Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিবর – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প235 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. পরদিন আমি যখন অফিসে গেলাম

    পরদিন আমি যখন অফিসে গেলাম, মনে হল অফিসের সবাই আমার দিকে অদ্ভুত চোখে তাকিয়ে দেখছে। অদ্ভুত, মানে অনেকটা যাকে বলে বিদ্বেষহীন, প্রশংসাসূচক চোখে তাকিয়ে দেখল, যা থেকে অনুমান হর, গতকালের অফিসের ঘটনাটা প্রকাশ পেয়েছে, এবং অধস্তন কর্মচারীরা তাতে খুব খুশি হয়েছে, বোধহয় তাদের ‘লড়াই’-এর সঙ্গে আমাকে মিলিয়ে দেখে নিয়েছে, যদিচ জানি, প্রতিটি লোকই ফেরেববাজ, ফাঁকিবাজ, যে যার নিজের তালে আছে। সবাই চায়, তার সঙ্গে কোথাও মিললেই সে তোমাকে খাতির করবে। অথচ অপরাধ করলে লাভবান হবে, এটা যদি তুমি সুযোগ দিতে পার, সবাই নেবে, আমাকে মারলে যদি সকলের এক বছরের মাইনে ইনক্রিমেন্ট দেয় তাহলে এখনি মেরে ফেলবে, কারণ গরীব আবার ভদ্রলোক, আমার ধারণা তারা সব থেকে মারাত্মক। আমার ঘরে ঢুকেই দেখলাম, টেবিলের উপর একটা কাগজ, তাতে লেখা, হে সাহসী বীর, আমাদের অভিনন্দন গ্রহণ করুন। দেখেই বেয়ারাটাকে চীৎকার করে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কে রেখে গেছে এখানে।

    বেয়ারা ভয়ে জড়সড় হয়ে বলল, নেই দেখা সাব।

    কাগজটা টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে, ওয়েস্ট পেপারের ঝুরিতে না ফেলে, দরজার বাইরে ফেলে দিলাম। যেন ওদের অভিনন্দনের জন্যেই আমি কিছু করেছি। কিন্তু আমি ভাবি, এসব খবর ওদের কাছে যায় কী করে, কারণ সমস্ত ব্যাপারটা তো সিক্রেটের পর্যায় পড়ে এমন কোন খবর দেখি না, যা বাইরে বেরোয় না, অথচ সবই নাকি সিক্রেট।

    কিন্তু কাজ করবার আমি কিছু খুঁজেই পাচ্ছি না, অবিশ্যি একদিক থেকে ভালই হয়েছে, গতকাল থেকে সেই যে শিরা শিরায় ঝনঝনানি, সেটা খুবই বেড়েছে, তার সঙ্গে পেট খামচানো, আর বারে বারে পায়খানা যাওয়াও চেপে ধরেছে। একবার বাথরুম থেকে বেরিয়ে দেখলাম, সেই তুম্‌বোমুখো আবার এসেছে, হাতে একটা খবরের কাগজ। আমাকে দেখাল, যাতে নীতার খাটের ওপর পড়ে থাকা ছবি ও সংবাদ বেরিয়েছে।

    জিজ্ঞেস করল, দেখেছেন নাকি?

    না। সে কি, সকালের খবরের কাগজে–

    দেখি না।

    কিন্তু এখন আমি নীতার ছবিটা দেখতে লাগলাম, আর নীচে লেখা রয়েছে, এই যুবতীকে তার এ্যাপার্টমেন্টে খাটের ওপর মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ময়না তদন্তে জানা গিয়েছে, তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে মারা হয়েছে। অপরাধী এখনো ধরা পড়েনি, পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে। জানি তুম্‌বোমুখো আমার দিকে সেই খোকনের মত অপলক চোখে তাকিয়ে আছে, যাকে বলে আমার মুখের কোন ভাবান্তর হয় কিনা তাই দেখবার জন্যে। কিন্তু কেন, আমি কি উল্লুক নাকি যে ভাবভঙ্গিতে ওকে কিছু বুঝতে দেব। তবু এ কথা ঠিক, আমি ছবিটার দিকে দেখতে দেখতে যেন নীতার গাঁ ছুঁয়ে ফেললাম, এবং এরকম ছুঁয়ে, জড়িয়ে ধরার মত অবস্থা হতেই, হাতটা কেমন নড়ে উঠল, আর তৎক্ষণাৎ কাগজটা তুম্‌বোমুখোর হাতে ফিরিয়ে দিলাম।

    কিছু বুঝাতে পারলেন? তুম্‌বোমূখে জিজ্ঞেস করল।

    আমি বললাম, মরে গেছে বলেই তো কাগজে লিখেছে।

    লোকটা আমার দিকে চুপ করে খানিকক্ষণ তাকিয়ে রইল, তারপরে আবার সেই একই কথা জিজ্ঞেস করতে লাগল, আমি খিস্তির মাত্রা একটু চড়ালাম, এবং শেষ পর্যন্ত বিদায় নেবার আগে জানিয়ে গেল, কাল রাত্রে যে মেয়েটা আমার সঙ্গে ছিল, তাকেও ওরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, অর্থাৎ আমার ওপর ওরা সব সময়েই নজর রেখেছে, এবং ধরেই নিয়েছে, ওই মেয়েটার সঙ্গে আমার আগে থেকেই এ্যাপয়েণ্টমেণ্ট করা ছিল। মেয়েটা কী বলছে না বলেছে, আমি তা জিজ্ঞাস করিনি, তুম্‌বোমুখো বলেওনি, আর মেয়েটা নিশ্চয় আমাকে মনে মনে গালাগাল দিয়েছে।

    যেহেতু কোন কাজই করা যাচ্ছে না, সেই হেতু আমি টেলিফোনে বাগচিকে বলে, (বলার কোন মানে নেই, বাগচিও শুনল মাত্র, কোন জবাব না দিয়ে রিসিভারটা নামিয়ে রাখল। গোঁসা হয়েছে।) লাঞ্চ-এর সময়ে বেরিয়ে গেলাম। আর প্রতি মুহূর্তেই একটা আশঙ্কা হতে লাগল, আফিসের লোকগুলো আমাকে না কিছু বলে বসে, যাকে বলে, বিগলিত হয়ে, বীরত্বের ঠেলায়। ট্যাক্সি পাওয়া দুঃসাধ্য দেখছি, তাই হাঁটতে হাঁটতেই চলেছিলাম, এমন সময়ে একটা গাড়ি, নীল রংএর গাড়ি আমার পাশে দাঁড়াল, দেখে মনে হল, চালকই মালিক, আমার অচেনা, অথচ হেসে বলল, স্যার আমি আপনার কাছেই গেছলাম, আপনার দপ্তরে, শুনলাম এইমাত্ৰ বেরিয়ে এসেছেন, বলুন কোথায় যাবেন, পেঁছে দিয়ে আসি।

    লোকটা নিজের নামটা বলল, কিন্তু আমার কাছে কী দরকার বুঝলাম না এবং আমি কোথায় যেতে চাই, তাও ঠিক জানি না। লোকটা নাকি আমাকে খুবই জরুরী দরকার, কে জানে ইনটেলিজেন্সরই লোক কি না। যখন জানলাম আপাতত আমার কোন গন্তব্য নেই, তখন সে বলল, তা হলে চলুন কোন একটা নিরিবিলি জায়গায় বসে কথা বলে নিই।

    গাড়িতে তুলে নিয়ে লোকটা উত্তর দিকে চলল, আর প্রতি পদে পদে আমার প্রশংসা করতে লাগল, অর্থাৎ আমি যে হরলালের ব্যাপারে খোদ কর্তার সঙ্গে ওর ভাষায় ‘পবিত্র সংগ্রামে’ (উল্লুক!) নেমে পড়েছি, এটা একটা বিরাট ব্যাপার। তারপরে দেখলাম, লোকটা দক্ষিণেশ্বরে এসে হাজির, যেটা মন্দ লাগল না, কারণ কলকাতার বাইরে বলেই একটু ভাল লাগল, যদিচ দোকানপাট, ভিড় এবং মা কালীর দর্শনের জন্য সবাই নানাভাবে ছুটছে, যা দেখলেই মনে হয়, যেন কী পাপ করে সবাই ছুটেছে, অনেকটা গায়ে ঘায়ের জ্বালার মত, ‘ওমা জুড়িয়ে দাও মা’ (মায়ের আর খেয়ে দেয়ে কাজ নেই, বদমাইসি করবে, আর সন্দেশ বাতাস এনে দিয়ে যাবে, আর কালী মূর্তি তোমার ঘায়ের মলম হয়ে যাবে।) এই ভাব নিয়ে, তাড়া খেয়ে চলেছে। আমি জানি না, লোকদের কি লজ্জা করে না, এখন তারা এভাবে ছোটে, আর ভাবে (যা তার কখনোই বিশ্বাস করে না।) মাকে ডাকলে, নির্ঘাত ফল ফলবে, কারণ এ সবই হচ্ছে আসলে সব কিছু পাবার একটা, কী বলব, অবসেশন। সবরকম আকাঙ্ক্ষারই একটা অবসেশন! কিন্তু যে লোকটার গাড়িতে এলাম, সে লোকটার মধ্যে মূর্তি দর্শনের কোন ব্যস্ততা দেখলাম না, কারণ আমাকে নিয়ে সে এত ব্যস্ত (কে লোকটা? আমাদের দপ্তর থেকে মালকড়ি হাতাবার তদ্বির করার জন্যে এরকম করছে নাকি, তাহলে তো মাল মিছেই পেট্রল পুড়িয়ে—কিন্তু তা তো নয়, ও তো অন্যরকম কথা বলছিল।) মা কালীর থেকে আমাকে খুশী করতেই যেন যাকে বলে ব্যাকুল। লোকটা বলল, চলুন স্যার, গঙ্গার ধারে কোন গাছতলায় বসা যাক, আপনার আপত্তি নেই তো?

    আমি বললাম, আপনার কী কথা; কিছুই বুঝতে পারছি না, আপনাকে আমি চিনিই না।

    তা না চিনুন, বলনেই চিনতে পারবেন, চলুন বসি গে।

    ঠিক হুকুম নয়, তবু যেন প্রায় ঠেলেই নিয়ে গেল আমাকে গঙ্গার ধারে, যেখানে শান্তি মোটেই নেই, কারণ কিছু ছুঁড়ি আর ছোঁড়া নিজেদের মধ্যে র‍্যালা করছে, যদিও কেউ যে কার পরিচিত নয়, তা বোঝাই যাচ্ছে, মা কালীর থানে প্রথম শীতের রোদে, সকলেই সকলের শরীর দেখে, একটু গরম হতে এসেছে। কেউ কেউ আবার হনুমানের পিছনেও লেগেছিল, পিছনে লাগা মানে, খাওয়ানো। ওটাই পুণ্যের অংশ কিনা, কে জানে, এবং যে ভাবে ছোলা বাদাম নিয়ে খাওয়াবার জন্যে ডাকাডাকি করছে, মনে হচ্ছে, মা কালীর পূজো দেওয়ার থেকে, এটা আরো বেশী মজার। আর খাওয়াচ্ছেও তো ছোঁড়াছুঁড়িরাই, যাদের এখন দেখলেই বোঝা যায়, ওদের নিজেদের খাই খাই-এর চোখাচোখি হনুমানের চেয়ে বেশী। জানাশোনা জোড়ার ভিড়ও মন্দ নয়, পীরিত পুণ্যি সব একসঙ্গে, আহা মা গো, তোমার সন্তানদের এমন জায়গা আর মিলবে না। আমি আমার সঙ্গের লোকটাকে জিজ্ঞেস করলাম, ওখানে কোন ইউরিনাল আছে কি না। লোকাটা নিশ্চয়ই মুশকিলে পড়ে গেল, যেহেতু ইউরিনাল কোথায় জানে না, তবু ‘আমি দেখছি’ বলে ছুটোছুটি আরম্ভ করে দিল, এবং খোঁজ পেয়ে আমাকে নিয়ে এল। এতটা খাতির, এ অবস্থায় আমাকে কেন করছে বুঝতে পারছি না। ব্যাপারটা নিশ্চয়, এই গাড়লের মত লোকটা (সে রকমই লাগছে আমার) একটা ভুল করেছে। যাই হোক, গঙ্গার ধারে একটু ফাঁকায় এক জায়গায় বসে লোকটা আমাকে সিগারেট দিল, গঙ্গার সৌন্দর্য (উল্লুক) বর্ণনা করল, আবার এও বলল, গঙ্গার চড় পড়ে যাচ্ছে, আজকাল ইলিশ আসছে না, (সালা) ইত্যাদির পর, লোকটা যা বলল, তাতে একে যে কোন শ্রেণীর খচ্চরে ফেলা যায়, তা পর্যন্ত বুঝতে পারলাম না। লোকটা প্রস্তাব করল, ওর একটা কী নাকি পত্রিকা আছে, তাতে খোদকর্তা এবং হরলাল ভট্টাচার্জের সমস্ত কেলেঙ্কারীটা আমি যদি দলিল দস্তাবেজ সহ, ওকে ছাপতে দিই, তাহলে আমার ফটো ছাপিয়ে রাতারাতি আমাকে হিরো করে দেবে, একটা বিগ এমাউন্টও দেবে, উদ্দেশ্য, স্টান্ট দিয়ে বের করবে যে, গরম তেলেভাজার মত হাজার হাজার কপি (ভবানীপুরে সেই তেলেভাজার মত বোধ হয়) বিক্রী হয়ে যাবে, অর্থাৎ কিছু টাকা করে নেবে, যদিচ সেটা আর উচ্চারণ করল না।

    আমি বললাম, আপনি একটা রামখচ্চর লোক।

    কী বললেন?

    রামখচ্চর। আপনার হাজার হাজার কপি বিক্রীর জন্য ওসব আমি করিনি। এখন কেটে পড়ুন, তার আগে এখানে পাইখানা কোথায় আছে, বলতে পারেন?

    লোকটার মুখটা দৈত্যের মত ভয়ংকর হয়ে উঠলেও, হাসতে লাগল এবং বোঝাবার চেষ্টা করল তবু। বলল, তা দেখিয়ে দিচ্ছি স্যার, (আবার স্যার!) কিন্তু আমি জানি, আপনি খুব আপরাইট এ্যাণ্ড ফরওয়ার্ড, আর আপনার মেজাজও ভাল নেই, কিন্তু একটু ভেবে দেখুন। এতে আপনার দিক থেকে—।

    আমার দিক থেকে হালুয়া।

    হালুয়া?

    হ্যাঁ, এখন কাটুন। পাইথনাটা—

    তারপরে হতাশ হয়েও (আশ্চর্য!) লোকটা আমাকে কলকাতায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাইল ওর গাড়ীতে, এবং আমি যাব না শুনে পাইখানা কোথায় বলে দিয়ে চলে গেল, যাবার আগে আর একবার আমাকে ভাবতে বলে গেল।

    কখন যে বেলা পড়ে এল, আমি টেরই পাইনি, এবং একটা পাখী, যেটা আমার কানের পাশ দিয়ে যাবার সময় প্রায় পাখা ছুঁইয়ে চমকে দিয়ে গেল। এমন চমকানি, আমার বুকটা পর্যন্ত ধকধকিয়ে উঠেছে, আর তাতেই সংবিৎ ফিরে পেয়ে দেখলাম, নদীটা নীল, মেন হালকা করে নীল রং গুলে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ওপরের দিকে জলটা লাল দেখাচ্ছে। সূর্যটা খুব বড় আর লাল হয়ে, ওপাড়ের গাছের ডগায় যেন (আমার মনে হচ্ছে) ঘুরছে। বাতাসটা এবার একটু বেশ জোরেই দিচ্ছে। আর বাতাসটা যেন সবকিছুই শুষছে, কেন না, আমার গাটা যেন শুকিয়ে যাচ্ছে এবং সবগাছের পাতাগুলোই তো প্রায় হলদে হয়ে গিয়েছে, কারণ বাতাস শুষছে, তাইতেই ঝরে ঝরে পড়ছে। মাটিতে তো ঝরছেই, উড়ছেই, আমার গায়েও দেখছি, কতগুলো পাতা এসে পড়েছে, টেরি উলের ঠাস বুনোটের কালো রং-এর ওপরে, ওই পাতাগুলো যেন মাটিতে যেমন পড়ে, তেমনি এসে পড়েছে, বেশ স্বাধীনভাবেই। আমি তাই আশেপাশের গাছ গুলোর দিকে তাকিয়ে দেখলাম, সব গাছের পাতাগুলোই বাতাসে কাঁপছে, ওপারের লালচে রোদে চিকচিক করছে, অথচ, দেখছি, তার মধ্যেই এক একটি পাতা খসে পড়ছে, যে কারণে গাছগুলোকে যাকে বলে শীর্ণ দেখাচ্ছে, এর পরে একেবারেই ন্যাড়া হয়ে যাবে। এমন যেন, যাকে বলে বিষয় অথচ সেই ইতি এর মতই একটা নিষ্পাপ ভাবের শীর্ণতা যা নাকি আবার ঠিকই ফাঁপিয়ে ফুলিয়ে ভরে উঠবে। সূর্যটা একেবারেই ডুবে গেল, তবু জলে এখনো সালের আভা, অনেকটা আগুন থেকে তোলা, জুড়িয়ে আসা ইস্‌পাতের মত নদীটাকে দেখাচ্ছে, যার ওপর ঘেঁষে একটাই মাত্র নৌকা চলেছে কলকাতার দিকে, তাতে আবার পাল তোলা। ঠিক এ সময়েই নদীর ওপর ব্রীজে দমদম শব্দ শুনে, তাকিয়ে দেখলাম, একরাশ ধোঁয়া ছড়িয়ে, ব্রীজের লোহার জালের ভিতর দিয়ে একটা জানালা দরজা ছাড়া গাড়ি, নিশ্চয়ই মাল গাড়ি, অনেকাটা যেন দাপিয়ে আর রেগে চলে এল, যা দেখে আমারও গায়ের মধ্যে জ্বলে গেল, আমি না বলে পারলাম না, শুয়োর। আর তখনই যেন আমার খেয়াল হল, এখানে মন্দিরে ছুটে আসা মেয়ে পুরুষরা সব আমার চারপাশে ভিড় করে (ধর্মের সুখে) বাদামভাজা চিবিয়ে চেঁচামেচি করছে। তখন কলকাতার কথা আমার মনে পড়ে গেল, তার মনে পড়তেই মদের তৃষ্ণা বোধ করলাম, (যেন কলকাতা একটা শুঁড়িখানা) তাই উঠে পড়লাম গঙ্গার ধার থেকে। এতক্ষণ যে কী ভেবেছি, কিছুই জানি না, তবে এটা ঠিক, আমি একটা কথা অনেকবার ভাববার চেষ্টা করলাম, নীতা নেই, ও মরে গিয়েছে, অথচ আশ্চর্য, নিজেকে কিছুতেই এ কথাটা আমি বিশ্বাস করতে পারলাম না। এও আবার সেই মামদোবাজীর মতই একটা ব্যাপার মনে হচ্ছে। যাকে নিজের হাতেই মেরে ফেলেছি, তার সম্পর্কে বিশ্বাস করতে পারছি না, সে নেই, এবং আর কখনোই তাকে দেখতে পাব না, ছুঁতে পাওয়া তো অনেক দূরের কথা, এটাকে একটা ভাবনা বলে, মনে করতেই পারছি না, কারণ এ অর্থহীন কথা ভেবে কোন লাভ নেই, তবু (মাইরি) আমার ভিতরটা যেন একটা জেদবশতই মানতে রাজী না যে, নীতাকে (সে যাই হোক) আর কখনই (যেভাবেই হোক) পাব না।

    আসতে গিয়ে, অনেক লোককে, মন্দিরের দিকে যেতে দেখে, আর কাঁসরের ঘণ্টা শুনে, একবার গেলাম, চত্বর পেরিয়ে। মন্দিরের কাছে যেতেই পোকার মত মানুষের ভীড় দেখে গায়ের মধ্যে কী রকম করে উঠল, তাড়াতাড়ি ফিরতে গিয়ে একটা দলজা দিয়ে হঠাৎ পুকুরটা চোখে পড়তে (ওখানেই ইউরিনাল) এগিয়ে গেলাম, কিন্তু একটা ছোঁড়া আর একটা ছুঁড়ি ছিঁটকে সরে গেল, যেন ছিঁড়ে নিয়ে গেল ভয় পেয়ে। দেখে মা কালীর দয়া (আহা বেচারীরা!) আবার ফিরে চলে এলাম। চত্বর থেকে বেরিয়ে যেতে গিয়ে, দরজার সামনে, আলোয় একটা চেনা মুখ দেখতে পেলান যেন। দেখবার জন্যে, ভাল করে চোখ তুলতেই চিনতে পারলাম, সেই তুম্‌বোমুখো লোকটা, ডিভাইন খচ্চরটি। জ্বালালে দেখছি। কোন কথা না বলে বেরিয়ে গেলাম। কিন্তু লোকটা কাছে এসে বলল, কালী। দর্শন করতে গেছলেন?

    না।

    আমি আবার প্রায়ই একটু দর্শন করতে আসি।

    কোন জবাব দিলাম না, দেবার দরকার নেই, জানি মিথ্যে কথা বলছে, আসলে পিছনে পিছন ঘুরছে। মরুক, কিছু বলার নেই। পাশে চলতে চলতে বলল, খুনের এখনো কোন কিনারা করতে পারেনি, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট গলা টিপে হত্যা, বাপ মাকে টেলিগ্রাম করা হয়েছে, আজই তারা ডেভ বডি পেয়ে যাবে রাত্রে, আরো দু জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য, যদিও কিছুই লাভ হয়নি, ইত্যাদি এবং তারপরে, আপনি কি মনে করতে পারলেন, কোথায় ছিলেন?

    নাঃ।

    আচ্ছা, চলি।

    চলবে যে কোথায়, তা জানি, তবে আমার চোখের সামনে আর না এলেই হয়, মাথার উকুন! একটা বাস ধরে কলকাতায় এলাম, বারে গেলাম, দু-এক জন বন্ধুবান্ধব পাওয়া গেল, যারা নীতার মার্ডার নিয়ে নানান কথা বলল, ঝাঁকের মাথায় অনেকে সন্দেহ করে নাম পর্যন্ত বলতে লাগল, কে মারতে পারে। কিন্ত আমার কথা কেউ বলল না। তারপরে কোন মেয়ের কাছে যাব কি না, এটা ভাবতে ভাবতে অনেক আগেই বাড়ি এসে পৌঁছলাম, এবং সেখানে মায়ের কাছে শুনলাম, দপ্তরের খোদ কর্তা আমাকে ডিসমিস করবেনই যদিচ পানিশমেন্ট দেবেন না। এমন কিছু ফাইলপত্র নাকি পাওয়া গিয়েছে, যার থেকে দেখা যাচ্ছে, আমি অনেক অনাচার করেছি, পাপ যাকে বলে, (বাগচি-চ্যাটার্জি-ঘোষ থাকতে আমাকে অপরাধে জড়ানো এমন কঠিন, বিদিশাও পারে।) সুতরাং খেল খতম, যদিচ এখনো পিতৃদেব আমাকে এমন পন্থা বলে দিতে পারেন, যাতে এখনো উপায় হতে পারে। মা বলল, গোঁয়ার্তুমি না করে কর্তাদের কথা মতই চলতে এবং ‘আমার রুবিদি’ (রুবি দত্ত) নাকি ফোন করেছিল, দেখা করতে বলেছে। কিন্তু আমি এখন গর্তের বাইরে এসে পড়েছি। এখন আর আমার বুঝতে একটও ভুল হচ্ছে না, যে মুহূর্তে নীতাকে মেরে ফেলেছি, (‘না মরেনি’ ইয়ারকি!), সেই মুহূর্ত থেকেই বাইরে ছিটকে পড়েছি। ভেতরে ঢোকার পথ বন্ধ, আর জঘন্য স্বাধীনতার আশ্রয়টা বোধহয় এই রকমই, কোথাও ঠেস দিয়ে গুটিশটি হয়ে থাকবার জায়গা নেই, অর্থাৎ যাকে বলে, সুখ নেই।

    কিন্তু আমি জামা প্যাণ্ট খোলবার আগেই কলিংবেলটা বাইরে থেকে বেজে উঠলো, এবং কেউ যেন সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ছুটে এল। আমি দেখতে পেলাম না, কারণ আমার দরজাটা ভেজানো, আমি সবে মাত্র আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কোটটা খুলতে যাচ্ছিলাম, কিন্তু খুললাম না, ভাবলাম হয়তো তুমবোমুখোই এসেছে পরোয়ানা নিয়ে, অতএব কোট খুলেই বা কী হবে? কিন্তু ছুটে যাওয়া পায়ের শব্দ আমার দরজার সামনে এল না চলে গেল বাড়ির কর্তার ঘরের দিকে। যদিচ, তাতে নিশ্চিত হবার কিছু নেই হয়তো ভয়ংকর সংবাদটা বিদিশা আগে ওর বাবাকেই দিতে চায়, ভয়ংকর অর্থাৎ আমার জেলে যাওয়া, (কী ঘেন্না, হারামজাদাটা খুনী।) অথচ জেল-টেল ব্যাপারটা তেমন কিছু মনেই হচ্ছে না আমার। তারপরেই আবার পায়ের শব্দ বেজে উঠল, এবার আমার ঘরের কাছেই, এবং দরজাটা খুলে গেল। বিদিশা (বেচারী! বাড়ির আবহাওয়া দেখে ওর বাঁধা প্রেমিকটিকে বোধহয় আজ বিদায় দিতে হয়েছে।) আমার দিকে তাকাল, ওর চোখে মুখে একটা যেন উত্তেজনার ছাপ। ও কিছু বলবার আগেই আমি সিঁড়ির মুখে মায়ের গলা শুনতে পেলাম, আপনি এসেছেন, আমাদের কী ভাগ্যি, আসুন আসুন।

    বিদিশা আস্তে উচ্চারণ ক্ষরল, রুবি দত্ত।

    আঃ সেই জাঁহাবাজ মেয়েমানুষটি আবার, এবং আহা কি ভাগ্যি আমার মায়ের। পিতৃদেবও নিশ্চয় তার ঘরে মনে মনে উলসে উঠেছেন, আর বিদিশার এত উত্তেজনা ছুটোছুটি, কেন না, নেটোরিয়াস হাবুল দত্তের স্ত্রী, খোদ কর্তার উপপত্নী, (কেনরে উল্লুক, প্রেমিক বলতে পারিস না?) স্বয়ং কলকাতেশ্বরী পিছন দরজার অনেক কুলপকাটি তার আঁচলে বাঁধা, কেন কি না, কলকাতার অনেক ক্ষমতাবান ব্যক্তিরাই যে তার আচলে বাঁধা, কিন্তু বেশ্যা টেশ্যা বলো না বাবা, শী ইজ কালচার্ড, এ জেম্‌!) সেই র্‌র্‌রুবি দত্ত এসেছেন। আমি কলকাতা গলানো সেই, যাকে বলে ‘কণ্ঠস্বর’ তাই শুনতে পেলাম, না না! এ আবার ভাগ্যি কী, একটু এলাম দুষ্টুটার (আই আই!) সঙ্গে দেখা করতে, কোথায় ও?

    তারপরে একটু চুপচাপ, বোধহয় মাতৃদেবী চুপিচুপি কিছু বলছেন, অর্থাৎ বোঝাচ্ছেন, এবং কয়েক সেকেণ্ড পরেই ঠাটেশ্বরী দেখা দিল দরজায়। এক গম্ভীর, একটু মানোকষ্ট, (তা তো হবেই) এমনি মুখের ভাব, যদিচ প্রসাধনে পোষাকে, অন্যান্য দিনের থেকেও যেন বেশী ঝিলিক হানছে। আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অনুমতি না নিয়েই সে ঘরে ঢুকল। দরজা বন্ধ করে, আবার আমার দিকে ফিরে তাকাল। একে বলে দাঁড়ানো, কোথায় যে বাঁক মেরেছে, কোথায় একটু বেশী পা সরেছে, র‍্যালাউলী ছুঁড়িরা এসে দেখে যাক। তারপরে এক পা এক পা করে, চোখের থেকে চোখ না নামিয়ে (সম্মোহন!) আমার সামনে এসে দাঁড়াল, নাকের পাশ একটু কোঁচকালো, বোধহয় মদের গন্ধে। আহা রুবি দত্ত, মদের গন্ধ সইতে পারে না, কিন্তু আঃ শরীরখানি কী মৌজি কায়দায় দেখানো যায়। কেন এখনি ডুবে যায় না। খাঁটি উর্বসী (উর্বশী)। সামনে এসেও অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর, কেবল মুখ ফুটে বেরুল, উঃ, দেখালে বটে!

    আমার মুখটা যে তখন কেমন দেখাচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছি না, তবে মুখের চামড়া-টামড়া নড়ছে না, তা বুঝতে পারছি, এমন কি চোখের তারাও অনড়, মরে গেলাম নাকি। রুবি দত্ত-এর মিঠে গন্ধ মুখ থেকে (গায়ের না মুখের জানি না) আবার বেরুল, কর্তা তো (খোদকর্তা) অবাক যে, তার অফিস সত্যি এরকম ডিসওবিডিয়েণ্ট অফিসার থাকতে পারে। আমাকে বলতে গিয়ে গলার স্বর পর্যন্ত ভেঙে গেল, (ও মা কোথায় যাব!) কিন্তু আমি বললাম, ও রকম ছেলেই নয়, নিশ্চয় কিছু একটা ঘটেছে। অবিশ্যি, আমি আন্দাজ করেছি, নীতার ব্যাপারটাই কোনরকম গোলমাল পাকিয়েছে, হঠাৎ এরকম একটা সংবাদ…।

    রুবি দত্ত-এর চোখে জিজ্ঞাসা, অর্থাৎ কি বলছি কি না? এমনি একটা ভাব, এবং সেই সঙ্গে ঠিক বলেছে কি না, সেটাও আমার মুখ দেখে যাচাই করে নিতে চাইছে, কিন্তু আমি তো বুঝতে পারছি, এ মুখ মরা।

    আবার কাঁচা মাংসের মত রং করা ঠোঁট নড়ল, বলল, না হয় আমি ধরেই নিলাম, তুমি নিজের হাতেই কাজটা করেছ, কেন না আমি জানি জেলাসি মানুষকে সামটাইমস হেলপলেস করে ফেলে। তা সেজন্যেও তোমার ভাববার কিছু ছিল না, তুমি জান, দেয়ার আর সেভিয়ার্স। কিন্তু খোদকর্তার সঙ্গে—না না এ কখনো ভাবাই যায় না। শুনলাম, হরলালের এভিডেন্স-এর কাগজপত্রগুলো পর্যন্ত বাড়িতে এনে রেখেছ। ছিঃ, এ কি ছেলেমানুষি!

    কিন্তু, একি, আমি কি সত্যি মরে গিয়েছি নাকি, কেন না, রুবি দত্ত-এর শরীরের সব থেকে এগিয়ে আসা, একেবারে যাকে বলে সুচাগ্র বিন্দুটিই তো আমার শরীরে লাগছে তবু একবার চামড়া কাঁপল না। গলায় দড়ি দেওয়া উচিত।

    রুবি দত্ত তার হাতের ব্যাগের বন্ধ মুখ খুলল, এক রাশ টাইপ করা কাগজ বের করল, বলল, উইদড্র রিপোর্টটা আমি নিয়ে এসেছি, নাও, সই করে দাও।

    আচ্ছা সেই একটা গানের কলি কেন এই মুহূর্তেই আমার মনে পড়ল, আমি জানি না, কে আবার বাজায় বাঁসসী, এ ভাঙা…। অথচ আমি বলে উঠলাম, আচ্ছা রুবিদি, আজ আপনি সেই বিলেত থেকে নিয়ে এসেছিলেন, দেড়শো টাকা দামের (পাউণ্ডের হিসেব জানি না।) অডিকলনটা মেখে আসেন নি, না?

    একটু অবাক হলেও কলকাতেশ্বরী হাসল, বলল, ওটার গন্ধ বুঝি তোক খুব ভালো লাগে?

    দারুন।

    বেশ তো তোমাকে আমি ওই স্টাফের একটা প্রেজেন্ট করব। এখন নাও, একটা তাড়াতাড়ি সই করে দাও তো।

    আপনার পেটে বোধহয় এ বেলা মাল পড়েনি, না?

    এতটা ফাজলানি করার অধিকার কখনো না পেলেও, রুবি দত্ত এটাকে তাই মনে করল, বলল, ফাজলামি করো না, সে সব হবে এখন, আগে সই করে দাও।

    না, আমি এদের কাউকেই কিছু বোঝাতে পারব না, এমন কি নীতার খুন থেকে রেহাই পাবার জন্যেও নয়। অথচ রুবি দত্ত ধরেই নিয়েছে, আমি তার হাত ধরে গর্তের মধ্যে ঢুকে যাব। তাই আমাকে এবার পরিষ্কার করেই বলতে হল, চলুন, আপনাকে গাড়ীতে তুলে দিয়ে আসি।

    তৎক্ষণাৎ রুবি দত্ত-এর চাবিওয়ালী চোখ দুটি স্পার্ক দিল, আর গলার স্বরেও যাকে বলে বিদ্যুত্তরঙ্গ। বলল, তুমি সই করবে না তা হলে?

    আমি মিথ্যে কথা বলা ছেড়ে দিয়েছি।

    তার মানে–।

    আহা খোদকর্তা যার কোলে মাথা লুটিয়ে পড়ে, সে কী রকম অসহায় হয়ে পড়েছে। আবার বলে উঠল, আমার একটা অহংকার ছিল–।

    কথা শেষ করতে পারল না, কারণ, বিদ্যুত্তরঙ্গ চোখ ও গলা থেকে হারিয়ে গেল এবং শকড, আহত হওয়া যাকে বলে, সেইরকম অবস্থা হল, এবং আমি দেখলাম, কাঁচা মাংসের রং ঠোঁট দুটি আমার চিবুকের কাছে, (ওহো—প্রেম, প্রেমময়ী!) মৃণালভুজ আমার কাঁধে, খোদকর্তার সুখ, আমার বুকে। শুনলাম, প্লীজ, এরকম ছেলেমানুষী করো না, আমার মান রাখ।

    মাইরি বলছি রুবিদি, আমাকে এখুনি বাথরুমে যেতে হবে।

    তার মানে?

    কুবি দত্ত এবার তানে খানি সরে গেল, এবং এবার তার সারা শরীরেই বিদ্যুত্তরঙ্গ। বলল, বড্ড বেড়ে উঠেছ, না?

    হ্যাঁ, ধরে রাখতে পারছি না?

    বেশ, বাড়িতে যেসব কাজ পত্র রেখেছ, সেগুলো দিয়ে দাও।

    সে সব আজ আবার নিয়ে বেরিয়েছিলাম, কোথায় রেখেছি, কিছুই মনে করতে পারছি না।

    ততক্ষণে রুবি দত্ত, যাকে বলে তীরের মত দরজার কাছে সরে গিয়েছে, এবং, সেখান থেকেই কাঁচা খেয়ে ফেলার মত গলা শোনা গেল, তবে প্রস্তুত থেকো।

    দরাম করে দরজাটা বন্ধ হল, পায়ের শব্দ সিঁড়ির দিকে চলে গেল, সেই সঙ্গে আরে পায়ের শব্দ, নিশ্চয়ই মায়ের পায়ের শব্দ, এবং মায়ের গলায় একটা অস্পষ্ট আওয়াজ শোনা গেল, তারপরে নিঝুম। রাস্তায় গাড়ী ট্রাটের শব্দ হল, শুনতে শুনতে আমি আয়নার দিকে ফিরে তাকালাম, এবং নিজের চোখের দিকে তাকিয়ে, আমি যেন আমার মধ্যেই ডুবে গেলাম, আর একটি বড় নিঃশ্বাস বেরিয়ে এল ভিতর থেকে যাতে একটা নিবিড় প্রশান্তি বোধ করলাম। তারপর আঙুল নেড়ে, নিজের ছায়াটাকেই ডাকলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু
    Next Article গঙ্গা – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    সওদাগর – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }