Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বুবুনের বাবা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. পরিকল্পনা

    ১০. পরিকল্পনা

    আম্মা সোফায় বসে আছেন, জাহিদ চাচা খাবার টেবিলের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে বললেন”ডক্টর রওশান, আপনার দরকারি জিনিসগুলো একটা ব্যাগে ভরে নেন।”

    মনে হল আম্মা কথাটা ঠিক বুঝতে পারলেন না। জিজ্ঞেস করলেন, “ব্যাগে ভরে নেব?”

    “হ্যাঁ। আপনাকে আর বুবুনকে নিয়ে যাই। আজ রাতেই।”

    “ওরা যেটা চাইছে?”

    জাহিদ চাচা একটা নিঃশ্বাস ফেললেন, বললেন, হ্যাঁ। মানুষের সাথে মানুষ যুদ্ধ করতে পারে। জানোয়ারের সাথে কেউ যুদ্ধ করে না।”

    “জানোয়ার?”

    “হ্যাঁ। একাত্তরে ওরা আমার স্যারদের ধরে ধরে মেরেছে। ওরা মানুষ নয় ডক্টর রওশান। আপনাকে আমরা ঢাকায় রেখে আসব, মাসুদ সাহেবকে ছাড়িয়ে আনব, তারপর আমি দেখব ওই জানোয়ারের দলের কত বড় সাহস। কিন্তু এখন কোনোরকম ঝুঁকি নেব না। একটুও না। আপনি রেডি হয়ে নেন।”

    ‘কিন্তু ওরা তো আজ রাত পর্যন্ত সময় দিয়েছে।”

    “তা দিয়েছে।” জাহিদ চাচা এক মুহূর্তে কী যেন চিন্তা করলেন, তারপর বললেন, “ঠিক আছে। আপনারা আজ রাতে রেডি থাকেন, কাল খুব ভোরে নিয়ে যাব।”

    “আমি রেডি আছি।” আম্মা ফিসফিস করে বললেন, “আমার নতুন করে রেডি হতে হবে না।”

    বুবুন ইতস্তত করে বলল, ‘জাহিদ চাচা!”

    “কী, বুবুন?”

    “আমার মনে হয় আব্বাকে কোথায় ধরে নিয়েছে আমরা জানি।”

     

     

    জাহিদ চাচা এবং আম্মা ভয়ানকভাবে চমকে উঠলেন।”কী বললে?” জাহিদ চাচা দুই পা এগিয়ে এসে বললেন, “কী বললে তুমি?”

    “আমাকে যারা ধরতে চেষ্টা করেছিল–আমার বন্ধুরা তাদের আস্তানা দেখে এসেছে।”

    “তাদের আস্তানা?” জাহিদ চাচা আশাভঙ্গের একটা নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, “তাদের আস্তানা তো অনেক। কোনটা দেখেছে?”

    “আমি জানি না, জিজ্ঞেস করে আসব?”

    “না না। জানাজানি করা যাবে না। আমরা একেবারে কোনো রিস্ক নেব না। কাল ভোরে তোমরা ঢাকা যাবে, তোমার আব্বাকে ছাড়িয়ে আনা হবে তারপর।”

    “কিন্তু পুলিশ নিয়ে যদি সেই জায়গায় যান?”

     

     

    “এখন পুলিশকে বলা ঠিক হবে না। একেবারে হান্ড্রেড পার্সেন্ট শিওর হলেই শুধু বলা যায়–কিন্তু শুধু সন্দেহ হলে হবে না।” জাহিদ চাচা মাথা নাড়তে নাড়তে বললেন, “হবে না। তুমি জান না এরা কী ভয়ানক মানুষ। যদি গিয়ে দেখা যায় তোমরা ভুল করেছ, তোমার আব্বা সেখানে নেই? সর্বনাশ হয়ে যাবে!”

    আব্বার ঘরে গিয়ে বুবুনের চোখে একেবারে পানি এসে গেল, তার একেবারে ছেলেমানুষের আব্বাটি এখন না জানি কী ভয় পাচ্ছেন–তাকে না জানি কীভাবে অত্যাচার করছে। তাকে কীভাবে রেখেছে, কী খেতে দিয়েছে কে জানে! বুবুন ঘরের মাঝখানে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকে আর হঠাৎ করে ধর্মের নামে যারা এত বড় অন্যায় কাজ করতে পারে তাদের উপর রাগে, ঘৃণায় তার প্রায় বমি এসে যেতে চায়। কী ভয়ানক খারাপ মানুষ এরা অথচ তারা যেটা চাইছে সেটাই হবে? আম্মা চলে যাবার পর আনন্দে তারা নিশ্চয়ই নাচানাচি করবে, মেয়েদের স্কুলগুলি জ্বালিয়ে দেবে আর আবার যদি কেউ এসে কিছু করতে চায় তার বাচ্চাকে কিডন্যাপ করে নেবে। এটা কেমন করে হয়?

    বুবুন ঘরের মাঝখানে থেকে হেঁটে জানালার কাছে এসে দাঁড়াল, যদি কোনোভাবে খবিরউদ্দিনের আস্তানায় গিয়ে দেখা যেত আব্বাকে সেখানেই আটকে রেখেছে তা হলেই তো পুলিশ নিয়ে আসা যাবে। জাহিদ চাচা বলেছেন, হান্ড্রেড পার্সেন্ট শিওর হতে হবে–সেটাই কি করা যায় না? খবিরউদ্দিনের আস্তানায় গিয়ে হাজির হওয়া যায় না?

     

     

    বুবুন হঠাৎ চমকে উঠল, পিয়ালের সেই ট্রান্সমিটার দিয়ে ভেতর থেকে বাইরে খবর পাঠানো যায় না? একটামাত্র খবর দরকার, আব্বা সেখানে আছেন কি নেই। সেটা বের করা কি এতই কঠিন? সে একা পারবে না, তার সাথে আরও একজনকে নিতে হবে, পিয়াল কিংবা গাব্ব। একজন যাবে ভিতরে একজন বাইরে। যে ভিতরে যাবে তার কাছে থাকবে পিয়ালের ট্রান্সমিটার, যে বাইরে থাকবে তার কাছে থাকবে পকেট-রেডিওটা। ভিতরে গিয়ে যদি দেখা যায় আব্বাকে সেখানে আটকে রেখেছে তাহলে ট্রান্সমিটারটা অন করে দেয়া হবে সাথে সাথে বাইরে খবর চলে যাবে। তখন গিয়ে পুলিশকে জানানো যাবে।

    বুবুন পুরো পরিকল্পনাটা আরও একবার ভেবে দেখল, কাজ না করার কোনো কারণ নেই। যদি ভিতরে গিয়ে ধরাও পড়ে যায় তবু একজন বাইরে থাকবে, সে গিয়ে অন্যদের খবর দিতে পারবে। সত্যি সত্যি যদি আব্বাকে ভিতরে পাওয়া যায় আর পুলিশ নিয়ে এসে খবিরউদ্দিনের দলবলের কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়া যায়, বদমাইশগুলো কি তা হলে জন্মের সোজা হয়ে যাবে না?

    বুবুন জানালা দিয়ে বাইরে অন্ধকারে নিমগাছটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ করে ঠিক করে ফেলল যেভাবেই হোক সে যাবে তার আব্বার কাছে।

     

     

    বাসা থেকে চুপিচুপি বের হয়ে এল বুবুন। সে একা যেতে পারবে না। জায়গাটা সে চেনেও না, একা যেতে চাইলেও যেতে পারবে না। গাব্বু নাহয় পিয়ালকে নিয়ে যেতে হবে। পিয়ালকে নেওয়া খুব সোজা হবে না, তার আব্বা অত্যন্ত কঠিন মানুষ, বুবুন তাই গাব্বর বাসায় হাজির হল। এরকম অসময়ে বুবুনকে দেখে গাব্বু খুব অবাক হল বলে মনে হল না, জিজ্ঞেস করল, “কী ব্যাপার?”

    বুবুন চাপা গলায় বলল, “এখানে বলা যাবে না।”

    গাব্বু সাথে সাথে উঠে দাঁড়াল, বলল, “চল বাইরে যাই।”

    বাইরে এসে বুবনের মুখে পুরো ঘটনা শুনে গাব্বর মুখ শক্ত হয়ে উঠল, মাটিতে থুতু ফেলে বলল,”শুওরের বাচ্চাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেব। দাড়ি টেনে ছিঁড়ে নেব–লাথি মেরে হাঁটুর জয়েন্ট খুলে দেব–”

    “এতকিছু করতে হবে না। তুমি আমাকে সেই বাসাটা চিনিয়ে দাও, তা হলেই হবে।”

     

     

    “কী করবে তুমি?”

    “দেখব ভিতরে আব্বা আছেন কি না। পিয়ালের ট্রান্সমিটারটা নিয়ে যাব, যদি থাকেন সিগনাল দেব, আর তুমি বাসায় এসে খবর দেবে।”

    গাব্বু বলল, “পিয়ালকেও নিতে হবে।”

    “ওর আব্বা–”

    “এরকম সময়ে আব্বাদের ভয় করলে হবে না। পিয়ালকে খবর দিলেই চলে আসবেই।”

    গাব্বুর কথা সত্যি, পিয়ালকে বলামাত্র সে বাসার পিছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে এল। পিঠে একটা ব্যাগ ঝুলিয়ে নিয়ে এসেছে–তার ভিতরে টর্চলাইট, নাইলনের দড়ি, চাকু এরকম আরও নানাকরম জিনিস রয়েছে। বুবুনকে দেখে বলল, বুবুন, তুমি কোনো চিন্তা করো না, আমরা চাচাকে ঠিক উদ্ধার করে ফেলব।”

     

     

    সত্যি সত্যি কিছু করতে পারবে কি না কেউ জানে না কিন্তু পিয়ালের কথা শুনে হঠাৎ বুবুনের চোখে পানি এসে গেল।

    গাব্বু বলল, “আমাদের খুব তাড়াতাড়ি রওনা দিতে হবে। বাসায় যখন খোজাখুঁজি শুরু হবে তখন ধারেকাছে থাকলে বিপদ হয়ে যাবে।”

    পিয়াল বলল, “আয় শেষবার দেখে নিই সবকিছু নেয়া হয়েছে কি না।”

    গাব্বু বলল, “এইখানে দাঁড়িয়ে থাকিস না, হঠাৎ করে কেউ দেখে ফেলবে। আয় আরও সামনে যাই।”

    ওরা তিনজন বুবুনদের বাসা পার হয়ে সুমিদের বাসায় কাছে চলে গেল। বাসায় সামনে পেয়ারা গাছটার নিচে বসে অন্ধকারে জিনিসপত্র হাতড়ে হাতড়ে দেখে আবার সবকিছু ব্যাগে ভরে রওনা দিয়ে দেয়–অনেকটা দূর যেতে হবে, পকেটে পয়সা থাকলে রিকশা করে যাওয়া যেত।

    তারা তিনজন মাত্র কয়েক পা গিয়েছে হঠাৎ পিছন থেকে কে যেন তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল, প্রচণ্ড আতঙ্কে ওরা প্রায় চিৎকার দিয়ে দিচ্ছিল, হঠাৎ করে দেখতে পেল মানুষটা সুমি!

     

     

    গাব্বু বলল, “ও, তুই? ওহ্! কী ভয়টা পেয়েছিলাম!”

    সুমি হেসে বলল, “কোথায় যাচ্ছিস তোরা চোরের মতো? জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি গাছের নিচে বসে গুজগুজ করছিস, তখন বুঝতে পারলাম কিছু-একটা ব্যাপার আছে।”

    পিয়াল গম্ভীর গলায় বলল, “আসলেই ব্যাপার আছে।”

    পিয়ালের গলায় স্বর শুনে সুমি ভয়-পাওয়া গলায় বলল, “কী ব্যাপার?”

    “চাচাকে খবিরউদ্দিনের লোকেরা ধরে নিয়ে গেছে।”

    সুমি চাপা গলায় চিৎকার করে বলল, “কী বললি?”

    “হ্যাঁ। আমরা তাই যাচ্ছি।”

     

     

    “কী করবি তোরা?”

    গাব্বু গম্ভীর গলায় বলল, “চাচাকে উদ্ধার করব।”

    সুমি এক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বলল, “দাঁড়া, আমিও যাব।” গাব্বু চোখ কপালে তুলে বলল, “তুই? তুই কেমন করে যাবি?”

    “কেন, কী হয়েছে?”

    “এই রাত্রে! একটা মেয়েমানুষ–”

    ”আমাকে মেয়েমানুষ বলবি তো ঘুসি মেরে নাক ভিতরে ঢুকিয়ে দেব।”

    “মেয়েমানুষকে মেয়ে বলতে পারব না?”

     

     

    পিয়াল বিরক্ত হয়ে বলল, “আহ! ছেলে মেয়ে এইসব এখন রাখ দেখি।”

    সুমি বলল, “তোরা দুই মিনিট দাঁড়া, আমি আসছি।”

    “উঁহু। রাত্রিবেলা তোকে নিয়ে যাওয়া যাবে না।”

    “ঠিক আছে। আমাকে ছাড়া যাওয়ার চেষ্টা করে দেখ আমি কী করি।”

    “কী করবি?”

    ”এক্ষুনি চিৎকার করে আমি সবাইকে বলে দেব।”

    বুবুন বলল, “তুমি সত্যিই যেতে চাও?”

    সুমি মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ। আমি যদি না যাই হলে তোমাদের কপালে অনেক দুঃখ আছে।”

     

     

    “কেন?”

    “তোমাদের দলের মাঝে একজন থাকা দরকার যার মাথায় খানিকটা ঘিলু আছে, গায়ে জোর আছে আর বুকে সাহস আছে। তা ছাড়া

    “তা ছাড়া কী?”

    এরকম ব্যাপারে মানুষ যত বেশি থাকে তত ভালো। তোরা দাঁড়া আমি আসছি।”

    বুবুন, গাব্বু আর পিয়াল দাঁড়িয়ে রইল, সত্যি কথা বলতে কি সুমি আসছে বলে হঠাৎ করে তাদের ভিতরে জোর খানিকটা বেড়ে গিয়েছে। সুমিকে খোদা নিশ্চয়ই ছেলে তৈরি করতে গিয়ে ভুল করে মেয়ে তৈরি করে ফেলেছে।

    সুমি আসতে অবিশ্যি একটু দেরি করল, জিনসের প্যান্টের সাথে ঢলঢলে একটা টি-শার্ট পরে এসেছে, মাথায় বেসবল ক্যাপ, তার ভিতরে চুল ঢুকিয়ে রেখেছে, হঠাৎ দেখলে ছেলে মনে হয়। পিঠে একটা ব্যাগ-সেখানে নানা জিনিসপত্র।

     

     

    .

    শহরের শেষ মাথায় নির্জন এলাকাটায় পোঁছে বুবুন, গাবু, পিয়াল আর সুমি রিকশা থেকে নেমে পড়ল। বাকি জায়গাটা সাবধানে হেঁটে হেঁটে তারা অন্ধকার বাসাটার সামনে এসে হাজির হল। বাইরে থেকে মনে হয় ভিতরে কেউ নেই। চারিদিকে ঘুটঘুঁটে অন্ধকার। খুব ভালো করে তাকালে অবিশ্যি দেখা যায় একটি দুটি ঘরে জানালার ফাঁক দিয়ে খুব অল্প আলো বের হয়ে আসছে। ওরা সাবধানে গেটটা কাটিয়ে দেয়ালের পাশে একটা গাছের নিচে এসে হাজির হল।

    বুবুন ফিসফিস করে বলল, “পিয়াল, তোমার ট্রান্সমিটারটা আমাকে দাও। তোমরা বাইরে থেকে রেডিওটাতে কান লাগিয়ে শোনার চেষ্টা করো। আমি যদি আব্বাকে পেয়ে যাই তা হলেই সিগনাল পাঠাব, সাথে সাথে বাসায় গিয়ে খবর দেবে।”

    সুমি ফিসফিস করেই যেটুকু জোরে বলা যায় সেভাবে বলল, “তুই কেন ভিতরে যাচ্ছিস?”

    “তা হলে কে যাবে? আমার আব্বা–”

    “তোর আব্বা হয়েছে তো কী হয়েছে! দুইজন যাবে ভিতরে। দুইজন থাকবে বাইরে।”

    গাব্বু মাথা নাড়ল, “হ্যাঁ, আমি আর বুবুন ভিতরে।”

    ‘উঁহু।” পিয়াল মাথা নাড়ল, “আমি আর বুবুন। আমি এই ট্রান্সমিটার তৈরি করেছি, আমি নিয়ে যাব ভিতরে।”

    সুমি অধৈর্য হয়ে বলল, “এখন ঝগড়া করার সময় নাই, কে যাবে সেটা ঠিক হবে লটারি করে।”

    “লটারি?”

    “হ্যাঁ।”

    “এই অন্ধকারে লটারি করবি কেমন করে?”

    “সোজা। একজন বাম হাতে না হয় ডান হাতে একটা জিনিস রাখবে, অন্যজন বলবে কোন হাতে, যদি ঠিক ঠিক বলতে পারে তা হলে লটারিতে জিতে গেল।”

    “যদি সবাই জিতে যায়!”

    ‘তা হলে আবার হবে লটারি। যতক্ষণ পর্যন্ত দুইজন না জিতছে ততক্ষণ লটারি হবে।”

    “ঠিক আছে।”

    “আগে থেকে বলে রাখছি কেউ পরে আপত্তি করতে পারবি না কিন্তু!”

    “ঠিক আছে।”

    লটারি কয়েকবার করতে হল এবং শেষ পর্যন্ত জিতে গেল বুবুন আর সুমি। যদিও আপত্তি করবে না বলে আগে কথা দিয়েছিল তবু পিয়াল আর গাব্বু একটু আপত্তি করার টেষ্টা করল, তাতে অবিশ্যি কোনো লাভ হল না।

    ট্রান্সমিটারটা রাখল বুবুনের পকেটে। অন্য জিনিসপত্রগুলি দুটি ব্যাগে ভাগাভাগি করে নেওয়া হল। ব্যাগগুলো বেশ ভারী হয়েছে কারণ সুমি বাসা থেকে তার ব্যাগে অনেক জিনিস এনেছে। বাইরে থেকে আটকে দেওয়ার জন্যে বেশ কয়েকটা তালা, বোতলের মাঝে কেরাসিন তেল, সাবান, পানি, ম্যাচ, দড়ি, ছোটবড় ঢেলা। কোন জিনিসটা কোন কাজে লাগবে সেটা এখনও সবার কাছে পুরোপুরি পরিষ্কার নয় কিন্তু সুমি ভালোভাবে প্রস্তুত না হয়ে ভিতরে ঢুকতে রাজি নয়।

    ব্যাগটা পিঠে ঝুলিয়ে নিয়েছে দুইজন, জুতোর ফিতা ভালো করে বেঁধেছে। বুবুন তার চশমাটা সুতো দিয়ে পিছনে বেঁধে নিয়েছে, খুলে গেলেও যেন পড়ে না যায়। বুবুনের শার্টটা হালকা রঙের ছিল, অন্ধকারে যেন দেখা না যায় সেজন্যে গাব্বু নীল রঙের শার্টের সাথে বদলে নিয়েছে। সবকিছু ঠিক আছে কি না দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করে নিয়ে বুবুন বলল, “আমরা গেলাম তা হলে।”

    পিয়াল বলল, “যা। কোনো চিন্তা করিস না। আমরা আছি বাইরে।”

    গাব্বু বলল, “বিপদ দেখলেই আমরা বাসায় খবর দেব।”

    বুবুন আর সুমি দেয়াল টপকানোর জন্যে ভালো একটা জায়গা খুঁজে নিয়ে দাঁড়াল। অন্ধকারে ভালো করে কিছু দেখা যায় না তা-ই সুমির মুখের দিকে তাকাতে পারছিল না, বুবুন যদিও জানে এখন নিশ্চয়ই তার মুখটাও পাথরের মতো শক্ত। দেয়ালে ইটের ফাঁকে পা দেওয়ার আগে মনে-মনে বলল, “খোদা, তুমি আমাদের রক্ষা করো।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাজু ও আগুনালির ভূত – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }