Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প391 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শিবনাথ শাস্ত্রী – বিনয় ঘোষ

    শিবনাথ শাস্ত্রী – বিনয় ঘোষ

    ‘আমি শৈশবাবধি বিদ্যাসাগরের চেলা।’ একথা শিবনাথ শাস্ত্রী বলতেন। তাঁর পিতা পণ্ডিত হরানন্দ ভট্টাচার্য এবং মাতুল পণ্ডিত দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ উভয়েই ছিলেন বিদ্যাসাগরের অন্তরঙ্গ বন্ধু। কাজেই বাল্যকাল থেকে বিদ্যাসাগর শিবনাথকে পুত্রবৎ স্নেহ করতেন। শিবনাথের কৈশোর বিদ্যাসাগরের সমাজসংস্কারকর্মের দ্বিপ্রহর। যৌবনে জীবনের সকল রকমের সমস্যা ও সংকটের মধ্যে বিদ্যাসাগরের সাহচর্য ও পরামর্শ শিবনাথের কাছে সহজলভ্য ছিল। অনেক ক্ষেত্রে শিবনাথ বাস্তবিকই বিদ্যাসাগরের চেলা ছিলেন, কেবল একটি ক্ষেত্র ছাড়া, যেক্ষেত্রে শিবনাথের ব্যক্তিত্বের সমগ্ররূপ অভিব্যক্ত। সেই ক্ষেত্রটি হল ‘ধর্ম’। বিদ্যাসাগরের কাছে ধর্মের কোনও স্বতন্ত্র সত্তা ছিল না, তাঁর মানববোধ ও সমাজবোধের মধ্যে ধর্মবোধ বিলীন হয়ে গিয়েছিল। তাই পৃথক প্রার্থনা ও উপাসনার ভিতর দিয়ে কোনও অধ্যাত্মলোকে তিনি কখনো শাস্তি বা মুক্তি কামনা করেননি। শিবনাথের কাছে ধর্মজীবনই ছিল মুখ্য, জীবনের মূল ভিত। ধর্মের এই ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল তাঁর মানববোধ ও সমাজবোধ। তাঁর সমগ্র সত্তা ও ব্যক্তিত্ব ধর্মভাবের অলৌকিক রাগে রঞ্জিত। চলিত অর্থে ‘ধার্মিক’ নয়, দার্শনিক অর্থে শিবনাথ ছিলেন প্রকৃত ধর্মপ্রাণ পুরুষ। তাঁর বিচিত্র কর্মবহুল জীবন পর্যালোচনা করতেই দেখা যায়, এই ধর্মপ্রাণতা প্রাত্যহিক জীবনের যাবতীয় মালিন্যের উর্ধ্বে তাঁকে এক ইন্দ্রিয়াতীত স্থৈর্যের রাজ্যে সমাহিত করে রাখত। তাঁর কর্মজীবনেরও সমস্ত শক্তির উৎস ছিল এই ধর্মবোধ। গুরু বিদ্যাসাগর ও চেলা শিবনাথের চরিত্রের মধ্যে পার্থক্য ছিল এইখানে।

    পার্থক্য সত্ত্বেও উভয়ের চরিত্রের মধ্যে মিলও ছিল অনেক। বিদ্যাসাগরের শিষ্যত্ব দাবি করার অধিকার ছিল শিবনাথের। চারিত্রিক দৃঢ়তা নিষ্ঠা সমাজচিন্তা উদারতা ও আত্মবিশ্বাস, সব দিক দিয়েই শিবনাথ ছিলেন বিদ্যাসাগরের সুযোগ্য উত্তরাধিকারী। বালিকাবধূ প্রসন্নময়ীর সঙ্গে যখন পিতার মেজাজের জন্য তাঁর বিচ্ছেদ ঘটল এবং পিতারই আদেশে যখন আঠারো—উনিশ বছর বয়সে তিনি দ্বিতীয় বিবাহ (বিরাজমোহিনীকে) করতে বাধ্য হইলেন, তখন তিনি লিখেছেন, ‘আত্মনিন্দাতে আমার মন অধীর হইয়া উঠিল।’ ‘এই অবস্থাতে আমি ঈশ্বরের শরণাপন্ন হইলাম।’ এইসময় ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে তাঁর সংযোগ হল। পিতা ক্রুদ্ধ হয়ে তাঁকে তিরস্কার করেন। শিবনাথ পিতাকে বলেন, ‘আপনার সকল আজ্ঞা পালন করিতে রাজি আছি, কিন্তু আমার ধর্মজীবনে হাত দিবেন না।’ তখন শিবনাথের ছাত্রজীবন, তিনি দক্ষিণ কলিকাতায় থাকতেন। পুত্রের এই কথাবার্তা শুনে পিতা যখন গ্রামে ফিরে গেলেন, তখন তাঁর বিষণ্ণ মুখ দেখে মা জিজ্ঞাসা করলেন, ছেলে কেমন আছে। পিতা অধিকতর গম্ভীর হয়ে উত্তর দিলেন ‘সে মরেছে।’ শিবনাথ লিখেছেন, ‘অমনি আমার মা ”ওগো কি বল গো” বলিয়া কাঁদিয়া উঠিলেন। তাঁহার ক্রন্দনধ্বনি শুনিয়া পাশের বাড়ির মেয়েরা ছুটিয়া আসিলেন। তখন বাবা গম্ভীরস্বরে বলিলেন, সে মরার মধ্যে। সে ব্রাহ্মসমাজে যেতে আরম্ভ করেছে, আমি বারণ করলেও শুনবে না।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা সাহিত্য
    উপন্যাস সংগ্রহ
    রেসিপি বই
    বই ডাউনলোড
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    কৌতুক সংগ্রহ

     

    ব্রাহ্মসমাজের এই নতুন ধর্মচেতনার মধ্যে শিবনাথ এক আশ্চর্য প্রাণশক্তির উৎস আবিষ্কার করেছিলেন, এবং সেই শক্তি জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছিল, বারংবার মৃত্যু ঘটায়নি। এই বয়সেই তাঁর নতুন ধর্মবিশ্বাস অনুসারে চলবার জন্য তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন। তিনি যখন গ্রামের বাড়িতে উপস্থিত থাকতেন তখন কুলদেবতাদের প্রতিমাগুলিকে তিনি নিজেই পুজো করতেন। এবারে তিনি স্থির করে গেলেন ‘ঠাকুরপুজো’ আর করবেন না। ‘গিয়াই মাকে সে সংকল্প জানাইলাম।’ তারপর কী হল?

    মা ভয়ে অবশ হইয়া পড়িলেন। বুঝিলেন একটা মহা সংগ্রাম আসিতেছে। আমাকে অনেক অনুরোধ করিলেন। আমিও কোনও মতেই প্রস্তুত হইতে পারিলাম না। ধর্মে প্রবঞ্চনা রাখিতে পারিব না বলিয়া করযোড়ে মার্জনার ভিক্ষা করিলাম। অবশেষে সেই সংকল্প যখন বাবার গোচর করা হইল, তখন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুদগমের ন্যায় তাঁহার ক্রোধাগ্নি জ্বলিয়া উঠিল। তিনি কুপিত হইয়া আমাকে প্রহার করিয়া ঠাকুরঘরের দিকে লইয়া যাইবার জন্য লাঠি হস্তে ধাবিত হইয়া আসিলেন। আমি ধীরভাবে বলিলাম, ‘কেন বৃথা আমাকে প্রহার করিবেন? আমি অকাতরে আপনার প্রহার সহ্য করিব। আমার দেহ হইতে এক একখানা হাড় খুলিয়া লইলেও আর আমাকে ওখানে লইতে পারিবেন না।’ এই কথা শুনিয়া ও আমার দৃঢ়তা দেখিয়া তিনি হঠাৎ দাঁড়াইয়া গেলেন এবং প্রায় অর্ধঘণ্টাকাল কুপিত ফণীর ন্যায় ফুলিতে লাগিলেন। অবশেষে আমাকে পূজার কাজ হইতে নিষ্কৃতি দিয়া নিজে পূজা করিতে বসিলেন। সেই দিন হইতে আমার মূর্তিপূজা রহিত হইল।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    ডিকশনারি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাইশে শ্রাবণ

     

    লাঠি হস্তে ধাবিত অগ্নিমূর্তি পণ্ডিত পিতা চিরাচরিত বাহ্যানুষ্ঠানসর্বস্ব ধর্মবিশ্বাসের উগ্র প্রতিমূর্তি, এবং তাঁর সামনে দণ্ডায়মান অটল আত্মবিশ্বাস ও বিনয়ের প্রতিমূর্তি নবীন তরুণ ব্রহ্মোপাসক পুত্র শিবনাথ। পিতার আত্মসমর্পণের মানে হল অন্তরের অনাড়ম্বর অকৃত্রিম সরল ঈশ্বর—উপাসনার কাছে ঢাকঢোল—কাঁসরঘণ্টা—নিনাদিত মূর্তিপ্রান্তে আবদ্ধ দেবতার পুজোর পরাজয়। যেমন প্রসন্নময়ীর ক্ষেত্রে রামচন্দ্রর মতো তিনি পিতৃ—আজ্ঞা পালন করেছিলেন, ধর্মের ক্ষেত্রে তা করেননি, তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন। তাঁর এই বিদ্রোহ যে আদর্শ—সংঘাতের সাময়িক উত্তেজনাসম্ভূত নয়, সতত ও গভীর সত্যবিশ্বাসে প্রোথিত, ব্রাহ্মসমাজের বিভেদ—বিচ্ছেদের ইতিহাসে তাঁর সত্যনিষ্ঠ বিদ্রোহীর ভূমিকা বিচার করলে তা বোঝা যায়।

    ১৮৪৭ সালে শিবনাথ শাস্ত্রীর জন্ম এবং ১৮৭২ সালে সংস্কৃত কলেজ থেকে এম. এ. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর ছাত্রজীবনের শেষ। কিন্তু ছাত্রজীবন থেকেই তাঁর কর্মজীবনের আরম্ভ। ধর্মসংস্কার ও সমাজসংস্কারের কাজে এইসময় থেকে তিনি একাগ্রচিত্তে অগ্রসর হন। বিদ্যাসাগরের চেলা তিনি, কাজেই ১৮৭৬ সালে তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে একটি বিধবাবিবাহ দেন। বিবাহ উপলক্ষে বিদ্যাসাগরের কাছে যান এবং বিদ্যাসাগর বিবাহের সমস্ত খরচ ও কন্যার গহনা দেন। ১৮৬৯ সাল থেকেই ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক অনেক বেশি ঘনিষ্ঠ হয়। তখন তিনি এফ. এ. পাশ করেছেন। তার আগে থেকেই তিনি ব্রাহ্মসমাজে যাতায়াত করতেন এবং ব্রাহ্মধর্মের অন্তর্নিহিত সত্য উপলব্ধি করে মূর্তিপূজাও পরিহার করেছিলেন। এইসময় ব্রাহ্মসমাজের পরিবর্তনের ইতিহাসে প্রথম সংকট দেখা দেয়। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ এবং কেশবচন্দ্র সেনের মনোভঙ্গির পার্থক্য ব্রাহ্মসমাজে বিচ্ছেদ ঘটায়। ১৮৭৬ সাল পর্যন্ত দেবেন্দ্রনাথ ও তাঁর আদি ব্রাহ্মসমাজের প্রতি শিবনাথের আকর্ষণ ছিল, কিন্তু তরুণদলের নেতা ছিলেন কেশবচন্দ্র। দেবেন্দ্রনাথের দল রক্ষণশীল এবং কেশবচন্দ্রর দল প্রগতিশীল বলে পরিচিত ছিল, যেমন ইতিহাসে প্রবীণ ও নবীনের দল চিরদিন অভিহিত হয়ে থাকে তেমনি। শিবনাথ স্বভাবতই কেশবচন্দ্রর উন্নতিশীল দলের প্রতি আকৃষ্ট হন। ২২ আগস্ট ১৮৬৯ উন্নতিশীল দল ভারতবর্ষীয় ব্রাহ্মসমাজের দ্বার উদঘাটন করেন। এইদিন কেশবচন্দ্রর কনিষ্ঠভ্রাতা কৃষ্ণবিহারী সেন, আনন্দমোহন বসু, রজনীনাথ রায়, শ্রীনাথ দত্ত প্রমুখ কুড়িজন যুবকের সঙ্গে শিবনাথ প্রকাশ্যে ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করেন। এর ছাব্বিশ বছর আগে, ২১ ডিসেম্বর ১৮৪৩ (৭ পৌষ ১৭৬৫ শক) দেবেন্দ্রনাথও কুড়িজন সহকর্মীর সঙ্গে ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। ১৮৪৩ সালে দেবেন্দ্রনাথসহ একুশজনের এবং ১৮৬৯ সালে শিবনাথসহ একুশজনের ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষাগ্রহণ, ব্রাহ্মসমাজ ও ব্রাহ্মধর্মের ইতিহাসে দুটি ঐতিহাসিক বাঁক পরিবর্তন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইন বুকস্টোর

     

    ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষাগ্রহণের পর দেবেন্দ্রনাথ বলেন, ‘ব্রাহ্মসমাজের এ একটা নূতন ব্যাপার। পূর্বে ব্রাহ্মসমাজ ছিল, এখন ব্রাহ্মধর্ম হইল…ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করিয়া আমরা ব্রাহ্ম হইলাম এবং ব্রাহ্মসমাজের পার্থক্য সম্পাদন করিলাম।’ দেবেন্দ্রনাথের দীক্ষাকালে ব্রাহ্মধর্মের স্বাতন্ত্র্য প্রতিষ্ঠা হয়, শিবনাথের দীক্ষাকালে হয় ব্রাহ্মধর্মের পর্বান্তর। শিবনাথ লিখেছেন: ‘আমি উন্নতিশীল দলের সঙ্গে হাড়ে হাড়ে বাঁধা পড়িলাম। অথচ শুনিয়া অনেকে আশ্চর্য বোধ করিবেন যে ইহার পরও আমি তাঁহাদিগের সঙ্গ হইতে লজ্জাবশতঃ দূরে থাকিতাম, তখন আমি প্রতিদিন ব্রহ্মোপসনা করিতাম (যদিও উপবীতটা তখন ছিল), কিন্তু ব্রাহ্মদের সঙ্গে বড় মিশিতাম না। মধ্যে মধ্যে রবিবারে প্রাতে কেশববাবুর কলুটোলার বাড়িতে উপাসনাতে যোগ দিতে যাইতাম, কিন্তু কীর্তনের সময় ব্রাহ্মদিগের অনেকে গড়াগড়ি দিতেন, নানাপ্রকার চিৎকার করিতেন ও পরস্পরের পা ধরাধরি করিতেন, কেশববাবুর পায়ে পড়িতেন, এজন্য ভাল করিয়া উপাসনাতে যোগ দিবার ব্যাঘাত হইত। সেই কারণে সর্বদা যাইতাম না।’

    শিবনাথ শাক্তবংশের সন্তান, কাজেই বৈষ্ণবদের ভবোন্মত্ত কীর্তন ও ঢলাঢলি তাঁর কোনওদিনই ভালো লাগত না। তিনি শুধু ব্রাহ্ম ছিলেন না, শক্তিবাদে বিশ্বাসী ব্রাহ্ম ছিলেন। ব্রাহ্মরা যখন কেশবচন্দ্রকে ‘প্রভু ত্রাণকর্তা’ বলে সম্বোধন করে তাঁর চরণ ধরে গড়াগড়ি দিতেন এবং ভাবাচ্ছন্ন হয়ে তাঁর চারিদিকে ঢলাঢলি করতেন, তখন শিবনাথের কাছে তা যে শুধু বুদ্ধিভ্রম বা চিত্তবিকার বলে মনে হত তা নয়, ব্রাহ্ম হিসাবে নৈতিক বিচ্যুতি বলেও মনে হত। আদর্শ ও নীতির ক্ষেত্রে মুখে বলা ও কাজে করার মধ্যে কোনও পার্থক্য শিবনাথ কল্পনা করতে পারতেন না। তাই ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষা নেবার কিছুদিন পরে তিনি পারিবারিক নিগ্রহ ও বিচ্ছেদবেদনা সহ্য করেও ব্রাহ্মণের উপবীত ত্যাগ করেছিলেন। তার জন্য পিতা আঠারো—উনিশ বছর তাঁর মুখদর্শন করেননি এবং তাঁর সঙ্গে বাক্যালাপও করেননি।

     

    আরও দেখুন
    Books
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ডিকশনারি
    লেখকের বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা অডিওবুক
    PDF
    বাংলা বই

     

    কেশবভক্তদের বৈষ্ণব আচরণ লক্ষ করে তিনি অত্যন্ত বিরক্ত হয়েছেন। কিন্তু কেশবচন্দ্র নিজে যে ভক্তিবাদ ও অবতারবাদের মোহজালে জড়িয়ে পড়েছেন বা পড়তে পারেন, এ কথা সহজে তিনি বিশ্বাস করতে পারেননি। তিনি কেশবচন্দ্রর বিশেষ প্রিয়পাত্র ছিলেন বলে তাঁর প্রতি আকর্ষণও সহজে ছিন্ন হয়নি। কেশবচন্দ্রর কাছে তিনি ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস ও নির্ভরতা এবং সমাজসেবার বিভিন্ন দিকে শিক্ষালাভ করেছেন। অনেকদিন থেকে কেশব ছিলেন শিবনাথের গুরু। দেবেন্দ্রনাথ—কেশবের মতো শেষ পর্যন্ত কেশব—শিবনাথের মধ্যেও ব্রাহ্ম মতাদর্শের ব্যাপারে বিচ্ছেদ অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে। অবতারদের গহ্বরে কেশব ক্রমে তলিয়ে যেতে থাকেন, এবং তাঁর এমন অবস্থা হয় যে নিজেকে ‘জননী’ ও ভক্তদের ‘সন্তান’ ছাড়া তিনি আর কিছুই ভাবতে পারতেন না। কেশবভক্তদের মুখে পাপ—পুণ্য ভক্তি—মুক্তি ঈশ্বর—অবতার ইত্যাদি কথা অবিরাম উচ্চারিত হত। ১৮৭৫—৭৬ সালের কথা মনে করে বিপিনচন্দ্র পাল তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন :

    They were almost always talking of sin and salvation, of prayer and divine worship. All these unrealities of the current ideals and practcies of Samaj seriously influenced the generation of youthful students to which I belonged. I had, therefore, not only no attraction for the Brahmo Samaj when I first care to Calcutta, but even felt an increasing repulsion towards it.

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    PDF
    লেখকের বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুকস্টোর
    ডিকশনারি

     

    শিবনাথের নিজের উক্তিতেও বিপিনচন্দ্রর এই অভিমতের সমর্থন পাওয়া যায়। ব্রাহ্মসমাজের ইতিহাসগ্রন্থে (ইংরেজি) শিবনাথ লিখেছেন যে কেশবচন্দ্রর অভ্যুদয়কালে ব্রাহ্মসমাজের প্রতি দেশের তরুণদের যে আকর্ষণ ও শ্রদ্ধা ছিল, ১৮৭৬ সালের আগেই তা প্রায় শেষ হয়ে যায় (‘wellneigh ceased before 1876’)। ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষাগ্রহণের আগ্রহও তরুণদের মধ্যে যথেষ্ট কমে যায়। কেশবচন্দ্রর নৈতিক বিভ্রান্তির প্রভাব থেকে ব্রাহ্মসমাজকে রক্ষা করার জন্য শিবনাথ এইসময় ‘সমদর্শী’ নামে একটি গোষ্ঠী স্থাপন করে এই নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করেন। আনন্দমোহন বসু, দুর্গামোহন দাস, দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়—এঁরা ছিলেন গোষ্ঠীভুক্ত, শিবনাথ ছিলেন গোষ্ঠীনেতা ও পত্রিকা—সম্পাদক। ১৮৭৭ সালে শিবনাথ আর—একটি ব্রাহ্ম—চক্র (‘Inner circle’) গঠন করেন এবং তাতে বিপিনচন্দ্র পাল, সুন্দরীমোহন দাস, আনন্দচন্দ্র মিত্র প্রভৃতি যোগ দেন। ১৮৭৮ সালের গোড়াতেই বিখ্যাত কুচবিহার—বিবাহের গুজব কলকাতা শহরে রাষ্ট্র হয়ে যায়। কেশবচন্দ্র নিজেই ১৮৭২ সালের তিন—আইন বিবাহের বিধিবদ্ধতার জন্য আন্দোলন করেন, এবং শেষকালে সেই আইন ভঙ্গ করে কুচবিহার রাজপরিবারে নিজ কন্যার বিবাহ দিতে প্রস্তুত হন। শিবনাথ শাস্ত্রী তাঁর দিনপঞ্জিতে লিখেছেন (৩১ জানুয়ারি ১৮৭৮) :

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অডিওবুক
    কৌতুক সংগ্রহ
    পিডিএফ
    বইয়ের
    Books
    বই ডাউনলোড
    PDF বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    কেশববাবু যে কেন এরূপ অবিবেচনার কার্য করিতেছেন, দেখিয়া আশ্চর্যান্বিত হইতেছি। তাঁহাকে Principled Man বলিয়া শ্রদ্ধা ছিল, সে শ্রদ্ধাও আর থাকে না। তাঁহার এরূপ কার্যে সমাজের বিশেষ অমঙ্গল হইবে। অতএব ইহা লইয়া ঘোরতর আন্দোলন করা আবশ্যক, কারণ তাহা হইলে সমাজের মুখ রক্ষা হইবে।

    আন্দোলন চালাবার জন্য ‘সমালোচক’ নামে একখানি বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করা হয়, শিবনাথ তার সম্পাদক হন। কিন্তু আন্দোলন ও প্রতিবাদে কেশবচন্দ্রকে বিরত করা সম্ভব হয়নি। কেশবচন্দ্র নিজে কুচবিহার গিয়ে, অনেকটা হিন্দু মতে, রাজপরিবারে নাবালিকা কন্যার বিবাহ দেন (৬ মার্চ ১৮৭৮)। তার ফলে ব্রাহ্মসমাজের বাদপ্রতিবাদের পরিণতি হয় বিচ্ছেদ। বিদ্রোহী ব্রাহ্মরা কেশবচন্দ্রর দল ছেড়ে এসে ১৫ মে ১৮৭৮ সালে টাউন হলে সভা ডেকে ‘সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৮৭৯ সালে মাঘোৎসবের সময় কর্নওয়ালিস স্ট্রিটের বর্তমান স্থানে তার ভিত স্থাপন করা হয়। ব্রাহ্মসমাজের এই দ্বিতীয় ও শেষ বিদ্রোহের প্রধান নায়ক শিবনাথ শাস্ত্রী। জীবনের বাকি দিনগুলি তিনি এই সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের কাজেই উৎসর্গ করেছিলেন। তিনি বলেছেন : ‘সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের সংস্রবে যাহা কিছু করিয়াছি, তাহাই আমার জীবনের প্রধান কাজ।’ সমাজের বাংলা মুখপত্র ‘তত্ত্বকৌমুদী’ ও ইংরেজি ‘ইন্ডিয়ান মেসেঞ্জার’ পত্রিকা সম্পাদন করতেন শিবনাথ।

     

    আরও দেখুন
    PDF
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা কৌতুক বই
    বাইশে শ্রাবণ
    বই পড়ুন
    বই ডাউনলোড
    ই-বই পড়ুন
    PDF বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বইয়ের

     

    বিপিনচন্দ্র তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন যে শিবনাথের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ছিল এবং শিবনাথের ব্রাহ্মধর্মাদর্শের প্রতি তাঁর অনুরাগও ছিল আন্তরিক। এই অনুরাগ আকর্ষণের কারণ হল, শিবনাথের ব্রাহ্ম আদর্শের মধ্যে স্বাধীনতা ও স্বাতন্ত্র্যের সুর উচ্চগ্রামে ধ্বনিত হত। বিপিনচন্দ্রের ভাষায় বলা যায়, ‘Social freedom and national emancipation were both organic elements of Shivanath’s religion and piety.’ শিবনাথ ছিলেন আজন্ম ‘ডেমোক্রাট’, আদর্শের নামে স্বেচ্ছাচারিতা অথবা ব্যক্তিগত প্রভুত্বের ঘোরতর বিরোধী। কেশবচন্দ্রর গুরুবাদ ও একনায়কত্বের কোনও স্থান নেই সাধারণ ব্রাহ্মসমাজে এবং সাধারণ কথার সামাজিক তাৎপর্য যে ‘সাধারণ’ ছাড়া অন্য কিছু নয়, এ কথা সমাজকর্মীদের কাছে তিনি প্রথমেই ঘোষণা করেছিলেন। তার চেয়েও বড় কথা হল, ব্যক্তিস্বাধীনতার পরিপূর্ণ প্রকাশ ও চরিতার্থতা তিনি লক্ষ করেছিলেন রাষ্ট্রিক স্বাধীনতার মধ্যে। ধর্ম ও দেশপ্রেম তাই শিবনাথের ব্রাহ্ম আদর্শের মধ্যে একাত্ম হয়ে মিশে গিয়েছিল।

    ‘সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ’ প্রতিষ্ঠার আগে শিবনাথ যে ব্রাহ্ম—চক্র গঠন করেন তার জন্য একটি প্রতিজ্ঞাপত্র রচিত হয়। রচনা করেন শিবনাথ। তার মূলকথাগুলি হল :

     

    আরও দেখুন
    PDF
    অনলাইন বুকস্টোর
    ডিকশনারি
    লেখকের বই
    ডিজিটাল বই
    বই ডাউনলোড
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    PDF বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি

     

    প্রতিমাপূজা করব না। কথায় ও কাজে জাতিভেদ মানব না। পরিবারে ও সমাজে স্ত্রী—পুরুষের সমান অধিকার স্বীকার করব। নিজেরা একুশ বছরের আগে বিবাহ করব না এবং কোনও বালিকাকে ষোলো বছরের আগে স্ত্রীরূপে গ্রহণ করব না। স্ত্রীলোক ও জনসাধারণের মধ্যে যথাসাধ্য শিক্ষা বিস্তারের চেষ্টা করব। দেশের লোকের শক্তি শৌর্য বৃদ্ধির জন্য ব্যায়ামচর্চা, অশ্বারোহণ, বন্দুকচালনা অভ্যাসের কথা প্রচার করব। স্বায়ত্তশাসনই শ্রেষ্ঠ শাসনব্যবস্থা, দুঃখ দারিদ্র্য—দুর্দশায় নিপীড়িত হলেও বিদেশি গভর্নমেন্টের অধীনে কখনোই দাসত্ব স্বীকার করব না।

    জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার আগে বাংলার ও ভারতের প্রথম মধ্যবিত্ত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ‘ভারত—সভা’ (ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন) স্থাপিত হয় ২৬ জুলাই ১৮৭৬। শিবনাথ তাঁর বন্ধু আনন্দমোহন বসুর সঙ্গে এই রাজনৈতিক সভা স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে পরামর্শ করার জন্য বিদ্যাসাগরের কাছে যান। বিদ্যাসাগর প্রথম সভাপতি হন, এই তাঁদের ইচ্ছা ছিল। কিন্তু বিদ্যাসাগর তাঁদের উৎসাহ দিলেও সভাপতি হতে সম্মত হননি। মধ্যবিত্ত রাজনীতির আবেদন—নিবেদন ও নেতৃত্বের দলাদলির কথা মনে করেই বোধহয় বিদ্যাসাগর দূরে থাকতে চেয়েছিলেন। কংগ্রেস—পর্বের উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত রাজনীতির পথপ্রদর্শকদের মধ্যে ছিলেন শিবনাথ, আনন্দমোহন ও সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শিবনাথের পূর্বোক্ত ব্রাহ্মচক্রে প্রতিজ্ঞাপত্রের মধ্যে—’দেশের লোকের শক্তি ও শৌর্য বৃদ্ধির জন্য ব্যায়ামচর্চা বন্দুকচালনা অভ্যাসের কথা প্রচার করব’—এই প্রতিজ্ঞাটি থেকে মনে হয় ‘বিদ্যাসাগরের চেলা’ শিবনাথও হয়তো তাঁর গুরুর মতো মধ্যবিত্তের নিবেদনপ্রধান রাজনীতির অসারতা বুঝতে পেরে, কতকটা হতাশায়, প্রধানত ধর্মকর্ম ও সমাজকল্যাণধর্মে আত্মোৎসর্গ করেছেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কৌতুক বই
    গল্প, কবিতা
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বইয়ের তালিকা
    বই ডাউনলোড
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    ১৩৭৬ । ১৯৬৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাদম্বরী – বানভট্ট
    Next Article মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }