ সভ্যতা সংস্কৃতির ক্রমিক বিকাশধারা সম্বন্ধে কোনও সুস্পষ্ট ধারণা তাঁর গ্রন্থ পাঠ করলে হয় না। তার কারণ বোধ হয়, তথ্যের উপর তাঁর যথেষ্ট দখল থাকা সত্ত্বেও চিন্তাধারার শৈথিল্য ও অসংলগ্নতার জন্যে তথ্য ও তত্ত্বের কোনও সমীকরণ তাঁর কোনও গ্রন্থেই হয়নি, এবং তার ফলে ইতিহাসের সমগ্রতার রূপটা ধরা পড়েনি। তাহলেও দত্ত নিঃসন্দেহে এই জাতীয় ইতিহাস রচনার একজন অন্যতম পথিকৃৎ এবং একালের মার্কসীয় সমাজবিজ্ঞানী ও ঐতিহাসিকদের পথপ্রদর্শক। আলোচনার মধ্যে আমি বলেছি যে দত্ত ‘গণ, গোত্র ও বিবাহপদ্ধতি’ সম্বন্ধে যা বলেছেন আমার কাছে তা সম্পূর্ণ সমর্থনযোগ্য বলে মনে হয় না। কেন হয় না সে সম্বন্ধে কোনও বিস্তারিত আলোচনা এই বিতর্কের মধ্যে করা সম্ভব নয় তবু এ সম্বন্ধে অনুসন্ধানকারী সম্প্রতি যে আলোচনা করেছেন তার দিকে আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ডা. ইরাবতী কার্ভে ‘জেনিয়োলজিক্যাল’ পদ্ধতি অনুযায়ী ‘মহাভারত’—এর সমাজ ও পরিবার সম্বন্ধে যে আলোচনা করেছেন তা বিশেষ উল্লেখযোগ্য (Karve : ‘Kinship Terms and Family Organisation in the Critical Edition of Mahabharata’—Bulletin, Deccan College Research Ins, vol. V, 1943-44)। কারাণ্ডিকারের Hindu Exogamy (1929) এবং ডা. কাপাডিয়ার Hindu Kinship (1947) গ্রন্থ এই বিষয়ে অবশ্যপাঠ্য বলে মনে হয়। ‘জাতি’ (Caste) সম্বন্ধে ডা. হাটনের Caste in India গ্রন্থ ছাড়া ডা. ঘুর্যের সম্প্রতি প্রকাশিত Caste and Class in India (1950) উল্লেখযোগ্য। এই প্রসঙ্গে অধ্যাপক ক্ষিতীশপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের History of Indian Social Organisation (J. R. A. S. B. vol. 1, 1935) নিবন্ধটিও পড়া উচিত। ‘বিবাহপদ্ধতি’র ইতিহাস প্রসঙ্গে অধ্যাপক এরেনফেলসের Mother right in India (Oxford, 1941) গ্রন্থ ছাড়াও এই রচনাগুলি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয় :

    K. P. Chattopadhyay : Satakarni Succession and Marriage Rules

    (J. R. A. S. B. vol. V 1939)

    Korku marriage customs and some change

    (J. R. A. S. B. vol. XII No. 2. 1946)

    M. B. Emeneau : Kinship and Marriage among the Coorgs

    (J. R. A. S. B. vol. IV. 1938)

    অন্যান্য ভারতীয় আদিম জাতির ‘আত্মীয় সম্বোধন রীতি’ ও ‘বিবাহপদ্ধতি’ সম্বন্ধেও জানা প্রয়োজন—বিশেষ করে সাঁওতাল, ওঁরাও, মুন্ডা, হো, শবর, জুয়াং, গারো, খাসি, নাগা, আগারিয়া, বাহঁগা, গণ্ড, মুরিয়া, চেঞ্চু, টোডা ও ভেদ্দদের সম্বন্ধে। এগুলি এ বিষয়ের সম্পূর্ণ পাঠ্যতালিকা যে নয় তা বলাই বাহুল্য। বিখ্যাত গ্রন্থের কোনও তালিকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেই দিলাম না। সাম্প্রতিক অনুসন্ধানের ধারা নির্দেশ করবার জন্যে এইটুকু উল্লেখ করলাম, অবশ্য দত্তর জন্যে নয়, অন্যান্য অনুসন্ধিৎসু পাঠকদের জন্যে।

    * অগ্রণী কার্তিক সংখ্যা, ১৩৫৮

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাদম্বরী – বানভট্ট
    Next Article মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }