Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিক্রয় ও জনসংযোগ প্রতিনিধি হবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    ডেল কার্নেগি এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤷

    ০১. মূল দক্ষতা অর্জনের পথ

    ০১. মূল দক্ষতা অর্জনের পথ

    যে বছর টাইটানিক জাহাজটি উত্তর আতলান্তিকের শীতল সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত হয় সেই ১৯১২ সালে আমি জনগণের সামনে কথা বলার ক্লাসে শিক্ষাদান শুরু করি। তারপর থেকে হাজার হাজার মানুষ এই ক্লাসে শিক্ষালাভ করেছেন।

    প্রথম ধাপ শুরু করার আগে আগ্রহীদের প্রথমেই সুযোগ দেওয়া হয়–এই শিক্ষাপদ্ধতি থেকে তারা কি লাভ করার আশা করেন সেটা জানাতে। স্বাভাবিক ভাবেই এর উত্তর পাওয়া গেল বিভিন্ন রকম। তবে আশ্চর্যের কথা মূল চাহিদা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কিন্তু এক! আমাকে দাঁড়িয়ে কিছু বলতে বলা হলেই আমি অত্যন্ত আত্ম-সচেতন আর ভীত হয়ে পড়ি যে ভালো করে ভাবতে পারি না, কি বলবো তা ভুলে যাই। আমি তাই আত্মবিশ্বাস, স্থৈর্য আর চিন্তা-শক্তি চাই। আমি ব্যবসাজগত বা সামাজিক জগতের সামনে দাঁড়িয়ে পরিষ্কার আর বিশ্বাযযাগ্যভাবে কথা বলতে চাই।’

    কথাটা পরিচিত লাগছে নাকি? এর অভাববোধ আপনাকেও বিব্রত করেনি কি? বাইরের জগতের সামনে আপনিও কি চান না বিশ্বাসযোগ্য আর প্রত্যয় উৎপাদনকারী বক্তৃতা দেবার ক্ষমতা অর্জন করতে? আমার ধারণা, অবশ্যই তা চান। এ বইটা যে পড়তে আগ্রহ বোধ করছেন তাতেই বোঝা যায় আপনি ভালোভাবে কথা বলার শক্তি অর্জনে আগ্রহী।

    আমি জানি এর উত্তরে আপনি কি বলবেন : ‘কিন্তু মিঃ কার্নেগী, আপনি কি সত্যিই ভাবেন একদল লোকের সামনে আমি বেশ ঝরঝর করে কথা বলে যাওয়ার ক্ষমতা অর্জন করব?’

    সারা জীবন ধরেই আমি মানুষকে তাদের ভয় দূর করে সাহস আর আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে সাহায্য করেছি। আমার ক্লাসে যেসব অলৌকিক কাণ্ড ঘটে গেছে সে কথা লিখলে কয়েকখানা বইই হয়ে যাবে। তাই এটা কোন ভাবার ব্যাপার নয়। আমি জানি একাজ আপনি পারবেন শুধু এই বইয়ে যে নিয়মের কথা বলা হয়েছে সেগুলো যদি ঠিকমত অভ্যাস করেন।

    আপনি যেমন ভাবে বসে থাকতে পারেন তেমন ভাবেই শ্রোতাদের সামনে সোজা দাঁড়িয়ে কেন চিন্তা করতে পারবেন না? শ্রোতাদের সামনে কথা বলতে গেলে ভয় আপনাকে ঘিরে ধরার কোন কারণ থাকতেই পারে না। মনে রাখবেন, এ অবস্থাকে অনায়াসেই বদল করা সম্ভব, শুধু চাই অভ্যাস আর শিক্ষা পদ্ধতি, এর সাহায্যেই এই ভয় দূর করে আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা সম্ভব।

    এই বইটি আপনাকে সেই উদ্দেশ্য সফল করতেই সাহায্য করবে। এটা সাধারণ পাঠ্য বই নয়। এতে বক্তৃতা দেওয়ার খুঁটিনাটি বিষয় নেই। এতে নেই কণ্ঠস্বর নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল এতে রয়েছে সারা জীবন ধরে বয়স্কদের বক্তৃতা দেওয়া শিক্ষার অভিজ্ঞতার নির্যাস। যেমন আপনি যেখানে প্রতিষ্ঠিত, সেখান থেকেই আপনি যা হতে চান সেখানেই আপনাকে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি এ বই। আপনাকে করতে হবে শুধু সহযোগিতা-এ বইয়ের প্রতিটি নির্দেশ মেনে আপনার কথা বলার সুযোগ এলেই তা কাজে লাগাতে হবে।

    এ বই কাজে লাগাতে আপনাকে পরবর্তী চারটি নির্দেশ প্রচুর সাহায্য করবে। ১। অপরের অভিজ্ঞতা স্মরণ করুন।

    জন্মগত ক্ষমতালব্ধ বক্তার মতো প্রাণী আর নেই। সেকালে বক্তৃতা দেওয়ার ব্যাপারকে যখন উন্নত শিল্প বলে ভাবা হত তখন এমন বক্তা হওয়া নেহাতই কঠিন ছিল। আজকের দিনে বক্তৃতাকে কথপোকথনের বাড়তি সংযোজন বলেই ভাবা হয়। অতীতের সেই মনোহারিণী ভঙ্গি আর কণ্ঠস্বর আজ হারিয়ে গেছে। আজকের যুগে আমরা নৈশভোজে, সভায়, গির্জায়, টি ভি বা রেডিওতে শুনতে চাই শুধু সোজাসুজি বক্তৃতা। এখন আমরা চাই বক্তারা আমাদের একাত্ম হবেন, আমাদের দিকে কথা ছুঁড়ে দেবেন না।

    অনেক স্কুলে পাঠ্য বইয়ে বলা হয় জনগণের সামনে বক্তৃতার ব্যাপারটা একটা বন্ধ শিল্প, যা শুধু বহুঁকাল চেষ্টায় কণ্ঠস্বর ঠিক করে ভাষায় অলঙ্কার জুড়েই করা যায়। আমি দীর্ঘকাল, প্রায় সারা জীবনই মানুষকে বুঝিয়েছি জনগণের সামনে বক্তৃতা দেওয়ার কাজ খুবই সহজ। শুধু কতকগুলো সহজ নিয়ম মেনে চললেই হল। ১৯১২ সালে যখন প্রথম এই শিক্ষাদান শুরু করি তখন প্রাথমিক ছাত্রের মত আমিও এর অর্থ জানতাম না। আমি প্রথমে যে শিক্ষাদান শুরু করি তা আমার কলেজী শিক্ষার উপর নির্ভর করে।

    পরে দেখলাম ভুল পথে চলেছি। বয়স্কদের যে ভাবে শিক্ষা দিচ্ছিলাম তারা যেন নতুন কলেজ ছাত্র। আমি দেখলাম, আমি যে ওয়েবন্টার, বার্ড, পিট আর ওডোনেলকে নকল করতে বলেছি সেটা একেবারেই ভুল। আমার ক্লাসের ছাত্ররা যা চাইছিল তা হল, নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সাহসের সঙ্গে পরিষ্কার গলায় ব্যবসা জগতের সভায় বক্তব্য রাখা। এরপর সব বই জানালা দিয়ে ছুঁড়ে ফেলে কতকগুলো সহজ বিষয় নিয়ে ছাত্রদের মুখোমুখি হতে আমার দেরী হয় নি। এতেই কাজ হল আর ছাত্ররাও বেশি সংখ্যায় আসতে লাগল।

    আমার অফিসের তাকে আর দুনিয়াময় শাখা অফিসে যে সব প্রশংসাপত্র জমিয়ে রাখা আছে সেগুলো যদি দেখতেন, আপনারা অবাক হয়ে যেতেন। এসব চিঠি এসেছে নামী সব শিল্প অধিকর্তার কাছ থেকে যাঁদের নাম সংবাদপত্রের শিরোণাম। এ ছাড়া এসেছে রাজ্যের গভর্ণর, পার্লামেন্টের সদস্য, কলেজের প্রেসিডেন্ট আর শিল্পী জগতের মানুষের কাছ থেকেও। শুধু এই নয়, আরও চিঠি পেয়েছি গৃহকর্ত্রী, মন্ত্রী, শিক্ষক, কোম্পানী অধিকর্তা। শ্রমিক-দক্ষ ও অদক্ষ, ইউনিয়ন সদস্য। কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, ব্যবসায়ী মহিলা। এঁরা সকলেই চেয়েছেন জনগণের সামনে আত্মবিশ্বাস নিয়ে গ্রহণীয় হতে। তারা সফলতা লাভ করায় কৃতজ্ঞতায় আমাকে সপ্রশংসা চিঠি না লিখে পারেন নি।

    যে-সব হাজার হাজার মানুষকে আমি শিক্ষা দিয়েছি তার মধ্যে একজনের কথাই আমার মনে আসছে যেহেতু ব্যাপারটা সে সময় আমার উপর দারুণ প্রভাব ফেলেছিল। কয়েক বছর আগে ফিলাডেলফিয়ার একজন সফল ব্যবসায়ী ডি. ডব্লিউ. ঘেন্ট আমার পাঠক্রমে যোগ দেওয়ার পর আমাকে লাঞ্চে নিমন্ত্রণ করেন। তিনি আমায় বলেন : বহু সভায় বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ আমি এড়িয়ে গিয়েছি মিঃ কার্নেগী। বর্তমানে আমি এক কলেজে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান। সভায় তাই সভাপতিত্ব করতেই হবে। আপনি কি মনে করেন এই বয়সে বক্তৃতা শেখা সম্ভব?

    আমি ওই বয়সের মানুষকে শিক্ষাদানের অভিজ্ঞতা থেকে জানালাম এটা নিশ্চয়ই সম্ভব আর তিনি সফল হবেনই।

    তিন বছর পর তাঁর সঙ্গে আবার মঞ্চে যাই। প্রথম সাক্ষাতের সময় যে টেবিলে বসেছিলাম সেটাতেই আমরা বসি। আমি তার কাছে জানতে চাই আমার ভবিষ্যত বাণী ঠিক হয়েছে কি না। তিনি হেসে একটা নোট বই বের করে দেখালেন কতগুলো জায়গায় তিনি বক্তৃতার আমন্ত্রণ পেয়েছেন। তিনি আরও বললেন, এই বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষমতা, বক্তৃতা দান করে যে আনন্দ আমি পাই তার তুলনা নেই।

    শুধু এই নয়–তিনি তুরুপের যে তাসটি এবার দেখালেন তা হল ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সভায় প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব তাঁকেই দেওয়া হয়েছে।

    আর একটা উদাহরণ দিই। বি এফ, গুডরিচ কোম্পানী বোর্ডের চেয়ারম্যান এম গুডরিচ একদিন আমার অফিসে এসে বলেন, আমি সারা জীবনে যতবার বক্তৃতা দিতে চেয়েছি ততবারই ভয়ে কেঁপেছি। বরাবর বোর্ডের সভায় সভাপতিত্ব করেছি আর বসে বসে কথা বলেছি। কিন্তু যখনই দাঁড়িয়ে বলতে হয়েছে ভয়ে কেঁপে উঠেছি। মুখ দিয়ে যেন কথাই বেরোতে চায়নি। আমার বিশ্বাস হয় না কিছু করতে পারবেন এ ব্যাপারে। আমার সমস্যা বড়ই জটিল।

    ‘কিন্তু’, আমি বললাম, ‘আমি কিছু করতে পারবো না বুঝলেও এসেছেন কেন?’

    ‘শুধু একটা কারণে’, তিনি জবাব দিলেন। আমার একজন অ্যাকাউন্ট্যান্ট আছে। লোকটা অত্যন্ত লাজুক প্রকৃতির। আমার চেম্বার পার হয়ে যাওয়ার সময় সে মেঝের দিকে তাকিয়ে থাকত, কদাচিৎ মুখ তুলতো। আচমকা দেখলাম সে আমার ঘরে সোজা চিবুক উঁচু করে ঢুকছে আর আমাকে উজ্জল মুখে বলল, ‘সুপ্রভাত, মিঃ গুডরিচ!’ ওর পরিবর্তনে দারুণ অবাক হয়ে যাই। তাই একদিন বললাম ‘কে তোমাকে বদলালে?’ সে তখন আপনার সব কথা জানাল। ওর ওই পরিবর্তন দেখেই আপনার কাছে এসেছি।

    আমি মিঃ গুডরিচকে বললাম যে তিনি যদি আমার ক্লাসে যোগ দিয়ে যা করতে বলা হবে তাই করলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শ্রোতাদের সামনে বক্তৃতা দিয়ে আনন্দ পাবেন। তা যদি পারেন তিনি জবাব দেন, তাহলে পৃথিবীতে আমিই হব সবচেয়ে সুখী মানুষ। তিনি আমার ক্লাসে যোগ দিলেন আর অদ্ভুত রকম উন্নতি করলেন। তিন মাস পরে আমি তাকে এক হলঘরে তিনি হাজার মানুষের সামনে মিনিট দুই বক্তৃতা করতে আহ্বান করি। তিনি কথা বলেন প্রায় এগারো মিনিট।

    আমার ক্লাসে যারা শিখতে এসেছেন তাঁদের অনেকেরই এ রকম অলৌকিক ব্যাপার ঘটেছে। তাঁদের অনেকেরই এই শিক্ষার ফলে পদোন্নতি ঘটেছে। ব্যবসায় তাদের স্বপ্ন সার্থক হয়েছে, তাঁরা সমাজে প্রতিষ্ঠাও পেয়েছেন। এ রকম বহু ক্ষেত্রেই হয় যে ঠিক একটা বক্তৃতাতেই এই অলৌকিক কাণ্ড ঘটেছে। এরপর আপনাদের মারিও লাজোর কাহিনী শোনাচ্ছি।

    বেশ ক’বছর আগে কিউবা থেকে একটা তার পেয়ে বেশ অবাক হয়ে যাই। সেটা এই রকম : আপনার জবাব না পেলে আমি নিউইয়র্কে এসে একটা বক্তৃতার জন্য শিক্ষা নেব।’ সই ছিল : মারিও লাজো’। লোকটির নামও আমার শোনা ছিল না।

    মিঃ লাজো নিউইয়র্কে এসে বললেন : ‘হাভানা ক্লাব একটা অনুষ্ঠানে তাদের পঞ্চাশ বর্ষ পূর্তি পালন করবে আর আমাকেই প্রধান বক্তা করা হয়েছে। আমি একজন অ্যাটনী, জীবনে জনগণের সামনে বক্তৃতা করিনি। যদি তাই ব্যর্থ হই তাহলে স্ত্রী দুঃখ পাবে আর সমাজেও ছোট হয়ে যাব। তাই কিউবা থেকে ছুটে এলাম, যদি কোন কিছু করতে পারেন। মাত্র তিন সপ্তাহ সময় আছে।

    ওই তিন সপ্তাহে মারিও লাজোকে নানা ক্লাসে প্রতি রাতে তিন চারবার বক্তৃতা দেওয়ালাম। তিন সপ্তাহ পরে তিনি সেই বক্তৃতাও দিলেন। তাঁর বক্তৃতা এতই ভাল হল যে টাইম পত্রিকায় তাঁকে বিরাট প্রশংসা করা হয়।

    ঘটনাটাকে অলৌকিক মনে হচ্ছে? ঠিকই তাই, বিংশ শতাব্দীতে ভয় জয় করার এক অলৌকিক ঘটনা।

    ২। নিজের উদ্দেশ্য সামনে রাখুন।

    মিঃ ঘেন্ট যখন নতুন দক্ষতা কাজে লাগিয়ে মনের সুখে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন তখন যা করেছিলেন সেটাই মনে হয় তার সাফল্যের কারণ। তবে এটা ঠিক, তিনি আমার নির্দেশ মেনে চলেছিলেন। আমার ধারণা তিনি তা করেন একজন বক্তা হবেন বলেই। তিনি ভবিষ্যতকে সামনে রেখে কাজ করে গেছেন। আপনাকেও সেইভাবে ভবিষ্যকে সামনে রেখে বাস্তবায়িত করতে হবে।

    আপনার আত্মবিশ্বাস এবং সন্দুরভাবে কথা বলবার ক্ষমতা যা সহজবোধ্য হয়ে উঠবে তার প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখতে হবে। এটা হলে সমাজে, বন্ধু মহলে আপনার প্রতিপত্তি কতটা বাড়বে, ব্যবসায়ে এটা কতখানি কাজে লাগাতে পারবেন সেকথাই আপনাকে ভাবতে হবে। সংক্ষেপে এটাই আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেবে।

    বক্তৃতা ও ব্যবসায়ে প্রতিপত্তি’ নামে এক প্রবন্ধে ন্যাশনাল ক্যাস বেজিন্টার কোম্পানীর চেয়ারম্যান আর ইউনেস্কোর চেয়ারম্যান এস. সি. অ্যালিন লিখেছেন, ‘আমাদের ব্যবসার ইতিহাসে অনেকেই মঞ্চে উঠে চমৎকার কাজ করেছেন। বেশ কয়েক বছর আগে কানসাসের এক তরুণ আমাদের শাখা অফিসে বিচিত্রি এক ভাষণ দেয়। আজ সেই আমাদের বিক্রয়ের ভাইস-প্রেসিডেন্ট। আমি জানি আজ তিনি কোম্পানীর প্রেসিডেন্ট।’

    আপনার ভাষণের ক্ষমতা আপনাকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে আপনার ধারণা করার শক্তি নেই। আমাদের একজন স্নাতক, মাৰ্জো কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট হেনরী ব্ল্যাকস্টোন বলেন কার্যকর ভাবে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ আর তাদের সহযোগিতা লাভকেই শিখরে ওঠার সিঁড়ি বলেই আমরা মনে করি।

    একবার ভাবুন আপনার শ্রোতাদের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার আনন্দ কতখানি। আমি সারা বিশ্বে ভ্রমণ করে দেখেছি শ্রোতাদের বক্তৃতা দান করে মুগ্ধ করে রাখার চেয়ে বড় সুখ আর কিছুতেই নেই। এর মধ্য দিয়ে আপনি লাভ করেন একটা ক্ষমতার অনুভূতি।

    এবার কোন সভায় বক্তৃতা দিতে যাচ্ছেন ভেবে নিন। আত্মবিশ্বাস নিয়ে পায়ে পায়ে এগিয়ে চলেছেন মঞ্চের দিকে, চারদিকে নিস্তব্ধ। শ্রোতাদের আপনার কথায় মুগ্ধ করে তুলেছেন, তারপর বক্তৃতা শেষ হতেই শুধু করতালি আর প্রশংসা বাণীর শব্দ। মনে রাখবেন এর একটা অদ্ভুত মাদকতা আছে।

    হার্ভার্ডের বিখ্যাত মনস্তত্বের অধ্যাপক উইলিয়াম জেম্স যে ক’টি কথা লিখে গেছেন তা আপনার জীবনে অদ্ভুত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। কথাগুলো আপনার মনে আলিবাবার মত সাহসের দরজাই খুলে ধরতে পারে। কথা কটি এই : ‘যে-কোনো বিষয়ই হোক তার প্রতি আপনার আকাঙক্ষা আপনাকে রক্ষা করতে পারে। যদি কোন ফল লাভ আশা করেন নিশ্চিত তা পাবেন। যদি ভাল হতে চান-তাই হবেন। যদি শিক্ষিত হতে চান শিক্ষিতই হবেন। একাগ্র হয়ে এগুলো চাইলেই তা লাভ করতে পারেন। সঙ্গে শুধু একশরকম অনাকাঙিক্ষত জিনিস চাইবেন না।‘

    ছোট ছোট দলের সামনে ভাষণ দেওয়া শেখা জনগণের সামনে সাধারণ বক্তৃতার চেয়ে অন্যান্য সুযোগ এনে দেয়। আসলে সারা জীবনে আপনি চিরাচরিত কোন জনগণের সামনে বক্তৃতা না করে থাকলেও এই শিক্ষা থেকে যা পাবেন তার মূল্য অনেক। একটি হলো, এই ভাষণ শিক্ষা আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে। আপনি যেই বুঝতে পারবেন যে আপনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে একদল মানুষের সামনে বক্তৃতা দিতে পারেন, এটা অনায়াসেই মেনে নেওয়া যায় ঢের বেশি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে একজনের সঙ্গে কথা বলবেন। আমার ছাত্ররা যখন দেখেন তাঁরা ক্লাসের সহপাঠিদের সামনে বক্তৃতা দিতে সক্ষম আর তাতে ছাদ ভেঙে পড়ে না। এর ফলে তারা তাদের বন্ধু বান্ধব, পরিবার, ব্যবসায়িক সহযোগী, ক্রেতা সকলকেই উজ্জীবিত করতে পারেন।

    এই ধরনের শিক্ষায় ব্যক্তিত্বের যে পরিবর্তন হয় সেটা সঙ্গে সঙ্গেই চোখে পড়ে না। অল্প কিছুদিন আগে আমি আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, সার্জন ড. ডেভিড অলম্যানকে প্রশ্ন করি, মানসিক আর শারীরিক দিক থেকে জনসংযোগের শিক্ষার উপকারিতা কী? তিনি হেসে জবাবে বলেন যে তিনি এজন্য একটা প্রেসক্রিপশন লিখে দেবেন। এটা কোন ওষুধের দোকান তৈরি করতে পারবে না, এটা তৈরি করতে হবে সেই ব্যক্তিকেই, তিনি যদি পারবেন না ভাবেন তাহলে ভুল করবেন।

    প্রেসক্রিপশানটা আমার ডেস্কেই আছে। যতবারই তা পড়ি ততবারই মুগ্ধ হই। সেটা এই রকম :

    আপ্রাণ চেষ্টায় এমন শক্তি গড়ে তুলুন যাতে অন্যে আপনার মন আর হৃদয় অনুকরণ করতে পারে। আপনার চিন্তাধারা, উদ্দেশ্য সহজে ব্যক্তিকে, দলকে এবং জনগণের সামনে প্রকাশ করতে শিখুন। দেখবেন যে আপনার চেষ্টা যতই এগোতে থাকবে ততই আপনার সত্তা আগের চেয়ে ঢের বেশি করে অপরের উপর প্রভাব ফেলতে পারছে।

    এই ব্যবস্থাপত্র থেকে আপনি দ্বিগুণ লাভ করতে পারবেন। যতই অন্যের সামনে বক্তব্য রাখতে পারবেন ততই আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে উঠে ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটবে। এর অর্থ আপনি আবেগ মণ্ডিত করেছেন, আর তাতেই শারীরিকভাবেও আপনার উন্নতি হবে। বর্তমান জগতে এই জনসংযোগ আর বক্তৃতা তরুণ বা বয়স্ক সকলেরই দরকার। ব্যবসার দুনিয়ায় এর কার্যকারিতার কথা আমি জানি না। তবে স্বাস্থ্যের দিকে অফুরন্ত। একজনই হোক বা অনেকেই হোক পারলেই তাদের সামনে বক্তব্য রাখুন দেখবেন আপনার মধ্যে পরিবর্তন আনবেই।

    এধরনের ধারণা থাকা চমৎকার। কোন ওষুধের বড়িতে তা পাবেন না।

    ৩। সাফল্যের জন্য মনকে তৈরী করুন।

    একবার এক বেতার অনুষ্ঠানে আমাকে তিনটে কথায় বলতে বলা হয় জীবনে কোন্ শ্রেষ্ঠ শিক্ষা লাভ করেছি। আমি বলেছিলাম : সবচেয়ে বড় যে শিক্ষা আমি পেয়েছি তা হল আমরা যা ভাবি তার অসামান্য গুরুত্ব। আপনি কি ভাবেন যদি জানতে পারতাম তাহলে বুঝতে পারতাম আপনি কি, কারণ আপনার চিন্তাই জানিয়ে দেয় আপনি কি। আপনার চিন্তাধারা বদল করে আমরা আপনার জীবনই বদলে দিতে পারি।’

    এখন আপনি চাইছেন আরও আত্মবিশ্বাস নিয়ে কার্যকর জনসংযোগ গড়ে তোলা। অতএব এখন থেকে আপনার কাজ হল নঙর্থক ভাবনা ছেড়ে চেষ্টায় সফল হওয়ার কার্যকর চিন্তা করা। আপনাকে অবশ্যই লোকের সামনে কথা বলার একটা আশাবাদী মন গড়ে তুলতে হবে।

    একটা কাহিনী শোনাব এবার। দেখতে পাবেন একাগ্রতা থাকলে যে কেউ কিভাবে বক্তৃতা করার চ্যালেঞ্জ নিতে পারে। যার কথা বলছি তিনি অনেক নিচু থেকে উঠে পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রায় ব্যবসা জগতের প্রবাদে পরিণত হয়েছেন। কিন্তু প্রথম জীবনে কলেজে যখন তিনি বক্তৃতা দিতে উঠতেন তাঁর মুখ দিয়ে কথা বেরোত না। মুখ সাদা হয়ে যেত তাঁর, পাঁচ মিনিটের বেশি কথা বলতে না পেরে তাঁকে মঞ্চ থেকে সজল চোখে পালাতে হত।

    অল্প বয়সে যার এ অবস্থা ছিল, ব্যর্থতা তাঁকে স্তব্ধ করতে পারেনি। তিনি শপথ নেন একজন ভালো বক্তা হবেন। আর তাতেই না থেকে তিনি হয়ে ওঠেন বিশ্ব-প্রসিদ্ধ সরকারী অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। তার নাম ক্লারেন্স বি. র‍্যাণ্ডেল। তাঁর একটা বই ‘ফ্রিডম’স ফেথ’-এ তিনি জনসংযোগ সম্পর্কে বলেছেন সব রকম কাজেই আমার অভিজ্ঞতা জমেছে। আমি হাজির হয়েছি ব্যবসায়িক সভায়, চেম্বার অব কমার্সেও, রোটারী ক্লাবে এই রকম বহু জায়গায়। মিশিগানে যুদ্ধের সময়েও বক্তৃতা দিয়েছি। আমি হার্ভার্ডের প্রেসিডেন্ট জেম্স ব্রায়ান্ট কনাল্টের সঙ্গে বক্তৃতা দিয়েছি। এমন কি মূল ফরাসি ভাষাতেও তা করেছি।

    ‘আমার ধারণা শ্রোতারা কি শুনতে চায়, আর তা কিভাবে বলা হবে, তা আমি জানি। আমার মনে হয় একজন দক্ষ ব্যবসায়ী যদি ব্যবসায় দায়িত্ব নিতে পারেন তাঁর পক্ষে অন্য কিছু শেখা কঠিন নয়।’

    মি. র‍্যান্ডালের সঙ্গে আমি একমত। একজন ভালো বক্তা হওয়ার কাজে সাফল্যের ইচ্ছা অনেকটাই এগিয়ে দেয়। আমি যদি আপনাদের মনের ইচ্ছা সম্পর্কে একটা অন্তর্দৃষ্টি লাভ করতাম তাহলে বলে দিতে পারতাম নিশ্চিত ভাবেই, সাফল্য লাভ করতে আপনার কত সময় প্রয়োজন।

    তাই একাজে সফল হতে আপনার চাই উপযুক্ত কিছু গুণাবলী। এটা যে কোন দরকারী কাজেই প্রয়োজন হয়। পর্বত ডিঙিয়ে যেতেও চাই উদগ্র একটা ইচ্ছার মত কিছু।

    জুলিয়াস সীজার যখন গলা থেকে চ্যানেল পার হয়ে ইংল্যান্ডে হাজির হন তখন তাঁর সেনাদলের বিজয়ের জন্য কি ব্যবস্থা নেন জানেন? খুব একটা চালাকির কাজই তিনি করেন। তিনি ডোভারের মুখে এক উঁচু জায়গায় থামেননিচে তাকাতে তাঁদের চোখে পড়ে, যে জাহাজে চড়ে তারা এসেছিলেন তার সবই লেলিহান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শত্রু দেশে সব সংযোগ নিশ্চিহ্ন, পালাবার পথও নেই–অতএব একটা কাজই করার ছিল : এগিয়ে চলা-জয় করার জন্য। আর ঠিক তাই তিনি করেন।

    অমর সীজারের এমনই ছিল মনের জোর। আপনিও তাই করুন না কেন, শ্রোতাদের ভয় জয় করার মধ্য দিয়ে।

    ৪। যতটা সম্ভব অভ্যাস করুন

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে আমার যে পাঠ্যক্রম চালু করেছিলাম আজ তা পুরোপুরি বদলে গেছে। প্রতি বছরই নতুন ধ্যান ধারণা পুরনোগুলো বদলে গেছে। তবে পাঠক্রমের একটা বিষয় অপরিবর্তিত থেকে গেছে। ক্লাসের প্রত্যেককেই অন্ততঃ একবার উঠে দাঁড়িয়ে, বেশির ভাগই দুবার, ক্লাসের সকলের সামনে বক্তৃতা দিতে হয়। কেন? এটা সেই জলে না নেমে যেমন সাঁতার শেখা যায় না তেমনই–অর্থাৎ মানুষের সামনে বক্তৃতা না দিলে কেউ বক্তা হতে পারে না। আপনি বক্তৃতা করা সম্পর্কে মোটা মোটা বই পড়তে পারেন–এ বইয়ের সঙ্গেও –অথচ বক্তৃতা দান না করতেও পারেন। এ বইটা একটা গাইড বই মাত্র। আপনাকে এর নির্দেশ অভ্যাস করতে হবে।

    জর্জ বার্নার্ডশ’কে যখন প্রশ্ন করা হয় এমন চমৎকারভাবে জনগণের সামনে তিনি কিভাবে বক্তৃতা করেন, তিনি জবাব দেন : ‘স্কেট করা যেভাবে শিখেছি সেই ভাবেই একগুয়ের মত নেহাত বোকার মতই অভ্যাস করে শিখেছি বক্তৃতা করা। যৌবনে শ ছিলেন অত্যন্ত ভীরু। কারও বাড়িতে ঢোকার আগে রাস্তায় অন্ততঃ বিশ মিনিট ঘোরাঘুরি করতেন। খুব কম লোকই আমার মত কাপুরুষ ছিল আর এমন লজ্জা পেত’, শ স্বীকার করেছেন। শেষ পর্যন্ত শ ভীরুতা, আর কাপুরুষতা জয় করার সেরা পথই বেছে নিয়েছিরেন। তিনি তাঁর দুর্বলতাকে জয় করতে চাইলেন। একটা বিতর্ক সভায় তিনি যোগ দিলেন। লণ্ডনের প্রায় সব সভায়, যেখানে আলোচনার সুযোগ থাকত সেখানেই যোগ দিতে লাগলেন। সমাজতন্ত্রের পক্ষে প্রচার চালাতে মনপ্রাণ ঢেলে জর্জ বার্নার্ড শ বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন চমৎকার সুদক্ষ বক্তা হয়ে উঠেছিলেন।

    কথা বলার সুযোগ চারপাশেই ছড়ানো। যে সব প্রতিষ্ঠানে কথা বলার সুযোগ আছে তাতে যোগদান করুন। সুযোগ পাওয়া মাত্রই যে কোন জনসভায় যোগ দিন। দপ্তরের কোন সভায় পিছনের আসনে থাকবেন না। বেশ জোরালো স্বরেই আপনার বক্তব্য রাখুন। কথা বলুন! রবিবারের শিক্ষাদানের ক্লাসে শিক্ষাদানও করুন। ভালো করে নজর রাখলে দেখবেন আপনার চারপাশে ব্যবসা, সামাজিক, রাজনৈতিক পেশাদারী বা এমন কি আপনার এলাকাতেও কথা বলার দারুণ সুযোগ রয়েছে। কথা না বললে আপনার জানা অসম্ভব কতটা উন্নতি লাভ করতে পারলেন। তাই শুধু কথা বলে যান বারবার।

    একজন তরুন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কর্তা আমায় বলেছিলেন, এ ব্যাপার আমার জানা, কিন্তু শেখার অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি হতে ইচ্ছে করে না।

    ‘অগ্নিপরীক্ষা!’ আমি জবাব দিই। কথাটা মন থেকে হটিয়ে দিন। আপনি ঠিকভাবে চিন্তা করতে পারেন নি।”

    ‘ঠিক চিন্তাটা কেমন?’ তাঁর প্রশ্ন ছিল।

    ‘একটা অ্যাডভেঞ্চারের চিন্তা’ জবাব দিই।

    আপনিও তা করতে পারেন।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি
    Next Article ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    Related Articles

    ডেল কার্নেগি

    সুখীজীবন ও কাজের সন্ধানে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বক্তৃতা শিখবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    স্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বরণীয় যারা স্মরণীয় যারা – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }