Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. বিকালবেলা শিউলি, বল্টু আর খোকন

    ০৮.

    বিকালবেলা শিউলি, বল্টু আর খোকন হাঁটতে বের হয়েছে। বল্টু আর খোকন আজকাল পড়তে শিখে গেছে, দোকানের সাইনবোর্ড দেখলেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সেটা পড়ার চেষ্টা করে। বড় একটা গয়নার দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে বল্টু সাইনবোর্ডটা পড়ে শেষ করল, “হীরামন জুয়েলার্স ডড নং কামারপাড়া রোড।” বল্টু একটু অবাক হয়ে শিউলির দিকে তাকিয়ে বলল, “শিউলি আপু, ডড নং মানে কী?”

    শিউলি হিহি করে হেসে বলল, “দূর গাধা, ডড নং না, এটা হচ্ছে ৬৬ নং।”

    বল্টু একটু লজ্জা পেয়ে বলল, “তাই বলো! আমি আরও ভাবছি ডড নং কী!”

    খোকন গয়নার দোকানের পাশে একটা মিষ্টির দোকানের সাইনবোর্ড পড়তে শুরু করেছে, হঠাৎ শিউলি চমকে উঠে বল্টর পিছনে লুকিয়ে গেল। বল্টু অবাক হয়ে বলল, “কী হয়েছে শিউলি আপু?”

    শিউলি ফিসফিস করে বলল, “চুপ কর গাধা, কথা বলবি না।”

    “কেন?”

    “ঐ যে দূরে দুইজন লোক, একজন ছাগলদাড়ি আর নীল পাঞ্জাবি ঐ লোকগুলোকে আমি চিনি। বুড়াটার নাম মোল্লা কফিলউদ্দিন।”

    “একজনের কোলে যে একটা বাচ্চা, সেই লোকটা?”

    “হ্যাঁ। আর তার পাশে যে লোকটা তার নাম ফোরকান আলি। মহা বদমাইশ লোক। কিডনি-ব্যাপারী।”

    “কিডনী-ব্যাপারী? সেটা আবার কী?”

    শিউলি অধৈর্য হয়ে বলল, “তুই বুঝবি না। চুপ করে দেখ কোনদিকে যায়।”

    বল্টু আর খোকনের পিছনে শিউলি নিজেকে আড়াল করে রাখল, তারা দেখল ছোট একটা বাচ্চাকে কোলে নিয়ে মোল্লা কফিলউদ্দিন আর ফোরকান আলি রাস্তা পায় হয়ে অন্য পাশে চলে গেল। দূর থেকে শিউলি বল্টু আর খোকনকে নিয়ে তাদের লক্ষ করতে থাকে। ফোরকান আলি কফিলউদ্দিনকে কিছু-একটা বলল, তারপর দুজন মিলে হনহন করে হাঁটতে থাকে। শিউলি ফিসফিস করে বল্টু আর খোকনকে বলল, “চল পিছুপিছু, দেখি কোথায় যায়।”

    বড় রাস্তা পার হয়ে তারা একটা ছোট রাস্তা পার হল, সেখান থেকে আবার একটা রাস্তা, সেখানে বড় একটা দালানের সামনে দাঁড়িয়ে গেল। শিউলি দেখল দালানটির মাঝামাঝি এক জায়গায় একটা বড় সাইনবোর্ড, সেখানে লেখা ‘বিউটি নার্সিং হোম।

    কফিলউদ্দিন আর ফোরকান আলি বেশ দূরে, শিউলির কথা শোনার কোনো আশঙ্কা নেই, তবুও শিউলি গলা নামিয়ে ফিসফিস করে বলল, “এইখানে নিশ্চয়ই কিডনি বিক্রি হয়।”

    বল্টু আবার জিজ্ঞেস করল, “কিডনি জিনিসটা কী?”

    “তুই বুঝবি না গাধা।”

    “এখন কী করবে?”

    “দেখি কী করা যায়।”

    কফিলউদ্দিন আর ফোরকান আলি দুজনে নিজেদের মধ্যে কিছু-একটা বলাবলি করে ভেতরে ঢুকে গেল। শিউলি খুব চিন্তিতমুখে বলল, “বিপদ হয়ে গেল!”

    “কী বিপদ?”

    “কফিল চাচা আর ঐ মানুষটা মনে হয় বাচ্চাটাকে এনেছে তার কিডনি কেটে ফেলার জন্যে।”

    “কিন্তু কিডনিটা কী জিনিস?”

    ”তুই বুঝবি না গাধা।”

    বল্টু বিরক্ত হয়ে বলল, “বলেই দেখো না বুঝি কি না।”

    “শরীরের ভেতরে থাকে। কলিজার মতন। অনেক দামে বিক্রি হয়।”

    খোকন মুখ বিকৃত করে বলল, “যাহ্!”

    “খোদার কসম। রইস চাচা আমাকে না বাঁচালে কফিল চাচা এতদিনে আমার কিডনি বিক্রি করে ফেলত।”

    “সত্যি?”

    “সত্যি।” শিউলি তখন দুএক কথায় তার কিডনি বিক্রি করার ঘটনাটা বলার চেষ্টা করল।

    বল্টু ঠোঁট কামড়ে বলল, “তুমি বলছ এই বাচ্চাটার কিডনি এখন কেটে ফেলবে?”

    “মনে হয়।”

    “সর্বনাশ! তা হলে তো কিছু-একটা করতে হবে।”

    “চল আগে আমরাও ভেতরে ঢুকি।”

    “চলো।”

    তিনজনে খুব সাবধানে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে তিনতলায় বিউটি নার্সিং হোমে হাজির হল। কাঁচের দরজা দিয়ে দেখা গেল ভেতরে একটা ওয়েটিংরুমের মতো, সেখানে একটা সোফায় কফিলউদ্দিন আর ফোরকান আলি বসে আছে। কফিলউদ্দিনের কোলে ছোট বাচ্চাটা। তার হাতে একটা লজেন্স ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে খুব মনোযোগ দিয়ে সেটা চাটছে।

    শিউলি গলা নামিয়ে বল্টুকে বলল, “তুই একটা কাজ করতে পারবি?”

    “কী কাজ?”

    “এই দুইজনের পকেট মেরে যা যা কাগজপত্র আছে সবকিছু নিয়ে আসতে পারবি?”

    “না।”

    “না কেন?”

    “পীরের তাবিজ না হলে আমি পারব না। শরীরবন্ধন ছাড়া যাওয়া ঠিক না।”

    “ধুর, গাধা, তাবিজ ছাড়াও শরীরবন্ধন হয়।”

    “মক্কেল বসে আছে, এইরকম কেস কঠিন–মনোযোগ অন্য জায়গায় না থাকলে করা ঠিক না।”

    খোকন দুজনের কথা শুনছিল, বলল, “যদি মনোযোগ অন্য জায়গায় দেওয়া যায়?”

    “কীভাবে দিবি?”

    “মনে করো আমি আর বল্টু ভাই ভেতরে গেলাম, দুজন বসে নিজেদের ভেতরে কথা বলছি তখন হঠাৎ যদি ছোট বাচ্চাটা কথা বলে ওঠে?”

    শিউলি মাথা নাড়ল, “এত ছোট বাচ্চা কথা বলবে কেন?”

    “আসলে তো আমি বলব। মুরগিকে দিয়ে কথা বলিয়ে দিয়েছি, এইটা তো সোজা_”

    শিউলির চোখ হঠাৎ জ্বলজ্বল করে উঠল, হাতে কিল দিয়ে বলল, “ফাস্ট ক্লাস আইডিয়া! বাচ্চাটা কথা বললেই কফিল চাচা আর ফোরকান আলি একেবারে সাংঘাতিক অবাক হয়ে যাবে, পুরো মনোযোগ থাকবে বাচ্চার দিকে।

    বল্টু খুব চিন্তিত মুখে বলল, “দেখি চেষ্টা করে। আল্লাহ মেহেরবান।”

    বল্টু কোনো-একটা দোয়া পড়ে বুকে ফুঁ দিয়ে ভেতরে ঢুকল, পেছনে পেছনে খোকন। তাদের দুজনকে দেখে কফিলউদ্দিন আর ফোরকান আলি সরুচোখে তাদের দিকে তাকাল। কোনো একটা-কিছু নিয়ে কথা বলা দরকার তাই বল্টু বলল, “আমাদেরকে এখানে আসতে বলেছেন না?”

    খোকন মাথা নাড়ল, “হ্যাঁ। এইখানে।”

    “কয়টার সময় জানি আসবে?”

    “পাঁচটার সময়।”

    “তা হলে এখনও যে আসছে না?”

    “মনে হয় জ্যামে পড়েছে।”

    “ও।”

    কফিলউদ্দিন আর ফোরকান আলি এই দুইজনের কথাবার্তা শুনে একটু সহজ হল, কেউ-একজন ছেলে দুজনকে এখানে এসে অপেক্ষা করতে বলেছে, এই নার্সিং হোমে সেটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার।

    ফোরকান আলির পাশে বসল বল্টু, তার পাশে খোকন। সেখানে বসেও তারা নিজেদের মাঝে কথা বলতে শুরু করে, তখন কফিলউদ্দিন আর ফোরকান আলিও নিচুগলায় কথা বলতে থাকে। হঠাৎ একটা বিচিত্র জিনিস ঘটল, ছোট তিন-চার মাসের বাচ্চাটা হাত নেড়ে বলল, “এই শালা কফিলউদ্দিন!”

    কফিলউদ্দিন একেবারে ভয়ে চিৎকার করে উঠলেন। কাঁপা গলায় বললেন, “এই বাচ্চা দেখি কথা বলে!”

    ছোট বাচ্চাটা হাতের লজেন্সটা একবার চেটে বলল, “কথা বলব না কেন? একশোবার বলব।”

    কফিলউদ্দিন হঠাৎ ভয় পেয়ে বাচ্চাটাকে ফোরকান আলির কোলে বসিয়ে দিল। বাচ্চাটা ফোরকান আলির দিকে তাকিয়ে বলল, “ই ফোরকাইন্যা!”

    “এ্যাঁ!” ফোরকান আলি ভয় পেয়ে বলল, “কী বলে এই ছেলে?” বাচ্চাটা স্পষ্ট গলায় বলল, “এক চড়ে দাঁত ফেলে দেব।”

    ফোরকান আলি যেন কোলে একটা বিষাক্ত সাপ নিয়ে বসে আছে এরকম ভান করে বাচ্চাটাকে প্রায় ঠেলে নিচে বসিয়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। ছোট বাচ্চাটা এদিক-সেদিক তাকিয়ে বলল, “শালা কফিলউদ্দিন আর ব্যাটা ফোরকাইন্যা তোরা ভেবেছিস আমি কিছু বুঝি না?”

    “তু-তু তুমি কী বলছ?”

    “আমি ঠিকই বলছি। পুলিশ আসুক তখন বুঝবে ঠ্যালা!”

    কফিলউদ্দিন প্রায় ফ্যাকাশে-মুখে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, “আমি এর মাঝে নাই, গেলাম আমি, গেলাম। তারপর ফোরকান আলিকে কিছু বলতে না দিয়ে প্রায় ঝড়ের মতো ঘর থেকে বের হয়ে গেল।

    “দাঁড়ান, দাঁড়ান কফিল ভাই–”বলে পেছনে পেছনে ছুটে গেল ফোরকান আলি এবং দেখা গেল দুজনে সিঁড়ি বেয়ে দুদ্দাড় করে নেমে যাচ্ছে। বল্টু আর খোকন কী করবে বুঝতে পারল না, এরকম কিছু-একটা যে হতে পারে সেটা তারা একবারও চিন্তা করেনি। বাচ্চটিকে রেখে যাবে, না সাথে নিয়ে যাবে চিন্তা করে না পেয়ে বল্টু বাচ্চাটাকে ধরে ঘর থেকে বের হয়ে এল। সিঁড়ির কাছে শিউলি দাঁড়িয়ে ছিল, সে কাছে এসে অবাক হয়ে বলল, “কী হল? দুইজন এইভাবে দৌড়ে কোথায় পালিয়ে গেল?”

    খোকন খিকখিক করে হেসে বলল, “ভয় পেয়ে পালিয়ে গেছে।”

    “কী দেখে ভয় পেয়েছে?”

    বল্টু কোনোমতে পেটের সাথে ধরে রাখা নাদুসনুদুস বাচ্চাকে দেখিয়ে বলল, “এই বাচ্চাকে দেখে! কফিলউদ্দিন আর ফোরকান আলিকে এমন ধোলাই দিয়েছে যে দুইজন ভয়ে একেবারে চিমশি মেরে গেছে!”

    “ধোলাই?”

    খোকন আবার খিকখিক করে হেসে বলল, “আমি এর মুখ দিয়ে কথা বলিয়েছি।”

    “কিন্তু এখন এই বাচ্চাটাকে নিয়ে আমরা কী করব?”

    ”আমি জানি না” বলে খোকন শিউলির কাছে বাচ্চাটাকে ধরিয়ে দিল।

    বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে শিউলি বলল, “ইশ, কী গাবদা-গোবদা বাচ্চাটা! দেখে কী মায়া লাগে!

    বল্টু ভুরু-কুঁচকে বলল, “কী বলছ! মায়া লাগে? যদি পিশাব করে দেয়?”

    “বাজে কথা বলবি না। তোর ধারণা, ছোট বাচ্চা হলেই সে পেশাব করে দেয়?”

    শিউলির কথা শেষ হবার আগেই ঝিরঝির করে একটা শব্দ হল এবং মনে হল শিউলিকে সবার সামনে অপদস্থ করার জন্যেই বাচ্চাটি তাকে ভিজিয়ে দিয়েছে।

    খোকন হিহি করে হেসে বলল, “ছোট বাচ্চাদের পুরা সিস্টেম উলটাপালটা।”

    শিউলি চোখ পাকিয়ে থোকনের দিকে তাকাল, তারপর বাচ্চাটিকে হাত বদলে সাবধানে ধরে রেখে বলল, “এখন একে কী করব?”

    বল্টু আবার বলল, “আমি জানি না। আমাকে পকেট খালি করে আনতে বলেছ খালি করে এনেছি। ব্যাটার পকেটে কোনো টাকা-পয়সা নাই, খালি কাগজপত্র। বাচ্চাকাচ্চা কী করবে আমি জানি না।

    খোকন বলল, “এই বাচ্চাটাকে বাসায় নিয়ে যাই। রইস চাচা যদি আমাদের তিনজনকে রাখতে পারে তা হলে আর একজন বেশি হলে ক্ষতি কী?

    বল্টু মাথা নেড়ে বলল, “একটা ছোট বাচ্চা দশজন বড় মানুষের সমান।”

    “কেন?”

    “একজন বড় মানুষ কি কখনো ঘরের মাঝখানে পিশাব করবে? করবে না–কিন্তু এই বাচ্চা করে দেবে। একজন বড় মানুষ কি সারারাত গলা ফাটিয়ে চিল্লাবে? চিল্লাবে না–কিন্তু এই বাচ্চা চিল্লাবে। কোনো মানুষকে পছন্দ না হলে একজন বড় মানুষ আরেকজন বড় মানুষের মুখে খামচি মারবে? মারবে না–কিন্তু এই বাচ্চা মারবে।”

    “হয়েছে হয়েছে, অনেক হয়েছে।” শিউলি মুখ-ভেংচে বলল, “এখন বোলচাল থামা।”

    খোকন আবার বলল, “নিয়ে যাই-না এইটাকে বাসায়। দেখো, কী সুন্দর! একেবারে পুতুলের মতন।”

    শিউলি মাথা নাড়ল, “উঁহু। নেয়া যাবে না।”

    “কেন নেয়া যাবে না?”

    “রইস চাচা বলেছে, আর নতুন কোনো বাচ্চা আমদানি করা যাবে না।”

    ছোট বাচ্চাটাকে বগলে চেপে ধরে শিউলি হাঁটতে থাকে। বগলে চেপে ধরে রাখার এই ভঙ্গিটা মনে হল বাচ্চাটারও খুব পছন্দ হল, সে হঠাৎ তার ফোকলা দাঁত বের করে ফিক করে হেসে দিল। সেই হাসিটা এতই মধুর যে দেখে বল্টু পর্যন্ত নরম হয়ে পড়ল, বলল, “শিউলি আপু, চলো এইটাকে বাসায় নিয়ে যাই। একটা ছোট বাচ্চা আর কতটুকু জায়গা নেবে?”

    খোকন বলল, “আর কতই-বা খাবে!”

    বল্টু বলল, “আমরা নাহয় লুকিয়ে রাখব, রইস চাচা টেরই পাবে না।”

    “যখন চাচাবে?”

    “তখন বলল খোকন তার ভেন্টি-কুন্টি না কী যেন সেইটা প্র্যাকটিস করছে।”

    শিউলি বলল, “একটা ইঁদুরের বাচ্চা, না হলে চড়ুই পাখি বাচ্চা লুকিয়ে রাখা যায়–তাই বলে আস্ত একটা মানুষের বাচ্চা?”

    “কিন্তু তুমি করবেটা কী? এই বাচ্চাটাকে রাস্তায় ফেলে দেবে? তার চেয়ে চলো একবার বাসায় রাখার চেষ্টা করে দেখি।”

    শিউলি একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “ঠিক আছে, চল দেখি।” বাচ্চাটাকে লুকিয়ে রাখার বুদ্ধিটা যে তার খুব পছন্দ হল তা নয়, কিন্তু তার আর কিছু করার ছিল না।

    তিনজন যখন বাচ্চাটাকে নিয়ে বাসায় পৌঁছাল তখনও রইসউদ্দিন বাসায় পৌঁছাননি। বল্টু মতলুব মিয়াকে রান্নাঘরে ব্যস্ত রাখল, সেই ফাঁকে শিউলি আর খোকন লুকিয়ে বাচ্চাটাকে তাদের নিজেদের ঘরে নিয়ে গেল। বাচ্চাদের ঘুমানোর এবং জেগে থাকার বিচিত্র সময় রয়েছে, বিকেলবেলা যখন ছুটোছুটি হৈচৈ করার সময় তখন বাচ্চাটি ঘুমিয়ে একেবারে কাদা হয়ে গেল। বাচ্চাটাকে কোথায় লুকানো যায় বুঝতে না পেরে শিউলি আর খোকন তাকে বিছানার নিচে ছোট একটা বিছানা তৈরি করে সেখানে ঘুম পাড়িয়ে রাখল। ঘুম থেকে উঠে বাচ্চাটা নিশ্চয়ই খেতে চাইবে, তখন তাকে কী খাওয়াবে এবং কেমন করে খাওয়াবে সেটা নিয়ে শিউলি খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে গেল। ছোট বাচ্চারা কী খায় সেটা তারা ভালো করে জানে পর্যন্ত না। বল্টু আর খোকন মিলে এক গ্লাস দুধ আর খানিকটা ভাত চুরি করে সরিয়ে রাখল, বাচ্চাটা যখন খেতে চাইবে তখন তাই তাকে খাওয়ানো যাবে।

    সেদিন গভীর রাতে রইসউদ্দিন হঠাৎ চমকে ঘুম থেকে জেগে উঠলেন, শুনলেন শিউলি বল্টু আর খোকনের ঘর থেকে ছোট বাচ্চার কান্নার আওয়াজ আসছে, একা একা থেকে তিনজন বাচ্চার কোনো-একজন মন-খারাপ কান্নাকাটি করলে তিনি এমন কিছু অবাক হতেন না। কিন্তু এটি একেবারে ছোট শিশুর কান্না। রইসউদ্দিন হন্তদন্ত হয়ে বিছানা থেকে নেমে বাচ্চাদের ঘরে এলেন, অবাক হয়ে দেখলেন এত রাতেও তিনজনই জেগে আছে। জিজ্ঞেস করলেন, “ছোট বাচ্চা কাঁদছে কোথা থেকে?”

    শিউলি বলল, “খোকন।”

    “খোকন?”

    “হ্যাঁ।”

    শিউলি বলল, “খোকন ভেন্টি-কুন্টি না কী যেন সেইটা প্র্যাকটিস করছে।”

    “ভেন্ট্রিলোকুইজম?”

    “হ্যাঁ হ্যাঁ।” শিউলি খোকন আর বল্টু একসাথে জোরে জোরে মাথা নাড়তে শুরু করল।

    “এতে রাতে ভেন্ট্রিলোকুইজম?”

    খোকন মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, “দিনের বেলা সময় পাই না তো–তাই রাত্রের বেলা প্র্যাকটিস করি।”

    রইসউদ্দিন একবার ভাবলেন জিজ্ঞেস করবেন কেন এত রাতে ছোট বাচ্চার কান্না ভেন্ট্রিলোকুইজম দিয়ে প্র্যাকটিস করতে হবে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞেস করলেন না। বাচ্চাকাচ্চা সম্পর্কে তিনি আগেও বেশি জানতেন না, গত কয়েকমাস থেকে এই তিনজনকে একসাথে দেখে যেটুকু জানতেন সেটা নিয়েও নিজের ভিতরে সন্দেহ হতে শুরু করেছে।

    রইসউদ্দিন বিছানায় শোওয়ার জন্যে ফিরে গেলেন এবং সারারাত একটু পরেপরে খোকনের ছোট বাচ্চার কান্নার শব্দের ভেন্ট্রিলোকুইজম শুনে চমকে চমকে জেগে উঠতে লাগলেন।

    ভোরবেলা রইসউদ্দিন অফিসে চলে যাবার পর শিউলি মতলুব মিয়াকে রান্নাঘরে ব্যস্ত রাখল তখন খোকন আর বল্টু মিলে ছোট বাচ্চাটাকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেল। আগে থেকে ঠিক করে রাখা হয়েছে শিউলি যতক্ষণ স্কুলে থাকবে ততক্ষণ বল্টু আর খোকন মিলে বাচ্চাটিকে দেখেশুনে রাখবে। বাসার ভেতরে থাকলে চঁচামেচি কান্নাকাটি করতে পারে বলে এই ব্যবস্থা।

    স্কুলে যতক্ষণ থাকল আজ শিউলি খুব আনমনা হয়ে থাকল, বাচ্চাটির জন্যে মনটা খুব নরম হয়ে আছে। এইটুকুন একটা বাচ্চা, সারা পৃথিবী তাকে দেখে রাখার কোনো মানুষ নেই, তাদের মতো তিনজনকে তাকে দেখে রাখতে হচ্ছে ব্যাপারটা চিন্তা করেই তার কেন জানি মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। কতদিন বাচ্চাটিকে লুকিয়ে রাখতে পারবে কে জানে–একটা ছোট মারবেলকে লুকিয়ে রাখা যায়, কিন্তু একটা মানুষকে কি লুকিয়ে রাখা যায়?

    স্কুল ছুটির পর শিউলি বাইরে বের হয়ে এসে দেখে বল্টু আর খোকন ছোট বাচ্চাটিকে নিয়ে তার জন্যে অপেক্ষা করছে। বাচ্চাটিকে খোকন তার ঘাড়ে বসিয়ে নিয়েছে এবং সে মহা আনন্দে তার মাথায় চুল দুই হাতে শক্ত করে আঁকড়ে ধরে রেখেছে। শিউলি জিজ্ঞেস করল, “কোনো সমস্যা হয় নাই তো?”

    বল্টু মাথা নেড়ে বলল, “হয় নাই আবার!”

    শিউলি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে?”

    বল্টু শিউরে উঠে বলল, “আমি ঘাড়ে করে বাচ্চাটাকে নিয়ে যাচ্ছি হঠাৎ মনে হল গরম কী যেন ঘাড়ের মাঝে থেকে শরীরের মাঝে কিলবিল করে ঢুকে যাচ্ছে। আমি ভাবলাম কী না কী হঠাৎ দেখি বাচ্চার পিশাব! সর্বনাশ!”

    শিউলি খিকখিক করে হেসে বলল, “এইটা আবার এমন কী ব্যাপার! ছোট বাচ্চা মানুষ করতে হলে এটা সহ্য করতে হবে।”

    খোকন বলল, “শিউলি আপু, আমি এর নাম দিয়েছি গাণ্ড।”

    “গাগু?”

    “হ্যাঁ। যখন তার মনে আনন্দ হয় সে বলে গা-গা-গা–আর যখনই রেগে যায় তখন বলে গু গু গু তাই নাম হচ্ছে গাগু। ভালো হয়েছে না নামটা?”

    বল্টু বিরসমুখে বলল, “কচু হয়েছে। গাগু একটা নাম হল? একটা ছেলের নাম কখনো গাগু হয়?”

    শিউলি অবাক হয়ে বলল, “ছেলে? ছেলে কোথায় পেলি? জানিস না এটা মেয়ে?”

    “মেয়ে নাকি?”

    বল্টু মনে হল ভয় পেয়ে দুই পা সরে গিয়ে বলল, “সর্বনাশ!”

    শিউলি চোখ পাকিয়ে বলল, “সর্বনাশ? তুই মেয়ের মাঝে সর্বনাশের কী দেখলি?”

    বল্টু পিচিক করে থুতু ফেলে বলল, “মেয়ে মানেই সর্বনাশ! আর সেই মেয়ে যদি ছোট হয় তা হলে সাড়ে সর্বনাশ!”

    শিউলি বাচ্চাটিকে নিজের কোলে নিয়ে বলল, “এত লক্ষ্মী একটা মেয়েকে তুই সাড়ে সর্বনাশ বলিস, এমন দাবড়ানি দেব যে নিজের নাম ভুলে যাবি!”

    শিউলির পক্ষে সেটা সত্যিই সম্ভব তাই বল্টু আর কোনো কথা বলল না। বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে তিনজনে হাঁটতে থাকে, খোকন হাঁটতে হাঁটতে বলল, “গাগুকে সব উলটাপালটা জিনিস শিখাচ্ছি।”

    “উলটাপালটা?” “হ্যাঁ। হাতকে দেখিয়ে বলেছি পা, পা-কে দেখিয়ে বলেছি হাত। নাককে দেখিয়ে বলেছি পেট, পেটকে দেখিয়ে বলেছি চোখ। গাগু যখন বড় হবে সবকিছু উলটাপালটা বলবে, মজা হবে না?”

    শিউলি একটু অবাক হয়ে বলল, “মজা? কোন জায়গাটায় মজা?”

    “যেমন মনে করো যখন রেগে উঠবে তখন খিলখিল করে হাসবে, আর যখন খুব হাসি পাবে তখন ভেউভেউ করে কাঁদবে! সবকিছু উলটাপালটা শিখিয়ে দেব।”

    শিউলি মাথা নেড়ে বলল, “খোকন তুই যখন বড় হবি তখন খবরদার বিয়ে করবি না। আর যদি বিয়ে করিস খবরদার যেন বাচ্চাকাচ্চা না হয়। হলে অনেক বিপদ আছে।”

    বল্টু পিচিক করে আবার থুতু ফেলে বলল, “বিপদ হবে আমাদের।”

    “কী বিপদ?”

    “গাগুর জন্যে আজকে স্কুলে যেতে পারলাম না, সন্ধ্যেবেলা দারোগা আপা না আবার বাসায় এসে যায়!”

    .

    সন্ধ্যেবেলা সত্যি সত্যি দারোগা আপা এসে হাজির হয়ে গেলেন। তখন শিউলি, বল্টু আর খোকন মাত্র গাগুকে খানিকটা দুধ খাইয়ে বিছানার নিচে শুইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    আপাকে দেখে বল্টু এবং খোকন ফ্যাকাশে হয়ে গেল, শিউলি কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে খুব খুশি হয়ে যাওয়ার ভান করে বলল, “আসেন আপা আসেন। আসেন আসেন। ভালো আছেন আপা? স্কুলটা ভালো আছে আপা? স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা সব ভালো আছে?”

    আপা মাথা নেড়ে বললেন, “হ্যাঁ, আমি ভালো আছি। আমার স্কুলটাও ভালো আছে। ছাত্র-ছাত্রী সবাই ভালো আছে কি না জানি না, তাই খোঁজ নিতে এসেছি।”

    আপা বল্টু এবং খোকনের দিকে তাকিয়ে বললেন, “কী ব্যাপার? স্কুলে আসনি কেন আজ?”

    “ইয়ে আপা আমরা খুব একটা ঝামেলায় পড়ে গেলাম ইয়ে মানে সাংঘাতিক ঝামেলা–”

    ঠিক এরকম সময় রইসউদ্দিন তাদের ঘরে এসে হাজির হলেন, মতলুব মিয়া তাঁকে খবর দিয়েছে যে বল্টু আর খোকন নিশ্চয়ই কিছু-একটা গোলমাল করেছে, স্কুলের মাস্টারনি আবার বাসায় চলে এসেছেন। রইসউদ্দিনকে দেখে শিরিন বানু মুখে হাসি ফুটিয়ে বললেন, “এই যে রইস সাহেব, কেমন আছেন?”

    “ভালো। মানে ইয়ে–কোনো সমস্যা?”

    “না না, কোনো সমস্যা নেই। আমার সবচেয়ে ব্রাইট দুজন ছাত্র স্কুলে যায়নি তাই খোঁজ নিতে এসেছিলাম।”

    “স্কুলে যায়নি?” রইসউদ্দিন অবাক হয়ে বলু আর খোকনের দিকে তাকালেন। ঠিক এরকম সময় বিছানার নিচে থেকে গাগুর আনন্দধ্বনি শোনা গেল, “গা গা গা গা–”

    শিরিন বানু চমকে উঠলেন, “ওটা কিসের শব্দ?”

    শিউলি ঢোক গিলে বলল, “খোকন ভেন্টিকুন্টি–”

    রইসউদ্দিন শিউলিকে শুদ্ধ করিয়ে দিয়ে বললেন, “ভেন্ট্রিলোকুইজম। আমাদের খোকন একজন এক্সপার্ট ভেন্ট্রিলোকুয়িস্ট, যে-কোনো জায়গায় শব্দ বের করতে পারে।”

    “তাই নাকি?”

    “হ্যাঁ।”

    সত্যি সত্যি বিছানার নিচে আবার স্পষ্ট শোনা গেল, “গা-গা-গা-গা–” বিছানার নিচে গাণ্ড কী দেখে এত আনন্দ পেয়েছে কে জানে? যতক্ষণ আনন্দে থাকবে সমস্যা নেই, রেগে গেলেই বিপদ।

    শিরিন বানু খোকনের দিকে তাকিয়ে বললেন, “করো দেখি আবার।”

    “কী করব?”

    “কোনো-একটা শব্দ করো।”

    আবার বিছানার নিচে থেকে শব্দ বের হয়ে এল। এবার”গু-গু-গু–” শিউলি একটু ঘাবড়ে গেল, মনে হচ্ছে গাগু বিছানার নিচে রেগে যাচ্ছে।

    শিরিন বানু মুগ্ধ হয়ে থোকনের দিকে তাকালেন, এইটুকু ছেলে কী চমৎকার ভেন্ট্রিলোকুইজম করছে, স্পষ্ট মনে হচ্ছে শব্দটা আসছে বিছানার নিচে থেকে। রইসউদ্দিন না বললে তিনি নিশ্চয়ই বিছানার নিচে উঁকি দিয়ে দেখতেন।

    বিছানার নিচে থেকে আবার ”গু-গু-গু-গু” শব্দ বের হয়ে এল। শিরিন বানু স্পষ্ট দেখলেন শিউলি, বল্টু এবং খোকন তিনজনের মুখে কেমন জানি ভয়ের একটা ছাপ পড়েছে। তার কিছু-একটা সন্দেহ হল, তিনি মাথা ঘুরিয়ে আবার বিছানার নিচে তাকালেন এবং হঠাৎ করে চমকে উঠলেন–একটা ছোট শিশুর হাত দেখা যাচ্ছে। বিছানার নিচে থেকে একটা ন্যাদান্যাদা বাচ্চা গড়িয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করছে।

    শিরিন বানু রইসউদ্দিনের দিকে তাকিয়ে হেসে বললেন, “রইস সাহেব, খোকন খুব বড় ভেন্ট্রিলোকুয়িস্ট! শুধু বাচ্চার গলার শব্দ নয়–সে একটা আস্ত বাচ্চা তৈরি করে ফেলেছে!”

    রইসউদ্দিন হতচকিত হয়ে বললেন, “কী বলছেন আপনি!”

    “এই দেখেন” বলে শিরিন বানু বিছানার নিচে থেকে গাবদাগোবদা একটা বাচ্চাকে বের করে আনলেন, বাচ্চাটি তখনও হাত নেড়ে নেড়ে কোনো-একটা জিনিস নিয়ে প্রতিবাদ করে বলছে, গু-গু-গু!”

    রইসউদ্দিনের কয়েক সেকেন্ড লাগল ব্যাপারটা বুঝতে–যখন বুঝতে পারলেন তখন কেমন যেন আতঙ্কিত হয়ে শিউলি, বল্টু আর খোকনের দিকে তাকালেন। কাঁপা গলায় বললেন, “কী? এটা কী? কী হচ্ছে এখানে?”

    শিউলি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল। রইসউদ্দিন তখন হঠাৎ একটা খুব সাহসের কাজ করে ফেললেন, শিউলিকে ধমক দিয়ে বললেন, “কী হচ্ছে এখানে শিউলি?”

    শিউলি একেবারে কাঁদোকাঁদো হয়ে গেল, কাঁচুমাচু-মুখে বলল, “আমি গাগুকে আনতে চাইনি রইস চাচা। কিন্তু কফিল চাচা কিডনি কাটার জন্যে এনেছিল, ভয় পেয়ে রেখে দিয়ে পালিয়ে গেল।”

    রইসউদ্দিন চমকে উঠে বললেন, “কী? কী বললে?” শিউলি পুরো ঘটনাটা খুলে বলল, “রইসউদ্দিন প্রথমে হতভম্ব এবং তারপর আস্তে আস্তে হঠাৎ রেগে আগুন হয়ে গেলেন। দাঁত কিড়মিড় করে বললেন, “আমি যদি ব্যাটা কফিলউদ্দিন আর ফোরকান আলির মুণ্ডু ছিঁড়ে না ফেলি!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবুবুনের বাবা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article বকুলাপ্পু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }