Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিক্রয় ও জনসংযোগ প্রতিনিধি হবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    ডেল কার্নেগি এক পাতা গল্প159 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. শ্রোতাদের সঙ্গে বক্তব্য আদান প্রদান করুন

    ০৫. শ্রোতাদের সঙ্গে বক্তব্য আদান প্রদান করুন

    রাসেল কনওয়েলের বিখ্যাত বক্তৃতা ‘একরেস অব ডায়মন্ডস্’ প্রায় হাজার বার দেওয়া হয়। আপনি হয়তো ভাবছেন এতবার দেওয়ার ফলে বক্তৃতার প্রতিশব্দ প্রতিটা কথাই বক্তার মনে গাঁথা হয়ে গিয়েছিল। ব্যাপারটা অবশ্য তা হয়নি। ড. কনওয়েল জানতেন শ্রোতারা সাধারণত নানা ধরনের হয়। তাই ডঃ কনওয়েল সিদ্ধান্তে আসেন শ্রোতাদের বোঝাতে হবে এ বক্তৃতা কেবল তাদের জন্যই করা হচ্ছে। তাহলে তিনি কিভাবে পরের বার বক্তা, বক্তৃতা আর শ্রোতাদের মধ্যে পারস্পরির সম্পর্ক বজায় রাখেন? ডঃ কনওয়েল এ সম্বন্ধে লিখেছেন : ‘কোন শহরে যখন কথা বলার আমন্ত্রণ পাই, সেখানে বেশ আগেই হাজির হই। তারপর প্রথমে যাই সেখানকার পোষ্টামাষ্টার, ক্ষৌরকার, হোটেল ম্যানেজার, স্কুলের প্রধান শিক্ষক, কোন মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে। এরপর যাই কোন দোকানে আর লোকজনের সঙ্গে কথাও বলি। আমি জানতে চেষ্টা করি ওখানকার ইতিহাস, কি কি সুযোগ তাদের শহরে আছে, এই সব। তারপর ওখানকার শ্রোতাদের সামনে তাদের পছন্দসই স্থানীয় বিষয়ে বক্তৃতা দিই।’

    ডঃ কনওয়েল ভালই জানতেন সফল আদান-প্রদান নির্ভর করে বক্তা কিভাবে শ্রোতাদের কাছে বক্তব্য পৌঁছে দিলে তারাও তাতে অংশ গ্রহণ করবে। আর এই কারণেই আমাদের কাছে একরেস অব ডায়মণ্ডের’ আসল কোন কপি নেই। ব্যাপারটা অবশ্যই বুঝতে পারছেন। মানব চরিত্র সম্পর্কে অত্যন্ত অভিজ্ঞ হওয়ায় ডঃ কনওয়েল কখনই এক বক্তৃতা দুবার দেননি–অথচ তিনি একই বিষয় নিয়ে অন্তত ছ’ হাজার বার আলাদা শ্রোতাদের সামনে বক্তৃতা দেন। বিশেষ ধরনের শ্রোতাদের কথা মনে রেখে আপনার বক্তব্য তৈরী করে শোনাতে এই অভিজ্ঞতাকে আপনিও কাজে লাগাতে পারেন। নিচে আপনার সঙ্গে একাত্মতা গড়ে তোরার কতকগুলো সহজ নিয়ম উল্লেখ করছি।

    ১. শ্রোতাদের পছন্দ বিষয়ে বক্তব্য রাখুন

    ডঃ কনওয়েলও ঠিক তাই করতেন। তিনি তার বক্তব্যে মিশিয়ে দিতেন স্থানীয় বহু আগ্রহের বিষয়। তাঁর শ্রোতারা খুব আগ্রহ বোধ করতেন কারণ তাঁর বক্তৃতা শ্রোতাদের পছন্দসই বিষয়ে ভরপুর থাকতো। শ্রোতাদের সঙ্গে বক্তার এই যে একাত্মতা এটাই বক্তার জনপ্রিয়তা আনতে পারে। আমেরিকার চেম্বার অব কমার্সের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আর পরবর্তীকালে মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এরিক জনস্টন যত বক্তৃতা দেন তার সব কটিতেই এই কৌশল প্রয়োগ করেন। ওকলাহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তিনি কিভাবে স্থানীয় জনগণের আগ্রহের বিষয় কাজে লাগিয়েছিলেন দেখুন:

    ……ওকলাহোমা একদিন হতাশার অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছিল, তাকে প্রায় বাতিলের পর্যায়েই ফেলতে চাওয়া হয়েছিল।

    ১৯৩০ সালে অবস্থা এমন হয়ে দাঁড়ায় যে উড়ন্ত দাঁড়কাকের দলও ওকলাহোমাকে পাশ কাটিয়ে যেতে চায়। ওকলাহোমাকে আমেরিকার দিগন্ত প্রসারী মরুভূমির অংশ বলেই প্রচার হতে থাকে…। সবাই বলতে থাকে এখানে আর কোনদিনই সবুজের ছোঁয়া লাগবে না।

    কিন্তু ১৯৪০ সালে ওকলাহোমাই হয়ে ওঠে এক সুন্দর বাগান–আবার ক্ষেতের বুকে বাতাসে দোলে গমের শিষ, বাতাস বয়ে আনে আগামী বর্ষণের ইশারা।

    …এখানে খুঁজে পেয়েছি আশার আলো। ওকলাহোমার ভবিষ্যৎ। এখানে শুধুই ভবিষ্যৎ আশাভরা জীবনের প্রতিশ্রুতি।

    শ্রোতাদের মনের মত বক্তৃতার এমন চমৎকার নিদর্শন আর নেই। এরিক জনস্টন শ্রোতাদের জীবনের অতীত ঘটনাবলি থেকেই তার বক্তৃতার রসদ জোগাড় করেছিলেন। তিনি শ্রোতাদের বুঝতে দিয়েছিলেন তার বক্তৃতা কোন প্রতিবেদন মাত্র নয়-এটা তাদের জন্যই সৃষ্টি করা। কোন শ্রোতার দল, যে বক্তা তাদের আগ্রহের বিষয়ে বলেন, তার কথা না শুনে পারেন না।

    কোন বক্তব্য রাখার আগে নিজেকে একবার প্রশ্ন করে নিন আপনার বলার বিষয় শ্রোতাদের সমস্যা সমাধানে কতখানি সহায়ক হতে পারে। তারপরেই এগিয়ে চলুন। যেমন ধরুন, আপনি যদি অ্যাকাউন্ট্যান্ট হন তাহলে এই ভাবেই শুরু করতে পারেন : ‘আমি আপনাদের দেখাতে চাই করের ব্যাপারে আপনারা কিভাবে পঞ্চাশ বা একশ ডলার বাঁচাতে পারেন…।’ অথবা আপনি যদি একজন আইনজ্ঞ হন তাহলে শ্রোতাদের উইল করার কলা কৌশল সম্বন্ধে বলতে পারেন, আগ্রহী শ্রোতার অভাব হবে না।

    লর্ড নর্থক্লিফকে যখন প্রশ্ন করা হয় ‘মানুষের আগ্রহ জাগে কিসে’ তিনি জবাব দেন : ‘শ্রোতারা নিজেরাই নিজেদের আগ্রহ জাগায়’। এই একটি বিশ্বাসে নির্ভর করেই তিনি সংবাদ পত্রের বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন।

    ‘মাইন্ড ইন দি মেকিং’-গ্রন্থে জেমস হার্ভে রবিনসন অবকাশকে ‘চিন্তার ক্ষেত্রে এক স্বতঃস্ফূর্ত ভাব’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে অবকাশের ফাঁকে মানুষের ধ্যানধারণা একটা নির্দিষ্ট রূপ পেয়ে চলে। আমাদের নিজেদের কাছে নিজেদের চেয়ে আগ্রহের বিষয় আর কিছুই নেই।

    ফিলাডেলফিয়ার হ্যারল্ড ডোয়াইট একবার আমাদের পাঠক্রমের এক ক্লাসের শেষ পর্যায়ে ভারি চমৎকার একটি ভাষণ দেন। তিনি তাঁর টেবিলে উপস্থিত সমস্ত লোকের সঙ্গেই এক এক করে কথা বলেন। তাঁদের প্রত্যেকের সম্পর্কেও বলেন। তাঁরা কি রকম উন্নতি করেছেন, কি ত্রুটি আছে তাদের তার অনেকখানি আবার নকল করেও দেখান। এতে বেশ হাসির ধূম পড়ে যায়। প্রত্যেকে দারুণ উপভোগ করে ব্যাপারটা। ব্যাপারটা সত্যিই আদর্শ। মি. ডোয়াইট জানতেন কিভাবে মানুষের চরিত্র নাড়াচড়া করতে হয়।

    কিছুকাল আগে আমেরিকান ম্যাগাজিনের এক উঁচু কর্মী জন শিডলের সঙ্গে আমার কথাবার্তা হয়। তিনি বলেছিলেন, মানুষ বড়ই স্বার্থপর। তারা কেবল নিজেদের নিয়েই মাথা ঘামায়। তারা সরকার কিভাবে রেল চালাবেন তা নিয়ে ভাবতে চায় না। তারা শুধু জানতে চায় কিভাবে উন্নতি হবে, কি ভাবে মাইনে বাড়তে পারে, কি করে স্বাস্থ্যরক্ষা হবে ইত্যাদি। আমি যদি কাগজের সম্পাদক হতাম তাহলে আমি তাদের জানাতাম কি করে দাঁতের পরিচর্যা করা যায়, গরমে শীতল হওয়া যায়, কি করে উঁচু পদে ওঠা যায়, কর্মচারিদের কিভাবে শায়েস্তা করতে হয়, ব্যাকরণ ভুল কী করে বন্ধ করা যায় এই সবই। মানুষ কেবল মানুষের কথাই আগ্রহ নিয়ে শুনতে চায়। তাই আমি জানাতে চাইতাম কোন লোক কিভাবে কোটিপতি হয়েছে…।’

    এরই কিছু পরে শিডলকে কাগজের সম্পাদক করা হল। সাময়িক পত্রটির প্রচার সংখ্যা ছিল সামান্য। শিডল যা যা বলেছিলেন সম্পাদক হয়ে তিনি ঠিক তাই করলেন। এর ফল কি রকম হল জানেন? একেবারে অত্যাশ্চর্য। প্রচার সংখ্যা বেড়ে উঠল প্রায় দুলক্ষে। তারপর তিন চার থেকে একদম পাঁচ লক্ষে। তারপর দাঁড়াল দশ লক্ষে। এর কারণ, সম্পাদক শিডল পাঠকদের ব্যক্তিগত চিন্তা আর স্বার্থের কথাই বলেছিলেন তাঁর কাগজে।

    এরপর যখন কোন শ্রোতাদের মুখোমুখি হবেন আপনারও চেষ্টা করা উচিত তাদের মনের কথা জেনে সেই বিষয়েই বক্তব্য রাখা। যে বক্তা এই সুযোগ গ্রহণ করতে অপারগ তিনি দেখবেন তাঁর শ্রোতারা অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছেন। তাঁরা সভাস্থল ছেড়ে যেতেই উদগ্রীব।

    ২. সৎ ঐকান্তিক প্রশংসা করুন

    শ্রোতারা এক একজন আলাদা মানুষেরই সমষ্টি। তারা আলাদা মানুষের মতই ব্যবহার করতে চান। খোলাখুলিভাবে কোন শ্রোতাদের একবার সমালোচনা করে দেখুন। তাঁরা সঙ্গে সঙ্গেই সে বিষয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠবেন। আবার কোনভাবে তাঁদের প্রশংসা করুন দেখবেন তাদের হৃদয় মন্দিরে ঢোকার অনুমতি পেয়ে গেছেন। অবশ্য এটা করতে গেলে আপনার ক্ষেত্রে কিছুটা গবেষণা চালাতে হবে। অথচ কেউ যদি বলেন, ‘এমন চমৎকার বোদ্ধা শ্রোতা আমি আগে দেখিনি’ তাহলে কিন্তু কাজ হবে না, কারণ বুদ্ধিমান শ্রোতারা এমন তোষামোদে খুশি হন না।

    বিখ্যাত বক্তা চন্সি এম. ডিপিউ বলেন ‘শ্রোতাদের সম্পর্কে এমন কিছু বলুন যা আপনি জানেন তাঁরা ভাবতেই পারবেন না।’

    এসব ক্ষেত্রে এমন কিছু জানানো ঠিক হবে না যাতে আপনি ভুল করছেন মনে হবে। সেটা করলে শ্রোতাদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়াই ঘটবে। এক্ষেত্রে এটা এড়িয়ে চলাই ভালো।

    ৩. শ্রোতাদের একজন হয়ে উঠুন

    শ্রোতাদের সামনে কোন কথা উচ্চারণ করার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই এমন কথা উচ্চারণ করুন যেন তাদের সঙ্গে আপনার একটা সম্পর্ক রয়েছে। আপনাকে বক্তৃতা দিতে আমন্ত্রণ জানিয়ে যদি সম্মানিত করা হয়ে থাকে সে কথা বলুন। হ্যারল্ড ম্যাকমিলান যখন ইন্ডিয়ানায় ডি পাও বিশ্বাবিদ্যালয়ে স্নাতক ক্লাসে বক্তৃতা দিয়েছিলেন তখন এই ভাবেই শুরু করেছিলেন।

    ‘আপনাদের সাদর অভ্যর্থনায় আমি অভিভূত’, তিনি আরম্ভ করেছিলেন। কারণ গ্রেট বৃটেনের কোন প্রধান মন্ত্রীকে এইভাবে আপনাদের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণ জানানো অত্যন্ত সম্মানের ব্যাপার। তবে আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী পদই এই আমন্ত্রণের একমাত্র কারণ অবশ্যই নয়।

    এরপর তিনি জানালেন তার মা একজন আমেরিকান মহিলা, জন্মেছেন ইণ্ডিয়ানাতেই আর তাঁর বাবা এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রথম আমলের স্নাতক।

    তিনি আরও বলেন, আমি আপনাদের কথা দিতে পারি ডি পাও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত হয়ে আমি গর্বিত এবং আমার গর্ব হচ্ছে এর সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক আছে বলে এবং তাকে আবার নতুন করে ভাবতে উদ্দীপনা পাচ্ছি।’

    আপনারা ধরেই নিতে পারেন ম্যাকমিলান তাঁর বাবা মার সঙ্গে আমেরিকান জীবন ধারার সম্পর্কের কথা বলায় শ্রোতাদের সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধু করে নিতে পেরেছিলেন।

    যোগাযোগ স্থাপন করার আরও একটা পথ হল শ্রোতাদের কারও নাম উল্লেখ করে শুরু করা। আমি একবার এক সম্বর্ধনা সভায় বক্তার পাশেই বসেছিলাম। হলের নানা মানুষ সম্পর্কে তার আগ্রহ দেখে বেশ অবাক হয়ে যাই। নৈশভোজের সময় সারাক্ষণ আশ্চর্য হয়ে লক্ষ করি যে ভদ্রলোক প্রধান আমন্ত্রককে বারবার বিশেষ বিশেষ ভদ্রলোক বা ভদ্রমহিলা সম্পর্কে জানতে চাইছিলেন। তিনি যখন কথা বলার জন্য উঠে দাঁড়ালেন তখনই বুঝতে পারলাম তার আগ্রহের কারণ কী। তিনি চমৎকার কায়দায় বেশ কিছু উপস্থিত ভদ্রমহিলা আর ভদ্রলোকের নাম উল্লেখ করলেন। আমি দেখতে পেলাম তারা এতে অসম্ভব খুশিও হলেন আর তাঁদের মুখও হাসিতে ঝলমল করতে আরম্ভ করল। তাঁদের চোখে মুখে বেশ একটা উত্তাপ মেশানো বন্ধুত্বের স্পর্শ ফুটে ওঠে। সামান্য ওই কৌশলে বক্তা একাজ করতে পেরেছিলেন।

    তবে এখানে একটু সতর্কতা নেওয়ারও প্রয়োজন আছে। ব্যাপারটি অন্য কিছুই নয়–যে নাম আগে থেকে শুনে আপনি উল্লেখ করবেন তাদের সম্পর্কে সঠিক বিবরণ অবশ্যই জেনে নেওয়া উচিত। তাঁদের নাম উপযুক্ত সময়েই উল্লেখ করবেন।

    শ্রোতাদের আরও কাছে টানার অপর কৌশল হল কথার মাঝখানে মাঝে মাঝে সর্বনাম ব্যবহার করা। কখনও তাঁরা’ কথাটা ব্যবহার করবেন না বরং করবেন আপনি বা আপনারা।

    আমাদের নিউইয়র্কের ক্লাসে একজন ছাত্র শ্রোতাদের সামনে সালফিউরিক অ্যাসিড নিয়ে নিচের বিবৃতিটি দিয়েছিল :

    সালফিউরিক অ্যাসিড আপনার জীবনকে নানাভাবেই ছুঁয়ে যায়। সালফিউরিক অ্যাসিড না থাকলে আপনার গাড়ি থেমে যেত। কেননা এই অ্যাসিড দিয়ে কেরোসিন আর গ্যাসোলিন সাফাই হয়। যে বিদ্যুতের আলো আপনার অফিস আর বাড়িতে আলো দেয় তাও এটা না থাকলে সম্ভব হত না।

    ‘স্নান করার সময় যে সাবান ব্যবহার করেন আপনি তাও পেতেন না এই অ্যাসিড না থাকলে, কারণ ওই অ্যাসিডেই তেল শোধন করা হয়। আপনার দাঁত মাজার ব্রাশ বা মাথার চুল আঁচড়ানোর চিরুনিই বানানো যেত না এই পদার্থ না থাকলে।‘

    ‘তাই যেখানে যেভাবেই থাকুন এই পদার্থটিকে কোন ভাবেই এড়িয়ে চলার পথ আপনার নেই।’

    বেশ কৌশলে ‘আপনি’ কথাটা ব্যবহার করে বক্তা শ্রোতাদের একাত্ম করতে পেরেছিলেন তাঁদের প্রচুর আগ্রহীও করতে পেরেছিলেন। আবার এটাও মনে রাখবেন এই ‘আপনি’ সর্বনাম ব্যবহার যখন বিপজ্জনক মনে হবে তখন ব্যবহার করবেন ‘আমি’ বা ‘আমরা’।

    যেমন ধরুন একজন যদি বলেন, ‘আমরা সবাই জানতে চাই কীভাবে একজন ভাল ডাক্তার ঠিক করতে পারা যায়।’ কথাটা বলেছিলেন ড. ডব্লিউ বোয়ার। এরপর তিনি বলেন, এরপর আমরা যখন, আমাদের ডাক্তারের কাছ থেকে সবচেয়ে ভালো পরামর্শ চাইবো তখন কি আমরা জানতে চাইব না ভালো রোগী কেমন করে হতে হয়?

    ৪. শ্রোতাদের আপনার বক্তৃতার সঙ্গী করে নিন

    আপনাদের কখনও কি মনে হয়েছে আপনারা শ্রোতাদের প্রতিটি কথাতেই একটু প্রদর্শন কৌশল দেখিয়ে তাতিয়ে বা মাতিয়ে রেখেছেন? যে মুহূর্তে আপনি শ্রোতাদের কাউকে বেছে নিয়ে কোন বক্তব্য বুঝিয়ে দিতে বা নাটকীয় করে তুলতে তার সাহায্য নেবেন, তখনই তাদের মধ্যে বেশ একটা পরিবর্তন আর আগ্রহ ফুটে উঠতে দেখবেন। নিজেদের শ্রোতা হিসেবে ভেবে নেওয়ার জন্য শ্রোতারা অতিরিক্ত মাত্রায় আত্মসচেতন হয়ে উঠতে চায় যে মুহূর্তে তাদের কোন ভাবে বেছে নেওয়া হয়। বক্তা আর শ্রোতাদের মধ্যে যদি কোন অলঙ্খ প্রাচীর থাকে তাহলে এমন কাজের ফলে সে প্রাচীরের ব্যবধান দূর হয়ে যাবেই। আমার মনে পড়ছে একবার একজন বক্তা গাড়িতে ব্রেক কষলে থামতে কতক্ষণ লাগে বোঝনোর জন্য একজন শ্রোতাকে মঞ্চে উঠে আসার জন্য অনুরোধ করেন। শ্রোতাটি একটা মাপ-জোপ করার ফিতে সহ উঠে এসে সেটা টেনে মঞ্চের প্রান্ত অবধি নিয়ে যায়। সেই সময় আমি বাকি শ্রোতাদের লক্ষ্য করেছিলাম। তারা দারুণ আগ্রহ নিয়ে ব্যাপারটা শুনে যেতে চাইছিল।

    শ্রোতাদের অংশ গ্রহণের ব্যাপারে আমার কৌশল হল সহজে প্রশ্ন করা আর তাতেই বেশ ভালো প্রতিক্রিয়া পাওয়া। আমার কায়দা হল শ্রোতাদের কাউকে উঠে দাঁড়াতে বলে আমার প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা। পার্সি এইচ. হুইটিং তাঁর লেখা ‘হাউ টু পুট হিউমার ইন ইওর স্পিকিং অ্যান্ড রাইটিং’–অসংখ্য ভালো পরামর্শ এ ব্যাপারে রেখেছেন। তিনি বলেছেন শ্রোতাদের সামনে আপনার সমস্যা সমাধানের বিষয় রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। মি. হুইটিং বলেছেন, ‘শ্রোতাদের আমি সহকর্মী বলেই মনে করি।’ একথাটাই এই পরিচ্ছেদের মূল কথা। আপনি যদি শ্রোতাদের আপনার বক্তব্যের সঙ্গী করে নিতে পারেন তাহলেই আপনার কাজ অর্ধেকটাই সম্পন্ন হবে।

    ৫. নিজেকে প্রকাশ করুন

    বক্তা-শ্রোতাদের মধ্যে যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার মধ্যে আন্তরিকতার কোন পরিবর্তন নেই। একবার নর্মান ভিনসেন্ট পীল তার একজন সহকারী মন্ত্রীকে খুব দামী পরামর্শ দিয়েছিলেন। মন্ত্রীটি তার শ্রোতাদের একাগ্র করতে বড়ই হিমশিম খাচ্ছিলেন, তিনি তাঁদের তাঁর মতবাদ গ্রহণ করাতে পারছিলেন না। ডঃ পীল মন্ত্রীকে প্রথমেই প্রশ্ন করলেন তিনি তাঁর বিবেকের কাছে কি আদৌ জানতে চেয়েছেন তিনি শ্রোতাদের পছন্দ করেন কি না, তাঁদের সাহায্য করতে চান কি না, তাঁদের নিজের তুলনায় বুদ্ধিগত দিক থেকে নিকৃষ্ট মনে করেন কি না? ডঃ পীল বলেছেন তিনি নিজে কখনই তার শ্রোতাদের প্রতি আন্তরিক টান ছাড়া মঞ্চে ওঠেন না। কোন বক্তা মঞ্চে আসীন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শ্রোতারা তাকে চুলচেরা বিচার করে ফেলার চেষ্টা করেন। বক্তা হয়তো নিজেকে তাদের তুলনায় জ্ঞানী বলেই ভাবতে চায়। তাই এসব ক্ষেত্রে শ্রোতাদের মন জয় করার সবসেরা পথই হল নিজেকে তাদের সামনে প্রকাশ করে ফেলা।

    মেইনের মার্কিনী সেনেটর এডমাণ্ড এস. মাস্কি এই ব্যাপারটি বোস্টনের আমেরিকান ফরেনসিক অ্যাসোসিয়েশনে বক্তৃতা দেবার সময় বুঝিয়ে ছিলেন।

    তিনি সেখানে বলেন, ‘আজ সকালে যখন এখানে আমার কাজ করার জন্য আসি আমার বেশ সন্দেহ ছিল আমি পারব কি না। এর কারণ হল আমার শ্রোতাদের পেশাদারী গুণাবলী আর তাদের সামনে আমার সামান্য জ্ঞান প্রকাশ যুক্তিসম্মত হবে কিনা। তাছাড়া যতদিন আমি রাজনীতিগত দিক থেকে কাজে নিয়োজিত থাকব, ততদিন আমাদের শ্রোতাদের মধ্যে ভেদ থাকবেই।’

    ‘এইসব সন্দেহ নিয়েই হাজির হয়ে কোথায় শুরু করব বুঝতে পারছি না।’

    সেনেটর মাস্কি অবশ্য ওখান থেকেই শুরু করে চমৎকার ভাবেই এগিয়ে ছিলেন আর অমূল্য একটা বক্তৃতাও দিয়েছিলেন।

    অ্যাডলাই স্টিভেনসন ও এইভাবে নিজেকে বক্তৃতার সময় প্রকাশ করে শ্রোতাদের হৃদয় জয় করতেন।

    মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতাদানের সময় তিনি বলেছিলেন, এই রকম কোন অবস্থায় আমি নিজের ক্ষুদ্রতা সম্পর্কে বড়ই ভাবনায় পড়ে যাই। আমি এক্ষেত্রে কি করব ভাবতেই স্যামুয়েল বাটলারের মন্তব্য স্মরণ করি। সেটা হল : ‘আগামী পনেরো মিনিট কিভাবে কাজে লাগাবো সেটাই আমি জানি না। আর আমার পক্ষে পরের বিশ মিনিটই আমায় ভাবনায় ফেলে দেয়।

    শ্রোতাদের বিরাগভাজন করে তোলার সবচেয়ে সহজ পথ হল নিজেকে তাদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান ভেবে বসা। আপনি যখন জনসংযোগ করেন আর তা আপনার বক্তৃতার মাধ্যমে তখন আপনি থাকেন আসলে একটা শো কেসের মধ্যে। তখন আপনার সব কিছু প্রকাশ হয়ে পড়ে, আপনার দোষ গুণ, আপনার ব্যক্তিত্ব সবই। এক্ষেত্রে সামান্যতম বাগাড়ম্বর বা দম্ভ প্রকাশ করা হয়ে ওঠে মারাত্মক। অন্যদিকে আবার আন্তরিক বিনয় প্রকাশে শ্রোতারা বশীভূত হবেনই এবং সহজেই তাতে তাদের বিশ্বাস অর্জন করা সম্ভব। আপনি যদি জানান যে কোন বিষয়ে আপনার জ্ঞান সীমাবদ্ধ তাতে আপনার শ্রোতারা আপনার প্রতি বিরূপ না হয়ে বরং খুশিই হবেন।

    সমালোচনায় রাগ করবেন না বরং সমালোচনাকে আহ্বান করাই ভালো। ঠিক এমনই করতেন আমেরিকান দূরদর্শনের এড সুলিভান। তাঁর নিজের কিছু ত্রুটি অবশ্যই ছিল! দর্শকরা এ ব্যাপারে তাঁর সমালোচনা করায় তিনি তা হাসি মুখেই গ্রহণ করতেন আর হাসতেও চাইতেন। এতেই তিনি দর্শকের একান্ত প্রিয় পাত্র হয়ে ওঠেন। আসলে দর্শকরা বা শ্রোতারা আন্তরিকতা ঘৃণা করে না।

    কনফুসিয়াস সম্বন্ধে বলা হয় তিনি কোন সময়েই মানুষকে তাঁর জ্ঞানের উদাহরণ দিয়ে চমকে দিতে চাইতেন না। বরং তিনি সহানুভূতির প্রলেপ দিয়ে তাদের আলোকিত করতে চাইতেন। আমাদেরও যদি এই সহানুভূতির ভাব থাকে তাহলে শ্রোতাদের হৃদয় মন্দিরে প্রবেশ, সেটাই হবে চাবিকাঠি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি
    Next Article ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    Related Articles

    ডেল কার্নেগি

    সুখীজীবন ও কাজের সন্ধানে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাফল্যের সহজ পথ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বক্তৃতা শিখবেন কীভাবে – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    স্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    ডেল কার্নেগি

    বরণীয় যারা স্মরণীয় যারা – ডেল কার্নেগি

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }