Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিবর – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প235 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. আমাদের বাড়ির ছোট বাগান

    আমাদের বাড়ির ছোট বাগানের বেড়ার ধার দিয়ে বড় রাস্তা থেকে ঢুকতে হয়। যদিও বারান্দা থেকে বেড়ার ধারে সরু রাস্তাটা মাত্র হাত পনেরো, তবু বারান্দার সানসেট্‌-এর তালার আলোটা একটু জোরালো হলে, সবদিক থেকেই ভাল হয়, অথচ প্রায় জিরো পাওয়ারে আলোটা কোন দিনই বদলানো হয় না। এত জঘন্য লাগে আমার, ঠিক যেন মনে হয়, নরকের কাছাকাছি এসে পৌঁছেছি। লালটে মিটমিটে, অন্ধকার অন্ধকার আলো, আর বাগান তো একেবারে যাকে বলে বিশ্বের বিস্ময় হ্যাঙ্গিঙ গার্ডেন, গুচ্ছের কলাবতী ফুল গাছ, যার লম্বা লম্বা পাতা এই মিটমিটে লালচে আলোয় বিচ্ছিরি ধরনের ছায়ার মত দোলে, যা দেখলেই আমার খারাপ লাগে। ভয় আমি পাই না, শুধু আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। কিন্তু বাড়ির যিনি কর্তা, অর্থাৎ আমার পিতৃদেব, তিনি মনে করেন, বাইরের এই আলোটা বেশী পাওয়ারের করা অর্থহীন। কারণ, বারান্দায় আসবার জন্যে, এই আলোই নাকি যথেষ্ট এবং শুধু তাই নয়, বেশী পাওয়ারের আলো দিলেই যেহেতু ওটা যে কোন সময়েই চুরি যেতে পারে, সেই হেতু এভাবে মিসইউজ করার পয়সা নেই। তা ছাড়া, যেটা সন্ধ্যার সময় থেকেই জ্বলবে, সেটাতে বেশী খরচ করা যায় না, এই হল ভদ্রলোকের অভিমত। এই ধরনের হিসেবীদের জন্যেই সম্ভবত সামনে দিয়ে ছুঁচ গলে না, পেছন দিয়ে ফাল গলে যায় কথা শুলোর উৎপত্তি হয়েছে।

    হুম, যা ভাবা গিয়েছিল, তাই, বারান্দা থেকে সোজা দোতালা উঠে যাবার সিঁড়ির দরজা বন্ধ, আর বাঁ পাশের বাইরের ঘরে আলো জ্বলছে, এবং যথাপূর্বং তার দরজাও বন্ধ। আর ঘরের মধ্যে যে এখন কে কে আছে, তা-ও আমার জানা, এবং ঢোকার মুখে এই কংক্রীটের ফালি পথে আমার পায়ের শব্দও ঐ যে সেখানে পৌঁছে দিয়েছে, তাতে কোন সন্দেহ নেই, আর শব্দ পাওয়া মাত্রই যারা, হাতে হাত দিয়ে, গায়ে গা দিয়ে, কে জানে, পায়ে পা গলিরেই বা বসেছিল, নয় তো ঠোঁটে ঠোঁট ঢুকিয়ে–কী বলা যাবে, ওষ্ঠামৃত না কি মুখামৃত পান করছিল (কেন, থুথু-অমৃত বা দাঁতের ময়লা কিংবা পাইরোরিয়ামৃতই বা নয় কেন, জানি না। চোষবার সময় কি আর ওসব মনে থাকে? যদি থাকত, তবে অনেক মুখেই তো মুখ দেওয়া যেত না, অন্নপ্রাশনের ভাত উঠে আসত, ওয়াক্‌! শালা, এক একটা মুখে কী দুগন্ধ মাইরি, কিন্তু আশ্চর্য, তখন একেবারেই খেয়াল থাকে না, যদিও একটা বিঘ্‌নি ঠিক লাগে, তবু এই আর কি, লোহা চিবিয়ে খাবার মত যেমন নোংরার বেহদ্দ হোটেলে বসেও খেয়ে নেওয়া যায়, অনেকটা সেই রকমের, আগে তো কলজে ঠাণ্ডা হোক, তারপর ওসব ভাবা বাবে, তারপরে গা ঘুলোর তো বমি করা যাবে। ওরকম আমার অনেকবার হয়েছে, এমন কি, কোন কোন সময় নীতার মুখেও গন্ধ পাওয়া গিয়াছে। ওর পক্ষে যেটা খুবই আশ্চর্যের, কারণ ওসব বিষয়ে ও খুব সচেতন ছিল, তবু গলায় ফ্যানিনজাইটিস না কী বলে, ঠাণ্ডা লাগলে গলা ব্যথা করে কিংবা পাকস্থলী পরিষ্কার না থাকলে দুর্গন্ধ ঠিকই বেরোয়, আমারও বেরোয়, লিভার-টিভার খারাপ থাকলে তো কথাই নেই, যে-কারণে দুর্গন্ধের ভয়টা আমারই বেশী, তবে পেটে একটু হুইস্কি-টুইস্কি থাকলে, ওতেই মেরে দেয়া। তা ছাড়া, আমি তো ওর দাঁতের ফাঁকে এঁটে-থাকা খাবারের কুচিও অনেক সময় গিলে মিরে দিয়েছি, নীতাও নিশ্চয় দিয়েছে, যেমন আজও ওর মুখের মাংসের কুচি বা আমার মুখেরটা ওর মুখে চলে গিয়েছিল, এবং মুশকিল তখন মুখ খুলে, ওগুলো থুথু করে ফেলা যায় না, গিলে ফেলতে হয়, পরে ভাবলে অবশ্য একটু ঘিন ঘিন করে, যদিচ, নীতা বেলায় আমার আবার তেমন কিছু মনে হয় না, এখনো সেরকম মনে হচ্ছে না, ওর হত কি না জানি না, কোনদিন বলেনি।) যাক গে, হ্যাঁ, বাইরের ঘরে, দরজা বন্ধ করে যারা বাড়িতে বসেই সুবোধ বালক-বালিকার মত প্রেম করছিল, তারা নিশ্চয়ই নিজেদের আলাদা করে, যাকে বলে সভ্য ভব্য হলো, যাকে বলে শালীন হয়ে বসেছে, এবং সিঁড়ির দিকে যাবার দরজাটাও বন্ধ ছিল, সেটাও টুক করে গিয়ে খুলে দিয়েছে, যাতে আমার কাছে প্রমাণ করা যায়, দেখ নির্ভাজ সাদা কাগজের মত দুটিতে বসে আছি নিতান্ত খোকা খুকু, তবে যদি বল, এত রাত্রি পর্যন্ত বাইরের ঘরে তোমরা দুটিতে বসে এত কী জরুরী কথা বলছ, সেটা কেমন অভদ্র সন্দেহপ্রবণ বলে মনে হয় না? শত হলেও ভদ্রলোকের ছেলেমেয়ে, মা-বাবার মনের কথাও জান, হ্যাঁ, ওই আর কী, একটা এনগেজমেন্ট মাদি ঘোষণা করা যায়, অ্যারেঞ্জমেন্ট করে তো আর, যাকে বলে সম্বন্ধ দেখে বিয়ে দেও, ওরকম কিছু চাপিয়ে দেওয়া তো  আর চলে না। লেখাপড়া শিখেছে, বড় হয়েছে সবাই, আর বাড়িতে বসেই যখন কথা বলছে, বাইরে গিয়ে তো কিছু বেলেল্লাপনা করছে না (যেন কেউ দেখতে গিয়েছে, সন্ধ্যার কে কোথায় কাটিয়ে এসেছে।) অতএব, এটা তো লুটবেই, তোমাকে এই স্বাধীনতা মেনে নিতে হবে। এই স্বাধীনতা! কৃত স্বাধীনতা যে তলিয়ে গেল, সে খবার কে রাখে।

    তবু, অর্থাৎ জুতোর শব্দে সাবধান হলেও, শব্দ পাওয়াটা জানতে দিতে নারাজ, তা হলে সাবধান হওয়াটা খানিকটা প্রমাণ হয়ে যায়, অতএব, আমাকে কলিংবেলের বোতামটা টিপতেই হয়, এবং আমাকেও বুঝে নিতে হবে, বাইরের ঘরে কেউ নেই, অতএব আমি ইচ্ছে করেই বেশী সময় ধরে বোতাম টিপে ধরি, যেন ওপারের লোকদের কানে যাবে বলেই টিপতে হচ্ছে, আর সঙ্গে সঙ্গে দরজাটা খুলে যায়। দরজা খুলেই সামনে দাঁড়ার বিদিশা, (কেন যে এ ধরনের দাম রাখা হয়েছে, আমার জানা নেই, ওটা যতদূর জানি, একটা, জায়গার নাম, তার মানে বিদিশা সেরকমই একটা জায়গা, ওর বাবা-মা কি তাই ভেবে ছিল, নাকি কানে শুনতে ভাল লেগেছিল বলে জানি না, তবে দিল্লী বোম্বাই কাঠমাণ্ডু কারমাটার কী দোষ করেছিল।) আমার সহোদরা, যাকে ভগ্নী বলে আর কী। ওর মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, যেটা বলতে চাইছে, খুলেছি বাবা আর টিপতে হবে না, যদিও সেটা না বলে, মুখের ভাবেই বোঝাতে চাইছে, এবং আমার বোঝবার কথা নয়, কারণ আমি তো জানি না নিচে বাইরের ঘরে এখন কেউ আছে, অতএব তুই একটা নেকী, আমিও একটু ন্যাকা, যদিও অবিশ্যি পরমুহূর্তেই আমি মুখের ভাবটা করি, ও, তুই নিচেই আছিস নাকি বুঝাতে পারিনি। জানি, আমার মুখের দিকে তাকাবেই, বিদিশা (ওকে বাড়িতে খুকু বলা হয়, আহা, বোনটি আমার খুকুমণি, পার করেছেন কজনই, যাঃ বাবা, কবিতাই বলে ফেললাম, খচ্চরটির প্রতিভা আছে বলতে হবে।) নাকে গন্ধ নেবার চেষ্টা করছে, আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে চাইছে, দাদাটি কী পরিমাণ গিলে এসেছেন, যদিও বাড়িতে মাতলামি করবার পাত্র আমি নই, কখনো করিনি, শুধু আমার প্রতি মনে মনে একটা ভয় ঘৃণা ওর আছে আর সেটি মদ খাবার জন্যেই নয়, বাড়ির সঙ্গে আমার সম্পর্কটাই এমন যে, আমি রোজগার করে ওদের মাথা কিনেছি, আমি বড়, অতএব আমাকে রেসপেক্ট করতেই হবে। অথচ আমরা নিজেদের বেশ ভাল করেই জানি, মোটামুটি কার কী মতলব, যে-সব মতলবগুলোর অধিকাংশই হল, কেউ কার কড়ি ধারে না, সবই বুজরুকি, যে-যার নিজেরটা ঠিক বুঝে নেবার তালে আছে, চালিলে যাও বাবা, মরুক গে ছাই, বয়ে গেছে, কার ঝাড়ে কে বাঁশ কাটে এনিভাবে বললে যেরকম বোঝায়, তবু যেমনটা হতে হয়, আমি জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা ও কনিষ্ঠা ভগ্নি এই ধরনের ওপরের তাপ্পিগুলো বজায় আছে। তুমি কার কে তোমার এ-সব ভগবৎ কাব্য বোঝা হয়ে গিয়েছে বাবা, দুনিয়াদারী ফক্কিকার সবাই বুঝে বুঝে নিয়েছি, তবে কেউই সেটা খোলাখুলি দেখায় না, যদিও মনে মনে সবাই জানে। তার ওপরে, আমার মত যদি বড়ই ভাবিত বা অতীব দায়িত্বশীল (ঘরে নয়, বাইরে, নইলে ছললাটা বজায় রাখা যায় না।) ভাবভঙ্গিগুলো বজায় রাখা যায় না। ভাবভঙ্গিগুলো বজায় রাখা যায়, কিংবা কিছুটা দুর্মুখ বলে প্রমাণ করা মাত্র তা হলে তুমি একটি উৎকৃষ্ট বদ বলে বাড়িতে গণ্য হতে পারি, যে-কারণে সবাই তোমাকে ভয় করবে, ঘৃণা আরো বেশী, কারণ, একটু বেশী খোলাখুলি হয়ে যেতে হয়। তাতে অবিশ্যি সুবিধাটা এই, কেউ বিশেষ ঘটাবার সাহস পায় না, নিজের কোট বজায় থাকে, আর অনেক ফালতু সুযোগ নেওয়া যায়, কারণ, সত্যি বলতে কি, কারুর জন্যে আমার তেমন দুঃখ-টুঃখ হয় না, সেরকম অনেকের দেখা যায় বা শোনা যায়, আমার জন্যেও অন্য কারুর হয় বলে আমি বিশ্বাস করি না, শালুক আমি চিনি। নো কথা হল দিয়ে সংসার-টংসারের রূপোট ভাল লাগে না, যাকে বলে পরিবার, ফ্যামিলি, কারণ, ওসব কাকে বলে আমি বুঝি না।

    ঘরে ঢুকতেই যেটা প্রথা লক্ষ্যণীয়, সেটা হল বশংবদ কুকুরের মত হাসি (কুকুর সে হাসে, তাতে কোন সন্দেহ নেই।) ও লেজ নাড়তে নাড়তে, প্রায় আমারই বয়সী একটা লোক উঠে দাঁড়াল, এই লোকটা—আর্থাৎ বর্তমানে যে বিদিশার প্রেমিক, কত নম্বর, আমি সেটা ঠিক বলতে পারব না, কারণ, বিদিশার সঙ্গে বেশী রাত অবধি গল্প করার অধিকার থালি এ-লোকটাই পায়নি, আরো কয়েকজন পেয়েছে (এই হিসেবটা অবিশ্যি বাড়ির হিসেবের কথা বলছি, যাকে বলা যায়, পিতা-মাতার অনুমত্যনুসারে—কেননা, আজ সন্ধ্যে বেলাতেই কার সঙ্গে কোথায় ঘুরে এসেছে, কে জানে, হয়তো এ-লোকটিকেও ধাপ্পা মেরেছে, সে এখন অনুমত্যনুসারে এত রাত্রি অবধি র‍্যালা করার সুযোগ পেয়েছে, কারণ, এটি নিশ্চয়ই, সমাজে নাম করা, পিতৃদেবের বন্ধুস্থানী এমন কোন ভদ্রলোকের ছেলে, চাকরিটিও মন্দ করে না, অতএব–) সে আমাকে বলে উঠল, এই যে দাদা, ফিরলেন?

    এই দাদা উচ্চারণটা ঠিক রাস্তার লোকের দাদা বলার মত নয়, অনেকটা বিদিশার সঙ্গে নৈকট্য প্রনণের জন্য, রেসপক্‌টর-এর সুরে বলা, অর্থাৎ বিদিশার দাদা, (ওরও দাদা ও বাবাকেলে দাদা), যদি বিয়ে হয়, তবে তো তাই বলবে আমাকে, সেটা এখন থেকেই গেয়ে রাখতে চায়। হয়তো গতকাল রাত্রে এ সময়ে অন্য কোন বাড়িতে, আর কোন বিদিশার কাছে গিয়েছিল, কিংবা কে জানে, ইয়ারদোস্তদের সঙ্গে কোন বেশ্যাবাড়িতেই গিয়ে বসেছিল, চেনা আছে সবাইকে, কিন্তু আমার হাতে কিছুই যায় আসে না। যা পাবে ঝেড়ে নিয়ে যাবে, তাতে আমার কী করার আছে, বিদিশার শরীরটা তো আর আমার না। আর বিদিশার বাবা মা-ই যখন সুযোগ দিয়েছে, যারা মরে, তারা হল, মেয়ের নৈতিক পাহারাদার—তখন দাদাই বা সুযোগ দিতে পারবে না কেন।

    হেসে (প্রাণের হাসি) বললাম, হ্যাঁ। না ফিরলে সুবিধে হত তা জানি, কারণ অভিভাবকদের সম্ভবত সেইরকম না বলে অনুমতি দেওয়া আছে, মোটামুটি আমি রোজ যে সময়ে ফিরে থাকি, সে সময় পর্যন্তই নিচে বলে কথা বলা যাবে। আর এখন বাড়ি আসা মানে ফেরা-ই, বেরুনো নয়, এবং এ ধরনের ন্যাকার মত কথা সবাই বলে থাকে, অন্তত যাতে কিছু একটা কথা বলা যায়, বিশেষ করে সেখানে, যে-লোকটা সব থেকে অপ্রয়োজনীয়, যার সঙ্গে কথা বলা দূরে থাক, যার মুখটাও সারাদিনে একবার মনে পড়েছে কিনা সন্দেহ, যে লোকটার কথা মনে কোথাও ছিল না, একমাত্র কোন কারণে যদি সন্দেহ হয়ে থাকে, এই বুঝি বাড়ি আসছি; তাহলে আজকের মত লীলাখেলা সাঙ্গ) অথচ কথা না বলেও কোন উপায় নেই, কারণ সেটা আবার বড় বেমানান লাগে। অবিশ্যি, আমার বাড়ি ফেরার একটা বাঁধাধরা সময় প্রায়ই থাকে, যদি না বিশেষ কিছু যোগাযোগ ঘটে যায়। যেন আজ যদি নীতার সঙ্গে কোন হোটেলে খেতাম বা নীতার কাছে সারা রাত্রি থাকার সুযোগ পেতাম তা হলে নিশ্চয়ই দেরী হত, এবং সে ক্ষেত্রে মাতৃদেবীর নিশ্চয়ই টনক নড়ত, এবং সিঁড়ির ওপরে দাঁড়িয়েই বলত, (কী জানি, নিচে গেলে মেয়েকে আবার কী অবস্থায় দেখতে হয় কে জানে, যদিও একেবারে খোলাখুলি র‍্যালা কিছু নিশ্চয়ই সাহসে কুলোবে না, তবু হাত ধরাধরি বা চুমো খাওাখায়ি, তাহলেই তো মহাভারত অশুদ্ধ।) তুই কি নিচে রয়ছিস নাকি?

    তার মানে, জানি নিচে রয়েছিল, কিন্তু দেরী হচ্ছে, তোর দাদা তো এখনো এল না, এবার উঠে আয় এই হচ্ছে মূল বক্তব্য; ভদ্রলোকদের কথা তো সব সময়েই, সেই ততো ক্যাপসুলের ওপরে একটি পিঠে কোচিং দেবার মত করেই কথা বলতে হয়, কারণ এটাই হচ্ছে শানিত, যদিও আমার ধারণা খুকু কতদূর পর্যন্ত এগোবে, এটা তার মায়ের ভাল করেই জানা আছে, আর মেয়েরা মেয়েদের খুব ভাল করেই জানে, সে মা তার মেরেই হোক আর যা-ই হোক, ওরা দু-এক কথার ভেতর দিয়েই নিজেদের মধ্যে বোঝাবুঝি করে নেয়, একেবারে খোলাখুলি পষ্টাপষ্টি কিছু না বুঝিয়ে বললেও চলে দেখেছি; তবু এই চেনাচেনিটা আছে বলেই শেষ পর্যন্ত অবিশ্বাস না করে উপায় নেই, কারণ জানে, ওদের কদম কদম পেছুবার রীতিটা, কখন এক সময় সব কদমা পেরিয়ে এক লাফে সামনে গিয়ে পড়বে, যেহেতু একবার মনে মনে রাজী হয়ে গেলে আর রক্ষে নেই, আর পুরুষরা তো এগিরেই আছে।

    তবু আমি একবার বিদিশার মুখের দিকে তাকালাম, এবং ও ঠিকই অনুমান করল, আমি কী দেখেছি, যে কারণে মুখের একটি অতি সরল (সেই নিষ্পাপ পবিত্রতা।) ভাব করে, অন্য দিকে তাকিয়ে, আর নিশ্চয় মনে মনে আমাকে শয়তান বা পাজি জাতীয় বিছু বলল, কে জানে তার চেয়েও খারাপ কিছু কি না, হয়তো থুথুই দিয়ে দিল আমার মুখে। তখন লোকটা, নামটা মনে পড়েও পড়ছে না, যাক গে।) আবার বলল, এইমাত্র আপনার কথা হচ্ছিল, আপনার আসতে আবার দেরী হবে কি না।

    সত্যি? মাইরি? কেন, ওপর থেকে ডাক পড়েছিল নাকি। আমি হাত তুলে ঘড়ি দেখলাম, এগারোটা বাজতে পাঁচ, প্রায় এ সময়েই তো ফিরি, বিশ পঁচিশ মিনিট দেরী হয়েছে হয়তো। বললাম, খুব দেরী হয়নি তো। বসুন।

    বলতে বলতে আমি সিঁড়ির দরজার দিকে এগোলাম, এবং বসুন বলাটা ভদ্রতার মধ্যে পড়ে তৎসহ হাসি হাসি ভাবটা, যদিও বসুন বলা কেন, ও দৌড়ে রায় গিয়ে গাড়ি চাপা পড়লেও আমার কিছু যায় আসে না, ওর অস্তিত্বের প্রায় কোন অনুভূতিই আমার নেই, তবু এরকম মিথ্যে কথাই তো সব সময় বলি। তা ছাড়া তুমি যে এখন যাবে না, বা আর একজন তোমাকে যেতে দেবে না, তাও আমি জানি, আর সেটাই তো ওহো, কী গভীর প্রেম। প্রাণটা ‘স্মসান্‌’ হয়ে গেল মাইরি।

    আমি বসুন বলাতেই যেন তা গলে গেল, বলল, না, আর বসব না। অনেক রাত হয়ে গেছে।

    তবে গোল্লায় যাও শালা মনে মনে বললেও, নেহাত একবার ঘাড় ফিরিরে তাকাবার ভঙ্গি করে আমি সিঁড়ি দিয়ে উঠতে আরম্ভ করলাম। আমি তার বিদিশা ছাড়া এ বাড়িতে আর যে তিনটি ছেলেমেয়ে আছে, তারা এতক্ষণে শুয়ে পড়েছে নিশ্চই, কারণ এ সময়ে তারা তাই পড়ো সবাই ভবিষ্যতের ‘আমি’ আর ‘বিদিশা’, যদিও ছেলেবেলা অনেক কিছু মনে হয়। যেমন গান্ধী বা রবীন্দ্রনাথ বা বিদ্যাসাগর বা বিবেকানন্দ, সবাই ওইরকম একটা কিছু হয়ে উঠবে, কারণ আমাদের সবাইকে ছেলেবেলায় ওইরকম একটা কিছু হয়ে ওঠের জন্যেই তালিম দেওয়া হত, এখনো হয়, এবং আচ্ছা, সবাই যদি তাই হয়ে উঠত, গোটা দেশ জুড়ে সব ছেলেরাই যদি কোটি কোটি প্রতিভাবান, আর মেয়েরা সব সরোজিনী নাইডু বা শ্রীশ্রী মা সারদা, তাহলে ব্যাপারটা কী রকম দাঁড়াত। দাঁড়াত বোধহয় এই, ছেলেদের আর রোজগারের কথা ভাবতে হত না, মেয়েদের আর বরের কথা ভাবতে হত না, যে জন্যে ছেলেবেলা থেকে এত তালিম, সে সবই তো তখন হাতের মুঠোর এসে যেত। আহা, ভাব একবার গোটা ভারতবর্ষের ছবিটা, এখন যেমন কথায় কথায় বলা হয়ে থাকে, রবীন্দ্রনাহের ভারতবর্ষ, বিবেকানন্দের ভারতবর্ষ, গান্ধীজীর ভারতবর্ষ অর্থাৎ অনেকটা আক্ষেপ করেই যেন বলা হয়ে থাকে, নতুন ভারতবর্ষ যাদের হাতে তৈরী হয়ে উঠেছে, সেই ভারতবর্যের এ হেন দুর্দশা, দুর্দশা কোথায়, বেশ তে চলেছে বাবা! এফিসিয়েণ্ট মন্ত্রিসভার ভারতবর্ষ, ফিল্‌ম স্টারদের ভারতবর্ষ, ডেমোক্র্যাটিক জনতার ভারতবর্ষ, ডেমোক্রাটিক—ইয়ার্কি নয়, বেশী এদিক-ওদিক করলে এমন মুভমেট করব, পার্লামেন্ট কাঁপিয়ে দেব, অ্যাসেম্বলি ঝুলিয়ে দেব, আমাদের স্‌সব অধিকার আছে।) তথা সেই ভারতবর্ষের ঘরেবাইরে রাস্তা-ঘাটে হোটেল-রেস্তেরাঁয় পান-সিগারেটের দোকানে, সর্বত্র প্রতিভাবান মনীষা ও বিদূষীতে গিজ গিজ করছে। আচ্ছা, এখন আবার দলাদলি মারামারি হত না তো? যারা রবীন্দ্রনাথ, তারা বলল, রবীন্দ্রনাথের ভারতবর্ষ। যারা গান্ধী, তারা বলল, না, গান্ধীজীর ভারতবর্ষ! হুম্‌, এতক্ষণে নতুন করে পেটের দ্রব্যগুণ চাগিগে উঠল কিনা কে জানে, নইলে এসব মাথায় আসছে কেন, বেশ তো আছে ভারতবর্য, বেশ তো আছি বাবা, এখন না হয় ভারতবর্ষটা আমাদেরই, মোট কথা আমার ভাইবোনেরাও ঠিকই আছে, ড্রেন পাইপ প্যাণ্ট, কচি ঠোঁটে সিগারেট, কচি শরীরে আট-খাটো ছোট ফ্রক, টুইস্ট এবং ভবিষ্যতের দিলদরিয়া স্বপ্ন, বিলকুল ঠিক আছে। ঘুষের মালকড়িটি নিয়ে এস, রুবি দত্ত আঁচলে চাবির গোছা বাঁধা থাকুক, যাতে পেছনেয় দরজা খোলা যায়, ঠিক কামাল করে দেব। তা ছাড়া ভাইবোনদের আমি কতটুকুই বা চিনি, কতক্ষণই বা দেখতে পাই, ওদের সঙ্গে আমার কতটুকুই বা পরিচয়, ওঁরাই বা আমাকে কতটুকু চেনে? কারণ ওদের সঙ্গে আমার সম্পর্কই বা কী, তার চেয়ে চোখ বুঝলে অফিসের বস, ঘুষ দেওয়ার পার্টি এবং বার-এর বেয়ারা এবং মেয়েদের মুখ আমার অনেক আগে মনে পড়ো ওরা ওদের নিয়ে আছে, আমি আমাকে নিয়ে আছি, আমরা কেউ কাউকে চিনি না, কারণ ওরাও চোখ বুজলে অন্য কিছু দেখতে পায়। আমি সেখানে কোথাও নেই, থাকলে যে অনেক ঝামেলা হত, কোন সন্দেহ নেই।

    সিঁড়ি দিয়ে উঠে, প্রথম ঘরটাই বলতে গেলে আমার, আমার একার থাকবার জন্যে, এবং প্রথম ঘরটাই আমার জন্যে নিদিষ্ট হওয়ার কারণ আর কিছুই নয়, যতটা সম্ভব বাইরের দিকে আমাকে রাখাই যুক্তিযুক্ত মনে করেছে গৃহকর্তা ও কর্ত্রী, কারণ আমি কখন ফিরব না-ফিরব তার কোন ঠিক-ঠিকানা প্রায়ই থাকে না। পারিবারিক নানান ব্যাপার (কী ব্যাপার আমি অত সব জানি না। আমার গোচরে জানাটাও তাদের অভিপ্রেত না এবং আমার নিজের দিক থেকেও সেটাই বাঞ্ছনীয়, গুড়ের কোটায় মাছির মাত্র, (পারিবারিক জীবন।) নিজেদের বেগ সব কিছু নিয়ে মাখামাখি করে থাকতে আমার ঘেন্না করে। মোট ঘর খান চারে, রান্নাঘর আর খাবারঘর ছাড়া সম্ভবত এ হিসেবটি আমার ভুল হচ্ছে না, এটি জোর করে আমি তাও বলতে পারি না, কারণ, আমার আট বছর বয়সে এ বাড়িতে আসা হয়েছে, এখন থেকে আমি, নিজেকে নিয়ে এত বেসামাল যে, আরো দু-একটা ঘর আমার অগোচরে থেকে গেলে আশ্চর্য হবার কিছু নেই। সব থেকে শ্রেষ্ঠ ঘর, যেটা আলো-বাতাস বেশী আছে, যেটা সব থেকে বড়, সেইটি বাড়ির কর্তার জন্যে নির্দিষ্ট আছে। কর্তার জন্যে নির্দিষ্ট মানেই কর্ত্রীর জন্যও বটে। আর সেটাই তো নিয়ম, বস্‌-এরা বরাবরই সব কিছুর ভালটা ভোগ করবে, তা সে বাবাই হোক আর যেই হোক। বাদবাকীগুলোতে তাদের সন্তান-সন্ততিরা থাকে যাদের তারা প্রচুর টাকা রোজগার ও খ্যাতিমান হবার এবং শাঁসালো বর পাকড়াবার জন্যে, ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে মানুষ করছে।

    আমি ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে আমার সামনে দাঁড়ালাল, হুম,–-চোখগুলো সত্যি কাল হয়ে উঠেছে এবং ছোট দেখাচ্ছে, এবং দুঃখটা, নাঃ খারাপ নয় তেমন, এখন অনেকটা কী যেন নামা সেই তারকা টির, হলিউডেরই হবে বোধহয়, লামাটা মনে করতে পারছি না, তার মত দেখাচ্ছে। চোখ টিপে নিজে একবার ইশারা করলাম, কোটটা খুলে ওয়ার্ডবের মধ্যে হ্যাঙারে ঝুলিয়ে দিলাম। তারপরে (নিচে দরজা বন্ধ হবার শব্দ হল, ওঃ বিরহ দিয়ে গেল…) সার্টটা টেনে তুলতেই নিচের ছেঁড়া অংশ বেরিয়ে পড়ল, আর সঙ্গে সঙ্গে তার কথা মনে পড়ে গেল। আমি ছেঁড়া জাগাটা তুলে দেখলাম, হ্যাঁ ঠিকই, নীতার নখের রং লেগে আছে এবং আমার মনে পড়ে গেল, পেটের কাছে নীতা খামচে ধরেছিল, মন পড়তেই, দুটো বোতাম খুলে প্যাণ্ট নামিয়ে দিয়ে নিচু হয়ে দেখলাম, শুধু ধরেনি, অস্পষ্ট নখের দাগ পড়ে গিয়েছে এবং একটু ব্যথাও হয়েছে। হাত দিয়ে অনুভব করে দেখলাম, চামড়ার ওপরটা একটু ফুলে ফুলে উঠেছে, নখ দিয়ে আঁচড়ালে যে কম হয়, আর নখ দিয়ে আঁচড়াবার সময় হয়তো এমনও হতে পারে যে, টেরিলিনের এক-আধটা সুতোর ফুঁপড়ি ওর নখে লেগে রয়েছে, কারণ ওর নখগুলো ছোট ছিল না, সুন্দর করার জন্যে বেশ বড় বড়ই রাখত, (যত সুন্দর তত ধারালো, যাতে মাংস অবধি তুলে নেওয়া যায়, সৌন্দর্যের তত্ত্বটা সেরকম কি না, আমি জানি না। অতএব পুলিসের চোখে যদি সেটা ধরা পড়ে, পড়বেই, যদি থেকে থাকে, তাহলে ধরেই নেবে, যে মেরেছে তার গার টেরেলিনের জামা ছিল বা শাড়ি। অবিশ্যি টেরেলিনের শাড়ি থেকে সার্টের কথাটাই আগে ভাববে এবং এই সার্টটা যদি আমার কাছেই থাকে, অসম্ভব নয়, হয়তো আমার এই ঘরটাও সার্চ করতে আসতে পারে। তাহলে নির্ঘাত ধরা পড়তে হবে। তৎক্ষণাৎ সার্টটা খুলে আমি দলা পাকিয়ে ফেললাম, বিছানার তলায় ঢুকিয়ে দিলাম। পরে, অর্থাৎ আজ রাত্রেই যাতে এটাকে একেবারে নষ্ট করে ফেলতে পারি, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। ভাগ্যিস, এসব কথা আমার পড়ে যাচ্ছে, তাই রক্ষে। ধু-র, খুনের এত ঝামেলা, তবু খুনীরা, যারা খুন করলে ভেবে করে, তারা এত ফ্যাচাং পোহায় কী করে! কিন্তু কী করা যাবে, আমি তো আর ভেবে এসব কিছু করিনি, অথচ এসব আমার মন পড়ছে, যেন অনেকটা দৌড়ে বাসে উঠে, ভিড়ের মধ্যে একটা লোকের পা মাড়িয়ে দেবার মত, অনিচ্ছাবশত, তবু যেন অপরাধ করে ফেলেছি এবং তার জন্যে তাড়াতাড়ি নিজেকে সাবধান করে নেওয়া, আর যাতে অপরাধটা (এটা অপরাধ কি না জানি না, ভিড় হলে পা মাড়িয়ে তো যাবেই, অন্যরাও যেতে পারে, যেন নীতা আমাকে মেরে ফেললেও বলার কিছু ছিল না।) গোপন করা যায়, তার জন্য খুবই কায়দা-কানুন করে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া, যাক মিটে গেল। সেইভাবেই সব মিটিয়ে ফেলতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্যি ওরকম ক্ষমা চেয়ে নর, অন্যভাবে সবই গোপন করে ফেলতে হবে।

    প্যাণ্ট সার্ট সব খুলে ফেলে একবার আড়মোড়া ভাঙার জন্যে গোটা শরীরটাকেই আঁকিয়ে-বাঁকিরে আয়নায় নিজেকে আর একবার দেখলাম, আর সেই মুহূর্তেই আমার গাটা ঘুলিয়ে উঠল। কিন্তু ঘুলিয়ে ওঠবার তো কিছু নেই, কারণ নেশাই জমেনি, অতএব মদ খেয়ে বমি করার মত অবস্থা আমার হয় নি। তবু গা ঘুলিয়ে উঠল শুধু নয়, মাথাটা বোঁ করে যেন একবার পাক খেতে গেল, যেটা প্রায়ই অবিশ্যি হয়, সেটা প্রেশার না উইণ্ড, সঠিক জানি না, কিন্তু এখন এরকম হবে কেন। এমন নয় যে, একেবারে খালি পেটে আছি। নীতার রাত্রের খাবার মাংসের কিছু পরিমাণ তো আমার পেটেই ঢুকেছে, তবু, হ্যাঁ, মুখে যেন খানিকটা জল জলই কাটছে। আমি গলায় একটা হাত, আর পেটে আর একটা হাত রেখে স্থির হয়ে একটু দাঁড়ালাম। আশ্চর্য, আর শীতও করছে না। একটু সামলে নেবার জন্যেই যেন অনেকটা চুপি-চুপি, স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম এবং ঢোক গিলে গিলে জলকাটা ভাবটা সামলে নিতে লাগলাম, আর আস্তে আস্তে মনে হল, আবার সব ঠিক হয়ে আসছে। জানি না, কুঁচো কৃমির দৌরাত্মটা আবার বেড়েছে কি না, যেগুলো আমার পেটে প্রায় মোরসী-পাট্টাই গেড়েছে, সময়মতো ঠিক নাগাড় দিয়ে ওঠে। অথচ তবু আয়নার সামনে নিজেকে আমার মন্দ লাগাল না দেখতে। আস্তে আস্তে সরে গিয়ে পাজামাটা বের করে নিয়ে, যেন পড়ে যাবে, এমনিভাবে, যাকে বলে খুব সাবধানে পায়ের মধ্যে দিয়ে গলিয়ে পরলাম, একটা জামাও চাপালাম। আসলে শরীরটা বেশী নড়াচড়া পছন্দ করছে না বোধহয়, একটু চুপচাপ থাকতে চাইছে। যদিচ বাথরুমে আমাকে একবার যেতে হবে, কারণ ঘাড়ে মাথার একটু জল না দিলে চলবে না মনে হচ্ছে, আর সেরকম বুঝলে, গলায় আঙুল দিয়ে, পেটটাকে খালি করে ফেলতে হবে। কি জানি বলা যায় না, বার-এ মালের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে দিয়েছিল কি না, কিংবা করপোরেশনের জলের মধ্যে কিছু ছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু
    Next Article গঙ্গা – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    সওদাগর – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }