Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প391 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রামমোহন রায়ের জীবনচরিত – বিনয় ঘোষ

    রাজা রামমোহন রায়ের পূর্ণাঙ্গ জীবনচরিত বাংলা বা ইংরেজি ভাষাতে আজও লেখা হয়নি। ‘পূর্ণাঙ্গ’ বলতে বোঝায় এমন কোনও জীবনচরিত যার মধ্যে রামমোহনের জীবনের প্রত্যেকটি কর্মকীর্তি, চিন্তাভাবনা ও ধ্যানধারণা তাৎকালিক সামাজিক প্রতিবেশের আলোকে পরিপূর্ণ ঐতিহাসিক মর্যাদায় প্রতিফলিত হতে পারে। শ্রীমতী সোফিয়া ডবসন কোলেটের The Life and Letters of Raja Rammohun Roy (১৯০০) এবং নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের ‘মহাত্মা রাজা রামমোহন রায়ের জীবনচরিত’ (১৮৮১, ১৯২৮) যখন লেখা হয়েছিল তখন অনুসন্ধানীর দৃষ্টিতে বহু ঐতিহাসিক তথ্য ও ঘটনা অনুদঘাটিত ছিল, যার ফলে এই জীবনীগুলি অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছে। এমনকী রামমোহনের জীবনের অনেক পরিচিত ঘটনা ও কর্মের প্রকৃত তাৎপর্যই আমাদের কাছে পরিষ্কার ধরা পড়েনি। শ্রীদিলীপকুমার বিশ্বাস ও শ্রীপ্রভাতচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায় সম্প্রতি কোলেটের রামমোহন—জীবনীর যে নূতন পরিবর্ধিত সংস্করণ প্রকাশ করেছেন, তাতে রামমোহন সম্বন্ধে অনুসন্ধানলব্ধ অধিকাংশ প্রয়োজনীয় তথ্য সন্নিবেশিত হয়েছে এবং তার ফলে বইখানির উপযোগিতাও বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণ। কোলেট ও তাঁর অসমাপ্ত রচনার লেখক রেভারেন্ড স্টিড লিখিত মূল গ্রন্থের পাঠ্যবস্তুর কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। পাদটীকা, অতিরিক্ত তথ্য ও পরিশিষ্টের মধ্যে নূতন তথ্যগুলি সম্পাদকরা সযত্নে পরিবেশন করেছেন।

    রামমোহন কর্মজীবন ও তৎকালের ইতিহাস সংক্রান্ত তথ্যাদি পর্যাপ্ত পরিমাণে শ্রীযতীন্দ্রকুমার মজুমদার মহাফেজখানার দলিলপত্রাদি থেকে সংগ্রহ করেছেন এবং সেগুলি ১৯৩৮—৪১ সালের মধ্যে প্রকাশিত তিনখানি গ্রন্থে সন্নিবিষ্ট হয়েছে, ১. Letters and Documents Relating to the Life of Raja Rammohun Roy, vol. I (1791-1830); ২. Raja Rammohun Roy and the Last Moghuls; A Selection from Official Records 1803-1895, with a Historical Introduction; ৩. Raja Rammohun Roy and Progressive Movements in India: A Selection from Records 1775-1845, with a Historical Introduction. এই তিনটি গ্রন্থকে রামমোহন—জীবনীর অপরিহার্য আকরগ্রন্থ বলা যেতে পারে। দুঃখের বিষয় তিনখানি বইয়ের একটিও বর্তমানে পাওয়া যায় না এবং অদূর ভবিষ্যতে এগুলি পুনমুদ্রণের কোনও ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে কি না তা—ও বলা যায় না। কোলেটের রামমোহন—জীবনীর সম্পাদকরা যথেষ্ট পরিমাণে এই বই তিনখানির উপকরণের উপর নির্ভর করেছেন এবং এ ছাড়াও অন্যান্য তথ্য এ দেশি ও বিদেশি অনুসন্ধানীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে চেষ্টার ত্রুটি করেননি। এদিক দিয়ে কোলেটের এই নূতন পরিবর্ধিত রামমোহন—জীবনীর সংস্করণটিকে কেবল সম্পাদকদের একটি প্রশংসনীয় কর্ম বললে অল্পোক্তি করা হয়, কারণ এরকম অকাতর পরিশ্রম, ধৈর্য ও একনিষ্ঠা বাস্তবিকই বর্তমান কালের সাহিত্যকর্মে দুর্লভ। যে—পরিমাণ তথ্য কোলেটের মূল গ্রন্থের সঙ্গে সংযোজিত হয়েছে, তাতে স্বচ্ছন্দে একটি নূতন জীবনীগ্রন্থ রচনা করা সম্ভব হত এবং হয়তো তা করলে একদিক থেকে আরও ভালো হত, কিন্তু সম্পাদকরা অনায়াসে নূতন জীবনীকার হবার সেই লোভটুকু বর্জন করেছেন। কর্তব্যবোধের কাছে খ্যাতির আকাঙ্ক্ষা ম্লান হয়ে গিয়েছে।

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বই পড়ুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ডিকশনারি
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বইয়ের তালিকা
    গ্রন্থাগার
    নতুন বই
    রেসিপি বই

     

    কোলেটের রামমোহন—জীবনীতে তথ্যঘটিত ত্রুটিবিচ্যুতি ছিল অনেক, কারণ আজ থেকে প্রায় ৬৫—৭০ বছর আগে ঐতিহাসিক তথ্য সন্ধানের সুযোগ—সুবিধা আজকের মতো প্রশস্ত ছিল না এবং অনুসন্ধানীর দৃষ্টি অথবা অনুসন্ধান—পদ্ধতিও তখন সংকীর্ণ ছিল। এইসব ত্রুটি ও অসম্পূর্ণতা সম্পাদকরা যত দূর সম্ভব নূতন তথ্যের আলোকে পরিপূরণ করেছেন। মাত্র কয়েকটি বিষয় আমরা এখানে উল্লেখ করছি :

    ১।। ইদানীং কেউ কেউ রামমোহনের তিব্বতযাত্রা সম্বন্ধে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য হল রামমোহন নিজে তা কখনোও কোনও রচনায় কোন দিন প্রকাশ করেননি এবং তাঁর দেশভ্রমণের বিবরণাদি থেকে এমন কোনও সঠিক প্রমাণ পাওয়া যায় না যে তিনি তিব্বতে পনেরো—ষোলো বছর বয়সে গিয়েছিলেন। বয়সের দিক থেকেও তখনকার দিনে একজন তরুণের পক্ষে দুর্লঙ্ঘ্য গিরিবর্ত্ম অতিক্রম করে তিব্বতযাত্রা সম্ভব নয় বলে মনে হয়। এ কথা অবশ্য ঠিক যে রামমোহন নিজে কোনওখানেই ‘তিব্বত’ কথাটি তাঁর দেশভ্রমণের বিবরণের মধ্যে উল্লেখ করেননি। তা না করলে অবশ্য সন্দেহের অবকাশ থাকে, কিন্তু এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় না যে রামমোহন তিব্বত যাননি। ডক্টর কার্পেন্টার দু—দু—বার রামমোহনের নিজের মুখ থেকে শুনেছিলেন তাঁর তিব্বতযাত্রার বিস্তারিত বিবরণ এবং তারপরে এ বিষয়ে আর কোনও সন্দেহ থাকার কোনও কারণ থাকতে পারে বলে মনে হয় না। রেভারেন্ড ম্যাকডোনাল্ড তাঁর রামমোহন—স্মৃতিতে লিখেগিয়েছেন (১৮৭৯) যে রামমোহন যখন পাটনায় ছিলেন তখন বৌদ্ধধর্ম বিষয়ে এবং আদিবাসীদের ধর্মকর্ম ও আধ্যাত্মিক ধ্যানধারণা সম্বন্ধে অনেক কথা শুনেছিলেন। সেখান থেকেই তাঁর তিব্বতযাত্রার আগ্রহ জাগতে পারে এবং মনে হয় তা—ই জেগেছিল। তিব্বতে গিয়ে তিনি দু—তিন বছর ছিলেন এবং সেখানকার বৌদ্ধধর্মের বিশেষ রূপ এবং লোকধর্মের বিশিষ্টতা লক্ষ করেছিলেন। রামমোহনের আত্মজীবনী—পত্র, যা তাঁর মৃত্যুর পরে বিলাতের ‘এথেনিয়াম’ ও ‘লিটারারি গেজেট’ পত্রিকায় তাঁর সেক্রেটারি স্যান্ডফোর্ড আর্নট প্রকাশ করেন—তাতে তিনি লিখেছেন যে প্রায় ষোলো বছর বয়সে তিনি হিন্দুসমাজের পৌত্তলিকতার যৌক্তিকতা সম্বন্ধে সন্দেহ প্রকাশ করে একটি নিবন্ধ রচনা করেন। তার জন্য তাঁর আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবরা মনঃক্ষুণ্ণ হন এবং তিনিও দেশভ্রমণে বেরিয়ে পড়েন। প্রধানত হিন্দুস্থানের সীমান্তের মধ্যেই তাঁর পর্যটন সীমাবদ্ধ থাকে, কিন্তু সীমান্তের বাইরেও কোনও কোনও দেশে (‘some beyond the bounds of Hindoostan’) তিনি গিয়েছিলেন। এত দূর বলেও কেন তিনি ‘তিব্বত’ কথাটি উল্লেখ করেননি, তা নিয়ে তর্ক করা বৃথা। তবে হিন্দুস্থানের সীমান্তের বাইরে বলতে যে ‘তিব্বত’ বোঝায় না, তা ভাববারও কোনও যুক্তিসংগত কারণ নেই। তার উপর ডক্টর কার্পেন্টার যখন স্বকর্ণে রামমোহনের নিজের মুখ থেকে এই ভ্রমণের বৃত্তান্ত শুনেছিলেন, তখন তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা বৃথা। সমর্থনযোগ্য বলে মনে হয় (Supplementary Notes, p. 12-13)।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বইয়ের তালিকা
    PDF
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    ডিকশনারি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা অডিওবুক

     

    ২।। প্যারীচাঁদ মিত্রর সহোদর কিশোরীচাঁদ মিত্রর রামমোহন সম্বন্ধে একটি রচনাতে তাঁর সরকারি কর্মজীবনে অসাধু উপায়ে উৎকোচগ্রহণের সম্ভাবনার পরোক্ষ ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ইঙ্গিতটি কিশোরীচাঁদের নিজের নয়, তবে ঘটনার বিবৃতি থেকে মনে হয় যেন এরকম অভিযোগ কেউ কেউ করতে চেয়েছেন যে দশ বছরের মতো ইংরেজ সরকারের অধীনে কাজ করে রামমোহন এত টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেছিলেন যা দিয়ে বাৎসরিক দশ হাজার টাকা আয়ের মতো জমিদারি কিনতে তাঁর কোনও অসুবিধা হয়নি। এ অভিযোগ যে ভিত্তিহীন তাতে কোনও সন্দেহ নেই, কারণ দশ বছর নয়, কোম্পানির অধীনে বিভিন্ন সময়ে চাকরি রামমোহন বছর দুই, কি তার কিছু বেশি কাল, করেছিলেন। চাকরির আগে তিনি কলকাতা শহরে, প্রায় ১৭৯৭ সাল থেকে, তেজারতি ও মহার্জনি কারবার করে অর্থ উপার্জন করেছেন। ১৮১০ সালের মধ্যেই দেখা যায় যে বাৎসরিক দশ হাজার টাকার বেশি আয়ের জমিদারি তাঁর কেনা হয়ে গিয়েছে এবং তখন তাঁর সরকারি চাকরির মেয়াদ মোট এক বছরও হয়নি। কাজেই সরকারি চাকরির সঙ্গে তাঁর জমিদারি কেনার বা তার আয়ের কোনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক নেই, ছিলও না। তা ছাড়া, সরকারি চাকরি, বিশেষ করে ডিগবির সংস্পর্শে বা অধীনে চাকরি করার উদ্দেশ্য ছিল অন্য, অর্থোপার্জন নয়। চাকরির অর্থ তাঁর বিশেষ প্রয়োজন ছিল না। সুশিক্ষিত ইংরেজদের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যে এসে তাঁদের জাতীয় চরিত্রের দোষগুণ বিচার করা এবং ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়াই তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল। তথ্য ও যুক্তি সহযোগে সম্পাদকরা এ বিষয়টি সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন (Supplementary Notes, p. 54-58)।

     

    আরও দেখুন
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই
    লাইব্রেরি
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বইয়ের তালিকা
    PDF বই
    ই-বই পড়ুন
    গল্প, কবিতা
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন

     

    ৩।। রামমোহনের কলকাতার গৃহসম্পত্তির বিবরণ (পৃঃ ৯৬—৯৭) এবং তাঁর বেদান্তবাদে বিশ্বাসের কথা (পৃঃ ৯৭—১০০) আলোচনা করে তন্ত্রশাস্ত্রানুরাগের বিষয় উত্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি বাস্তবিকই জটিল। আলোচ্য গ্রন্থের অন্যতম সম্পাদক শ্রীদিলীপকুমার বিশ্বাস এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রবন্ধাকারে অন্য পত্রিকায় পূর্বে আলোচনা করেছেন। কুলাবধূত হরিহরনন্দন তীর্থস্বামীর আসল নাম নন্দকুমার বিদ্যালংকার। রামমোহনের যখন চৌদ্দ বছর বয়স তখন থেকে তাঁর সঙ্গে পরিচয়। রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ, ব্রাহ্মসমাজের প্রথম আচার্য, হরিহরানন্দর কনিষ্ঠভ্রাতা। এঁরা নদিয়া জেলার (হুগলির নয়) পালপাড়ার অধিবাসী। পালপাড়ার অধিবাসীরা আজও হরিহরানন্দের সাধনস্থান এবং বাস্তুভিটা অনুসন্ধানীদের সাগ্রহে দেখিয়ে দেন। তবে ঐতিহাসিক দলিলপত্রে সঠিক ভিটার কোনও প্রমাণ আজও পাওয়া যায়নি। হয়তো নদিয়া জেলার কালেক্টরেটে খোঁজ করলে কৃষ্ণনগরের রাজবংশের দানপত্রাদি থেকে এঁদের পারিবারিক ইতিহাসের কিছু বিবরণ সংগ্রহ করা যেতে পারে। যা—ই হোক, হরিহরানন্দ রামমোহনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন এবং সমাজ, ধর্ম ইত্যাদি বিষয়ে উদার মতাবলম্বী ছিলেন। সতীদাহ তিনি সমর্থন করতেন না। তন্ত্রশাস্ত্রে তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য ছিল এবং ‘কুলার্নবতন্ত্র’ ও ‘মহানির্বাণতন্ত্র’—এর ভাষ্যকার হিসেবে যথেষ্ট খ্যাতিও তিনি অর্জন করেছিলেন। হরিহরানন্দর সাহচর্যে রামমোহন নিজেও তন্ত্রশাস্ত্রে বিশেষ অনুরাগী হয়েছিলেন এবং তাঁর নিজের ধর্মবোধ ও ধ্যানধারণা কত দূর পর্যন্ত তন্ত্রের দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়েছিল তা অনুসন্ধানের বিষয় (Supplementary Notes, p. 101-2)।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    ডিজিটাল বই
    বই ডাউনলোড
    PDF
    গ্রন্থাগার
    ই-বই পড়ুন
    বইয়ের
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    নতুন বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি

     

    ৪।। ১৮১৭ সালের ২০ জানুয়ারি হিন্দু কলেজ স্থাপিত হয়। এই বিদ্যায়তনের পরিকল্পনার গোড়া থেকেই রামমোহন সংশ্লিষ্ট ছিলেন, কিন্তু প্রতিষ্ঠাকালে প্রধানত বিদ্যালয়েরই স্বার্থে, তাঁর পক্ষে তার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকা সম্ভব হয়নি, অনেকটা স্বেচ্ছায় তিনি দূরে সরে গিয়েছিলেন। এই বিষয়টি নিয়ে ঐতিহাসিক মহলে বহু গবেষণা হয়েছে এবং কেউ কেউ এমন কথাও বলেছেন যে রামমোহন এ দেশের প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা ও প্রতিষ্ঠার সঙ্গে একেরেই যুক্ত ছিলেন না। এ কথা বলে তাঁরা এইটাই বোধহয় ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন যে এ দেশে ইংরেজি শিক্ষা ও পাশ্চাত্য বিদ্যাশিক্ষার প্রবর্তনে রামমোহনের বিশেষ কোনো দান নেই। আমাদের দেশের বেশ লব্ধপ্রতিষ্ঠ ঐতিহাসিক ও গবেষকদের মধ্যে কয়েকজন এই মিথ্যাকে সত্য বলে প্রমাণ করার জন্য এমন উৎকট উৎসাহ প্রকাশ করেছেন যে তাঁদের অনুসন্ধানের মধ্যে পক্ষপাত বিচারবুদ্ধির চেয়ে গোষ্ঠীগত ও ধর্মগত বিদ্বেষই বেশি প্রকাশ পেয়েছে বলে মনে হয়। বিষয়টি নিয়ে আলোচনাও হয়েছে যথেষ্ট। ‘হিন্দু কলেজ’ সংক্রান্ত তথ্যাদি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আদি পরিকল্পক হলেন ডেভিড হেয়ার এবং হেয়ার কয়েকজন বিদ্যানুরাগী বন্ধুবান্ধব নিয়ে একদিন রামমোহন রায়ের গৃহেই এ বিষয়ে প্রথম আলোচনা করেন। তা—ই করাই স্বাভাবিক। তবু বিদ্যালয় স্থাপিত হবার পরে রামমোহনকে কেন তার পরিচালকবর্গের মধ্যে দেখা গেল না, কেন তিনি দূরে সরে রইলেন, তা—ই নিয়ে যত বিভ্রান্তির উৎপত্তি হয়েছে পরবর্তীকালে। তার কারণ হল ‘হিন্দু কলেজ’—এর প্রধান উদযোগীদের মধ্যে রাধাকান্ত দেবের মতো হিন্দুসমাজের কর্ণধাররা ছিলেন (‘হিন্দু কলেজ’ নামকরণ থেকে তা বোঝা যায়) এবং তাঁরা রামমোহনের ধর্মীয় ও সামাজিক মতামতকে সনাতন হিন্দুসমাজের স্বার্থবিরোধী বলে মনে করতেন। পাশ্চাত্য বিদ্যার শিক্ষায়তনটিকে তাঁরা এই ধর্মীয় গোঁড়ামির ভিত্তির উপর স্থাপিত করেছিলেন বলেই রামমোহনের মতো উদারধর্মী ব্যক্তির পক্ষে তার সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংস্রব রাখা সম্ভব হয়নি এবং বিদ্যালয়ের পরিচালকরাও তা রাখতে দেননি। হিন্দু কলেজের কর্তৃপক্ষের এই ধর্মগোঁড়ামি যেকত দূর উগ্র ছিল তা কলেজ থেকে শিক্ষক ডিরোজিওকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করার ঘটনা থেকে এবং রামমোহনের অন্যতম বন্ধু ও সহযোগী উইলিয়াম অ্যাডামসকে শিক্ষকপদে নিযুক্ত করার আপত্তি থেকে (১৮৩২) পরিষ্কার বুঝতে পারা যায়। অ্যাডামসকে হিন্দু কলেজের শিক্ষক নিযুক্ত করার বিরুদ্ধে মতামত জানিয়ে রাধাকান্ত দেব লিখেছিলেন : “For my part, I cannot entrust the morals and education of those I regard, to such a one that was once a Missionary, then a Vaidantic or disciple of Rammohun Roy and lastly a Unitarian.” (১৯ জানুয়ারি ১৮৩২)। যে বিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের রামমোহন সম্বন্ধে এই ধারণা, তাঁরা কখনোও কোনওদিক থেকে তাঁর সহযোগিতা কামনা করতে পারেন না। আর যে প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের মধ্যে অধিকাংশই রক্ষণশীল হিন্দুসমাজের মুখপাত্র, সেখানে যে রামমোহন ও তাঁর সহযোগী বন্ধুদের কোনও স্থান হতে পারে না, এবং স্থান করে নিতে গেলেও যে প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তা কল্যাণকর হতে পারে না, এইটুকু বিচারবুদ্ধি রামমোহনের ছিল মনে করা যেতে পারে। কাজেই রামমোহন স্বেচ্ছায় যে হিন্দু কলেজের সংস্রব ত্যাগ করেছিলেন তাতে সন্দেহের কোনও অবকাশ নেই (Supplementary Notes, p. 102-4; সংযোজন ও সংশোধন, পৃ. ৪১৩)।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বই ডাউনলোড
    ই-বই পড়ুন
    লেখকের বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    নতুন বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

     

    ৫।। ‘ব্রহ্মসভা’, ‘ব্রহ্মসমাজ’, ‘ব্রাহ্মসমাজ’ কোনটি রামমোহনের দেওয়া আদি নাম, তা নিয়ে সম্প্রতি কিছুটা বাদানুবাদ য়েছে। কেউ—কেউ এমন কথা বলতে চেয়েছেন যে ‘ব্রাহ্মসমাজ’ নামটি পরবর্তীকালে রচিত, রামমোহন প্রদত্ত নয়। ২০ আগস্ট ১৮২৮ ‘ব্রাহ্মসমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয় (বুধবার, ৬ ভাদ্র ১৭৫০ শকাব্দ)। ওইদিন পণ্ডিত রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ উপাসনা বিষেয়ে যে প্রথম ব্যাখ্যান পাঠ করেন তার মুদ্রিত পুস্তিকার আখ্যাপত্রে দেখা যায় ‘ব্রাহ্মসমাজ, কলিকাতা’ লেখা আছে (চিত্র ৭, পৃঃ ২৩২)। ব্রাহ্মসমাজগৃহের জমির বিক্রয় কবলায় (৬ জুন ১৮২৯) ‘ব্রহ্মসমাজ’ নামের উল্লেখ আছে, ‘ব্রহ্মসভা’র নয়। ‘ব্রহ্মসমাজ’ ও ‘ব্রাহ্মসমাজ’ কথা দুটির পার্থক্য গ্রাহ্য করার মতো নয়। লন্ডন থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ১৮৩২ রামেমোহন তাঁর পুত্র রাধাপ্রসাদ রায়কে একখানি চিঠি লেখেন (চিত্র ৮, পৃঃ ২৪০)। এই চিঠিতে অন্যান্য কথার মধ্যে তিনি লেখেন : ‘এই অবকাশে ব্রাহ্মসমাজের কাজের নিমিত্ত এক গীত পাঠাইতেছি…।’

    প্রসঙ্গত সম্পাদকরা এ বিষয়ে আরও একটি কথা উল্লেখ করেছেন যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। ‘মহপরিনির্বাণতন্ত্র’ গ্রন্থে ‘ব্রহ্মণ’—এর পূজারি, ‘তত্ত্বচক্র’—এর অধিকারীদের বলা হয়েছে ‘ব্রাহ্ম’ বা ‘ব্রাহ্ম্য’। হরিহরানন্দ তীর্থস্বামী নিজে ‘মহাপরিনির্বাণতন্ত্র’—এর একটি ভাষ্য রচনা করছিলেন এবং রামমোহন তন্ত্রের প্রতি অনুরাগী হয়েছিলেন তাঁর সাহচর্যে। ব্রহ্মণ—এর উপাসক ও ব্রহ্মতত্ত্বের সাধকদের ‘ব্রাহ্ম’ নামে অভিহিত করার প্রেরণা তিনি এই তন্ত্রশাস্ত্র থেকে পেতে পারেন। কাজেই ‘ব্রাহ্ম’ ও ‘ব্রাহ্মসমাজ’ কথা দুটি পরবর্তীকালে রচিত হয়নি, রামমোহনের কাল থেকেই প্রচলিত ছিল। সাধারণ লোকের মধ্যে, অথবা সমসাময়িক পত্রিকায়, গোড়ার দিকে অবশ্য ‘ব্রহ্মসভা’ (Brahma Sabha) ও ‘ব্রাহ্মসামজ’ (Brahmo Samaj) দুটি নাম চলিত ছিল, কিন্তু তাতে প্রমাণিত হয় না যে রামমোহন ‘ব্রহ্মসভা’ নামকরণ করেছিলেন, পরে তা পরিবর্তিত হয়ে ‘ব্রাহ্মসমাজ’ হয়েছে (Supplementary Notes, p. 239-42)।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    Library
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    ডিকশনারি
    বইয়ের

     

    ৬।। রামমোহনের জীবদ্দশাই তাঁর ব্যক্তিচরিত্র সম্বন্ধে কুৎসা প্রচারের চেষ্টা হয়েছে। এই কুৎসার মধ্যে একটি হল—রাজারাম রায় রামমোহনের রক্ষিত কোনও মুসলমান রমণীর গর্ভজাত সন্তান; তাঁর নিজের বিবাহিত স্ত্রী—র সন্তান নন। দ্বিতীয়টি কুৎসাটি হল—রামমোহন ইংলন্ডে গিয়ে একজন ইংরেজ মহিলার পাণিপ্রার্থী হয়েছিলেন। দুটি কুৎসাই শুধু যে ভিত্তিহীন তা নয়, ব্যক্তিগত বিদ্বেষপ্রসূত অপবাদ। যুগে যুগে এরকম অপবাদ নূতন ধর্মপ্রবর্তক ও সমাজসংস্কারকদের অনেক সহ্য করতে হয়েছে, কম বেশি পৃথিবীর সকল দেশে। আমাদের দেশের কূপমণ্ডূক সমাজে স্বার্থলোভী মানুষের মন নিয়ে উঠেছে কদর্য ভাগাড়ের মতো। কাজেই স্বার্থে স্বার্থে যখন সংঘাত বেধেছে, ধর্মের ক্ষেত্রে, সমাজসংস্কারের ক্ষেত্রে অথবা অর্থলোকের প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, তখন সেই নোংরা মনের ভাগাড়ে নিন্দা—কুৎসার বীজাণু ছাড়া আর কিছুই বাসা বাঁধতে পারেনি। আর সমস্ত নিন্দা ও কুৎসার মধ্যে অবৈধ যৌনসম্পর্কের কুৎসার এমন একটি অদম্য আকর্ষণ আছে এই শ্রেণির ব্যাধিগ্রস্ত অসুস্থ লোকের কাছে যে, যে—কোনও ব্যক্তির চরিত্রহননের পক্ষে তাঁরা এটিকে ব্রহ্মাস্ত্র বলে মনে করেন। বর্তমানকালেও এই জাতীয় কুৎসাপ্রবণতা থেকে সমাজের শিক্ষিত ভদ্রশ্রেণিও মুক্ত হতে পারেননি, শুধু সনাতন নারীঘটিত নিন্দার সঙ্গে রাজনীতির যুগে, রাজনৈতিক দালালির নিন্দাটুকু যুক্ত হয়েছে মাত্র। রামমোহনের যুগে রাজনীতির রূপ এরকম বীভৎস ছিল না, কাজেই অসহায়ের মতো রামমোহনকে কেবল অপর নিন্দাটির অপমানই সহ্য করতে হয়েছে। প্রসঙ্গত বলা যায়, এরকম অপমান ‘বিধবাবিবাহ’ সম্পর্কে বিদ্যাসাগরকেও অনেক সহ্য করতে হয়েছে।

     

    আরও দেখুন
    বই ডাউনলোড
    ডিজিটাল বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    রাজারাম রায় রামমোহনের নিজেরসন্তান নন, দত্তক নন, আশৈশব পুত্রবৎ পালিত একজন এ দেশীয় সন্তান। তিনি হিন্দুর, না মুসলমানের, না খ্রিস্টানের, না ইহুদির, কার সন্তান তা আজও জানা যায়নি। হরিদ্বারের মেলায় কোম্পানির কর্মচারী ডিক সাহেব তাঁকে দেখতে পান, তারপর তিনিই তাঁকে কিছুদিন পালন করেন। যখন সাহেবের স্বদেশে ফিরে যাবার সময় হয়, তখন তিনি রামমোহনের হাতে তাঁকে সমর্পণ করে যান। তারপর রামমোহনের কাছেই তিনি পুত্রবৎ স্নেহে পালিত হন। রাজারামের এই ইতিহাস ডক্টর ল্যান্ট কার্পেন্টার ১৮৩৫ সালে একটি চিঠিতে জানান। এইরকম কথা হয়েছে যে বিলাতযাত্রাকালে রামমোহনের সঙ্গী মুসলমান ভৃত্য ‘সেখ বকসু’ হলেন রাজারাম। কিন্তু শেখ বকসু ও রাজারাম যে একই ব্যক্তি নন তা দু—জনেরই ইংলন্ড থেকে স্বতন্ত্র জাহাজে কলকাতা ফেরার ঘটনা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়। সেখ বকসু ‘জেনেবিয়া’ জাহাজে করে ৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৩ কলকাতায় ফেরেন, রাজারাম ফিরে আসেন ‘জাভা’ জাহাজে ১৮৩৮ সালের আগস্ট মাসে। রাজারাম ইংলন্ডে ‘বোর্ড অফ কন্ট্রোল’ কেরানির কাজ করেন প্রায় তিন বছর, কলকাতায় ফিরে এসে সরকারের রাজনৈতিক দপ্তরে মাসিক ২০০ টাকা বেতনে কিছুদিন কাজ করেন। ব্রাহ্ম আন্দোলনের সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট ছিলেন এবং তত্ত্ববোধিনী সভার সভ্যও ছিলেন। এরপর তাঁর সম্বন্ধে আজগুবি জল্পনাকল্পনার আর কোন অবকাশ থাকতে পারে বলে মনে হয় না (Supplementary Notes p. 297-301)।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের তালিকা
    ডিজিটাল বই
    ডিকশনারি
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গ্রন্থাগার
    গল্প, কবিতা

     

    রামমোহনের সমাজচিন্তা ও রাজনৈতিক চিন্তা সম্বন্ধে সম্পাদকরা অনেক নূতন তথ্য পরিবেশন করেছেন। তার মধ্যে ব্রিটিশ স্যোশালিজমের আদি প্রবর্তক রবার্ট ওয়েনের সঙ্গে রামমোহনের সাক্ষাৎ, সোশ্যালিস্ট আদর্শ সম্বন্ধে আলোচনা ও ওয়েনের সঙ্গে ধর্ম বিষয়ে তাঁর মতভেদ ইত্যাদির কথা জানা যায়। রামমোহনের গভীর মানবতাবোধ তাঁকে স্বাভাবিক কারণেই সোশ্যালিজমের প্রতি আকৃষ্ট করেছিল, কিন্তু ওয়েন প্রমুখ সোশ্যালিস্ট চিন্তানায়কদের ধর্মনিরপেক্ষ সমাজকল্যাণ ও মানবকল্যাণচিন্তাকে তিনি সমর্থন জানাতে পারেননি। কৃত্রিমতা ও শঠতা থেকে মুক্ত অকৃত্রিম ধর্মবোধ যে মানবকল্যাণের পরিপন্থী নয়, এ বিশ্বাস রামমোহনের যে কত গভীর ছিল তা রবার্ট ওয়েনের কাছে লিখিত তাঁর পত্রখানি (১৮৩৩) থেকে বোঝা যায়। পত্রখানি নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরি থেকে সম্প্রতি পাওয়া গিয়েছে এবং গ্রন্থের পরিশিষ্টে (পৃঃ ৪৯৪—৯৫) উদ্ধৃত হয়েছে।

    এ ছাড়া রামমোহন ও জেরেমি বেন্থামের মধ্যে যে সমস্ত চিঠিপত্রের আদানপ্রদান হয়েছিল, তার মধ্যে তিনখানি চিঠি পরিশিষ্টে উদ্ধৃত হয়েছে (পৃঃ ৪৯০—৯৩)। রামমোহনের প্রতি বেন্থামের কতখানি শ্রদ্ধা ছিল তা বেন্তামের পত্রখানি থেকে বোঝা যায়। বেন্থাম, ওয়েন প্রমুখ যুগচিন্তানায়কদের সঙ্গে রামমোহনের যে প্রত্যক্ষ সান্নিধ্যের ও ভাব আদানপ্রদানের সুযোগ হয়েছিল, সেকালে কেন, পরবর্তীকালেও কারও বিশেষ তেমন হয়নি। ইংলন্ডের রাজনৈতিক জীবনের এক যুগসন্ধিক্ষণে তিনি এই মনীষীদের সান্নিধ্যলাভ করেছিলেন এবং তার ফলে তাঁর নিজের রাজনৈতিক ও সামাজিক চিন্তাধারাও প্রভাবিত হয়েছিল মনে হয়। তিনি জীবিত থাকলে এবং স্বদেশে ফিরে এলে হয়তো আমরা তাঁর কাজকর্ম ও চিন্তার মধ্যে তার পরিচয় পেতাম।

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইন বুকস্টোর
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাইশে শ্রাবণ
    বই
    বাংলা অডিওবুক
    লাইব্রেরি
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    কোলেটের রামমোহন—জীবনীকার নূতন পরিবর্ধিত সংস্করণে সম্পাদকরা আরও যে সব তথ্য সংযোজন করেছেন তা ‘অতিরিক্ত টীকা’, ‘সংযোজন ও সংশোধন’ এবং ‘পরিশিষ্ট’—এ মুদ্রিত হয়েছে। শুধু এইগুলির জন্যই মূল গ্রন্থের রূপান্তর ঘটেছে বলা চলে। রামমোহনের জীবনের যে—কোনও দিক ও বিষয় নিয়ে যাঁরা গবেষণা করবেন, তাঁদের কাছে এই কারণেই বইখানি অপরিহার্য বলে মনে হবে। তার সঙ্গে সম্পাদকের কৃতিত্ব দেখলে মনে হবে, ঐতিহাসিক অনুসন্ধানে সত তা ও নিষ্ঠা ছাড়া ফাঁকি দিয়ে বাস্তবিকই কোনও বড় কাজ করা যায় না এবং যাঁরা সেরকম কাজ করেন, যেমন বর্তমান গ্রন্থের সম্পাদকরা বলেছেন, তাঁরা কোনও আশু ফললাভ বা খ্যাতিলাভের আকাঙ্ক্ষা নিয়েও তা করেন না।

    ১৩৭২

    ………………………………………………………………

    Sophia Dobson Collect, The Life an Letters of Raja Rammohun Roy: Edited by Dilip Kumar Biswas and Prabhatchandra Ganguly, Sadharan Brahma Samaj, Calcutta, Third Edition, 1962

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাদম্বরী – বানভট্ট
    Next Article মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }