Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিক্রয় ও জনসংযোগ প্রতিনিধি হবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    ডেল কার্নেগি এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. জানাবার জন্য বক্তৃতা

    ০৭. জানাবার জন্য বক্তৃতা

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সভায় একবার জনৈক বক্তা এমন বক্তৃতা করেন যে শেষপর্যন্ত সভার সকলে বেশ বিরক্তই বোধ করতে আরম্ভ করেন। এ কাহিনী হয়তো কেউ কেউ শুনেও থাকবেন। ভদ্রলোক ছিলেন একজন উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মচারী, অথচ কথা বলার কৌশল তাঁর একেবারেই জানা না থাকায় অনেকক্ষণ ধরে শুধু উদ্দেশ্যহীনভাবেই বকে যান তিনি। কোন রকমেই তাঁর বক্তব্যের বিষয় পরিষ্কার হলনা। ফলে যা হওয়ার তাই হয়, কমিটির সদস্যদের মধ্যে অসহিষ্ণুভাব জাগতে আরম্ভ করে। শেষ পর্যন্ত আর থাকতে না পেরে ম্যানুয়েল জেমস আরভিন জুনিয়র, নামে একজন সদস্য উঠে দাঁড়িয়ে বেশ চোখা একটা মন্তব্য শোনালেন।

    তিনি বলেছিলেন মাননীয় বক্তার কথা শুনে তাঁর পরিচিত এক ভদ্রলোকের কথা মনে পড়ছে। ভদ্রলোক তাঁর উকিলকে জানান তিনি তাঁর স্ত্রীকে ত্যাগ অর্থাৎ ডাইভোর্স করতে চান, যদিও স্ত্রী সুন্দরী, চমৎকার রাঁধতে পারেন আর মা হিসেবেও ভালো, একেবারে আদর্শ।

    তাহলে বিচ্ছেদ চাইছেন কেন?’ উকিল জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘কারণ সে সারাক্ষণ বকবক করে’, স্বামী উত্তর দিলেন।

    ‘কোন্ বিষয়ে বকবক করেন?’

    ‘সেটাই তো ঝামেলা’, স্বামী জবাব দিলেন।

    বহু বক্তার ক্ষেত্রেও সেই একই কথা, তা তিনি স্ত্রী বা পুরুষ যাই হোন। তাদের শ্রোতারা জানে না তাঁরা কি বলতে চান। তাঁরা তা বলেন না। তাঁরা তাঁদের বক্তব্য স্পষ্ট করেন না।

    সপ্তম পরিচ্ছেদে আপনারা শ্রোতাদের কাছ থেকে কাজ আদায় সম্পর্কে ফর্মুলার কথা পড়েছন। এবার আপনাদের শোনাবো কিভাবে শ্রোতাদের আপনার বক্তব্য জানাতে পারেন, এবং কিভাবে তাদের কাজে উদ্বুদ্ধ করতে হয়।

    মনে রাখবেন প্রায় প্রতিদিনই আমরা এই তথ্য জানিয়ে কথাবার্তা বলি–যাতে আমরা অনেক আদেশ দিই, ব্যাখ্যা করি, ইত্যাদি। সারা বছর ধরে আমাদের পাঠক্রমের ক্লাসে যে সব পরামর্শ দেওয়া হয় তার মধ্যে এই তথ্য জানান দেওয়া হল কাজে উদ্বুদ্ধ করার পর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজ। পরিষ্কার, স্পষ্টভাবে বক্তব্য রাখতে পারলে অপরকে চট করে কাজে উদ্বুদ্ধ করা যায়। এ সম্বন্ধে আমেরিকার বিখ্যাত শিল্পতি ওয়েন ডি, ইয়ং বলেছেন আজকের দুনিয়ায়, এই স্পষ্ট বক্তব্য রাখার প্রয়োজনীয়তা অসামান্য। তিনি যা বলেছেন সেটা এই রকম :

    ‘কোন মানুষ যখন অপরকে বুঝে নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াতে পারেন, তিনি ততটাই নিজের প্রয়োজনীয়তা বাড়াতে পারেন। আমাদের সমাজে নিশ্চিত ভাবেই মানুষকে ছোটখাটো ব্যাপারেও পরস্পরের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হয়। এ জন্য প্রথমেই তাদের ভাষাই হবে প্রধান অবলম্বন, অতএব আমাদের এটার ব্যবহার করা শিখতে হবে, নিছক ব্যবহারের জন্য নয়, অত্যন্ত কৌশলে।‘

    এই পরিচ্ছেদে আপনার কাছে উপস্থিত করা হচ্ছে কিভাবে স্পষ্ট, পরিষ্কার ভাবে শ্রোতাদের সামনে নিজেকে হাজির করতে পারবেন যাতে আপনাকে বুঝে নিতে তাদের কোনই অসুবিধা না হয়। লর্ড উইগ উইটগেনস্ক্রিন বলেন, সবকিছু যদি ভালভাবে চিন্তা করা যায় এবং তাই পরিষ্কার ভাবে বলাও যায়।

    ১. আপনার হাতের সময় অনুযায়ী বক্তব্য রাখুন

    শিক্ষকদের কাছে কথা বলার এক ফাঁকে প্রফেসর উইলিয়াম জেমস মন্তব্য করেছিলেন যে কোন বক্তা বক্তব্য রাখতে গিয়ে একটা সময় একটা বিষয় নিয়েই বক্তব্য রাখতে পারেন। যে বক্তৃতার কথা তিনি বলেছিলেন তাতে সময় লাগে এক ঘণ্টা। তবুও ইদানীং একজন বক্তাকে আমি বলতে শুনি মাত্র তিন মিনিট সময় দেওয়া সত্ত্বেও তিনি এগারোটি বিষয় নিয়ে বলবেন। ভাবুন, প্রতিটি বিষয়ের ক্ষেত্রে সময় মাত্র সাড়ে ষোল সেকেণ্ড। শুনে অসম্ভব আর অবাস্তবই মনে হবে যে, কোন বুদ্ধিমান বক্তা এমন অবাস্তব কাজ করবেন।

    যেমন ধরুন, আপনি যদি কোন শ্রমিক ইউনিয়ন সম্পর্কে কিছু বলতে চান তাহলে তিনি কি ছ’ মিনিটে কখনই বলার চেষ্টা করবেন না এই শ্রমিক ইউনিয়নের জন্ম হয় কেমন করে, তাদের কাজের ধারা কেমন। কি কি ভাল কাজ তারা করেছে আর কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ কিভাবেই বা সমাধান করা যায়। না, এসব ব্যাপারে কখনই কিছু ওই অল্প সময়ে বলার চেষ্টা করবেন না। করণ তাতে শ্রোতারা। বিষয়টা আদৌ ভালভাবে বুঝবে না। আসলে এতে আপনার বক্তব্য হয়ে দাঁড়াবে গোলমেলে অস্পষ্ট।

    মনে রাখবেন বহু অভিজ্ঞ বক্তারাও এরকম মারাত্মক রকম ভুল করে থাকেন। আসলে অন্য ব্যাপারে তাদের দক্ষতা থাকায় তারই অহঙ্কারে এটা চাপা পড়ে যায়। আপনি এ পথ তাই পরিহার করবেন।

    ২. আপনার ধারণা সাজিয়ে নিন

    প্রায় সব বিষয়েই যুক্তি পূর্ণ ধারাবাহিকতা দিয়ে গড়ে তোলা যায়। এটা করার জন্য কাজে লাগাতে হবে সময়, অবকাশ, আর বিশেষ বিষয়কে। সময়ের ব্যাপার যেমন ধরা যাক, আপনি আপনার বক্তব্যকে অতীত, বর্তমান আর ভবিষ্যত এই তিনটি ভাগে ভাগ করতে পারেন। ধরুন, আপনি কোন একটা তারিখ দিয়ে শুরু করার পর অতীতে চলে গেলেন তারপর আবার এগিয়ে এলেন। যে সব বক্তব্যের বিষয় কোন গঠনমূলক কিছুতে নিবদ্ধ থাকে সেটা শুরু করতে হয় প্রথমেই কাঁচা মাল দিয়ে। তারপর ধাপে ধাপে তাকে বিভিন্ন পথে এগিয়ে নিয়ে সম্পূর্ণ উৎপাদিত পণ্যে পরিণত করতে হয়। বক্তব্যে কতখানি বর্ণনা রাখবেন সেটা নির্ভর করবে আপনার হাতে সময় কতটা আছে।

    অবকাশের ব্যাপারে আপনি এগিয়ে চলবেন আপনার ধারণার বিষয় বস্তুকে সাজিয়ে। এখান থেকেই আপনি অগ্রসর হবেন। যেমন ধরুন আপনি যদি ওয়াশিংটনের ক্যাপিটেল প্রাসাদের বর্ণনা দিতে চান তাহলে আপনি শুরু করবেন একদম এর চূড়ো থেকে। তারপর একটু একটু করে চারপাশের বর্ণনা দেবেন। কোন জেটের ইঞ্জিন বা মোটর গাড়ির ইঞ্জিনের বর্ণনা দিতে গেলে সবচেয়ে ভাল হয় ইঞ্জিনকে টুকরো করে তার ব্যাখ্যা দিয়ে।

    ৩. এগিয়ে চলার পথে বিষয়টি ব্যাখ্যা করুন

    কোন বক্তব্যকে শ্রোতাদের মনে আগ্রহের আর সজীব রাখতে গেলে বক্তৃতা চলার ফাঁকে পরিষ্কারভাবে শ্রোতাদের বলতে চাইবেন, বিষয়গুলো পর পর সাজিয়ে বলবেন। ‘আমার প্রথম কথা হল এই…’, আপনি এই রকম সাদামাটা ভাবেও শুরু করতে পারেন। এইভাবেই পরপর শেষ পর্যন্ত যেতে পারেন।

    ড. রালফবাঞ্চ, রাষ্ট্রপুঞ্জের তৎকালীন অ্যাসিট্যান্ট সেক্রেটারী, নিউইয়র্কে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা এইভাবে আরম্ভ করেছিলেন :

    ‘আজ সন্ধ্যায় আমি এই বিষয়ে যা বলব ঠিক করেছি তাহল ‘মানবিক সম্পর্কের সংঘাত’। এটা করতে চাই দুটি কারণে, তিনি বলেন, প্রথমত এই…’, তারপরই তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয়ত এই…’। তাঁর বক্তৃতায় সারাক্ষণই তিনি এইভাবে পরপর তাঁর বক্তব্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। একেবারে উপসংহারে তিনি বলেন :

    ‘আমাদের কখনই মানুষের ভালো করার সুপ্ত ক্ষমতার কথা ভুলে যাওয়া উচিত নয়।‘

    ঠিক এই রকম পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে ছিলেন বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ পল এইচ, ডগলাস ব্যবসা ও উৎপাদনে দেশে ভাঁটা দেখা দেওয়ায় উৎসাহ দিতে। তিনি ছিলেন কর সম্বন্ধে অভিজ্ঞ এবং ইলিনয়ের সেনেটর হিসেবে তার সারগর্ভ বক্তৃতা রেখেছিলেন।

    তিনি শুরু করেন এইভাবে : আমার বক্তব্যের বিষয়বস্তু হল এই : নিম্ন আর মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের জন্য কর রেহাইয়ের উপযুক্ত পদ্ধতি-অর্থাৎ যে আয়ের মানুষেরা তাদের আয়ের শেষ কপর্দকও খরচ করতে বাধ্য হন।

    তিনি এরপর বলেন, এর তিনটি প্রধান কারণ বর্তমান…প্রথম… দ্বিতীয়…তৃতীয়।

    ৪. অচেনাকে চেনার সঙ্গে তুলনা করুন

    মাঝে মাঝে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিজেকে বেশ একটু বেকায়দায় পড়েছেন বলে মনে হতে পারে–অর্থাৎ আপনার বক্তব্য বিষয় ব্যাখ্যা করতে। বিষয়টা হয়তো বা আপনার কাছে বেশ পরিষ্কার–কিন্তু নিজের কাছে পরিষ্কার হলেই হবে না, শ্রোতাদের কাছেও তা স্পষ্ট হওয়া চাই। এক্ষেত্রে করণীয় কি?

    ধরুন আপনি শ্রোতাদের কাছে রসায়ন শাস্ত্রের অবদান সম্পর্কে বলতে চান–বিশেষ করে অনুঘটক বা ক্যাটালিস্ট সম্পর্কে। এই পদার্থটি নিজে পরিবর্তিত না হয়ে দুটি পদার্থকে পরিবর্তিত হতে সাহায্য করে। ব্যাপারটা খুবই সহজ। এটা বোঝানোর জন্য বলতে পারেন অনুঘটক হল এক স্কুলের বড়সড় দুষ্টু ছেলের মত–সে সারাক্ষণ ছোট ছোট ছেলেদের মারধর করে অথচ তার কিছু কেউই করতে পারে না।

    একবার একদল মিশনারী আফ্রিকার মধ্যাঞ্চলে ধর্ম প্রচার করার সময় বাইবেলের কাহিনীকে বাধ্য হয়ে স্থানীয় আদিবাসীদের কথ্য ভাষায় অনুবাদ করতে বাধ্য হন। তারা নিজেরা কি বাইবেলকে সরাসরি অনুবাদ করলে কাজ হত। একেবারেই না–কারণ অশিক্ষিত ওই অধিবাসীরা তার কিছুই বুঝত না। যেমন ধরুন বাইবেলের এই লাইনটি : ‘তোমার পাপের রঙ রক্তবর্ণ হলেও তা তুষারের মত শুভ্র হবে। এখন তুষার আর শ্যাওলার তফাত ওই অধিবাসীরা বুঝত না। অতএব মিশনারীরা প্রয়োজনে লাইনটা বদলে নিয়েছিলেন এইরকম করে : ‘তোমার পাপ রক্ত লাল হলেও তা নারকেলের শাঁসের মতই সাদা হবে।’

    অবস্থা বিবেচনায় এর চেয়ে আর কি করণীয় থাকতে পারে?

    কোন ঘটনাকে ছবির মত করে তুলুন।

    পৃথিবী থেকে চাঁদ কত দূরে? সূর্য? অথবা সবচেয়ে কাছের কোন গ্রহ। বিজ্ঞানী মহাকাশ অভিযানের বর্ণনা অঙ্কের মাধ্যমেই দেবেন। কিন্তু বিজ্ঞান সম্বন্ধে বক্তা আর লেখকরা জানেন সাধারণ শ্রোতাদের বোঝানোর পথ এটা নয়। তারা অঙ্ককে ছবিতে পরিণত করেন।

    বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার জেমস জিন্স বিশেষ ভাবেই চেষ্টা করতেন সাধারণ মানুষ যাতে পৃথিবীর আর মহাবিশ্বের রহস্য জারতে পারে। একজন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক আর দক্ষ মানুষ হিসেবে স্যার জেমস জিনস্ জানতেন বিজ্ঞানে অঙ্কের স্থান কোথায়। তাই যখন সহজবোধ্যভাবে তিনি বিজ্ঞানের কথা বলতেন বা লিখতেন তার পক্ষে কোথায় অঙ্ক এড়িয়ে যেতে হবে তা তিনি জানতেন।

    আমাদের সূর্য (সূর্যও একটি তারা) আর আমাদের গ্রহের চারপাশের গ্রহগুলো এতই কাছে যে আমরা বুঝতে পারি না মহাজগতের অন্যান্য বস্তুরা কতদূরে অবস্থিত। ব্যাপারটা স্যার জিনস্ তাঁর আমাদের চার পাশের মহাবিশ্ব বইটিতে বুঝিয়ে বলেছেন। তিনি তাঁর বইতে লিখেছেন, ‘আমাদের সবচেয়ে কাছের তারাটি (প্রক্সিমা সেন্টাউরি) রয়েছে ২৫,০০০,০০০,০০০,০০০ মাইল দূরে। তারপর দূরত্বটা ভাল করে বোঝাতেই তিনি লিখেছেন কেউ যদি আলোর গতিতে, অর্থাৎ প্রতি সেকেণ্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল বেগে পৃথিবী থেকে প্রক্সিমা সেন্টাউরির দিকে যাত্রা করে তাহলে সেখানে পৌঁছতে তার চার বছর তিন মাস সময় লেগে যাবে।

    এই ভাবেই স্যার জিন্স অন্যান্য গ্রহ উপগ্রহের দূরত্বকে বেশ সহজভাবে বুঝিয়ে দিতে পেরেছেন। আমি একবার এক বক্তাকে আলাস্কার আয়তন বোঝাতে শুনি। তিনি স্রেফ বলেন আলাস্কার আয়তন হল ৫৯০,৮০৪ বর্গমাইল। এর বেশি আর কিছুই তিনি বলেন নি।

    এথেকে কারও পক্ষে কি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম রাজ্যটির আসল আয়তন আন্দাজ করা সম্ভব? রাজ্যটি কতটা বড় জানতে আমায় বেশ অপেক্ষাই করতে হয়, যখন আর একজন বক্তা জানালেন–আলাস্কার আয়তন হল ভারমন্ট, নিউ হ্যাঁম্পশায়ার, মেইন, ম্যাসাচুসেট্‌স, রোড আইল্যাণ্ড, নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, পেনসিলভানিয়া, ডেলাওয়ার, মেরীল্যাণ্ড, পশ্চিম ভার্জিনিয়া, উত্তর ক্যারোলিনা, দক্ষিণ ক্যারোলিনা, জর্জিয়া, ফ্লোরিডা, টেনেশী আর মিসিশিপির মিলিত আয়তনের সমান। এবার ৫৯০,৮৪০ বর্গমাইল কতটা হতে পারে তার একটা ধারণা পেলাম। নড়াচড়া করার মত ভাল জায়গাই তো তবে আলাস্কায় রয়েছে।

    কয়েক বছর আগে আমাদের ক্লাসের এক সদস্য আমাদের দেশের রাজপথে যে ভয়ঙ্কর সব দুর্ঘটনা ঘটে তার এক ভয়াল বিবরণ দেন : ধরুন আপনি নিউইয়র্ক থেকে লস এঞ্জেলস চলেছেন। এবার রাস্তার পাশ চিহ্নের বদলে কফিন সাজানোর রয়েছে ভাবতে পারেন-আর প্রতিটি কফিনে ভরা আছে গতবছরে দুর্ঘটনায় মৃত এক একজন মানুষ। যতই গাড়িতে এগোবেন ততই পাঁচ সেকেণ্ড অন্তর ওই কফিন আপনার চোখে পড়বে। অর্থাৎ সারা দেশ জুড়ে প্রতি মাইলে এ রকম বারোটা কফিন দেখবেন।

    পথ দুর্ঘটনা শিকারের এমন নিখুঁত বর্ণনা আর হতে পারে না। যখনই আমি গাড়িতে যাই বিবরণটা আমার চোখে ভেসে ওঠে।

    এর কারণ কি? কারণ হল কানে শোনা বর্ণনা বেশি কাল মনে থাকেনা। এটা মিলিয়ে যায়। কিন্তু চোখে দেখা কিছু তা যায় না। কয়েক বছর আগে আমি দানিয়ুব নদীর তীরে একটা বাড়িতে নেপোলিয়নের সেনাবাহিনীর ছোঁড়া কামানের গোলা বিদ্ধ থাকতে দেখেছি। উলমের যুদ্ধে সেটা ছেঁড়া হয়। চোখে দেখা উপলব্ধি এই কামানের গোলার মতই। এগুলো প্রচণ্ড চাপ দিয়ে তারা মনে গেঁথে যায়। চিরকাল থেকেও যায়। বোনাপার্ট যেমন সব অষ্ট্রিয়ানদের তাড়িয়ে দিয়েছিলেন এগুলো সেইভাবেই বাকি সব বিরুদ্ধতা দূর করে দেয়।

    টেকনিকাল কথা বাদ দেবেন

    আপনি যদি কোন প্রযুক্তিবিদ্যা বা টেকনিকাল কাজ করে থাকেন-বা আপনি যদি আইনবিদ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা আরও কোন কিছুর বিশেষজ্ঞ হন–তাহলে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে আপনাকে বক্তা হিসেবে। শ্রোতাদের কাছে কথা বলার সময় এসব খুঁটিনাটি আপনাকে বাদ দিতেই হবে।

    আমার শিক্ষা সংক্রান্ত জীবনে আমি বহুবার দেখেছি শতশত বক্তৃতা উপযুক্ত মুহূর্তে কিভাবে ব্যর্থ হয়েছে। কারণ তারা বক্তৃতা দানের সময় শ্রোতাদের তার বিশেষজ্ঞতার ধারণা যে থাকতে পারে না সে কথা ভুলে গিয়েছিলেন। এর ফল কি হয়? শ্রোতারা কোন আগ্রহই বোধ করেনি। এরকম ক্ষেত্রে বক্তার কি করা দরকার? তাকে ইণ্ডিয়ানরা সেনেটর রেভেবিজের এই লেখাটি পাঠ করে মনে রাখতে হবে :

    ‘সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হল শ্রোতাদের মধ্য থেকে সবচেয়ে কম বুদ্ধিমান মনে হওয়া শ্রোতাটিকে বেচে নিয়ে তাকে আপনার বক্তৃতায় আগ্রহী করতে চাওয়া। এটা একমাত্র সম্ভব আপনার বক্তব্যকে সহজবোধ্য, স্পষ্ট করে তোলার মধ্য দিয়ে। ব্যাপারটা ছোট ছেলেমেয়েদের বোঝানোর মত করেই বলা উচিত।’

    একবার আমাদের ক্লাসে একজন ডাক্তার বলেন স্বাস্থ্য ভাল রাখার কাজে শ্বাস প্রশ্বাস ফেলা কতখানি দরকার। বিষয়টা তিনি জটিল করে তোলেন ডাক্তারী শাস্ত্রের আর শারীর বিদ্যার নানা টেকনিকাল কথা জানিয়ে। তিনি যখন তাঁর বক্তব্যের পরবর্তী অধ্যায়ে যাচ্ছিলেন আমাদের একজন শিক্ষক তখন তাকে বাধা দিলেন। তিনি এবার শ্রোতাদের কাছে হাত তোলার আবেদন জানিয়ে বললেন কজন ডাক্তারের কথা বুঝেছেন। দেখা গেল প্রায় অধিকাংশ শ্রোতাই তাঁর বক্তব্য বোঝেনি।

    এরপর ডাক্তার সহজ সরল ভাষায় শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণের কাজটি বুঝিয়ে দিলেন।

    এ ধরনের বক্তব্য রাখার সময় সবচেয়ে ভাল হলো সরল থেকে কঠিন পর্যায়ে ধাপে ধাপে পৌঁছান। যেমন ধরুন আপনি হয়তো রেফ্রিজারেটারের জমাট বাঁধা বরফের বিষয়ে বলতে চাইছেন। সেক্ষেত্র যদি টেকনিকাল খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আপনার কথা বলতে চান তাতে শ্রোতাদের আগ্রহ আদৌ জাগবে না।

    অ্যারিস্টটল এই বিষয় সম্পর্কে একবার চমৎকার একটি উপদেশ দান করেন : জ্ঞানী মানুষের মত চিন্তা করুন, কথা বলুন সাধারণ মানুষের মত। কখনও বক্তব্যের মাঝখানে যদি টেকনিকাল বিষয় বলার প্রয়োজন দেখা দেয়, তাহলে সেটা আগে সহজবোধ করে বুঝিয়ে দিন।

    আমি একবার কিছু গৃহকর্ত্রীর সামনে জনৈক ব্যাঙ্ক বিশেষজ্ঞকে কথা বলতে দেখি। ভদ্রলোক অনায়াস ভঙ্গীতে সুন্দরভাবে ব্যাঙ্ক আমানতের বিষয় বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন।

    ৫. দৃশ্যমান সূত্রের সাহায্য নিন

    মানুষের চোখ থেকে যে সব স্নায়ু মস্তিষ্ক পর্যন্ত চলে গেছে সেগুলো কানের স্নায়ুর চেয়ে আকারে ঢের বড়। বিজ্ঞান বলে আমরা চোখের বক্তব্য কানের বক্তব্যের চেয়ে পঁচিশ গুণ বেশি আমল দিতে চাই।

    জাপানী এক প্রবাদে আছে, ‘একবার দেখা একশবার শোনার চেয়ে ভালো।’

    তাই যদি পরিষ্কারভাবে বলতে চান তাহলে আপনার বক্তব্যকে স্বচ্ছ, স্পষ্ট এবং দৃশ্যমান করে তুলুন। ন্যাশনাল ক্যাশ রেজিস্টার কোম্পানীর প্রতিষ্ঠাতা জন এইচ. প্যাটারসনের নীতিও তাই ছিল। তিনি তাঁর কর্মচারিদের আর বিক্রেতাদের সামনে কথা বলার সময় বলেন :

    ‘আমি দেখেছি মানুষ শুধু কথা বলার উপর নির্ভর করতে পারে না যাতে তার প্রতি মানুষের আগ্রহ জাগে। একটা নাটকীয় বাড়তি জিনিসও এজন্য চাই। তাই আমার মনে হয় ভাল ফল লাভ করার জন্য দরকার ছবি–যার সাহায্যে কোন বস্তুর কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করা যায়। ছবি আবার সাধারণ অঙ্কনের চেয়ে ভাল।

    কখনও কোন সময় যদি এঁকে দেখানো প্রয়োজন হয় তাহলে যথাসম্ভব বড় করে তা আঁকবেন। তবে বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না। একনাগাড়ে ছবি দেখানোও আবার বিরক্তিকর হয়। মনে রাখবেন শ্রোতারা পাকা আঁকিয়ের ছবি দেখতে আগ্রহ বোধ করে না। যদি কোন সময় ছবি এঁকে বা এনে দেখানো দরকার হয় তাহলে শ্রোতাদের আগ্রহ জানানোর জন্য নিচের পরামর্শ মেনে চলবেন :

    ১। দেখাবার প্রয়োজনীয় মুহূর্তের আগে পর্যন্ত ছবিগুলি আড়ালে রাখবেন।

    ২। বেশ বড় ছবি দেখাবেন, যাতে শেষ সারি থেকেও তা দেখতে পাওয়া যায়। মনে রাখবেন শ্রোতারা ছবিটা না দেখতে পেলে বক্তব্য অনুধাবন করতে পারবে না।

    ৩। কথা বলার সময় কোন ছবি শ্রোতাদের হাতে দেবেন না।

    ৪। কোন ছবি দেখাতে হলে হাতে নিয়ে উঁচু করেই তা দেখাবেন যাতে শ্রোতারা দেখতে পায়।

    ৫। মনে রাখবেন যে জিনিস নড়তে পারে না এবং যা পারে তার চেয়ে দশগুণ বেশি কার্যকর। সম্ভব হলে তার ব্যবস্থা করবেন।

    ৬। কথা বলার সময় দ্রষ্টব্য নির্ণয়ের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না–কারণ আমি শ্রোতাদের বোঝাতে চাইছেন।

    ৭। দেখানো হয়ে গেলে দ্রষ্টব্যটি সরিয়ে নিন।

    ৮। দ্রষ্টব্যটি টেবিলের উপরে রেখে আস্তে আস্তে তার ব্যাখ্যা করবেন–তাহলেই শ্রোতাদের মধ্যে আগ্রহ জাগিয়ে তুলতে পারবেন

    দৃশ্যমান বস্তু আজকাল সহজবোধ্যভাবে বক্তব্য রাখার ক্ষেত্রে অতিমাত্রায় ব্যবহার হতে শুরু করেছে। আপনি যা বলতে চান তা বোঝাবার ক্ষেত্রে এর চেয়ে ভালো উপায় আর নেই।

    কথা বার্তায় অভিজ্ঞ দুজন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বলেছেন যে পরিষ্কারভাবে কথা বা বক্তব্য বুঝিয়ে বলার দক্ষতা জন্মায় কেবল ভাল রকম শিক্ষা আর নিয়মানুবর্তিতার উপর। লিঙ্কন যেমন বলেছিলেন স্পস্ট বলার জন্য আমাদের ঐকান্তিক আগ্রহ থাকা দরকার। নক্স কলেজের প্রেসিডেন্ট ডঃ গ্যালিভারকে তিনি একবার বলেছিলেন অল্প বয়সে তিনি কিভাবে এই আগ্রহ গড়ে তোলেন :

    ‘ছোট বেলার যে স্মৃতি আমার মনে পড়ে তার মধ্যে রয়েছে কেউ আমায় কোন কথা বললে তা যদি বুঝতে না পারতাম তাহলে ভয়ানক রাগ হত। আমার মনে হয় না আর কোন ব্যাপারেই আমার রাগ হত। এটা তখন থেকেই আমার মেজাজ খারাপ করে দিত, তা আজও সেইভাবেই আছে। আমার মনে পড়ছে আমার ছোট্ট ঘরে গিয়ে অনবরত রাত্রিতে পায়চারি করতে করতে পড়শীদের বলা কিছু কথাবার্তার অর্থ বোঝার চেষ্টা করতাম। যতক্ষণ না কথাগুলো স্পষ্ট কোন অর্থ উপলব্ধি করতাম ততক্ষণ আমার স্বস্তি ছিল না।এ ব্যাপারটা তখন থেকেই আমার বাতিকে দাঁড়িয়ে গেছে, আজও তার পরিবর্তন ঘটেনি।

    একজন বিখ্যাত প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসনও এসম্বন্ধে কিছু মন্তব্য করেছেন। সেটা এই রকম :

    ‘আমার বাবা ছিলেন একজন অতিমাত্রায় বুদ্ধিজীবি মানুষ। আমার সেরা শিক্ষালাভ হয় তাঁরই কাছে। বাবা কোন সময়েই অস্পষ্ট অগোছালো কথা সহ্য করতে পারতেন না। গোড়া থেকে শুরু করে তাঁর একাশি বছর বয়সে মৃত্যুকাল পর্যন্ত (১৯৪৩ পর্যন্ত) আমি যাই শিখতাম তার কাছে নিয়ে যেতাম।

    আমি যা লিখতাম তিনি সবই চেঁচিয়ে পড়তে বলতেন, ব্যাপারটা আমার কাছে বেশ কষ্টকর হত। পড়ার ফাঁকে তিনি মাঝে মাঝেই থামিয়ে দিয়ে বলতেন, ‘যে কথা লিখেছ তার মানে কি?’ আমি তাঁকে সেটা বুঝিয়ে বলতাম আর দেখতাম লেখার চেয়ে বলাই ভালো হয়েছে। লেখায় এভাবে বলোনি কেন? বাবা শুনে বলতেন, ‘কোন পাখি মারার জন্য সারা এলাকা জুড়ে গুলি চালাবে না, বরং রাইফেল দিয়ে নির্দিষ্ট পাখিকেই মারতে চেষ্টা করবে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি
    Next Article ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    Related Articles

    ডেল কার্নেগি

    সুখীজীবন ও কাজের সন্ধানে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বক্তৃতা শিখবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    স্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বরণীয় যারা স্মরণীয় যারা – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }