Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প391 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদ্যাসাগর-চিন্তা – বিনয় ঘোষ

    বিদ্যাসাগর-চিন্তা – বিনয় ঘোষ

    ব্যক্তিচরিত্রের রূপায়ণে পরিবেশগত ও বংশগত প্রভাবের আপেক্ষিক গুরুত্ব নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে আজও তর্কের অবসান হয়নি। তর্ক না করেও উভয়েরই প্রভাব স্বীকার করে নিতে বাধা নেই। কিন্তু এই প্রভাবের কথা স্বীকার করেও মনে রাখা দরকার যে মানুষ যন্ত্র নয়, পরিবেশ ও বংশগতির ঘাতপ্রতিঘাত কোনও মানুষকে হাতুড়ির মতো পিটিয়ে তৈরি করে না, কামারশালে লোহার যেমন তার হাতিয়ারকে করে। তা যদি হত তাহলে একই পরিবেশে, একই বংশে বিভিন্ন চরিত্রের ও গুণের মানুষ তৈরি হত না। ব্যক্তির সঙ্গে বংশগতির অথবা ব্যক্তির সঙ্গে বাইরের সামাজিক পরিবেশের সম্পর্ক যান্ত্রিক বা mechanical নয়, দ্বান্দ্বিক বা dialectical; ব্যক্তি নিষ্ক্রিয় নয়, পরিবেশের ক্রীড়নক নয়। একই পরিবেশে, এরকম অনেক দেখা যায়, কেউ হয় সন্ন্যাসী, কেউ হয় ডাকাত, কেউ হয় চলিত ব্যবস্থার স্থাবক ও সেবক, কেউ হয় বিদ্রোহী ও বিপ্লবী। কেন এমন হয়? ব্যক্তি ও তার সমগ্র পরিবেশের সঙ্গে সংঘাত—বিরোধের প্রতিক্রিয়ার পার্থক্যের জন্য। সবই যদি জিন—ক্রোমোজোম ও সামাজিক ঘটনাবর্তের যান্ত্রিক লীলা হত তাহলে সমাজে এত রকমের মানুষ ও এত বিচিত্র মানসতার বিকাশ দেখা যেত না। বস্তুত প্রত্যেক ব্যক্তির সঙ্গে বাইরের সমাজের একটা challenge-response-এর সম্পর্ক থাকে, অর্থাৎ পদে পদে contradiction ও confrontation-এর সম্পর্ক। এই সম্পর্ক স্থাপন করার মধ্যে ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির পার্থক্য ঘটে—একেবারে নিছক ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে—এর কিছু পার্থক্য থাকেই, যাকে আমরা স্বাতন্ত্র্য বলি, কিন্তু বৃহত্তর ক্ষেত্রে সংঘাত বিরোধের ভিতর দিয়ে বহু ব্যক্তির মধ্যে সংগতির ভিত্তিতে এক—একটা বৃত্ত বা গোষ্ঠী গঠিত হয়। যেমন উনিশ শতকের ইতিহাসে আমাদের বাংলা দেশে হয়েছে। রামমোহন রায়, দ্বারকানাথ ঠাকুর, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, ডিরোজিও, বিদ্যাসাগর, কেশবচন্দ্র, বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ থেকে রামকৃষ্ণ—বিবেকানন্দ পর্যন্ত অনেক চিন্তানায়ক ও সমাজনায়কের আবির্ভাব হয়েছে বাংলা দেশে, স্বাতন্ত্র্য ও পার্থক্যও দেখা গিয়েছে। এই ঘটনাবর্তের পরিবর্তনকে যদি আমরা সামাজিক ঋতুপরিবর্তন মনে করি, তাহলে বলতে পারি যে বিভিন্ন সামাজিক ঋতুতে, পরিবেশের ঘাতপ্রতিঘাতজনিত মানসিক প্রতিক্রিয়া ও response-এর দিক থেকে, বিভিন্ন সামাজিক বৃত্ত রচিত হয়েছে, এবং পরিবেশ ক্রমে যত জটিল ও বিরোধমুখর হয়েছে, সামাজিক বৃত্তেরও তত বৈচিত্র্যসহ বিস্তার হয়েছে। যেমন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে সংঘাতমুখী বিভিন্ন সামাজিক বৃত্তের বিস্তার ও বৈচিত্র্য অনেক বেশি দেখা যায়। আবার এ—ও দেখা যায় যে নতুন কালানুবর্তী যে আদর্শসংঘাত, idological battle, উনিশ শতকের প্রথমার্ধেই প্রধানত তা ঘটেছে এবং সংঘাতকালে বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর মুখোমুখি শিবির—সন্নিবেশও হয়ে গিয়েছে। পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে উনিশ শতকের এই দুই অর্ধাংশের ঠিক সন্ধিক্ষণে আমরা দেখতে পাই, যদিও আদর্শসংগ্রামে তাঁর শিবির—নির্বাচনের কাজ প্রথমার্ধেই শেষ হয়ে যায়।

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বই
    বইয়ের
    বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    Books
    বুক শেল্ফ
    বাইশে শ্রাবণ

     

    ১৮২০ থেকে ১৮২৮ সাল পর্যন্ত মেদিনীপুরে বীরসিংহ গ্রামের গ্রামীণ পরিবেশে বিদ্যাসাগরের বাল্যজীবন কাটে। তারপর ১৮২৯ সাল থেকে ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত—২৯ বছরের মধ্যে—প্রায় ২২ বছর তাঁর শুধু কলকাতার গোলদিঘির সংস্কৃত কলেজের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে কেটে যায়, তার মধ্যে ১২ বছর কয়েক মাস ছাত্রজীবন, বাকি ১০ বছর সংস্কৃত কলেজের কর্মজীবন। উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের প্রারম্ভেই, সাত—আট বছরের মধ্যে—সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষতাকালে, তাঁর সমাজকর্ম ও শিক্ষাকর্মের চূড়ান্ত বিকাশ হয়। তারপর উনিশ শতকের শেষ দশকের গোড়া পর্যন্ত (১৮৯১) তিনি বেঁচে থাকলেও প্রায় ৩২—৩৩ বছর, এই দীর্ঘ সময়টাকে আমরা তাঁর কর্মজীবনের অপরাহ্ণকাল বলে চিহ্নিত করতে পারি। তাহলে দেখা যাচ্ছে, বিদ্যাসাগরের জীবনের শ্রেষ্ঠ কাল—চরিত্র ও ব্যক্তিত্বগঠনের দিক থেকেও যা নিঃসন্দেহে শ্রেষ্ঠ কাল—সম্পূর্ণ কৈশোর ও যৌবন—কলকাতা শহরের এমন এক পরিবেশে এবং এমন একটি স্থানে কেটেছে—যা উনিশ শতকের বাংলার আদর্শসংঘাতের কেন্দ্রস্থল বলে গণ্য হতে পারে। ১৮৫০ সাল, অর্থাৎ তাঁর যখন ত্রিশ বছর বয়স—তার মধ্যেই তিনি এই আদর্শসংগ্রামের ক্ষেত্রে তাঁর শিবির ও স্থানটি বেছে নিয়েছেন।

    আদর্শসংগ্রামের যে শিবির বিদ্যাসাগর বেছে নিয়েছিলেন সেই শিবিরে প্রথম সারিতে সংগ্রামরত পুরুষ যাঁদের আমরা দেখতে পাই তাঁরা হলেন—রামমোহন রায়, দ্বারকানাথ ঠাকুর, ডিরোজিও, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং আরও কয়েকজন। এই আরও কয়েকজনের মধ্যে যাঁর নাম সর্বাগ্রে স্মরণীয় তিনি অক্ষয়কুমার দত্ত, বিদ্যাসাগরের সমবয়সি এবং দেবেন্দ্রনাথ ও বিদ্যাসাগর উভয়েরই কর্মজীবনে অন্যতম সহকর্মী ও সহযোগী। রুগণ দেহের বোঝা সারাজীবন বহন করেও যে কী বিরাট বলিষ্ঠ মন ও চিন্তার অধিকারী হওয়া যায়, অক্ষয়কুমার তার একটি বিশেষ উল্লেখ্য নিদর্শন। এই ব্যক্তিসমাবেশের পাশাপাশি আমরা কয়েকটি সামাজিক বৃত্তের বা গোষ্ঠীরও সন্নিবেশ দেখতে পাই। এই বৃত্ত ও গোষ্ঠীগুলি হল। আত্মীয় সভা, ব্রাহ্মসমাজ, ইয়াং বেঙ্গল ও তত্ত্ববোধিনী সভা। এইসব ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নিয়ে যে সামাজিক শিবির উনিশ শতকের প্রথমার্ধে গঠিত হয়, বিদ্যাসাগর সচেতনভাবে সেই শিবিরেই তাঁর স্থান বেছে নেন। এই শিবিরের আদর্শসংগ্রাম ও সমাজকর্মের উত্তরাধিকার তিনি বহন করেছেন এবং নিজের চরিত্রবলে ও বিচারবুদ্ধিতে তাঁর যে নিজস্ব প্রতিক্রিয়া হয়েছে প্রতিবেশের সংঘাতে, তাঁরই জন্য সেই সংগ্রামকে নতুন এক উন্নততর পর্যায়ে তিনি এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। এর বিপক্ষ শিবিরে আমরা দেখতে পাই রাধাকান্ত দেব, আশুতোষ দে, ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্যান্য অনেক রাজা—মহারাজা ধনাঢ্য ব্যক্তিকে এবং বৃত্ত ও গোষ্ঠীর মধ্যে দেখতে পাই ধর্মসভা, গৌড়ীয় সভা প্রভৃতি। সামাজিক শ্রেণিগতভাবে বিচার করলে উভয় পক্ষেই নতুন ধনাঢ্যদের সমাবেশ দেখা যায় বটে, কিন্তু প্রথম শিবিরের তুলনায় দ্বিতীয় রক্ষণশীল শিবিরে সনাতনপন্থী ধনিকদের সংহতি অনেক বেশি দৃঢ়, মধ্যযুগীয় ফিউডাল মনোভাব ও সংস্কার তাঁদের মধ্যে অনেক বেশি প্রবল, সামাজিক ধর্মীয় আচার—আচরণে তাঁরা অত্যধিক প্রাচীনপন্থী এবং নব্যশিক্ষিত মধ্যবিত্ত এলিটের সংখ্যা তাঁদের মধ্যে নিতান্তই নগণ্য। রামমোহনের ‘আত্মীয় সভা’র কালে নব্যশিক্ষিত এলিট—গোষ্ঠীর বিকাশই হয়নি বলা চলে, কাজেই তাঁর সভায় প্রধানত নব্যজমিদারশ্রেণির মধ্যে উদারপন্থী কয়েকজনকে দেখা যায়। কিন্তু পরবর্তী ইয়াংবেঙ্গল দল ও তত্ত্ববোধিনী গোষ্ঠীর মধ্যে অধিকাংশই নব্যশিক্ষিত মধ্যবিত্ত, যাঁরা বাস্তবিকই সমাজজীবনে নতুন লক্ষ্য অভিমুখী গতি সঞ্চারিত করেছিলেন। এই নতুন লক্ষ্যমুখী গতিসঞ্চারকদের মধ্যে বিদ্যাসাগর ছিলেন অন্যতম।

     

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বই ডাউনলোড
    PDF বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বই পড়ুন

     

    বিদ্যাসাগর সংস্কৃত কলেজে প্রবেশ করেন ১৮২৯ সালের জুন মাসে। দু—মাসের মধ্যে বেণ্টি সতীদাহ ও সহমরণপ্রথা অবৈধ বলে ঘোষণা করেন। হিন্দুসমাজের ধর্মাচারে সোজাসুজি হস্তক্ষেপ, কাজেই গোঁড়া হিন্দুসমাজ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এই আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য মাসখানেকের মধ্যেই ‘ধর্মসভা’ স্থাপিত হয় এবং বিশিষ্ট পণ্ডিতদের মধ্যে যাঁরা ধর্মসভার অধ্যক্ষ মনোনীত হন তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য হলেন হরনাথ তর্কভূষণ, নীলমণি ন্যায়ালংকার, জয়গোপাল তর্কালংকার, রামজয় তর্কালংকার, শম্ভুচন্দ্র বাচস্পতি, নিমাইচাঁদ শিরোমণি, জয়নারায়ণ তর্কপঞ্চানন, নাথুরাম শাস্ত্রী। এই পণ্ডিতদের মধ্যে অনেকে সংস্কৃত কলেজে অধ্যাপনা করতেন এবং বিদ্যাসাগরের শিক্ষক ছিলেন। এই পণ্ডিত অধ্যাপকদের মুখেই তিনি ধর্মসভার কর্মবৃত্তান্ত শুনতে শুনতে নিশ্চয় রামমোহনের কথা শুনেছেন, সতীদাহপ্রথা সম্বন্ধে শুনেছেন এবং তাঁর কিশোর মনে এ দেশের শাস্ত্রীয় শাসক ও দেশাচার সম্বন্ধে ধীরে ধীরে একটা ধারণারও বিকাশ হয়েছে। সংস্কৃত কলেজের তদানীন্তন পরিবেশ অন্যদিক থেকেও তাঁর এই ধারণা সুস্পষ্ট করতে সহায় হয়েছে। সেই পরিবেশ রচনা করেছেন হিন্দু কলেজের শিক্ষক ডিরোজিওর শিষ্যবৃন্দ ১৮২৯—৩০—৩১ সালের মধ্যে। সংস্কৃত কলেজ ও হিন্দু কলেজ ছিল একই প্রাঙ্গণে, এমনকী একই গৃহে বলা চলে। মধ্যে সংস্কৃত কলেজ, দুইপাশের দুটি সংলগ্ন একতলা গৃহে হিন্দু কলেজের সিনিয়র ও জুনিয়র ডিপার্টমেন্ট, পরে যা প্রেসিডেন্সি কলেজ ও হিন্দু স্কুলে পরিণত হয়। ডিরোজিয়ানরা এইসময় হিন্দুসমাজের গোঁড়ামি কূপমণ্ডূকতা আচার—অনুষ্ঠান ইত্যাদির কঠোর সমালোচনায় প্রবৃত্ত হন, এমনকী নব্যপ্রগতিবাদের মাদকতায় হিন্দুধর্মকেও লোকচক্ষে হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রায় বদ্ধপরিকর হন। সংস্কৃত কলেজের প্রাঙ্গণ থেকেই এই প্রচণ্ড বিক্ষোভেরতরঙ্গ ওঠে, ঠিক যখন বিদ্যাসাগর কৈশোরে পদার্পণ করছেন। রামমোহন অথবা তাঁর ব্রাহ্মসমাজ তাঁদের সুসংযত স্থিরবুদ্ধির জন্য যা করতে পারেননি, ইয়াং বেঙ্গল নতুন প্রগতিশীল পাশ্চাত্য জীবনদর্শন ও আদর্শের উন্মাদনায় তা করতে পেরেছিলেন। ধর্মসভার অত্যুগ্র গোঁড়ামি ও আস্ফালনের কাছে যখন ব্রাহ্মসমাজের সংযত উদারতা স্থিমিত মনে হচ্ছিল, তখন ইয়াং বেঙ্গলের অত্যুগ্র প্রগতিবাদ, অন্তত কিছুটা, ধর্মসভাকে যথাস্থানে আবদ্ধ করতে পেরেছিল। এই বিক্ষোভে আর—একদিক থেকে ইন্ধন দেন ডাফ—হিল প্রমুখ খ্রিস্টান মিশনারিরা। নব্যশিক্ষিত তরুণদের হিন্দুসমাজ ধর্মবিরোধী মনোভাবে উৎসাহিত হয়ে তাঁরা খ্রিস্টধর্মের মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্ব ব্যাখ্যা করে বক্তৃতা দিতে থাকেন, উদ্দেশ্য এই সুযোগে তরুণদের ধর্মান্তরিত করা। ঠিক এইসময় রামমোহন রায় ইংলন্ড চলে যান (১৮৩০, নভেম্বর), তার এক বছরের মধ্যে ডিরোজিওর অকস্মাৎ মৃত্যু হয় (১৮৩১, ডিসেম্বর) এবং রামমোহনের মৃত্যু হয় দু—বছরের মধ্যে, ব্রিস্টলে ১৮৩৩, সেপ্টেম্বর সমাজ সংগ্রামে যে শিবিরে বিদ্যাসাগরের স্থান, সেই শিবির প্রায় কান্ডারহীন হয়ে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়, তখন বিদ্যাসাগরের বয়স তেরো এবং তিনি সংস্কৃত কলেজে সাহিত্য শ্রেণির ছাত্র। কিশোর বিদ্যাসাগর স্বচক্ষে এই বিক্ষোভের দৃশ্য অনেক দেখেছেন এবং স্বকর্ণে এই আলোড়ন ও আদর্শগত বাদপ্রতিবাদের ধ্বনিও শুনেছেন। তাঁর মন প্রস্তুত হবার মতো পরিবেশ পেয়েছে, বোধহয় উনিশ শতকের সবচেয়ে ঐতিহাসিক সংঘাতমুখর পরিবেশ। এই পরিবেশের মুখোমুখি মোকাবিলার জন্য দাঁড়াতে হলে কোন দিকে দাঁড়াতে হবে, সে সম্বন্ধেও কিছুটা ধারণা তাঁর হয়তো হয়েছে, কেবল দাঁড়াবার ভঙ্গিটি বা সংগ্রামের পন্থা—কৌশল ঠিক করার মতো বয়স তাঁর হয়নি।

     

    আরও দেখুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    ডিজিটাল বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    রেসিপি বই
    বই পড়ুন
    গল্প, কবিতা
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

     

    দু—রকমের সামাজিক দৃশ্য দেখেছেন বিদ্যাসাগর তাঁর ছাত্রজীবনে। এক রকমের দৃশ্য হল, হিন্দুসমাজের শাস্ত্রীয় গোঁড়ামি ও দেশাচারের অন্ধ দাসত্ব এবং তার বিপরীত বিদেশি পাশ্চাত্য আদর্শানুগত্যের একই রকমের উন্মাদনা। এটি হল আদর্শগত সংগ্রামের দৃশ্য। আর—একটি দৃশ্য হল, প্রাচীন ও নবীন জেনারেশনের সংগ্রাম। গোঁড়ামি ও দেশাচারপ্রীতি প্রধানত সমাজের বৃদ্ধ—প্রৌঢ়তন্ত্রের আদর্শ, এবং অবাধ অগ্রগতি অনুরাগ প্রধানত সমাজের তরুণতন্ত্রের আদর্শ, তরুণদের আদর্শপ্রীতির মধ্যে উচ্ছ্বাস ও আতিশয্য থাকা স্বাভাবিক এবং বৃদ্ধ—প্রৌঢ়দের উৎকট গোঁড়ামিও অস্বাভাবিক নয়। তরুণ বয়সে তরুণদের আদর্শসংগ্রামের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু তার কতটুকু উচ্ছ্বাস—আতিশয্য এবং কতটুকু গ্রহণযোগ্য নয়, তা বিচার করার মতো বয়স যখন বিদ্যাসাগরের হয়েছে, তখন তিনি করেছেন। তা—ই বলে তিনি মধ্যপন্থা অবলম্বন করেননি কোনওদিন। তাঁর নিজের বুদ্ধিগ্রাহ্য আদর্শের ক্ষেত্রে তিনি আপসপন্থী ছিলেন না, তা সে শিক্ষার ক্ষেত্রেই হোক আর সমাজের ক্ষেত্রেই হোক।

    উনিশ শতকের তিরিশের গোড়াতে ডিরোজিও ও রামমোহনের মৃত্যুর ফলে ব্রাহ্মসমাজ ও ইয়াং বেঙ্গলের কার্যকলাপ কিছুটা স্তিমিত হয়ে আসে। তা ছাড়া ইয়াংবেঙ্গলের উৎসাহের প্রথম তরঙ্গোচ্ছ্বাসও তখন অনেকটা স্থির হয়ে থিতিয়ে যায়। তিরিশের শেষদিক থেকে এই ধারার নতুন বাঁক পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। এইসময় আমরা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সমাজের এই শিবিরে প্রবেশ করতে দেখি, ১৮৩৯ সালে ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’ প্রতিষ্ঠার ভিতর দিয়ে। দেবেন্দ্রনাথের বয়স তখন ২২ বছর, বিদ্যাসাগরের বয়স ১৯ এবং বিদ্যাসাগর তখন সংস্কৃত কলেজে ন্যায়শ্রেণির ছাত্র। পরিবার—আত্মীয়স্বজনের মধ্যে মাত্র দশজনকে নিয়ে যে তত্ত্ববোধিনী সভা স্থাপিত হয়, সেই সভার সভ্যসংখ্যা তিন—চার বছরের মধ্যে শতাধিক হয় এবং আরও কয়েক বছরের মধ্যে পঞ্চাশের দশকে প্রায় আটশো পর্যন্ত হয়। অধিকাংশ সভ্যই শিক্ষিত বাঙালি মধ্যবিত্তশ্রেণিভুক্ত। অর্থাৎ উনিশ শতকের মধ্যভাগে তত্ত্ববোধিনী সভা শিক্ষিত মধ্যবিত্তের শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধিসভাতে পরিণত হয়। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে প্রভাববিস্তারের দিক থেকে বিচার করলে এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে তত্ত্ববোধিনী সভার মতো আর কোনও শিক্ষিত বাঙালি মধ্যবিত্তের বিদ্বৎসভাই হোক বা সমাজসভাই হোক, উনিশ শতকে এরকম ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এ কথাও মনে রাখা দরকার যে দেবেন্দ্রনাথ যখন তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠা করেন তখন ব্রাহ্মসমাজে যোগ দেননি, যদিও সভা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য তিনি সমস্ত শাস্ত্রের নিগূঢ় তত্ত্ব এবং বেদান্তপ্রতিপাদ্য ব্রহ্মবিদ্যার প্রচার করা বলে ব্যক্ত করে দিলেন। ১৮৪২ সালে দেবেন্দ্রনাথ ব্রাহ্মসমাজে যোগদান করেন, ১৮৪৩ সালে নিজে ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষা নেন এবং ব্রাহ্মসমাজ পরিচালনা ও ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের দায়িত্ব তত্ত্ববোধিনী সভার উপর অর্পণ করেন। ১৮৪৩ সালেই ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’ প্রকাশিত হয়। ঠিক এইসময় বিদ্যাসাগর সংস্কৃত কলেজের পাঠ শেষ করে, ২২ বছর বয়সে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। দেবেন্দ্রনাথের বয়স ২৪/২৫, বিদ্যাসাগরের বয়স ২১/২২, দু—জনেই যুবক। তত্ত্ববোধিনী সভা প্রতিষ্ঠা করে দেবেন্দ্রনাথ ১৮২৯—৩০—এর প্রগতিশীল চিন্তাধারার মূল প্রবাহকে অব্যাহত রেখে তার বিদেশিভাবাপন্নতা, অসংযত উগ্রতাকে একটি সংযত সমন্বিত রূপ দিতে চেয়েছিলেন এবং খ্রিস্টান মিশনারিদের হিন্দুধর্মবিদ্বেষী অপপ্রচার ও ধর্মান্তরের অভিযানকে প্রতিরোধ করতে চেয়েছিলেন। সমাজসংস্কার ও শিক্ষাসংস্কার কর্মে প্রগতিশীল পথেই তত্ত্ববোধিনী সভার অভিযান আরম্ভ হয় এবং তার মুখপত্র হয় ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’। মনে হয় এ যেন দেবেন্দ্রনাথ কতকটা অজ্ঞাতসারেই, ঠিক কর্মজীবনে প্রবেশের মুখে, বিদ্যাসাগরের সামাজিক জীবনে সচলতার জন্য, সংস্কৃত কলেজের বাইরে, একটি ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিলেন।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    PDF বই
    অনলাইনে বই
    বইয়ের তালিকা
    কৌতুক সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    Library
    বাংলা কৌতুক বই

     

    তত্ত্ববোধিনী সভা হল বিদ্যাসাগরের অন্যতম কর্মক্ষেত্র, সংস্কৃত কলেজের বাইরে। ব্রাহ্মসমাজ ও ব্রাহ্মধর্মের সঙ্গে সভার যে সম্পর্ক ছিল, তার সঙ্গে বিদ্যাসাগর প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন না, কিন্তু তার অর্থ নিশ্চয় এই নয় যে তিনি প্রচলিত হিন্দুধর্মের সমর্থক ছিলেন, তার আচার—সংস্কার মেনে চলতেন এবং একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিলেন না। বিদ্যাসাগর আদৌ নাস্তিক ছিলেন না, তিনি একেশ্বরবাদীই ছিলেন এবং তাঁর ‘হরি’ই ছিলেন তাঁর কাছে ব্রহ্মস্বরূপ। অধ্যক্ষ ক্ষুদিরাম বসু, যিনি বিদ্যাসাগরের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে এসেছিলেন, তিনি বিদ্যাসাগরের ধর্মমত সম্বন্ধে লিখেছেন : ‘তাঁর ধর্মজীবন সম্বন্ধে এই বলা যায় যে তাঁর ধর্মজীবন কর্মগত ছিল। কাজই তাঁর কাছে ধর্ম। তিনি একেশ্বরবাদী ছিলেন, বোধোদয়ে আমরা তার নিদর্শন পাই। প্রতিমাপূজা তিনি লৌকিকভাবেই দেখতেন কেন না বাড়িতে তো কোনদিন পূজা হতে দেখিনি। তিনি বলতেন—যেটা পারবি সেইটে কর। লোকসেবাই তাঁর ধর্ম ছিল। এক সম্প্রদায়ের উপাসনা দেখে এসে তিনি বলেছিলেন তারা বলছে শুনলাম—আমরা মুশারও পায়ের ধুলো নিচ্ছি; ঈশারও পায়ের ধুলো নিচ্ছি; শ্রীচৈতন্যরও পায়ের ধুলো নিচ্ছি; আরে বাপু ঈশা মুশা শ্রীচৈতন্য তো মরে ভূত হয়ে গেছে; পায়ের ধুলো কি রে বাবা। অনেকদিন কেটেছে এমন যে বিকেল থেকে ঠায় ঘরে বসে গল্পগুজব হতে হতে রাত হয়ে গেছে, এইখানেই খাবার—টাবার এল, সকলের সঙ্গে তিনিও খেলেন, সন্ধা—আহ্নিক করতে তো দেখিনি।’ ধর্ম ও ধর্মাচরণের প্রতি এই যাঁর মনোভাব, যিনি প্রতিমাপূজা করতেন না, অবতারবাদে বিশ্বাস করতেন না, সন্ধা—আহ্নিক করতেন না, তত্ত্ববোধিনী সভার ধর্মাদর্শের প্রতি তাঁর কোনও সহানুভূতি ছিল না, এ কথা ভাববার কোনও কারণ নেই। তার চেয়েও বড় কথা, তত্ত্ববোধিনী সভার প্রধান লক্ষ্য যে ধর্মাদর্শ প্রচার তার প্রতি কোনও সহানুভূতি না—থাকা সত্ত্বেও যে বিদ্যাসাগর ওই সভা ও তার মুখপত্রের সঙ্গে অত ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, এবং সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষের কাজ ছাড়ার পরেও যে সেই সভার সম্পাদকের দায়িত্ব তিনি গ্রহণ করেছিলেন ১৮৫৯ সালে, এরকম আশ্চর্য কোনো ঘটনার সঙ্গে তাঁর চরিত্রের কোনো সঙ্গতিই খুঁজে পাওয়া যায় না। কাজেই এ কথা বিশ্বাস করতে বাধা নেই যে, তত্ত্ববোধিনী সভার ধর্মাদর্শ, শিক্ষাদর্শ ও সামাজিক আদর্শের মধ্যে বিদ্যাসাগর তাঁর আদর্শ, মতামত ও বিশ্বাসের একটা বড় রকমের মিল খুঁজে পেয়েছিলেন বলেই কর্মজীনের গোড়া থেকে প্রায় শেষ পর্যন্ত তিনি ওই সভার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন এবং দেবেন্দ্রনাথের সঙ্গে খুঁটিনাটি ব্যাপারে তাঁর ও তাঁর অন্যতম সুহৃদ—সহযোগী অক্ষয়কুমারের মতবিরোধ থাকা সত্ত্বেও তিনি এই সভার উদার সহনশীল পরিবেশেই অবাধে বিচরণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। বিধবাবিবাহ, স্ত্রীশিক্ষা, মাতৃভাষায় শিক্ষা ইত্যাদির প্রেরণা তত্ত্ববোধিনী সভার সংস্রব থেকে তিনি অফুরন্ত পেয়েছেন এবং তা পেয়েছেন বলেই নির্ভয়ে তাঁর সংস্কারকর্মে এগিয়ে যেতে পেরেছেন। ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’ ও তার সম্পাদক অক্ষয়কুমার দত্ত তাঁর সমাজসংস্কারকর্মের প্রধান প্রচারক ও সমর্থকের কাজ করেছেন এবং দেবেন্দ্রনাথ তাতে কোনওদিন বাধা দেননি। মধ্যে মধ্যে তিনি কতকগুলি নাস্তিক বলে বিদ্যাসাগর ও অক্ষয়কুমার সম্বন্ধে মন্তব্য করেছেন বটে, কিন্তু তাঁদের কাজকর্মে ও বিচারবিবেচনায় হস্তক্ষেপ করে রূঢ় কর্তৃত্ব প্রকাশ করেননি। তিনি উভয়েরই প্রতিভা, ক্ষমতা ও যোগ্যতা সম্বন্ধে যথেষ্ট সচেতন ছিলেন এবং সমাজের অগ্রগতির সংগ্রামে তাঁদের মতো যোদ্ধা ও একনিষ্ঠ কর্মী যে অত্যন্ত দুর্লভ তা—ও তিনি জানতেন। যে গোরু দুধ দেয় তার চাট সহ্য করতে হয়, কতকটা এই ধরনের বোধ থেকে দেবেন্দ্রনাথ যথেষ্ট ধৈর্য ধরে বিদ্যাসাগর ও অক্ষয়কুমারের অনেক উপদ্রব সহ্য করেছেন। এটা তাঁর অপরিসীম ঔদার্যের পরিচায়ক। বস্তুত তত্ত্ববোধিনী সভায় আজকাল আমরা যাকে right-wing, left-wing গোষ্ঠী বলি, এরকম গোষ্ঠী ছিল—বেশ বোঝা যায়। বিদ্যাসাগর ও অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন তত্ত্ববোধিনী সভার left-wing গোষ্ঠীভুক্ত। যেখানে বিদ্যাসাগর সেইখানে অক্ষয়কুমার, যেখানে অক্ষয়কুমার সেইখানে বিদ্যাসাগর, একজন আর—একজনের কীর্তি ও মতামত সমর্থনের জন্য উদগ্রীব, এরকম অভিন্নহৃদয় সুহৃদ জীবনের কর্মক্ষেত্রে সচরাচর দেখা যায় না। এদিক দিয়ে, ব্যক্তিগতভাবে বিচার করলে, বিদ্যাসাগরের জীবনে অক্ষয়কুমারের দান অসামান্য বলা চলে।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    লাইব্রেরি
    Books
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বই পড়ুন

     

    আর—একটি ছোট্ট ঘটনার উল্লেখ করে বিদ্যাসাগর ও তাঁর যুগের কথা শেষ করব। মনে হয়, বিদ্যাসাগর—চরিত্রের ও তাঁর জীবনের পশ্চাদভূমি অন্তত কিছুটা এর মধ্যে পরিষ্কার হয়ে উঠেছে। যে ঘটনার কথা বলছিলাম, সেই ঘটনাটি এই। বিদ্যাসাগর তখন সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষের কাজ ছেড়ে দিয়েছেন, বিধবাবিবাহাদি সমাজসংস্কারকর্ম ও শিক্ষাসংস্কারকর্মের সর্বাধিক সক্রিয় পর্ব তাঁর শেষ হয়ে গিয়েছে। ১৮৬৩—৬৪ সালের কথা। দেবেন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে অক্ষয়কুমার অর্থাৎ অক্ষয়—গোষ্ঠী একটি স্বতন্ত্র উপাসনা—সমাজ স্থাপন করেন। সেখানে নতুন পদ্ধতিতে উপাসনাও আরম্ভ হয়। এই নতুন উপাসনা—পদ্ধতি রচনায় বিদ্যাসাগর প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেন। শিবনাথ শাস্ত্রী তাঁর ব্রাহ্মসমাজের ইতিহাসগ্রন্থে ও এই কথা উল্লেখ করে লিখেছেন—‘they began to conduct divine service according to a new form framed by themselves and revised by Pandit Iswar Chandra Vidyasagar.’ যদি তা—ই হয় তাহলে বিদ্যাসাগরের ধর্মমতের স্বরূপ সম্বন্ধে, এবং তত্ত্ববোধিনী সভার প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে ও পরিবেশে তাঁর যৌবন, কর্মজীবন ও তাঁর যাবতীয় সংস্কারকর্ম যে কতখানি পরিপুষ্ট সে সম্বন্ধে সন্দেহের কোনও অবকাশ থাকে না।*

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বই ডাউনলোড
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    রেসিপি বই
    স্বাস্থ্য টিপস

     

    ……

    * শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী কর্মমণ্ডলীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বিদ্যাসাগরের সার্ধজন্মশতবার্ষিক সভায় প্রদত্ত ভাষণ—২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭০

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকাদম্বরী – বানভট্ট
    Next Article মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }