Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিবর – সমরেশ বসু

    সমরেশ বসু এক পাতা গল্প235 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. এখন আমি সাবধান হয়ে গিয়েছি

    এখন আমি সাবধান হয়ে গিয়েছি, আর তাড়াতাড়ি না, আস্তে আস্তে এ গিয়ে দরজা খুললাম, আর খুলেই দেখলাম শ্ৰীমতি অনুসূয়া দেবী দাঁড়িয়ে। যাঁর একমাত্র দাবী হল তিনি আমাকে গর্ভে ধারণ করেছেন। ভগবান জানে মাইরি, কিসের দাবী এবং কে সেই দিব্যি দিয়েছিল, আমি তাবা-তুলসী নিয়ে হলফ করে বলতে পারি, আমি এর কিছুই জানতাম না। দেখলেই বোঝা যায়, অনসূয়া দেবী ক্লান্ত, বড় বড় চোখে ব্যথার ছায়া, একটু বা বিরক্তি, তারপরে জানি না সেখানে কোন উদ্বেগে ছাপও আছে কি না। আপাতদৃষ্টিতে যে শান্ত মাতৃমূর্তি দেখা যাচ্ছে, জানি, তার মধ্যে অনেক অভিযোগ-অনুযোগ ইত্যাদি সব চাপা পড়ে রয়েছে, যেগুলো ব্যক্ত করার ইচ্ছে থাকলেও জানে, সময় বা সুযোগ নেই। বা সময় সুযোগ থাকলেও আর একজনের গ্রাহ্য করার মত অবস্থা নয়।

    অনুসূয়া দেবী এগিয়ে এসে প্রথমেই জিজ্ঞেস করলেন, ডক্টর বাগচিকে ফোন করেছিলি? কী বললেন?

    সত্যি বলতে কি, কথাটা শুনলাম, তাই এখন আমার মনে পড়ল যে, আজ ডক্টর বাগচিকে অনুসূয়া দেবীর স্বামী সম্পর্কে একটি খবর দেবার ছিল ও ওষুধ বদলানো হবে কি না এই সংবাদটাও নেবার ছিল, অথচ কথাটা আমার একবারের জন্যও মনে পড়নি এবং কোনদিনই মনে পড়ে না, এটা জেনেও বারে বারেই কেন যে এসব দায়িত্ব দেওয়া হয়, আমি বুঝতে পারি না। যেন, তুমি ভুলেই যাও, আর যাই কর, তোমার মনে থাকুক বা না থাকুক, তোমাকে আমরা এ বিষয়ে সব সময়েই বলে যাব, কারণ এটা তোমার কর্তব্য, এবং কর্তব্য থেকে তোমার বিচ্যুতি যাতে না ঘটে, সেটাই আমাদের দেখা উচিত, অতএব—অতএব আমার যা মুখে এল তাই বললাম; হ্যাঁ, খবর দেবার তো কথা ছিল, কিন্তু অফিসে গিয়েই দেখি, ইমিডিয়েটলি বাইরে একটা কাজের জন্য যাবার অর্ডার রয়েছে, চেয়ারে পর্যন্ত বসতে পাইনি, এমন তাড়াহুড়ার ব্যাপার যে, তারপরে আর মনেই ছিল না।

    অবিশ্যি এটা সত্যি কথাই যে, কথাটা এখন নিছক মিথ্যে বললেও এরকম আমাকে মাঝে মধ্যে যেতে হয়, কারণ আমার চাকরিটাই সেরকম, প্রায় সারা পশ্চিমবঙ্গব্যাপী যে কোন জেলাতেই চলে যেতে হতে পারে। অবিশ্যি বেশী দূরে গেলে হয়তো কিছু সময়ের নোটিস পাওয়া যায়, কিন্তু কলকাতার মধ্যে বা চব্বিশ পরগণা বা হুগলি, বিশ পঁচিশ মাইলের মধ্যে হলে, সঙ্গে সঙ্গেই চলে যেতে হতে পারে, তাই মিথ্যে বললেও সততার সঙ্গে তার একটা যোগাযোগ আছে যাতে আমার মায়ের পক্ষে তার প্রতিবাদ করা সম্ভব নয়। প্রতিবাদই বলতে হয়, কারণ আমি জানি, এ ধরনের বাজে কথা অকপটে আমি এত বলেছি, এবং সেগুলো সবই মিথ্যে তা মায়ের পক্ষে একেবারেই না বোঝার কোন কারণ নেই, যদিচ বুঝেও প্রতিবাদ করার উপায় নেই যেহেতু উভয় পক্ষই জানে, তাতে ব্যাপারটা খুব সুবিধে হবে না, অতএব মা মনে মনে ভাবেন, হারামজাদা, তবু তোকে ছাড়ব না তোকে দিয়ে আমি এসব কাজ করাবই, কারণ ছেলে হিসেবে তুমি বাধ্য, সংসারের সবকিছু দেখাশুনা করার, আর ছেলে ভাবে, তোমার স্বামী শাহেনসা ঘরে বসে বসে দশ রকম ব্যাধিতে ভুগবেন, আর আমাকে রোজ রোজ ডাক্তারের কাছে জ্যেষ্ঠ পুত্রের কর্তব্য করতে যেতে হবে, সে গুড়ে বালি। যদিচ আপাতত মা ও ছেলেকে দেখে, পরস্পরকে কিছুই বোঝা যাবে না, দুজনের মাঝখানে জন্মগ্রহণ বা জন্মদান করার সূত্র ধরে যে সব দাবীদাওয়াগুলো জন্মায়, সে সবের কোন কিছুই নেই, কারণ তার কোন যুক্তি নেই (আমার তাই বিশ্বাস।) এবং মাতা ও পুত্র এমনি কতগুলো চলতি নিয়মের নিষ্প্রাণ চলন্ত ছবির (তার মানে কি, বায়স্কোপের ছবি?) মতই আমরা চলেছি, অথচ সত্যি বলতে কি, তৎসত্ত্বেও যে ছাড়াছাড়ি হয় না, তার কারণ, উভয় পক্ষেরই কিছু লেনদেনের ব্যাপার আছে, আর সবটাই মিথ্যে ও শূন্য, এই আমার ধারণা, যদিচ এ ধারণা মিথ্যে হতে পারে, কি আসল কথা হল এই রে, মায়ের দিকে কোন সত্য-টত্য আছে কি না জানি না, কিন্তু আমার কাছে সবই মিথ্যে, আমি কিছুই অনুভব করি না।

    এর পরেই আমি জানি, মা বাবার কথা বলবে, এবং আমার আচরণের ত্রুটিগুলোর কথা এমন একটা আহিংস বেদনামথিত স্বরে বলবে, যেটাকে এরকমের ছলনা বলেই আমার মনে হয়, কারণ ওভাবে বললে যদি ছেলের হৃদরের পরিবর্তন হয় (হৃদয় বহুকাল পাথর হয়ে গেছে মা, ওটিকে তার গলাতে হচ্ছে না।) যার অর্থ হল, নিজেদের প্রয়োজনে লাগানো যায়, উপকার দিলেই হৃদয়ের পরিবর্তন বলে গণ্য করা যাবে কি না! এবং মা বললও তাই, উনি আজ কদিন ধরে তো ঘর থেকেই প্রায় বেরুতে পারছেন না, সকালবেলা বেরিয়ে যাস, রাত্রে ফিরিস, ফিয়েও তো একটু যেতে পারিস। শত হলেও বাপ তো।

    সে বিষয়ে কোন সন্দেহই নেই, মা যখন বলছে যে, শত হলেও উনি আমার বাপ, এবং এটা কখনো বুঝাতে পারি না, উনি জন্মদাতা হয়েছে বলেই আমার কাছে এই সব দাবিদাওয়াগুলো কেন। এখন, নিচে বিদিশার সঙ্গে ওই লোকটার যদি কিছু হয়ে যায়, ভাল কথায়, দৈহিক মিলন বলতে হবে বোধ হয়, সান্ত্বনা হিসেবে খুবই অসুবিধাজনক যদিও, তাই, দু-তিন মিনিটের মধ্যেই প্রেমের এক হাত পরাকাষ্টা দেখে দিতে হবে, এবং তাতে যদি একজন দশ মাস দশ দিন পরে পৃথিবীতে এসে পড়ে, যার বিষয়ে কোন চিন্তা মূর্তি, ছবি, আচার আচরণ, কোন কিছুর চিহ্ন দূরে থাক, নিতান্ত সুখের উন্মাদনাতেই মশগুল, তারপরে ভবিষ্যতে তার কাছে জন্মদাতা বলে গোঁফ মোচড়ানো, দাবিদাওয়াগুলোর মানে কী। যে এল, আসার জন্যে তার নিজের ইচ্ছা অনিচ্ছা, দায়দায়িত্ব কিছুই নেই, এবং যে মুহূর্তে এল, সেই মুহূর্তেই ওর গায়ে একটা চিমটি কেটে দেখ, ওরই লাগবে, ও-ই চেঁচাবে, তোমার গায়ে কোথাও লাগবে না। (লে হালুয়া!), এটা কী রকম একটা অবিচার বলে বোধ হচ্ছে না? তোমরা যা খুশি তাই কর তো, কিন্তু আমি কেন এলাম, এ কৈফিয়তটা আমাকে কেউ দেবে না, একটা কুকুরের বাচ্চাকেও কেউ দেয় না, সে চায়ও না, কেননা, তার কোন ইচ্ছা অনিচ্ছা ভাবনা চিন্তা নেই, কিছুই জিজ্ঞেস করতে পারে না, অথচ আমার আবার সে সব আছে, অতএব এ চিন্তাটা আমার মাথায় ঠেলে উঠলেই, তখন অত্যন্ত অসহায়ভাবে নিজেকে একটা ইচ্ছেওয়ালা কুকুরের বাচ্চা বলে মনে হয়, একটা, কী বলব, দুঃসহই বলতে হবে, একটা দুঃসহ ঘৃণা উথলে উঠতে থাকে, উথলে উঠতে থাকে এই কারণেই যে, আমার ইচ্ছেগুলো আমার ইচ্ছে পূর্ণ হবার নয়, কতগুলো নিয়ম কানুনের মারফত আমাকে চলতে হয়, যে শিক্ষাকানুনগুলোর সঙ্গে আমার ইচ্ছার কোন মিল নেই অথচ যেহেতু আমার ইচ্ছাগুলোকে জলাঞ্জলি দিয়ে চলা একেবারেই সম্ভব নয়, সেই হেতু আমি একটি মিথ্যেবাদী হয়ে উঠেছি, এবং নিয়মকানুনগুলোকে কাঁচকলা দেখাচ্ছি, যেমন সবাই দেখাচ্ছে। আর ইচ্ছগুলো ভীরু কুকুরের বাচ্চার মতই ভেতরে ঘেঁউ ঘেঁউ করে মরছে, কারণ ইচ্ছে মানেই তো সে স্বাধীন, অথচ সেই স্বাধীনতাকে মেনে নিয়ে আচরণ করব সে সাহস নেই, স্বাধীনতাকে সকলের মত আমিও বেজার ভয় পাই। আমি আমার গর্তের মধ্যে বেশ রসেবশেই আছি। সকলেই গর্তের মধ্যে আছে, আমার বাবা তার নিজের গর্তের মধ্যে বেশ ভালই আছেন, মরবার ভর নিয়ে, আত্মসুখের জন্য চিরজীবন সংগ্রাম করে, যেখানে পাপপূণ্যের কোন প্রশ্ন থাকতে পারে না, অর্থাৎ সেই চলতি নিয়মকানুন বা নিয়ন্ত্রণই বলা যায়—সবগুলোকে কাঁচকলা দেখিয়ে, অথচ গায়ে আঁচড়টি লাগেনি (শাহেনসা লোক!) উপযুক্ত লোকদের লাগেও না, যে কারণে আমাকে শুধু চাকরির অন্ধিসন্ধি অলিগলিই নিজে দেখিয়ে দেননি, চলাফেরাটাও একটু চোখ কান মেলে যাতে হয় চুপিচুপি গলায় সেটা সাবধান করতেও ভোলেননি, অর্থাৎ চাকরির মধ্যে ঘুষ বদমাইসি ফেরেববাজীর নানান রাস্তায় আমি যেন একটা পাকা ধূর্ত শেয়ালের মত চলতে পারি, গোঁফের ডগায়ও যেন একটু রক্ত লেগে না থাকে। বাপ তো শত হলেও, ছেলের এটুকু উপকার না করলে চলবে কেন, কেবল ভদ্রলোকের গর্তের মধ্যে ওই একটা দোষ নিয়মকানুনের দোহাই দিয়ে বাপের দাবিদাওয়াগুলো পেশ না করে পারেন না। কারণ তিনি আমার কাছে কৃতজ্ঞতা দাবী করেন, কারণ সেই একই যে, তার দাবি তিনি আমাকে পৃথিবীতে এনেছেন, যে-পৃথিবীতে আমি বাস করছি, (ওহো, কী অপূর্ব জায়গা, আমার গোটা জীবনটাই আজ এই সময় পর্যন্তই তার প্রমাণ) এবং যদি এখন জিজ্ঞেস করি, বেশ করেছেন, কিন্তু কেন? তা হলেই রাগের চোটে কথা বন্ধ হয়ে যাবে, কিংবা চীৎকার করেই উঠবেন, ইউ ডেভিল, ইউ ডেয়ার টু আস্ক… আথবা এর থেকেও খারাপ কিছু, বেরিয়ে যা শুয়ারের বাচ্চা আমার সামনে থেকে এবং তা গেলেই আমার যাওয়া হয় না, আমি যে এসে পড়েছি। আর এই সব দাবিদাওয়ার পেছনে যে নৈতিক যুক্তিগুলো আছে সেগুলো তিনি আমাকে খাইয়ে পরিয়ে মানুষ করেছেন, অর্থাৎ ছোটবেলার বাঁচিয়ে রেখেছেন, ওর নিজের ইচ্ছামত জামাকাপড় পরা, খাবার, শিক্ষা সবকিছু দিয়ে, সেটাও নিজে ইচ্ছা এবং বাসনা চরিতার্থ করার জন্যেই, যতদিন আমার ইচ্ছা অনিচ্ছাগুলো জেগে ওঠেনি। হ্যাঁ, বলা যায়, মেরে ফেলেননি কেন হয়তো ফেলতেন, কিন্তু বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছেন, তাই রেখেছেন, তখন যদি জানতেন, আমি ঠিক আপনার ইচ্ছা অনিচ্ছার দাস হব না তাহলে কে জানে, আপনার খুন করবার সাহস হয়তো হত, কিন্তু আর সকলের মত আপনি ইচ্ছা চরিতার্থ করতেই বেশী মনোযোগী হয়েছিলেন, কারণ এই ব্যাপারে পশুরাও আপনার মতই করে থাকে, কারণ, সত্যি বলতে কি, রোজকার যত রকম প্রাকৃতিক ব্যাপারে মতই, ওটা নিজের তাগিদেই করেছেন। যেমন কার্যকারণ জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও, রাস্তার কুকুর তার বাচ্চাগুলোকে চাটে, আর মুখে নিয়ে আশ্রয়ে ঢোকায়, কারণ ওটা প্রবৃত্তি, খিদে পেলে খাবার মতই। যদি না পারতেন, তাহলে এ দেশের হাজার হাজার বাচ্চার মত আমিও কুকুরের বাচ্চার মত রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষে করে বেড়াতাম, অকালেই পটল তুলতাম, অনাথ আশ্রমে জায়গা হত, কিংবা অভাবের তাড়নায় বা আপনার বদমেজাজের একটি থাপ্পড়েই মানবলীলা সংবরণ করতে হত। মোট কথা, ওই দাবিদাওয়াগুলোর কোন ভিত্তি নেই, এখন আমি যখন নিজের অনিচ্ছার এই পৃথিবীতে উপস্থিত, তখন আমার ইচ্ছাই আমাকে চালাবে, যদিচ যেই ইচ্ছার স্বাধীনতাকে প্রকাশ করতে ভয় পাই বলে। আমি একটা গর্তে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছি এবং বেশ মিথ্যে কথা বলে সকলের সঙ্গেই দিব্যি কাটিয়ে দিচ্ছি, কারণ আমরা তো জানি, আর কেউ সত্যি কথা বলি না, সত্যি আচরণ করি না, তাই প্রত্যেকেই একটি করে গর্ত বেছে নিয়েছি, আর পরাধীনতার সুখে বেশ আছি।

    তবু সত্যি বলতে কি, গর্তের সুখ, পরাধীনতা যাকে বলে, তাকে মাঝে মাঝে স্বাধীনতা এমন তেড়ে আসে যে, গর্তের সুখটুকু যায়-যায় হায়-হায় করে ওঠে, যেমন কি না একজন পকেটমারকে ধরে সবাই মিলে যখন রক্তাক্ত করে, আর আমি তার প্রতিবাদ করি, কারণ এতে পকেটমার-অপরাধের সুরাহা হবে না, এটা আইনও নয়, অক্ষম ক্রোধের, কী বলল, জিঘাংসা মাত্র, তা হলে আমাকেও রক্তাক্ত করে ছেড়ে দেবে। কারণ আমি স্বাধীন ভাবে সত্যি বলে ফেলেছি। আইনের হাতে ছেড়ে দিতে বলেছি। কিন্তু এই স্বাধীনতার বদলে, আমিও যদি সকলে যা করে, সকলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে লোকটাকে ঠ্যাঙাতাম, কিংবা চুপ করে দেখতাম আর বেশ গর্তের, নির্ঝঞ্ঝাট গর্তের ভিতর থেকে উপভোগ করতাম, সেটাকেই আমি পরাধীনতা বলতে চাইছি। অর্থাৎ, যা অন্যায় অবিচার ভুল আর মিথ্যা, যা আমাদের জীবনের চার পাশে শিকড় গেড়ে বসে আছে, যে কোন দিকে চোখ তুলে তাকালেই তা দেখা যায়, এমন মেলে নিয়ে থাকাটাই গর্তের সুখে থাকা। পরাধীনতা যাকে বলে, আর এর বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আমাকে ঠেলে দিতে চাঃ, মাকে আমি বনতে চাই, তেড়ে আসে। এবং এই তেড়ে আসাটা নিজেই অনেক সময় জানতে পারি না, যে কারণে বলতে হয়, নিজেকেই বোধ হয় ঠিক চিনি না, জানি না, কেননা, যেমন ধরা যাক, আমার পরাধীনতা এবং গর্তের সুখের মধ্যে, প্রায়–কী বলব—প্রায় মধ্যমণির মতই তো নীতা ছিল, যাকে বলে, গর্তের সুখের মধ্যমণি, স্বাধীনতাই তাকে হঠাৎ মেরে ফেলল। দিব্যি দুজনে মিথ্যে বলে, মিথ্যে নিয়ে দিন কাটিয়ে দিচ্ছিলাম, যেটাকে বোধ হয় আপোষ বা, কী জানি, একেই অ্যাডজাস্টমেণ্ট বলে কি না, এই সব করে কাটিয়ে দিচ্ছিলাম, তুমিও যা, আও তাই, এই রকম চিন্তা করেই, বেশ মানিয়ে গুছিয়ে চালিয়ে যচ্ছিলাম, কিন্তু আপোষহীন স্বাধীনতা, যাকে বলে একেবারে অচমকা কনুয়ে ভর করে বসল, নীতার গলায় চেপে বসল, যার মানে, আমি আমার গর্তের বাইরে চলে এসেছিলাম। কেননা, ও নীতা, ওর সঙ্গে এত ছলনা, মিথ্যা, উভয় পক্ষেই, ঠিক সহ্য করা যাচ্ছিল না, যে কারণে পরাধীনতার আপস সইল না। জীবনে আর কখনো এরকম গর্তের বাইরে আসিনি, যে কারণে এখন তাড়াতাড়ি ভেতরে আবার লুকোবার তালে আছি, ঢোক্‌ ঢোক্‌, (শালা) পালা পালা জলদি, এইভাবে বলছি আর খুনের সব চিহ্ন নিশ্চিহ্ন করার কথা ভাবতে হচ্ছে। জানি না একবার বাইরে বেরিয়ে পড়লে আর ভিতরে যাওয়া যায় কিনা। কিন্তু সত্যি, স্বাধীনতা একদিক থেকে অতি কুৎসিত, যদিও নীতা মরার পর, সেই যে কী বলে, একটা প্রশান্তি না কি, একটা অগাধ শান্তি বোধ করছি।

    কিন্তু যাই হোক, আমি এখন গর্তে, এবং গর্তের ভেতর থেকেই, আপাতত অনুসূয়া দেবীকে, গর্তের ভাষাতেই ভাষাতেই বললাম, আজ রাত্রে আর দেখা করব না, কাল অফিসে বেরোবার আগে একবার যাব।

    যাব না জানি, কারণ আমি যখন যাব মনে করব, তার আগেই জীপের হর্ন শোনা যাবে, তখন আমাকে ছুটেই বেরিয়ে যেতে হবে, আর এখন একটা মুখের ভাব করলাম যেন, মদ-টদ খেয়ে এসেছি, এ অবস্থার আর পিতৃদেবের কাছে আমাকে যেতে বলো না। দেখলাম অনসূয়া দেবীর কাছে সেটা কাজে লাগল, আসলে যাওয়াটাই তো বড় কথা নয়, এবার ইচ্ছে আছে, সেটাই বড় কথা, অর্থাৎ হাতে আছি এই জাতীয় একটা সান্ত্বনা এবং সেই সঙ্গেই এখন না যেতে চাওয়ার সুমতিও একটা মস্তবড় কথা। শালুক চিনেছে……। মা সরে গেল, আমি সোজা বাথরুমের দিকে গেলাম, এবং বাথরুমে ঢুকেই উৎকট দুর্গন্ধে আমার গা-ঘুলনো শরীর আরো ঘুলিয়ে উঠল, যার কারণটাও আমার জানা যে জগদীন্দ্রনাথ (পিতৃদেব) বাথরুমে এসেছিলেন, এ দুর্গন্ধের বৈশিষ্ট্যটা তারই, আথচ জল ঢেলে দিয়ে যাননি, পারতেন কি না জানি না, পারলে তিনি দেবেন না, তিনি কর্তা, কেন তোমরা ঢেলে দিতে পার না যেন এমনি একটা ভাব, অথচ অপারগ হলেও কাউকে বলতে দোষ কী, বা না এলেই বা ক্ষতি কী, ভাবতে ভাবতেই, এ পুরলো ঘটায়, আমি ঝেঁজে চীৎকার করে উলাম, বাথরুমে কে এসেছিল, কে?

    এত জোরে চীৎকার করলাম যে, বিদিশা সবে নিচে থেকে ওপরে আসছিল, ও ছুটে এল, আর চাকরটা কোথায় ছিল জানি না, সে আরো আগে ছুটে এল, এবং বলল, বাবা এসেছিলেন।

    রাগে এবং ঘৃণায় একই মুহূর্তে একটা অসুস্থতা বোধে, আমি আগের মতই উৎকার করে উঠলাম, এসেছিলেন তো জল ঢেলে দিতে কী হয়েছিল, দুর্গন্ধে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাবার যোগাড়। বেডপ্যান আছে কী করতে?

    ইতিমধ্যে চাকরটা বালতি বালতি জল ঢালতে আরম্ভ করেছে এবং বিদিশা (শেষ চুমোর আবেশটা বোধ হয় মাটিই হয়ে গেল, মনে মনে নিশ্চয় ছোটনোক ইতর ইত্যাদি বলে গালাগালিও দিচ্ছে আমাকে।) আমার দিকে একবার তাকিয়ে যেন চুপ করতে বলতে চাইল আমাকে এবং যেন আর ব্যবহারে খুবই অবাক হয়েছে, বিরক্তি হয়েছে, এরকম একটা ভাব করে মুখ ফিরিয়ে আস্তে আস্তে চলে গেল। গোটা বাড়িটা যেন ভূতের বাড়ির মত একেবারে নিশ্চুপ কী বলব, যেন দম বন্ধ করে রয়েছে মনে হল, কোথাও কোন সাড়া শব্দ নেই। চাকরটা বেরিয়ে যেতেই দড়াম করে দরজাটা বন্ধ করে দিলাম, সেখানেই দাঁড়িয়ে রইলাম এবং পিতৃদেবের মুখখানি পরিষ্কার দেখতে পেলাম, বিছানায় শোয়া গম্ভীর থমথমে মুখ, (আসলে এখন খুনীর চেয়েও ভীষণ হয়ে উঠেছেন মনে মনে, বোধ হয় এই মুহূর্তেই কেউ আমার কাটামুণ্ডুটা নিয়ে যেতে পারলে তাকে পুরস্কার দিয়ে দিতে পারেন, আলাউদ্দীনের কাছে খিজিরের কাটামুণ্ডু!) মনে মনে যা বলছেন বুতেই পারছি। চোখ দিরে যদি রাগের চোটে জলও বেরিয়ে পড়ে, তা হলে আশ্চর্য হবার কিছুই নেই, আর মায়ের অবস্থাও প্রার তথৈবচ, যদিও বাবার মত ঠিক অতটা ভয়ংকর না, তা হলে উপায় থাকলে সামনে এসে আমাকে একটু ধাক ধামক করতে পারলে ভাল হত। চারটার ওপর দিয়েই মায়ের রাগ যাবে এবং একটু অনুশোচনাও বটে, যদি জানা থাকত, স্বামী গিয়েছিলেন বাথরুমে তা হলে নিজেই একটা ব্যবস্থা করতে পারতেন। কিন্তু আমার বারোটা বেজে গিয়েছে, কারণ আমি দাঁড়িয়ে পড়েছিলাম এই জন্যে যে, চীৎকার করার পক্ষেই ইলেকটি কের তারে ঘা মারলে যে রকমা বলেন, একটানা শব্দ হয় খানিকক্ষণ ধরে, সেই রকম শব্দ হচ্ছিল আমার শরীরের ডান দিকটা জুড়ে, যদিও শব্দটা বাইরে ভেসে আসছিল না ঠিকই, কিন্তু ভেতরে যেন অবিকল সেরকমই ঝন্‌ ঝন্‌ করে বাজছিল, যাতে আমি যন্ত্রণা বোধ না করলেও একটা অস্বস্তি বোধ করছিলাম, কারণ টা মাথা ভাবধি গিয়ে পৌঁছুচ্ছিল বেন। এটা আবার কী রকম ব্যাপার বুনতে পারলাম না, এরকম আর কখনো হয়নি, যেন আমি হঠাৎ পড়ে যেতে পারি, তাই দরজাটা ধরেই আমি দাঁড়িয়েছিলাম, এবং মুখে আবার সেরকম জল কাটতে আরম্ভ করেছিল, যার অর্থ বমি নিশ্চিত। অথচ, এমন কি মদ খেয়েছি, মাতাল তো একেবারেই হইনি, এর থেকে অনেক বেশি খেয়ে থাকি, যদিও এর থেকে কম খেয়েও এক-একদিন শরীর হঠাৎ খারাপ হয়ে যা, দি গেট ভাল না থাকে এবং এখনো দেই, শোঝ। হিরে ছিল নীতার বাথরুমে এখন একটা সারতে গিয়ে তার একটা বেগ দাঁতে দাঁত পিষে চাপতে হয়েছিল।

    প্রায় দু মিনিট দাঁড়িয়ে থাকবার পর, বেসিনটার কাছে না গিয়ে আস্তে আস্তে নিচের নর্দমার মুখের কাছে গিয়ে বসে, মাথাটা নিচু করতেই টক জলের সঙ্গে মেশানো জাদুর মত তরল পদার্থ বেরিয়ে এল, অনেকটা তাড়ির মত বমিটার স্বাদ। তাড়ির স্বাদ আমি অনেকবার জেনেছি, একবার তো বীরভূমের এক জায়গায় অফিস থেকে একটা ইনভেস্টিটগেশনে (আমার চাকরির মধ্যেও আবার তদন্ত-টদন্তর বলার আছে, অনেকটা পুলিসের মতই বলতে গেলে, যদিও পুলিস নয়, তবে মানুষের শারি ব্যবস্থা তাতেও আছে এবং তা শেষ পর্যন্ত পুলিসের হাত দিয়েই হয়ে থাকে, বা অন্যভাবেও হতে পারে।) গিয়ে, তিন দিন ধরে শুধু তাড়িই খেতে হয়েছিল, অবিশ্যি যথাপূর্বং তদন্তের শেষ পর্যন্ত একটা ঘুষের রক্ষা করে যখন ফিরে আসি, তখন কয়েক বোতল মদ এসে জুটেছিল। যাই হোক, এখন বমির সঙ্গে নীতার মাংসও বেরিয়ে এল, অনেকটা হাল্কা আর সুস্থ বোধ করতে লাগলাম, যদিও কানের পাশগুলো জ্বালা করছে। জল দিয়ে হাত মুখ ধুয়ে কয়েক মুহূর্ত চুপ করে দাঁড়ালাম, কেননা নীতার বাথরুমের সেই বেগটা আমাকে এখানে ছেড়ে যায়নি, একটা অস্বতি হচ্ছে এবং শেষ পর্যন্ত পারজামাটা আমাকে খুলতেই হল। প্যান-এর ওপরে বসতে না বসতেই জলতেষ্টা বোধ করতে গেলাম, কিন্তু জল পাওয়া এখন সম্ভব নয়, আর কি এতটা গোলমাল ইদানিং কালের মধ্যে অনেকদিন হয়নি। সত্যি বলতে কি, আজ নীতার সঙ্গে দেখা হওয়ার ঠিক আগে থেকেই শরীরের মধ্যে একটা অস্বস্তি শুরু হয়ে গিয়েছিল, যেটা নীতার ওখান থেকে বেরুবার পর বেড়ে উঠেছে। মনে হয়, নীতাকে তাকে যদি মরতে না হত, এবং দুজনে বেশ একটা আবেশে (রমণের আবেশ থাকে বলা যায়।) গায়ে গা দিয়ে হোটেলে গিয়ে, আর একটু টেনে, নেচে, খেয়ে ফিরতে পারলে এসব কিছুই হয়তো হত না। অনেক সময়ই এরকম দেখেছি, পেটে হয়তো গোলমাল বা শরীরটা হয়তো ম্যাজম্যাজ করছে, বেশ একটা ভয়-ভয়ই লাগছে, বাড়ি ফিরে গিয়ে হয়তো বিছানা নিতে হবে, কিন্তু তখনই, হঠাৎ কোন মেয়ের সঙ্গে র‍্যালা আরম্ভ করে দিলাম, বা গাড়ি নিয়ে দূরের পথে কোথাও ছুটতে হল, কিংবা ঢকঢক করে মদ খেতে আরম্ভ করলাম, অমনি অসুস্থতা সব কোথায় হারিয়ে গেল, যেন ভূত পালিয়ে গেল ওঝার ধাক্কার। এ সব কথা ডাক্তারেরা, শুনলে হয়তো মাতালের বা বদমাইসের কথা বলে উড়িয়ে দেবে, কিন্তু (উঃ পেটটা খামচাচ্ছে যেন।) এরকম অবস্থা আমার অনেকবার হয়েছে এবং আজও সম্ভবত আমি বেশ বহাল তবিয়তে এসে বিছানায় এলিয়ে পড়তে পারতাম, ঘুমিয়ে পড়তে পারতাম, সকালবেলা দেখা জোত, বেশ ভালই আছি, যদি নীতা না মরত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু
    Next Article গঙ্গা – সমরেশ বসু

    Related Articles

    সমরেশ বসু

    প্রজাপতি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    গঙ্গা – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    অকালবৃষ্টি – সমরেশ বসু

    December 2, 2025
    সমরেশ বসু

    নয়নপুরের মাটি – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    শ্রীমতি কাফে – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    সমরেশ বসু

    সওদাগর – সমরেশ বসু

    December 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }