Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    নিমাই ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প304 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বর্ধমান লোক্যাল

    বর্ধমান লোক্যাল

    কী আশ্চর্য! ঐ লোটা আজকেও আবার আমার কামরায় উঠেছে? লোকটার মতলব কী?

    অদিতি মুহূর্তের জন্য লোকটাকে একবার দেখে নিয়েই দৃষ্টি ঘুরিয়ে নেয়। মনে মনে বলে, থাক, থাক, আর ভদ্দরলোকের ভান করতে হবে না। লোক্যাল ট্রেনে বা ট্রামেবাসে একটা পত্রপত্রিকা পড়লেই ভদ্দরলোক হওয়া যায় না। ওসব আমার খুব জানা আছে।

    হাজার হোক, রাত আটটা কুড়ির লোক্যাল। অন্ধকারের মধ্যে দিয়েই ট্রেন ছুটছে। জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বিশেষ কিছুই দেখা যায় না। তবু অদিতি কয়েক মিনিট জানলা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকে।

    কামরার মধ্যে দৃষ্টি ঘুরিয়ে নিয়েই অদিতি মনে মনে বলে, না, না, জানলা দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে থাকা ঠিক নয়। আমাকে অন্যমনস্ক দেখে লোকটা যদি হঠাৎ আমার মুখ চেপে ধরে?

    ও লুকিয়ে একটা চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলেই ঠিক করে, একটু সতর্ক থাকতে হবে। যদি লোকটা সত্যি কোনো বদ মতলবে এগিয়ে আসে, তাহলে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে লোকটাকে জুতাপেটা করতে হবে।

    মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েও অদিতি যেন হোঁচট খায়।

    কিন্তু,

    যদি জুতাপেটা করার সুযোগ না পায়? তার আগেই ব্যাগটা ছিনিয়ে নিয়ে ট্রেন স্টেশনে ঢোকার মুখে লাফিয়ে পড়ে?

    তাহলে কী করা যাবে?

    তবু ভালো, অন্য কোনো ক্ষতি তো করল না।

    আচ্ছা যদি লোকটা ছুরি বেব করে? যদি গলার কাছে ছুরি ধরে হাতের কঙ্কন আর ঘড়িটা খুলে দিতে বলে?

    সঙ্গে সঙ্গে অদিতির কত ঘটনা মনে পড়ে যায়।

    .

    এই তো মাস তিনেক আগেকার কথা। বোধহয় এই আটটা কুড়ির ট্রেনেই শেফালীদি মেয়েকে নিয়ে চন্দননগর যাচ্ছিলেন। বর্ধমানের পর দুতিনটে স্টেশন পার হতেই একটা ভদ্রঘরের ছেলে হঠাৎ শেফালীর মুখের সামনে ছুরি ধরে বলল, চটপট আপনার ঘড়ি আর গলার হারটার খুলে দিন।

    ছেলেটার কাণ্ড দেখে শেফালীদি ভয়ে আতঙ্কে কিছু বলতে গিয়েও মুখ দিয়ে কিছু শব্দ বের করতে পারেন না।

    ছেলেটা খ্যাপা কুকুরের মতো হুঙ্কার দিয়ে শেফালীদির মেয়েকে বলল, কী রে ছুঁড়ি গায়ে হাত না দিলে কি খুলতে পারছিস না?

    আঠারো বছরের মেয়েটা ভয়ে ভেউ ভেউ করে কেঁদে উঠতেই শেফালীদি আর একটুও মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে নিজের ঘড়ি আর হার খুলতেখুলতেই মেয়েকে বললেন, নে রে চটপট খুলে দে।

    ছেলেটা সবকিছু পকেটে পুরে অন্ধকারের মধ্যেই পরের স্টেশনে নেমে গেল। কামরায় যে তিনচারজন লোক ছিল, তারা টু শব্দটি পর্যন্ত করল না।

    শেফালীদি বলছিলেন, তোমরা ভাবতে পারবেনা ছেলেটাকে দেখতে কি সুন্দর। অত্যন্ত ভদ্রঘরের ছেলে না হলে অত সুন্দর দেখতে হতে পারে না।

    .

    আবার অদিতি মুহূর্তের জন্য লোকটাকে দেখে নিয়েই মনে মনে বলে, এই হতভাগাকে দেখতেও বেশ সুন্দর। যেমন গায়ের রঙ, সেইরকমই চোখমুখ। দেখে তো মনে হয়, উনি অত্যন্ত ভদ্রঘরের ছেলে কিন্তু দেখতে সুন্দর হলেই কী স্বভাবচরিত্রও ভালো হয়?

    অত্যন্ত দুশ্চিন্তার মধ্যেও ও একটু চাপা হাসি হাসে।

    ওরে বাপু, তোমার মতলব কী আমি বুঝতে পারিনি? যদি অত সাধুই হবে, তাহলে ঠিক পর পর দুসপ্তাহ আমার কামরাতেই উঠবে কেন? এত বড় টেনে আর কোথাও উঠলে না কেন?

    দৃষ্টিটা কামরার চারপাশে ঘুরিয়ে নিতেই অদিতি দেখে, সেই দুটো লোক, এখনও ব্যাগ মাথায় দিয়ে ঘুমুচ্ছে। ভগবান জানেন, ওরা কোথায় যাবে। তবে দেখে মনে হয়, বোধহয় সারাদিন পরিশ্রম করে অত্যন্ত ক্লান্ত হয়েই ঘুমুচ্ছে। নির্ঘাৎ ছোটখাটো ব্যবসাদার। এই ধরনের রাত্রের ট্রেনে নিশ্চয়ই নিয়মিত যাতায়াত করে। তা না হলে অত নিশ্চিন্তে কি ঘুমানো যায়?

    হঠাৎ ট্রেনটা থামতেই ও জানলা দিয়ে বাইরের দিকে তাকায়। হা ভগবান! এতক্ষণে দেবীপুর এলো? আমি তো ভেবেছিলাম, পাঁচসাত মিনিটের মধ্যে ব্যান্ডেল আসবে। একজন বৃদ্ধবৃদ্ধা এই কামরায় উঠলেন। যাক, তাও ভালো।

    একবার মনে হল, ওদের জিজ্ঞেস করি, আপনারা কোথায় যাবেন? না, না, কী দরকার ঐ হতভাগা ঠিক মনে করবে, আমি ভয় পেয়েছি। ওকে কিছুতেই বুঝতে দেব না, আমি একটু চিন্তিত, আতঙ্কিত।

    কী আশ্চর্য! ঐ বুড়োবুড়ি পরের স্টেশন বৈচিতেই নেমে গেল? আহাহা! কী দরকার ছিল এই পাঁচসাত মিনিটের জন্য এই কামরায় ওঠার?

    রাগে দুঃখে দুশ্চিন্তায় অদিতি যেন নিজের উপরই রাগ করে। খেয়ালই করে না, কখন কোথায় ট্রেন থামছে।

    হঠাৎ অল্পবয়সী এক দম্পতি কামরায় উঠতেই অদিতির খেয়াল হল, পাণ্ডুয়া ছাড়ল।

    এদের পোশাকপরিচ্ছদ হাবভাব দেখে তো মনে হচ্ছে, এরা গ্রামগঞ্জের লোক না, নিশ্চয়ই কলকাতায় থাকে। বোধহয় কোনো আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে নেমন্তন্ন খেয়ে ফিরছে। যাক, ভালোই হল। লোকটার বদ মতলব থাকলেও ওদের সামনে বোধহয় কিছু করতে সাহস হবে না।

    কিন্তু…

    ছুরি দেখে যদি ওরাও ভয় পায়?

    তবে ওরা দুজনে তো বেশ খানিকটা দূরে বসে আছে। ওদের দুজনকে আর আমাকে একসঙ্গে ছুরি দেখাতে পারবেনা! ওদের সামনে ছুরি বের করলেই আমি অ্যালার্ম চেন… না, না, না তো হবে না। হতচ্ছাড়া রেল কোম্পানি বোধহয় লোক্যাল ট্রেনে অ্যালার্ম টেনের কারবারই তুলে দিয়েছে।

    তাহলে!

    যা থাকে কপালে, আমি ঠিক ট্রেন থেকে লাফ দেব। তারপর যা হয় হোক।

    যে দুটো লোক এতক্ষণ অঘোরে ঘুমুচ্ছিল, তারা হঠাৎ উঠে বসেই একবার বাইরের দিক দেখে নিয়েই চুপ করে বসে থাকে। পরের স্টেশনে ট্রেন থামতেই ওরা নেমে যায়। আট-দশ মিনিট পরে মগরায় ঐ দম্পতি নেমে যেতেই অদিতির মুখ শুকিয়ে যায়। মনে মনে ভগবানের নাম স্মরণ করলেও অজানা বিপদের চিন্তায় ও শিউরে ওঠে। এখন ওকে একা পেয়ে যদি লোকটা ওর গায়ে হাত দেয়? যদি ওর সর্বনাশ করে?

    ওরা দুজন ছাড়া কামরায় আর কেউ নেই। বাধা দেবারও কেউ নেই; চক্ষুলজ্জারও কোন ঝামেলা নেই।

    অদিতি ভেবে কূলকিনারা পায় না।

    লোকটাকে সাক্ষাৎ যমদূত মনে হয়। ওর মুখ দেখলে গা জ্বলে যাবে কিন্তু তবু একবার ওর দিকে না তাকিয়েও পারে না।

    লোকটা বই পড়ছে?

    ওকে দেখে অদিতির হাসি পায়। মনে মনে বলে, তোমার ভণ্ডামিতে আমি ভুলছি না। তোমার যদি কোনো বদ মতলবই না থাকে, তাহলে আমাকে দেখে এই কামরায় উঠেছিলে কেন?

    এইসব আকাশপাতাল ভাবতে ভাবতেই আটটা কুড়ির লোক্যাল ব্যান্ডেল পেরিয়ে গেল। দেখতে দেখতে হুগলি-চুঁচুড়া-চন্দননগরও চলে যায়। তারপর আরো কয়েকটা স্টেশন পার হয়ে শ্রীরামপুর-রিষড়া ছাড়তেই অদিতি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে।

    কোন্নগরে ট্রেন থামতেই অদিতি প্রায় লাফ দিয়ে নেমে যায়।

    ও প্ল্যাটফর্মে নেমে পিছন দিকে ফিরে দেখে, ঐ লোকটা ওর দিকে তাকিয়ে আছে।

    .

    চার ভাইবোনের মধ্যে চাইতে বড় অদিতি। ও যখন বি এ পড়ে তখনই একদিন ওর স্বামীকে বললেন, ছেলেমেয়েরা বড় হচ্ছে। বড় মেয়েকে যদি এম এ পড়াও তাহলে তিনচার বছরের মধ্যে ওর বিয়ে দিতে হবে। ততদিনে তো আবার একটা মেয়ের বিয়ের চেষ্টা করতে হবে। তাই বলছিলাম, এ বছরের মধ্যেই ঘরদোর পাকা করে নাও।

    সুখেন্দুবাবু চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে একটু হেসে বললেন, পরশু দিনই অফিসে লোন এর জন্য দরখাস্ত করেছি।

    পুরো বাড়িটাই শেষ করবে তো?

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, একবার যখন ধরব, তখন পুরোটাই শেষ করব। সুখেন্দুবাবু একটু থেমে স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে বললেন, এই টিনের বাড়ি দেখলে কী কোনো ভালো পরিবারের ছেলে তোমার মেয়েদের বিয়ে করতে রাজি হবে?

    যাই হোক, সত্যি সত্যি মাস খানেকের মধ্যেই বাড়ি তৈরি শুরু হল। সকালবিকাল লরি বোঝাই ইটবালিসিমেন্টপাথর আসে।দশ বারোজন মিস্ত্রি আর পাঁচছজন সাগরেদ সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত কাজ করে। মাস খানেকের মধ্যেই জানলাদরজার ফ্রেম বসানো হয়ে গেল। কয়েক দিনের মধ্যেই বাথরুম পায়খানার সব সরঞ্জাম হাজির।

    ছাদ ঢালাইএর ঠিক দিন দশেক আগে সুখেন্দুবাবু স্ত্রীকে বললেন, যা ভেবেছিলাম, তার চাইতে অনেক বেশি খরচ হয়ে গেল। এখন হাতে যা আছে, তা দিয়ে ছাদ ঢালাই হবে না।

    তোমার হাতে একেবারেই কিছু নেই?

    আছে কিন্তু ছাদ ঢালাইএর জন্য আরো সাতআট হাজার লাগবে তার উপর দোতলার ঘর বাথরুম ছাড়াও বাড়িটার একটা পাঁচিলও তো দিতে হবে।

    এখন কী হবে?

    কী আর হবে? পি এফ থেকে লোন নেব। সুখেন্দুবাবু একটু হেসে বলেন, একবার যখন শুরু করেছি, তখন শেষ না করে ছাড়ছি না।

    ছাদ ঢালাই হতেনাহতেই দোতলার ঘর বাথরুমের সব মালমসলা জিনিসপত্র এসে গেল।

    এবার সুখেন্দুবাবু বললেন, সামনের সপ্তাহেই বাথরুমের কাজ শুরু হবে। তারপর একতলার প্লাসটার আর রংটং হতে না হতেই দোতলায় ঘরদোর তৈরি হয়ে যাবে।

    এভাবে বাড়ি তৈরি হচ্ছে দেখে সবাই খুশি।

    ঠিক তিন দিন পর কারখানা লকআউট হয়ে গেল। সারা পরিবারের মাথায় যেন বজ্রাঘাত পড়ল।

    .

    ঐ কয়েকটা বছরের কথা মনে পড়লে এখনও ওরা সবাই শিউরে ওঠে। হাজার সমস্যার মধ্যেও অদিতি বি এ পাস করেই বি এড করল। তারপর কোন্নগরেই একটা প্রাইমারি স্কুলে বছর খানেক চাকরি করার পর শেষ পর্যন্ত বর্ধমান শ্ৰী বিদ্যামন্দিরে চাকরিটা জুটে গেল। যাতায়াতে পরিশ্রম থাকলেও মাইনে ভালো।

    এসব বেশ কয়েক বছর আগেকার কথা! সুখেন্দুবাবুর কারখানা এখনও খোলেনি কিন্তু অদিতি নিজে বিয়ে না করলেও ছোট দুবোনের বিয়ে দিয়েছে। কপালগুণে দুটো ভগ্নীপতি বেশ ভালো। আরতির স্বামী সাধারণ গ্র্যাজুয়েট হলেও আইসিআইতে ভালোই মাইনে পায়। আরতি স্কুলে চাকরি করে প্রত্যেক মাসে মাকে শ চারেক টাকা দেয়। ছোট ভগ্নীপতি কোল ইন্ডিয়ার এঞ্জিনিয়ার। খুবই ভালো মাইনে পায়। তাই ছোট বোন নিজে কোন কাজকর্ম না করলেও প্রত্যেক মাসে মাকে আড়াই শ টাকা পাঠায়। ছোট ভাই বি এস-সি পড়ছে। ওকে একটু দাঁড় করাতে পারলেই অদিতি একটু নিশ্চিন্ত হতে পারে।

    তাছাড়া দোতলায় ঘরদোর তৈরি না হলেও আরবি বিয়ের আগেই একতলার সব কাজ হয়ে যায়। আরতির বিয়ের পর একটা ঘর ভাড়া দিয়ে মাসে মাসে তিন শ টাকা আসছে। তা দিয়ে অন্তত গ্যাস আর ইলেকট্রিসিটির খরচ মিটে যায়।

    সুখেন্দুবাবু কিছু না বললেও তার স্ত্রী মাঝেমাঝেই বড় মেয়েকে বলেন, তুই যে কবে বিয়েথা করে সংসারি হবি, সেই চিন্তাতেই আমি পাগল হয়ে যাই। অদিতি হাসতে হাসতে বলে, তোমার সতেরো বছরে বিয়ে হয়েছিল বলে আজকাল আর তা হয় না।

    তা ঠিক কিন্তু বাইশতেইশের মধ্যেই তো আর দুজনের বিয়ে হয়ে গেল। এদিকে সামনের অঘ্রানেই তো তুই আঠাশ পূর্ণ করে ঊনত্রিশে পড়বি।

    আজকাল আঠাশঊনত্রিশেই মেয়েরা বুড়ি হয় না। তাছাড়া তিরিশবত্রিশের আগে অনেক ছেলেই বিয়ে করতে চায় না। একটু সেট না হয়ে কেউই আজকাল বিয়ে করবে না।

    এইভাবেই দিন চলে।

    .

    আবার কদিন পর ঐ আটটা কুড়ির ট্রেনে ঠিক ওরই কামরায় ঐ লোকটাকে দেখে অদিতি চমকে ওঠে। দুচারজন যাত্রী ওঠানামা করেন কিন্তু কামরায় শুধু ওরা দুজনেই থাকে। অদিতি সতর্ক না থাকলেও সন্ত্রস্ত না হয়ে পারে না। আগের দিনের মতোই লোকটা সব সময় বইপত্তর পড়ে। না, সেদিনও কোনো ঘটনা ঘটে না।

    অদিতির স্কুলের পর এক ছাত্রীর বাড়িতে কয়েকটি মেয়েকে পড়ায়। তাই সাড়ে সাতটার ট্রেন ও কিছুতেই ধরতে পারে না। এই আটটা কুড়ির ট্রেনেই ও রোজ বাড়ি যায় এবং প্রত্যেক দিন গার্ডের ঠিক পাশের কামরায় বসে।

    না, অদিতি লোকটাকে রোজ দেখতে পায় না। আস্তে আস্তে খেয়াল করল, লোকটা সপ্তাহে তিন দিন যায়। তাছাড়া কয়েক মাস ধরে দেখার পর অদিতি মনে মনে স্বীকার করে, লোকটা চোরডাকাত বা ছিনতাইবাজ নয়। যদি লোকটা খারাপ হত, তাহলে অনেক কিছুই করতে পারতো। কম দিন তো সুযোগ পায়নি!

    তাছাড়া লোকটা শুধু পড়ে। আশেপাশে লোকজন থাকলেও কারুর সঙ্গেই কোনো কথাবার্তা বলে না

    আচ্ছা ঐ লোকটা কি বর্ধমানের কোনো কলেজে পড়ায়? না কি বর্ধমানেই কোনো অফিসে চাকরি করে?

    এইভাবেই ক টা মাস কেটে গেল। গরমের ছুটিতে স্কুল বন্ধ হবার পর বাড়িতে বসে বসেই অদিতি ঐ লোকটার কথা ভাবে। না ভেবে পারে না কোনো কোনোদিন লোকটাকে দেখতেও ইচ্ছে করে।

    মাঝে মাঝে অদিতি নিজেকেই ধিক্কায় দেয়। ছি! ছি! একটা নিছক ভদ্রলোককে গুণ্ডা বদমাইশ ভেবেছিলাম।

    মে মাসের একেবারে শেষের দিকে আবার স্কুল খোলে। অদিতি আবার আগের মতো আটটা কুড়ির ট্রেনে ফিরতে শুরু করে, কিন্তু না, ঐ লোকটাকে আর ট্রেনের কামরায় দেখতে পায় না। ও মনে মনে অস্বস্তিবোধ করে। বোধহয় একটু অসহায়ও বোধ করে। হাজার হোক, রাত্রের ট্রেনে কামরায় একজন ভদ্রলোক থাকলে অনেক নিশ্চিন্তে থাকা যায়।

    স্কুল খোলার পর পনরোকুড়ি দিনের মধ্যে লোকটার দেখা না পেয়ে অদিতি যেন মনে মনে ছটফট করে। প্রত্যেক দিন কত প্রত্যাশা নিয়ে ট্রেন ধরতে এসে হতাশ হওয়া যেন আর সহ্য করতে পারে না।

    দেখতে দেখতে জুন মাসও শেষ হলো।

    কদিন বৃষ্টির পর সেদিন আকাশে এক টুকরোও মেঘ নেই। রোদ্দুরে ঝলমল করছে চারদিক। অত রোদ্র দেখে অদিতি আর ছাতি নিয়ে বেরোয় না। স্কুল ছুটির পরও আকাশে বিশেষ মেঘ দেখে না কিন্তু ছাত্রীদের পড়িয়ে স্টেশনে রওনা হবার সময় দেখল সারা আকাশ কালো মেঘে ভরে গেছে। মনে করে, বেশি রাত্তিরের আগে বৃষ্টি হবে না।

    প্রতিদিনের অভ্যাসমতো শেষ কামরায় উঠেই অদিতি ঐ লোকটাকে কোনোর দিকে বসে থাকতে দেখেই একটু হাসে। হঠাৎ মনে হয়, ঐ লোকটার সামনের সিটে বসে জিজ্ঞেস করে, এতদিন দেখিনি যে? কিন্তু না, ও বেশ খানিকটা দূরেই বসে।

    আরো দুচারজন যাত্রী উঠলেন। ট্রেন ছাড়ল। কিন্তু দুএকটা স্টেশন পার হতেই শুরু হল তুমুল বৃষ্টি! সব জানলাগুলো ভালো ছিলনা। তাই যাত্রীরা বাধ্য হয়েই কামরার একদিকে মাঝামাঝি এসে বসেন। ট্রেন এগিয়ে চলে। যাত্রীরা ওঠানামা করেন কিন্তু বৃষ্টির বেগ আরো বাড়ে। ছাতি না আনার জন্য অদিতি মনে মনে অনুশোচনা করে।

    দেখতে দেখতে ট্রেন শ্রীরামপুর এসে গেল। অদিতি শাড়ির আঁচল কোমরে খুঁজে নেয়। হাতের ব্যাগটা বগলের তলায় চেপে ধরে।

    এই ছাতাটা নিন।

    মুহূর্তের জন্য অদিতি বাইরের দিকে তাকিয়েছিল। দৃষ্টিটা ঘুরিয়ে আনতেই ঐ লোকটাকে সামনে দেখে অবাক হয়ে যায়।

    ঐ লোকটা আবার বলে, এই ছাতাটা রাখুন। তা না হলে একেবারে ভিজে যাবেন।

    কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে অদিতি বলে, না, না, ছাতির দরকার নেই। আমি দৌড়ে রিকশায় উঠে যাব।

    ঐ লোকটা একটু হেসে বলে, ট্রেন থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে একেবারে ভিজে যাবেন।

    আমি ছাতি নিলে আপনি কী করবেন?

    আমি পুরুষ মানুষ। আমি ভিজলে ক্ষতি নেই কিন্তু কাপড়চোপড় ভিজে গেলে মেয়েদের অনেক অসুবিধে। তাছাড়া রাস্তাঘাটের লোকজন এমন বিশ্রীভাবে চেয়ে থাকে যে…

    অদিতি ওর হাত থেকে ছাতিটা নিতেনিতেই রিষড়া পার হয়। ও উঠে দাঁড়িয়ে দরজার দিকে এগুতে এগুতে জিজ্ঞেস করে, ছাতিটা কবে ফেরত দেব?

    ঐ লোকটা একটু হেসে জবাব দেয়, ছাতিটা ফেরত না দিলেও ক্ষতি নেই। তবে পরশু দিনই আবার দেখা হবে।

    সেদিন সারারাত অদিতি বোধহয় শুধু স্বপ্ন দেখে।

    মাঝখানের দিনটাকে যেন অসহ্য মনে হয়। পরের দিন অদিতি অন্য দিনের তুলনায় একটু আগেই স্টেশনে এসে শেষ কামবার এক কোণায় বসে। ট্রেন ছাড়ার মিনিট খানেক আগে ওকে উঠতে দেখেই অদিতি বলে, এদিকে আসুন।

    পাশে না, ঠিক সামনে উনি বসতেই অদিতি ছাতাটা ফেরত দিয়ে বলে সেদিন আপনি। ছাতা না দিলে সত্যি বিপদে পড়তাম। স্টেশনে একটা রিকশাও ছিল না।

    সেই শুরু।

    তারপর এই রাত আটটা কুড়ির লোক্যালে সপ্তাহে তিনদিন একসঙ্গে যেতেযেতেই আলাপ-পরিচয়-ঘনিষ্ঠতা।

    .

    সামনের রবিবার কি তুমি ব্যস্ত? অদিতি প্রশ্ন করে।

    কেন? কোনো দরকার আছে?

    বাবামা প্রায় রোজই বলেন, তোমাকে নিয়ে যেতে। অদিতি একটু থেমে বলে, রবিবার বিশেষ কোনো কাজ না থাকলে সকালের দিকে চলে এসো। সারাদিন একসঙ্গে কাটানো যাবে।

    হ্যাঁ, আসব।

    রবিবার কোন্নগরের নবগ্রামে অদিতিদের বাড়ি পৌঁছতে পৌঁছতে প্রায় বারোটা হয়ে গেল। ওকে দেখেই অদিতি জিজ্ঞেস করে, এত দেরি হল?

    সকালে বাবা বললেন, পিসিমাকে নিয়ে একবার ডাক্তাবের কাছে যেতে হবে।

    কেন, পিসিমার আবার কী হলো?

    হাইপ্রেসারের রুগী…

    কিন্তু পিসিমার মতো হাসি খুশি মানুষের তো হাই প্রেসার থাকা উচিত না। অদিতি একবাব নিঃশ্বাস নিযেই বলে, যাই হোক, তাই বলে এত দেরি?

    ডাক্তারের কাছ থেকে এসেই দেখি, ছোট্ট ভগ্নীপতি এসেছে। হাজার হোক, একেবারেই নতুন জামাই। তাই…

    সুখেন্দুবাবু বারান্দায় দাঁড়িয়েই মেয়েকে বলে, ওকে ঘরে এনে বসতে দে। তারপর কথা বলিস।

    অদিতি ওকে নিয়ে কয়েক পা এগুতেই ওর মা সামনে এসে দাঁড়ান।

    মা, এই হচ্ছে সার্থক। অদিতি খুশির হাসি লুকিয়ে বলে, থিসিস জমা দিয়ে দিয়েছে। সুতরাং ক দিন পরই ইনি ডক্টর সার্থক চৌধুরী হয়ে যাবেন।

    অদিতির মা বলেন, এই ছেলে যদি ডক্টরেট না হয়, তাহলে আর কে হবে?

    সুখেন্দুবাবুও বারান্দা থেকে নেমে এসে পাশে দাঁড়ান। সার্থক ওদের দুজনকে প্রণাম করে।

    সুখেন্দুবাবু ওর মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করে বলেন, দীর্ঘজীবী হও বাবা।

    অদিতি সাৰ্থককে নিয়ে ঘরে যাবার পরপরই অদিতির মা এসে জিজ্ঞেস করেন, বাবা, তুমি কি চা খাবে? না কি এখনই খেয়ে নেবে?

    না, মাসিমা, এখনই খাবো না। পিসিমা এত লুচি খাইয়ে দিয়েছে যে

    এখন চা খেতে তো আপত্তি নেই?

    না, না, চা খেতে আবার আপত্তি কী?

    সবাই মিলে চা খেতে খেতে গল্পগুজব হয়।

    অদিতি হাসতে হাসতে বলে, জানো মা, পিসিমা এখনও ওকে ভাত মেখে দেন।

    উনিও একটু হেসে বলেন, তাই নাকি?

    সার্থক বলে, পিসিমার ধারণা, এখনও আমি ছোট্ট বাচ্চা আছি। ও একটু থেমে একটু থেমে একটু হেসে বলে, তাছাড়া আমারও এমন অভ্যাস হয়ে গেছে যে উনি মেখে না দিলে আমিও ঠিক খেয়ে তৃপ্তি পাই না।

    তোমার পিসিমার রান্না খেয়ে তো আমার মেয়ে মুগ্ধ হয়ে গেছে।

    হ্যাঁ, পিসিমা সত্যি খুব ভালো রান্না করেন। তাছাড়া কত রকমের যে খাবারদাবার বানাতে জানেন, তার ঠিকঠিকানা নেই। সার্থক একটু থেমে বলে, বাবা মাঝেমাঝেই হাসতে হাসতে পিসিমাকে বলেন, ছোড়দি, তোমার আচার তৈরির জন্য সারাজীবন যা ব্যয় হল, তা দিয়ে স্বচ্ছন্দে সল্টলেকে একটা দোতলা বাড়ি তৈরি করতে পারতাম।

    ওর কথা শুনে সবাই হাসেন।

    সুখেন্দুবাবু জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কলকাতায় এত টিউটোরিয়াল হোম থাকতে বর্ধমানে পড়াও কেন? আমাদের মণীন্দ্র কলেজের মর্নিং সেকশনের একজন অধ্যাপক রিটায়ার করার পর বর্ধমানে টিউটোরিয়াল হোম খুলেছেন। উনি অনুরোধ করেছিলেন বলেই…

    কিন্তু সকালে কলেজে পড়িয়ে বিকেলে আবার বর্ধমানে গিয়ে পড়াতে তো যথেষ্ট পরিশ্রম হয়।

    না, তেমন কিছু না। দশটার মধ্যেই কলেজের ক্লাস শেষ হয়ে যায় আর বর্ধমান যাই পৌনে তিনটের ট্রেনে।

    রিসার্চ করার সময় তো তোমাকে অনেক খাটতে হত।

    হ্যাঁ, তখন একটু বেশি পরিশ্রম করতে হলেও বর্ধমানে যাই তো সপ্তাহে তিন দিন। খেতে বসেও নানা কথা হয়।

    সুখেন্দুবাবু বললেন, আমরা স্বামীস্ত্রী একদিন তোমার বাবার সঙ্গে দেখা করতে যাব ভাবছি।

    হ্যাঁ, আসুন। বাবা আর পিসিমা তো কতদিনই অদিতিকে বলছেন, আপনাদের নিয়ে যেতে

    সুখেন্দুবাবুর স্ত্রী বললেন, না, না, এবার আমরা সত্যি যাবো। ওঁদের সঙ্গে কথাবার্তা বলে একটা শুভদিন ঠিক করা দরকার।

    সন্ধের দিকে বিদায় নেবার আগে সার্থক অদিতিকে জিজ্ঞেস করে, শেষ পর্যন্ত একটা গুণ্ডা-বদমাইশের সঙ্গে তোমার বিয়ে হবে?

    এর চাইতে আর বেটার কোয়ালিফায়েড গুণ্ডা যখন পাওয়া গেল না, তখন একেই বিয়ে করতে হবে। আমার কপালই এমন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রেয়সী – নিমাই ভট্টাচার্য
    Next Article প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নিমাই ভট্টাচার্য

    মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    ডিপ্লোম্যাট – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেয়সী – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }