Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প391 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধ্যবিত্তশ্রেণি ও মাধ্যমিক সংঘ – বিনয় ঘোষ

    এ কথা আজ সকলেই স্বীকার করবেন যে আমরা এক অতিদ্রুত পরিবর্তনশীল সমাজে বাস করছি। পরিবর্তনের দ্রুততা এত প্রখর যে তার সঙ্গে ছন্দ মিলিয়ে চলাই মহাসমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আজকের ধ্যানধারণা কালকে ধূলিসাৎ হয়ে যাচ্ছে। আজকের ভালোমন্দ বিচারের মানদণ্ড কালকে বদলাতে হচ্ছে। বন্ধ জলে লগি ঠেলে নৌকা বাইতে আমরা অভ্যস্ত, স্বভাবতই তাই প্রবল খরস্রোতে হাল ধরে রাখাই সম্ভব হচ্ছে না। আগেকার কোনও যুগের সঙ্গে এ যুগের এই বেগবান জীবনের তুলনা করা চলে না। এই পরিবর্তনের অন্যতম কারণ, সকলেই একবাক্যে বলবেন, বৈজ্ঞানিক প্রগতি। অন্য ভাষায় এই বৈজ্ঞানিক প্রগতিকে বলা যায়, সমাজের কাজের জন্য প্রাকৃতিক শক্তির পরিপূর্ণ মুক্তি ও প্রয়োগ। প্রাকৃতিক শক্তির এই মুক্তির সঙ্গে আরও অনেক শক্তির মুক্তি ঘটেছে। তাদের ‘সামাজিক শক্তি’ বলা যায়। প্রাকৃতিক শক্তি (natural forces) এবং সামাজিক শক্তি (social forces), দুয়েরই মুক্তির ফলে, জীবনের ধারার ও গতির আমূল পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। প্রকৃতির স্তরে স্তরে যে শক্তি এতকাল গোপন ছিল শুধু যে তাকেই আমরা মুক্ত করেছি তা নয়, সমাজের স্তরে স্তরে যে শক্তি চিরকাল উপেক্ষিত ছিল, তাকেও আমরা আজ মুক্ত করেছি, জাগিয়ে তুলেছি। সেই শক্তি হল সমাজের গণতান্ত্রিক শক্তি। এই গণতান্ত্রিক শক্তির ব্যাপকতা ও গভীরতা সম্বন্ধে এতদিন আমাদের সম্যক ধারণা ছিল না। ব্যক্তি—স্বাধীনতা ও গোষ্ঠী—স্বাধীনতার ভিত্তির উপর গণতান্ত্রিক সমাজের সৌধ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলাম আমরা, দেশভেদে দু—চার শতাব্দী আগে, আধুনিক বিজ্ঞানের শুভযাত্রা শুরু হওয়ার দিনে। তারপর ইতিহাসে কত ঝড়ঝঞ্ঝা, কত দুর্যোগ, কত চড়াই—উতরাই পার হয়ে, প্রকৃত গণতন্ত্রের সেই শক্তিকে আজ আমরা আয়ত্তে এনেছি এবং তার বিকাশের পথ উন্মুক্ত করেছি। এই গণতান্ত্রিক শক্তির উৎস কোথায়? উৎস হল সমাজের প্রত্যেক ব্যক্তি, প্রত্যেক মানুষ সমাজে আজ প্রত্যেক ব্যক্তির শক্তি অবাধ মুক্তি পেয়েছে, তার বন্ধনহীন স্ফূর্তির সুযোগ এসেছে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে পরমাণুর অন্তর্নিহিত গোপন শক্তির বিকাশ দেখে আমরা অবাক হয়ে গিয়েছি। কারণ তার বাহ্যপ্রকাশ বা demonstration-এর আড়ম্বর খুব বেশি, তাই আমাদের চোখ ও মন তাতে ধাঁধিয়ে যায়। সমাজে ব্যক্তির ও গোষ্ঠীর শক্তি প্রকাশেরও একটা বাহ্য দিক আছে, সেটাও কম জমকালো নয়। কিন্তু সেটা আমাদের স্পুৎনিক বা হাইড্রোজেন—বোমার মতো নজরে পড়ে না। অথচ প্রকৃতির অ্যাটমের মতো সমাজের অ্যাটম যে ব্যক্তি ও মানুষ, তার শক্তিও কম প্রচণ্ড নয়। সেই ব্যক্তির অন্তর্নিহিত শক্তিও আজ মুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ সমাজের পরমাণুশক্তিও আজ জেগেছে। গণতন্ত্রের আদর্শ দীর্ঘকালের সংগ্রামের পরে, আজ সার্থক হতে চলেছে।

    সেই কারণেই আজ সমাজের রূপ বদলে গিয়েছে এবং প্রতিদিন বদলাচ্ছে। যে বিরাট সামাজিক শক্তিকে আজ আমরা জাগিয়ে তুলেছি, তার বহুমুখী বিচিত্র প্রকাশ দেখে আমরা নিজেরই স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছি। সেই শক্তিকে কীভাবে নিয়ন্ত্রিত করা যায়, কীভাবে তার বৈচিত্র্য ও বিরোধের মধ্যে সামঞ্জস্য স্থাপন করা যায়, আজও তার কলাকৌশল আমরা উদ্ভাবন করতে পারিনি। পরমাণুর প্রচণ্ড শক্তিকে যেমন আমরা ব্যাপক ধ্বংসের কাজে লাগাতে পারি, আবার মানুষের কল্পনাতীত কল্যাণের কাজেও নিয়োগ করতে পারি, তেমনি ব্যক্তির এই আত্মশক্তির প্রখর চেতনাকে, অর্থাৎ বন্ধনহীন ব্যক্তিস্বাধীনতাকে, আমরা সমাজের বিকলন বা disintegration, অথবা সমাজের নবরূপায়ণ বা re-integration—এর জন্য নিয়োগ করতে পারি। সমাজের প্রত্যেক ব্যক্তি, অথবা প্রত্যেক সংঘ বা গোষ্ঠী (groups and association), আজ যদি কেবল আত্মশক্তির demonstration—এর জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠেন, তাহলে সমস্ত ব্যক্তির ও গোষ্ঠীর শক্তির অন্ধ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সংঘর্ষের মধ্যে সমাজটা একটা কুরুক্ষেত্রে পরিণত হবে, এবং সেই কুরুক্ষেত্রের মধ্যে ধর্মাবতার এক ডিক্টেটরের অবতীর্ণ হতেও বিলম্ব হবে না। সামাজিক উচ্ছৃঙ্খলতার জোয়ারের মধ্যে সশব্দে সামরিক কুচকাওয়াজ করে ডিক্টেটর—অবতার এসে তখন বলবেন: ‘হে অমৃতের পুত্ররা। ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত পূর্ণ—স্বাধীনতার জন্য তোমরা লড়াই করেছিলে, সে স্বাধীনতা তোমরা পেয়েছিলে, কিন্তু তার মর্যাদা তোমরা রাখতে পারেনি। তার অপব্যবহার করতে তোমরা দ্বিধা করোনি। তাতে অরাজকতার সৃষ্টি হয়েছে। অতএব, স্বাধীনতার কথা ভুলে গিয়ে আমার আদেশ পালন করো, আমাকে অনুসরণ করো।’ গভীর হতাশা ও নৈরাশ্যের মধ্যে আমরাই তখন তাঁকে saviour বলে মেনে নেব এবং বিনা দ্বিধায় সমস্ত ব্যক্তিস্বাধীনতা জলাঞ্জলি দিতেও কুণ্ঠিত হব না। সমজের দ্রুত পরিবর্তন ও ব্যাপক ভাঙনের রূপ দেখে সম্প্রতি একদল দার্শনিক এসে ভয়াবহ সুর তুলেছেন, এবং মিলিটারি অবতারের মোহে আকৃষ্ট হয়ে উঠেছেন। সমাজের ভাঙনটাই তাঁদের কাছে বড় সত্য হয়ে উঠেছে।

    এ কথা অবশ্য ঠিক যে সমাজের ভাঙনের দৃশ্য আজ এত ব্যাপকভাবে প্রকট, নীতি শিক্ষা সংস্কৃতি মানবিক সম্পর্ক ইত্যাদি সর্বক্ষেত্রে, যে কেবল সেইদিকে চেয়ে দেখলে আশাভরসার কোনও বন্দরই কোথাও নজরে পড়ে না। কিন্তু সেটা যত ভয়াবহ দিকই হোক, সেটা একটা দিক মাত্র। সমাজের নতুন গড়নেরও একটা দিক আছে, তার দিকেও চেয়ে দেখা দরকার। যে নদীর গতি মন্থর, তার তীর ভাঙা—গড়ার গতিও মন্থর। কিন্তু যে নদী দুর্ধর্ষ বেগবতী ও খরস্রোতা তার ভাঙনের গতিও প্রচণ্ড। যত দ্রুত সে ভাঙে, তত দ্রুত সে নতুন গতিপথ তৈরি করতে পারে না, তার স্থিতি সময়সাপেক্ষ। বহু পুরানো উপমা হলেও, সমাজের গতির সঙ্গে এর তুলনা করা যায়। আগেকার যুগে সমাজের গতি ছিল মন্থর, তাই সমাজের ভাঙন ও গড়নের সঙ্গে মানুষ ধীরেসুস্থে খাপ খাইয়ে নিতে পারত। বর্তমানের সমাজের পরিবর্তনের গতি এত প্রবল যে তার ভাঙনের ব্যপকতার সঙ্গে এবং গড়নের নতুন পদ্ধতি ও পথের সঙ্গে, মানুষ সামাঞ্জস্য স্থাপনে ব্যর্থ হচ্ছে। ভাঙনের রূপ এবং গড়নের নতুন টেকনিক এখনও সম্পূর্ণরূপে আমরা বুদ্ধির আয়ত্তের মধ্যে আনতে পারিনি। গড়নের নতুন কলাকৌশল আরও তৎপরতার সঙ্গে উদ্ভাবন করা এবং সামাজিক ক্ষেত্রে তা প্রয়োগ করাই হল আজকের বড় সমস্যা। তা না হলে, ভাঙন ও গড়নের মধ্যে ‘gap’ বা ব্যবধান এত বেড়ে যাবে যে গড়নের কোনও সম্ভাবনাই পরে আর থাকবে না। তার জন্য সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে, কারণ এ কথা সবসময় মনে রাখা দরকার যে সামাজিক শক্তির বিকাশের মধ্যে spontaneity বা automatism, বা স্বয়ংক্রিয়তা বলে কিছু নেই। সামাজিক শক্তির আধার যে মানুষ, সেই মানুষকেই সচেতন বা সক্রিয়ভাবে তার বিকাশে অংশগ্রহণ করতে হবে। এই সামাজিক গুরুদায়িত্ব বহন করার প্রধান ভার আজ সমাজের নানারকম সভাসমিতি অ্যাসোসিয়েশন ও গোষ্ঠীর উপর পড়েছে। বর্তমান যুগে এই জাতীয় অ্যাসোসিয়েশনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভূমিকা কী এবং তার দায়িত্ব ও কর্তব্যই বা কী, সে সম্বন্ধেও আজ তাই আমাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

    গোষ্ঠীবদ্ধ ও সংঘবদ্ধ হওয়া মানুষের অন্যতম সামাজিক বৃত্তি। এ কথা সকলেই জানেন। কিন্তু গোষ্ঠী ও সংঘের শ্রেণিভেদ আছে মানুষের সামজে। সমাজবিজ্ঞানীরা এইসব গোষ্ঠী ও সংঘকে দুই শ্রেণিতে ভাগ করেছেন—Primary Groups ও Secondary Groups—প্রাথমিক গোষ্ঠী বা সংঘ এবং মাধ্যমিক গোষ্ঠী বা সংঘ। কেউ কেউ একে in-groups বা অন্তর্গোষ্ঠী এবং out-groups বা বহির্গোষ্ঠীও বলেন। প্রাথমিক গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য হল, তা আয়তনে ছোট এবং গোষ্ঠীভুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মুখোমুখি পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা থাকে। পরিবার বা family হল এই প্রাথমিক গোষ্ঠীর শ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্ত। ছোট ছোট ক্লাব ও সংঘ অনেক আছে সমাজে, যাদের সভ্যসংখ্যা কম, উদ্দেশ্যও সীমাবদ্ধ এবং সভ্যদের মধ্যে ব্যক্তিগত ও মুখোমুখি পরিচয়ও কিছুটা আছে। তাদের ঠিক পরিবারের মতো মাধ্যমিক গোষ্ঠীও বলা যায় না, আবার বাইরের বড়ো বড়ো সভা—সমিতির মতো মাধ্যমিক গোষ্ঠী বলা যায় না—intermediate groups—বা মধ্যবর্তী গোষ্ঠী বলা যায়। বড় বড় মাধ্যমিক গোষ্ঠী ও সভার বৈশিষ্ট্য হল, তার উদ্দেশ্যের বন্ধন আছে, সভ্যদের মধ্যে ব্যক্তিগত পরিচয় বা ঘনিষ্ঠতা নেই। যেমন বড় বড় রাজনৈতিক পার্টি। আজকালকার মধ্যবিত্ত কর্মচারীদের অ্যাসোসিয়েশনও তার দৃষ্টান্ত অ্যাসোসিয়েশনের সকলের সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিচয় হয়তো নেই, কিন্তু তবু প্রত্যেকে কতকগুলি সামাজিক উদ্দেশ্যসাধনের জন্য সংঘবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন বোধ করেন এবং সেই উদ্দেশ্যের অদৃশ্য বন্ধনেই সংঘবদ্ধ হন। সমাজের ইতিহাসের দিকে লক্ষ করলে দেখা যায়, যত অতীতের দিকে ফিরে যাওয়া যাবে, তত এই ধরনের ‘গ্রুপ’ ও অ্যাসোসিয়েশনের সংখ্যা কমে যাচ্ছে, বিশেষ করে কয়েক ধাপ পিছিয়ে গেলে বড় বড় মাধ্যমিক অ্যাসোসিয়েশন একেবারেই নেই দেখা যায়। প্রাইমারি গ্রুপের সংখ্যাই সেখানে বেশি এবং একেবারে আদিম সমাজে ‘পরিবার’ ছাড়া আর কোনও গ্রুপ বিশেষ নেই। মধ্যযুগে বণিক—কারিগরদের Guild ছিল, ধর্মসংঘ ছিল, কিন্তু আধুনিক যুগের অ্যাসোসিয়েশনের গড়ন বা লক্ষ্য, কোনওটার সঙ্গেই তার তুলনা করা যায় না। আধুনিক গণতান্ত্রিক যুগে, ব্যক্তিস্বাধীনতা (freedom of individual) এবং সংঘ—গঠনের স্বাধীনতার (freedom of association) জন্য, গণতান্ত্রিক শক্তির বিকাশ হয়েছে এইসব মাধ্যমিক অ্যাসোসিয়েশনের সংখ্যাবৈচিত্র্যের মধ্যে। সেইজন্য আজ এইসব সুসংগঠিত অ্যাসোসিয়েশন, ইউনিয়ন, সোসাইটি ও সভাসমিতি গণতান্ত্রিক সমাজের সবচেয়ে শক্তিশালী স্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগেকার সমাজে এই ধরনের অ্যাসোসিয়েশন গড়ে ওঠা সম্ভব ছিল না। মানুষের সে চেতনা বা অধিকার, কোনওটাই ছিল না। তা ছাড়া, সবচেয়ে বড় কথা, কর্মজীবনের ও মনের প্রসারতা তখন ছিল না। পরিবার, পাড়া ও গ্রামের মধ্যেই জীবনের চলাফেরা কাজকর্ম সব সীমাবদ্ধ ছিল, মনটাও তার বাইরে ডানা মেলতে পারত না। আজকাল মানুষের কর্মজীবন প্রসারিত হয়েছে, ক্ষুদ্র পাড়া বা গ্রাম বা স্থানীয় অঞ্চলের গণ্ডি থেকে বাইরে ছড়িয়ে পড়েছে। যে কোনও অফিসের কর্মচারীদের কথাই ধরা যাক। বাঙালি কর্মী যাঁরা, তাঁরাও নিজেদের পাড়া—পল্লি ছেড়ে কত দূরে কাজ করতে আসেন। কলকাতা শহরের বাইরে, ২০/৩০/৪০/৫০ মাইল দূর থেকেও অনেকে হয়তো ‘ডেলি প্যাসেঞ্জারি’ করেন। তারে চেয়েও দূর থেকে, ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে, অনেকে এখানে কাজ করতে এসেছেন। সকলে মিলে সংঘ বা অ্যাসোসিয়েশন গড়ে তুলেছেন। এই সংঘ গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে মনের ও কর্মজীনের প্রসারতার জন্য। কর্মজীবনের ও মনের এই বিকেন্দ্রণ বা decentralisation, আধুনিক বিজ্ঞান ও গণতন্ত্রের যুগের এটা অন্যতম বিশেষত্ব। সমাজবিদরা একে ‘delocalisation of mind’ বলেছেন। ক্ষুদ্রগণ্ডি পাড়া—পল্লি থেকে বৃহত্তর সমাজ পর্যন্ত মানুষের মন আজ প্রসারিত হয়েছে। এই প্রসারণ সম্ভব হয়েছে এই জাতীয় বড় বড় মাধ্যমিক অ্যাসোসিয়েশনের ভিতর দিয়ে। এই প্রসারণ ভিন্ন গণতান্ত্রিক শক্তির পরিপূর্ণ বিকাশ সম্ভব হত না। ক্ষুদ্র ও সংকীর্ণ গণ্ডির পরিবেশের মধ্যে গণতন্ত্রের বীজ অঙ্কুরেই নষ্ট হয়ে যায়। ক্ষুদ্রতা দীনতা স্বার্থপরতা এবং উগ্র অহংসর্বস্বতা ক্ষুদ্রতর গণ্ডির মধ্যে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। বড় মাধ্যমিক অ্যাসোসিয়েশনে তার সম্ভাবনা থাকে না। সমাজের প্রাথমিক গোষ্ঠী পরিবারের মধ্যে যখন আমরা মানুষ হই, তখন প্রত্যেক পরিবারের শিক্ষাদীক্ষা ঐতিহ্য অনুযায়ী আমাদের চরিত্র গড়ে ওঠে। সব পরিবার এক রকমের নয়, স্বভাবতই তাই সকলের ব্যক্তিচরিত্র একই ছাঁচে গড়ে ওঠে না। পরিবারের ক্ষুদ্র গণ্ডিছাড়িয়ে যখন আমরা বাইরের বৃহত্তর অ্যাসাসিয়েশনে এসে মিলিত হই, তখন আমাদের ব্যক্তিচরিত্রের অনেক দোষত্রুটি মার্জিত ও সংশোধিত হবার সুযোগ পায়। বাইরের অ্যাসোসিয়েশন প্রত্যেক ব্যক্তিচরিত্রের Socialisation-এ বা সামাজিক রূপায়ণে সাহায্য করে। ব্যক্তিচরিত্রের যা কিছু অসমতলতা, তাকে সমাজচরিত্রের সঙ্গে সমতল করে তোলে। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য তাতে সংযত হয় বটে, কিন্তু বিলুপ্ত হয় না। বিলুপ্ত হয়ে আবার বিপদের সম্ভাবনা থাকে। গণতন্ত্রের বদলে মুষ্টিমেয় দু—একজনের স্বেচ্ছাতন্ত্র সেই সুযোগে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। সুতরাং ব্যক্তির বা ব্যক্তিত্বের বিলোপ নয়, তার সংযম নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক রূপায়ণই গণতন্ত্রের আদর্শ। গণতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে বড় বড় অ্যাসোসিয়েশনেরও লক্ষ্য হওয়া উচিত, ব্যক্তিচরিত্রকে এইভাবে গড়ে তোলা।

    প্রত্যেক অ্যাসোসিয়েশনের কয়েকটি প্রধান লক্ষ্য থাকে, সে কথা আগেই বলেছি। যেমন কর্মচারী বা শ্রমিকদের ইউনয়ন—অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান লক্ষ্য ‘অর্থনৈতিক’। বর্তমান সমাজে আর্থিক বৈষম্য, অন্যায় ও অবিচার আছে বলেই, এই ধরনের অ্যাসোসিয়েশন—ইউনিয়নে সংঘবদ্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সংগ্রামে করার গণতান্ত্রিক অধিকার মানুষের আছে। কিন্তু অ্যাসোসিয়েশন গড়ার উদ্দেশ্য যদি কেবল অর্থনৈতিক হয়, তাহলে সেটা কেবল economism ও unionism হয়ে ওঠে। সংগত আর্থিক সাম্য প্রতিষ্ঠা নিশ্চয় গণতন্ত্রের অন্যতম লক্ষ্য, কিন্তু যার জন্য এত কাণ্ড করা, অর্থাৎ যে মানুষের জন্য, সেই মানুষই যদি এর মধ্যে পচে—গলে বিকৃত হয়ে যায়, তাহলে কার জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে? সঙ্গে সঙ্গে তাই মানুষের চরিত্রের গণতান্ত্রিক ও বিকাশের দিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। যে মানুষ ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক সমাজের ভার বহন করবে, তার নিজের চরিত্রও তো সেইভাবে গড়ে তোলা দরকার। তার মানবিক ও সামাজিক মূল্যবোধও জাগিয়ে তোলা দরকার। কে বা কারা তা গড়ে তুলবে? গড়ে তুলবে সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী, গ্রুপ ও অ্যাসোসিয়েশন। প্রথমে গড়বে primary group বা পরিবার। পরিবারের গড়ন ও পরিবেশকে তার জন্য সুস্থ করতে হবে। তারপর গড়ে তুলবে বাইরের ছোটবড় অ্যাসোসিয়েশন। পরিবারের প্রভাব সমাজে চিরকাল যেমন ছিল, ভবিষ্যতেও তা—ই থাকবে। কিন্তু যে সমাজে গণতান্ত্রিক শক্তির বিকাশ যত বেশি হবে, সেই সমাজে মাধ্যমিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রভাব তত বাড়বে মানুষের জীবনে। পারিবারিক গোষ্ঠীবন্ধনও দৃঢ়তা স্বভাবতই তার জন্য খানিকটা শিথিল হবে। পরিবারের চেয়ে আজকের সমাজে বাইরের সভা—অ্যাসোসিয়েশনের আকর্ষণ মানুষের কাছে ক্রমেই প্রবল হয়ে উঠছে। প্রতিদিন আমরা তা দেখতে পাচ্ছি। সেইজন্য আজ বাইরের অ্যাসোসিয়েশনের সামাজিক দায়িত্ব আরও বেশি বেড়েছে। ব্যক্তিচরিত্রের রূপায়ণে পরিবারের খানিকটা দায়িত্ব আজ বাইরের অ্যাসোসিয়েশনকেই পালন করতে হবে। তার উপর তার নিজস্ব দায়িত্ব তো আছেই। এই দায়িত্ব হল, অ্যাসোসিয়েশনের সভ্যদের ব্যক্তিচরিত্রকে মানবিক ও সামাজিক করে তোলা এবং কেবল অর্থনৈতিক চিন্তা ছাড়াও অন্যান্য আরও অনেক নৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে স্বাধীনভাবে ও সুস্থভাবে চিন্তা করতে শেখানো। তার জন্য একটা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যসূচিও প্রত্যেক অ্যাসোসিয়েশনের থাকা উচিত। যেমন সমাজের নানা রকমের সমস্যা নিয়ে মধ্যে মধ্যে আলাপ—আলোচনা করা, দেশের শিক্ষা সাহিত্য সংস্কৃতি ও শিল্পকলার গতিপ্রকৃতি সম্বন্ধে সচেতন হয়ে, তার সুস্থ বিকাশে সহায়তা করা।

    ১৯৫৮

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাদম্বরী – বানভট্ট
    Next Article মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }