Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিক্রয় ও জনসংযোগ প্রতিনিধি হবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    ডেল কার্নেগি এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. কথা বলার ধরন পাল্টানো

    ১০. কথা বলার ধরন পাল্টানো

    বিশ্বাস করবেন কি, সারা পৃথিবীর সঙ্গে সংযোগ রাখার জন্য আমরা চারটে পথই আছে জানি। এই চারটি

    পথেই আমাদের মূল্যায়ন আর বিশ্লেষণ ঘটে। সেই চারটে পথ হল :

    ১। আমরা কি করি।

    ২। আমরা কেমন দেখতে।

    ৩। আমরা কি বলি।

    ৪। আমরা কিভাবে বলি।

    জন-সংযোগের ক্ষেত্রে বক্তৃতা দান শেখানোর জন্য পাঠক্রম চালু করার সময় প্রথমে আমি কণ্ঠস্বর মার্জিত আর জোরালো গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রচুর অনুশীলনের বন্দোবস্ত রাখতাম। বেশ কিছুকাল এটা করার পর বুঝলাম এর কোন প্রয়োজন সত্যিই নেই, কারণ যারা রোজ তিন ও চার ঘন্টা সময় ব্যয় করতে পারেন তারাই এটা পারেন। সাধারণ মানুষ যারা জনসংযোগ চান তারা এত সময় ব্যয় করতে পারবেন না। আমি বুঝলাম জন্মদও কণ্ঠস্বরই সাধারণের পক্ষে যথেষ্ট। আমার সৌভাগ্য যে সময় থাকতেই ব্যাপারটা অনুধাবন করতে পেরেছিলাম। আমি বরং বক্তাদের সাধারণ বক্তৃতাদানের ভয় মুক্ত করতে চেষ্টা চালালাম-এর ফলও হল আশ্চর্য রকম ভাল। এবার যা করণীয় সে কথাই বলব।

    ১. আত্মসচেতনার খোলস ছাড়ুন

    আমার পাঠক্রমে একটা চেষ্টা চালানো হয় বয়স্ক আত্মসচেতন মানুষদের যতখানি সম্ভব মুক্ত ভাবনার মানুষ হয়ে উঠতে। প্রায় হাত জোড় করে তাই সব সদস্যদের অনুরোধ করি, তারা যেন দয়া করে তাদের খোলস ছেড়ে বাইরে আসার চেষ্টা করেন। তাদের বলি এরকম করলে দুনিয়া তাদের আদর করে কাছে টেনে নেবে। মার্শাল বাক যেমন যুদ্ধ সম্পর্কে বলেছেন, ’ধারণাটা খুবই সহজ, তবে ঠিক মত কাজে লাগানোই কঠিন।’ এই কঠিন হয়ে থাকা কথাটা শুধু শারীরিক দিক থেকেই হয় না এটা মনের দিকেও থাকে। এ একটা বড় রকম বাধা।

    শ্রোতাদের সামনে স্বাভাবিক থাকা তেমন সহজ নয় সন্দেহ নেই। অভিনেতারা কথাটা জানেন। আপনার বয়স যখন চার বছর ছিল তখন বোধ হয় অনায়াসেই কোন মঞ্চে উঠে স্বাভাবিকভাবে কথা বলেছেন, কিন্তু যখন আপনার বয়স চব্বিশ তখন মঞ্চে উঠলে অবস্থাটা কি রকম হয়? চারবছর বয়সে যে স্বাভাবিকতা ছিল তা কি আর অবশিষ্ট থাকে? না, আপনি তখন নিজেকে স্বভাবতই গুটিয়ে ফেলার অবস্থাতেই থাকবেন।

    বয়স্কদের এইভাবে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে শেখানো বেশ কঠিন কাজ না বলাই শ্রেয়। এটা শেখানোর সময় কথা বলার ফাঁকে বহুবার আমি কোন সদস্য বক্তাকে মাঝপথেই থামিয়ে দিয়েছি আর বলেছি, একজন স্বাভাবিক মানুষের মত কথা বলুন।’ বহুবারই দুশ্চিন্তা নিয়ে আমায় বাড়ি ফিরতে হয়েছে। না, জেনে রাখবেন, কথাটা অত সহজ শোনাচ্ছে কাজে আদৌও তা নয়। . আমি আমার ক্লাসের পাঠক্রমে সদস্যদের কথা বলার ফাঁকে একটু অভিনয়ের ভঙ্গী করতে বলি। তারা এ রকম করার পর আশ্চর্য হয়ে দেখে কাজটা বোকার মত মনে হলেও নিজেদের করার পর তা আর মনে হয় না। ক্লাসের শ্রোতারাও অবাক না হয়ে পারে না।

    একাজ করতে গেলে আপনি আসলে পাখির ডানা মেলার মতই মুক্ত বলে নিজেকে ভাবেন–আপনি তখন আর খাঁচায় বন্ধ থাকেন না। মানুষ কেন দল বেঁধে নাটক দেখতে ছোটে জানেন? এর একটা মাত্রই কারণ আছে–তারা তাদের মত মানুষকে, সামনে নির্ভয়ে মুক্ত হয়ে আবেগ ইত্যাদির প্রকাশ করতে দেখতে চায়।

    ২. অন্যের নকল করবেন না

    আমরা সেই সব বক্তাকে প্রাণ দিয়ে প্রশংসা জানাই যারা চমুকারভাবে কথা বলেন আর নিজেকে প্রকাশ করতে ভয় পান না বা ঘাবড়ে যান না। শ্রোতাদের সামনে তারা বেশ স্বাভাবিক।

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার অল্প কিছুদিন পরে আমার সঙ্গে দুই ভাই, স্যার রস আর স্যার কিথ স্মিথের লণ্ডনে দেখা হয়। তাঁরা সবে মাত্র লণ্ডন থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়ে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ঘোষিত পঞ্চান্ন হাজার ডলার পুরস্কার জিতে ছিলেন। তাঁরা সারা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সাড়া তুলেছিলেন আর রাজা তাদের নাইট উপাধিতে ভূষিত করেন।

    ক্যাপ্টেন হার্লি নামে একজন বিখ্যাত লোকচিত্রী তাঁদের সঙ্গে নিয়ে চলচ্চিত্র তুলেছিলেন। আমি তাঁদের একটা ছবিসহ প্রমাণ বিষয়ক কথিকা লিখতে সাহায্য করি। তারা দিনের পর দিন কথিকাটি অনুশীলন করেছিলেন।

    তাঁদের তিনজনের অভিজ্ঞতা প্রায় একই রকম ছিল। পাশাপাশি বসে তাঁরা প্রায় অর্ধেক বিশ্ব ভ্রমণ করেন। তারা একই বক্তব্য রেখে চলেছিলেন। তবুও তাঁদের বক্তব্য কিন্তু একই রকম শোনায় নি।

    যে কোন বক্তব্যের মধ্যে শুধু সাজানো কথাগুলো ছাড়াও থাকে বাচনভঙ্গী–আর এরই দাম সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে যে রঙ আর রস থাকে তারই গুরুত্ব সবচেয়ে বেশী হয়। আপনি যা বলেন তার চেয়ে কিভাবে বলেন সেটাই বিচার্য।

    বিখ্যাত রুশ চিত্রশিল্পী ব্রুলফ একবার একজন ছাত্রের আঁকা ছবি সংশোধন করে দেন। ছেলেটি পাল্টানো ছবি দেখে অবাক হয়ে বলে ওঠে : ‘কী আশ্চর্য! আপনি শুধু একটা আঁচড়েই ছবিটি একেবারে বদলে দিয়েছেন।’ ফ্রলফ উত্তর দেন : ‘শিল্প আঁচড় থেকেই জন্মায়।‘ বক্তৃতার ব্যাপারটাও তাই।

    ইংরেজদের পার্লামেন্টের বিষয়ে একটা প্রাচীন প্রবাদ চালু আছে। সেটা হল কোন বিষয়ে নয়, সব কিছু নির্ভর করে একজন বক্তা কিভাবে সেটা বলেন তার উপর। বহুবছর আগে কথাটা বলেন কুইন্টিলিয়ান, ইংল্যাণ্ড যখন রোমের উপনিবেশ ছিল।

    বিখ্যাত হেনরী ফোর্ড বলেছিলেন, সমস্ত ফোর্ডরা একই রকম, অথচ কোন দুজন ফোর্ড এক নয়। সূর্যের আলোয় প্রতিটি নতুন জীবনই নতুন কিছু।এর আগে এমন কিছু ছিল না, আর ভবিষ্যতেও হবে না। প্রত্যেক তরুণের তাই উচিত অন্যের চেয়ে আলাদা করে নিজেকে চিহ্নিত করতে। একজনের মধ্যে যে বিদ্যুৎ স্পর্শ আছে তাকে জাগিয়ে তোলার মধ্য দিয়েই তার গুরুত্ব প্রকাশ পায়।

    জনসংযোগ আর বক্তৃতার ব্যাপারেও কথাটা প্রযোজ্য। আপনার মত আর কোন মানুষ নেই। কোটি কোটি মানুষের হাত, পা, নাক, চোখ, মুখ থাকে,অথচ তাদের কাউকেই আপনার মত দেখতে নয়। স্বাভাবিক ভঙ্গীতে আপনি যখন বক্তব্য রাখবেন অন্য কেউই আপনার মত পারবে না।

    স্যার অলিভার লজ একজন আদর্শ বক্তা ছিলেন। তাঁর বিশেষত্ব ছিল টাক মাথা আর দাড়ি। অথচ তিনি লয়েড জর্জকে নকল করার চেষ্টা করলে কিছুতেই বিখ্যাত হতে পারতেন না।

    আব্রাহাম লিঙ্কন আর সিনেটের স্টিফেন এ, ডগলাস ছিলেন দুটি আলাদা চরিত্র আর বৈশিষ্ট্যের মানুষ। ১৮৫৮ সালে আমেরিকায় তাদের মধ্যেই বোধ হয় সবচেয়ে বিখ্যাত বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।

    ডগলাস ছিলেন একজন সংস্কৃতি সম্পন্ন মানুষ। লিঙ্কন ছিলেন একদম বিপরীত। ডগলাসের ভাবভঙ্গী ছিল রুচিপূর্ণ। লিঙ্কনের মোটেও তা নয়। ডগলাসের মধ্যে কোন রকম রসাল ভাব থাকতো না, অথচ লিঙ্কন ছিলেন পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ রসজ্ঞ বক্তা। ডগলাস কদাচিত হাসতেন। লিঙ্কন কথায় কথায় হেসে উদাহরণ রাখতেন, ডগলাস দ্রুত চিন্তা করতেন আর লিঙ্কনের মনের গতি ছিল অতি বীর।

    অথচ এ ধরণের বিভিন্নতা আর বৈপরীত্য থাকা সত্ত্বেও দুজনেই হয়ে উঠেছিলেন শ্রোতাদের কাছে একান্ত প্রিয় বক্তা। দুজনের প্রত্যেকেই নিজের বৈশিষ্ট্য দিয়ে শ্রোতার মন জয় করেন, কেউ কাউকে নকল করেন নি।

    ৩. শ্রোতাদের সঙ্গে কথা বলা

    হাজার হাজার মানুষ যেমনভাবে কথা বলে সেই বিশেষ ভঙ্গী নিয় একটা উদাহরণ দিই আসুন। একবার আমি সুইজারল্যান্ড এলাকায় আল্পস পর্বতের কাছে মুরেন গ্রীষ্মবাসে ছিলাম। আমি লণ্ডনের কোন প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত এক হোটেলে ছিলাম, আর তারা সাধারণতঃ লণ্ডন থেকে অতিথিদের জন্য কিছু কিছু বক্তৃতা পাঠাত। এদের মধ্যে একজন ছিলেন নামকরা ঔপন্যাসিক। তাঁর বক্তৃতার বিষয় ছিল ‘উপন্যাসের ভবিষ্যত’। ঔপন্যাসিক ভদ্রমহিলা স্বীকার করেছিলেন লেখাটা সম্বন্ধে তাঁর কোন ধারণাই নেই-ওটা বলতে তার কোন রকম আগ্রহও নেই। যাই হোক লিখিত বক্তৃতাটায় একবার চোখ বুলিয়ে তিনি কিছু নোট করে নিলেন তারপর শ্রোতাদের সামনে উঠে দাঁড়ালেন। এবার শ্রোতাদের সম্পূর্ণ অগ্রআহ্য করে তাদের দিকে একদম না তাকিয়ে তিনি কখনও তার হাতের কাগজে, কখনও বা মেঝের দিকে, কখনও বা শ্রোতাদের মাথার উপর দিকে তাকিয়ে প্রাগৈতিহাসিক এক ভঙ্গীতে কি যে বলে গেলেন কে জানে?

    ব্যাপার হল এটা বক্তৃতা দেবার কোন পদ্ধতিই নয়। এ হল স্বগতোক্তি, এর মধ্যে যোগাযোগের কোনরকম চিহ্নই থাকে না। অথচ ভাল বক্তৃতায় সেটাই প্রধান প্রয়োজন। এটা হল সংযোগ স্থাপন। শ্রোতাদের বোঝাতে হবে যে তাদের কাছে একটা যোগসূত্র রাখা হচ্ছে–বক্তার সঙ্গে তাদের হৃদয়ের সংযোগ স্থাপন করা চাই। যে বক্তৃতার কথা বললাম, এরকম বক্তৃতা গোবি মরুভূমির জনশূন্য প্রান্তরেই যদি দেওয়া যায় কোন জীবন্ত মানুষের সামনে, তার কোন দাম থাকে না।

    কথা বলার কায়দার উপর নানা রকম সব বাজে কথা অনেকই বলেছেন। নানা রকম আইন কানুনের বেড়াজালেও তা ঢাকা। সব ব্যাপারটাই হাস্যকর। বিক্রয় প্রতিনিধিরা এ ধরণের নানা বই পাঠাগারগুলোয় হাতড়ে বেড়িয়েছেন, যার সবগুলোই বাজে।

    বিশ শতকের পর এই ধরণের নানা স্কুল গজিয়ে উঠেছে। এর সবই আধুনিকতার সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি

    মার্ক টোয়েন যখন একবার নেভাদা মাইনিং স্কুলে একটা বক্তৃতা শেষ করেন তখন শ্রোতাদের মধ্যে একজন এগিয়ে এসে প্রশ্ন করে : এটাই কি আপনার স্বাভাবিক বক্তৃতার স্বর?

    শ্রোতারা ঠিক এটাই চান : আপনার স্বাভাবিক স্বর। এ ধরনের স্বাভাবিক স্বর লাভ করা যায় একমাত্র অনুশীলন কারা মধ্য দিয়ে। যখন অনুশীলন চালাবেন তখন মাঝে মাঝেই থেমে নিজেকে প্রশ্ন করবেন : ‘শোন হে! কিছু ভুল হল নাকি? ঠিক করে নাও।’ এবার শ্রোতাদের মধ্যে মনে মনে কাউকে বেছে নিয়ে তার সঙ্গে কাল্পনিক কথাবার্তা বলতে থাকুন। মনে ভাববেন যে আপনাকে কোন প্রশ্ন করেছে। আর আপনি তার উত্তর দিচ্ছেন। সে প্রশ্ন যে কোন রকমই হতে পারে।

    স্যার অলিভার লজ নামে একজন বক্তাকে পরমাণু ও পৃথিবী সম্পর্কে বলতে বলেছিলাম। তিনি তার কথায় মগ্ন, একাত্ম হয়ে ছিলেন। এইভাবেই বক্তৃতায় আপনাকে একাত্ম হতে হবে।

    শ্রোতাদের সামনে এমনভাবে বক্তৃতা করবেন না যাতে শ্রোতারা বুঝতে পারেন আপনি আগে থেকে বক্তৃতাটা নিখুঁত তৈরি করে এসেছেন। স্বাভাবিক ভাবে আপনার কথা হতে হবে যাতে শ্রোতারা আদৌ বুঝতে না পারেন এ বক্তৃতা আপনার পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তৈরি। একজন সত্যিকার ভাল বক্তা এ রকম করবেন না।

    ৪. আপনার কথায় মনপ্রাণ সঁপে দিন

    প্রচেষ্টা আর আগ্রহ আপনার সাহায্যে আসবে। কোন লোক যখন তার আবেগের অনুসারী হয় তখন তার প্রকৃত সত্ত্বা নিজের উপরে এসে যায়। আবেগের উত্তাপ সমস্ত রকম বাধা দূর করে দেয়। বক্তা কাজ করেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে। তিনি কথা বলেন স্বাভাবিকভাবে।

    অতএব শেষ দিকে এই স্বর প্রমোশন ব্যাপারটা যা দাঁড়ায় তাহলে আপনার মনপ্রাণ সঁপে দেওয়া।

    ডীন ব্রাউন একবার তাঁর লণ্ডনে দেয়া বক্তৃতায় বলেছিলেন, আমার একজন বন্ধু একবার কোন গির্জার অনুষ্ঠানে লণ্ডনে যেভাবে চমৎকার বর্ণনা দিয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন তা কোনদিনই ভুলব না। সেই বন্ধুর নাম জর্জ ম্যাকডোনা। হিব্রুর একাদশ পরিচ্ছেদ পাঠ করার পর সে যেভাবে বিশ্বাস সম্বন্ধে বক্তব্য রাখল তাতে অবাক না হয়ে পারিনি। তার সমস্ত মন আর হৃদয় সে ঢেলে দিয়েছিল।

    আসল রহস্য হল এটাই–সমস্ত হৃদয় সমর্পণ করা। তাসত্বেও বলব কথাটার যেন কোন মানে হয় না তাই বুঝি জনপ্রিয়ও নয়। সাধারণ বক্তারা চায় সহজ কোন নিয়ম বা কাজের পদ্ধতি।

    এডমাণ্ড বার্ক চমৎকার যুক্তিগ্রাহ্য আর ভাষায় লালিত্য মেশানো সব বক্তৃতা রচনা করেছিলেন যে, সেসব আজও ক্লাসিক বলে সব কলেজে পড়ানো হয়। অথচ বার্ক বক্তা হিসেবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ ছিলেন। তাঁর ওই অপূর্ব বক্তৃতা তিনি নিজে শোনাতে পারতেন না। তাই হাউস অব কমন্স সভায় তাঁর নাম হয় সান্ধ্যভোজের ঘন্টা। বার্ক কথা বলতে উঠলেই অন্য সব সদস্যরা কাশতে শুরু করতেন আবার কেউ কেউ বেশ আরাম করে বসে ঝিমুতে আরম্ভ করতেন।

    ভাষা ও ব্যাকরণ সম্বন্ধে অবহিত হোন

    মার্ক টোয়েন কিভাবে চমৎকার ভাষা আয়ত্ত্ব করেছিলেন জানেন? অল্প বয়সে তিনি মিশোরী থেকে নেভাদা পর্যন্ত ধীরগতির যানবাহনে ঘুরে বেড়াতেন। এইভাবে বেড়ানোর সময় বেশি মালপত্র নেওয়া সম্ভব হত না। তাসত্ত্বেও মার্কটোয়েন সঙ্গে রাখতেন একখানা ওয়েবস্টারের বিশাল অভিধান। এর কারণ তিনি নিজের ভাষাজ্ঞান নির্ভুল করে তুলতে চাইলেন।

    অভিধান পাঠ করা পিট আর লর্ড চ্যাথামেরও নেশা ছিল। তাঁরা অভিধানের প্রতিটি পৃষ্ঠা প্রায় কণ্ঠস্ত করে ফেলেছিলেন। প্রতিটি খ্যাতনামা লেখক আর বক্তাও তাই করেন।

    আমেরিকার প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ইংরাজী ভাষায় অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানীর বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ ঘোষণা তিনি আমেরিকার তরফে করেছিলেন তাঁর সেই লেখা, সাহিত্যে চিরস্থায়ী হওয়ার যোগ্য। কিভাবে তিনি ভাষায় পারদর্শী হন তিনি নিজেই তা লিখে গেছেন :

    ‘আমার বাবা কখনও বাড়িতে ভুল উচ্চারণ বরদাস্ত করতেন না। কারও কোন ভুল হলেই তা সংশোধন করে দিতেন। কথাবার্তা বলার সময় তিনি আমাদের নতুন শব্দ প্রয়োগে উৎসাহ দিতেন আর তা মনে রাখতে বলতেন।’

    বক্তাকে তাই তার ভাষাজ্ঞান বাড়ানোয় নজর দিতেই হবে। অভিধান তাকে প্রভূত সাহায্য করতে পারবে।

    ৫. কণ্ঠস্বর দৃঢ় নমনীয় করে তুলুন

    আমরা যখন শ্রোতাদের সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের বক্তব্য তাদের কাছে পেশ করি তখন আমরা সাধারণভাবে কাজে লাগাই আমাদের কণ্ঠস্বর আর শরীরিক অনেক কিছু। আমরা কাঁধ নাচাই, হাত নাড়তে থাকি। ভূ তুলি, কণ্ঠস্বরও ওঠানামা করাই, কখনও ধীরে কখনও দ্রুতলয়ে কথা বলে যাই। এসবের প্রয়োজন বক্তব্যের সঙ্গে তাল মিলিয়েই করতে হয়। তবে মনে রাখা দরকার এ সবই হল আসল কোন কারণ নয়। কণ্ঠস্বরে যে দোলা লাগে, তা ওঠানামা করে। এসবই হল আবেগের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে–মানসিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে। এই কারণেই যে বিষয় সম্পর্কে আমরা ওয়াকিবহাল সেই বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখা দরকার। এই কারণেই আমরা সেই বিষয় নিয়ে শ্রোতাদের সঙ্গে একাত্ম হতে আগ্রহ বোধ করি।

    যেহেতু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা সকলেই যৌবনের স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততা আর দৃপ্ততা বাড়াতে থাকি, তখনই প্রয়োজন হতে থাকে কণ্ঠস্বরের উপর নির্ভরশীলতা। এটা দরকার শ্রোতাবৃন্দের সঙ্গে সংযোগ ধারাটি বজায় রাখার জন্যই।

    একটা কথা এ বইয়ের পাঠকদের জেনে রাখা দরকার। তা হল, আমরা হয়তো স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের কণ্ঠস্বর জোরে বা আস্তে করতে থাকি। এর ফলে আমরা অসতর্ক হয়ে পড়ি। এই কারণেই এ বইয়ে বলতে চেয়েছি যতটা সম্ভব স্বাভাবিকভাব বজায় রেখে বক্তব্য রাখতে। এজন্য দরকার স্বভাবসিদ্ধ পথে আমাদের ধ্যানধারণা প্রকাশ করতে চাওয়া।কণ্ঠস্বরের ওঠানামা, স্বরগ্রাম, গতি ইত্যাদির নিরীখে নিজেকে তৈরি করা ব্যাপারটা ভারি চমৎকার একটা পথ। এটা করা যায় একটা টেপ রেকর্ডারের সাহায্য নিয়ে। এছাড়াও করা যায় বন্ধু বান্ধবদের সাহায্য নিয়ে। যদি কোন অভিজ্ঞ লোকের সাহায্য এ ব্যাপারে পাওয়া যায় তাহলে তো কোন প্রশ্নই নেই। শুধু বই পড়ে এবিষয়ে অভিজ্ঞতালাভ সম্ভব হয় না-এজন্য দরকার অভ্যাসও, না হলে শ্রোতাদের সামনে সমস্যায় পড়তে হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি
    Next Article ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    Related Articles

    ডেল কার্নেগি

    সুখীজীবন ও কাজের সন্ধানে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বক্তৃতা শিখবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    স্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বরণীয় যারা স্মরণীয় যারা – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }