Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বুবুনের বাবা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. শেয়াল দেখা

    ৬. শেয়াল দেখা

    বিকালবেলা সবাই দল বেঁধে আব্বাকে দেখতে এল। বুবুন সবার সাথে আব্বার

    পরিচয় করিয়ে দিল, “আব্বা, এই যে ছেলেটা-এর নাম পিয়াল।”

    “পিয়াল?”

    “হ্যাঁ।”

    গাব্বু বলল, “ওর নাম রাখার কথা ছিল শিয়াল, ভুল করে শ-এর জায়গায় প লিখে–হি হি হি—”

    আব্বা বললেন, “ধুর! শিয়াল কি কখনো কারও নাম হয়?”

    বুবুন গাল্লুকে দেখিয়ে বলল, “আর এর হচ্ছে গাব্ব।”

    আব্বা হেসে বললেন, “খালি ঠাট্টা করে! গাব্বু কখনো কারও নাম হয় না।”

    সুমি মাথা নেড়ে বলল, “চাচা, আপনি ঠিকই বলেছেন, গাব্বু কারও নাম হয়। কিন্তু বিশ্বাস করেন তবু এর নাম গাব্বু।”

    বুবুন সুমিকে দেখিয়ে বলল, “আর এই মেয়েটার নাম সুমি।”

    গাব্বু বলল, “বল, এই মেলেটার নাম সুমি।”

    আব্বা অবাক হয়ে বললেন, “মেলে?”

    “হ্যাঁ। সুমি হচ্ছে অর্ধেক মেয়ে আর অর্ধেক ছেলে। তাই সে হচ্ছে মেলে।”সত্যি?”

    “সুমি বড় হলে মনে হয় গুণ্ডা হবে।”

    “গুণ্ডা?”

    “হ্যাঁ। স্কুলে সেদিন একটা ছেলে তার সাথে ফাজলেমি করেছিল, তাই সুমি তাকে ল্যাং মেরে পানিতে ফেলে দিয়েছিল।”

    আব্বা অবাক হয়ে সুমির দিকে তাকালেন। বুবুন বলল, “আব্বা, তুমি গাব্বুর সব কথা বিশ্বাস করো না। গাব্বু সবসময় বাড়িয়ে চাড়িয়ে কথা বলে। একটা উকুন মারলে গাব্বু এসে বলে সে একটা ইঁদুর মেরেছে। ইঁদুর মারলে বলে হাতি মেরেছে।”

    আব্বা বললেন, “আর হাতি মারলে?”

    “এখনও মারে নাই, কিন্তু যদি মারে তা হলে মনে হয় বলবে ডাইনোসর মেরে ফেলেছেন হয় আব্বা আপন

    কথাটা মনে হয় আব্বার খুব পছন্দ হল, আব্বা খুকখুক করে হেসে উঠলেন।”

    সুমি জিজ্ঞেস করল, “চাচা আপনার আগের কথা কিছু মনে নেই?”

    আব্বা মাথা নাড়লেন, “নাহ্!”

    “বুবুনের কথা? চাচির কথা?”

    “বুবুন যখন খুব ছোট ছিল সেই কথা একটু একটু মনে আছে।”

    “কী করত বুবুন?”

    আব্বা ভুরু কুঁচকে কিছু-একটা মনে করার চেষ্টা করে বললেন, “মাথাটা মেঝেতে লাগিয়ে পিছনটা উপরে তুলে পায়ের নিচে দিয়ে তাকিয়ে বলত বুঁদ বুদ বুদ-_”

    “বুদ বুঁদ বুদ?” গাব্বু আবার হি হি হি করে হেসে উঠতে যাচ্ছিল কিন্তু সুমি এমনভাবে চোখ পাকিয়ে তার দিকে তাকাল যে সে আর সাহস পেল না। সুমি জিজ্ঞেস করল, “আপনার আর কিছু মনে নেই? চাচির কথা মনে নেই?”

    “চাচি? সেটা কে?”

    সুমি বুবুন পিয়াল এবং গাব্বু সবাই একজন আরেকজনের দিকে তাকাল। বুবুন বলল, “আম্মা। আমার আম্মা।”

    সুমি জিজ্ঞেস করল, “মনে নেই?”

    আব্বা কেমন যেন লজ্জা পেয়ে গেলেন, লাজুক-লাজুক মুখে বললেন, “নাহ্।”

    “দেখেন চেষ্টা করে।” সুমি হাল ছাড়ল না, বলল, “বুবুন যে-সময় পিছনটা উঁচু করে বলত বুঁদ বুদ বুঁদ তখন কাছে আরেকজন সুন্দর মহিলা থাকত না? সিনেমার নায়িকার মতো সুন্দর?”

    আব্বা আবার খানিকক্ষণ চিন্তা করে চিন্তিত মুখে বললেন, “নাহ্।”

    “এটা হতেই পারে না।” সুমি এবারে কেমন যেন রেগে গেল, “চাচা এটা হতেই পারে না। এরকম সুন্দর একজন মানুষের কথা কেমন করে ভুলে গেলেন! নিশ্চয়ই আপনার মনে আছে। আছে না?”

    আব্বাকে কেমন জানি বিভ্রান্ত দেখা গেল, মাথা চুলকে মনে করার চেষ্টা করতে লাগলেন, সুমি আবার কিছু-একটা বলতে যাচ্ছিল বুবুন তাকে থামাল। বলল, “সুমি, আব্বার ব্রেনে অপারেশন করেছিল সেজন্যে মনে নাই। এখন তো আর জোর করে মনে করানো যাবে না।”

    “তা-ই বলে চাচির মতো সুন্দর একজন মানুষকে কি কেউ ভুলতে পারে? সেটাও কি সম্ভব?” সুমি অবিশ্বাসের ভঙ্গিতে মাথা নাড়তে নাড়তে বলল, “চেষ্টা করলে নিশ্চয়ই মনে পড়বে। এমনি যদি মনে না পড়ে তা হলে সাহায্য করতে হবে।”

    “কীভাবে সাহায্য করবি?”

    “জানি না। দেখি চিন্তা করে।”

    বিকালবেলা যখন সব বাচ্চারা মাঠে হৈচৈ করে খেলছে তখন বুবুন তার আব্বাকে নিয়ে বাইরে এল। আব্বা হাত পকেটে ঢুকিয়ে মাথাটা একটু নিচু করে কেমন যেন একটু বিচিত্র ভঙ্গি করে খুব মনোযোগ দিয়ে বাচ্চাদের খেলা দেখতে লাগলেন। বাচ্চারা অবশ্য কিছুক্ষণের মাঝেই খেলা বন্ধ করে বুবুনের আব্বাকে দেখতে চলে এল। এর মাঝেই চারিদিকে খবর ছড়িয়ে পড়েছে বুবুনের আব্বা মানুষটা বড় হলেও আসলে একেবারে বাচ্চাদের মতো। এতজন বাচ্চাকাচ্চা যে আব্বাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে খুব মনোযোগ দিয়ে তাকে দেখছে সেজন্যে আব্বাকে মোটেও অপ্রস্তুত মনে হল না, বরং আব্বাকে কেমন জানি খুশি-খুশি দেখাতে লাগল। নিজের থেকেই জিজ্ঞেস করলেন, “তোমরা সবাই এখানে থাক?”

    বাচ্চারা মাথা নাড়ল। আব্বারও মাথা নেড়ে বললেন, “বিকালে খেলাধুলা করতে হয়। তা হলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে।”

    ছোট একটা বাচ্চা জিজ্ঞেস করল, “আপনি আমাদের সাথে খেলবেন?”

    আব্বা সাথে সাথে রাজি হয়ে গেলেন। সবাই মিলে কিং-কুইন খেলছিল, তারা আব্বাকে টেনে মাঠে নিয়ে গেল। খেলার নিয়ম-কানুন বুঝিয়ে দেওয়া হল এবং আব্বাকে নিয়ে খেলা শুরু হল। কিছুক্ষণের মাঝেই অবিশ্যি দেখা গেল আব্বা যত উৎসাহ নিয়ে খেলতে নেমেছেন তত উৎসাহ নিয়ে খেলতে পারেন না। বলটা ধরতে সমস্যা হয়, ধরার পরেও কার দিকে ছুঁড়ে মারতে হয় সেটা নিয়েও কিছুতেই মনস্থির করতে পারেন না। কোনোভাবে যদি মনস্থির করেও ফেলেন তার পরেও বলটা ছুঁড়তে চান না পাছে কেউ ব্যথা পেয়ে যায়।

    খেলার অবস্থা দেখে গাম্বু বলল, “এর থেকে চল চাচাকে নিয়ে টিলা বেড়িয়ে আসি।”

    সাথে সাথে সবাই রাজি হয়ে গেল এবং আব্বাকে নিয়ে সবাই টিলার দিকে রওনা দিল। পিছনের ভোলা মাঠ নিচু জায়গায় জমে-থাকা পানি, ঝোঁপঝাড় এবং টিলা, টিলার পিছনে ছোট নদী–সবকিছু দেখে আব্বা কেমন জানি ছেলেমানুষের মতো খুশি হয়ে উঠলেন। ফিরে আসার সময় গাঙ্কু বলল, “চাচা আপনি কি শিয়াল চেনেন?”

    “শিয়াল?”

    “হ্যাঁ, ঐ যে হুক্কা হুয়া হুক্কা হুয়া করে ডাকে?”

    আব্বা অনেকক্ষণ ভরু কুঁচকে চিন্তা কের বললেন, “না, চিনি না।”

    “এই টিলায় শিয়ালের গর্ত আছে। গর্তের মুখে আগুন দিলে শিয়াল বের হয়ে আসে।”

    “সত্যি?”

    গাব্বু মাথা চুলকে বলল, “আমরা একবার চেষ্টা করেছিলাম, তখন অবিশ্যি বের হয় নাই।”

    সুমি বলল, “অনেক বড় আগুন করতে হবে, আমরা আসলে বেশি বড় আগুন করতে পারি নাই।”

    আব্বা অবাক-চোখে সুমি এবং গাব্বর চোখে তাকিয়ে রইলেন। পিয়াল বলল, “আপনি দেখবেন চাচা?”

    আব্বা উৎসাহে মাথা নাড়লেন, “হ্যাঁ, দেখব। দেখাও।”

    সুমি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল, “আজকে তো প্রায় অন্ধকার হয়ে আসছে। আজকে হবে না, কালকে দেখাব।”

    আব্বার মুখ দেখে মনে হল ব্যাপারটা আজকেই দেখা যাবে না বলে তার বেশ মন খারাপ হয়ে গেল।

    সন্ধ্যেবেলা বাসায় ফেরার সময় বুবুন বলল, “আব্বা!”

    “কী হল?”

    আমরা যে কালকে শেয়াল দেখতে যাব সেই কথাটা তুমি কিন্তু আম্মাকে বলো না। ঠিক আছে?”

    আব্বা মাথা নেড়ে বললেন, “বলব না।” একটু থেমে বললেন, “আমি তো তোমার আম্মার সাথে এমনিতেও কথা বলি না।”

    বুবুন জিজ্ঞেস করল, “কেন বল না আব্বা?”

    “চিনি না তো তাই।”

    .

    পরদিন বিকেলে যখন দলটি শেয়াল দেখতে বের হল তখন তাদের সাথে অনেক রকম জোগাড়যন্ত্র নেওয়া হয়েছে। কয়েকজনের হাতে খবরের কাগজের বাণ্ডিল, একজনের হাতে কেরোসিনের বোতল এবং ম্যাচ, গর্তের মুখে শব্দ করার জন্যে কয়েকটা খালি টিন এবং লাঠি। দূর থেকে তাদের দেখে মনে হল একটা অভিযাত্রীর দল।

    দলটা ডোবার পাশে দিয়ে হেঁটে যখন টিলার উপরে উঠতে শুরু করল তখন আশেপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আরও কিছু গ্রামের বাচ্চাকাচ্চা তাদের সাথে যোগ দিল। শুধু তাই নয়, এক-দুইজন বয়স্ক মানুষও কৌতূহলী হয়ে এগিয়ে এল। এর আগে যতবার তারা কোথাও দল বেঁধে গিয়েছে বয়স্ক মানুষেরা খুব সন্দেহের চোখে তাদের দিকে তাকিয়ে থেকেছে, কিন্তু এখন সম্পূর্ণ অন্য ব্যাপার। তাদের সাথে আব্বাও আছেন কাজেই সবাই ধরে নিল তারা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ করতে যাচ্ছে।

    মধ্যবয়স্ক একজন মানুষ আব্বাকে জিজ্ঞেস করল, “কোথায় চলেছেন সবাইকে নিয়ে?”

    আব্বা কিছু বলার আগেই গাব্বু বলল, “শেয়াল দেখতে।”

    মানুষটা খুব অবাক হয়ে বলল, “শেয়াল দেখতে?”

    আব্বা মাথা নাড়লেন। মানুষটা জিজ্ঞেস করল, “কেমন করে শেয়াল দেখা যাবে?”

    আব্বা কিছু-একটা বলতে যাচ্ছিলেন তার আগেই সুমি বলল, “ শেয়ালের গর্তে ধোঁয়া দিয়ে।”

    “ধোঁয়া?”

    “হ্যাঁ?”

    পিয়াল বলল, “সাথে খালি টিন এনেছি, সেটা পিটিয়ে ঢংঢং করে শব্দ করতে হবে।”

    “তা হলেই শেয়াল দেখা যাবে?”

    আব্বা মাথা নাড়লেন। মধ্যবয়স্ক মানুষটাকে পুরো ব্যাপারে খুব উৎসাহী দেখা গেল, সেও তাদের সাথে চলল। আব্বা যদি সাথে না থাকতেন তা হলে পুরো ব্যাপারটাই অন্যরকম হত, তারা শেয়ালের গর্তের মুখে আগুন দেবে শুনেই সবাই একেবারে হা হা করে উঠে আপত্তি করত। সাথে আব্বা থাকায় আজকে কোনো সমস্যা নেই।

    টিলার উপরে উঠে গর্তের সামনে পুরো দলটি দাঁড়াল। মধ্যবয়স্ক মানুটা উৎসাহ নিয়ে জিজ্ঞেস করল, “কোন গর্তটা?”

    সুমি বড়সড় একটা গর্তকে দেখিয়ে দিল। সেই গর্তেই সামনে খবরের কাগজ স্থূপ করে রাখা হল। সেখানে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেবার সময় মানুষটা মাথা নেড়ে বলল, “তা হলে তো খালি আগুন হবে, ‘ধোয়া তো হবে না!”

    বুবুন জিজ্ঞেস করল, “ধোয়া কেমন করে হয়?”

    “আগুন যখন ঠিক করে জ্বলতে পারে না তখন ধোয়া হয়। মানুষটা আব্বার দিকে তাকিয়ে বলল, “তা-ই না স্যার?”

    আব্বা অনিশ্চিতের মতো মাথা নাড়লেন। লোকটা বলল, “ভালো করে একটা আগুন জ্বালিয়ে তখন সেটাকে ভেজা লতাপাতা দিয়ে চাপা দিতে হবে।” তারপর সে নিজেই গাছের লতাপাতা আধভেজা খড়কুটো খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে গেল।

    কিছুক্ষণের মাঝেই দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে, আগুনের আঁচে কাছে যাওয়া যায় না। তার উপরে গাছের লতাপাতা, আধভেজা খড়কুটো চাপা দেওয়া হল, সত্যি সত্যি তখন সেখান থেকে ধোঁয়া বের হতে থাকে। গাব্বু খালি টিন হাতে নিয়ে সেটাকে পেটাতে শুরু করল, তার দেখাদেখি অন্যেরাও। শব্দে কানের পর্দা প্রায় ফেটে যাবার অবস্থা। মজা দেখার জন্যে আরও মানুষ জড়ো হয়েছে, তারাও যে যেভাবে পারছে শব্দ করছে, আগুনটাকে খুঁচিয়ে দিচ্ছে, লতাপাতা, খড়কুটো এনে আগুনের উপরে দিচ্ছে।

    ঠিক তখন একটা বিচিত্র ব্যাপার ঘটল, গর্তের ভিতর থেকে হঠাৎ বিদঘুঁটে কী-একটা জিনিস ছুটে এল, আগুনের কাছে এসে সেটা এক মুহূর্ত থেমে যায় এবং হঠাৎ করে সেই বিদঘুঁটে জন্তুটার সারা শরীরে অসংখ্যা কাটা খাড়া হয়ে যায়। বাচ্চাকাচ্চা যারা ছিল তারা ভয় পেয়ে চিৎকার করতে করতে দৌড়াতে থাকে, বুবুনের মনে হতে থাকে এখন সেটা বুঝি তাদের উপর লাফিয়ে পড়বে। সবাই ভয় পেয়ে ছোটাছুটি করছিল, আব্বা কিন্তু একটুও ভয় না পেয়ে জিনিসটাকে আরও ভালো করে দেখার জন্যে একেবারে কাছে এগিয়ে গেলেন। সেই অদ্ভুত জন্তু আগুনটাকে পাশ কাটিয়ে বাইরে বের হয়ে এল, তারপর ঝমঝম শব্দ করতে করতে টিলা বেয়ে নিচে নেমে গিয়ে গাছ-গাছালির মাঝে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    সবাই গলা ফাটিয়ে চাচামেচি করছে আব্বা তখন মুখে হাসি ফুটিয়ে চোখ বড় বড় করে বললেন, “কী আশ্চর্য! শজারু! এটা নিশ্চয় শজারু।”

    মজা দেখার জন্য যারা হাজির হয়েছিল তাদের মাঝেও একজন মাথা নেড়ে বলল যে এটা নিশ্চয় শজারুই হবে। শজারুর গায়ে নাকি এরকম কাঁটা থাকে এবং ভয় পেলে তাদের কাঁটাগুলো সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।

    পুরো এলাকাটাতে যখন সবকিছু নিয়ে খুব হৈচৈ হচ্ছে তখন বুবুন আব্বাকে জিজ্ঞেস করল, “আব্বা, তুমি আগে কখনো শজারু দেখেছ?”

    “নাহ!”

    “তা হলে এটা তুমি চিনলে কেমন করে? তুমি না সবকিছু ভুলে গেছ?” আব্বাকে কেমন জানি বিভ্রান্ত দেখাল, মাথা চুলকে বললেন, “তা তো জানি না!”

    “তার মানে আসলে তোমার সবকিছু মনে আছে, তুমি জান না।”

    “আমি জানি না?”

    “না। চেষ্টা করলে আবার তোমার মনে পড়ে যাবে।”

    শেয়াল দেখার চেষ্টা করে যে-দলটা শজারু দেখে ফেলেছে তারা আবার দল বেঁধে ফিরে আসতে থাকে। পিছন দিকে বুবুন, সুমি, পিয়াল এবং গাব্ব। আব্বা কেমন হঠাৎ করে শজারু চিনে ফেলেছেন সেটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সুমি বলল, “তার মানে যদি চাচাকে হঠাৎ করে কোনোকিছু দিয়ে চমকে দেওয়া যায় তা হলে আবার সবকিছু মনে পড়ে যাবে।”

    গাব্বু জিজ্ঞেস করল, “তুই কেমন করে জানিস?”

    “আমি একটা উপন্যাসে পড়েছি। নায়িকা সবকিছু ভুলে গিয়েছিল, তখন নায়ক এসে–”

    সুমিকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে গাঙ্কু বলল, “আমি একটা উপন্যাস পড়েছি সেখানে নায়ক ব্যাঙ হয়ে গেছে। নায়িকা এসে সেই ব্যাঙকে চুমো দিয়েছে–”

    সুমি রেগে গাব্বুর পেটে একটা ঘুসি মারার চেষ্টা করল, কিন্তু গাব্বু সাবধান ছিল বলে সময়মতো লাফিয়ে সরে গেল।

    বুবুন বলল, “তোমরা মারপিট করছ কেন? নিজেরাই তো দেখতে পেলে হঠাৎ করে আব্বার শজারুর কথা মনে পড়ে গেল। যদি শজারুর কথা মনে পড়ে যায় তা হলে অন্যকিছু মনে পড়তে অসুবিধে কী আছে?”

    পিয়াল মাথা নাড়ল, “নাই। কোনো অসুবিধা নাই। শুধু চমকে দিতে হবে।”

    সুমি চিন্তিত মুখে বলল, “কী দিয়ে চমকে দেওয়া যায়?”

    গাব্বু বলল, “একটা সাপ ধরে এনে ছেড়ে দিলে কেমন হয়?

    “ধুর গাধা! সাপ ব্যাঙ শজারু এইসব চিনিয়ে কী হবে! যদি চাচিকে চেনানো যেত তা হলে লাভ হত।”

    “যদি মনে কর আমরা একটা নাটকের মতো করি। চাচিকে আগে থেকে রাজী করালাম। একটা ডাকাত এসে গুলি করল, চাচি গুলি খেয়ে পড়ে গেলেন–”

    বুবুন মাথা নাড়ল, বলল, “আম্মা কোনোদিন রাজি হবেন না। আব্বার সামনে একটা নাটকের মতো করা? অসম্ভব!”

    পিয়াল পিছিয়ে পড়েছিল, এইবার দুই পা এগিয়ে এসে বলল, “আমার মাথায় একটা আইডিয়া এসেছে।”

    “কী আইডিয়া।”

    “চাচা তো আসলে সায়েন্টিস্ট। বুবুন তুই বলেছিস না চাচা ফিজিক্সে পিএইচ. ডি. করেছে?”

    “হ্যাঁ।”

    “সায়েন্টিস্ট মানুষকে চমকে দেওয়া খুব সোজা।”

    “কী রকম?”

    যদি দেখানো যায় বিজ্ঞানের সূত্র কাজ করছে না তারা চমকে ওঠে?”

    বুবুন ভুরু কুঁচকে বলল, “বিজ্ঞানের সূত্র?”

    “হ্যাঁ। মনে কর যদি দেখানো যায় আলোর গতি হঠাৎ কমে অর্ধেক হয়ে গেছে কিংবা ইকুয়েল টু এম সি স্কয়ারটা ভুল। কিংবা আর্কিমিডিসের সূত্র ভুল। কিংবা–”

    সুমি এবং গাব্বু হাল ছেড়ে দেওয়ার ভঙ্গিতে মাথা নাড়ল, বুবুন ভদ্রতা করে কিছু বলল না। সুমি দ্রতা নিয়ে মাথা ঘামায় না, সোজাসুজি বলে ফেলল, “পিয়াল, তোর মাথাটা খারাপ।”

    “মাথা-খারাপ?” পিয়াল চোখ লাল করে বলল, “কেন বলছিস আমার মাথা খারাপ?

    “কেন মাথা-খারাপ সেটা যে বুঝতে পারিস না সেটাই হচ্ছে তার প্রমাণ।”

    পিয়াল এবারে রেগে গেল। পিয়াল রেগে গেলে তার কথার মাঝে একটু তোতলামো এসে যায়। তোতলাতে তোতলাতে বলল, “য-য-যদি দেখা যায় মা মা মাধ্যাকর্ষণ কাজ করছে না, বু-বু-বুবুন হঠাৎ হুশ করে আকাশে উঠে গেল–”

    “কী বললে? বুবুন চোখ বড় বড় করে বলল, “আমি আকাশে উঠে গেলাম?”

    “হ্যাঁ। তা হলে চাচা অবাক হবেন না? চমকে উঠবেন না?”

    সুমি এবং গাকেও স্বীকার করতে হল যদি এরকম একটা ব্যাপার ঘটে তা হলে আব্বা রীতিমতো চমকে উঠবেন এবং ভুলে-যাওয়া অনেক কিছু মনে পড়ে যেতে পারে। গাব্বু কানে আঙুল দিয়ে খানিকক্ষণ কান চুলকে বলল, “কিন্তু বুবুনকে হুশ করে আকাশে পাঠাবি কেমন করে? পিঠে রকেট বেঁধে আগুন জ্বালিয়ে দিবি নাকি?”

    পিয়াল মাথা চুলকে বলল, “সেটাই চিন্তা করে করতে হবে। সত্যি সত্যি তো আর আকাশে পাঠানো যাবে না, দেখে যেন মনে হয় আকাশে উঠে যাচ্ছে।”

    “কিন্তু সেটা করবি কেমন করে?”

    পিয়াল আবার মাথা চুলকাল।”দড়ি দিয়ে বেঁধে কপিকল দিয়ে টেনে তোলা যায়। যদি দড়ি রং করে নেওয়া যায় যেন দেখা না যায়।

    এরকম সময় আলোচনাটা থামিয়ে দিতে হল, কারণ হাঁটতে হাঁটতে সবাই নিচু জলার মতো জায়গাটায় এসে হাজির হয়েছে এবং ব্যাঙকে চমকে দিলে তারা কীরকম কাণ্ড জ্ঞান হারিয়ে লাফিয়ে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পড়ে সেটা সবাই আবিষ্কার করে ফেলেছে। আব্বা পিছিয়ে এসে বুবুনদেরকে বললেন, “ব্যাঙেরা খুব জোরে লাফ দেয়।”

    বুবুন মাথা নাড়ল। সুমি বলল, “জি চাচা।”

    আব্বা খুব গম্ভীর হয়ে বললেন, “ব্যাঙরা বসে থেকেই লাফ দিতে পারে। দাঁড়াতে হয় না।”

    বুবুন একটু অবাক হয়ে আব্বার দিকে তাকাল, ব্যাঙ যে দাঁড়াতে পারে এই জিনিসটাই কখনো তার মনে হয়নি। গাব্বু খানিকক্ষণ আব্বার দিকে তাকিয়ে হঠাৎ হি হি করে হাসতে শুরু করল। আব্বা অবাক হয়ে গাব্বর দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন, “কী হল ছেলে তুমি হাস কেন?”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাজু ও আগুনালির ভূত – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }